আজ আমার মন ভাল দিন.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
আজ আমার মন ভাল দিন..
দুঃখ যত উড়িয়ে দেব পাহাড়চূড়ায়;
কষ্ট গুলো ভাসিয়ে দিয়ে নদীর জলে,
অভিমান - রাগ চাপা থাক মাটির তলায়..
আজ আমার মন ভাল দিন..
আজ আমি আকাশ ছোঁব;
করে ভর পাখির ডানায়..
আজ আমি আনন্দেতে থাকব ভেসে;
ক্ষনিকের উল্লাসেতে রাখব ভরে হৃদয়খানি,
ক্ষনে ক্ষন উঠবে হেসে নয়নতারা..
আজ আমার মন ভাল দিন..
অকারন খুশির ছোঁয়া লাগুক প্রাণে,
আজ আমি হব-ই সুখী..
উচ্ছাসেতে,
বাঁধনহারা..
আজ আমার মন ভাল দিন..
আজ আমি দিনের শেষে..
রাঙিয়ে মন খানি মোর সুখ - স্মৃতিতে;
বারে বার আনন্দেতে হব-ই সারা,
ঘুম ঘোরে স্বপন মাঝে
আসবে ফিরে পরশ তারি..
আজ আমার মন ভাল দিন..।।
আষাঢ়ে
(ক) রহমত মাষ্টার
আষাঢ় মাস। দুদিনের টানা বৃষ্টি সব কিছুকেই যেন থমকে দিয়েছে।
রহমত মাষ্টারের মেজাজ খিচড়ে আছে ভীষন অসময়ে ঘুম ভাঙার জন্য। রাত প্রায় ৩ টা। ঘুম ভাঙার কারন যে পেটে মোচড় তা আর বুঝতে বাকী নাই তার। বাইরে ভীষন বৃষ্টি। গ্রামের এই এককোনে তার টিনের ঘরখানায় সে একা থাকে। বউটা মেয়েটাকে নিয়ে গেছে বাপের বাড়ী, বেড়াতে। টিনের চালে বৃষ্টির টিপ টিপ শব্দ তাকে আবারও সন্ত্রস্ত করে তুললো। পেটের মোচড় নিবৃত করতে চাইলে তাকে ঘর থেকে অন্তত ১০০ গজ হেটে ঝোপ আর বিশাল বাঁশ ঝাড় এড়িযে পুকুরের পাড় ঘেঁষে বাস্তু ভিটার শেষ সিমানায় ছোট ঘরটাতে যেতে হবে। চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখছে না সে যেন কোনভাবেই হোক সকাল পর্যন্ত চেপে রাখা যায়। অন্য স্মৃতি কিছু এদিক সেদিক হাতরে ভুলে যেতে চাইছে ব্যাথাতুর মোচড়টাকে। কিন্তু খুব একটা সুবিধা হচ্ছে না। ঘুরে ফিরে ঘরের খুব কাছে সুন্দর একটা ছোট ঘর নির্মান ও তা ব্যবহারে সুখের কথাই বার বার ভেসে উঠছে।
শৈশব
“শৈশব" বড়োই মধুর সময়। আমাদের মধ্যে খুব কম মানুষই পাওয়া যাবে যারা তার শৈশব ফিরে পেতে চায় না। মানুষের জীবনে এটিই সবচেয়ে মূল্যবান, রঙিন, স্বপ্নময়, নিষ্পাপ, দুশ্চিন্তামুক্ত, আনন্দঘন সময়। ছোটবেলার মধুময় স্মৃতি বুকে বয়ে নিয়েই আমরা বড়ো হয়ে উঠি। এই সময়টায় দুনিয়ার কোনো জটিলতাই আমাদের স্পর্শ করতে পারে না। দুনিয়ার ভেজাল থেকে আমরা ১০০ হাত দূরে থাকতে পারি। কিন্তু আস্তে আস্তে বড়ো হওয়ার সাথে সাথে যতো সব জটিলতায় জড়িয়ে পড়ি।
আমি কিন্তু আমার মতো কিছু-সংখ্যক মানুষের কথা বলছি যাদের জীবনে শৈশব, কৈশোর, যৌবন ও বার্ধক্য পর্যায়ক্রমে আসে। তাদের কথা কি আমরা ভাবি যারা জন্মের পর থেকেই জড়িয়ে পড়ে জীবনযুদ্ধে, জীবনের মৌলিক জিনিসগুলোও যাদের কাছে সহজলভ্য নয়? সুবিধাবঞ্চিত এইসব শিশু আমাদের বাড়ির বাবুইসোনাদের মতোই এক একটা হীরার টুকরা, কিন্তু কয়লা দিয়ে ঢাকা। তাই চোখে পড়ে না এইসব গুপ্তধন; দিনের পর দিন মাটিচাপাই থেকে যায়।
