অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৪ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

স্মৃতি লুকানোর ব্যক্তিগত প্রয়োজন

তারেক মাসুদের সম্পাদিত মুক্তির গানে আমরা যে দলটিতে বিভিন্ন শরনার্থী শিবির আর মুক্তাঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করতে দেখেছি তারা সবাই বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থার সদস্য। ১৪৪ লেনিন সরণিতে বাংলাদেশ সহায়ক সমিতির আনুকূল্যে সেখানে এই সংস্থাটি গঠিত হয়। সে দলটির দায়িত্বে ছিলেন ওয়াহিদুল হক, সানজীদা খাতুন। মাহমুদুর রহমান বেনু, জিয়াউদ্দিন তারেক আলি,স্বপন বসু শাহীন সামাদ সহ আরও অনেকে।

বাংলাদেশের বিকল্প ধারার চলচিত্র নির্মাতাদের বিভিন্ন ধরণের ভংচং থাকলেও তারা আদতে তেমন পরিশ্রম করতে অনাগ্রহী। এই যে মুক্তির গানের শিল্পীরা, তারা সবাই বিভিন্ন পথে বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিলেন। এদের মুক্তির পথযাত্রা নিয়ে চমৎকার, হৃদয়ছোঁয়া চিত্রনাট্য হতে পারে।

আগুনের পরশমনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় নিয়ে নির্মিত সেরা চলচিত্র মনে হয় আমার কাছে। চিত্রনাট্য, উপস্থাপন, প্রত্যেকের অভিনয়, সংলাপের পরিমিতিবোধ আমাকে প্রথমবার যেমন নাড়া দিয়েছিলো অনেক দিন পর দেখে পুনরায় মনে হলো এমন ছিমছাম ছবি আসলেই খুব কম নির্মিত হয়েছে।

কাপাসিয়া উপ-নির্বাচন: বঙ্গবন্ধুর দৃষ্টিতে

তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ (পুরো নামটা কী ঠিকমত লিখতে পারলাম), সোহেল তাজ মানেই সবাই তাঁকে চেনেন। সুদর্শন স্বাস্থ্যবান তরতাজা তরুণ। লেখাপড়া কোথায় কী করেছেন জানিনা, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণও না, কথা বার্তায় চটপটে। এই যুবক কাপাসিয়া এলাকার সংসদ সদস্য যখন কাপাসিয়া এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তখন প্রায় সকলেই খুশি হয়েছিলেন। আমার মুরুব্বীস্থানিয় কিছু সুশীল ভদ্রলোককে বলতে শুনেছি, ভাল পরিবারের শিক্ষিত রুচিশীল যুবক, এরকম আরো বেশি ছেলেময়েয়ে নেতৃত্বে আসলে দেশের ভাল হবে, রাজনীতিতে একটা গুণগত পরিবর্তন আসবে ইত্যাদি। তরুণ বয়েসের আরো কিছু ভাল পরিবারের ছেলে এই সংসদে আছে, তাঁদের ব্যাপারেও আমি অনেকের মাঝে এই ধরনের মুগ্ধতা দেখি, এমন কী নাজিউর রহমান মঞ্জুর পুত্রের উপরও একই মাত্রার আস্থা ও প্রশংসা শুনি। এই ধরনের কথা শুনলে আমি সেই অর্থে বিরোধিতাও করতে পারি না কিন্তু আবার মনের মধ্যে কেমন যেন একটু অস্বস্তি বোধ করি। আমি নিজে বিশিষ্ট বা ভাল বংশের মানুষ না সেই জন্যেই বোধ হয়।

আবজাব কথাবার্তা

সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুত নেই। ঘুটঘুটে অন্ধকার চারদিকে। ব্যাঙ ডাকছে অনবরত। একটা/দুইটা জোনাকিপোকা উড়ছে। সেই সন্ধ্যা থেকেই একটা পাখি কু কু করে ডেকে চলেছে।এই পাখিটাকে গ্রামে বলে কুপক্ষি । গ্রামের মানুষ বলে রাতে কুপক্ষি ডাকলে বিপদ-আপদ হয়,অসুখ -বিসুখ হয় । আম্মা চিন্তিত হয়ে দরজা জানালায় শব্দ করছে ,পাখিটা যেন দূরে যায়। কিন্তু পাখিটা ডেকে ডেকে ভয়ের একটা পরিবেশ তৈরী করেছে । কেমন হু হু করা নীরবতা চারদিকে । কত কি মনে পড়ে,কত কি মিস করি! কত কি বদলে যায়! এই জোনাকি পোকাগুলোও।
ছোটবেলায় দেখতাম রোজ রাত নামলেই কত কত জোনাকি পোকা যে ঘরে ঢুকে আলো জ্বালতো! মনে আছে, রোজ জোনাকি পোকা ধরে বোতলের ভেতর জমাতাম। ঘুমানোর আগে লাইট নিভিয়ে দেখতাম বোতলের ভেতরে কি অদ্ভূত আলো জ্বলছে আর নিভছে ।মশারির ভেতর ঢুকে সবগুলো জোনাকি ছেড়ে দিলে সারারাত ঘুরতো মশারির ভেতর । জোনাকিগুলো হারালো কোথায় ? আমার শৈশবের সাথে শৈশবের আনন্দও স্মৃতি হয়ে গেলো কেন ভেবে পাইনা ।

