অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৭ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

দুজনে

দুজনে
এম আর মামুন

তোমায় আমার ভালবাসা
রাখতে চাই সারা জীবন
মরন এলে একসাথে
মরবো দুজন
ভালবাসার ফুলদানিতে
রাখতে চাই তোমাকে ধরে
তোমাকে কাছে না পেলে যাব মরে
প্রেমের কসম দিচ্ছি তোমায়
তুমি আছ হৃদয়ে
একা একা গোপনে
আমি তোমাকে ছাড়া
কিছুই চাই না জীবনে
এই মনে ছিল কত আসা
তুমি আমার ভালবাসা
এই জীবনে হারাতে চাই না
এই মন দিয়েছি তোমাকে
তুমি ছাড়া কিছুই চাই না
তোমার আমার ভালবাসা
রাখতে চাই সারা জীবন
মরন এলে মরব একসাথে দুজন
সারা দিন বসে ভাবি
সারা রাত বসে ভাবি
আমি তোমাকে নিয়ে
চাঁদের দেশে দেব পারি
এ আমার স্বপ্ন কি স্বপ্ন হবে নাকি?

সুখে আছে যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা/ দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো এ দুঃখ রইবে না!

হেডলাইন দেখে চমকিত হবার কিছু নাই। ইহা কবীর সুমনের গান। বলা যায় অসাধারন গান। গানের টাইটেল " আমেরিকা প্রবাসী বাঙ্গালীর গান"। গানটার প্রত্যেকটা লাইন অসাধারন। তার ভেতরে আমার ভালো লাগে এই চার লাইন। গানের কথা গুলো অনেক টা এরকম---

আজ জানলার কাচে ডেকে গেছে এক পাখির মতন সকাল
যেনো রাখালিয়া বাশী এই শহুরে গলার ফাসি
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবে না।।

আমি ভিটে মাটি ছেড়ে এসেছি মহান টাকা পয়সার দেশে
এই দুনিয়া সর্বনেশে এরা সাগর ডিঙ্গিয়ে বোমা ফেলে আসে বীরপুরুষের বেশে
মরে কখনো বাচেনি যারা
আহা তাদের খিদের ইতিহাস এক বিশ্রী অন্ধকারা
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবেনা .।।

আজ সকালকে ডেকে বলি গাও রবি নজরুল গীতি
তাতে আমার ভীষণ প্রীতি দেখো সুরুচির পরিমিতি
আমি দেশ ভেঙ্গে ভেঙ্গে দুখান করেছি হিন্দু মুসলমানে
মুখের ভাষায় দেয়াল উঠেছে এই জল ওই পানি
আমি সবই মানি সবই মানি
শুধু মানি না যখন রহিম পরান ভাইরা মুক্তি চায়
তারা দুবেলাই খেতে চায়
আহা পাকস্থলীতে ইসলাম নেই, নেই কো হিন্দুয়ানী

বেহুদা

বাংলা ব্লগের সাথে পরিচয় ২০০৫ এর ডিসেম্বরে, যখন কেবলমাত্র সামহোয়্যার ইন ব্লগ শুরু হলো- সে হিসেবে বাংলা ব্লগের একেবারে প্রথম দিক থেকেই এরসাথে পরিচয়, বসবাস,গত ৬ বছরে বিচিত্র বিষয়ে লেখা হয়েছে, প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে, কখনও নিজের আগ্রহে কখনও নিতান্ত বাধ্য হয়ে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে, এভাবে ব্লগগুলোতে ধীরে ধীরে লেখার পর লেখা জমেছে। বাংলায় লেখার এমন সহজ সুযোগ পেয়ে সে সুযোগের যাচ্ছেতাই ব্যবহার করেছি, এভাবেই মনে হয় গত ৬ বছর পনেরোশোরও বেশী লেখা লিখে ফেলেছি। অনুভুতি কেমন হওয়া উচিত সেটা নিয়ে চিন্তিত। বিষয়টা আনন্দিত হওয়ার না কি বিব্রত হওয়ার সেটাও বলা কঠিন