পেডাগগি
বিল গেটস ডেস্কটপ কম্পিউটার সহজলভ্য করে তুলবার আগে বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষ গবেষকগণ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ দক্ষ ছিলেন, তাদের গবেষণাগারের বাইরে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর আবেদন ততটা ছিলো না, শুধুমাত্র বিজ্ঞানের ছাত্রদের একাংশ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং সম্পর্কে জানতো, ফোরট্যান শিখতো , অন্য সব কম্পিউটার প্রোগ্রাম তখনও সম্ভবত জন্ম নেয় নি, কিন্তু উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বাজারে আসবার পর মূলত পরিস্থিতি বদলে যায়, আইসিটি ক্লাশরুমের ধারণাটা ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠে, শিক্ষাগবেষণাক্ষেত্রে আইসিটি ক্লাশরুমের প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো কতটা বাণিজ্যিক প্রয়োজনে, কতটা মূলত শিক্ষাবিস্তারের আন্তরিকতায় এ সংশয়টুকু রয়েই যাচ্ছে।
একটা মুভি, দুইটা গানের কথা..
#
ড্রিউ ব্যারিমোর আমার বেশ প্রিয় একজন নাইকা। এমন গালটুস একটা মেয়ে, কার না ভাল লাগে!
তার 'ফিফটি ফার্স্ট ডেট' আমার দেখা সবচাইতে প্রিয় মুভিগুলার একটা। ২০০৭ এর 'মিউজিক এন্ড লিরিক' ও অনেক ভাল্লাগছিল।
এই কয়েকদিন আগে একটা নতুন মুভির পোস্টারে তার ছবি দেইখা নিয়া আসছিলাম।
দেখলাম আর মুগ্ধ হইলাম।
মুভির নাম 'বিগ মিরাকল'।
![]()
সত্যি কাহিনী নিয়া বানানো যে কোন মুভি সাধারণত অসাধারণ হয়, এইটাও তার ব্যাতিক্রম না।
এই নদী বড় মায়াবতী
পদ্মাপাড়ের ছেলে আমি - গায়ে এখনো লাল মাটির গন্ধ লেগে আছে - তামাটে গাত্রবর্ণ এখনো সেই ভীষণ খরতপ্ত বরেন্দ্র সূর্যের গল্প বলে - আমের মুকুলকে এখনো প্রিয় ফুল মানি - কৃষ্ণচূড়াকে এখনো সৌন্দর্যের রাণী বলি - জীবিকার তাগিদে কিভাবে যেন চলে এসেছি সুরমার কোলে - কিন্তু মন পড়ে রয় ওই পদ্মার তটে - লোকমুখে শুনি - পদ্মা শুকিয়ে গেছে - নদী নাকি আগের মত জাগে না - প্রমত্তা রমণী বুঝি বৈধব্য আশ্রয় করেছে - হবে বা - কলির যুগ - কালের ধর্ম - নদীও হয়ত হারাতেই চলেছে - কিন্তু ওই নদীর ধার ঘেঁষে যারা বড় হলাম - তাদের কাছে কি পদ্মার মৃত্যু আছে - এই যে দেখো - যেই না চোখ বন্ধ করেছি - বুকের মাঝে উথাল পাতাল - নদী আমায় ভাসিয়ে নিচ্ছে - এই তো যেন দাড়িয়ে আছি টি বাঁধের 'পরে - জুতো জোড়া খুলেছি মাত্র - পা দুটো যাচ্ছে ভিজে - এ যেন ঠিক আমার মায়ের মত - ছেলের গায়ের গন্ধ চেনে - হাত বারাবার লহমা আগেই ভালবাসায় কাছে টানে - এই নদী বড় মায়াবতী - যত দুরে যাই - যতই নিজেকে যুক্তির চাদরে মোড়াই - তবু নদীর মায়া কাটে না - বাস ট্রেনের ধোঁয়ায় কতবার পুড়েছে দেহ - বাস্তব অবাস্তব দু :স্বপ্নের যাতাকলে কতবার হারিয়েছে মন - তবু নদী শুধু ডাকে আয় আয় - পোড়া এই দে
কে এই আবুল

তিনি একসময় টিসিবির একজন সামান্য কর্মচারী ছিলেন। ১৯৭৪ সালের ঘটনা। তখন সব কিছু রাষ্ট্রায়াত্ব, টিসিবি ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। সব ধরণের পণ্য আমদানি করতো এই সংস্থাটি, রপ্তানিও করতে হত টিসিবির মাধ্যমে।
দুর্নীতিটি ছিল গম নিয়ে। দুর্নীতির ব্যাপকতা এতোটাই বেশি ছিল যে, শেষ পর্যন্ত চাকরি চলে যায় তার। বঙ্গবন্ধুর সময় সরকারি চাকরি হারানো এই লোকটির নাম ছিল সৈয়দ আবুল হোসেন। চাকরি চলে গেলেও লোকটির কোনো সমস্যা হয়নি। কারণ প্রচুর অর্থের মালিক হয়েছিলেন টিসিবিতে চাকরি করতেই। সেই টাকা দিয়ে একটা প্রতিষ্ঠান চালু করলেন। নিজের নামেই প্রতিষ্ঠান। নাম-সৈয়দ আবুল হোসেন কোম্পানি লিমিটেড-সংক্ষেপে এসএএইচসিও বা সাকো। ১৯৭৫ সালে এর প্রতিষ্ঠা।
এক স্রষ্টা-এক বিশ্ব-এক জাত '' মানুষ''
বাউল কথাটির উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে । ''বাউল'' শব্দের অভিধানিক অর্থ ধর্মীয় সংকীর্নতা ও সংস্কার হইতে মুক্ত সাধক সম্প্রদায়বিশেষ।কারও মতে সংস্কৃত 'বাতুল'শব্দ হতে বাউল শব্দের উৎপত্তি কারন তারা বাতাশের হিসাব করে[[বাতাশের হিসাব মানে কি তা ৪নং ষ্টেপে বলা আছে]]।
কারও মতে বাউল আউল শব্দ হতে আসছে, মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত বাউলরা আউলিয়া স্বরুপ।মুসলিম বাউলরা বে-শরাহ ফকির/সাধক। বে-শরাহ মানে শরীয়ত বা সামাজিকতা বহির্ভুত যেমন নামাজ রোজা হ্জ্জ যাকাত ইত্যাদি বিধি নিষেধ পালন করে না তারা নিজেকে জানার মাধ্যমে আল্লাহকে জানতে চায়।বাউল হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যেও দেখা যায় অনুরুপ ভাবে তারা হিন্দু ধর্মের আনুষ্টানিকতা মানে না তারাও নিজেকে জানার মাধ্যমে ঈশ্বরের খোঁজ করে।
বাউলরা বিশ্বাস করে মানুষের জাত এক 'মানুষ'। একমাত্র সৃষ্টির বা বংশ বিস্তারের তরে নারী ,পুরুষ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।বাউলরা বিশ্বাস করে,মানব দ্হেতেই সাধন ভোজন ধর্ম কর্ম । দেহের উর্ধে কিছু নাই । আল্লাহ বা ইশ্বর দেহতেই বিরাজমান। বাউলরা বিশ্বাস করে,যা আছে বিশ্বভান্ডে তা আছে দেহ ভান্ডে ।বাউলরা আরএক অর্থে দেহ তত্ববিদ।
আনন্দ বিষাদের দিন রাত্রী!
