কিন্তু প্রথম বাণীটাতেই আটকে গেলাম
বিশ্ব ভালবাসা দিবসের অনুষ্ঠান ইদানীং বেশ খোলাখুলিভাবেই টিভিতে দেখানো হচ্ছে। স্কুলের বেঞ্চে ইউনিফর্ম পড়া ছেলে-মেয়ের বসে গল্প করা দেখে ভাবি, আমি যখন স্কুলে পড়তাম তখন এটা অচিন্ত্যণীয় ছিলো যে; প্রেমিকার সঙ্গে নিরিবিলিতে একটু বসলাম আর টিভি ক্যমেরা সেখানে হাজির হয়ে গেল, আর আমরাও সে দৃশ্য নির্দ্বিধায় সেলুলয়েডের ফিতায় বন্দী হতে দিলাম।
যাক সে কথা, মতিঝিল আমার খুবই প্রিয় একটি এলাকা। ওর সঙ্গে আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। একটা ব্যপার প্রায়ই ঘটে, যে জিনিসগুলোর সঙ্গে আমি স্যূট করি সেগুলো চমৎকারভাবে জীবনে মানিয়ে যায়। যেগুলোর সঙ্গে স্যূট করতে পারি না সেগুলোকে খাপ খাওয়ানো সাধারণত সহজ হয় না।
শুভ জন্মদিন নুশেরাপু!
ব্লগার রশীদা আফরোজ এর ফেবু থেকে জানাতে পারলাম আজ নাকি আমাদের সবার প্রিয় নুশেরাপুর জন্মদিন! যদি তাই হয় তবে ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত আর কেক খাই আর নাইবা খাই আজ নুশেরাপুর জন্মদিন (নাকি জন্মরাত!) যাই হোক জন্মদিনে নুশেরাপুকে বাসন্তীয় শুভেচ্ছা। তার সুসাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করছি।
মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৯
ইদানিং বইমেলার চারপাশে রংতুলি আর রং এর ডিব্বা নিয়ে যারা আল্পনা আঁকতে ঘুরে তাদের সাথে বইমেলার সম্পর্ক নিছকই বাণিজ্যিক, আগে যখন বইমেলায় এই আল্পনার জমজমাট ব্যবসা ছিলো না তখন চারুকলার শিক্ষার্থীরা হাতে রং তুলি নিয়ে একুশের উৎসবে সামিল হতো, সবাইকে বইমেলা কিংবা জাতীয় উৎসবের আনন্দে সামিল করবার জন্য তারা নিজেরাও বইমেলার অবৈতনিক শুভেচ্ছাদুত ছিলো, তাদের অংশগ্রহন এখন অনুপ্রবেশকারীদের আগ্রাসনে বিলুপ্ত প্রায়। গতকাল বইমেলায় একজন আর্টিস্ট এসে দাঁড়ালো সামনে, ঋকের দিকে তাকিয়ে বললো এঁকে দেই?
আমার আপত্তি স্পষ্ট হয়ে উঠবার আগেই দেখলাম ঋক হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, বাড়ানো হাতে শুভ বসন্ত লিখে শেষ করবার পর বললাম কত নিবেন?
আপনারা যা ভালো মনে করেন, সবাই নিজের মতো দেয়।
ঊৎসর্গ : ভালোবাসা দিবস।
একবার খুব ইচ্ছা হলো প্রকৃতিকে ভালোবাসি
ফুলেরা এসে বলে, আমায় ভালোবাসো
বললাম, ঠিক আছে কিন্তু তোমাদের রুপ-গন্ধ কি পারবে
আমাকে আমরন উদ্দীপ্ত করতে.....
ফুলেরা চুপ্সে গেল।
ডালে বসা ছোট্ট পাখিটি তার অদ্ভুত রঙিন
লেজটা নাড়িয়ে বলে, দেখতো আমি কেমন রই
বললাম, ওহে পাখি সত্যি করে বল, তোর ডানায় কি
আমার স্বপ্নগুলোর ভার সইবে......
পাখিটা উড়ে গেল অন্য কোথাও।
মুখে মুখে কথা রটে গেল নদীর কাছে
সে তার শীতল জলের ঝাপটা দিয়ে আমায় বলে, জোর করব না
তবে চাইলে আমার কাছে একবার আসতে পারো
জিজ্ঞেস করলাম, তুমি এত বিশাল কিন্তু তাতে কি তুমি পারবে
আমার সব অনুভুতিগুলোকে ডুবিয়ে বাঁচাতে.....
