অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৩ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

খরার পরে বৃষ্টি (শেষ পর্ব)

দুপুরের কাঠফাঁটা রোদে আবার রাস্তায় নামে অমিয়। শান্তিনগর মোড়ের দিকে হাটতে থাকে, রাস্তায় প্রচুর যানজট। বাস, প্রাইভেট কার, সিএনজি, রিকশা, ভ্যানে রাস্তা গিজ গিজ করছে। যানজটে মানুযের জীবনযাত্রা দিনকে দিন কঠিন হয়ে উঠছে। প্রচণ্ড গরমে অস্থির। এর মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে বসে থাকা ! বেঁচে থাকার তাগিদে ছুটে চলে শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত। বড় বড় অফিসের ব্যাস্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে খেটে খাওয়া দিন মজুর পর্যন্ত। সবাই ছুটছে জীবিকার প্রয়োজনে !

শান্তিনগর মোড়ে এসে অমিয় ভাবতে থাকে কোথায় যাওয়া যায় ? ঠিক এই মুহূর্তে ওর কোন কাজ নেই। কাজ না থাকাও একটা সমস্যা। ফাঁকা বাসায় একা একা সময়ও কাটবে না, ভাবতে ভাবতে একটা রিকশায় উঠে পড়ে।
-রিকশাওয়ালা জিজ্ঞেস করে- কই যাইবেন ?
-মতিঝিলের দিকে চলেন।
রিকশা ধীরে ধীরে এগুতে থাকে মতিঝিলের দিকে। রিকশাওয়ালা লোকটা বেশ বয়স্ক। রুগ্ন শরীর, বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। প্রচন্ড গরমে দরদর করে ঘামছে।
-চাচা, আপনার বাড়িতে কে কে আছে ?
-আমি আর আমার স্ত্রী।
-ছেলেমেয়ে নাই?
-তিনডা পোলা আছে, তারা যার যার সংসার নিয়া আছে।
-আপনারে দেখে না?

যাচাই করে নিন ক্যামেরা টি নতুন কিনছেন কিনা

ফটোগ্রাফির জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে ওয়ার্ল্ড মার্কেটে ক্যামেরার চাহিদাও বেড়েছে সমান ভাবে। কারন ফটোগ্রাফি করতে প্রথমেই যেটি দরকার হয় তা হল একটি ক্যামেরা। ক্যামেরা কেনার সময় আমরা অনেকে দ্বিধাদব্ধে ভুগি, ক্যামেরা টা নতুন কিনা তা নিয়ে। বাংলাদেশে অসাধু ভাবে সব কিছু হয় বলে সন্দেহ টা মাথায় এসে যায়। পুরান ক্যামেরা Refurbished করে আবার সেল করছে নাতো? অথবা Refurbished ক্যামেরা বাইরে থেকে কিনে গচাই দিচ্ছে নাতো? এই রকম অসংখ্য চিন্তা মাথায় এসে যায়। আসুন আজ জেনে নেই, কিভাবে সবচেয়ে সহজে আপনি প্রিয় ক্যামেরাটা ব্রান্ড নতুন কিনা জেনে নেই...

আমরা গাড়িতে একধরনের মিটার দেখতে পায়। একে Odometer বলে। গাড়িটি কত কিলোমিটার পথ চালানো হয়েছে তার হিসাব দেখতে পাই। গাড়ির এই মিটার দেখেই অভিজ্ঞরা সহজেই গাড়ির ব্যাবহার জনিত তথ্যাদি সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যান। কত কিলোমিটার পথ চলেছে সহজেই দেখা যায়। নিচেই Odometer এর একটি ছবি দিলাম...

