অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৬ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

অহনার অজানা যাত্রা (দশ)

অহনা রাগ দেখিয়ে ঘুমুতে গেলেও অর্ন হার মানতে রাজি ছিলো না। সে তার ভুল ঠিক করতে বদ্ধপরিকর হয়ে গেলো। হয়তো অর্নের সিক্সথ সেন্স কাজ করছিলো যে এই ঝাল এখানেই থেমে থাকবে না, অন্য অনেক জায়গায় গড়াবে। সারারাত সে অনেক ভাবে অহনাকে বুঝিয়ে মানিয়ে ফেললো। প্রায়ই দেখা যেতো কাল বৈশাখীর মতো ঝড় আসতো সংসারে। কথা নেই বার্তা নেই কোথা থেকে অনেক কালো মেঘ আর জোর দমকা হাওয়া, মনে হতো এই বুঝি সব ওড়ে গেলো। আবার আধ ঘন্টা কিংবা এক ঘন্টা টানা বর্ষন কিংবা ঝড়ের পর, চারধার সব ধোঁয়া পরিস্কার, নিরিবিলি ঝকঝকে রোঁদ। মাঝে মাঝে খটকা লাগতো আসলেই কি ঝড় হয়েছিল। প্রায় দেখা যেতো ঝড় বৃষ্টির পর স্নিগ্ধ রোদেলা পরিবেশে দুজন বেশ হাসিমুখে, পাশাপাশি শুয়ে নানান অর্থহীন গল্প করতে করতে বেশ আনন্দ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। অনেক সময় গল্প করতে করতে রাত অর্ধেক পার হয়ে যেতো। পরদিন অফিস কিন্তু তারপরও বাঁধ না মানা কথার তোড়ে দুজনেই ভেসে যেতো। ঝড় আর রোদের মিশেলে

একটি স্বপ্নের মিত্যু

আমি একটি ছোট্ট শিশু যে কিনা ভুমিষ্ঠ হবার আগেই হারিয়ে যাই এই পৃথিবীর বুক থেকে। আচ্ছা আমার কি হয়েছিল? কি কারণে আমি এই পৃথিবীর বুকে আসতে পারলাম না? কেন আমার মায়ের-বাবার আদর, দাদা-দাদী,নানা-নানী, চাচা-চাচীদের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলাম? আমার না আসার অনেক গুলো কারন বল্রো ডাক্তার, ভেজাল খাদ্য, দুষিত আবহাওয়া, আমার মায়ের অজ্ঞতা, আমার নিজের কোন সমস্যা থাকা ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু, কেউ বলতে পারলো না সঠিক কারন। যাকগে সে কথা, আপাত আমার কোন কষ্ট নাই, কেউ যদি বলে, কেমন আছি? উত্তর হবে জানি না। কেউ যদি বলে, কোথায় আছি? উত্তর হবে বলবো না। ধুর কি বলছি এসব, আবোল-তাবোল। আচ্ছা আমার মা-বাবা কেমন আছে?...................

শোকগাথা

১.
একটা খবরঃ
আবীর নামে এক কলেজপড়ুয়া তরুণকে গুলি করে মেরে ফেলেছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্যমতে সে বন্ধুদের নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ায় পুলিশ পাল্টা গুলি করে। আহত অবস্থায় অস্ত্র হাতে আবীর উদ্ধার হয়, পরে মারা যায়। তার বন্ধুরা পালিয়ে যায়। গোলাগুলির ঘটনায় একজন এএসআই আর একজন কন্সটেবল গুরুতর(!) আহত হয় বলে পুলিশ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। পল্লব থানার ওসি অবশ্য জানিয়েছেন,- সন্ত্রাসীদের গুলিতে না, পড়ে গিয়ে উনারা আহত হয়েছেন।

গোলাগুলির ঘটনায় দুজন আহত একজন নিহত হলেও ঘটনাস্থলের মানুষরা মাত্র দুটো গুলির আওয়াজ শুনতে পেরেছেন বলে জানান।

