অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৮ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

আমি অমুক এই মর্মে শপথ করছি যে...

সাঈদের পিকনিক সংক্রান্ত পেচ্ছাপেছি পোস্টটা বেশ জমে উঠেছে।
আমি ব্যস্ত মানুষ, সময় পাই না। তারপরও আড্ডা, পিকনিক আর
পেচ্ছাপেছির কথা শুনলে শরীরের মধ্যে কেমন জানি প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে যায়।
আমি সময় বের করে ফেলি। তো যা বলছিলাম...
ছোটদের, বড়দের, সকলের... অনুরোধ, আবেদন আর নিবেদনের পাশাপাশি
মুঠোফোনে এসএমএস এসবের কারনে একটু সময় বের করে নেবার ব্যাপারে
চেষ্টা করে সফল হয়েছি। অতএব,

প্রিয় ভাই, বোন, বন্ধুরা-
আমি অমুক এই মর্মে শপথ করছি যে, আগামী ডিসেম্বর মাসের যে কোনো
শুক্রবার সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এবি বন্ধুদের বাৎসরিক পিকনিকের
জন্য যে স্থান নির্ধারিত হবে- তার সাথে আমি সম্পৃক্ত থাকবো এবং
পিকনিকটি সম্পূর্ণভাবে সফল করার জন্য আমার তরফ থেকে যা যা করার
তা অবশ্য আমি সুচারুরুপে সম্পন্ন করবো।

এলো বুঝি পৌষ মাঘের পালা, হালা, এইবার পিকনিকের ঠ্যালা সামলা !!!

হেডিং দেখে কেউ মাইন্ডাইয়েন্না ,
পিকনিক নিয়া ২ ছত্র লেখার চেষ্টা করছিলাম আর কি !!!

দেখতে দেখতে আরেক টা শীতকাল চলে এল। গত শীতে এবি থেইকা পিকনিকে গিয়া যে মজমা , যে ফূর্তি করছে সেটা মনে উঠলেই এখন পিকনিক করতে মঞ্চায় শুধু।

সক্কাল সক্কাল বের হইলাম, বাসে চড়লাম, কিছুদূর গিয়া টায়ার ফাটলো ( টায়ারের উপর জয়িতা বইছিল বলেই নাকি টায়ার ফাটছিল, লোকমুখে শুনি)। মেসবাহ ভাই আমাদের নিয়া গেল সেইইই গাজীপুরের ভিতরে কোন এক বনে। এর থেইকা সুন্দরবন আরো কাছে মনে হয়!!! একদম সকাল ১২ টার সময় পৌছলাম সেখানে। পাশে ছিল পদ্মা নদীর লেক। সেখানে নৌকায় চড়লো বালকেরা, বালিকারা বৈঠা বাইলো। কেউ কেউ নদীর লেকের পাড়ে বাঁশী বাজাইলো কেউবা উদাস হয়ে দেখলো বউ পাশে নিয়ে। ব্যাচেলর ছেলেরা নারীদের হাসি দেখে গলে গলে পড়লো, ক্লিক ক্লিক করে ছবি তুলতে লাগলো।

সঙ্গীতের বাস্তব প্রয়োগ

শচীনদেব বর্মনের গান কেমন লাগে আপনার? তার “ডাকাতিয়া বাঁশী” শুনেছেন? গানটা আমি শুনেছি অনেকবার, কখনো অনেক ভাল লেগেছে, আবার কখনওবা তেমন একটা আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি । মনের খেয়াল, কখন কোনটা ভাল লাগবে তা মনই ভাল বলতে পারে । তা’ছাড়া, যে জিনিষটাকে আমরা যেখানে যেমনভাবে দেখতে অভ্যস্ত, অথবা ইচ্ছুক তেমনভাবে দেখা পেলে ভাল লাগাটা উপচে ওঠে । তবে অন্য রকম কি আর হয় না ! তাও হয় । আশা করি আপনারাও শুনেছেন এ বিখ্যাত গানটি । তবে, দেখেছেন কখনও এ গানের অপরূপ বাস্তব প্রয়োগ? না, আমিও দেখিনি, তবে বাস্তব প্রয়োগের চমকপ্রদ এক কাহিনী শুনেছি । যদিও সময় ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দেখবার সৌভাগ্য (?) হয়নি ।

এগিয়ে চলা...