“Invictus” ...হার না মানার গল্প

invictous.jpg

“Invictus” মানে "অপরাজেয়" বা "অপরাজিত"। উইলিয়াম আর্নেস্ট হেনলের এই নামে একটি কবিতা আছে যেটা তিনি হাসপাতালে হাড়ের যক্ষ্মায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিখেছিলেন। খুব কম বয়সে তিনি এই রোগে পরেন আর এই কবিতা লেখার কিছু আগে তার পা কেটে ফেলা হয়। জীবনের চরম দুঃসময়েও সাহস এবং নিজের মর্যাদা ধরে রাখার কথাই এই কবিতার প্রতিপাদ্য। “Invictus” কে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণার কবিতা হিসাবে দেখা হয়। ২৭ বছর কারাবন্দী জীবনে এই কবিতা নেলসন ম্যান্ডেলার নিজের এবং অন্য কয়েদীদের অনুপ্রেরণার শক্তি হিসাবে কাজ করে। “Invictus” সিনেমাতে ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকা রাগবি দলের অধিনায়কের হাতে এই কবিতাটি তুলে দেন যা তাদেরকে রাগবি ওয়ার্ল্ড কাপ জয়ে অনুপ্রাণিত করে।

ধূসর গোধূলিঃ বিষন্ন ছায়াপথ

dhusor godhuli-14_0.jpg
হারু মেম্বার গদিতে বসে পান চিবাতে চিবাতে হাঁক দেয়- এই তোরা তাড়াতাড়ি কর। সন্ধ্যার আগে কাম শ্যাষ করতে না পারলে সবগুলার হাজিরা কাটুম।
সবাই তাড়াতাড়ি কাজে হাত লাগায়। জানে, মেম্বার সারাক্ষণ হাজিরা কাটার ধান্ধায় থাকে, সুযোগ পেলে ঠিকই টাকা কেটে রাখবে হারামিটা। আড়তের দরজায় এসে দাঁড়ায় বিভা। ওকে দেখে হারু মেম্বরের মুখে কপট হাসি দেখা যায়।
-এই যে পুন্নিমার চাঁন, আপনে আইছেন? যহন কামে হোগগলের দম বাইর হইয়া যায় তহন আপনারে দেহা যায় না, এহন বুজি টাকা পয়সায় টান পড়ছে। তাই এইহানে ধরনা দিতে আইছেন?
-না মেম্বর সাব, কয়দিন শরিলডা খুব খারাপ আছিলো, তাই আইতে পারি নাই।
-আইজকা দিন শ্যাষ, আর কামে নেওন যাইব না। কাইলকা আইও।
-আইচ্ছা, বলে ফিরে যায় বিভা।

সকালে উঠেই কাজে যাবার জন্য তাড়াহুড়া করতে থাকে বিভা। সময়মত চাউলের আড়তে যেতে না পারলে কাজে নিবে না হারু মেম্বর।
-এই প্রভা ওঠ। আমার এহনই বাইর হইতে অইব।
-তুমি একদিনও আমারে ঠিক মতন ঘুমাইতে দেও না

বৈদেশ যামু, না যামুনা- ১

বৈদেশ যাইনা অনেকদিন। গরীবের বৈদেশ মানেতো হৈলো ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়া। সেই ২০০৯ সালে একবার মালয়েশিয়া গেছিলাম। তারপর দেশের এই মাথা থেকে সেই মাথা, পাহাড় থেইকা নদী, হাওড় থেইকা গাং সবখানে গেছি। খালি বৈদেশ যাই নাই। এইটা একটা বিরাট দুঃখ। আরো দুঃখ আছে। আমার অনেক হলুদ জিনিস আছে। এই যেমন- মোটর সাইকেল, রেনকোট, কলম, সেন্ডেল, শার্ট, টি-শার্ট, ফতুয়া, লাইটার, সানগ্লাস... এইসব কথাবার্তা কৈয়া একটা স্ট্যাটাস দেওনের একদিন পরে আমার প্রিয় মানুষটা মৈরা গেল। তাঁরে লৈয়া তাঁর কন্যাসম স্ত্রী শাওন যা কর্মকান্ড করলো ! রাগে-দুঃখে আর শরমে আমার জান যায়... এই দিকে শাওন বেটির একের পর এক মিথ্যার বেসাতি ...

