অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ১৭ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

অনুকাব্যে নববর্ষ

# ১ #

আজি নববর্ষে;
মাতো সবে হর্ষে,
কর সুখ গান..
ধুয়ে মুছে যাক যত,
রাগ - দুঃখ - মান!

# ২ #

রঙ ঢং আদিখ্যেতা,
একদিন-ই বাঙালি..
কর ক্যানে কাউ কাউ?!
গরু নাকি?
যাও দূরে,
মাঠে গিয়া ঘাস খাও..

# ৩ #

বৈশাখেরই রঙ্গে;
ভিজুক হৃদয় স্বর্গসুখে,
কালবোশেখির সঙ্গে..

# ৪ #

পাঞ্জাবী আর সাদার মাঝে লালচে শাড়ি,
পান্তা গরম আর ইলিশে;
লোক দেখানোর বাড়াবাড়ি..

# ৫ #

কালবোশেখির হাওয়ায়..
যাক ভেসে যাক;
দুঃখ সকল,
দিনের আসা যাওয়ায়..

# ৬ #

আর কোন দিন নাই তো খবর,
একটা দিন-ই বাঙ্গালি..
রঙ ঢঙ্গে-তে পান্তা ইলিশ,
বাঙ্গালি নাম ভাঙ্গালি..

# ৭ #

তপ্ত হৃদয়
পথ চেয়ে রয়
ইশান কোণের পানে,
আসবে ধেয়ে কালবোশেখি
বর্ষবরণ গানে..

স্বস্তি মিলুক বৃষ্টিধারায় স্নিগ্ধ শীতল স্নানে,
বছর জুড়েই যাক রয়ে রেশ শান্তি থাকুক প্রাণে..

# শুভ নববর্ষ #

একটি গান আর একটি মুভি, দুটি কথা..

#

আমার একটা অনেক পুরান অভ্যাস হল,
হঠাৎ করেই কোন একটা গানের লুপের ভেতর আটকা পড়ে যাই।

একই গান শুনে যাই দিন থেকে রাত, রাত থেকে দিন। ক্রমাগত, বলা চলে বিরামহীন!

ইদানিং, একটা গানেই আটক ছিলাম অনেক দিন। এখনও আছি, কিছু টা।

যাই হোক, অতঃপর মিফতাহ জামানের অতঃপরের খপ্পর থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মিলেছে।

কাহিনী আর কিছুই না, এ নিঊ ক্রাশ ইন মাই ওয়ার্ল্ড অফ মিউজিক।

বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের 'স্কুল অফ লাইফ' এর ভক্ত নয়,
এমন মানুষ বোধহয় কমই আছে।
তা, সেই মিউজিক ভিডিওটার মিউজিক কম্পোজিশন করেছিল অদিত।

সেই, অদিতের নতুন ডাবল সিডির এ্যালবাম ' অদিত ফিচারিং ফ্যাটম্যানজ ইঙ্ক' বাজারে আসতেই কিনে আনতে দেরি হয়নি। কেনা হলেও একবার শুনেই এতদিন ডুবে ছিলাম সেই অতঃপর-এ।

কাল থেকে, এই এলব্যাম এর একটা গান এক কথায় পাগল করে দিচ্ছে। মাথা অলরেডি পুরাই আওলাইয়া দিয়েছে।

পেরেশান.........

কি বলা যায় আজকের দিনটাকে এক কথায় অসাধারন একটা দিন আবার ক্লান্তিকর একটা অলস সময় পার। যেভাবেই বলি না কেনো দিনটা কাটলো দারুন। কারন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠলাম গোসল করে নামায পড়লাম। পিসিতে বসি নাই। হালকা বিসিএসের পড়া পড়লাম যদিও সাধারন জ্ঞান আর বাংলা এই দুইটা জিনিস পড়তেই ভালো লাগে। ইংরেজী যা দেখি মন হয় পারি তাই পড়ি না আর অংক করতে গা জ্বালা করে। বাকী থাকলো দৈনন্দিন বিজ্ঞান সেইটাতো একদিন পড়লেই পারা যায়। তবে শাবনুরের মতো আমারো মন বসে না পড়ার টেবিলে খাটে ফ্লোরে কোথাও না। তাই পড়তে বসলেই এমবিএ নিয়ে ভাবি একটু টিভিটা ছাড়ি মন চাইলে চা বানাই অফুরন্ত সময় সকালে। তারপর আজকে ছিলো মেকাপ ক্লাস। কিন্তু ব্যাগ নিয়ে বের হয়েই মনটা হলো উদাস। সংগী হবার কথা ছিলো আদনানের। আদনান দিলো ডায়লগ এরকম কতো মেকাপ ক্লাসরে পেকাপ করে থুয়ে আসলাম, বাসায় যায়া আমার মতো ঘুমান। কিন্তু আমি একটা নীতি ফলো করি যদি একবার বাসা থেকে বের হলে আর বাসা

কোনো খবর নাই !?

