কুয়াশা, মেঘ, পাহাড় ছুঁয়ে আসার ধোঁয়াশা গল্প
১.
চাঁদের গাড়ীটা যেখানে নামিয়ে দিয়ে গেছে পথ ওখানেই শেষ। এর পরে ঝোপঝাড়ের ভেতর দিয়ে হাঁটাপথ মাইল খানেক। মাইল খানেকই হবার কথা। ম্যাপ তাই বলছে। শীতের বিকেলে রোদ বেশীক্ষণ থাকে না। রোদ থাকতে পৌঁছে যেতে হবে। নইলে পথ হারাবার সম্ভাবনা।
.
বাতাসে বুনো একটা মিষ্টি গন্ধ। অসংখ্য পাখির বিচিত্র কিচিরমিচির শব্দে কান ঝালাপালা হবার যোগাড়। খিদে তেষ্টা দুটোই আকড়ে ধরেছিল দীর্ঘ লক্কর ধক্কর যাত্রায়। কিন্তু এই পাহাড়ী বুনো পথে নামার পর কোথাও উধাও হয়ে গেল সব খিদে ক্লান্তি। এই জায়গাটা কত উঁচু এতক্ষন খেয়াল করা হয়নি। নীচের পাহাড়ের উপর ভেসে থাকা ধোঁয়াগুলো যে আসলে মেঘ তা বুঝতে পেরে চমকে উঠি। ওরা ঠিকই বলেছিল। এখান থেকে মেঘ ছোঁয়া যায়। কিন্তু শীতকালে মেঘ অত নীচে নামে?
.
ছবি ব্লগ : শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ ও অন্যান্য
আমার অবস্থাও মীরের মত। সাঈদের মত মধ্যবিত্ত না আবার মেসবাহ দাদাভাইয়ের মত অভিজাতও না এবং ছবি তোলার শখ আছে। কয়েক মাস আগে রায়ের বাজার স্মৃতি সৌধের কিছু ছবি তুলেছিলাম। আজ শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে সেখানকারও তার আসে পাশের কিছু ছবি দিলাম।




শুভ জন্মদিন : শ্রদ্ধাভাজনেষু আহমাদ মোস্তফা কামাল
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের জাতক তিনি।
আহমাদ মোস্তফা কামাল। নব্বই দশকে লেখালেখির শুরু। তারপর অল্পদিনের মধ্যে সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যে নিজস্ব স্থান করে নিয়েছেন। ছোটগল্প ও উপন্যাসের পাশাপাশি তাঁর প্রবন্ধও বোদ্ধামহলে সমাদৃত হয়েছে।
পাঠকপ্রিয়তার দিক থেকেও পিছিয়ে নেই তিনি। ব্লগে খুব নিয়মিত না হলেও অন্তর্জাল-কেন্দ্রিক পাঠকদের মধ্যেও তাঁর বিপুল গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। ব্লগসহ অন্যান্য মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের লেখকদের সমর্থন প্রদানে তিনি অকুণ্ঠ। গল্পগ্রন্থ ঘরভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ-এর জন্য "প্রথম আলো বর্ষসেরা বই" এবং উপন্যাস অন্ধ জাদুকর-এর জন্য "কালি ও কলম শ্রেষ্ঠ তরুণ লেখক" পুরস্কারে ভূষিত আহমাদ মোস্তফা কামালের জন্মদিনে এবির বন্ধুদের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
এবির এই সম্মানিত ব্লগারকে আমরা ব্লগিংয়ে নিয়মিত দেখতে পাবো, এই আশবাদ রইলো।
শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

আজ ১৪ই ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকহানাদার ও তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আল শামস ও আল বদর বাহিনীর সহায়তায় বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠসন্তানদের হত্যা করে।
