অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৭ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

এলোমেলো প্রেমের গল্প

তখন থেকে টেবিলের ওপর মোবাইলটা নেচে যাচ্ছে। হ্যা বেজে যাচ্ছে না নেচে যাচ্ছে। তিতলি বই খুলে বসে আছে বটে টেবিলে কিন্তু সেকি পড়ছে নাকি মোবাইলকে দেখছে বোঝা যাচ্ছে না। আনমনা প্রচন্ড শুধু সেইটুকুই বোঝা যাচ্ছে। তিতলি ভীষন রেগে আছে সায়ানের ওপর। সায়ান বিকেল থেকে সামান্য বিরতি দিয়ে দিয়ে ফোন করেই যাচ্ছে করেই যাচ্ছে, কিন্তু তিতলি কিছুতেই ফোন ধরছে না। বাসায় যেনো কারো কানে না যায়, মোবাইলটাকে ভ্রাইব্রেশনে দিয়ে রেখেছে তিতলি। বিকেল থেকে কতো এসএমএস, কতো কাঁকুতি মিনতি সায়ানের, ফোনটা একবার তোল জান। না তিতলি তুলবেই না, গতো দুই দিন ধরে কি কম কষ্ট পেয়েছে সে যে এখুনি সায়ানের ফোন ধরতে হবে? সায়ানের সব সময় কাজের দোহাই, সে খুব ব্যস্ত। আর তিতলি? তিতলির কি সায়ানের ফোনের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোন কাজ নেই। গতো দুদিন সারাক্ষণ মোবাইল চেক করেছে, নাই কোন ম্যাসেজ, নাই কোন মিসড কল। কাজ থাকলে কি তিতলিকে ভুলে যেতে হবে?

গল্প: কিন্তু পূরণের জন্য মনোনীত হয়ে গিয়েছিল পুরোনো একটা ইচ্ছে

মজার বিষয় হচ্ছে, আমি সবসময় স্বপ্ন দেখেছি, বিদেশে গিয়ে পড়া-শুনা বা দোকানের কাজ বা অন্য যেকোন কিছু করে দেখতে হবে, দেশের বাইরে জীবনটা কেমন; কিন্তু কপালে কখনোই সে সুযোগ জুটলো না।

অথচ তুমি সবসময় চাইতে রুটে ফিরে যেতে, সুযোগ হলে গ্রামে একটা স্থায়ী জীবন গড়ে নিতে, সেই তুমি কি না চলে গেলে সুদূর বিদেশে। আর আমি আটকে থাকলাম আমাদের এই দুইরুমের ফ্ল্যটে। স্বপ্নের এই বাসাটায়।

পৃথিবীটা যে খুবই আজব একটা জায়গা সে কথা কে না জানে? তাও আমি দেখি, ওস্তাদ সবসময় এটা আমাকে জানানোর নানান তরিকা খুঁজে খুঁজে বের করার পেছনে একটা ভালো রকম সময় খাটান।

যে কারণে ছোটকাল থেকে এরকম নানাবিধ ঘটনার মধ্য দিয়ে আমি বার বার জেনেছি, এই পৃথিবী এক আজব জায়গা। বা বলা যায়, আসলে আমাদের নিয়তিই হচ্ছে এমন অবিশ্বাস্য একটা জায়গায় জীবন কাটানো।

রোমান্টিক পতন......

এক
সময়টা তখন একেবারে খারাপ চলছিলো না, ছোট্ট মেয়ে আর বউটাকে নিয়ে গৎবাধা নিয়মে জীবনটা চালিয়ে নিচ্ছিলাম, যেমন সবাই নেয় আর কি। সকলে ল্যাবে যাওয়া, দুপুরে পারলে খেতে আসা, নইলে একেবারে বিকেলে এসে পারিবারিক আবহে চা-নাস্তায় সময় পার। মাঝে মাঝে হাটতে যাওয়া নদীর পাড়ে, নইলে কারও বাসায়। আর উইকেন্ডে বাজার করা সপরিবারে। একটা সুখী পরিবারের সব গৎবাধা উপাদান নিয়েই সুখী আর কি!