সাইয়েন্স ফিকশন : টেরন ফার্মিং

teron ship.jpg

হঠাৎ করেই প্রচন্ড বৃষ্টি। রাইনার মনেই ছিলনা রিনা আর রিও বাইরে খেলছিল। জানালা দিয়ে তাকাতেই বুক ধক করে উঠল রাইনার। পরিমরি করে ছুটল সে। রাইনা তার সমস্ত শক্তি দিয়ে চিৎকার করে ডাকতে থাকেত তাদের। রিনা রিও ঝোপের আড়ালে বসে বৃষ্টি থেকে বাচাঁর চেষ্টা করছিল। দূর থেকে মায়ের ডাক শুনতেই রিনা রিও এক সাথে চিৎকার করে উঠল, "মা! মা! এই দিকে"। বৃষ্টির বিকট আওয়াজে, শব্দ গুলো মিলিয়ে যাচ্ছিল। রাইনা শেষ পর্যন্ত দেখতে পেল তাদের। অনেক কষ্টে ভয়ংকর বৃষ্টির বাধাঁ পেরিয়ে রাইনা তার শিশু সন্তান দের রক্ষা করে।
-কতবার না বলেছি বাইরে যাবি না? বৃষ্টির ফোঁটা গায়ে লাগলে কি করবি? জানিস না পাশের বাসার রিতুর কি হয়েছে? কত বাচ্চা মারা যায় বৃষ্টির পানির জন্য?
-স্যরি মা... এক সাথে বলে উঠল রিনা রিও।

ক্যাম্পাস-স্মৃতি: জারুলতলার ৭

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ক্লাসে অতি উৎসাহ নিয়ে ঢুকে ভাব নিয়ে বসলাম। মোটা ফ্রেমের চশমা পরে প্রবেশ করলেন ভূঁইয়া ইকবাল স্যার। তিনি পরিচিত একটি কবিতা রাশভারী গলায় আবৃত্তি শুরু করলেন- হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন...। আবৃত্তি শেষ করে স্যার বললেন, এবার অর্থ বলি- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিধ ছাত্ররা এসে বাঙলায় ভর্তি হয়। আমি নিদারুণ হতাশ, লজ্জিত। স্যার বললেন, মন খারাপ কোরো না, এই বিবিধরাই শেষ নাগাদ ভালো করে। পরের ৪৫ মিনিট জমিয়ে রেখে স্যার যখন ক্লাস শেষ করলেন, আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো বেরুলাম স্যারের পিছুপিছু।

আব্বু , তোমাকে যে চিঠির কথা কখনও বলতে পারব না

ঢাকা , সেই সন্ধ্যা

আব্বু ,
১৬ বছর তো কত্ত লম্বা সময় , তাইনা ? কত সহস্র দিন ,আমার কতই না বদলে যাবার কথা , ছোটবেলার সময় পেরিয়ে কত বড় হয়ে যাবার কথা । তবুও কেন সেই পুরোটা সময় নিমিষেই বিলীন হতে চলেছে? কেন বারবার ১৬ বছর আগের দিনটার কথা মনে পড়ছে , যেদিন শেষবার এই পাচিল ঘেরা ঘরে এসেছিলাম? আম্মু কেন আজ এতগুলো বছর পর আমার জুতার ফিতে বেঁধে দিল , শেষ মুহূর্তে তোমার চোখ কেন জলে ছলছল হয়ে উঠল ? এমন অশ্রুসজল তোমাকে যে আমার বড্ড অচেনা লাগে।

এতগুলো দিন পরে চোখের সামনে দু'পাশে ডানা বিস্তৃত বিমান দেখে আমার না কত উচ্ছসিত হবার কথা ছিল ? ক্ষণিকের শিহরণ আমার , তারপর কেন সব দপ করে নিভে গেল ? সেই ছোট্টবেলার পর ১৬ বছর মাঝে রেখে প্লেনে চড়ছি ভেবে যে উত্তেজনা অনুভব করেছিলাম , সেটাকি চোখের পলকে হারিয়ে যাবার কথা ছিল ?

