অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

প্রেম সাতবারই এসেছিল জীবনে- ১

রাজ্জাকের জীবনটাকে বর্ণাঢ্য বলাই যায়। এ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ প্রেম হয়েছে ৭টা। অর্ধাঙ্গ, সিকি-অঙ্গ অনেক। সেগুলো গণনার বাইরে। বেঁচে থাকলে ১৪টা পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম হবে আশা করা যায়। রাজ্জাক নিঃসন্দেহে একদিন হোমো এরশাদকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে।

তো আসুন, ৭ পর্বের প্রথম পর্বটা দেখে নিই।

ববিতা রাজ্জাকদের বাড়িতে আসত আত্মীয়তার সূত্রে। রাজের চোখ পড়ল ববির ওপর। যদিও ববি বছর দুয়েকের বড়ই হবে রাজের চেয়ে। তার ওপর মেয়েটা মারাত্মক দেমাগি। রাজ ঘুরঘুর করে। ববি পাত্তা দেয় না। এভাবে প্রতিবারই রাজের বুক খান খান করে দিয়ে ববি চলে যায়। মেওয়া ফলানোর জন্য রাজ সবুর করে। সবুর করে করে ফন্দি আঁটে।

একদিন মেয়েটা চলে যাবার পর রাজ সোজা গিয়ে হাজির হয় মেয়েটার বাড়ি। বাড়িতে শত্রু এলেও ভদ্রতা করা লাগে। ববি তাই রাজকে বসতে বলে। কথা বলতে চায়। কিন্তু আজ ঘটনা উল্টো। রাজ কথা বলে না। ববি অনুরোধ করে- কী হলো বসুন না, কী খবর বলুন?

দূরে কোথাও আছি বসে

কোন একসময় ভাবতাম, কবে বড় হবো?পড়াশোনা করতে হবে না,বাবা-মায়ের কড়া শাসন থাকবে না, ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াবো,প্রজাপতির মতো পাখা মেলে উড়বো।মনের ক্যানভাসে যত রং আছে, সব রং মেখে নিজেকে রাঙাবো।বড় হতে হতে বাবা-মায়ের সেই কড়া শাসন হারাতে গিয়ে টের পেলাম উচ্ছলতার যে পাখাটায় ভর করে উড়তে চাইতাম সেই পাখাটাই আমি হারিয়ে ফেলছি।আমার শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য সব পেছনে পড়ে যাচ্ছে।শৈশবের সময়টা মমতা মাখা, সেই সময়টায় মন ফিরে যায়, মন সিক্ত হয়।কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে আসার দিনগুলিতে যদি ফিরে যাওয়া যেতো! আমার বন্ধুরা, আমার উচ্ছলতা কোন চোরাবালিতে যে দূরে চলে গেলো! আমি দূরে কোথাও বসে হাত বাড়াই, ছুঁতে পারি না। সেই সময়ের সাথে যোজন যোজন দুরত্ব আমার।

গল্প: জো সুই পাঘদু'

দেখা যাচ্ছে জীবনের গণ্ডিটা আস্তে আস্তে ছোট হয়ে আসছে। ডাইনোসর যুগের একটা ঘটনা মনে করে প্রায়ই পুলকিত হই। একবার ১০ মিনিটের নোটিশে বাড়ি থেকে পালিয়েছিলাম। ডাইনিং টেবিলের ওপর অসমাপ্ত একটা চিরকুট রেখে। যেটাতে লেখা ছিলো, বাইরে গেলাম।
এ বাহির সেই বিকেল কিংবা বেলাশেষে বাহিরে যাওয়া নয়। জুতা-ব্যগ গুছিয়ে নিয়ে চুপ-চাপ কেটে পড়া। যে বন্ধুদের প্ররোচনায় রাত তিনটায় ঘর থেকে বেরিয়ে এক সপ্তাহ পর ফিরেছিলাম, সে বন্ধুদের কেউই আজ বেঁচে নেই। কেউ স্ত্রী’র নীচে, কেউ বিদেশে আবার কেউবা শিল-পাটা না পেয়ে কাগজ-কলম পিষতে গিয়ে পূর্বের জীবন থেকে বিচ্যুত হয়েছেন।
অথচ একটা মহাসময় ছিলো, যখন শেখের টেকের ছয়তলা বাড়িটার ছাদে টাংকির ওপর ছয়জন সারারাত; সম্ভাব্য প্রত্যেকটা কাজের মধ্য দিয়ে আনন্দ টেনে নেয়ার চেষ্টা করেছি। রাশি রাশি আনন্দ দু’হাত ভরে উঠে এসেছে। নিশ্ছিদ্র রাত কখন কোন ফাঁক দিয়ে বের হয়ে গেছে, রোদ উঠে গায়ে জ্বালা ধরিয়ে না দেয়া পর্যন্ত টের পাই নি।