জনমের মাস

জুকার্বাগের শাইটে ঘুর্ফির কর্তেয়াছিলাম। হঠাশ দেখি ফিডারে কইরা একখান নিউজ খাবাইতে চাইতেছে জুকার্ভাই। সবতের জনমের মাস কবে সেডি জানবার্চায়া পোল খুলছে কুঞ্জানি পোলাপাইনে। কি উদ্দেশ্য-বিধেয় কেডা জানে Confused তয় আমারেক কাজিন্বোইনে ভোট দিসে দেইখা আমার ফিডেও চইলা আইসে।
তো, নিলাম অনেগদিন পর একখান ইস্কিরিমশট।
দেইখা লই কি আছে সেই শটে

untitled.JPG

সেই ছুডুকালের মত সুতরাং চিন্নো দিয়া কইতে মঞ্চাইতেছে Wink






নবেম্বর মাসে মাইনষের অমুক জিনিস মেইবি উত্তাল হইয়া ঊডে Cool Crazy মজা কোক Drunk ভাগন্তিস
ফলাফ্ল? ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?
অগাস্টে গাদাগাদা পুলাপাইন Tongue Tongue Tongue

ধূসর গোধূলিঃ আপন ভূবনে ফেরা

অনেকদিন পর নাহিদকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসলো শিউলি। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ছুটির অভাবে দু’জন একসাথে আসা হয়নি বহুদিন। শ্বশুরবাড়ি থেকে একা একা বাবার বাড়িতে হুট করে আর আসা হয়না শিউলির। এবার ঠিক হয়েছে নাহিদ চলে গেলে ও বেশ কয়েকদিন থেকে যাবে এখানে। দীর্ঘদিন পর ভাই বোনদের কাছে পেয়ে খুব খুশি। অয়নকে নিয়ে আশপাশটা ঘুরে এসে শিউলি দেখে মা চাল ভিজিয়ে ঢেকিতে গুড়া করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কাছাকাছি আসতেই বকুল আর অয়নের দুষ্টুমি শুরু হয়ে যায়। অয়নকে দেখেই বকুল ক্ষেপাতে শুরু করে-
-এই পুচঁকি, আবার বান্দরের মতন লাফাইতে কই গেছিলি?
-এই ছোটু, তুই আমারে পুচঁকি কইলি ক্যান? বলেই বকুলকে ধরার জন্য পিছু পিছু দৌড়াতে থাকে অয়ন। শিউলি ওদের দিকে তাকিয়ে হাসে। ও জানে, পুচঁকি বললে অয়ন ক্ষেপে যায়, তাই বকুল সুযোগ পেলেই ওকে ক্ষেপায়।
দৌড়াতে দৌড়াতে যেই বকুল বলে- আমি বিভা’পুদের বাড়ি যামু, তুই কি আমার লগে যাবি? ব্যাস! সব রাগ শেষ। ছোটদি আমারে নিয়ে যা, বলে বকুলের পিছে পিছে বিভাদের বাড়ির দিকে ছুটতে থাকে অয়ন। বকুল ও অয়নকে দেখে অবাক হয় বিভা।
-আরে, অয়ন ভাইয়া যে! কি খবর?
-বিভা’পু, মা তোমারে যাইতে কইছে। বকুল বলে

শপথ

কথা দিচ্ছি শবযাত্রার মতো সুবেশ আর পরিপাটি জীবনে
ফিরে যাবো। যত ক্ষত, যত ঘৃণা উগড়ে দেবো গাঢ়শূন্যতায়;
আর নয় আপসের মতো নম্রতার মেঘ, অযুত ইশারা ভুলে
যাবো দেখে নিও- আমি তোমার কাছাকাছি কোন অশরীরি
ইজ্জত মানি না। গোরখোদকের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাবো প্রেম