আব্বু ,

এই সব দিন রাত্রি

সবাই মিলে ধরে মাইর লাগানোর আগেই মাফ-টাফ চেয়ে রাখি। বিশ্বাস করেন হাজারো ঝামেলায় আউলা-ঝাউলা থাকার কারণে ব্লগ লেখার যাবতীয় প্রচেষ্টা ফেল মেরে যায়। বন্ধুদের আমি ভুলি নাই, আশাকরি বন্ধুরাও আমাদের ভুলেন নাই। গত দুই মাস যাবত অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভাঙ্গা দৌড়ের উপরে। বাংলাদেশে যখন গেলাম, মানে কোরবানীর সময়ে, তখন সবার সাথে দেখা করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু এক বন্ধুর গ্রামের বাড়ী মানিকগঞ্জে ঈদের পরের দিন যাওয়ার পরে মেয়ে দুইটাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। গ্রাম থেকে কারও সাথে যোগাযোগের কোনো উপায়ও ছিল না। সেখান থেকে ঢাকা ফিরে ওদের মায়ের অস্থিরতায় অতীষ্ঠ হয়ে একদিন পরেই তাইওয়ানে ফিরে আসি। তবে ওরা আরেকটু বড়, শক্ত-পোক্ত হলে অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য দেশে আসবো, তখন ওরা নিজেরাই ছোটাছুটি করে সবার আদর আর ভালোবাসা কুড়িয়ে নিয়ে আসবে।

?????

সভ্যতা যেখানে প্রতি নিয়ত সংজ্ঞা পাল্টায়
আমি সে সময়ের একটা বন্ধুর পথে হেঁটে চলেছি ।

বস্তু আর মানুষের প্রশ্নে যেখানে বস্তু এগিয়ে
এমন এক পৃথিবীর উপর দাঁড়িয়ে আছি নির্লিপ্ত হয়ে,
পাশ্চাত্য প্রকাশ্যে যখন শোষন করছে প্রাচ্যকে---
তখন পাশ্চাত্য পূজারী দাস হয়ে বেঁচে আছি আমি,
নারীর প্রেম যেখানে খন্ডিত আর পুরুষের মরিচিকা
সেখানে আমি মিথ্যা সুখের রঙধনূ এঁকে বেঁচে আছি।

একটা নদী অথবা একটা জীবন অথবা একটা স্বপ্ন,
সব গুলোই যখন অস্তিত্ব হারিয়ে ধূসর হয়ে বেঁচে থাকে---
সে রকম এক অসহায় সময়ের গণিতের খাতা খুলে বেঁচে আছি ।

সমৃদ্ধি যখন কাম্য, স্বপ্ন যখন অসীম
বিপ্লব যখন অনিবার্য, সংগ্রাম যখন মুক্তির হাতিয়ার
তখন একচোখা আর দু-মুখোর জীবনে বেঁচে আছি,
বেঁচে আছি বৃক্ষ পত্রের লুকানো কীটের মতো হয়ে।

আবোল তাবোল

আজ থেকে ২৩০ বছর আগে যখন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে আমেরিকা স্বাধীন হলো তখন ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকজন মন্তব্য করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশের কারণেই সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতা জন্ম নিয়েছে, শিক্ষা ব্যবস্থা কিংবা শিক্ষা প্রদানপদ্ধতিকে শাসনতান্ত্রিক ব্যর্থতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করার সেটাই প্রথম উদাহরণ হয়তো নয় কিন্তু সমসাময়িক সময়েই ইংল্যান্ডে ভারত উপমহাদেশের বাসিন্দাদের শিক্ষিত করে তুলবার রাজনৈতিক চাপ শুরু হলে ভারত উপমহাদেশের শিক্ষা পরিকল্পনা নিয়ে রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের ভেতরে বিতর্ক শুরু হয়েছিলো।

শিশুকালের কথা ও কবিতা: একদিন আমি

কবিতা পোস্টানো অবশ্যই বিপদজনক একটা কাজ। তারপরও কবিতা পোস্ট করে যাচ্ছি। অপূর্ণতাকে ছাড়িয়ে যাবার নিরন্তর অপচেষ্টা চালানোর এই বিষয়টা আমার ভেতরে কিভাবে আসলো একটু ব্যাখ্যা করি, ছোটবেলায় মোগলি নামের একটা কার্টুন সিরিজ খুব প্রিয় ছিলো। সে সময় খুব মনে মনে চাইতাম একটা বুমেরাং পেতে। পরে টিনটিনেও অনেককে বুমেরাং মারতে দেখেছি। এ জীবনে বুমেরাং পাওয়ার শখ পূরণ হয় নি আজো। পূরণ হয় নি এরকম আরো অনেক শখ। তারপরও সময় থেমে থাকে নি। একবিন্দুও ছাড় দেয় নি কাউকে। হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে ল্যন্ডস্কেপে আঁকা দূরের উইন্ডমিলটার মতো। সেখানে বোধহয় সময়ের এত টানাপোড়েন নেই। ছবির উইন্ডমিলটা সারাজীবন একরকমভাবে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে। আমি ওটাকে হিংসে করি। ভীষণ রকম।
আমার ভেতরে হিংসা প্রচুর। কেউ একটু ভালো লিখলেও আমার খুব হিংসে হয়। মনে হয়, আমি কেন পারি না? এই 'আমি কেন পারি না'ই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে সারাজীবন ধরে।