শূন্যে ভেসে ভেসে একদিন মনে হল হঠাৎ
আর কতদিন এভাবে ভেসে বেড়ানো
হাওয়ার পালের লাগাম টানা বোতাম টাকে
চেপে দিয়ে হারিয়ে যাবার সময়টুকু নিঃস্তব্ধ
অপলক ভাবে অনুভব করার কল্পনাগুলোকে
আর পেছনের ঐ বদ্ধ দরজায় গুমোট করে না রেখে
সময় এসেছে এগিয়ে জয়োল্লাস করার।
চেপে রাখা নিঃশ্বাসের সবটুকু শেষ করে নতুন শ্বাসে
জীবনের স্বাদকে মনের আলমারীতে তোলার।

----------------------------------------------

বিস্মৃত স্মৃতি

সেই কবেকার কথা । কিন্তু কিছুতেই তা ভুলতে পারা যায়না । আর কিই বা এমন বিষয়! ব্যাপারটাতো মাত্র চারআনার (পচিঁশ পয়সা) । কত টাকা, কত শতটাকা, এমনকি কত হাজারটাকা চলে গেছে কত ভাবে! সেসব নিয়ে কখনও-সখনও একটু দুঃখবোধ জাগলেও ঐ চারআনার কথা কোনমতেই ভুলতে পারেননা জামিল আহমেদ ।

আমার সেই বন্ধুর সরল স্বীকারোক্তি - ২

এরপর প্রায় দেখতাম মেয়েটিকে। দেখা হলে মুচকি মুচকি হাসতো। এমনি একদিন দুপুর আড়াইটার দিকে, ৩ বন্ধু মিলে দোকানের সামনে বসে আছি। দুপুরের সময় আবাসিক এলাকার রাস্তায় লোকজনের আনাগোনা কম থাকে সাধারণত। তাই যত কু্কীর্তি আছে করার সময় তখনই। সেই ক্যাসেটের দোকানদার রিয়াজ ভাই এই সময় প্রতিদিন দুপুরের খাবার খেয়ে এসে গাজা টেনে বসে থাকতো দোকানে। আমরা তখন দোকানের রাজা। বেশি ভলিউম দিয়ে গান শোনা ছিল সেই বয়সের ফ্যাশন। তার উপর ক্যাসেটের দোকান মানেই অনেকগুলো বড় বড় স্পীকার। সেদিন কি যেন মনে হয়েছিলো, রিয়াজ ভাই থেকে চেয়ে নিয়ে আমরাও গাজা ধরালাম। জীবনে প্রথম গাজা ধরালাম সেদিন, প্রথম কয়েক টান দেয়ার সময় সিগারেটের সাথে কোন পার্থক্য খুঁজে পাইনি। ৫/৬ মিনিট পরে যখন উঠে দাঁড়াতে গেলাম তখনি বুঝতে পেরেছিলাম সিগারেট এবং গাজার পার্থক্যটা কোথায়। যাই হোক, ততক্ষণে স্পীকারের প্রত্যেকটা শব্দের মাঝেই হারিয়ে যাচ্ছিলাম আর মনে হচ্ছিলো এভাবে য

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প: কিছু নতুন ভাবনা

ঈদ কিংবা লম্বা ছুটিতে শহরের মানুষ পরিবারের সবার সঙ্গে ছুটি উপভোগ করতে গ্রামের বাড়িতে যায়। নগরজীবনের এটা স্বাভাবিক চিত্র হলেও সাম্প্রতিককালে এর ধরন অনেকটাই পাল্টেছে। অনেকে এখন লম্বা ছুটি গ্রামে না কাটিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অন্য কোথাও বেড়াতে যান। গত তিন-চার বছর ধরে ঈদের ছুটির সময়ে কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি বা বান্দরবানের হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো পরিপূর্ণ বলে পত্রিকাগুলোতে খবর বেরুচ্ছে। এমনও শোনা গেছে, হোটেলে জায়গা না পেয়ে অনেককে গাড়িতেই রাত কাটাতে হয়েছে। বেড়ানোর এই চিত্র কিন্তু কিছুকাল আগেও ভাবা যেত না। ঘরকুনো বলে যে বদনাম আছে, নাগরিক মধ্যবিত্তরা বোধহয় সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। আর কিছু না হোক, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের জন্য এটা বেশ আশাপ্রদ।

