অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৪ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

ক্ষুদ্র ঋণ : তুলো ধুনো ড: ইউনুস

সপ্তাহ জুড়েই বাংলাদেশে গ্রামীন ব্যাংক এবং মাইক্রোক্রেডিট হট আইটেম। কি চায়ের কাপে, কি পত্রিকার কলামে, অথবা কোন সাংবাদিক সম্মেলনে। তুলোধুনা মাইক্রোক্রেডিট। ক্ষুদ্রঋণ আজ সুদের ব্যবসা হিসেবে আখ্যায়িত। এটা কিন্তু বদরুদ্দিন ওমর অথবা আনু মোহাম্মদ এর বক্তব্য নয় Smile... কারো সাথে মিলে গেলে সেটা একেবারেই কাকতালীয় Smile

কয়েক দিন আগেই ক্ষুদ্র ঋণ মেলার আয়োজন সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সরকারের অঙ্গসংগঠন পিকেএসএফ এর উদ্যোগে। সেখানে পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান ইউনুসকে বাদ দিয়ে দলীয় আনুগত্যে নিয়োগ পাওয়া বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জনাব খলিকুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়ে তাকে দিয়ে যথারীতি উদ্বোধন ও সমাপনী অনুষ্ঠানে আসন অলংকৃত করালেন। ঘটনা এটা না... জনাব খলিকুজ্জামান মাইক্রোক্রেডিটের বিপক্ষের লোক.. লাইক বদরুদ্দিন ওমর। ক্ষুদ্রঋণের সহায়ক সংস্থা হয়ে সেই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হয়ে সেই সংস্থার বিরোধিতা কি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হয়?

অনিকেত... ২

ফ্রিজ খুলে চিন্তা করছিলাম তাড়াতাড়ি করে কি বানানো যায়। গত সপ্তাহে বাজার করেছি, কয়েক পদের সবজি আর ডিম ছাড়া তেমন কিছু নেইও ফ্রিজে। ডিম পরোটা আর কুঁচনো সালাদ বানাবো ঠিক করলাম, খুব বেশি সময় লাগবেনা তাতে। জলদি করে দুটো ডিম ভেংগে নিয়ে পেঁয়াজ আর মরিচ কুঁচি মিশিয়ে নিলাম, রেডিমেড পরোটা ছিলো ফ্রিজে। বের করে আনার সময় ভাবছিলাম জীবনকে কতো সহজ করে ফেলার চেষ্টায় থাকি আমরা। অথচ জীবনটা ভীষণ হতচ্ছাড়া! ঠিকই জটিলতায় ঘুরপাক খেতে থাকে আপন মনে। ডিম পরোটা ভেজে তুলবার ফাঁকে ফাঁকে শসা, আর টমেটো কুঁচিয়ে নিয়ে সাথে কাঁচামরিচ আর ধনেপাতা দিয়ে সালাদ বানিয়ে ফেললাম চটপট। টেবিলে সব তৈরী করে রেখে মাহফুজকে ডাক দিলাম। মাহফুজ এর মধ্যে বাইরের কাপড় পাল্টে নিয়েছে। জানিনা কেন, আজ হঠাৎ মাহফুজকে দেখে মনে হচ্ছিলো অনেকদিন আমি ওকে তেমন করে খেয়াল করিনি, বড্ড ক্লান্ত দেখাচ্ছিলো আজ ওকে।

জীবিকা অথবা জীবন- ৩

আমার সেই বন্ধুর সরল স্বীকারোক্তি - ৩

মাঝে মাঝে অনেক বেশি ঝগড়া হতো, কিন্তু তারপর আবার দেখা হলেই সব ঠিক। রেস্টুরেন্টে খুব কাছাকাছি বসে যখন ওর গালে হাত দিতাম তাতেই ওর সব রাগ ঠান্ডা। এভাবে কেটে গেল তিনটি বছর। মাঝে মাঝে রাত জেগে বন্ধুদের সাথে কার্ড খেলার খুব নেশা ছিল আমার, সাথে হাল্কা দেশী কিংবা বার পকেটের অবস্থা বুঝে বিদেশী রঙ্গীন পানীয়।