আত্মসমর্পণের মাত্র দুই দিন আগে রায়েরবাজার বধ্যভূমি, মিরপুর টর্চার সেল সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা যায় পেছনে হাত বাধা অবস্থায় বুলেট বিদ্ধ নিথর দেহ। বাঙালী জাতির মুক্তি সংগ্রামে এইসব বুদ্ধিজীবীদের মেধা, মনন ও লেখনীর মাধ্যমে স্বাধীনতার সংগঠকদের প্রেরণা যুগিয়েছেন। পথ দেখিয়েছেন মুক্তির। আর সেইটিই কাল হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য।
মুক্তিযুদ্ধের আগে
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আর মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে আজ কেন যেন বারবার মনে পড়ছে আনোয়ারা ফেরদৌসীর কথা । আমাদের সহপাঠী ছিল আনোয়ারা ফেরদৌসী । দশটি মেয়ের মধ্যে সে ছিল ব্যাতিক্রম । আমাদের ক্লাশে একমাত্র সে-ই বোরকা পরে আসতো । তখন তো ইউনিভার্সিটিতে বোরকার প্রচলন প্রায় ছিলই না । আমরা ঠাট্টাচ্ছলে বলতাম আনোয়ারা ফেরদৌসী অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবার জন্য বোরকা পরে ক্লাশে আসে, অবশ্যই আড়ালে । মেয়েদের সাথে সেসময় আমরা বেশ খানিকটা দূরত্ব বজায় রেখে চলতাম । ‘তুই-তুমি’ বলার মত ঘনিষ্ঠতা হতোই না প্রায় । আমরা একে অপরকে প্রয়োজনে নাম ধরেই ডাকতাম, কিন্তু কথা চলতো ‘আপনি’ বলে । হ্যাঁ, আনোয়ারা য়েরদৌসীকে একদিন দেখেছিলাম বোরকাবিহীন । ক্লাশের সবাই গিয়েছিলাম পিকনিকে মধুপুর । তখন পিকনিক বলতাম না আমরা, বলতাম ‘স্টাডিট্যুর’। তো, সেই স্টাডিট্যুরে যেয়ে সবাইকেই দেখতে পাচ্ছিলাম, কিন্তু বোরকা পরিহিতা কাউকে না দেখে এক সহপাঠিনীকে জিজ্
শিরোনামহীন-১
বিকেলটা ছিলো বিষন্ন। অফুরন্ত সময়, কারো জন্য অপেক্ষা নেই, চোখে ক্লান্তি নেই, কারো জন্য কোথাও যাওয়া নেই। শুধুই ঘরে ফেরা, নিজের জন্য...আর কোথাও যাওয়ার নেই বলে।বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলো, হেঁটেছি একা পথে। যেনো শুধু শূন্যতার দিকে যাওয়া।আকাশজুড়ে মেঘেরা থমথমে, কোথাও পাখিদের কিচিরমিচির নেই, গায়ে এক্টুও ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটা নেই। বিকট শব্দ করে পাশ ঘেষে কিছু গাড়ি চলে গেলো। আমার একাকিত্বরা বিরক্তিতে ভ্রু কুঁচকায়।ঘোর আমাকে নিয়ে গেলো ঘরের দরজায়। আজ তালা খুলতে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম, হাত থেমে থাকলো কিছুক্ষণ। কিছু ভাবিনি আমি। ভাবনাগুলোও ডানা মেলতে পারছে না।তালা খোলার শব্দটাও কানে বাজলো ভীষণ।ঘরের ভেতর জিনিসগলো আগেও তো এমন ছিলো, তবে এমন জড়পদার্থের মতো তো লাগেনি আগে!
৫ হাজার টাকার কমতো নয়ই....!!!
খুব বেশি দিন আগের কথা না। অনেকগুলো ব্রিজ তখনো হয়নি। ঢাকায় আসতে চাইলে লোকজনের পুরা দিন চলে যেত। সকালে রওয়ানা করলে মধ্যরাতে এসে ঢাকায় নামতো। বিশেষ করে ঈদ বা অন্য কোনো ছুটিতে মানুষের ভোগান্তির শেষ ছিলনা। ফেরি পারাপার ছিল। ফেরির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে থাকতে হত। আহ, কত কষ্ট ছিল মানুষের !