দিনের আভাস নিয়ে দিনে দিনে ভুলে যাবো ঋণ আছে, ঋণ আছে
আমার যা কিছু দেখা সবইতো তোমার দ্বিধা, যত উচ্চারণ বৃষ্টিময়
সবইতো শপথ তোমার। ফিরে যাবো; দেখো, ঠিক ফিরে যাবো।

ব্যাংকক যাত্রা নিয়া কথাবার্তা

..........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
১.
আমাদের সবার বন্ধু প্রতুলের খুব সখ ব্যাংকক যাবে। সেই ছোটবেলা থেকে ব্যাংককের কত কত গল্প শুনে আসছে। এখন বড় হয়েছে, কিন্তু সখটা রয়েই গেছে। বিশেষ করে, শরীরটা একটু ম্যাজ ম্যাজ করলেই মনটা ব্যাংকক ব্যাংকক করতে থাকে।
একদিন হাতে কিছু টাকা পয়সা আসলো। প্রতুল ব্যাংকক যাওয়ার ইচ্ছা আর লুকিয়ে রাখতে পারলো না। বউকে যেয়ে একটু ভয়ে ভয়ে বলেই ফেললো ব্যাংকক যাওয়ার কথা। বউ শুনে খুশী। কাপড় গোছগাছ করতে শুরু করলো। প্রতুল এবার বললো, সে একাই যাবে, বউকে নেবে না।
প্রতুলের বই আগুনমাখা দৃষ্টিতে প্রশ্ন করলো কেন বউকে নেবে না?
প্রতুল নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে বললো, 'ইয়ে মানে, টিফিন নিয়ে কেউ কি রেস্তোরায় যায়?'

আত্মমগ্ন কথামালা ১৪

সরলতা

মানুষের সরলতা সবসময় আচরণে লেখা থাকে না,
কখনো কখনো ওপরের ঠোঁটের কোনায়ও তাকাতে হয় পেছন থেকে।
সরলতার আচরণ, সে তো চর্চিত অভিনয়;
কৈশোরিক সারল্য ফুটে ওঠা ঝলমলে ঠোঁটের কার্ণিশে যে দৃষ্টি রেখেছে
সে ঠিকই চিনে নিয়েছে অভিনয় আর স্বতঃস্ফুর্ততার পার্থক্য...

সবুজ

বিস্তৃত সবুজের মাঝে লুকানো অন্ধকার দেখে ভয় জাগে
আলোর উপস্থিতি স্বস্তি আনে না মনে...

ঠোঁট

আমাদের ঠোঁটে আঁকা থাকে বিবিধ আবেগের গ্রাফ
সময় এবং অসময়ে ওঠানামা করে নিয়মহীন...

পালকী

thumbnail.aspx_.jpg

আজ শুধু নারীর নাম
এছাড়া নাই তার দাম।

সম্ভ্রান্ত বাঙ্গালী নারী
বিয়েতে শশুড় বাড়ী
অন্য আরও কত কাজে
থাকত সে নানা সাজে।
কাঠের একটি ছোট ঘর
লাজুক নারী তার ভিতর
দরজা ছিল পর্দা টানা
দেখ যেতনা মুখ খানা
চার বেয়ারা ঘাড়ে চড়ে
দেশ বিদেশ ঘুরে ফিরে
হুমহুমনা চলে দুলকি
ঐতিয্যবাহী সে পালকী।
চলত সদম্ভে
হারাল কালের গর্ভে!

এখন যাদুঘরে
অনড় থাকে পরে
নিঃসঙ্গ ও একাকী
ঐতিয্যবাহী সে পালকী।

মশিউর রহমান
26.07.2012

ভাই - কেমুন আছেন ?