মেরুদন্ডের ভিসকসিটি বা সিঁড়ি বেয়ে উঠার গল্প

আমাদের মেরুদন্ড চা'য়ে ভেজানো এনার্জি প্লাস বিস্কুট হয়ে উঠতে থাকে, আর আমরা দিন দিন বাঁকা হয়ে যাই। আমাদের পায়ের নিচে মাটি অবশ্য শক্তইতথাকে। তার উপর ইট-বালু পড়ে, পিচ কিংবা কংক্রীট ঢালাই হয়। শক্ত মাটিতে আমরা মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে থাকি। সিঁড়িবাজ মানসুর, আমাদের অর্ধতরল কশেরুকাগুলো দিয়ে তার সিঁড়ির ডেকোরেশন করে। আমরা তখন ঘেসো জমি থেকে কেলে ভুতদের শ্যাওড়া গাছ কেড়ে নিতে ব্যাস্ত থাকি।

রাজনীতির রঙ্গ

দু’জন বৃটিশ এক হলে নাকি আবহাওয়া নিয়ে আলাপ শুরু করেন। দু’জন ফরাসী এক হলে শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনায় করেন। দুজন আমেরিকান এক হলে মশগুল হয়ে পড়েন শেয়ার মার্কেট নিয়ে। আর দু’জন বাঙ্গালী এক হলে নির্ঘাত রাজনীতি নিয়ে ঝগড়া শুরু করে দেন। গণতান্ত্রিক দেশ অথচ গণতন্ত্রের কোন চর্চা নেই, যতটা না রাজনীতির চর্চা হচ্ছে। পল্টন ময়দান থেকে চায়ের দোকান পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রী থেকে রিকশাচালক পর্যন্ত-এদেশে সবাই রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত।

আপডেট : এবি'র পিকনিক ২০১০

ইতোমধ্যে এবির পিকনিকের সব প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মাসুম ভাই একটা স্পট যোগাড় করে দিয়েছেন। তারে আমরা এবিবাসী সবাই থ্যাংকু জানাই। গাড়ীর সাথে কথা হয়েছে। বাবুর্চির কাছ থেকে মেন্যুর হিসাব নেয়ার পাশাপাশি বাবুর্চির শিডিউল নেয়া হয়েছে। পিঠাওয়ালার সিডিউলও নেয়া হয়েছে। তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ফাইনাল করা হয়েছে। তাইলে আর কী কী বাদ রইলো ? সবার চাঁদা দেয়াটা। সে ব্যাপারে সর্বসম্মতিতে আমরা ১৭ ডিসেম্বর ছবির হাটে আড্ডাবো আর চাঁদা সংগ্রহ করবো। এ যাবৎ যারা যাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন, তাদের মধ্যে আছেন :

মনে হয় প্রতীক্ষা.......

আজকাল ভালো লাগে না কিছু...
বুঝি না হায় ;
মনটা ছুটছে কিসের পিছু..!!
ভাবনাগুলো লাগামহীন ,
চলছে ছুটে অন্তহীন।
না খুঁজে পেয়ে গন্তব্য,,,
মুষড়ে পরে যত্রৎত্র..।
শুধু জানি ভাবনাগুলো রঙীন;
বসবাস তাদের মনের গহীন।
কখনোবা ভাসতে থাকে বেলুন হয়ে..
আকাশ----সীমাহীন....।
হঠাৎ কোথা হতে..
আসে উড়ে এক তীর !!
বেগ যার তীব্র ;
বেলুনগুলো সব কল্পনার
করে দেয় ছিদ্র ..।
এরই নাম তবে রিয়্যালিটী ..
যেখানে সমাপ্ত সকল ফ্যন্টাসী !!
আমি নেমে আসি..
আকাশ হতে মাটিতে ।
আবারো হেঁটে চলা ,
সেই একি পথে ;
যারে আমি পারিনা এড়াতে...।।

ভালবাসা

চারটি ধ্বনির মিলনে তোমার অমোঘ উৎপত্তি
সীমাহীন আকাশের কোলজুড়ে তোমার আবির্ভাব
তোমার সাহচর্যে সিন্ধুগর্ভে ফোটে যত আশ্চর্য কুসুম
রহস্যের অতীন্দ্রিয় ইন্দ্রজাল বোনা নর-নারীর হৃদয়ে
উন্মাদ বিলাসী খেলা খেলে তোমারই আনন্দভৈরবী
তবেই চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।