কিন্তু সমস্যাটা বাধালো বাদল, আর তার কথিত অতুলনীয়া বউ নীলিমা।

আমার একবছর পর একি ইউনিতে পিএইচডি করতে আসা বাদল। দেখতে শুনতে এভারেজ, কথা-বার্তাতেও। তবে একমাত্র বিশেষত্ব হলো তার প্রতি তিনটি কথার কমপক্ষে একটা দেশে রেখে আসা তার বউ কেন্দ্রিক।

পাতা ঝরার গল্প

তোমাকে পাতা ঝরার গল্প বলি ......
হেমন্তের ঘাসের বুকে ঢলে পড়ে যে বিবর্ণ পাতারা
তাদের শেষ ইচ্ছের কথা বলি তোমায় ।

কোন কালে কোন এক অনার্য বীজের সাধ হয়েছিল মাথা তুলে দাঁড়ানোর
এ ভূ-খন্ডের বুক চিরে
অনুর্বর জলাভূমির কাছে করজোড় করে চেয়েছিল একফোঁটা মাটি
তারপর, সেই মাটির বুকে যুগ যুগ ধরে
রোপিত হয়েছে বীজের শরীর ।

সে বীজ শুনেছে বহু আত্মার ক্রন্দন ।
অজস্র ঘুনপোকার হাহাকার পেরিয়ে
সে বীজ পৌঁছেছে উদ্ধত যৌবনে ।

তার নিটোল শরীরে জমেছে ধীরে ধীরে
সময়ের মেদ ।
তার চোখের পাতায় ঝরে পড়েছে নতুন সূর্যের সোনালী কণা ।

সে বীজ স্বপ্ন বোনে ,
স্বপ্নরা সবুজ পাতা হয়ে তির তির করে কাঁপতে থাকে অচেনা বাতাসে।
কেউ কখনো দেখেনি সে স্বপ্নের রঙ;
কেউ দেখেনা কখনো ।
কেউ জানেনা যে, সেই স্বপ্নরাই অবশেষে ঝরে পড়ে অবিমিশ্র বেদনার ভারে ।

যে জীবন সময়ের পরে রেখাপাত টানে , সময়কে বন্দী করে

রম্যকবিতা: ওকে মিসেস চার্মিং লেডী, ওকে

এবি'তে কবিতা জাতীয় লেখা পোস্ট করাটা কিছুটা বিপদের বটে। যেমন এই পোস্টটাই, লেখার পর প্রিভিউ দিয়ে দেখি মাথা থেকে হাঁটু পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে, খালি দুই পায়ের পাতা ঢেকে আছে। এ বিষয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। এখানে জুড়ে দিলাম টেকনিক্যল কারণে। Big smile
---
সুন্দরী নিজেকে তুমি যতই কালো ভাবো
তোমার চেয়ে বেশি সুন্দর
কাউকে কি আর পাবো?

যাক সে কথা,
শুনি কি খবর তোমার
দিন-কাল যাচ্ছে কেমন
কাটছে কেমন তার?
---
আরে তুমি, বিষয়টা কি এতগুলা দিন পর
কোথা থেকে উদয় হলে
ওহে পিশাচ নর।

চলে তো খুবই গিয়েছিলে
লাগবে না আর বলে
এখন হঠাৎ কেমন করে
আমায় ফোন দিলে?
---
উরিব্বাবা, বিষম তোমার রাগ
এর কাছেতেই হার মেনেছে
আমার অনুরাগ।

বললাম না, যাক সে কথা
ওতে কি লাভ বলো?
আমিও আছি, তুমিও আছ
জীবনটাতো গেল।
---
এই কথাটা ঠিক
আছি কিন্তু বেঁচেই দু'জন
যাই নি মোটেও মরে।

তোমার সঙ্গে হয়তো কখনো

ডাইরী ১১৬

১.
ঘরের মেঝেতে পৃথিবীর মানচিত্র দেখতে দেখতে আমি ঘরকুনো হয়ে যাই। পথ গুলো যদি এমন সরল শূন্য হতো তবে আমি পথিক হতাম। শরীরময় যার এমন অনেক বাস্তবতা লেখা তার পাশে গুটিশুটি মেরে বসে থাকতে পারি এক মহাকাল। যতোক্ষণে মানুষ সৌরজগতের আনাচ কানাচ বেয়ে ইকারুসের মতোন গলে পরে সূর্য্যের শরীরে।