আহারে কতদিন ধইর‍্যা অপেক্ষা কইর‍্যা আছি আমরা বন্ধু থেকে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কিছু একটা করা হইবো, কত্ত মজা হইবো ।
কিন্তু এখন দেখি কিছুই হইলোনা। Sad Sad Sad
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কোনো পোস্ট ও নাই(ল্যামপোস্ট বুঝানো হয় নাই)।
সবাই কি ঘুমাইয়া গেলো নাকি? Sleepy Sleepy Sleepy
আমরা বন্ধু ব্লগে আইছিলাম ভালু ভালু লেখকগো Angel Angel লেখা পড়তাম পড়তেছি পড়তেছি পড়তেছি । আমি আবার ভালু লেখা পড়তে ভালু পাই। কিন্তু এখন দেখি ব্লগ জমাইয়্যা রাখার দায়িত্ব আমার উপরই পড়লো Day Dreaming Day Dreaming Day Dreaming । গত ৭ দিনে ৫ টা হাবিজাবি পোষ্ট দিলাম । নিজেতো ভালু লেখা লিখতে পারিনা। তাই হাবিজাবি লিইখ্যা ব্লগ এর পাতা ভরাইয়া দিতাছি । তবুও যদি এই মানহীন লেখা দেইখ্যা ভালু লেখকেরা ব্লগ জমাইতে আগাইয়্যা আসে। আর এই ফাকে আমিও কিছু ভালু লেখা পড়বার পারতাম Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud ।

পান্তা ভাতের রেসিপি ।

সামনেই পহেলা বৈশাখ । পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আপনাদের সবার জন্য আজ পেশ করলাম পান্তা ভাতের রেসিপি।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------

উপকরনঃ ২৫০ গ্রাম চাল, ১০ কাপ পানি। কাঁচা পেয়াজ - পরিমান মতন , কাঁচা লঙ্কা - স্বাদ বুঝে , লবন - আন্দাজ মতো।

রান্নার প্রনালীঃ

একটি পাত্রে চাল ধুয়ে ২ কাপ পানি দিয়ে চুলার উপর বসিয়ে দিন। দেখুন গ্যাস আছে কি না । গ্যাস থাকলে মনে করে চুলা জ্বালান । তারপর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন ।

কয়েক মিনিট পর হাড়ি থেকে চাল তুলে টিপি দিয়ে দেখুন সিদ্ধ হয়েছে কি না । সিদ্ধ হলে বুঝবেন তা "ভাত" হয়ে গেছে। এবার ভাত থেকে বাড়তি পানি ঝরিয়ে নিন। (মাড় গলিয়ে নেয়া যাকে বলে)

ভাত ঠান্ডা হলে তাতে বাকী ৮ কাপ পানি ঢেলে শুকনো, ঠান্ডা জায়গায় ঢেকে রাখুন।

দুর্‍্যোগ, দুর্বিপাক, কেলেঙ্কারি...

১।
পরশুদিন আমার ক্যামেরা হাত থেকে পড়ে গিয়ে আর কাজ করছে না। সেটার ঝামেলাটা কী বুঝার জন্যে তখন তখনই আই ডি বি নিয়ে যাচ্ছি। যাওয়ার পথে এক বন্ধুর সাথে দেখা করে যাবো, ওকে ইন ডোর স্টেডিয়ামের সামনে দাঁড়াতে বলেছি। হেঁটে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাত দেখি এক সিকিউরিটি গার্ড আমাকে হাত দিয়ে ফুটপাথ থেকে নেমে যেতে বলছে। অন্য সময় আমি গার্ড বা পুলিশের কথায় খুব একটা পাত্তা না দিলেও কী মনে করে যেন তখনই ফুটপাথ ছেড়ে দিলাম, আর তখনই একটা ইট এসে ধুপুস করে নিচে পড়লো। উপরে তাকিয়ে দেখি নতুন বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে।

