অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

You Paid For It

# They changed the venue for their own advantage.
# They doubtedly appointed the stupid jokers as umpires.
# They evidently staged the Match.
# They drew the result-scatch long before it was to be held.
# They do not have gutts to face the fair challange.
.
and yet, they call themselves WORLD CHAMPION ... !
FUNNY !
Isn't it ?

মাহমুদুল্লারে দুইবার চোখ পিট পিট করেই আউট দিয়ে
দিলো ! কোন জুমিং নাই, বেনিফিট অব ডাউট নাই !
আজব ... ! ! ! বিশ্বকাপটারেও এরা IPL-এর মতো হালাল
জুয়া-সার্কাসের আসর বানাইতে নামছে।

Shameless circus from so-called ICC (Indian Cricket
Council) !

India,the cup is yours cz you "paid" for it...

গার্হস্থ্য জীবনযাপন!

চারিদিকে এখন ক্রিকেট। এত ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা সবাই করছে, কদিন পরে আমাদের গায়েই ট্যাগ লাগবে-- বাঙ্গালী ইট ক্রিকেট, ড্রিম ক্রিকেট, লাভ ক্রিকেট। যেখানে যাই, যার মুখের দিকেই তাকাই, ব্যস্ত আড্ডায় উকি মারি, ক্রিকেট ছাড়া আলোচনা নাই কোনো। ক্রিকেটের আলোচনা সবাই করে সে রিকশা চালক আইনুল হোক আর ড্রাইভার জসিম হোক, নর্দানের ছাত্র বাবু হোক আর কোটিপতি শান্ত ভাই হোক কিংবা বন্ধু আদনানের বঊ রুমু ভাবীই হোক না কেন, মুক্তি নাই। আমাকেও করতে হয়। আমি খারাপ করি না। ক্রিকেট নিয়ে আমার জানাশোনাও কম না। কিন্তু প্যাচাল পারতে ইচ্ছে করে না সবসময়। এক কালে ক্রিকেট অনেক আবেগের জায়গা ছিল, যার খেলাই হোক টিভিতে মিস হতো না, এখনো তা আছে, তবে মাত্রা কমেছে। দিনশেষে ক্রিকেট একটা খেলাই। ক্রিকেটে ওয়ার্ল্ডকাপ পেলেও বাংলাদেশ, বাংলাদেশই থাকবে, ইংল্যান্ড হবে না। তবুও বাংলাদেশের বেলায় আমার আর এইসব এত মনে থাকে না। বাংলাদেশের পরাজয় দিনশেষে আম

ধর্ম এবং সামাজিক সংহতি

ধর্ম মানে বিশ্বাস। বর্তমানে নাস্তিক শব্দটি বহুল প্রচলিত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীতে ধর্ম ব্যাতিত কোন মানবসমাজ আজও লক্ষ্য করা যায়নি। তবে হ্যাঁ,পৃথিবী ব্যাপী একাধিক ধর্ম পরিলক্ষিত হয়েছে । কোনটি একেশ্বর বা কোনটি বহুঈশ্বরবাদী ।
ধর্ম এবং সামাজিক সংহতি: এক্ষেত্রে দুই ধরনের মতামত রয়েছে । কেউ কেউ বলেছেন ধর্ম সামাজিক সংহতির অনুকূল, আবার কেউ কেউ বলেছেন ধর্ম অনুকূলে নয় বরং প্রতিকূল।

গ্যালিলিও

ছোটো বেলা স্টেশনের মজমার ভীড় দেখলে ভীড় ঠেলে ভেতরে ঢুকে দেখতাম কি হচ্ছে। তখনও ঘরে ঘরে টেপ-রেকর্ডার আর ক্যাসেট আসে নি, মজমার কেন্দ্রে যে যুবক, তার হাতে মাইক্রোফোন, সে কথা বলছে আর টেপ রেকর্ডারে সে কথা শোনা যাচ্ছে- অবাক করা বিষয়। শহরের এ রাস্তা সে রাস্তায় সিনেমার বিজ্ঞাপনের রিকশায় লাগানো মাইকের চোঙা, মাইক্রোফোন আর তার দেখে খুব বেশী অবাক লাগতো না, অনুমান করে নিয়েছিলাম টেলিফোন যেভাবে কাজ করে এইসব মাইক- মাইক্রোফোন আর তার সেভাবেই কাজ করে, কিন্তু তার-ছাড়া মাইক্রোফোন তখনো খুব বেশী পরিচিত কোনো দৃশ্য ছিলো না।

নামের আগে বা শেষে যারা 'কমিশনার' লাগাতে আগ্রহী!