ঢাকায় যখন বাবা মার সাথে ছিলাম, টিভি ছিলো তখন রবিবার ছিল মন ভালো থাকার দিন। রিসেন্ট কলকাতার সিনেমা, হিন্দী সিনেমা, ইংলিশ সিনেমা, যাবতীয় টিভিতে যা দেখায় তাই ভালো লাগে এই দিন। এমনকি সামান্য টিভি দেখার জন্যে আমি অনেক জায়গাতে যাই নাই যে মিস হবে বলে প্রোগ্রাম। যাই হোক রবিবার মানেই আবার ছিলো প্রথম আলো পড়া। আমার প্রিয় সাপ্লিমেন্টারী স্টেডিয়ামে চোখ বুলানো। ১৯৯৯ সালে তখন ক্রিকইনফো গোল ডটকম কিছুই চিনি না। চিনি খালি জনকন্ঠ, ভোরের কাগজের খেলা নিয়ে সাপ্তাহিক আয়োজন। তখনি পরিচয় হয় প্রথমআলোর স্টেডিয়ামের সাথে। গোগ্রাসে গিলছি ২০০৭ সাল পর্যন্ত। নিজে পত্রিকা কিনি নাই অন্যের বাসা থেকে পকেটে চুরি করে আনছি পড়বো বলে। রবিবার নিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় বন্ধু মহিউদ্দিন। তার বাবা কোন কোর্সে গেছিলো বিদেশ, আসার সময় ক্রিকেট সম্পর্কিত বই পত্রিকা আনছিলো কিছু। বাসা থেকে মিথ্যা বলে টাকা নিয়ে সেই বই পড়ছি ভাড়া দিয়ে। ইংরেজি তখন অতো ভালো বুঝি না কিন্তু ছবিওয়ালা সেই বইটা জগতের সেরা শান্তি এনে দিয়েছিলো। যাই হোক যখন থেকে নেটে বসা শুরু করলাম তখনই মনে হলো কোথা থেকে এরা এতো খবর জানে। খোজ পেয়ে গেলাম সবকিছুর। তারপর থেকে আগ্রহ কমতে থা
শীর্ণ শীতের লতা... আমার মনের কথা...
খুব বড় কিছু হয় নি। জীবনের বিশালতার তুলনায় কোন কিছুকেই ইদানীং আর খুব বেশী বড় বলে মনে হয় না।
তারপরও কিছু প্রাপ্তি আর এর পিছনে ফেলে আসা বহু অপ্রাপ্তির হিসাব মিলানোর সময় মাঝে মাঝে অনেক ছোট বিষয়গুলো বড় হয়ে সামনে চলে আসে।
আজ আমার বিসিএস এর চূড়ান্ত ফলাফল দিলো পিএসসি। আমাকে প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার হিসাবে বাংলাদেশ রেলওয়েতে নিয়োগ দেওয়ার জন্যে সুপারিশ করা হয়েছে।
এই ঘটনাটাকেই বললাম তেমন বড় কিছু নয়। আবার বড় কিছুও।
এর পিছনে আমার অনেক দিনের সাধনা রয়েছে। রয়েছে অনেক ত্যাগের ইতিহাস। এভাবে বলছি শুনে কেউ যদি উপহাস করে বলেন, "মনে হচ্ছে যেন রাজ্যজয় করসো মিয়া" তো বলতেই পারেন কিন্তু আমি জানি আমি দীর্ঘ আটটা বছর ধরে কতখানি যন্ত্রণা বুকে চেপে এই একটি দিনের জন্যে অপেক্ষা করে এসেছি।
অপেক্ষার যাতনা বড় ভয়ংকর। আর সেই অপেক্ষা যদি বছরের পর বছর ধরে করতে হয় আর তার শেষে যদি মোটামুটি একটা সুসংবাদ পাওয়া যায়, তাহলে রাজ্যজয়ের অনুভূতিটাই হয়। আমার বিশ্বাস জীবনের কোন না কোন সময়ে প্রত্যেকেই এরকম অনুভূতির স্বাদ পেয়েছেন।
আজ আমি অনেক খুশী।
এলেবেলে সাতকাহন
এক
রোদ্দুর। আমার বড় ছেলে। এইতো সেদিন ওর এই পৃথিবীতে আসা। এক রাতের মধ্যে তার মা'কে ৬ ব্যাগ রক্ত যোগাড় করে দেয়া। পৃথিবীতে এসেই জীবনের প্রথম ২৪ ঘন্টা ও ইনকিউভিটরে কাটালো। সেই ছেলেটা দেখতে দেখতে বড় হয়ে গেলো। ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। ৬ ক্লাসে পড়ে। গবর্ণমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে। আজ তার ১২ বছর শেষ হলো। বেঁচে থাক বাবা। মানুষ হ...