২।

সাম্প্রতিক সৃজনশীল প্রশ্ন-১

নীচের উদ্দীপকটি পড়ে নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও
বহুদিন আগে এক রাজার এক মন্ত্রী ছিলেন। তিনি একবার অবৈধ টাকা সরাইবার সময় হাতেনাতে ধরা পড়িয়া যান। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পনা থাকায় তিনি অনর্গল মিথ্যা বলিলেও ধরা পড়েন নাই। তিনি প্রতি ক্ষেত্রে একই রকম জবাব দেয়ায় ঐ অবৈধ টাকা নিয়া প্রজাদের মধ্যে কোনো সন্দেহের সৃষ্টি হবার অবকাশ হয় নাই(গোপন কথা- মন্ত্রীর বুদ্ধির কারণে রাজা ধরা পড়েন নাই বলে রাজা তাকে পুরষ্কৃত করিয়াছিলেন। )
প্রশ্ন-১ঃ
ক)কালো বিড়াল কি?
খ)উক্ত ঘটনার সাথে বর্তমানের কোন ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
গ) সৃজনশীল জ্ঞানের অভাবই এপিএস এর ধরা পড়ার মূল কারণ।

দিন সারা দিন শেষে

শরীরটা ভালো না তাই রাতজেগে লেখাটা কেমন হবে তা আমার জানা নাই। তারপর লেখার আগে ফেসবুকে একটা নোট পড়ে মেজাজ খারাপ। এক বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ বাংলা নববর্ষ নিয়ে নসিহত দিলো তার বাল ফালানো যুক্তি শুনে মনে হইলো হালার পো ফেসবুক ইউস করে কেন?

একটি নিঃসঙ্গ দীর্ঘশ্বাস

একটা পাখি, প্রিয় পাখি, ভালোলাগার রঙমখা পাখি যদি না বসে এসে এই দুপুরের শরীরে তবে দুপুরকে মৃত লাগে। বোবা লাগে। পাখিহীন এই দুপুর কে আমি অস্বীকার করি। পাখি কোথায়? কোন গগণে মেলেছে তার ডানা? ব্যাখা করা যায় না এমন বেদনায় আঁকড়ে ধরে। কাতরাতে থাকে তার মন। অনেকদিন, বহুদিন পর আজ আবার এমন হচ্ছে। প্রাণহীন এই দুপুরে, কালো মেঘের দিনে ফের তাকে নিয়ে যাচ্ছে কোথা থেকে কোথায়। নিজেরই অজান্তে! যে মুখ, নাম ভালোবেসে রেখে দিয়েছিলো জীবনে- এখন যেনো এগুলো ভুলেই যাচ্ছে। তবু পাখি কেনো এলো না, পাখির জন্যেই তো হেঁটে যাওয়া ভাঙা কাচের পথ ধরে!

অচেনা অনুভূতি..

কিছু কিছু নাম্বার থেকে
আর আসবেনা কোন ফোন
কিছু কিছু এসএমএস পড়ে
আর হাসবে না এ মন
কোন কোন ঠিকানায়
লিখব না আর চিঠি
কোন কোন গলিতে
করবে না মন হাটা হাটি ......

আমার আত্মজীবনী পাঠ

আমার পছন্দ আত্মজীবনী। কিন্তু সব আত্মজীবনী পড়ার মতো নয়। কেউ কেউ নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যান যে, ফেরেসতা বললেও কম বলা হবে। আবার অনেকেই আছেন অকপটে অনেক কিছু লিখেছেন, নিজেকে নিয়ে। সেগুলো পড়তেই আমার আগ্রহ বেশি। রাজনীতিবিদদের আত্মজীবনী পড়লে ঐতিহাসিক অনেক ঘটনা জানা যায়। লেখক-সাহিত্যিকদের আত্মজীবনী মনের অনেকগুলো জানালা খুলে দেয়। আত্মজীবনীর কিছু কিছু অংশ পড়লে মনে হয়, প্রিয়জনদের জানাই।

১.

সহজ বিজ্ঞানপাঠ

গল্পে গল্পে বিজ্ঞান-১
নবম শ্রেণির জন্য প্রযোজ্য
আইডিয়াঃ ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
রচনায়ঃ নেয়ামত

বহু বহু দিন আগের কথা। বাংলাদেশ তখনো স্বাধীন হয়নি। এমনকি ভারত বর্ষ ও তখন ইংরেজদের শাসনে ছিল। সেই সময়ে বগা নিউটন নামে এক লোক ছিলো। সে কোনো কাজ করতোনা। সে কেবল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবতো। আর সারাদিন গার্লস স্কুলের সামনে বসে বালিকাদের আসা যাওয়া দেখতো।