ইন্টারকম বেজে ওঠে - রিসেপশন থেকে জানানো হচ্ছে - পার্শ্বেল এসেছে - নিচে নেমে দেখি - বিশাল এক ঝুড়িভর্তি আম - সূদুর রাজশাহী থেকে এসেছে - প্রেরকের নাম 'হাসান' - লিফট বেয়ে উপরে উঠছি - সহ-আরোহীদের নানাবিধ প্রশ্ন - রাজশাহীর আম ? কত কেজি ? ফজলি ? প্রাইস কত ? - প্রথম তিনটির উত্তর দিতে পারলাম - চতুর্থ প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই - কখনো জানা থাকে না - গত কযেক বছর ধরে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে - আম আসে -লিচু আসে - প্রেরক দাম জানায় না - আমরাও মুল্য পরিশোধের সুযোগ পাইনা - বড় বিব্রত লাগে - নিজেকে ক্ষুদ্র মনে হয় - আবার কিছুটা প্রশান্তিও যেন পাই - ভালবাসা আসলেও যুক্তি মানে না.

হাসান'কে ফোন দিলাম - 'আবার আম পাঠিয়েছ - এবার অন্তত দামটা নাও' - ওপাশ থেকে অভিমানী প্রত্যুত্তর- 'কি বুলছেন ভাই - আপনাদের সাথে কি আমার টেকার সম্পর্ক - চাচা বাইচ্যে নাই বুলে কি আমাক পর কইরে দিলেন ? ' - এই প্রশ্নের উত্তর হয় না - রাজধানীর কংক্রিটের দালানে বসে এক মফস্স্বলী যুবকের সারল্যমাখা অভিমানের মূল্যায়ন আমার মত নাগরিক কীট কিভাবে করবে বলুন?

রোজায় ক্লান্ত দিন!

ঘুরে ফিরে পোষ্টের শিরোনামে 'দিন' শব্দটাকে হটানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু তা আর হলো না। না হলেই বা কি আমি লেখি ব্লগে দিনলিপির মতো কিছু একটা। তা নিয়ে অতো চিন্তা করার কিছু নেই। যা মনে আসে তা নির্বিঘ্নে লেখাই আমার আপাতত কাজ।

ধূসর গোধূলিঃ ক্লান্ত দিনের শেষে

সকাল থেকে ঘরের দরজায় চুপচাপ বসে আছে বিভা। প্রবল বৃষ্টিতে কয়েকদিন কাজে যেতে না পারায় গত তিনদিন অর্ধাহারে দিন কেটেছে ওদের। হারু মেম্বরের চালের আড়তেও কয়েকদিন ধরে কোন কাজ ছিলনা। নিজে না খেয়ে থাকলেও মেয়েটার দিকে তাকিয়ে পারুলের ঘরের দিকে পা বাড়ায় ও। বন্ধ দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে কয়েকবার ডাকাডাকির পর দরজা খুলে বেরিয়ে আসে পারুল।
-তোমার ঘুম ভাঙ্গাইয়া দিলাম পারুবু, কি করুম? না ঠেকলে আইতাম না
-আরে এত কতা কইতে অইবনা, কি হইছে খুইলা ক
-আইজ তিনদিন ধইরা ঘরে কিছুই নাই। নিজেরে নিয়া ভাবিনা কিন্তু কি করমু কও, মাইয়াডার মুখের দিগে তাকাইতে পারিনা। তোমার ঘরে খুদ থাকলে কয়ডা দেওনা!
-আরে পাগলী, এমন কইরা কইতে অয়? তোরা না খাইয়া রইছস তয় আমার কাছে আইলি না ক্যান?
-তোমারে আর কত জ্বালাইমু?
-বিভা, এইডারে জ্বালান কয়না। আমিও তো চাচীরে অনেক জ্বালাইছি। তোর মা তোরে আর আমারে আলাদা কইরা দ্যাহে নাই। ভরা পেটে না পারি আধপেটা খাওয়াইতেও তো পারি!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