সিলেটে হুদাই
নৈসর্গ , প্রাকৃতিক সৈন্দর্য আমাকে খুব বেশী টানে না, ক্যারিবিয়ানের গাঢ় নীল সমুদ্র টিভিতে দেখে ভালো লাগে, ট্রাভেল চ্যানেলে মাঝে মাঝে কোনো কোনো দ্বীপ দেখে মুগ্ধ হই কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার মনে হয় স্মৃতি-মানুষ কিংবা ইতিহাসের বাইরে কোনো লোকালয় আমাকে আকর্ষণ করে না।
প্রথমবার কোলকাতায় গিয়ে ভালো লেগেছিলো, এর সাথে আমার অনেক ধরণের স্মৃতি জড়ানো, বইয়ে পড়া মাঠ-রাস্তাঘাট একেবারে জীবন্ত হয়ে উঠেছিলো- তাই অবাঙালী অধ্যুষিত কোলকাতায় বাংলা ভাঙা হিন্দিতে কিংবা ইশারায় কথা বলতে বাধ্য হলেও শহরটাকে ভালো লেগেছিলো। মনে হয়েছিলো স্মৃতির বিস্মৃত কোনো অঞ্চল হঠাৎ জীবন্ত হয়ে উঠেছে। ভ্রমণ সেভাবে ভাবলে আমার কাছে অনেকটাই মানসিক অভিজ্ঞতার সাথে বাস্তবকে মিলিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া।
“শুভ সকাল”
ভোরের সূর্যটা জেগে যাচ্ছে,
একটু একটু করে পূর্বাকাশটা রক্তিম আভা লাভ করছে,
হয়তো সূর্যটা তোমার অপেক্ষায় আছে।
তুমি হয়তো ঘুমে আচ্ছন্ন,
তাই দেখোনা ভোরের শেষ হলুদ পাখিটাও ডানা মেলেছে আকাশে,
হয়তো তোমার কাছে পৌঁছুতে চায়।
তুমি লক্ষ্য করো না,
তোমার দখিনের জানালায় ম্লান হয়ে আসে শেষ জ্যোৎস্নাটুকু,
হয়তো তোমার কাছে ফিরে আসার অপেক্ষায় নিজেকে নতুন করে সাজাতে গেল।
তুমি চেয়ে দেখোনা,
পদ্মপুকুরের পাশে ঘাসফুলেরা নাচানাচি করে,
হয়তো তোমার সাথে জলস্নানে যাবে তাই।
তুমি এখনও চোখ মেলোনা,
হঠাৎ ভেজা ছায়ারা আড়মোড়া ভাঙ্গে,
তোমার সাথে মেঘরোদ্দুর লুকোচুরি খেলবে বলে।
তোমার চোখ আধবোজা, আলসেমি কাটে না,
ঝরা বকুল আর শিউলীরা সারারাত অস্ফুট সৌরভ ছড়ায়,
তোমাকে নবীন সৌরভে সুরভিত করবে বলে।
আমি বসে বসে এসব দেখছি আর ভাবছি,
কখন তুমি জেগে উঠবে আর আমি বলবো “শুভ সকাল”।
আহ্বান ও কেমনতর
চোখের সামনে আবার খুলে ধর অমৃত বোতাম
আবার লেখা হোক তোমার আমার মাখামাখি কথা
গন্ধের ফোয়ারা ছুটুক বাতাসে
ততণে আমরা নাহয় হারিয়েই যাবো-
কান্ত অপো ছুঁইছুঁই করছে ঘুম
আমার রক্তে আবার পুরোন উষ্ণতা
সময়েরা ফিরেছে কখন
এখনো প্রয়োজন মনে করিনা একবারও খবর নেয়ার।
চোখের সামনে জাল ফেলেছে ঘুন
ছিনিয়ে নিয়েছে বুকের রক্ত তিলক
তবু আশার ঝাঁপি খুলে, আমি এক
আশাবাদী বেদের মত বাজিয়ে চলেছি বীন
তুমি আসবে, হয়তো আবার খুলে দেবে অমৃত বোতাম
আর আমি নাক-মুখ গুঁজে ঝাঁপ দেব
নন্দন নদীর জলে|
(আহ্বান/১৪।০৮/১৪)
কেমনতর মান অভিমান
বাতাসে পড়েছে ছড়িয়ে অচেনা অসুখ
কেমনতর চলছে ছদ্দবেশ
ঘোমটায় ঢাকা আড়ালে আড়ালে।
নেকাব কেমন কালো আঁধারে ঢাকা
পথেও নেই পাথেয় জনান্তিক
তুমি কি বসে আছ তবে সর্বাধিকে?