২.
একটা লাইন হঠাৎ করেই জপতে থাকি। কিন্তু তারে চিত্রকল্প বানানোর ফাঁকেই ভুলে যাই সমস্ত শরীর। ভালোবাসা তবে আমার অ্যামনেশিয়া! শব্দের চে' ভালোবাসি শূন্যতারে। স্মৃতির চে ভালোবাসি চাঁদের সাতকাহন। সিঁড়ি বেয়ে যখন ছাদের আড়ালে বসেছি তখন মাথার ভেতরে চাঁদ আর হৃদয়ে অমাবশ্যা।

৩.
ইচ্ছে হলো কারো কন্ঠে ভৈরবী শুনি। আর তাই সেলফোন। তারপর বিডিনিউজ ২৪। কে কোথায় কিভাবে উদযাপন করে নববর্ষ-উইকেন্ড কিম্বা লেইট নাইট পার্টি।

এভাবেই রয়ে গেলো তো পুষ্টি বাকী!

সেন্ট মার্টিন (দুশো বছর পরে) {শেষ পর্ব}

খাওয়া দাওয়া শেষ করে একদল যাবেন ডিস্কোতে। সেখানে স্প্যানিশ, ল্যাটিন, হিন্দী, ইংরেজি গানের সাথে থাকবে কিছু লোকাল নাম্বার। সেন্ট মার্টিনকে ঘিরে বানানো। এল আর বি কিংবা দলছুটের বানানো ওওও উই আর গোয়িং টু সেন্টমার্টিন, কিছু থাকবে র‍্যাপ আর রিমিক্স। ওরে সাম্পানওয়ালা তুই আমারে করলি দিওয়ানা কিংবা রুপবানে নাচে কোমর দুলাইয়া। আর যারা নাচতে ভালোবাসেন না তাদের জন্য আছে ঝলমল আলো সজ্জিত ক্যাসিনো। সুন্দরী মেয়েরা সেখানে বসে থাকবেন আর চলবে সারা রাত গ্যাম্বলিং। জ্যাকপটের আশায় অনেকেই মন উজাড় করে খেলবেন, কেউ পাবেন কেউ পাবেন না। যারা প্রকৃতির খুব কাছে থাকবেন, অন্যকোন কিছুই তাদের চাই না তারা ক্যাম্প ফায়ার করে তার পাশে গোল হয়ে আকাশের চাঁদকে প্রেয়সী করে কবিতা লিখবেন। সেই আলো আঁধারিতে রাত যখন ভোরের দিকে যাবে সবাই হোটেলের দিকে ফিরবেন। বিছানায় গড়িয়ে প্রস্তুত হবেন পরের দিনের জন্যে। এতো কিছু করার আছে এখানে।

পুরানো সেই দিনের কথা-৫

কিছুদিন আগে ইউনির ডরমিটরী ছেড়ে নতুন বাসাতে উঠেছি।বাসা থেকে পাক্কা উনিশ মিনিট হাটঁতে হয় ল্যাবে যাওয়ার জন্য।কিন্তু প্রতিদিনের এই হাঁটাটা আমি খুব উপভোগ করতেছি কিছুদিন ধরে।হাটঁতে হাটঁতে মনে পড়ে সেই স্কুলে যাওয়ার দিন গুলো।

জীবিকা অথবা জীবন- ৮

সকালের দিকে হঠাৎ করেই বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রহমান সাহেব। তাদের ডাক্তার বন্ধু শৈলেশ বর্মন এসে খানিকটা রাগারাগি করলে রহমান সাহেব বন্ধুর হাত ধরে বললেন, দোস্ত তুই আগে আমার কথাটা হোন!

ডাক্তার সরোষে রহমান সাহেবের হাত সরিয়ে দিয়ে বললেন, তরে কইছিলাম দুধ-ডিম আর এইসবের তৈরী হাবিজাবি কিছু না খাইতে। এক ঠ্যাং কবরে গিয়া রইছে অখনও নোলা সামলাইতে পারছ না! কই নাই তর নোলা তরে একদিন শেষ করবো!

খানিকটা বিষন্ন হাসি হেসে রহমান সাহেব বললেন, দোস্ত দশ বছর ধইরা তো একই কথা কইতাছস, অখনও তো মরলাম না!

তাইলে মর! আমি যাই!