শান্ত মোবাইল দিয়ে কত সুন্দর পোস্ট দেয়,আর আমি এটুকু টাইপ করতেই হাত ব্যথা হয়ে গেলো । শান্ত আসলেই রক্স ।

সঙ্গীত; সুধা স্বর্গসম - ১

প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ে যাওয়ার কথা শোনা যায় অনেক সময়।

আমার কেস আলাদা, প্রথম শোনায় ভালোবেসে ফেলেছি!
মানে কণ্ঠ শুনে, বলা উচিৎ গান শুনে!!

আরেকটু ভেঙ্গে বলি,
আমার ভাইয়াও ব্লগার, সচলায়তনে লেখে কম; পড়ে বেশি।
ওর কাছে ব্লগার অনার্য সঙ্গীত এর একটা লেখায় আরেকজন ব্লগারের নিজের কথা সুরে গাওয়া একটা গান শুনেই এই অবস্থা! লেখিকারই একটা লেখায় জানতে পারলাম সামনে নাকি তার গানের এ্যালবাম আসছে বাজারে। এখন মনে হচ্ছে রাতের ঘুম আসলেই হারাম হতে বসেছে, অপেক্ষায়!

যাই হোক, গানের কথায় আসি।

মিছে আশ্বাস

বসে বসে বৃষ্টিবিকেলে আজ দেখি
চৌরাস্তার মোড়ে ছোট্ট একটা মেয়ে
হাঁটছিলো ফুটপাথ ধরে
একান্ত অনিচ্ছাতে ।
বাবার হাতটা যেন প্রচন্ড হ্যান্ডকাফ ,
টেনে নিয়ে যাচ্ছে মেয়েকে
রিক্সা থেকে নিরাপদ দূরত্বে , মেয়েটা পেছন ফিরে হাত বাড়িয়ে
রিক্সা দেখিয়ে বলে ,
আর কত হাঁটবো ,
রিক্সা নাওনা বাবা ।
মলিন হাসিতে বাবা বলে -
এইতো মা এসে গেছি ,
আর একটু আর একটু হাঁটো ।।

জীর্ণ-মায়া

খুব ছোটখাটো বিষয় নিয়েও ইদানীং সায়ানের সাথে আমার ঝগড়া লেগে যায়।আমার মনে হয় সায়ান বদলে গেছে।সায়ানের মনে হয় আমি বদলে গেছি।আসলে আমরা দুজনেই বদলে গেছি।কেউ কারো কথা শুনতে রাজী নই।দুজনেই বলতে চাই।আর দুজনেই বলতে চাইলে তো সমস্যা হবেই।আমাদের ও হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিন ই ঝগড়া হয়।ঝগড়াটা মূলত শুরু হয় রাতে। রাতে শুরু হওয়ার কারণ হচ্ছে সারাদিনে রাতেই আমাদের কিছু সময় থাকে। খুব সকালেই সায়ান চলে যায় অর ব্যবসার কাজে। নতুন একটা ব্যবসা দাঁড় করানো বেশ ঝক্কির ব্যাপার। আর ঘর সংসার সামলে এনজিওতে পার্ট টাইমে একটা চাকরী করি আমি।।বলা যায় দুজনেই ব্যস্ত থাকি দিনভর।তাই হতো দিনের সময়টাতে ঝগড়া হয় না।
সায়ান আমার সাথে এখন আর আগের মতো সব কথা বলে না।লুকোচুরি করার চেষ্টা করে।যেহেতু মানুষটাকে আমি অনেকদিন ধরে চিনি তাই তার লুকোচুরির ব্যপারটা আমি ধরে ফেলতে পারি।

কলি-কথা ১ (কলকাতা টু সারপ্রাইজ অঞ্চল ভায়া দিল্লী ...)