লোকালয়, মিছিলে, কুয়াশায়, কুয়াশায়
নাকি অপরিণত যন্ত্রণায়
কোলাহলে, শহুরে কালো ধোঁয়ায়।
কেমনতর আত্মাহুতি
কে চলেছে কোন কোন রাস্তায়
নামতে নামতে, ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে...
({c}mni, ১৪/৮/১২)
প্রেম-ভালোবাসার গল্প
জানুয়ারীর এক ঠান্ডা বিকেলের কথা । আমি বসে ছিলাম শহরের নির্জন অংশের ছোট্ট একটা কফিশপে । এক হাতে ছিল এক মগ এক্সপ্রেসো কফি, আরেক হাতে একটা রগরগে চাররঙের ম্যাগাজিন । শীতটা সে বছর একটু বেশিই পড়েছিল, পশমের মোটা পুলওভার, ধোয়া ওঠা এক্সপ্রেসো কফি আর ম্যাগাজিনের পাতার উত্তেজক বিদেশী নায়িকাদের সাংঘাতিক নাভি-পেট বুক কিছুই ওম দিচ্ছিল না । জানুয়ারীর হিম রক্তের ভেতরঢুকে পড়ে পুরো শরীর জুড়ে একধরণের শিরশিরানো অনুভূতি জাগাচ্ছিল ।
এরকম এক শীতের বিকেলে তার সাথে প্রথম পরিচয় । সেও এসেছিল কফি খেতে । বসেছিল আমার ঠিক সামনের টেবিলে । আশ্চর্যের ব্যাপার এত কাছে থাকা এবং যথেষ্ট সুন্দরী হওয়া সত্ত্বেও তারদিকে আমার চোখ পড়েনি ।
সে যখন ধীর পায়ে আমার টেবিলে এসে বলেছিল, " আপনি খুব চমত্কার অভিনয় করেন ।" তখনই আমি মেয়েটার দিকে তাকালাম । তার মাথাভর্তি ছিল আলুথালু বাদামি রঙের চুল, খাড়া নাক,গভীর গভীর দুটো চোখ, পাতলা ঠোঁট, গায়ে চকোলেট রঙা একটামেয়েদের জ্যাকেট আর গলায় প্যাচানো কাশফুলের মতো শাদা একটা উলের ওড়না ।
এটি কোন গল্প নয়
আতাহারের বউ পোয়াতি।পেট অনেক উঁচু হয়ে গেছে । বউকে দেখলে আতাহারের হাসি পায়। কিন্তু ভুলে ও বউয়ের সামনে হাসে না সে। এমনিতেই গতকাল রাতে পেটে ব্যাথা উঠেছে দেখে নীলা বলেছে
‘তোমার জন্যই তো এমন হল, তুমি তো বেশ আরামে আছ। এদিকে আমার প্রান যায় যায় অবস্থা’
কথাটা শুনে আতাহারের বেশ হাসি পায় । তারপর ও বহু কষ্টে হাসিটা চেপে যায়। পাছে নীলা কষ্ট পায়।বাচ্চার জন্য জেদ নীলা’ই ধরে ছিল । বাসাতে একা থাকতে ভালো লাগে না । একটা বাচ্চা থাকলে তাকে নিয়ে সময় কাটানো যেত।
নীলা দুইটি জিনিস খুব ভালোবাসে। এক রান্না করতে এবং বই পড়তে। রান্নায় যে সে অদ্বিতীয়া একথা বলার অপেক্ষা রাখে না । আতাহার মাঝে মাঝে বলে আমার আম্মা এর চেয়ে ভালো রাঁধত । আতাহারের কথা শুনে কেমন যেন একটা শুন্য দৃষ্টিতে তাকাবে নীলা । এরপর চট করে হাসি মুখে বলবে
‘ভাগ্যিস তিনি নেই , থাকলে তো আমাকে প্রতিযোগিতায় নামতে হত’
‘তা ঠিক বলেছ, তখন আমি বিপদে পড়ে যেতাম।কাকে বিজয়ী করব ভেবে’
"দেভদাস" - ৫
রমনা উদ্যানের ভিতর দিয়া লাল মিয়া যাইতেছিলেন। তাঁহার কিছু কাজ ছিলো , তাহা সমাপ্ত করিয়া একটু রিফ্রেশ হইবার জন্য উদ্যানের ভিতর দিয়া যাইতেছিলেন এক পানশালায়।