নিউটন স্কুলের সামনে একটা প্রকান্ড নারিকেল গাছের নীচে বসতো। (বসার জন্য সে কেনো নারিকেল গাছের তলা বাছাই করেছিলো তা জানা যায়নি। কারণ তখন তো বাংলাদেশের ইতিহাসবিদদের মতো জ্ঞানী মানুষ সৃষ্টি হয়নি। তবে ধারণা করা হয় ডাবের প্রতি তার দুর্ণিবার লোভ ছিলো। )

কুসংস্কার লইয়া ভাবনা চিন্তা-৩

কুসংস্কার লইয়া সিরিজ লেখনের চেষ্টা চালাইছিলাম বহুদ্দিনাগে। হের্পর আমার অইন্নান্ন স্বভাবের লাহান ভুইলাও গেস্লাম। আইজকা হটাস মন্টায় চাইলো আবার্ফির কিছু লিখি। পইলা পুস্টে নাজ আফায় কয়েকটা কুসংস্কারের কথা কইছিলেন। সেগ্লার গ্রহনযোগ্য কুনু ব্যাখ্যা পাইনাই। মানে নিজের কাছেই জুইতের লাগে নাই আর কি। তাই সেগ্লার সবগুলার ব্যাখ্যায় না গিয়া, যেইটার ব্যাখ্যা নিজের কাছে জুইতের লাগছে সেইটা দিয়াই আইজকার পুস্ট শ্রু কর্লাম।

কুসংস্কারঃ- গর্ভবতী অবস্থায় বাইরে গেলে সাথে একটা রসুন, এক বক্স দেয়াশলাই.. ইত্যাদি সঙ্গে রাখতে হবে

একদেশ-য়ের গল্প

এক অঞ্চলে একদেশ নামে একটি দেশ ছিল

একদেশ-য়ের মন্ত্রী ভালো, সান্ত্রী ভালো, পন্ডিত ভালো, মূর্খ ভালো, ভেড়া ভালো, শুয়োরও ভালো
কিন্তু একদেশ ভালো নয়, একদেশ ভালো থাকে না

কি হলো একদেশ-য়ের, একদেশকে তো ভালো থাকতে হবে; তা নাহলে আর সবাই ভালো থাকবে কি করে

একদেশের সব ভালোরা মিলে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিল
কমিটি ভেবে-চিন্তে, গবেষণা, তদন্ত করে একদেশ কে ভালো করার দিকনির্দেশনা দিবে

কিন্ত তাতেই গোল বাঁধলো; কমিটির প্রধান হবে কে
ঠিক হলো ঠিক যে-প্রধানতম কারণে একদেশ ভালো না সেই কারণ-বিষয়ে বরিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ হবেন নতুন কমিটির প্রধান
তখন বাঁধলো আরেক গোল; ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করলেন ঠিক তারা যে-বিষয়ে বিশেষজ্ঞ
সেই কারণে একদেশ ভালো নয়; এই নিয়ে হৈ চৈ হলো; কমিটি আমজনতার সাহায্য চাইলো

তখন রাস্তার একটি আধ-ন্যাঙটা ছেলে এসে বললো," স্যার, আমাকে কমিটি-প্রধান করেন"

কবিতার আস্তাবল ০২

একুশ বছর বয়েস হয়তো আমাদের মাপে খুব বেশী সময় না কিন্তু এ বয়েসেই সুকান্ত তার কবিতাগুলো লিখে প্রকাশ করে যক্ষায় মরে গেছে একাকী, আরোগ্যনিকেতনে কিংবা গৃহকোণে কোথাও না কোথাও বসে বন্ধুকে লেখা সুকান্তের চিঠিতে সুকান্তের প্রেমের সংবাদ ছিলো। সুকান্ত বন্ধুকে লিখেছিলো প্রেমের পড়বার পর সে আর কখনও প্রেমের কবিতা লিখে নি। শুধু সমাজ বদলের কবিতাই লিখেছে সুকান্ত এমনটা হয়তো নয় কিন্তু তার কবিতাসমগ্র-রচনাসমগ্রের কোথাও প্রেম নেই, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ আর ভালোবাসা আছে, ভবিষ্যতের শিশুদের জন্য স্নেহ আছে, ব্যক্তিগত প্রেমের কবিতা তেমন নেই। হয়তো সেইসব কবিতার আড়ালে কোথাও প্রেম ছিলো, সেসব প্রেমময়তাকে তেমন প্রকাশযোগ্য বোধ করে নি সুকান্ত। বিখ্যাত হওয়ার অনেক সম্ভবনাই তৈরি হয়েছিলো কিন্তু নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দের স্যুটকেস ঝেড়ে পুছে তার গল্প-কবিতা- উপন্যাস খুঁজে বের করতে যেমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিলো সুকান্তের ক্ষে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