ভেতর-বাহির (১৬) /// যেন বোকা আমি এক চালাক স্বর্গে

অর্থনীতি ও সমাজ বিষয়টি ইঞ্জিনিয়ারীং এবং চাকুরী সুবাদে যতবারই পড়তে হয়েছে , আর কিছু মাথায় ঢুকুক আর না ঢুকুক একটা ডায়লগ খুব ভালো করে ঢুকেছিল। আমি প্রায়ই চাপাবাজীতে এই ডায়লগ ব্যবহার করি। ডায়লগটি হলো
“ আমাদের দেশের ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগ জনগনের কাছে কুক্ষিগত আর ২০ ভাগ সম্পদ বাকী ৮০ ভাগ জনগণের কাছে”
এটা পুরনো থিউরী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই হিসাবের পরিবর্তন ঘটেছে , ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগের নিজের জনগণের কাছে কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে...একটা দেশ দরিদ্র হবার পেছনে এই টা অন্যতম কার্যকর একটা থিউরী।
এই থিউরীর কারনে পরিসংখ্যানের প্রোভারটি লেভেল থিউরী হাস্যকর হয়ে ওঠে। আর তাই অমর্ত্য সেন এর মত বিজ্ঞজনরা সেই সব ঘেঠে টেটে নতুন একটা কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করে নোবেল পেয়েও জান। কিন্তু দরিদ্র অবস্থার কোন বাস্তবিক দৃষ্টিগত পরিবর্তন ঘটেই না এই পোড়া দেশে।

একটি শোক সংবাদ

পত্রিকায় যখান ফেলানির সংবাদ পরি... ক্যামন যেন একটা চিনচিনে ব্যাথা বুকের বাম পাশটায়। ১৫ বছরের জ্বলজ্বলে এক কিশোরী। এইতো আর কয়েক দিন পরেই তার দুই হাতে ঝলমাল করবে লাল নিল চুড়িতে... পায়ে মাখা থাকবে রক্তিম লাল আলতা... পায়ে বাজবে রিমিঝিমি নুপুর.... লাল টুকটুকে শাড়ী পরবে... কপালে লাল টিপ দিয়ে আয়নায় নিজেকে দেখবে... আমাদের নিম্নবিত্তদের মাঝে এই স্বপ্নটা সব সময়ই মনের মাঝে লালন করে সকল মেয়ে... স্বপ্ন আসলে শেষ পর্যন্ত স্বপ্নই... সেটা ফেলানি খুব যত্ন করে আমাদের দেখিয়ে দিল। আমরা ঠিক সকাল বেলায় ধোয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে দেখি আর আহা... বলে একটা দীর্ঘ্যশ্বাস ফেলি। এই পর্যন্তই... এর পর আবার নেক্সট কেউ। আমি এবং আমরা কেউ কেউ অবশ্য একটু বেশী ... দীর্ঘশ্বাস শেষে একটা ব্লগ ও লিখি। আমাদের দায় শেষ... আসলে এর বেশী কি কিছু করার আছে আমাদের? মাঝে মাঝে বুঝিওনা ঠিক মত