লাল মিয়া চুনের ব্যবসা করিয়া বিস্তর টাকা কামাই করিয়াছেন বলিয়া তাহাকে সকলে চুনালাল বলিয়া ডাকিত। তাহা বিকৃত হইয়া এখন চুনিলাল হইয়াছে। সেই চুনিলাল উদ্যানের মাটিতে একজন কে দাত মুখ খিচিয়া পড়িয়া থাকিতে দেখিয়া দাঁড়াইলো। একজন অজ্ঞান হইয়া মাটিতে পড়িয়া আছে , তাহাকে ঘিরিয়া কয়েকজন উৎসুক ব্যাক্তি দাঁড়াইয়া দেখিতেছে , কিন্তু কেহই তাহাকে সাহায্য করিতে আগাইয়া যাইতেছে না।সে অবস্থায় চুনিলাল সেখানে গিয়া উপস্থিত হইলেন ।
এক বোতল পানি কিনিয়া লইয়া অজ্ঞান ব্যক্তির মুখে ছিটাইলেন । মাথায় ছিটাইলেন। তাঁহার তৎপরতায় সেই ব্যক্তি টি জ্ঞান ফিরিয়া পাইলো। সে দেখিলো তাঁহার সম্মুখে একজন বোতল হাতে বসিয়া, আর কয়েকজন তাহাকে ঘিরিয়া কৌতূহল দৃষ্টিতে তাকাইয়া রহিয়াছে। সে কহিলো - আমি কে ? আমি এখানে কেন ?
উপোষের দিন রাত্রী পার্ট টু
গতকাল ইফতার সংক্রান্ত পোষ্ট গুলা দেখে খুব মন খারাপ হয়ে গেলো। গ্রেট মিস কোনো সন্দেহ নাই। আসলে কাকে জানি বলছিলাম জীবন মানেই যা করছি তার জন্য মেজাজ খারাপ হওয়া আর যা করি নাই তা মিস করা। আর এমন অনেক বার হইছে যে ইচ্ছা করেই যাই নাই পড়ে ভাবছি কেনো যে গেলাম না। এই জন্যই শুভমিতার একখান গান আছে
কেঊ চায় কেউ পায়
কেউ বারবার হেরে যায়!
আমরা বন্ধু ইফতারাড্ডা অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য হাবিজাবি..
ইফতার থিকা আইসাই দিছিলাম ঘুম, উইঠা দেখি গ্রুপে আর ব্লগে ৬ নাম্বার বাসের ভীড়! ইশ, কী সুন্দর! 
পিসি বিজি তাই ঠিকমতো কমেন্টাইতে পারতেছিনা। কিছু কথা কইতে ইচ্ছা করতাছে তাই মুফাইল নিয়া লিখতে শুইলাম!
এই পরথম এমন কোন আয়োজনে গেলাম। বাসার সবাই অবাক, এত্ত বড় বড় লেখকদের মাঝে আমি কেমনে গেলাম! আমি নিজেই কিঞ্চিত টাসকি। ফ্রেন্ড আর ফ্যামিলির বাইরে এখনো ঠিকমত কথাই কইতে পারি না এমুন আনসোশ্যাল আমি কিনা দিব্যি আমার প্রিয় ব্লগের একটা আড্ডার ইতিহাসে পার্ট হইয়া গেলাম! 
এই ফার্স্ট গেলাম তো তাই বেশি কথা ক ইনাই, শুনছি। নেক্সট টাইম বকবক করা শুরু করুম আর তার পরের বার থিকা সবাইরে জ্বালানি শুরু কইরা দেম! 
মোটামুটি সবার সাথেই কথা হৈছে। কয়েকজনের সাথে খালি টাইমিং মিলে নাই।
রনি ভাই, মেসবাহ ভাই আর টুটুল ভাই রে একটা ইস্পিশাল থ্যান্কু না দিলে অন্যায় হৈব, এমন দুর্দান্ত একটা আড্ডার জন্য।
আজকের ইফতার ও আড্ডা - ভাল লাগার একটি দিন
তখন বাজে দুপুর ২টা, ইফতারস্থলে গিয়ে জানিয়ে আসতে হবে কতজন আমরা ইফতার করব! কনফার্ম করে আসতে হবে! বের হব, তখন দেখি বাইরে জোর বৃষ্টি হচ্ছে! বের হওয়া পসিবল না কোন ভাবেই! বসে অপেক্ষা করছি বৃষ্টি কমার! কমছেনা, তো চিন্তা করলাম এখন আর না যাই, ৪টার দিকে একবারে গিয়ে সবার যায়গা আমি একাই দখল করে বসে পড়ব!