বিশেষ করে যমুনার ওপারের লোকজনের অবস্থা ছিল বেশি খারাপ। ধরুন আপনার বাড়ি সিরাজগঞ্জ। বিশেষ প্রয়োজনে ঢাকায় আসতে হবে আপনাকে। সকালের বাসে রওয়ানা হলেন। নগরবাড়ি ঘাটে পোঁছে গাড়ীর লাইনে পড়লেন। ৫/৭ ঘন্টা পরে ফেরিতে উঠলেন। ফেরি চললো ২/৩ ঘন্টা। আরিচায় আসলেন। তারপর ঢাকায় আসতে আরো ২/৩ ঘন্টা। মানে বাড়ি থেকে বেরুনোর পর আপনার কমপক্ষে ১০/১২ ঘন্টা লাগলো। একইভাবে বৃহত্তর রংপুর, বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহীর লোকজনের অবস্থা ছিল।
সব দোষ মধ্যবিত্তদের
মধ্যবিত্ত - খুবই পরিচিত শব্দ আমাদের ।
এই মধ্যবিত্তের বলয়েই আমরা বাঁধা আছি যুগ যুগ ধরে। মধ্যবিত্তদের অবস্থা পাহাড়ী পথের মতন, উপরে উঠতেও কষ্ট, নিচেও নামা যায়না। মাঝখান দিয়ে সরু রাস্তার মত জীবন, যার বাঁক গুলো বরাবর অচেনা , বার বার জীবনের বাঁক গুলো পেরুতে হয় সাবধানে।
মধ্যবিত্ত ঘরে জন্ম ও বড় হওয়া - অনেক অসুবিধার। নামে মধ্যবিত্ত হলেও এদের ব্যক্তিত্ব , আত্ম অহংকার, সামাজিকতা, নীতিবোধ সব গুলোই উচ্চমাত্রার। পাছে লোকে কিছু বলে - এটা মধ্যবিত্তরেই একমাত্র মানায়।
কিছুদিন ধরে পত্রিকা পড়ে যে অবস্থা বুঝলাম - তাতে সব কিছু নষ্টের মূলে এই মধ্যবিত্তরা।
ইয়া ভিসুমাই!!!
এদ্দিন বহুত হাঙ্কি- পাঙ্কি কইরা পলায়ে ছিলাম!!!
ব্লগে গেরিলা হামলা চালাইছি! হামলা ঠিক চালাই নাই, কেবল রেকি করছি!! ঘাপটি মাইরা দেখছি, কে কি করে!! এখন হবে আক্রমণ!!
আরেকটা বড় উছিলা ছিল পরীক্ষা। এখন একটা মোটামুটি বড়সড় ছুটি আছে!! কাজেই এই সময়ে পুরাই কোপায়ে দিবো!!!
আপনাদের দোয়াপ্রার্থী!!! মাথা পাতিয়া দিলাম। আশীর্বাদ করেন, তয় সুযোগ পাইয়া থাবড়া দিয়েন না!!!
আপাতত, একখানা গান শুনি..
http://download.music-com-bd.load-balanced.net/Music/B/Bangla/Prottutponnomoti/8%20-%20Bangla%20-%20Raat%20pohale%20pakhi%20bole%20dere%20khai.mp3
সালিশ
আমার বাল্যকাল কেটেছে ছবির মত সুন্দর একটা গ্রামে । মাথাভাঙ্গা নদীতীরের সে গ্রামটির দৈর্ঘ্য নদীর তীর ঘেসে উত্তর-দক্ষিণে প্রায় মাইল দুয়েক । প্রস্থ কত আর হবে ! হয়তোবা আধা মাইলেরও কম । গ্রামটির একপ্রান্তে সমৃদ্ধ বাজার, গ্রামের বাজারের মত নয় মোটেই, তার আবহ ছিল অনেকটাই শহুরে । সেই পঞ্চাশ-ষাট বছর আগেও সেখানে চায়ের দোকান ছিল, ছিল চা পান করবার মত আয়েশী লোকজনও, যাদের কেউই কম বয়েসী নয় । সে সময় ছোটদের চা পানে মনে হয় কিছুটা অলিখিত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল ।
২
আতঙ্কের বাজারে বুঝেশুনে পা ফেলুন
গৌরী সেন ছিলেন ১৭-১৮ শতকের সুবর্ণবণিক সম্প্রদায়ের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। নানাভাবে তিনি বিপদগ্রস্ত মানুষকে অর্থসাহায্য করতেন। সেই থেকে বলা হয়, ‘লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন’।
জীবনের জন্য প্রয়োজন সঞ্চয়। একটা সময় ছিল, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য কিছু অর্থ রাখতেই হতো। আর এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পাশাপাশি যোগ হয়েছে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্যের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু এখন আর গৌরী সেন নেই। তবে অর্থ প্রয়োজন। কে দেবে অর্থ?