Odometer

কোন এক হরিৎ বিকেলে স্মিত হাসিতে ভরবে উঠোন

সপ্তর্ষি প্রেমে অবাক জলস্রোতের নতজানু একাঙ্কিকা থেমে গেলে স্থানু সময় ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকে এক অকৃত্রিম মহীরূহ। যার সফেদ রেশম চিকচিকে হাসিকান্নার আলোয়ানে খেলা করে গুচ্ছ গুচ্ছ স্বপ্নকথিকা। বালকবেলার দোমড়ানো হাহাকার ঘিরে বসে থাকে একরাশ উঠোন-গোধূলি; আমি যার আধো আধো স্মৃতির ওপিঠে নিরলস এঁকে যাই একটি মুখ- রোগাটে, বিবর্ণ এবং জংধরা সূর্যের পিঠে আলো ঝলমল অপার আঁধার।

আমাদের শৈশব সেই আধো জাগরণগন্ধী সুপুরুষ সন্তময় হয়ে বেয়ারী বিলের ছনক্ষেতে ঝরে পড়ে হঠাৎ শালিখ হয়ে হেসে ওঠে, সুর তোলে, গেয়ে যায় ঘুমপাড়ানী স্বপ্নময় বাস্তবতা। একটি কাগজের পিঠে বিমান ওড়াতে যেয়ে পবিত্র মন্দির কবুতরের গন্ধে সোঁদা হয়ে উঠলে ঘামঝরা বিকেলের অধর কেঁপে কেঁপে ওঠে তার অজস্র চুম্বনে।

মোল্লাপুকুরের নরম তরল জলাধার গাঢ় বিকেলের রঙ হয়ে ভেসে থাকে। হঠাৎ অজানা সাম্পানে তার পলায়ন ভীত হয়ে আমাদের ঘরে ঢুকে পড়লে ভুলে যাই সকালের মৃদু আওয়াজ, মেহেদীর ভালবাসা আর চাপিলা মাছের নাদুস নুদুস ঘ্রাণ। একরত্তি ডাহুক বিকেলে ডাকের ছেঁড়া তারে আসে ডাওরীর জলে ভেসে থাকা কবিতা এফোঁড় ওফোঁড় বুলেটে।

সময় নিহত অবিরত - শেষ পর্ব

সময় নিহত অবিরত - প্রথম পর্ব

ভাল লাগছিলো না সৌরভের। দু'সপ্তাহ ছুটি শেষ হয়ে গেলে, অফিসে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছে যে, আরো দু'সপ্তাহ আগে সে অফিসে আসতে পারবে না। একটা সুযোগ দিতে চায় বস সৌরভকে, তার পূর্বতন রেকর্ড এবং পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা করে।

নারীটি সৌরভের বাসায় যথেষ্ট স্বতঃস্ফূর্ত এবং সাবলীল হয়ে উঠেছে। নিজের মত করে সে ঘর-দোর গুছিয়ে রাখছে। আগের চেয়ে ঘন্টা দু'য়েক আগে বাসায় এসে রান্না-বান্নায়ও হাত লাগাচ্ছে। এর জন্য কি সৌরভ অপেক্ষা করছিলো? নারীটিকে এই ঘরেরই একটা অংশ মনে হয় তার। শুধু ছোঁয়াছুঁয়ির দূরত্ব রেখে চলেছে তারা যথাসম্ভব।

বাতিঘর

প্রেমের সাগর দিচ্ছি পাড়ি
উথাল-পাথাল ঢেউ
আসছি প্রেমের নদী ছাড়ি
তা জানে না কেউ।
যখন সরু ধারায় ছিলাম
স্রোত ছিল না মোটে;
হাওয়ার টানেই ভাসতেছিলাম
ছোট্ট জীবন বোটে।
ধারা বেয়ে ধীরে ধীরে
নদীর বুকে আসি,
লক্ষ্য, হাজার জনের ভীড়ে
দেখবো তোমার হাসি।
বেয়ে বেয়ে জীবন তরী
প্রেমের নদী ফেলে
অথৈ সাগর বুকে পড়ি
বাঁচবো তোমায় পেলে।
প্রেম সাগরে অথৈ পানি
কূলের দিশা নেই,
লক্ষ্যবিহীন হলেই জানি
হারিয়ে যাবে খেই।
অথৈ সাগর মাঝে আমার
তুমিই বাতিঘর,
লক্ষ্যবিহীন হব না আর
যতই আসুক ঝড়।
ঢেউয়ের টানে যত দূরে
যাই না কেন আমি
তোমার কাছেই সাগর ঘুরে
এসে যাব থামি।

দিন আসে দিন যায়!

