অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৯ জন অতিথি অনলাইন

বন্ধুদের প্রতি খোলাচিঠি

এই লেখাটার একটা ইনট্রো দেয়া দরকার। লেখাটা খুবই ব্যাক্তিগত। কিন্তু যে জমানা পড়েছে, প্রাইভেট স্পেস বলে কিছু নেই।আমার চিটাগাং এর কিছু বন্ধু গোপনে গোপনে প্রেম করে এই খবরের প্রতিক্রিয়া হিসাবে এটা তাদের উদ্দশ্যে লেখা। কিন্তু বন্ধু বাফড়া বললো যে রেফারেন্চ না থাকলেও এটা পড়া যেতে পারে। তার কথায় বিশ্বাস করেই এটা পোস্ট করা...

বন্ধুদের প্রতি খোলাচিঠি

যাইবি দক্ষিনে, বলিবি পশ্চিমে, রহিবি পুরবমুখে
গোপন পিরিতি গোপনে রাখিবি তবে ত রহিবি সুখে
গোপন পিরিতি গোপনে রাখিবি সাধিবি মনের কাজ
সাপের মুখেতে ভেকেরে নাচাবি তবে তো রসিকরাজ

বউ কাব্য

উদরাজী নাকি বউরে ভীষণ ভয় পায় (আমার কথা না মেসবাহ’র মত ) । সেদিন জানা গেলো টুটুলও তার বউকে....। অবশ্য জগতে দুই-একজন বীর পুরুষ ছাড়া সবাই বউকে কম-বেশি সমীহ করে। এজন্যেই অনেকে পিকনিকে বউ নিয়া যাইতে সাহস পায় নাই। উদরাজী নাকি একবার বিড়ম্বনায় পড়ছিল...। আমি নিজেও খুব একটা সাহসী পুরুষ নই। বিয়ের আগে মানুষ যখন বউ নিয়া নানা রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর থাকে, আমি তখন দাম্পত্য জীবন এবং বউ সম্পর্কিত কিছু অনুকাব্য রচনা করেছিলাম। যার অনেকগুলোই পরবর্তিতে দাম্পত্য জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সংগে কাকতালীয় ভাবে মিলে গেছে। সেইসব অনুকাব্যের বেশ কয়েকটি এবির বন্ধুদের জন্য এখানে উদ্ধৃত করলাম। আগেই বলে রাখছি, এই অনুকাব্য গুলোর বেশ কয়েকটি ইতিপুর্বে বিভিন্ন পত্র/পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

১.মা বলে বউয়ের ভেড়া
বউ বলে বলদ
জানিনি কোথায় গলদ !

২.আমার বউ আমায়
পেয়ে অভিভূত
আমি তার বশীভূত

ডাইরী ১১৪

১.
দৌড়তে দৌড়তে টের পাই বয়সী বায়স এসে খুটে খেয়ে গেছে ফুসফুস-হৃৎপিন্ড এবং যকৃত। অথচ থামলেই স্মৃতির চাবুক আছড়ে পরবে পিঠে ও পাজরে। দৌড়তে দৌড়তে টের পেয়েছি বন্ধুর পথ বড় সমতল ঠেকে মায়োপিক চোখে। যদিও ছন্দপতন হলে সম্ভাবনার গিলোটিন বিভাজন এঁকে দিবে শরীরে ও শিরে।

দৌড়ে দৌড়ে কোথাও পৌছবো নাকি...দৌড়ে দৌড়ে কতদূর যায় ঘূণে ও ঘোরে আবিষ্ট শরীর?

২.
শীতে ও সর্দিতে বেঁচে বর্তে থাকা যায়। একেকটা হাঁচিতে মনে হয় ফিরে এসেছি সম্বিতে। কান খাঁড়া করে যখন শুনেছি অপসংস্কৃতি...তখন তারা শিল্প হয়ে বেজে যায় এক বিকাল-দুই সকাল-স্বপ্নাবধি। বৈচিত্রের মনোটনিতে গিয়েছি ফেসে এই বেলা।

৩.
বহুদিন পর এক টুকরো সময় পেয়েছি কুড়িয়ে। আবারো তাই সাদা কালো, হরফে হরফ, আবেগের অ্যালিগরি...