ঢাকা থেকে বেনাপোল:
আগস্টের শুরুর দিকে। টান টান উত্তেজনা ঘরময়। পরিবারের প্রবীণ সদস্য হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমাদের ঠিক সেই সময়ই অন্তত দশ-বারোদিনের জন্য দেশ ছাড়ার ইচ্ছে। আর যাই হোক, কাউকে অসুস্থ রেখে তো যাওয়া যায় না। বর বেচারা মুখ হাড়ি করে ঘুরছে। কারণ একবার বাসের টিকেট হাতছাড়া হয়ে গেলে আর পাওয়া রীতিমতো অসম্ভব। তাও নয় আগস্টের তারিখের টিকেটটা হাতছাড়া হয়ে গেল। রইলো হাতে ৮ তারিখের টিকেটের অপশন। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে আসবে ৭ তারিখে। ঐ রিপোর্টের উপরই সব নির্ভর করছে তখনও। ওদিকে আমাদের এবার ইচ্ছে ছিল ঈদের আগের দিন বাড়ি ফিরে ঈদটা করবো। অর্থ্যাৎ শ্যামবাবুকে বশ করা সাথে কূলও রক্ষা আর কী! অবশেষে ৭ তারিখে অফিস থেকে বরকে ফোন দিলাম। আমি কিছু বলার আগেই সে বললো, "৮ তারিখে যাচ্ছি.. ব্যাগ গোছানো শুরু করো।" লাফনো মন নিয়ে বাড়ি ফিরে প্যাকিং শুরু করলাম।

আসসালামু আলাইকুম । আমি এখানে নতুন

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই?

আশাকরি ভাল আছেন । সবাই ভাল থাকেন এই কামনাই করি ।
মৃন্ময় মিজান ভাই আজ সকালে একটা লিংক দিছিলেন তার লেখার । এটা পড়তে গিয়ে সাইটটি ভাল লাগল । তাই সাইন ইন করে ফেললাম ।

আশাকরি আপনাদের সাথে সুখ দু:খ হাসি গান কবিতা সব শেয়ার করতে পারব ।

ও নামটাই তো বলা হয়নি । আমি কাজী ফাতেমা ছবি । বাংলাদেশ ব্যাংকে জব করি ।
অফিসে অবসর সময় নেটে ঘুরাঘুরি করি । এইতো............

আশাকরি আমাকেও সঙে রাখবেন আপনার ।

ভাল থাকবেন । আল্লাহ হাফেজ.....

আমাদের ভারত ভ্রমন- ৩

সকালে হোটেল কোহিনুর থেকে বেরিয়ে সবাই মিলে নাস্তা করে নিলাম পাশের এক দোকানে। যেখানে গত রাতে আমরা খাবার খেয়েছিলাম। পরোটা, লুচি, আলুরদম, জয়পুরের মিষ্টি আর চা। ভরপেট খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম সবাই। একজন গিয়ে একটা গাড়ি ঠিক করে আনলো। ৪ টা জায়গা ঘুরিয়ে আনবে আমাদের। ভাড়া ঠিক হলো ১২০০ রুপি। প্রথমে গেলাম যন্তর মন্তর দেখতে। যেখানকার টিকেট ভারতীয়দের জন্য ২০ রুপি আর আমাদের জন্য ৫০। কোলকাতার বন্ধুর কারনে ২০ রুপি করেই টিকেট কেটে আমরা ভেতরে গেলাম। জয়পুরের এত্ত এত্ত হেরিটেজ...। প্রতিটির গায়ে লেখা রয়েছে বিস্তারিত। আমরা মুগ্ধ হয়ে দেখলাম সেগুলো। ছবি তুললাম শয়ে শয়ে। প্রচুর বিদেশি লোকজনের দেখা পেলাম। আমাদের মত না ওরা। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রতিটি জিনিস দেখছে। ঘন্টা খানেক ঘুরে বেরিয়ে পড়লাম। বাইরে এক সাপুড়ে বীণ বাজিয়ে সাপের নাচন দেখাচ্ছে। যে যত খুশি ছবি তুলছে। তবে নিরাপদ দুরত্ব থেকে। সাপুড়ে যতই বলে, ভয় নেই। আমরা সবাই ততই ভয়ে দুরে সরে যাই। এই বার আমাদের গন্তব্য হাওয়া মহল।