একখানি ক্রিয়া পদ দিয়ে
আমাদের বাসায় একজন হাফ বিদেশিনী থাকেন। গায়ের রঙ, খাওয়া – দাওয়া সবই দেশি শুধু মুখ খুললে সমস্যা। তার বাবা মায়ের মাতৃভাষা বাংলা হলেও তার জন্য এটি দ্বিতীয় ভাষা। তিনি তার পছন্দের ভাষাতেই কর কর করতে চান কিন্তু মায়ের আবার বাংলা বাংলা বাতিক আছে। তাই বাসায় রফা হয়েছে, বাবার সাথে অন্য ভাষার চর্চা চললেও মায়ের সাথে শুধু বাংলা আর বাংলা। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার চর্চা করতে মা বদ্ধপরিকর। তিনিও কম যান না। একখানা ক্রিয়া পদ ব্যবহার করে তিনি সর্ব ধরনের বাংলা ভাষা ম্যানেজ করে ফেলছেন। তার সাথে থেকে থেকে তার মা, খালা, মামা সবার বাংলা বলার ধরন পালটে যাচ্ছে। নিজে থেকে ডাচকে বাংলায় ভাষান্তর দিয়ে তিনি আজব কিছু বাক্যও গঠন করেন। যেমনঃ স্কুলের বন্ধুর জন্মদিনে গিয়েছেন তিনি। ফিরে এসে বলছেন, মা এভির আম্মু আমাকে অনেক সুন্দর পেলো। কেউ কিছু দিলে, আন্টির জন্য এটা আমি পেতে পারলাম।
উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জকে সালাম জানাই।
উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জ। গত কদিন ধরে তার খবরা খররের উপর নজর রাখছিলাম। নানা ধরনের নিউজ পড়ছিলাম। জুলিয়ান আসাঞ্জ’র নানা টাইপের ছবি দেখছিলাম। সারা দুনিয়া থেকে নানা মানুষ তার কাছে টাকা পাঠাছিল বলে তার অনেক ব্যাংক একাউন্টও বন্দ করা হয়েছে। গতকাল ইন্টারপোল অবশেষে সমঝোতার ভিত্তিতে (!) তাকে আদালতে নিল। ইংল্যান্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ২০ হাজার পাউন্ডের বদলে তার জামিন চেয়েছিল। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে ৭ দিনের রিমান্ড দিল। সুইডেনে তার বিরুদ্দে দুই নারী অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ নামা পড়ে আমার হাসি পেয়েছিল। জুলিয়ান আসাঞ্জ শুধু চেষ্টা করেছিলেন মাত্র! জুলিয়ান আসাঞ্জ’র বিরুদ্দে আসলে এটা ফালতু অভিযোগ বলে মনে হয় কিন্তু ওরা এটাই সত্য বলেই প্রমান করে ফেলবে হয়ত। এই সাহসী বীরের জন্য আমার হ্রদয়ে একটা মায়া জমে গেছে।
প্রেম বা ভাঙনের গল্প (অনুগল্প)
কারও হৃদয় কখনও যদি প্রেম শূন্য হয় তখন সে বেঁচে থাকে কিভাবে?
এ প্রশ্নটি করেছিল অনিল, হেমাকে।
বেঁচে থাকে, থাকে মৃত শহরের মতন..........হেমার হালকা জবাব ছিল।
সত্যি......... বলেছ বেশ, মৃত শহরের মত, যা কিনা অন্তসারশূন্য। অনিল কথাটি এমনিই বলেছিল আর হেসেছিল হেমা।
হৃদয় কখনও প্রেমশূন্য হয় তা ছিল অচিন্তনীয়। হেমা হাটত, অনিলও পাশাপাশি। বহুদূর বহুক্ষন ধরে তারা হেটে যেত। বৈশাখের উদাস হাওয়া থেকে বসন্তের কচি ঘাস মাড়িয়ে তারা হাটত।। অনিল কখনও হঠাৎ চমকে উঠত হেমার হাত হারিয়ে। হেমার হাতে তখন হয়তো বকুল বা শিউলী।
সে ফুল একটু পরে অবহেলায় মাটিতে, সে হাত অনিলের হাতে।
এভাবে কত সোনারঙা দিন যে তাদের আবেশে কেটে গেছে। কত কিছু তখন তুচ্ছ মনে হত এই ভাবে দিনযাপনের পাশে। ক্লাশের পড়া, বন্ধুত্বের উষ্ণ আবাহন, জ্বরা ব্যাধি সব, সব কিছুই তুচ্ছ মনে হত তখন। শুধু যেন হেটে চলা, দুজনে পাশাপাশি।