এই সরকার একদিক থেকে খুব বুদ্ধিমান, মাঝে মাঝে ইস্যু তুলে লোকজন তা নিয়ে দোড়ঝাপ করে তারপর আসে আরেকটা নতুন ইস্যু। ভুলে যায় পুরোনো দিনগুলোর কথা। এইভাবেই চক্রাকারে চলতে থাকে। এই হরতাল অবরোধ নাশকতার ভেতরে শহরে যেমন বাঁধে জ্যাম, ঠিক তেমনই নতুন করে বাঁধে নতুন নতুন ইস্যু। অন্য এলাকার খবর কেমন তা আমার জানা নাই, যেহেতু মোহাম্মদপুরে থাকি তাই না চাইতেই নানা ইস্যুতে নিজেই জড়িয়ে পড়ি। এখন যেমন মোহাম্মদপুরে চলছে কমিশনার ইলেকশন নিয়ে হাইভোল্টেজ আলোচনা ও প্রার্থী লইয়া তর্ক বিতর্ক। বিরোধী দলেরা কি করবে জানা নেই, কিন্তু এক আওয়ামীলীগ থেকেই সম্ভাব্য তিন চারজন মাঠে নেমেছে। ক্যান্ডিডেট ভিন্ন কিন্তু আওয়ামীলীগের লোকজন তো ঘুরে ফিরে সেই একই। আর স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা আমাকে চায়ের দোকানের সুত্রে হোক আর এলাকায় থাকতে থাকতে ও আড্ডা দিতে দিতে হোক- খুব জ্ঞানী লোক মনে করে। মনে করে আমার মাথায় অনেক বুদ্ধি। তাই যত কমই যাই চায়ে

রাফিদা আহমেদ বন্যার বক্তব্য

আমার স্বামী অভিজিৎ রায় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদ নিয়ে লেখালেখি করতেন, তিনি ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনামূখর ছিলেন। শুধুমাত্র এই কারণেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। গত ছাব্বিশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনাকীর্ণ ক্যাম্পাসে আমরা দুজনে হামলার শিকার হই। অভিজিৎকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আমি কোনোক্রমে বেঁচে যাই।
তাঁর স্ত্রী, একই ধারার লেখক এবং একজন মুক্তচিন্তক হিসাবে, আমি এই পৈশাচিক সন্ত্রাসের তীব্র নিন্দা করি। ঐতিহাসিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হচ্ছে সকল প্রগতিশীল আন্দোলনের কেন্দ্রভূমি। অভিজিৎ নিজেও এই ক্যাম্পাসেই বেড়ে উঠেছে। মৃত্যুর হুমকি থাকা সত্ত্বেও আমরা কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারি নি যে, এরকম একটা জঘন্য অপরাধ এখানে সংঘটিত হতে পারে। এই অপরাধ শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ছিলো না, ছিলো বাক স্বাধীনতা এবং মানবতার বিরুদ্ধে।

হতবাক !!!!!!!!!!!!

01_Bangladesh+vs+England+Victory_090315_0029_0.jpgআমি চাই নি এমন আনন্দের দিনে এই পোষ্টটা দিতে , কিন্তু ছবিটা দেখে খুব খারাপ লাগল !!!!!!
আনন্দও আমিও অনেক করেছি গতকাল, কিন্তু এভাবে আনন্দ করতে গিয়ে যদি মুল্যবান কিছু ধ্বংস করে ফেলি ????

যে ওইটার উপরে উঠছে সে হয়তো এভারেস্ট জয় করার মত কিছু করে ফেলছে এই ভাব নিয়া পোজ দিছে
কিন্তু সে নিজেও জানে না কাজটা কত খারাপ করেছে।

একটু ভাবা দরকার !!!

মন কেমনের ধূসর গ্রিলে

একরকম কেটে যাচ্ছে সময়। এই কথাটা যখন একজনকে বললাম, সে বললো কিভাবে কাটে রক্তসহ নাকি রক্তপাতহীন?