আজও প্রত্যেক নর তার নারীকে স্পর্শ করে তোমার বাহুডোরে
যেন জোয়ার-ভাটার সন্ধি নদীবক্ষে উল্লসিত ভাবচ্ছবি
আলিঙ্গনে সৃষ্টি হয় নতুন পাহাড়ে সদ্য তোলা কুটিরের
পলিসিক্ত মাঠে রচিত হয় কোন অলৌকিক সাঁকোর
তোমার অমর রূপের প্রখর আবেগে বিশ্ব হারায় দিশা
ভেসে চলে হাস্যচপল পানসী তোমারই ঢেউয়ে ঢেউয়ে
তখনই চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।

তুমি সারাজীবন থেকেছ আমার কাছে অপরিচিত
তোমাকে দেখেছি আমি সবসময় অন্য নরনারীর হৃদয়ে
দেব-দেবীর মত পূজা কর তুমি তাদের
শুধু আমাকেই করেছ তুমি চিরকাল অবহেলা
সারাজীবন নাগালের বাইরেই রয়ে গেলে তুমি

ভালো মানুষ

১৯৭০ সাল । ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাস । অনেকদিন পরে দেশে সাধারণ নির্বাচন নিয়ে জোরেসোরে আলোচনা চলছে । কে কোন দলকে বা কেমন প্রার্থীকে ভোট দেবে সর্বত্রই সে আলাপ জোরদার হচ্ছে ক্রমশ । নির্বাচন নিয়ে জল্পনা-কল্পনার ধরাবাঁধা নিয়ম নেই । সাধারণ নির্বাচনের ওয়াদা ইয়াহিয়া খানের ধাপ্পাবাজী কিনা তা নিয়েও নানান কথাবার্তা হচ্ছে । লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে গ্রামের বাড়ীতে বেকার জীবন কাটাচ্ছি । লেখাপড়ার চাপ নেই, চিন্তাও নেই । বাড়ীতে খাই, আর সারাদিন বাইরে বাইরে টোটো কোম্পানির ম্যানেজারী করে বেড়াই ।

কালচার কথা

লিওপোল্ড’এর লালচে আলো মাখা সন্ধ্যের আঁচ, আধ ঘন্টার মধ্যে যেকোনো মগজে ঝিম নামিয়ে দিতে পারে, মাতাল সহকর্মীগুলোর সঙ্গে মুম্বাই’এর এই পান-তীর্থে এসে বুঝলাম যে কলকাতার দিবাকর সান্যালের জাজমেন্টটা নেহাত ফালতু নয়। টেবিলে সহকর্মীদের এক ঘেয়ে এলকহোলিক আড্ডাবাজি থেকে উঠে এসে, বার ঘেঁষে একটা আরাম-টুলে বসলুম। গেলাসে মন দেব, এমন সময় কাটোয়া লোকাল ছাপ চাহিদা ভেসে এলো; “দাদা দেশলাই আছে?”।

পকেট থেকে দেশলাই বের করে দিতে গিয়ে দেখলাম রঙ চঙে বুশ শার্ট পর এক মধ্য বয়স্ক ভদ্রলোক।

-“বুঝলেন কি করে যে আমি বাঙালি?”, জানতে চাইলাম।

-“জনি ওয়াকারে যে ভাবে হাড়-হাভাতের মত চুমুক লাগলেন তাতেই সন্দেহ হয়েছিল, আর এই মাত্র যে রজনীকান্ত গুনগুণ করছিলেন সেটা ট্র্যাক করে ফেলেছি”, ভদ্রলোক দেশলাই ফেরত দিতে গিয়ে জানালেন, “কানটা আমার বেশ শার্প বুঝলেন”।

-“শার্প শুধু না, সুপার শার্প”

আবারও পেচ্ছাপেচ্ছি

১.
অফিসে আমি ভদ্রলোক। কিন্তু নিষ্ঠুর এই পাপিষ্ট সমাজে ভদ্রলোক হইয়া থাকাটা মুশকিল। সব অফিসের মতো আমার অফিসেও একটা ক্যান্টিন আছে। সেইখানে চা-কফি বিক্রি হয়। ফলে পানি গরম হইতেই থাকে। যে বিল্ডিং-এ পানি গরম হয় সেইখানে ভদ্রলুক হইয়া থাকাটাই নিয়ম।
আমার অফিসের দুষ্ট ছেলেরা নানা বিষয় নিয়ে গল্প করে। এর মধ্যে সবচয়ে চরম মিথ্যা গল্পটা হইল অফিসে নাকি আমার সঙ্গে দেখা করতে কখনোই কোনো ছেলে আসে না (আমার বাড়ি বরিশাল, চিটাগং না)। দুষ্ট ছেলেরা বলে আমার কাছে নাকি সবসময় মেয়েরাই দেখা করতে আসে, তাও আবার সুন্দরী টাইপ মেয়ে (ইয়ে মানে জয়িতা ও জেবীন কি কখনো আমার অফিসে আসছিলা?)।