তার কিছুটাইম পড়েই কনা আপার ফোন, কইলো যে, আমি অফিস থেকে বের হব ৪টায়, তুই আমার সাথে চল! আমিও রাজি হয়ে পড়লাম! কথামত ৪টায় বের হইলাম! এটিএম থেকে টাকা তুলে কনা আপার গাড়ি করে রওনা দিলাম ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড-এর পথে! ১৫মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাই আমরা! সবার প্রথম আমি আর কনা আপায় হাজির হই ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড-এ! গিয়ে কাজ শুরু, সবার জন্য ইফতার অর্ডার করা লাগবে এবং বসার যায়গা রিজার্ভ করতে হবে!
এবি ইফতারের টুকিটাকি কথা
আজই প্রথম দেখা হলো এই ব্লগের পুচকু এক ব্লগার বিষন্ন বাউন্ডুলের সাথে । পুচকু হলে কি হবে সেই কবিতা লিখে!! ছোট ভাইয়াটা বললো, কেন আমরা ফাঁকিবাজি করি, পোষ্ট দেই না। কথা দিলাম...আজ পোষ্ট দিব।অনেকদিন ব্লগে পোষ্ট দেই না। চরম অলস আর ফাঁকিবাজ হয়েছি। কিন্তু আজ এই ব্লগের দারুণ একটা ইফতার আড্ডা আয়োজন করলো রনি...তাকে তো মাইকে ধন্যবাদ দিতেই হবে।সবাইকে নিয়ে একটা আয়োজনের জন্য দিন তারিখ ঠিক করা যে কতটা কষ্ট! তবু রনি সব ঠিকঠাক করলো মোটামুটি একা।ঝাড়িটারি খাওয়া ছাড়াই আমরা মজা করে ইফতার করলাম। সবার সাথে সুন্দর একটা বিকেল, সন্ধ্যা কাটলো। সবাইকেই ধন্যবাদ।আর রনিকে এক বস্তা ধইন্যা। মনটা ভরে গেলো সত্যি।
স্যালুট সাফায়াত জামিল

৩ নভেম্বর ১৯৭৫। মোশতাক-ফারুক-রশীদদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভ্যুত্থান করেছিলেন বিগ্রেডিয়ার খালেদ মোশারফ। এই অভ্যুত্থানে তাঁর প্রধান সঙ্গী ছিলেন ৪৬ ব্রিডেগের প্রধান কর্নেল সাফায়াত জামিল। এই অভ্যুত্থান না হলে বাংলাদেশের অন্যরকম হতো। ফারুক-রশীদদের হাতে থাকতো বাংলাদেশ।
৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানই সম্ভবত বাংলাদেশের একমাত্র অভ্যুত্থান, যার উদ্দেশ্য রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখল ছিল না। মূল উদ্দেশ্য ছিল সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর। যদিও শেষ পর্যন্ত সফল অভ্যুত্থানকে অনুকূলে আনতে পারেননি খালেদ-সাফায়াত-হাফিজ-ইকবাল-গাফফার-নাসির-লিয়াকত-তাজরা।
পালটা অভ্যুত্থান করেন কর্ণেল তাহেররা। এতে আবার বাংলাদেশ ইতিহাসের মোড় ঘুরে যায়। আমার ব্যক্তিগত অভিমত হচ্ছে তাহেরের অভ্যুত্থানের কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বাংলাদেশের।
সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা!