দুই
কাল অনেকদিন পরে এক বন্ধুর সাথে দেখা হল। আমার বিগত এক বছরের কাহিনী জানতে চাইলো। বললাম। ... সব শুনে শুভাকাঙ্খী বন্ধুটা বললো, জীবনটা (অর্থনৈতিক) আবার গোড়া থেকে শুরু করেন...
তিন
গতকাল ছিলো ছোট বোন সুলতানা শিপলুর জন্মদিন। কেমন করে ছোট এই মেয়েটি 'মহিলা' হয়ে গেল। এখন তার ২ কন্যা। অন্যতমা আর বর্ণমালা। দুজনেই স্কুলে পড়ে। সেদিনের সে পুঁচকি মেয়েটা এখন পুরোপুরি গৃহিনী। সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে। কিছুই করা হয়নি। দেখা হয়নি কিছুই। হায়রে, জীবন এত ছোট কেনো ?
চার
২ বছর ৪ মাস বয়সি 'সমুদ্দুর' রাতের বেলা তার দাদা 'রোদ্দুর'কে যেয়ে বললো- "হেবি বাদদে দাদা..."। রোদ্দুরের জন্য একটা কালো আর হলুদ মিশেলের হাত ঘড়ি কিনলাম কাল। সেটা সমুদ্দুর গিয়ে তার দাদাকে দিলো...
পাঁচ
ছয়টি ব্লগরব্লগর
১.
এক লোক গলায় দড়ি দিয়ে মরার জন্য দড়ির গাছি নিয়ে গাছে উঠছিল। মাঝপথে উঠে দেখলো গাছের কোটরে একটা সবুজ সাপ সাড়ে তিন প্যাচ দিয়ে বসে বসে ধ্যান করছে। লোকটা আর উপরে উঠতে সাহস পেলো না। সুরসুর করে নেমে এল মাটিতে। সাপটাকে কষে গাল দিল, দুশশালা শান্তিতে মরতেও দিলি না।
২.
টাঙ্গুয়ার হাওর দেখার সাধ আমার অনেকদিনের। কোন সুযোগ পাচ্ছিলাম না। তাই প্রস্তাব পাওয়ামাত্র চাকরীর গুল্লি মেরে টাঙ্গুয়া যাবার জন্য তৈরী হচ্ছিলাম। তখন চাকরীর সাথে সত্যি সত্যি গোলাগুলি চলছিল। যে কোন সময় আমি বা চাকরী যে কেউ যে কাউকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিতে পারি। বেপরোয়া সিদ্ধান্ত নেবার মতো চমৎকার একটা পরিস্থিতি। কিন্তু টাঙ্গুয়া যাবার জন্য চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবার কদিন পর একদিন সাদা পতাকা তুললো চাকরী। শান্তি স্থাপন হয়ে গেল চাকরীর সাথে। শান্তি হবার পর পর এমন একটা কাজের শিডিউল পেলাম, আমার টাঙ্গুয়া স্বপ্ন লাটে উঠলো। শান্তিকালীন সময়ে চাকরীকে লালকার্ড দেখানোর কোন কায়দা আছে কি?
৩.