স্মৃতির আকাশ

স্মৃতির আকাশ
তাহমীদ আবরার

বহুদিন হয় দেখিনা চন্দ্রিমা-তারা ভরা রাত
ভোরের স্নিগ্ধতা কিংবা নীলাকাশে-
মুক্ত হাওয়ায় উড়ন্ত পাখির ডানা,
ভালো লাগার কিছুই দেখিনা এখন আর
পাখির কুঞ্জন, চাঁদের হাসি, নদীর কলতান
আগের মতো কিছুই দেখিনা... এখন আর।

অন্ধকার ধোঁয়াতে আবরণের ভীতর
এখন আমার বসবাস,
আমার শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতার কমান্ড দেখতে পাই
প্রায়শই দেখতে পাই আমার আত্মার মৃত্যু, জ্বলন্ত লাশ
লাশের গন্ধ ইত্যাদি।
কারণ তুমি ছিলে, এখন আর নেই
তুমি নেই বলেই আমার সাজানো উদ্যানে
দখিনা হাওয়ায় পাপড়ি মেলে-
দোল খায়না ফুলকনেরা। এখন তারাও
নিস্তব্ধ, নিবর। বাগানে ভ্রমর আসেনা, আসেনা ফুলপরীরাও,
বসন্তের কোকিলও গান ছেড়ে
কান্নাররোল ধরেছে;
কারণ একটাই, তুমি নেই।

তবে হ্যা, মাঝে মধ্যে আমার স্মৃতির আকাশে
ভেসে ওঠো, আর ভেসে ওঠা থেকেই স্বপ্নের বীজ বুনি,
বীজ অঙ্করিত হয়, পাতা মেলে। অবশেষে আবার

পুরানো সেই দিনের কথা-৪

বছর বিশেক আগে এই ডিসেম্বর মাস আসলে মনে হতো কত কি জয় করে ফেলেছি।স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ।সন্ধ্যার পর টিভি দেখলে আব্বা আম্মা কিছু বলতো না।আর তক্কে তক্কে থাকতাম বড় মামা কবে গ্রামে যাবে।গেলেই তার পিছু নিতাম আমাকেও নিয়ে যেতে হবে।

গ্রামে যাওয়ার আগের রাতে কেন জানি আমার ঘুম হতো না টেনশনে।সারারাত গ্রামের ভাষা প্র্যাক্টিস করতাম এই যেমন গোসল করাকে ‘নাইতে’ রাস্তা কে ‘হালুট’ বাজারকে ‘হাটখোলা’ মুড়ি কে ‘উরুম’ বলতে হবে।যাওয়ার সময় আম্মার কড়া বারণ থাকতো রোদে বেশী ঘুরাঘুরি আর নদীতে বেশীক্ষন গোসল করা যাবে না।আমি শুধু মাথা ক্যাত করে বলতাম আচ্ছা ঠিক আছে আর মনে মনে বলতাম খালি গিয়ে নেই।

ভার্যাপতি যোগ

আজ সকাল থেকেই বাতাসে শীতের ধূলো উড়ছে,

সেই ধূলোর মধ্যে কি মানুষের অবয়ব তৈ্রি হয়?

তা নাহলে হায়, সেই ধূলো কেন তৈ্রি করছে তোমার মুখশ্রী?

কপালে লাল টিপের সাথে হালকা লাল ঠোঁট,

গলায় ছোপ ছোপ সুগন্ধি পাউডার যেন গ্রাম্যতা এনে দিয়েছে তোমাকে,

সেই সরলতায় খোঁপাভরা শিউলি ফুল আমাকে আমন্ত্রন জানায়;

আহ্, এবার আমায় পাগল কইবে পাড়ার লোকে,

নিন্দের সাথে তোমার সখীর হিংসে জুটবে কপালে;

তাই চুপচাপ রাতের অপেক্ষায় বসে থাকি,

ভালবাসার মাঝখানে হঠাৎই শরীরটা জীবন্ত হয়ে উঠে,

কামুক প্রেমিক হয়েও, তখন আর লজ্জা অনুভব করি না।।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