নদী অন্যদিকে তার বাঁক ঘুরিয়ে নিল।
একখন্ড ঝড়ো বাতাস সেদিক দিয়ে যাচ্ছিল
বলে বসল, আমিতো আজীবন তোমার সাথেই আছি,
আমায় কেন নয়
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, আজ সারা দিন ভাবছি
আমার লেখার কোন আভ্যাস নাই, চেষ্টা করিনি কখনও কিন্তু জানি লাভ হতো না ।ঘটনায় চলে আসি, আজ সকলটা অন্য গুলো সকালের মতোই ছিল,গত কাল ফাগুনের শুরু, আজ ভ্যালেন্সটাইন ডে, তরুণের মনের রঙ যেন এ দু দিনে অনেক খানি পাকা হয় । যতোই ফুল ফুটুক আর মনে রঙ ছড়াক আমার কাছে শীত বসন্ত সবই সমান,দিন -রাত,ঋতু ভেদ আমার কাছে নিয়ম ছাড়া আর অন্য কিছু মনে হয়না । কিন্তু আজকের দিনটা খুব অবাক করা একটা দিন আমার জন্য আর এ কারণেই ভাবাচ্ছে খুব।
পিঠাপিঠির ভালোবাসা
মা ঘরের কাজে ব্যস্ত, তার চেয়ে পাহাড়সম ব্যস্ততায় ডুবে আছে একবছর দশমাসের নওশীন। দাদার সাথে চাচাতো ভাইদু'টাকে স্কুল থেকে আনতে যেতে হবে, ছোটচাচুর সাথে সময়মতো নিচে গিয়ে পানির মটার ছেড়ে পানি তুলতে হবে, বুয়া এলে তার পেছন পেছন ঘরে ঘরে ঘুরা আর দীদাকে পান খাওয়ায় সঙ্গ না দিলে কি করে চলবে সব!
মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৮
বইমেলা ক্রমশঃ লিফলেটনির্ভর হয়ে উঠছে, প্রতিদিনই বইমেলায় ঢুকবার সময় কেউ না কেউ একটা না একটা লিফলেট এগিয়ে দেয়, সেসব লিফলেটে কোনো না কোনো বইয়ের বিজ্ঞাপন থাকে, অধিকাংশ বইই আমি শেষ পর্যন্ত কিনতে যাই না কিন্তু আমার ধারণা কেউ না কেউ অবশ্যই কিনে এমন লিফলেটে লেখা বই।
এবিসি ফ্যান্টাসী কাপ, ঢাকা'২০১১ -- বিশ্বকাপে, আত্মা কাঁপে
বিস্তারিত আসিতেছে, তার আগে নিজের অনুভূতিটা একটু বয়ান করি।
ফুটবল বিশ্বকাপের বেলায় আনন্দে বিশ্ব কাঁপে, সাথে আনন্দে আমি নিজেও কাঁপি। প্রিয়দল ব্রাজিল আউট হয়ে গেলে হল্যান্ড, হল্যান্ড গেলে স্পেন, স্পেন গেলে অন্যকিছু, মানে যাই ঘটুক আনন্দে কাঁপাকাঁপি করা যায়।
কিন্তু এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ যত কাছাকাছি আসছে, কিঞ্চিৎ আনন্দে কাঁপার পাশাপাশি ততবেশী আত্মাকাঁপাও শুরু হয়ে গেছে। গতবার পর্যন্ত বাংলাদেশ দল নিয়ে বড় কোনো আশা করতাম না, আত্মার কাঁপাকাঁপিও তেমন ছিলোনা। কিন্তু গত বছরের কীর্তিকলাপে এবারের সাকিব বাহিনীটাকে দেখে,
"কেমন যেনো অন্যরকম লাগে,
বিরাট আশাও মনে জাগে"।
এত আশা জাগে যে কবিতা চলে আসে! সেজন্যই এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপে, আমাদের আত্মা কাঁপে।
এখন আসি আসল কথায়। আত্মা যতই কাঁপুক, আমরাবন্ধু ক্রিকেট ফ্যান্টাসী কাপ তো হতেই হবে। নাকি বলেন? তাহলে আর দেরী কেন?