না দোস্ত, আমারে অষুধ দিয়া যা। কাইলকা সকালের আগেই আমারে যেমনে হউক সুস্থ হইতে হইবো।

এবার ডাক্তার শৈলেশ বর্মনের মুখে কেমন তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠলো। বললেন, কাইলকা শহিদ মিনার যাইবা। ফুল দিবা। তারপরে তোমার দেশ উদ্ধার হইয়া গেল! অথচ পোলা মাইয়াগুলারে বানাইছস আম্রিকান-জার্মান!

আবারও বিশ্বকাপ, আবারও বিশ্লেষক

ক্রিকেটের শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে বাংলাদেশ। আবহাওয়াবিদদের প্রেডিকশান অনুযায়ী আরো ২/৩ দিন চলবে হিমেল হাওয়ার তান্ডব, কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের অস্থিরতা কবে কাটবে সেটা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। গতো ফুটবল বিশ্বকাপের সময় যতোটা উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ছিলো এবার পারদরেখা তার চাইতে অনেক উপরেই থাকবে সেটা নিঃসংশয়ে বলে দেয়া যায়। নিজের দেশে বিশ্বকাপ বলে কথা। তার উপর গতো বেশ ক'মাস ধরে দেশের ক্রিকেটে বইছে জয়ের সুবাতাস। টিম বাংলাদেশের শুরুটা গতো বছর খুব ভালো না হলেও ধীরে ধীরে যে উন্নতির গ্রাফটা উপরে উঠেছে সেটা তাদের গতো বেশ কয়েকটা সিরিজের ফলাফলে নজর বুলালেই বোঝা যাবে। বাংলাদেশ দল ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতে নেবে এমন স্বপ্ন না দেখলেও তারা আশাব্যঞ্জক ক্রিকেট খেলে দেশ বিদেশের ক্রিকেট দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে এমনটা ভাবতে খুব একটা সাহসের প্রয়োজন হয় না।

পাখি উড়ে উড়ে উড়ে যায় কোথায়

কংক্রীটের পোড়ামুখো জীবন চলছে নিজের গতিতে। আমি পাশ ফিরে শুই, খাট ককিয়ে ওঠে। আমার চোখে ঘুম ছিলো না। শরীরে ক্লান্তি ছিলো। সেটা মনের ওপরেও প্রভাব খাটাচ্ছিলো, অনেকক্ষণ ধরে। বড় নিরাশা করে পাশ ফিরেছিলাম কি না কে জানে। চাপা একটা নিঃশ্বাসকে দেখলাম সন্তপর্ণে দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে বের হয়ে যেতে।

একটা মহল্লার কুকুর অযথাই অনেকক্ষণ ধরে নিস্তব্ধতা চিড়ে ঘেউ ঘেউ করে যাচ্ছে। এই শহর সারাদিনে আমার নাক দিয়ে, মুখ দিয়ে বিষ ঢুকিয়েছে শরীরের ভেতর। আমার শ্বাসনালী জ্বলে যায়, ও তাও আমার ভেতর বিষ ঢালতেই থাকে। আহারে জীবন, তুমি বড় অদ্ভুত।

নতুন বছরে কি ভাবছেন ?

নতুন শতাব্দীর দশম বছরটিকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দিয়ে এসেছে নতুন বছর। সবার মনে এখন নতুন ভাব, চোখে নতুন খোয়াব। তাই...মানুষ কি ভাবছে নতুন বছরে ? বছরের প্রথম দিনে মনে এই প্রশ্নের উদয় হতেই বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের অনুভূতি জানতে ইচ্ছে হলো। ‘চ্যারিটি বিগেইনস এট হোম’-এই প্রবাদ বাক্যের অনুসরণে প্রথমে জানতে চাইলাম নিজের স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া। ‘নতুন বছরে কি ভাবছো ?’ আমার এই প্রশ্নের উত্তরে প্রথমে একটু থমকে যান তিনি। তারপর... সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘সত্যি কথা বলবো ? ‘হ্যাঁ নি:সংকোচে বলতে পার’। আমি অভয় দেই। ‘ভাবছি তোমাকে কিভাবে সাইজ করা যায়’। ‘তার মানে ?’ ভড়কে গিয়ে প্রশ্ন করি। ‘ইদানীং তুমি কেমন জানি বদলে যাচ্ছ, আগের মতো আমাকে আর ভালোবাসো না। গত ঈদে একটা ভালো শাড়ীও দাওনি, ইদানীং আবার বড্ড রাত করে বাসায় ফির, বাসায় এসে আবার কম্পিউটার নিয়ে বসে পড়ো...। আচ্ছা তুমি আমাকে কি মনে করো বলতো !