আমার বুড়ো বাবা - ঋহান ও আমি

হঠাৎ মনে সন্দেহ হলো, “সম্ভবত আমার ভেতরে আরেকটা অস্তিত্বের জন্ম হয়েছে”। যেদিন আমার সন্দেহটা যাচাই করতে গেলাম তখন আমার গর্ভে ঋহানের বয়স ৬ সপ্তাহ। ডাক্তার সাহেব উনার বিশেষ যন্ত্র দিয়ে আমাকে দেখালেন একটা ছোট্ট মাংস পিন্ড, শোনালেন তার হৃদ স্পন্দন। ক্ষনিকের জন্য কিছুই বিশ্বাস হলো না।
"মা"?

সেদিন থেকে শুরু হলো মা হিসেবে আমার দিন গননা। ডাক্তার তারিখ দিয়েছিলো ২৭শে জুলাই ২০১০। তার ঠিক ২দিন আগে ২৫শে জুলাই ২০১০, রাত ২:৪০ মিনিটে আমি প্রথম টের পেলাম যে ঋহান আজই চলে আসবে। রাত বেশি হওয়াতে কাউকে ডাকলাম না। ভোর ৫টায় আমার বোন (সে একজন ডাক্তার) কে বললাম। ব্যাথা সহনীয় পর্যায়ে থাকায় কিছুক্ষন অপেক্ষা করে সকাল ৮টায় আমাকে নিয়ে হাস্পাতালে রওয়ানা হল আমার বোন আর মা।

কারখানা...(চার)

বাড়ি ফেরার পথে একটা জটলা দেখে গাড়ি থামায় সাদ। গাড়িটা একটু সামনে নিয়ে পার্ক করে, টিপসি ফিলিঙের শরীর নিয়ে ভাসতে ভাসতে এগিয়ে গিয়ে দেখে অনেক লোকের ভীড়ের মাঝে একজন লোক প্রায় হাত-পা ছড়িয়ে কাঁদছে। তার মাথা তাৎক্ষণিক ভাবে কাজ করে না। একজনের কাঁধে হাত রেখে জিজ্ঞেস করে,

: কি হইছে ভাই?

: আর কইয়েন না এই লোকের মাইয়ার বিয়া সামনের রবিবার। মাইয়ার বয়স হইছে বিশের মতোন। পোলায় করে ব্যবসা। পোলার বাপে যৌতুক চাইছে ৩ লাখ টাকা নগদ আর একটা সোনার চেইন। তো সে এই টাকা যোগাড় করতে রক্তপানি কইরা গতো কয়দিন ধইরা এই দিক ঐদিকে দৌড়াইছে। এখনো পুরা টাকাটা কালেক্ট করবার পারে নাই। তো আইজকা রাইতে কোত্থেইকা হাজার দশেক টাকা আনছিলো।

এদ্দূর বলে সে খেয়াল করে সাদের মনোযোগ কতোটা রয়েছে কাহিনী শোনায়। তারপর আবার শুরু করে...