বন্ধু বেঈমান

২০১০ সালের শেষ সপ্তাহে মেসবাহ ভাই গেলেন সেন্টমার্ন্টিন , সাথে নিলেন রাম রাম রাম। টুটুল-নাজ-ঋহান গেলো সিলেট। আমি গেলাম বান্দরবান।লীনাপা একদিনের জন্য তসলিমা নাসরিনের বাড়ি বেড়াতে গেলেন, মাসুম ভাই ইলেকশন নিয়ে মহা ব্যস্ত।মেসেন্জারে কনফারেন্স নাই, ফেসবুকে খোঁচাখুঁচি নাই, ঢাকায় আড্ডা নাই। একজনের মেজাজ বিলা হয়ে গেলো।কারণ অফিসে সারাদিন কি করবেন?এভাবে কি কাজ করা যায়? বান্দরবান থেকে আসার পথে ফেসবুকে গিয়ে দেখলাম আমাদের সেই প্রিয় বন্ধু লিখেছেন...'কাল মানকিগঞ্জ যাবো Big smile ।' দেখার সাথে সাথে আমি এসএমএস করলাম যে কাল যাওয়ার প্রোগ্রাম বাতিল করেন,আগামী সপ্তাহে যান, সাথে যাবো।তিনি নিশ্চুপ। ভাবলাম এস এম এস দেখেন নাই অথবা ভাবে আছেন। পরদিন রাতে জিজ্ঞেস করলাম, মানিকগঞ্জ গেছেন কিনা। তিনি নিশ্চুপ। বুঝলাম বিরাট ভাবে আছেন।তবে আমাদের ফেলে ঘুরতে যাওয়ার মতো নিশ্ঠুর হবেন এটা কল্পনাও করিনি।

বিদ্যুৎ ও বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিদ্যুতের অবস্থা নিয়ে প্রত্যেকটা মানুষের ক্ষোভ কম বেশি আছে। তারপরও বলব বিদ্যুতের অবস্থা বাংলাদেশের রাজনীতি, আইন,নিরাপত্তা এগুলোর মতো অতো ভয়াবহ নয়। হয়তো রেশনিং এর ব্যবস্থাপনা ভালো হলে মানুষের বুঝতে সুবিধা হবে আর বুঝতে পারলে সহ্য ক্ষমতাও বাড়বে।তবুও সহ্য ক্ষমতা আর রেশনিং দিয়ে তো আর উন্নয়ন অগ্রগতি সম্ভব নয়, বড় জোর দু/এক মাস পেরিয়ে বছর চলতে পারে, চলছেও তেমন করে। সম্প্রতি ভাড়া ভিত্তিক ও বেসকারি উদ্যোগে বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবস্থা দেশের মানুষকে দ্রুত আংশিক সমাধান এনে দেবে হয়তো কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে দামে বেড়ে গরীবের নাগালের বাইরে চলে যাবে এই কাক্ষিত বিদ্যুত। বিদ্যুত তো আর মুঠোফোন ব্যবস্থার মতো না যে এর গ্রাহক বাড়লে ট্যারিফ (রেট) হ্রাস পাবে, এটা হলো উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ ও বিপননের মতো ক্রমানুসারিক সমন্বিত এবং বহু স্তরে বিন্যস্ত এক প্রক্রিয়া যার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ মেয

আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে

প্রতিটি দিন প্রতিটি মূহুর্ত কি লম্বা যায়। চব্বিশ ঘন্টা এতো লম্বা হয় কেনো তিতলি ভেবে পায় না। সপ্তাহের ছয়টা দিনকে তিতলির মাঝে মাঝে বছরের চেয়েও লম্বা মনে হতে থাকে। মনে হয় এ নিদারুন সপ্তাহ আর শেষ হবে না সায়ানের সাথে আর তিতলির দেখা হবে না। শুধু সায়ান যখন পাশে থাকে ঘড়িটা তখন উড়ে চলতে থাকে। এতো আনফেয়ার কেনো এই পৃথিবীটা। অপেক্ষার সময়টা এতো লম্বা আর .........। সায়ান পাশে থাকলে সেই ঘন্টাগুলো যেনো মিনিট থেকে সেকেন্ড - মাইক্রো সেকেন্ড হয়ে উড়ে যায়। কতো কি ভেবে রাখে, দেখা হলে সে সায়ানকে এটা বলবে ওটা জিজ্ঞেস করবে কিন্তু ও সামনে এসে দাঁড়ালে এমন ঝড়ের কাঁপন শুরু হয়, সময় কোথা দিয়ে ওড়ে, ভেবে রাখা কিছুই আর মনেও থাকে না, বলাও হয় না। আর তিতলির মাথাটাকে সায়ানতো কাজও করতে দেয় না। হলে ফিরে ব্যাগ গুছাতে গুছাতে তিতলির আবার রাগ হতে লাগলো। একটু দ্বিধায়ও পরে গেলো। রক্ষনশীল পরিবারের মেয়ে সে। বাবা মা তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