যখন তোমারে চাইতাম

তোমারে পাইতে চাইছিলাম আমি
পাশ ঘেঁষে হাঁটার সময়-
তোমার গায়ের ঘ্রান খুব মোহন করতো আমারে।

আরও অনেক নিভৃতে তোমারে পাইতে চাইছিলাম
ভেজা ভেজা সবুজের মত।
পাইতে চাইছিলাম ফাল্গুনের রাঙ্গা ফুলের মত;
সেই রঙের জোয়ারের মত তোমারে রাঙাইতে চাইছিলাম।

হয়তো বিপ্লবের চেয়েও বেশি রকম তোমারে পাইতে চাইছিলাম।
শুকনো শীতে একটা দেশলাইয়ের মত-

সেই সময় আজো ভোলে নাই-
কি রকম ব্যাকুল আমি- চাইতাম তোমার গায়ের ঘ্রাণ।

২.
ভাবনাতে ঘুম আশুক-
ছোপ ছোপ অন্ধকারের মত।

কোমল অনুভূতিসম্পন্ন মানুষদের সমীপে দুটি কথা

বাংলাদেশের মানুষ কোমল অনুভূতিসম্পন্ন। ধর্ম নিয়ে একটি কথাও তারা সইতে পারে না। তাদের অনুভূতি বিপন্ন হয়ে পরে। যারা তাদের অনুভূতিতে আঘাত হানবে তাদের যেকোন ধরনের শাস্তি যথার্থ। রাস্তায় কুপিয়ে কুপিয়ে তারা বিশ্বজিৎ হত্যা দেখতে পারে, মোবাইলে ভিডিও করতে পারে, চোর সন্দেহে বিপুল বিক্রমে পিটিয়ে পিটিয়ে যেকোন মানুষকে রাস্তায় সাপ মারার মতো করে মেরে তার ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করতে পারে, তাতেও কোথাও কারো কোন অনুভূতি বিপন্ন হয় না। শুধু প্লীজ ধর্মে হাত দিও না, নট টু টাচ ......... একজন মানুষও কী দ্বিধাহীন কন্ঠে বলতে পারে না, “আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে যেকোন মানুষের এ ধরনের মৃত্যু কোন সভ্য দেশের ভূখন্ডে কাম্য নয়। আমরা এই অন্যায়ের তীব্র নিন্দা জানাই।“ তারা কী তাহলে সৃষ্টিকর্তার ওপর আস্থা রাখতে পারছে না, পরকালের শাস্তি নিয়ে কী নিজেরাই দ্বিধায় আছে?

হতবিহবল কিংবা থমকে থাকা সময়!

এবারের মত বাজে ফেব্রুয়ারি মাস আমার এই জীবনে আর আসে নি! ফেসবুকে লিখেছিলাম একটু আগে। গোটা দশ লাইকও পেলাম। তাহলে আমারই শুধু খারাপ সময় যাচ্ছে না, অনেকেরই মন্দ সময় কাটছে। আমার অবশ্য এখন ব্লগ টগ লিখতে সিরিয়াস বিরক্ত লাগে। তিনদিন ধরে চেষ্টা করেছি, এক লাইনও লিখতে পারি নি। এসব লিখে টিখে কি হয়? অভিজিৎ রায়ের মতো দেশ সেরা বিজ্ঞান লেখককে হাজার হাজার মানুষের সামনে দুই তিন মিনিট কুপিয়ে খুন করা হয়, তাঁর স্ত্রীকে নির্মম ভাবে জখম করা হয়। আঙ্গুল হীন রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি সাহায্য চান, কেউ আসে না এগিয়ে। কেউ কেউ ছবি তোলে। এরকম শুয়োরের বাচ্চাদের দেশে আমরা আছি শুয়োর হয়ে, কোনোরকমে প্রান বাঁচিয়ে। এটাকে কি বেঁচে থাকা বলে?