অপনষ্টক

১.
বড় কষ্টে গড়া এ মহাসংসারও একদিন নুয়ে পড়বে
আর আমি তো কোন নশ্বর।

২.
আমাদের মসজিদের ইমামটা বোধহয় মারা যাবে
ওর ফজরের আযান দিতে খুব কষ্ট হয়
আমি ওর কথা ভাবি,
আচ্ছা কিসের ভরসায় ও সারাটাজীবন কাটিয়ে দিলো
একদিনও আযান মিস না করে?

৩.
বুজে যাওয়া চোখ মেলে দেখি
আলো এসে গেছে।
তাহলে?
এখন আরো একটা দিন
আমার সামনে।

৪.
হাতুড়ি দিয়ে দেয়ালে পেরেক ঠুকতে খুব মজা,
আমার একদিন কন্ঠনালীতে পেরেক ঠুকে
আজীবনের নেশা মেটাতে ইচ্ছে হয়।

৫.
প্রিয় বিছানা আমার
তোমার প্রতিটি ক্যাঁচ-ক্যাঁচ
আমাকে তোমায় উপলব্ধি করতে
সাহায্য করে, জেনে রেখো।

৬.
কয়েকটা ছোট ছোট বৃষ্টির ফোঁটা কার্ণিশ বেয়ে
পলিথিনের ওপর পড়ে সুরের জাল বুনে ফেলতে পারে।
আমার শরীরটা এত অকাট যে বৃষ্টির ফোঁটারা

জীবিকা অথবা জীবন- ৭

সকালের দিকে রাতের বাসি ভাত-তরকারি খাওয়ার পর আর কিছু করার থাকে না মনু মিয়ার। দুপুরের খানিকটা আগে দিয়ে যদি সালমা বেগম তাকে রান্নাঘরে ডাকেন তো কিছু তরি-তরকারি বা মাছ-গোস্ত কেটেকুটে চাল ধূয়ে দেওয়ার পর ফের খাওয়ার আগ পর্যন্ত তার তেমন কাজকর্ম থাকে না। দুপুরের খাওয়ার পর হাঁড়ি-বাসন-কোসন পরিষ্কার করে গাইটাকে কিছু খেতে দেয়। কোনো দিন কলের মুখে দীর্ঘ পাইপ লাগিয়ে সেই পানি দিয়ে ফেলে দেওয়া গন্ধসাবান দিয়ে ডলে গাইটাকে গোসল করায়। গাইয়ের জন্য সাবান দেখে একদিন রহমান সাহেব আর সালমা বেগম দুজনেই হাসতে হাসতে যেন পড়ে যাবেন এমন হয়। রহমান সাহেব বলেছিলেন, গরুরে সাবান দিয়া গোসল দিতে কই দেখছস? আরো জমিদারেও মনে কয় এমন করবো না!

মনু মিয়া গাইটার শরীরে সাবান ডলতে ডলতে হেসে বলেছিলো, টুকরা-টাকরা সাবান কতডি জমছে! হালায় না দিয়া কাম লাগাইতাছি!

ছবি প্রদশর্নীঃ উৎসর্গ - বকলম ভাই।

আমাদের বন্ধু বকলম ভাইয়ের ছবি গুলো আমি দেখি আর ভাবি, কি করে এত সুন্দর ছবি তোলা যায়। অনেকদিন ধরে ভাবছি, বকলম ভাইয়ের ছবি গুলো দিয়ে একটা পোষ্ট দিব, বকলম ভাইয়ের পাশাপাশি নিজেও কিছু নাম কামাব! পারমিশন কি করে পাওয়া যায় তা নিয়েও ভাবছিলাম। আজ মনে হচ্ছে পারমিশনের কি দরকার! ফাঁসি দিলে আমাদের বকলম ভাই দেবেন, দেক। বকলম ভাই দাম্মাম, আল-খোবার এলাকায় থাকেন, যেখানে আমিও অনেক বছর ছিলাম!