তোমার জন্য মিছেমিছি কাব্য লিখি না
মাঝে মাঝে ভাবি তোমায় কিছু উপহার পাঠাবো
না দামি ব্র্যান্ডেড কোন শার্ট কিংবা ঘড়ি নয়
ফরাসি পারফিউম বা ট্র্যান্ডি সানগ্লাসও নয়
খুব সাধারণ কিছু, খুব সাধারণ
ধরো রোজ গায়ে মাখি যে সাবানটা তার কিছু অংশ
কিংবা কিছুটা টুথপেষ্ট, বডিলোশন বা শ্যাম্পু
তা নইলে রোজ যে জ্যাম জেলি খাই
বোয়াম থেকে তুলে দিবো তাদের কিছুটা বা
আমার প্রিয় চকোলেটের বাক্স থেকে একমুঠো চকোলেট।
আমি এখন আর জানি না তোমার প্রিয় রঙ কোনটা
জানি না কোন গান এখন উতলা করে তোমায়
কোন বইটা পড়ে অনেক ভাবো তুমি
যেমন তুমিও জানো না আমার প্রিয় কবি কে এখন
কোন সিনেমা দেখে আমি হাঁপুস নয়নে কেঁদেছি
মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গিয়ে আর ঘুম না এলে
বুক ব্যাথা করলে কি কি সব ভাবি।
একদিন দুজনের সব জানার প্রতিজ্ঞা ছিলো
পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেলেও আমরা দুজনে দুজনার
ছোট থেকে ছোট দুঃখ, সামান্য থেকে সামান্য আনন্দ
একসাথে ভাগ করে নিবো, পাশে থাকবো।
আমার নয় কিছুই
একটা ঘটনা ঘটেছে। সেদিন রাতে ফ্লাক্সের পানি শেষ হয়ে গেলে ডাইনিং টেবিলে পানি আনতে গিয়েছিলাম। এই সামান্য কাজের জন্য লাইট জ্বালাতে ইচ্ছে করে না কখনোই।
সুন্দর পরিপক্ব একটি নিঝুম রাত, এরমধ্যে একটা টিউবলাইট জ্বালিয়ে চারিদিকে কৃত্রিম আলো ঢেলে দেয়ার কি অর্থ হতে পারে? এই ভাবতে ভাবতে অন্ধকারে ফিল্টার থেকে পানি ভরছিলাম। হঠাৎ দেখলাম, ফ্লাক্সের তলা অলৌকিকভাবে ফুটো হয়ে পানি নিচে আমার পাএর ওপর গিয়ে পড়ছে। ঠিক সে সময় আমি ঘরের ভেতর বেশ কয়েকটা নিঃশ্বাস পড়ার শব্দ শুনলাম। এবং একটা অসমাপ্ত শব্দ, নান্।
এরপরে স্বাভাবিক বুদ্ধিতে যা মাথায় আসে তা হলো, ভয়ে একটা চিৎকার দেয়া। মনে হচ্ছিলো এখনো মুখের পেশীগুলো বিবশ হয়ে যায় নি। সর্বশক্তিতে একবার আপনজনদের আমার বিপদের কথা জানিয়ে দিতে পারলেই আমি বেঁচে যাবো। চিৎকার দিলাম কিন্তু শব্দ হলো না। বুঝতে পারলাম, গলা দিয়ে আর স্বর বেরুচ্ছে না।
ছবি প্রদশর্নীঃ উৎসর্গ - হাসান রায়হান ভাই।
আমরা বন্ধু'তে আমাদের হাসান রায়হান ভাইকে নূতন করে পরিচয় করিয়ে দেবার দরকার নেই। স্পষ্টভাষী হিসাবে তিনি ইতিমধ্যে প্রচুর নাম কামিয়ে নিয়েছেন। তার পোষ্ট এবং কমেন্টে একটা চরম রসবোধ কাজ করে। অনেক সময় সত্য প্রকাশে অসুবিধা থাকলেও তিনি যেভাবে এগিয়ে আসেন তা রীতিমত দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় এবং তার এই ভুমিকার কারনে অনেকে পাটাপুতার পিসাপিসি থেকে বেঁচে যান! আমি তার কমেন্ট পড়ে পড়ে বিরাট ভক্ত বনে গেছি!
আপনারা হয়ত ইতিমধ্যে লক্ষ করেছেন যে, আমি তাকে ‘গুরু’ বলে ডাকি। আপনি যদি কাউকে গুরু ডাকেন, তা হলে লক্ষ করবেন যে বেশীর ভাগ মানবসন্তানই তা সহ্য করতে পারছেন না। আসল গুরুরাই ‘গুরু’ ডাক সহ্য করতে পারেন! লালন সাঁই এই জগতের গুরুদের গুরু! এটাও মানুষের একটা বিরাট গুন।
খুঁজি তোরে আপন মনে
ঘুম হয়নি রাতে।চোখ জ্বলছে। এ আর নতুন কি!ঘুমের সাথে মন এবং রাত কোন একটা গোপন সন্ধি করে নিয়েছে।আমাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে জাগিয়ে রাখে।প্রতি রাতের মতো ইচ্ছে করছিলো তোমাকে একবার ফোন করি কিন্তু আমি জানি তুমি ঘুম ঘুম গলায় বলবে, 'হ্যালো! কি হইছে?'আমি বলব 'কিছু না। এমনি।' তাই শুনে তুমি অতীব নীরস মানুষের মতো বলবে 'ও আচ্ছা! ঘুমাও। ' মাঝে মাঝে এত রাগ হয়! এত বুদ্ধু কেন তুমি? আরো একটু ক্রিসপি, আদুরে, গুডিগুডি হলে কি এমন ক্ষতি হতো!