আবারো ফিরে আসলো দিন আরেকটা পোষ্ট লেখার। তিনদিন আগ থেকে ভাবছিলাম যে লিখবো কিন্তু পিসিতে বসলেই এখন কাজ একটাই ফেসবুক আর ইউটিউবে গান শোনা। বিলি জোয়েল থেকে শুরু করে মুজিব পরদেশী কত ধরনের গান যে আছে শুনছি এই পাচ দিনে। আমি আগে দেখা যাইতো কেউ লিঙ্ক দিতো পছন্দ হলে সেটা কনভার্ট করে অডিও তে শুনতাম। বা কোনো গান শেয়ার করতে হলে গানটা আগে মেলা কষ্টে বাফারিং করে শুনতাম তারপর সবাইকে শুনাতাম। এখন সেই দিন নাই এসে পড়েছে ওলও তা দিয়ে ইউটিউবের যেকোনো ভিডিও টেনশন ছাড়াই দেখা যায় কোনো বাফারিং ছাড়া। কি যে শান্তি মনে হয় কল্পরাজ্যে আছি। যে গান শুনি আরো খালি শুনতে ইচ্ছা করে। এইভাবে ধারনা করি বাংলা হিন্দী ইংরেজী মিলায়া চারশো সাড়ে চারশো গান শুনছি। ইউরোর ফাইনালের দিন ফাইনাল খেলা দেখছি নেটে বসে। আহা কী শান্তি। ভালো নেট আসলে মনে প্রশান্তি এনে দেয়। জানি না কয়দিন এমন থাকবে তবে যতদিনই থাকুক ১৫০০ টাকা উসুল। এই জীবনে বঙ্গদেশে থেকে কোনওদিন ভাবি নাই যে নেটে টিভি চালাবো তারপর খেলা দেখবো। তখন খালি জুম আল্ট্রার এডের কথাই খালি মনে পড়ে-
"এমন যে হবে তা কেউ ভাবে নি আগে"

সৈয়দ আবুল হোসেনের জন্য পুরো দেশের অপমান হলো

abul1.jpg
স্বপ্নের পদ্মা সেতু দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। আর এ জন্য মূলত দায়ী মাত্র একজন ব্যক্তি। আর তিনি হলেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন। তাঁর কারণেই বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন প্রথমে স্থগিত করে রাখে, আর সর্বশেষ বাতিলই করে দিয়েছে দাতা সংস্থাটি।
সৈয়দ আবুল হোসেনের দায়িত্ব ছিল পদ্মা সেতু প্রকল্পের বাস্তবায়ন। কিন্তু তিনি করেছেন ঠিক উল্টোটা। ফলে পদ্মা সেতু নির্মাণ যেমন অনিশ্চিত হয়ে গেছে, তার চেয়ে বেশি ভাবমূর্তির সংকটে পড়েছে দেশ। বাংলাদেশ নিয়ে এতোবড় অভিযোগ নিকট ভবিষ্যতে আর কখনো হয়নি। এই ঘটনায় দল হিসাবে আওয়ামী লীগকেও বড় ধরণের ভাবমূর্তির সংকটে পড়তে হল। এর রাজনৈতিক মূল্য আওয়ামী লীগকেই দিতে হবে।

শিরোনামহীন ৮

অ-নে-ক দিন পর লগইন করলাম। পড়া হয় প্রতিনিয়তই কিন্তু বলা হয় না কিছুই। কাজকর্ম নাই হঠাৎ কইরাই সামারের মধ্যে শীতনিদ্রায় চইলা আইছি। কারন তেমন কিছু না শুধু অলিম্পিক ২০১২। ব্রিটিশরা পাগল হইয়া গেছে। জুতা থিকা শুরু কইরা মাথার ক্যাপ সবকিছুতেই অলিম্পিক।যারা আমার আগের শিরোনামহীন প্যাচাল পড়ছেন তারা জানেন কি পরিমান আজাইরা এই লেখা !