বকলম ভাই, আরব দেশের ছবি তুলছেন এখন! অথচ আমি যখন ছিলাম তখন রাস্তায় ক্যামেরা হাতে ছবি তুলতে দেখলে আরব মুতাওয়া মেরে তক্তা বানিয়ে দিত। দুনিয়া পাল্টে যাচ্ছে! আসুন প্যাচাল না পেড়ে ছবি দেখি।

অভিমানী দম্পতির চিঠি চালাচালি

স্ত্রীকে স্বামী

আমার পেটে-বুকে খুব জ্বালাপোড়া করছে। এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়। অনেক বছর ধরে এই যন্ত্রণা সহ্য করে যাচ্ছি। ওষুধ খেতে খেতে আমার চুল উঠে গেছে।

চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করছে। তবু তোমার ইচ্ছা পূরণের অদম্য ইচ্ছায় কাগজটা, কলমটা নিয়ে বসলাম। আমিতো তোমাকে কিছুই দিতে পারি না। অন্তত এই চাওয়াটা পূরণ করি না খানিকটা।

আমার বোনাস লাইফ

[এই পোস্টটা মাইনুল এইচ সিরাজীকে উৎসর্গ করলাম]
দরজী মামুর কথা মাত্র এ কয়টা দিনে ভুলে যাবার কথা নয়, নিশ্চয়ই মনে আছে আপনাদের (দ্রঃ ঘড়ি)। সেই দরজী মামুর সেলাই ঘর ছিল আমাদের ঘরের সাথে একেবারে লাগোয়া ।তার হাতে তৈরী লাল রঙের একটা জামা গায়ে মাছ ধরছিল ছেলেটি । বয়স তখন দুই কি তিন বছর । ঘাবড়াবেন না প্লিজ ! আমাদের বসত ঘরের বারান্দার পাশ ঘেসে ছিল একটা নিষ্কাশন খাল (নালা বলাই ভাল)। সারা বছর শুকনো থাকত, বর্ষাকালে মাঠের অতিরিক্ত পানি এটা দিয়ে বয়ে যেয়ে নদীর পানির সাথে মিশত । আবার বর্ষায় নদী যখন দু’কুল ছাপিয়ে ভরে উঠত, তার পানি যখন উপচে উঠবার জন্য আকুল হত, এই খালটি তখন সে পানি টেনে নিয়ে টগবগ করে হাসতো ।

শুধুই ছবি- ভাল বা মন্দ

কোনদিন ভাল একটা ছবি তুলতে পেরেছি বলে মনে পড়েনা । তবু ক্যামেরা চালাই- কোন কিছু না ভেবেই । আবার ছবি আপলোড-ডাউনলোড বা সাইজ-রিসাইজ মাথায় ঢোকেনা । যদিবা কোন গুতোগাতা খেয়ে ঢুকে পড়ে, তা বের হয়ে যেতে সময় লাগেনা মোটেও ।

এবারের পিকনিকের ছবি সবার দেখা হয়ে গেছে ইতিমধ্যে । তবু আমারও ইচ্ছা হলো ডানা মেলবার ।
এই সেই বাস, যা এবার সবাই পছন্দ করেছে -

1

রাজধানী স্কুলের সামনে দীর্ঘ প্রতীক্ষা-
1

স্বাস্থ্য রক্ষায় হাসির কোন বিকল্প নাই

সেন্ট মার্টিন (দুশো বছর পরে)

মুখবন্ধঃ ২০০৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সেন্ট মার্টিনে ছিলাম দুদিন। আরো থাকার খুবই ইচ্ছে ছিলো কিন্তু নিরন্তর ব্যস্ততা দিলো না আমায় অবসর। “ফার ফ্রম দি ম্যাডিং ক্রাউড” এ ধরতে গেলে প্রায় রিমোট অঞ্চলে যেয়ে আমার মন প্রশান্তিতে ভরে ছিলো। গাড়ি নাই, কারেন্ট আসে মাত্র দু এক ঘন্টার জন্যে, গরম পানি নাই, মোবাইলের নেট ওয়ার্ক নাই, ল্যাপটপ নাই, ফেসবুক নাই, ব্লগ নাই আহা কি শান্তি কতোদিন পর। এই মুগ্ধতার রেশ বহুদিন আমার মনে ছিলো আরো বহুদিন থাকবে আমি জানি। আমি স্বভাবগত ভাবেই ক্ষ্যাত টাইপের মানুষ, বহুদিন বিদেশে থেকেও ক্ষ্যাতত্ব ঘুচে নাই। কয়লা ধুলে যা হয় আর কি। আমার কেনো যেনো ওয়েল এ্যরেঞ্জড ভ্যাকেশেনের থেকে এসব খাওয়ার ঠিক নাই, শোওয়ার ঠিক নাই টাইপ ভ্যাকেশন খুব ভালো লাগে। নীল দিগন্ত নামে এক রিসোর্টে গেছি রিসোর্ট দেখতে, পাশে লেকমতো কেটেছে তারা তাতে দেখি সাপ দৌড়াদোড়ি করে খেলছে, পানির ওপর থেকে দেখে প্রশান্তিতে মনটা ভ