সকাল হওয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম সারারাত।ভাবছিলাম দিনটা কিভাবে কাটাবো :SS। একবার মনে হচ্ছে বইমেলায় যাই, হাত ধরে হাঁটব আর বই কিনব, তারপর রিক্সায় ক্যাম্পাসটা একবার ঘুরবো।আবার মনে হচ্ছে দূরে কোথাও যাই, নিরিবিলি কোন একটা যায়গায় ছুঁয়ে বসে থাকি চুপচাপ।ফাল্গুন এলেই মন এমন অস্থির হয় কেন কে জানে! হাওয়ায় ভেসে বেড়াতে চায়।
প্রতিটা মানুষ রিসিপশনিষ্ট হয়ে গেছে
তোমাকে একটা ফোন করতে চাই
যখন 'গুডমর্নিং' জানাবে না
'গুডইভিনিং' অথবা 'হ্যালো', 'হাই' এবং 'কি ব্যাপার' ফেলে
স্রেফ একজন মানুষের মত আর্তনাদ করবে,
সালা - ফোন করার সময় হলো এতদিন পরে?
আমাদের রিসিপশনিস্টের প্রেমে প্রতিটা আগন্তুক
ভাবে তার প্রেমে মেয়েটা মশগুল
যদি সে বলে - 'দেখিনা কতদিন', 'কেমন ছিলেন'
মনে হয় যেনো তারই অপেক্ষায় ছিলো দিন গুনে
আমাদের কণ্ঠস্বর বেঁচে নেই আর ফোনে
রেকর্ডারের মত বেজে যায় আর কেউ দ্যাখে না ফিরে!
খাও দাও ফুর্তি করো
আর একদিন বাদে পরশু কাক ডাকা ভোরে রাজশাহী ছাড়বো আবার কবে আসবো ঠিক নাই।যেয়ে শুরু হবে সেই একঘেয়েমি জীবন ল্যাব টু বাসা দিয়ে আবার ল্যাব মাঝে মাঝে সুপারম্যানের রামডলা কোনদিন আলহাদের শুরে চিকন ডলা।তা যাই হোক।যা হবে সেটা পরে দেখা যাবে।
আজ অনেক দিন পর রাজশাহী শহর চক্কর দিলাম।সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আমাদের কিছু প্রিয় জায়গার বিকালের খাবার খেলাম।গত পোস্টে ছবি দেই নাই দেখে অনেকেই বকাবকি করলো তাই আজ আর সেই ভুল করছি না।
আমরা আগে মাঝে মাঝে সন্ধ্যার খাওয়া শুরু করতাম নবরূপের দই আর রসমালাই দিয়ে আজ ও তাই করলাম।খেয়ে দেয়ে বিল দিতে গিয়ে দেখলাম দাম আগের চাইতে অনেক বেড়েছে কিন্তু টেস্ট আগের মতোই আছে।
রসমালাই
কারো বই-পত্রের আহবানকে করেন ''স্টিকি'' আর পত্রিকা পড়ার আহবান হলো নীতিবিরুদ্ধ?
মডারেটর, আমরা বন্ধুর চলতি ''স্টিকি' পোস্ট হচ্ছে --দুই ব্লগারের বইমেলায় প্রকাশিত দুটি বই এর বিজ্ঞাপন এবং প্রকাশনা অনুষ্ঠানের খবরসহ সময় ও তারিখের ঘোষনা, যা রীতিমত ব্যবসায়িক প্রচারনা । কিন্তু আমার অনলাইন পত্রিকার লিঙ্ক দিয়ে তা পড়ার আহবানও কি সেই পর্যায়ে পড়ে? তবু আপনারা ক'জন ব্লগারের আপত্তিতে আমার নির্দোষ লেখাটি নীতিমালার দোহাই দিয়ে প্রথমপাতা থেকে সরিয়ে দিলেন! এটা কি পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যমূলক হলো না?
আপনারা স্বীকার না করলেও পাঠকরা কিন্তু সবই বুঝবে, তাদের চোখ-কান খোলা আছে।বইয়ের প্রচারণা চালালেও তাকে স্টিকি করবেন আর একটা পত্রিকা পড়ার আহবানকে নীতিবহির্ভূত বলবেন, এটা কেমন নীতি সেটাই আমার প্রশ্ন? আশা করি ব্যাপারটা পরিষ্কার করবেন।