পছন্দের ১০ বাংলা ছবির গান

ঈদের টিভি অনুষ্ঠানের মধ্যে তুলনামূলক নতুন সংযোজন সরাসরি গানের অনুষ্ঠান। সম্ভবত এটি শুরু করেছিল একুশে টিভি, এখন সবাই করছে। রাত ১২টার দিকে শুরু হয়ে চলে মধ্য রাত পর্যন্ত। গত ঈদে তো আইয়ুব বাচ্চু ভোর সাতটা পর্যন্ত গান গেয়েছিলেন। এবার আবার দেশটিভি কোলকাতা থেকে চন্দ্রবিন্দু ও দোহার ব্যান্ড এনে গান শুনালো।
গতরাতে ছিল সামিনা ও ফাহমিদা-দুই বোনের গান। আমি আবার সামিনার বিশাল বিশাল ভক্ত। দুই বোন একসঙ্গে গাইল তুমি কখন এসে দাঁড়িয়ে আছো..... মাহমুদুন নবীর সেই বিখ্যাত গান। অসাধারণ একটা গান, তার দুই মেয়ে গাইলোও অসাধারণ। গানটা শুনতে শুনতে ভাবছিলাম সেরা বাংলা গান কোনগুলো? বিশেষ করে সিনেমার।

আমার সেই বন্ধুর সরল স্বীকারোক্তি - ১

আমার খুব কাছে এক বন্ধুর একন্তই নিজের কিছু কথা বলতে আমার এই পোষ্ট, যদিও এটি আমার প্রথম পোষ্ট। গত দু'বছর যাবত আমি আমার এক বন্ধুর সাথে আছি, প্রতি রাতেই প্রায় ২/৩ ঘন্টা আমি শুধু চুপচাপ তার কথা শুনি। সে বলে, আমি শুধু শুনে যাই। হয়তো তার এই কথাগুলো সে কোনদিন কাউকে বলতে পারেনি। কথাগুলো তার নিজের জীবন নিয়ে। এখানে আমি আমার বন্ধুর ছদ্মনাম 'প্লাবন' ব্যবহার করে কথা গুলো বলবো। জানি একটি পোষ্টে সবটুকু শেষ করা যাবেনা।

একটি ফটো স্টোরি: প্রথম পর্ব

প্রথমেই বলে নিই, বিশখানা ছবি আছে, সুতরাং একটু সাবধানে। রোজার ঈদের সময় বগুড়া গিয়েছিলাম। সেখানে কয়েকদিনের জন্য ছিলো শুধুই দিনে ঘুরা-ঘুরি আর রাতে বয়েজ পার্টির বন্দোবস্ত। ব্যপক একটা ট্রিপ হইসিলো। এইরকম সুযোগ আমি জীবনে আরো অসংখ্যবার চাই।

১. এইটা কিসের ছবি বলেন।

1_0.jpg

২. তোমার জন্য আলো হব, বাতাস হব শিহরণে/ ভেজা বৃষ্টির বান হব ছায়ার আবরণে। রাস্তার মইধ্যে কি জুক্স! Big smile

3.jpg

৩. যাত্রাপথে জ্যাম ছিলো ভয়াবহ।

4.jpg

হাসপাতাল নিবাস ও কয়েকটি টুকরো ঘটনার সমাপ্তি

গত রোজা থেকে এই কোরাবানি ঈদ পর্যন্ত হাসপাতালের গল্প আসলে অসংখ্য। সব যদি লেখা শুরু করি তাহলে হয়তো কিছু কিছু বাংলাদেশি চ্যানেল গুলোর ঈদ আয়োজনের মতোই অতিরিক্ত বেদনাদায়ক হয়ে যাবে। কারো কষ্টকে সামনে এনে নিজে আরো কষ্ট পাওয়ার চেয়ে এগুলোর মাঝে জমে থাকা অন্য কিছু গল্প নিয়েই হাসপাতাল নিবাস।

নানু তো হাসপাতালে আছেন বহুদিন। আমাদের মোটামুটি অভ্যাস হয়ে গেছে নানুর হাসপাতালে থাকার বিষয়টি। রেডিও থেরাপি এবং কেমো থেরাপি চলছে সমান তালে.. হাসপাতালের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমাদের খুব কাছের আত্মীয় বলে নানুর সেবা চলছে চমৎকারভাবে। তা নাহলে ইতিহাস বলে এদেশের "হাসপাতাল" ড. হুমায়ুন আহমেদ-ড. জাফর ইকবাল- আহসান হাবীবের মাকেও সুচিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হয়!!