অলিম্পিকে সবকিছুতেই কপিরাইটের বাড়াবাড়ি রকমের ব্যবহার , এমনকি '' ২০১২ '' সংখ্যাটাও কপিরাইটের মধ্যা পড়ছে। ( আবার না আমারে কপিরাইটে ফালায় দেয় কে জানে Puzzled ) তো আমার রেস্টুরেন্ট অলিম্পিক ভেন্যুতে পড়ছে তাই ম্যানেজার প্ল্যান করছে টিম জিবি এর টি-শার্ট পড়াইবো সব কামলাগো। কিন্তু আমি হইলাম পুরা '' মেড ইন বাংলাদেশ '' তাই যথারীতি বিরোধিতা করলাম আর কইছি সবাই যদি টিম জিবি পরে তো আমি পড়মু টিম বিডি এর টি-শার্ট। ( কিন্তু বিডি টিমের যে হাল ওনারাতো মাঝে মধ্যে ট্রায়ালেই ফলস টাইমিং করে Sad ) পরে না আবার Sad( হয় । যাইহোক পড়মু যখন কইছি তখন পড়মুই।

ফেইসবুক স্টেটাসমালা ২

এক.
ভোরের বাতাসে উড়ে যাওয়া পাখিদের ডানা ঝাপটানোতে কেমন তাড়াহুড়ো; তাদের ডানায় যেনো ভয়। আরেকটা বৃষ্টিমূখর দিনে তাদের রুটিন যাবে ভেঙে। আরেকটা কাদায় মাখা দিনে তাদের উল্লাস যাবে থেমে। পাখিগুলো শুধু বুঝে নিচ্ছে, আজ বৃষ্টি এলে তারা লুকোবে কোথায়...

দুই.
বৃষ্টির গরাদে আটকে গেছি, ঝুলছি গা বাঁচিয়ে
বহুকষ্টে কমেছে জ্বরের আগ্রাসন। আজ আর শুয়ে
কাটাবো না বিছানায়, বলে তৈরী হয়ে আছি
বৃষ্টি ধরে এলেই বেরিয়ে পড়বো বাউলি কেটে পথে।

তিন.
যোগাযোগহীনতায় আমাদের সংসার ভেঙে চৌচিড়
অথবা যেহেতু ভেঙেছে সংসার অতএব আমাদের
ভাষা পাল্টে গেছে বলে টের পাই একদিন সকালে;
বর্ণমালা দেখে ভাবি রেখচিত্র আঁকতে চেয়েছিলো
কোনো একজন সফল চিত্রশিল্পী...যার
তুলির ডগায় ধ্বনিময়তা এসে ভর করেছে কেবল!

যোগাযোগহীনতায় আমরা বুঝতে শিখি, সময়ের সাথে
কখন যে কি পাল্টে যাবে তার ঠিক নাই, ঠিকানা অজ্ঞাত...

চার.

শিশুতোষ Status গুলো


অস্থিরতার ভ্রান্ত প্রলয়
জোয়ার ভাটার এসময়
মনের উপর মন চাপানো
ক্লান্ত করার দু:সময়

২.
ছাড়তে পারো সেই আঙিনা
ছাড়তে পারো সখা
ছাড়তে পারো বুঝতে পারা
ছাড়তে পারো দেখা
সব কিছুই তো ছাড়তে পারো
যায় না তাতে কিছু..
আষ্টেপৃষ্ঠে ধরা স্মৃতি
ছাড়বে না আর পিছু..

৩.
বিজ্ঞান মানি বা না মানি
ইথার কোথাও আছে..
যোজন যোজন দূর থেকেো
তুমি আমার কাছে..
বরফ তুমি
মুঠোয় তুমি
তাও তো মুঠোয় নেই
বিজ্ঞান বলে তরল তুমি
বাষ্প সহজেই
তরঙ্গ আজ শিরায় শিরায়
অস্তিত্ব কাঁপায়
তোমার বিনা স্পর্শে আজো
সিক্ত করে আমায়..