ছবি, পিকনিকের আরো ছবি

পিকনিকের যা যা ছবি দেওয়া দরকার, সবাই অলরেডি দিয়ে দিয়েছেন। ছবি তোলার অভ্যাস আমার নাই; তাছাড়া বড় বড় কামানসাইজ ক্যামেরাও আমার নাই। তারপরও বেশ কিছু ছবি তুলেছিলাম এবির পিকনিকে। ফটোগ্রাফারেরা বকা-টকা দিবেন না, সেই আশায় কিছু ছবি পোস্টালাম।

১.
সুস্বাদু পাউরুটি-কলা দিয়ে নাস্তা চলছে...
সুস্বাদু পাউরুটি-কলা দিয়ে নাস্তা চলছে...

২.
মারাত্মক খাটা-খাটনি করার জন্য মেসবাহ ভাই ও অন্যদের ফুল উপহার
মারাত্মক খাটা-খাটনি করার জন্য মেসবাহ ভাই ও অন্যদের ফুল উপহার।

৩.
)
আমার বন্ধু Smile

৪.

জীবিকা অথবা জীবন- ৬

চারটা মোরগ আর ষোলোটা মুরগির ভেতর দশটা মুরগি ডিম দেয়। প্রতিদিন সকালে গোয়াল ঘরের কাজ সেরে গুনেগুনে মোরগ মুরগিগুলোকে পাশের দেয়ালের সঙ্গে লাগানো তিনদিকে তারের জাল দিয়ে ঢাকা আলাদা খাঁচায় ঢুকিয়ে দিয়ে খুদ-কুঁড়ো খেতে দিয়ে মুরগির খোঁয়াড় পরিষ্কার করার আগে ডিম আছে কি না উঁকি মেরে দেখে মনু মিয়া। সে এখানে আসার আগে সব ডিম নিয়ে যেতো আজগর চকিদার। রহমান সাহেব আর সালমা বেগম স্বাস্থ্য আর বয়সের কারণে ডিম-দুধ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন অনেক দিন।

মনু মিয়া অবাক হয়ে বলেছিলো, কন কি নানি? মুরগার পিছে যত খাওন খরচ যায় হেই ট্যাহা ডিমা বেইচ্যাই পাওনের কতা! চহিদাররে দিলে খরচ কমলো কেমনে?

মনু মিয়ার কথা শুনে সালমা বেগম হাসতে হাসতে বাঁকা হয় যান। শেষে রহমান সাহেবকে ডেকে বলেন, মন্টুর বাপ হুনছো পাগলের কথা?

রহমান সাহেব স্ত্রীর কথা বুঝতে না পেরে বলেন, কোন কথা?

বোনাস লাইফ

শিরোনামটা শুদ্ধ হলো কিনা বুঝতে পারছি না। ইংরেজিতে আমার খদল একেবারেই নেই। এই দেখুন ইংরেজি ভীতিতে দখলটাও খদল হয়ে যাচ্ছে!
যাই হোক। নিচের ঘটনাগুলো পড়ুন।

ছোটবেলায় আমার বয়স যখন ১০, একবার গাব গাছের ডাল ভেঙে নিচে পড়ে গিয়েছিলাম। ভাগ্যিস ডাল আর মাটির মাঝখানে লাউয়ের মাচা ছিল। পতনকালে মাঝপথে ওখানে আটকে পড়ায় এখন পর্যন্ত আরও ২৫ বছর বেঁচে আছি।