1_0.jpg

আমি নতুন আসলাম।

সবাই কে শুভেচ্ছা,ধন্যবাদ আমার বন্ধু ব্লগ টিম কে।আশা করি আমি আমার কর্ম ব্যাস্ততার মাঝে আমার লেখা ''আমার বন্ধু'' ব্লগে শেয়ার করতে পারব।আমার ব্লগার বন্ধুরা আমার লেখার গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। আমি আমার বন্ধুদের সহযোগিতা কামনা করছি।এবং আমাকে ভাল লেখার জন্য উৎসাহ দিবেন।''আমার বন্ধু''ব্লগের নীতিমালা দেখে আমার খুব ভাল লাগল এবং আমি এতে একমত পোষণ করলাম।আবার ও ধন্যবাদ সবাইকে।

হলমার্ক কেলেঙ্কারী ও একটি পরিবারের আনন্দ-বেদনার গল্প

আমার আব্বা আনোয়ার উল্লাহ সিরাজী ছিলেন একজন গরিব মানুষ।
নোয়াখালীর চরে তার কয়েক একর জমি ছিল। কিন্তু জমি নিয়ে ঝামেলা ছিল প্রচুর। প্রায়ই মাইজদী ছুটতে হতো তাকে। শেষে জমিটমি রেখে চলে আসেন বাড়ি। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার দিকে নজর দেওয়া শুরু করেন। কিন্তু কোনো চাকরি নেই। ভিটেমাটিটুকু ছাড়া আর কোনো জায়গা-জমিও নেই। দশ ছেলেমেয়ে নিয়ে মহাসমুদ্রে পড়ে যান তিনি। নিজে খাবি খেয়েও ছেলেমেয়েদের আগলে তুলে রাখেন। পরে প্রাইমারি স্কুলে একটা চাকরি পান। কিন্তু তাতে কি আর চলে? দারিদ্র্যের সঙ্গে এক অসম যুদ্ধ শুরু হয় তার।...
আমি কেন আমাদের পরিবারের গল্প বলছি? আপনারা শুনবেনই বা কেন? না, আপনাদের শুনতে হবে। প্রতিদিন তো শুধু দুর্নীতি আর কেলেঙ্কারীর কাহিনি শোনেন। আজ শুনুন একটা অন্যরকম গল্প!

ব্লু-মুনে অরণ্যবাস

সকালটা বরাবরের মতই রোগাটে, বিবর্ণ, পাংশুটে। যথারীতি ৭ টায় বাসা থেকে বের হয়ে অফিস। অফিসের এক ফাঁকে বসের রুমে প্রবেশ। বিকেল তিনটায় অফিস ত্যাগের অনুমতির সাথে রোববার ছুটির পারমিশন। ব্যস আর ঠেকায় কে ?

সবার আগে সদরঘাট পৌঁছে গেলাম। অবশ্য ১২ টা থেকে হাসান ভাই উপস্থিত ছিলেন কেবিন বুকিং সংক্রান্ত জটিলতায়। ওনারে না ধরলে আমিই হলাম আমাদের এই অভিযাত্রার প্রথম অভিযাত্রী। কথা ছিল ঘাটে উপস্থিত থাকবে সৈতক-৮ নামের আমতলীগামী লঞ্চটি। কিন্তু আমাদের আল্লার মর্জি (বরগুনার লঞ্চ) হয়ে উঠতে হল সৈকত এ।

৫টায় লঞ্চ ছেড়ে দেয় । শেষমুহূর্তে সাইফুল আর খোরশেদ ভাই গিয়ে পৌছেন লঞ্চ এ। আমরা আনন্দ উল্লাসে ভাসতে ভাসতে রওয়ানা হলাম। সন্ধ্যার আগেই চাঁদের দেখা পেলাম। সাইদ ভাইকে বললাম পূর্ণিমার আগেই এত বড় চাঁদ ! পূর্ণিমায় না যেন কী অপেক্ষা করছে!

ফিফটি!

মন মেজাজ যে খুব একটা ভালো তা বলা যাবে না। তবুও চলছে ৬ তারিখে আরেকটা পরীক্ষা তার পরেই সেমিস্টারটা শেষ। এই সব নিয়ে সাধারন পোলাপানদের মতো আমার ওতো টেনশন নাই। পাশ করার জন্য এক্সামে যাই এবং সেভাবেই ফেরত আসি। সময় থাকতে পড়াশুনাটা করি নাই মন দিয়ে এখন এই সময়ে মন দিয়ে কি করবো। আর টেক্সট বুক পড়াশুনা আমার ভালো লাগে না। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ৪-৫ টা পত্রিকা পড়া সহজ ১ পেজ পড়ার চাইতে। যাই হোক কথা ছিলো টিভি নিয়ে লেখাটা কমপ্লিট করবো তা আর হলো না অল্লোর প্রতারনার কারনে। ভাবছিলাম টাকা লোড আর করবো না কিন্তু বন্ধু ফারজানা লতা টেকা দিলো এই বিপদের কথা শুনে সেই টাকা তেই ওল্লো রিচার্জ করলাম। বন্ধুরা কত সুইট আমার। তারপর থেকে নেটে বসায় একটু অনীহা জন্ম নিলো। লোকজন টেক্সট করে ফ্রীল্যান্স বুদ্ধিজীবি মরছে নাকি? এখন বসতাম না। ঘুম আসতেছে না আর কিছুই ভালো লাগতেছে না তাই বসে বসে এই লেখাটা লিখলাম।