এবি ব্লগের লোকজন খুব ফিল্ম বোদ্ধা টাইপের। অনেকের অনেক পোষ্ট আছে সিনেমা নিয়ে। কত সিনেমার নাম যে জানছি মাসুম ভাইয়ের কাছ থেকে। সেই সামুর আমল থেকেই তিনি জানাচ্ছেন। এখনো এবির মাধ্যমেই সিনেমা নিয়া বলছেন। সামুতে আরো কিছু ব্লগার ছিলেন যারা সিনেমা নিয়ে প্রচুর পোষ্ট দিছে। তখন সেই সব সিনেমার নাম মুখস্থ রাখতাম আর ক্লাসমেট লোকজনকে বলতাম দেখিস। সবাই অবাক হতো তুই কত সিনেমা দেখিস! আমি মনে মনে হেসে বলি দেখি নাতো কিছুই, খালি নেই আতেলের পার্ট। যখন ভাবলাম সিনেমা দেখা উচিত তখন দেখি পিসিতে সিডি প্লেয়ার খালি ডিভিডি প্লেয়ার নাই। আর সিনেমা দেখতে হলে পেন ড্রাইভে করে আনতে হবে। সে এক গেঞ্জামের কাজ। কারন পেন্ড্রাইভ এমন এক জিনিস যা হারাতেই পছন্দ করি আমি। তাও নিজের না বন্ধুদের গুলা। বন্ধুরা রাগ করে কিন্তু কিছু বলে না কারন একটা ডায়লগই দেই "যে সামান্য একটা ডিভাইসের জন্য রাগ করা তোর উচিত হবেনা। আরও বড় কিছু হারাই তখন রাগিস"। আর পুলাপানের সিনেমা রুচি ভালো না। যা টিভিতে দেখাবে সামনের দিন গুলাতে তাই যদি পেন্ড্রাইভ নিয়ে দেখতে হয় দরকার কী এত ঝামেলার।
এলোমেলো ঈদ ভাবনা
তোর সাথে যে নদীর অনেক মিল !
নদীর নামে তোকে তো তাই ডাকি।
রোদ পড়লেই নদীটা ঝিলমিল,
তোকে ভেবেই নদীর ছবি আঁকি। ছবি আঁকি।।
আমরা বন্ধু ইফতার অনুষ্ঠান ২০১২
প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা,
ইফতার অনুষ্ঠানের গরম-গরম ঘোষনা দিতে চলে আসলাম আমি! ব্লগে এতো মহান মহান ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও এই গুরু দায়িত্বটা আয়োজক কমিটির পক্ষ হতে আমার ওপরই দেয়া হয়েছে
যাই হউক, গতকালই ঘোষনাটা দেয়ার কথা ছিল তবে আমার ইন্টারনেট বিভ্রাটের কারনে ঘোষনা টা দিতে একটু দেরী করে ফেললাম(এই জন্য আমাকে জিয়াউর রহমান থেকে কম কিছু ভাববেন না দয়া করে
)
ঘোষনাঃ
আমি আশরাফুল ইনসান রনি, ইফতার আয়োজক কমিটির পক্ষ হতে ঘোষনা করছি যে, আগামী ১২ তারিখ, রবিবার ২০১২ইং আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে! অনুষ্ঠানটি চাঁদার বিনিময়ে ইফতার কর্মসূচী ভিত্তিতে আয়োজন করা হয়েছে! অনুষ্ঠানে এবি ব্লগের স্বনামধন্য ব্লগাররা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা যাচ্ছে!
এক নজরে ইফতার অনুষ্ঠানঃ
ইফতার অনুষ্ঠান স্থলঃ ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড (মহাখালী)
তারিখঃ ১২।০৮।১২ - রবিবার
সময়ঃ শুরু বিকেল ৫টা
চাঁদাঃ জন প্রতি ২৫০টাকা
তাঁদের সবার জন্মমাস আগস্ট

আগস্ট মাসের জন্মদিনের তালিকাটা খুব সংক্ষেপে একটু বলি। সবার আগে বলতে হয় রহস্য সিনেমা জগতের সেরা মানুষটির কথা—আলফ্রেড হিচকক। আগস্টেই জন্ম নিয়েছিলেন তিনি। আরও একজন পরিচালকের নামও বলতে হয়। তিনি নিজেও অনেকবার হিচককের প্রভাবের কথা বলেছেন। একাধিক সিনেমাও বানিয়েছেন হিচককের আদলে। আলোচিত-সমালোচিত এই পরিচালক রোমান পোলানস্কি। তাঁরও জন্মমাস আগস্ট।
এবার দুজন অভিনেতার কথা বলি। এই দুজনকে ছাড়া সিনেমা জগতের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়। তাঁদেরও জন্মমাস আগস্ট। একজন হলেন রবার্ট ডি নিরো, আরেকজন রবার্ট রেডফোর্ড। মজার ব্যাপার হলো, দুজন আবার সিনেমাও বানিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে রবার্ট রেডফোর্ড অনেকটাই এগিয়ে। তিনি সেরা পরিচালকের অস্কারও পেয়েছেন। তবে অভিনয়ের দিক থেকে নিঃসন্দেহে রবার্ট ডি নিরো অনেক এগিয়ে।