জেনে নিন কিভাবে আপনার ক্যামেরার Firmware Update করবেন

আমি Nikon ইউজ করি তাই যারা নাইকন ইউজার আছেন তাদের বলি। আপনি জানেন কি আপনার ক্যামেরার বডির Firmware আপডেট করা যায়? এইটি খুব সহজে আপনি করে নিতে পারেন। এইটা অনেক টা iphone'র iOS এর মতো আপডেট করে নিলে লেন্স জনিত অনেক সুবিধা বা অনেক বিষয়ে ক্যামেরা বডি কে আপডেট রাখতে পারেন।
আপনি নিজেও নেটের লিঙ্কের বর্ণিত কাজ গুলি স্টেপ বাই স্টেপ করে কাজ টি করে নিতে পারেন।
Nikon'র লেটেস্ট আপডেট ভার্সন গুলা এখানে পাবেন। মিলিয়ে নিন আপনার ক্যামেরা মডেলের লেটেস্ট Firmware টি।
http://support.nikonusa.com/app/answers/detail/a_id/13783
আর Windows user রা কিভাবে আপডেট করবেন সেইটা এখানে পাবেন... ভালো করে পড়ুন কয়েক বার। আশা করছি বুঝতে পারবেন ছবি দেখেই।
http://nikonimglib.com/dcdata/manual/En/lensprofile_win_en_ABF.html
এক রাষ্ট্রদূতের করুণ কাহিনী
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশের সাহস বেড়ে গেছে। একটি শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিটলামি শুরু করছে দিপুমনির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রদূতটি সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশে। তিনি এসেই বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছেন, নানা ধরণের কথা বার্তা বলছেন। সারাদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু বাসায় গিয়ে শান্তি নাই। ঘরে বউ নাই। কারণ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বার বার তাঁর ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করছে।
একটি দীর্ঘশ্বাস- শুধুই একটি দীর্ঘশ্বাস এনেছি আমার সমস্ত পার্থিব জীবনের বিনিময়ে
বয়স বাড়ছে - মনটা বোধহয় আগের মত আর সজীব নেই - পথ চলতি তরুণদের দিকে তাকালে কিছুটা ঈর্ষাই যেন বোধ করি ইদানিং - চিরশত্রু মেদ শরীরে অনুপ্রবেশ করেছে - তিন দশকের গল্প শেষ - স্বাভাবিক নিয়মে চললে আর বাকি দু'দশক - আশা করি নিয়মের ব্যতিক্রম হবে - সময়টা এত দীর্ঘ হবে না - মাঝেই মাঝেই পিছু ফিরে দেখি - মনে আশা - ফেলে আসা পথে ভালো কিছু কাজ কি দেখা যায় - ক্ষুদ্র বিন্দুসম হোক তবু এমন কোনো কিছু যার প্রতিদান স্রষ্টার কাছে প্রত্যাশা করতে পারি - বৃথা অন্বেষণ - কিঞ্চিতকর একটি আকরও আমি সংগ্রহ করে আসিনি - শুধু বয়সে বড় হলাম - মনের দিক থেকে - কর্মের দিক থেকে রয়ে গেছি শূন্য পাত্র - আমি বহু হাত ছুঁয়েছি - সম্পর্কের বহু মাত্রিক সমীকরণে নিত্যনতুন সহগের ভূমিকায় নেমেছি - প্রাপ্তি হয়ত নগণ্য - তবু এই ছিল জীবনের ধারা - এই ধারাতেই হাঁটছি এখনো - 'আজরাইল' নামের সেই প্রিয় মুখ ধারে কাছেই আছেন জানি - কিন্তু তিনি কতটা সময় নেবেন তা শুধু নিয়তিই জানেন - তারপরে অন্তিম যাত্রা - অলক্ষ্যের পথে - শবাধারে শুয়ে পড়ব - বুজে যাবে দুই চোখ - পার্থিব কাহিনীটা শেষ হবে - ওই মুহূর্ত টা নিয়ে আমি মাঝে মাঝেই ভাবি - অন্ধকার ঘরটা কেমন হবে - খুব কষ্টকর ?