৪.
সত্য তুমি মিথ‌্যা তুমি
মিথ‌্যা আজব আলসেমী
মিথ্যা রঙিন- ঐ বালুচর
সত্য ধুসর- মরুভূমি"....Smile

৫.
ঘর বাঁধেনি তারে
যার মন বেঁধেছিল ঘর
ঘরের মাঝে ঘরকে খুঁজে
নিত্য যাযাবর

৬.
পথ যে পথে হারায় এসে
একলা হেঁটে অবশেষে
শূণ্য বাকে
পথের ফাঁকে
উষ্ণ আধাঁর ডাকে
তরল মনে
বান-উজানে
হাতের রেখা আঁকে
হাওয়ার রথে
অতল গর্তে
রন্ধ্রে রন্ধ্রে আঁধার
ডাক না মানা শর্তে
জীবন পথিক হলো আবার..

৭.
এই ছেলেরা জাগবে না
তোমার জন্য কাঁদবে না
যতই তেড়ে আসুক শত্রু

খরার পরে বৃষ্টি (পর্ব-১)

উৎসর্গ –অনিমেষ রহমানকে, আমাদের নাগরিক জীবনের চারপাশের জটিল চাল চিত্র সাবলীল ভাবে উঠে আসে যার লেখনিতে।

সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। অমিয় বাসা থেকে বের হয়ে অনেকক্ষণ রিকশার জন্যে দাঁড়িয়ে আছে। রাস্তায় দু-একটা রিকশা দেখা গেলেও একটাও যেতে রাজি হচ্ছে না। আজকাল রিকশাওয়ালাদের যে কি হয়েছ! কোথাও যেতে চায়না। বৃষ্টি না থাকলে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত হেঁটেই যাওয়া যেত, কিন্তু এই বৃষ্টিতে হেঁটে গেলে ভিজতে হবে। রাস্তায় কয়েক জায়গায় পানি জমে আছে। প্রায় ঘন্টা খানেক অপেক্ষা করার পর অবশেষে একটা রিকশা পাওয়া গেল।

বাসস্ট্যান্ডে এসে দেখে লোকে লকারণ্য। বাস, ট্যাক্সি বা সিএনজি কিছুই নেই। মেজাজটা আরও খারাপ গেল। এমনিতেই সারাদিনই শহর জুড়ে যানজট লেগে থাকে, তার ওপর আজ বৃষ্টি হওয়াতে অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। দিন দিন আমাদের শহরটা যেন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে !
দুই ঘণ্টা যুদ্ধ করে অমিয় অফিসে পৌছাল।

ম্যাজিক বিষয়ক কয়েকছত্র...

▄▌মঙ্গল▐▄

পকেট ভরা ম্যাজিক নিয়ে হেঁটে গিয়েছিলাম পূবের পাহাড়ে,
চোখে রেখেছিলাম চিতার ক্ষিপ্রতা,
পায়ে, সরীসৃপ মসৃণতা।
দু'হাতে ধরা ছিলো ছিন্ন হৃদয়, বনদেবতার অর্ঘ্য...

▄▌বুধ▐▄

ম্যাজিক হ্যাটে বন্দী থাকা খরগোশের মনোবেদনা
স্পটলাইটে ঢাকা পড়ে যায়,
দর্শকের হাততালিতে চাপা পড়ে লুকোনো পায়রার কান্না;
নিজের দুঃখ গুলো পামিং করে দস্তানায় লুকিয়ে রাখে চৌকষ ম্যাজিশিয়ান,
আলোকজ্জ্বল মঞ্চে হাত নেড়ে সুখাভিনয়, পৌনঃপুনিক...

▄▌বৃহস্পতি▐▄

ঘুমিয়ে থাকা রাজকন্যেকে জাগাবো বলে
শিখে নিয়েছি তিনশ পনেরটা ম্যাজিক ট্রিক্স
বিনিময়ে হারিয়েছি অন্তর্গত জাদুকাঠির অধিকার
শুধু সেকারণেই
রাজকন্যে জেগে উঠলো অন্য জাদুকরের ছোঁয়াতে...