নাম বনাম

আমরা বন্ধু ব্লগে এম. এ. সিরাজীকে দেখে অবাকই হয়েছি। আমার নামের সাথে এত মিল! প্রথমে ভেবেছি- এটা বুঝি আমি নিজেই। মাইনুলের এম, এইচের এ। পরে ভদ্রলোকের প্রোফাইল দেখে বুঝলাম- লোকটা আমি নই। আমিতো ভার্সিটি লাইফ শেষ করে এসেছি সেই ১১ বছর আগে। তবে অনেকে ভাবতে পারেন এম. এ. সিরাজী নামে আমি বুঝি আরেকটা একাউন্ট খুলেছি!

নাম নিয়ে এহেন বিড়ম্বনার গল্প শোনাবার জন্যই এই পোস্টের অবতারণা। একটা ধাঁধা দিয়ে শুরু করব, কৌতুক দিয়ে শেষ করব।

১। আচ্ছা বলুন তো, কী এমন জিনিস, যা একেবারেই আপনার; কিন্তু আপনি ব্যবহার করেন কম, অন্যরা সারাদিন ব্যবহার করে?

ঠিক ধরেছেন। এটা হচ্ছে আপনার নাম।

কথায় আছেনা, মক্কার মানুষ হজ্ব পায়না

poor girl.gif আচ্ছা বন্ধুরা, আমার এই কথাগুলি কি আপনারা বিশ্বাস করবেন? আমি software quality assurance & testing department-এ কাজ করি। ডেস্কটপ ও ওয়েব এ্যাপ্লীকেশন টেষ্ট করা ও তার কোয়ালিটি নিশ্চিত করা আমার কাজ। আমি যদি বলি যদিও আমার অফিসে পিসি ও ইন্টারনেট আছে, আমার বাসায় কোন পিসি বা নেট কানেকশন নেই, তবে বিশ্বাস যোগ্য হবে? হবে না, তাই না? বা একটা হোটেলের একজন বাবুর্চী যদি বলে সে খাদ্যাভাবে কষ্ট পায় সেটাও হয়তো আমরা বিশ্বাস করবো না, তাই না?

হ্যালো ২০১১

সারা বছর দেশের জন্যে মন খারাপ থাকে। ঘোলা আকাশ, শীত, ঠান্ডা, মন খারাপ করা অন্ধকার বরফে দেশের জন্য আরো অস্থির লাগে। এই অন্ধকারকে কিছুটা মৃদ্যু করতেই বুঝিবা ক্রীসমাসে সব শপিং মল, বাড়ি, রেষ্টুরেন্টে, রাস্তায় প্রচুর টুনি বাল্ব ব্যবহার করা হয়। ক্রীসমাস এখানে পারিবারিক উৎসব। সবাই বাড়ি ফেরেন, মা – বাবা, নানী – দাদীদের সাথে দেখা করেন। খুব নিরিবিলি চুপচাপ। রাস্তায় ধরতে গেলে কোন লোক দেখা যায় না ক্রীসমাস ইভ থেকে সেকেন্ড ক্রীসমাস ডে পর্যন্ত। সবাই জেগে ওঠে আবার থার্টি ফাষ্ট ইভে। ক্রীসমাসের থেকে অনেক বেশি আনন্দ, উৎসব এবং খরচ হয় এইদিনে। বারবার একটি লাইন মাথায় ঘুরে, আজ থার্টি ফাষ্ট, আজ পশ্চিমের ঘরে ঘরে আনন্দ। সন্ধ্যে থেকে চারধারে ঠুস ঠাস, ফুশ শব্দ সাথে আলোর ঝলকানি। প্রতিটি দিন যেমনই লাগুক, এই একটি দিন নেদারল্যান্ডসে আমার খুবই আনন্দের দিন। মনে হয়, না খুব খারাপ নেই, বরং ভাবি ঠিকাছে। বারোটা এক মিনিটে কানে তাল

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