বয়স তখন ১২ বছর। ভাই বোন সবাই মিলে পুকুরে মাছ ধরছি। দুপুরবেলা হয়রান হয়ে ঘরে এসে এক মগ রেডিমেড শরবত খেয়েছি ঢকঢক করে। ওমা খেয়ে তো হেচকি দিতে দিতে মরে যাওয়ার দশা! আব্বা পানের সাথে তামাক পাতা (সাদা পাতা) খেতেন। তামাক পাতা ধোয়া পানিই আমি শরবত মনে করে খেয়ে ফেলেছিলাম। পরে মা বোনেরা তেঁতুল খাইয়ে আমাকে সে যাত্রা বাঁচিয়েছেন।

হাফ-ওয়াল,লাল-নীল ফুল ও একজন আইন্সটাইনের উপলব্ধি

অপেক্ষার এই সময়গুলোতে ক্যাফের সাম্নের হাফ-ওয়াল টাকে বড্ড আপন মনে হয় আমার । বাচ্চাকালে দেখা এক্টা বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়ে গেলো । পশ্চিমের শীতবস্ত্রের মোড়কে আচ্ছাদিত এক বঙ্গ ললনা নাচন-কুদন করে আমাদের জানাতেন যে , গ্রীষ্ম-বর্ষা-শীতে ত্বকের যত্ন নিতে, তিব্বত পমেট-ই তার একমাত্র সঙ্গী । কিন্তু সৌভাগ্যবশত (কিম্বা দুর্ভাগ্যবশত),সেই ললনার মেকাপ বিহীন মুখমন্ডল দেখবার পর হতে, তিব্বত পমেট এর সঙ্গ লাভের যৌক্তিকতা খুজে পাইনি আজও । কিন্তু যৌক্তিকতা বোধহয় স্থান,কাল,পাত্রের উপর নির্ভরশীল । বুয়েট এর স্থাপন কালে কোন যুক্তিতে, এরকম আপাত-দৃষ্টিতে আধা সম্পূর্ণ একটি দেয়াল বানানো হয়েছিল তা প্রায়ই আমার 'কিছু না করার সময়' গুলোতে চিন্তার খোরাক যোগান দেয় । কোনো দূরদর্শী প্রেমিক প্রকৌশলী হয়ত তখন বুঝে থাকবেন যে, আজ হতে কয়েক যুগ পরে এই হাফ-ওয়ালটাই এ যুগের প্রেম-প্রকৌশল এর ছাত্রদের কাছে তিব্বত পমেটের মত গ্রীষ্ম-বর্ষা-শীত

কতিপয় কোশ্চেনের উত্তর দিয়ে পুরষ্কার জিতে নিন

এবি পিকনিক নিয়ে নানাজনে নানান ধরনের পোস্ট দিয়েছেন। আমি আর সেসবের মধ্যে না যাই। পিকনিকে যারা অংশ নিয়েছেন, সবাই বিয়াপক জ্ঞানী...। কিন্তু কে কতোটা জ্ঞানী, সেটা জানার জন্য আসেন সবাই মিলে কতিপয় কোশ্চেনের উত্তর দেবার চেষ্টা করি। এতে প্রমানিত হবে কার আই কিউ কত মাত্রার।

ক) ল্যাবএইড থেকে গাড়ী ছাড়ার কথা ৭.৩০ মিনিটে। সব ঠিক ঠাক থাকা স্বত্বেও ঠিক সময়ে বাস ছাড়া যায়নি... এর কারন কী ?

১. জয়িতার দেরীতে আসা
২. ডেকোরেটারের মালামাল না পৌঁছানো
৩. বাসের ড্রাইভারকে খুঁজে না পাওয়া

খ) ৮.৩০ মিনিটে শাহবাগ বাস গেলেও ছাড়তে দেরীর কারন...

১. বাফড়াকে খুঁজে না পাওয়া
২. রায়হান ভাইয়ের আসতে দেরী
৩. উদরাজীর না আসা

গ) ৯ টায় রাজধানী স্কুলের সামনে বাস যাবার পরও কেনো বিলম্বে ছাড়তে হলো...
১. জেবীনের আসতে বিলম্ব

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