অতি হালকা প্যাচাল - অলস মস্তিষ্কের অলস চিন্তা ।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি , একজন নব্য হুজুরের মোবাইলের রিংটোন হইল "ভিগি হোঠ তেরি ----- পিয়াসা দিল মেরা " Tongue । হিন্দী গানের আগ্রাসনই বলি আর অর্থ না বুঝে সুরের প্রেমে পড়াই বলি । এইসব সেমি অশ্লীল কথাযুক্ত গান কিন্তু এদেশে এখন ব্যাপক জনপ্রিয় ।
ইদানীং মুন্নি বদনাম হুয়ি ডারলিং তেরে লিয়ে আর মাই নেম ইজ শিলা তো সেইরকম জনপ্রিয় । পিচ্চি পোলাপানের মুখে এই গান শুনলে চোক্ষে পানি চলে আসে । মাঝে মাঝে গভীর রাতে কোরাস শোনা যায় - বেবো মে বেবো বা পি লু তেরে ন্যায়নোকা শাবনাম ইত্যাদি ।

অটোগ্রাফ দেখেছেন? গানগুলো শুনছেন?

নানা ব্যস্ততার কারণে সিনেমে দেখা কমে গেছে। অসংখ্য ছবি আছে, দেখা হয় না। সময় আমার সব সময় কেড়ে নিচ্ছে। দেখবো বলে গত শুক্রবার অনেকগুলো সিনেমা কিনলাম। আবার দেখা শুরু করবো ভাবছি। ব্যস্ততা তো থাকবেই, কিন্তু জীবন থেকে আরও অনেক কিছুর মতো সিনেমা দেখার সময়, বই পড়ার সময়, গান শোনার সময় আমি হারিয়ে ফেলতে চাই না।
এখন ছবি দেখা হয় কম। ভাল হয়েছে শুনলেই দেখার আগ্রহ বেশি হয়। আবহমান ছবি নিয়ে লেখার সময় বাতিঘর বলেছিল ছবিটার কথা। সেটা কিনলাম এবং দেখলাম। ছবিটার নাম অটোগ্রাফ
autograph-movie-poster.jpg

দু'দিনের দুটো অভিজ্ঞতা--ইভটিজিং কি বন্ধ হবেনা?

ঘটনাসূত্র-১
একদিন সন্ধার সময়ে অফিস থেকে বাসায় ফিরছি। বাসার কাছাকাছি রাস্তায় দেখছি, দুটো সুন্দরী কিশোরী মেয়ে যাচ্ছে আর ৩/৪ টি বখাটে ওদের উত্যক্ত শুধু নয় পিছুও ধাওয়া করছে। একটি ছেলে একসময় দৌঁড়ে গিয়ে বেশি সুন্দরী মেয়েটার হাত চেপে ধরতেই, সে কাঁকুতি-মিনতি করতে লাগল, এরে ভাই, ভহাত ছেড়ে দেন আগে; তারপর কী বলবেন বলেন?

আমি সব দাড়িয়ে থেকে দেখায় বখাটেরা কিছুটা ঘাবড়িয়ে যায় বলে মনে হয়। মেয়েটিও আমাকে প্রতিবাদীর মত দাড়াতে দেখে সাহসী হয়। ফলে ওর হাত ছেড়ে দিয়ে চলে যায় ওরা। এরপর মেয়েটি আমার পাশ দিয়ে যেতে থাকলে প্রশ্ন করিঃ তোমরা কি চেন ওদের? বলে, নাহ, আমাকে জোর করে আটকিয়ে বলছে-আমাকে নাকি খুব লাইক করে।

আমি বললাম, এমন ঘটলে ভবিষ্যতে ওভাবে চুপ না থেকে চিৎকার দেবে, যাতে রাস্তার লোক বুঝতে পারি যে, তোমরা বিপদগ্রস্ত? মাথা দুলিয়ে সে বলল, জী- আচ্ছ।!

ঘটনাসূত্র-২

সার্কেলটা আর ভাঙা গেল না...

ঘটনা এক

কবিতা: বেরসিক

বিশ্ব ইজতেমায় জু্ম্মার নামাজ পড়ে আসা এক বন্ধু সেদিন জানালেন, নামাজ শেষে ভীড় দেখে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এত মানুষ আর এত মানুষ, হাঁটতে হাঁটতে একবার কোনমতে পড়ে যেতে পারলেই কেল্লা ফতে। আর উঠতে হবে না। পেছনের তিন-চার মাইল লম্বা প্রবল জনস্রোত টেরও পাবে না, পায়ের নিচে কিছু পড়লো কি না!
আমি অবাক হলাম। মানুষ যেখানে ওস্তাদের কাছ থেকে রহমত আদায় করার জন্য গেছে, সেখানে একজন যদি পায়ের তলে পড়ে যায়, তাকে ধরে উঠিয়ে দেয়া কি সবার দায়িত্ব না? একটাও এমন দুর্ঘটনা ঘটলে, সেই দেশে কি আরো কোনোদিনো ইজতেমা কবুল হয় কি না কে জানে।