কে শিকার আর কে শিকারী

সন্ধ্যার কিছুটা আগে অফিস থেকে ফিরছিলাম।আকাশটা কেমন মেঘলা হয়ে আছে।অথচ চারদিকে ভ্যাপসা গরম।হাসঁফাঁস অবস্থা।হঠাৎ দেখি চোখের সামনে মানুষের জটলা।সাথে থাকা অফিসের সহকারী কামাল বলল,আপা একটু দেখে আসি।নিউমার্কেটের দুপাশের রাস্তাগুলোতে কোনো ভদ্র মানুষের দাঁড়ানোর জো নেই।আর সে জায়গায় একটা মেয়ের অবস্থা কেমন হতে পারে সেটা নিশ্চয়ই সহজেই অনুমেয়।সিটি সার্ভিসের ৪নম্বর গাড়ির জন্যই মূলত দাঁড়িয়ে থাকা।কামাল ফিরে আসার আগে কানে এলো তীব্র চিৎকার।দূর থেকেই দেখছি তরুণ বয়সি একটা ছেলেকে মারছে অনেকগুলো মানুষ।কামাল এসে বলল,চোর ধরছে আপা।সবাই মিলে ইচ্ছা মতো পিটাচ্ছে।
কি চুরি করছে?
জুতা।ঐ যে ভ্যানের উপর রেখে জুতা বিক্রি করতেছে ঐ লোকের এক জোড়া জুতা নেয়ার সময় ধরা পড়ছে।প্রতিদিনই নাকি এরকম চুরি হয়।
এ ছেলেই প্রতিদিন চুরি করে?
জানি না।
তাই তো।কামাল জানবে কিভাবে?ও তো আর ঐ জুতা চোরের পার্টনার না।
৪ নম্বরের গাড়ি চলে আসে ততক্ষণে।গাড়িতে গাদাগাদি ভিড়। ভালো লাগে না।
ভাবনায় কেমন করে যেন জুতাচোর ছেলেটা চলে আসে।ভ্যানের উপর বিক্রি করা জুতাগুলোর দাম কত হবে? দু’শ,চার’শ কিংবা বড়জোড় পাঁচ’শ থেকে হাজার।হাজার আবশ্য হবে বলে মনে হয়না।

আমাদের ভারত ভ্রমন-২

রাতে ঘুমাতে যাবার আগে ধুম আড্ডা আর মাস্তি। তিন রুমের সবাই আমাদের রুমে। যতই বলি, ভোরে ট্রেন, এবার সবাই ঘুমাতে যাও- কে শোনে কার কথা ! আরে বাপু, এক রুমেই যদি রাত কাটাবি, তাহলে তিনটে রুম ভাড়া নেবার কী দরকার ছিলো ? আমাদের সফরসঙ্গী ২/১ জন আবার অতিরিক্ত পরিমানে ভাল্লুক সেবনের কারনে উলোট পালোট কথা বলা শুরু করলো। যা হজম করতে পারেনা, তা কেনো যে মানুষ খায় ! তবে অতিরিক্ত ভাল্লুক সেবনের কারনে আমাদের মিনারেল ওয়াটার কেনার টাকা বেঁচে গেছে। মধ্যরাতে এক বন্ধুর শখ হলো- তাস খেলবে। এর মধ্যে আরো দুজন রাজী হলো। বাধ্য হয়ে আমাকেও বসতে হলো ওদের সাথে। অল্প কার্ডের খেলা। মানে তিন তাসের খেলা। যথারীতি খেলা শেষে আমার ৭০০ বিদেশি টাকা লস...। মনের দুঃখে ঘুমাতে গেলাম। ঘড়িতে ভোর তিনটা। হাতে সময় আছে দুই ঘন্টার সামান্য বেশি। সাড়ে পাঁচটা নাগাদ স্টেশনে যেতে হবে। ৬ টায় আমাদের ট্রেন। শতাব্দী এক্সপ্রেস। গন্তব্য দিল্লী টু আজমীর।

7.jpg
8.jpg

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