▄▌শুক্র▐▄

একটা ম্যাজিক মিরর কিনে দিয়েছিলাম তোমাকে
হয়তো সস্তা ছিলো, তাই তোমার চেয়ে সুন্দরী কারো ছবি ভেসে ওঠেনি
প্রতারক ভেবে সরিয়ে দিয়েছো দূরে
বোঝোনি সহজ সত্যটা, তুমিই আমার সুন্দরীতমা এ বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে...

▄▌শনি▐▄

বিভ্রান্ত ম্যাজিসিয়ানের দিনলিপি লেখা মেঘের পরতে পরতে
বৃষ্টি হলেই নেমে আসবে মাটির বুকে
কিংবা, রোদের আঁচে ভেসে যাবে অন্য ঠিকানায়...

▄▌রবি▐▄

কষ্ট

স্বপ্ন ভাঙার শব্দ কি পাওয়া যায়।? পাওয়া কি যায় মন ভাঙার আওয়াজ?
নিজের বিবেক এর কাছে হার মানি আর চিৎকার করে বলি...বাবা-মা আর কিছু পারে নাই..এত ভদ্রতা..সভ্যতার বীজ কেন রোপন করে দিয়েছে ভেতরে।

কেন মিথ্যা, অন্যায় আচরণ এর সামনে মাথা নুইয়ে দেই শান্তি রক্ষায়?..আর নিজের ভেতরের নিজের সাথে লড়াই করি..।শিক্ষিত সমাজে শিক্ষিত মানুষদের কি জঘন্য রূপ..অবাক হই, বিস্মিত হই....

আর দোষারোপ করে যাই বাবা মা এর দেয়া শিক্ষা কে..

বাজেট: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বলির পাঁঠা

হাত-পা বাঁধা থাকলে, যে কোন মানুষকে সহজেই নির্যাতন করা যায়। একজন অপেক্ষাকৃত দুর্বল ব্যক্তিও তাকে আঘাত করার ক্ষমতা রাখে। কারন, বাঁধা অবস্থায় নির্যাতিত ব্যক্তির কেবল নির্যাতনের শিকার হওয়া ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অনেকটা সেরকমই মনে করা হয়, অন্তত সরকার সংশ্লিষ্টরা সেটাই মনে করে। তাই তাদের বলির পাঠা বানিয়ে রক্ত চুষে খাওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

সম্প্রতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত নতুন বাজেটের আলোকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি’র ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হয়েছে। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ওপর থেকে ৯ শতাংশ হারে কর আদায়ের মাধ্যমে কার্যত শিক্ষার্থীদের নিকট থেকেই অর্থ আদায়ের পরিকল্পনা করেছে সরকার। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এখন থেকে পূর্বের তুলনায় শিক্ষার্থীদের অপেক্ষাকৃত বেশি টাকা গুনতে হবে ।

ফেমিন

অনেক আগে সেক্স ট্রাফিকিং এর উপরে একটা ডকুমেন্টারী দেখেছিলাম, কিভাবে নারী পাচার হচ্ছে, কিভাবে তারা প্রলোভনে উন্নত জীবনযাপনের প্রত্যাশায় বৈধ কিংবা চোরাই পথে রাষ্ট্রের সীমান্ত অতিক্রম করে যৌনসেবাদাসীতে পরিণত হচ্ছে, তাদের দেশে ফেরার পথ নেই, কয়েকবার হাত বদল হয়ে তারা চলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে কিংবা ভারতে কিংবা ইউরোপের অন্যান্য দেশে এবং সেখানেই দেহের বিনিময়ে নিজের মুক্তিপন পেতে মরীয়া নারীরা মৃত্যু বরণ করছে।

Our God is woman, our mission is protest, our weapons are bare breasts!

euro-2012-countdown-clock-protest-reuters.jpg

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