আলোর মিছিল চাই- চাই আলোকিত মানুষ- বিসাকে কলেজ কর্মসূচি ২৫ বছরপূর্তি

নিজের নদী সবার থাকে। কেউ চায় সেই নদীতে ভেসে যেতে, কেউ চায় স্রোতের টানে ভেসে আসা খরকুটোকে সম্বল করে নতুন গতি বেছে নিতে। চিরায়ত গণ্ডির বাইরে গিয়ে নতুন ধারাকে অবলম্বন করাটা অনেকেরই কাছেই অসম্ভব। আর সেই না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই শুরু হয় নানা রকমের আফসোস। আর ভাবে আমার দেশ কেনো এমন নেই, কেনো ওমন হলোনা! অথচ জীবনকে নতুন গতি দেয়ার, নিজের মতো করে চালানোর যে আলোকিত পথ সবাই খোঁজে, তা কিন্তু ছিল চোখের সামনে।

ছিলেন, আছেন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। আর ইন্দিরা রোডের ছোট্ট একটি কামড়া থেকে আজ বাংলা মোটরের আকাশ ছোয়া বাড়িতে যে স্বপ্নের কারখানা, তার নাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।

পদ্মার ঢেউরে .....

এখন আমি পদ্মার বুকে । কিন্তু কোথায় সে ঢেউ ! কোথায় সে ঘূর্ণাবর্ত আর কাদা গোলা ঘোলা পানি ! টলটলে সবুজাভ শান্ত নীর, স্পীড বোটে বন্ধুদের নিরাপদ নৌবিহার । আরও ঘন্টা খানিক পরে মাওয়া ঘাটে ফেরী ভিড়বে বলে সময় মাপছিলাম । কি যেন কি হল, টেনে বের করলাম এই ম্যাজিক বক্স । আমার কাছে এখনও পর্যন্ত এটা তাই-ই ।

ফেরী তো নয়, নয়রে ভাই, এ যে দেখছি গাদা বোট ! যে কোন দূরপাল্লার যাত্রায় অতি প্রয়োজনীয় টয়লেট এতে আছে কিনা তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলাম - খোঁজ করে পাওয়া গেল । ইউরিয়ার গন্ধসমৃদ্ধ অতিক্ষুদ্র পানিবিহীন অত্যান্ধকার একটি পিচ্ছিল প্রকোষ্ঠ । প্রয়োজনে সেটিই মনে হল সকলকে স্বর্গসুখ দিচ্ছে । বাস, কার, পিকআপ, মোটর সাইকেল, রিক্সা, রিক্সাভ্যান, বিভিন্ন জাতের ফেরিওয়ালা, ডাব-আপেল বিক্রেতা আর জনতার ভিড়ে এ এক অন্য জগৎ ।

দু’টি মানুষ

দু’টি মানুষ চোখে চোখ রাখলেই
দু’টি মানুষ একযোগে হেসে উঠলেই
দু’টি মানুষ চেনাজানার ঝাঁপি খুললেই,
সম্পর্কের আকিকার প্রয়োজন।
তাদের বন্ধু হতে আয়োজন,
কখনো দেয়াল ঘের দিতে চায় স্বজন
কখনো বা তারা করে রাখী বন্ধন।
দু’টি মানুষ মুছতেই পারে একে অন্যের
অশ্রু অথবা জল
দু’টি মানুষ হতেই পারে একসঙ্গে
শোকে কিংবা সুখে বিহ্বল!
দু’টি মানুষ কোন সংজ্ঞায় পড়ে না
থাকতেই পারে এমনভাবে সম্পর্কিত
হোক তা বিরল,
দু’টি মানুষ হতেই পারে সহযোদ্ধা,
শুধু তাদের রয়েছে লড়াইয়ের ভিন্ন ভূ-গোল।

(১৯.১১.১০)

চমৎকার এক আড্ডার কাহিনী

ঈদের তিনদিন বন্ধ। সাথে এক শুক্রবার। ফলে সবমিলিয়ে ৪দিন বন্ধ। আর শনিবার যাদের অফিস করতে হয় না, তাদের অবস্থা আরও ভাল। তারপরও কথা থাকে। টানা চার-পাঁচ দিন ঘরে বসে বসে টিভি দেখা সহজ না। হয় টিভি দেখতে হবে, না হয় বউ দেখতে হবে। আমরা যারা বউদের ভয় পাই না এবং বউ কিছু বললে চুপচাপ থাকি তাদের পক্ষে টানা ঘরে বসে থাকা আরও কঠিন।
এদিক থেকে এবির একটা ভাল অভ্যাস আছে। এবির লুকজন আড্ডা মারতে বড়ই ভালবাসে। এদিক থেকে রায়হান ভাইয়ের উৎসাহ বরাবরই (লুকটা কেন যে ঘরে থাকতে চায় না?)। আর মেসবাহ ভাইয়ের ব্লগার হওয়ার একমাত্র যোগ্যতাই হল তার ওখানে আড্ডার একটা ভাল জায়গা আছে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