ভন্ড ভালবাসা

মানুষের জীবনে বাচঁতে হলে অনেক কিছুর প্রয়োজন হয়। সুস্থ ও সবলভাবে বেচেঁ থাকতে হলে একটা মানুষকে খাবারের সাথে সাথে মনের তৃপ্তিও যোগান দিতে হয়। তা না হলে তার বেচেঁ থাকাটাই কষ্টকর।
আমদের জীবনে চলার পথে অনেক প্রয়োজন সেটা যে কোন ভাবেই হোক না কেন যোগান দিতে পারে। কিন্তু কেউ যদি তার ভালবাসা হারায় সেটার বিকল্প কি যোগান দিতে পারে? হয়তোবা কেউ কেউ পারে কিন্তু পরিপুর্নভাবে সে সুখ ফিরে পায় না। তখন তার স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে ভীষন সমস্যা হয়।
এবার আসি মূল বিষয়ে। বিষয়টা হলো ফেইসবুক নিয়ে।

মিত্র কিংবা মৃতের তালিকায় দেখা নামগুলো

অনুভুতিগুলো খুব পরিচিত। শাহবাগের মাঝপথে যেদিন রাজীব খুন হলো সেদিন থেকেই নিশ্চিত ছিলাম লাশের মিছিলে আরও অনেকের নামই যুক্ত হবে। এইসব দৃশ্য দেখে জন্মভুমির পরিচিত ভাষা, পরিচিত বন্ধুর মুখ, মিছিলের উদ্যত হাতের সাথে উত্তোলিত অপরাপর হাত দেখে ভেতরে জন্ম নেওয়া প্রত্যয় আর ছদ্মনিরাপত্তার বোধ ভেঙে যায়, তখন মিছিল শেষে ফেরার পথে পেছনের পথটাতে চোখ রাখা, ভীড়ে খুব কাছে চলে আসা মানুষের হাতের দিকে সন্দিগ্ধ তীক্ষ্ণ নজর রাখা, হঠাৎ করে সেখানে চাপাতি উঠে আসবে কি না ভেবে ভয়ে সিঁটকে থাকা, আবছা অন্ধকার গলির সামনে মানুষের জটলা দেখলে সন্তর্পনে হেঁটে যাওয়া, হয়তো সেখানেই ঘাতক দাঁড়িয়ে আছে উদ্যত ছুরি হাতে, ঘাড়ে কিংবা গলায় চালিয়ে দিবে দ্বিধাহীন। নিরাপত্তাহীনতার বোধ শব্দ দিয়ে এই অনুভুতি প্রকাশ করা যায় না। ক্লাস্টোফোবিক মানুষকে যদি স্যুটকেসে ভরে চলন্ত এস্কিলেটরে ফেলে দেওয়া হয় তার ভেতরে যে ধরণের তীব্র আতংক জন্মাবে প্রতি মূহ

অভিজিত ভাইয়ের মৃত্যু আর চারপাশ

অভিজিত ভাইয়ের মৃত্যু আর একবার জানিয়ে দিলো, কতো প্রকারের সুশীল ফেসবুকে পদচারনা করে। তাদের মুক্তিযুদ্ধে আপত্তি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আপত্তি, শাহবাগে আপত্তি, জয় বাংলাতে আপত্তি, বঙ্গবন্ধুতে আপত্তি, মানুষের নামে আপত্তি, পোষাকে আপত্তি, মুক্তচিন্তা ভাবনায় আপত্তি ...... কিন্তু মুক্তচিন্তাকারদের আবিস্কৃত ফেসবুক, ইউটিউব, ভাইবার, বাংলা সফটওয়্যার ইত্যাদি কিছুর উপকারিতা নিতে তাদের বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই

অভিজিৎ রায়ের খুনীদের ফাঁসি চাই

আপনারা অবগত আছেন যে মুক্তমনা ওয়েবসাইটটির প্রতিষ্ঠাতা, বিজ্ঞান ও যুক্তি বিষয়ক বইয়ের জনপ্রিয় লেখক, আমাদের সহযোদ্ধা অভিজিৎ রায় ঢাকা সময় ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত নয়টার সময় মৌলবাদী দুর্বৃত্তদের চাপাতির আঘাতে নিহত হন। একই হামলায় সাথে থাকা তাঁর স্ত্রী লেখিকা রাফিদা আহমেদ বন্যা গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে আমরা এই খুন ও হামলার তীব্র নিন্দা জানাই, খুনীদের ফাঁসি দাবি করি এবং এই খুনের সঙ্গে জড়িত সকল উসকানিদাতাদের অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।

অভিজিৎ রায় এবং বন্যা আহমেদ মুক্তবুদ্ধির বিকাশে দীর্ঘ সময় ধরে নিবেদিত সাধনা করে এসেছেন। অভিজিৎ রায়ের মৃত্যু তাই বাংলাদেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বয়ে আনবে।

বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে ভবিষ্যৎ কর্মসূচি আপনাদের জানানো হবে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