ধরাশায়ী

ধরা কাহিনী সবারই আছে। জীবন মাত্রেই মরণশীল, মানুষ মাত্রেই ধরাশীল। ধরা খাওয়ার মধ্যে কোন লজ্জা নাই, কোলেষ্টেরোলও নাই। তবে ধরা কাহিনী নগদের চেয়ে বাসীই মজাদার। তাই গতকাল যে ধরাটা খেয়েছি সেটা এখন না বলে পুরোনো গুলিই বলছি।

মোবাইল 'ধরা': একটেল

দশ-বারো বছর আগেও ভোররাত থেকে লাইন ধরে হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কি করে ত্রিশ চল্লিশ হাজার টাকা খরচ করে মিনিটে ৭ টাকায় কথা বলার সুবর্ণ সুযোগ পাবার জন্য যে কোম্পানীর কানেকশান কিনতো মানুষ, তার নাম গ্রামীণ ফোন। ক্রেতা সামলানোর জন্য পুলিশ ডাকতে হয়েছে সেরকম কোম্পানী পৃথিবীতে খুব বেশী নেই। গ্রামীণের ক্রেতাভাগ্য ঈর্ষনীয় ছিল।

আমি গ্রামীনের লাইনে দাঁড়াইনি কখনো। মোবাইল ফোন বড়লোকের জিনিস, বাসার ল্যান্ডফোনই যথেষ্ট, এই ধারনাটা এক বন্ধু এসে নাড়িয়ে দেয় যখন সে বিদেশ যাবার আগে তার একেটেল মোবাইলটা আমাকে বন্ধুসুলভ দামে 'উপহার' দিয়ে যেতে চাইল।

কারখানা...(তিন)

বিয়েশাদি করে তিন বাচ্চার বাবা হওয়ার পরেও আলভী একটুও পাল্টায় নি। সেই আগের মতোন ঝুটি বেধে ঘোরাঘুরি করে। চল্লিশ বছর বয়স কিন্তু তার রঙ পসন্দ এখনো সেই এলভিস প্রিসলি, গান পসন্দ লেড জেপলিন। একমাস আগে তার জন্মদিনের পার্টিতে বেলুন ফুলিয়ে ঘর সাজানোর বাহানা দেখে জাহিদ টিপ্পনি কেটে ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই রাইট হ্যান্ড আপারকাটে নক আউট। কিচ্ছু আসে যায় না আলভীর, জাহিদকে টেনে তুলে ডেটলে ভেজানো তুলোয় রক্ত মুছে এমন ভাব করলো যেনো কিছু হয় নি। কিন্তু এরপর থেকে জাহিদ আড্ডায় আসেনি একবারো। কিন্তু শুক্রবার জুম’আর জামাত শেষ হলেই আলভী সবাইকে ফোন করতে শুরু করে। জাহিদও নিশ্চিত বাদ যায় না। সাদ জানে না জাহিদের সাথে আলভীর কি কথা হয়, কিন্তু নিশ্চিত করে ভাবতে পারে জাহিদের অপমানিত হওয়ার বোধটা আলভী হয়তো বুঝতেই পারেনি। সে একাই যেনো রয়ে গেছে সেই আঠারোর উত্তেজনায় আর বাকীরা চল্লিশ পেরিয়ে খোড়াতে শুরু করেছে বার্ধক্যের পানে।

এইডস থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়ঃ পবিত্র ও নিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন

২০০৯ সাল পর্যন্ত মোট এইচআইভি সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ছিলো ৩ কোটি ৩২ লক্ষ। ২০০৯ সালে নতুন করে এইচআইভি সংক্রমিত হয়েছে ২৫ লক্ষ। শুধু ২০০৯এ এইডস এর শিকার হয়ে মারা গেছে ২১ লক্ষ। প্রতিদিন নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছে ৬ হাজার ৮০০ জন। প্রতিদিন এইডস এ মারা যাচ্ছে ৫ হাজার ৭০০ জন। এইডস এর বিসত্মার আফ্রিকায় শীর্ষে বিশেষতঃ সাব-সাহারা অঞ্চলে। এ অঞ্চলের বোতসোয়ানায় ১৫-২৪ বছর বয়সী প্রতি ৩ জন, তরম্নণীর মধ্যে ১ জন ও প্রতি ৭ জন তরম্নণের ১ জন এবং লেসোথো, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েতে এই বয়স গ্রম্নপের প্রতি ৪ জন তরম্নণীর মধ্যে ১ জন এবং প্রতি ১০ জন তরম্নণের মধ্যে ১ জন এইডস ভাইরাসে আক্রামত্ম।

দিন দিন অলস হয়ে যাচ্ছি

শিবরাম চক্রবর্তীকে একবার তার সারাদিনের রুটিন সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো। প্রশ্নকর্তা মনে হয় লেখকের লেখার ধারাটা জানতে চাইছিলেন বা দিনের কোন সময়টাতে লেখক লেখাজোকায় কাটান তাতে হয়তো তার আগ্রহ ছিলো। শিবরাম নিতান্তই অনাগ্রহের সাথে উত্তর দিলেন,

"এই সকালে ঘুম থেকে উঠি, তারপর মুখ-হাত ধুয়ে প্রাত:রাশ সেরে একটু বিছানায় গড়িয়ে নিই। গড়াতে গড়াতে এই বেলা মধ্যাহ্নে চাঁনটা সেরে আবারো কিছু সময় গড়িয়ে নিই। তারপর দুপুরের খাবারটা সেরে একটি ভাত-ঘুম দিই। সন্ধ্যার দিকে উঠে এক কাপ চায়ের সাথে একটু কিছু খেয়ে আবার একটু গড়িয়ে নিই। গড়াতে গড়াতে রাত একটু গভীর হলে রাতের খাবারটা খেয়ে বিছানায় যাই। তারপর ঘুমিয়ে পড়ি। আবার সকালে উঠি......"

কিংকর্তব্যবিমূঢ় (বানান নিশ্চিতভাবে ভুল) প্রশ্নকর্তা হতভম্ব হয়ে লেখকের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

অপেক্ষায় আছি দেশি মুরগারা

(উৎসর্গ : এবি'র সকল বৈদেশী বন্ধুগো)

বিদেশ থাকা মানুষগুলান ক্যান জানি
এরাম হয় ! মানি, বিদেশে টেকা কামাই করাটা বড়ই
কষ্টের। তাই বলে দেশে কামাই করাটা কি
খুব সহজ। বুঝিনা আমি। দিনের পর দিন
এরা ঘর-বাড়ি-প্রিয়জন ছেড়ে বাইরে থাকে, কষ্ট হয় এদের জন্য-
যারা পড়াশুনা করতে যায়, তাদের কথা নাহয়
আলাদা। কিন্তু যারা জামাইয়ের সাথে বা
বৌয়ের সাথে থাকে ? চাকরী-ব্যবসা করে ? তারাও দেখি
কেমন জানি !
আমরা যারা দেশে থাকি, বিদেশ যাওনের ইচ্ছা বা
ক্ষমতা নাই- তারাই বরং ভালো আছি।
পেটে-ভাতে আছি, প্রিয়জন নিয়েই আছি। প্রতি সপ্তাহে
আড্ডাই, খাই-দাই। আইজ এরে মুরগা বানাইতো
কাইল অন্যজনরে। হাসিমুখে তা মেনে নেই বা নেয়।
দৈবাৎ ২/১ জন আসে, আমাদের বৈদেশী বন্ধুরা---
আমাদের সাথে আড্ডায়, আমরাও অপেক্ষায় থাকি
মুরগা বানানোর
অথচ স্মৃতি বড়ই যাতনাময়। আমরা ওদের কাউরে
মুরগা বানানোর সুযোগ পাই না। আড্ডা শেষে রাইতে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