ইউজার লগইন

রাসেল'এর ব্লগ

মুহাম্মদ জাফরি ইকবালের অভব্য নিবন্ধের প্রতিক্রিয়া এবং অন্যান্য

কোনো লেখকের উপন্যাসের চরিত্ররা উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে যে ধরণের উপলব্ধি প্রকাশ করে কিংবা যেসব বক্তব্য দেয়- লেখকের বক্তব্য হিসেবে সেসব উপস্থাপন করাটা লেখকের প্রতি এক ধরণের অন্যায় আচরণ। লেখক যখন কোনো উপন্যাসের চরিত্রচিত্রন করেন, উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে সেসব চরিত্র নিজের মতো জ্যান্ত, তারা লেখকের কল্পনায় বসবাস করলেও আদতে তারা এক ধরনের স্বাধীন স্বত্ত্বা, তাদের নিজস্ব অভিমত আছে, লেখক সেসব স্বাধীন সত্ত্বার উপলব্ধিগুলো লেখার সময় নিজের অভিমত সব সময় চরিত্রের উপর চাপিয়ে দিতে পারেন না।
কিন্তু লেখক ব্যক্তিগত নিবন্ধে কিংবা সাক্ষাৎকারে যেসব অভিমত ব্যক্ত করেন, সেসব বক্তব্যের দায়ভার সম্পূর্ণই লেখকের। সেটা লেখকের সুচিন্তিত স্বাধীন অভিমত এবং লেখককে সেসব বক্তব্যের দায়ভার বহন করতে হয়।

বিজ্ঞান

কেনো বিজ্ঞান নিয়ে এত মাতামাতি? অস্তিত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো মীমাংসিত হয়ে গেলে আমাদের সামষ্টিক জীবনযাপনরীতিতে কোনো পরিবর্তন কি আদৌ আসবে? আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন অনেকটাই অভ্যাস আর সংস্কৃতিনির্ভর, সেখানে বিজ্ঞানচেতনার খুব বেশী উপস্থিতি নেই

আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনে হকিং আইন্সটাইন ডারউইন হাক্সলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা টহলপুলিশ। মহাবিশ্ব "লেট দেয়ার বি লাইট এন্ড দেয়ার ইজ লাইট" ভঙ্গিতে শুরু হয়েছে না কি শূণ্য থেকে মহাবিশ্বের স্বতঃস্ফুর্ত বিকাশ হয়েছে প্রশ্নের চেয়ে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী থেকে বিক্যাশের টাকা মোবাইল একাউন্টে ঢুকলো কি না এই প্রশ্নের সঠিক জবাব।

রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডের রায়- ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ

রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় দিয়েছে আজ। রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাজীব হায়দারের বাবা জানিয়েছেন “ আমি ন্যায়বিচার পাইনি। আমি হতাশ।” সকল আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি ( ফাঁসী কিংবা যাবজ্জীবন) না হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের অপরাধের ভয়াবহতা আদালত যথাযথ উপলব্ধি করেন নি, আদালত নমনীয় রায় দিয়েছে।

বর্তমানের ভাবনা ১

হঠাৎ করেই সমাজে জঙ্গীবাদ, পরধর্মঅসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি বিস্তৃত হয় না। মানববৈরী মানসিকতা সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা পেতে দীর্ঘ প্রস্তুতিকালীন সময়ের প্রয়োজন হয়।

ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবোধ উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান স্বর ছিলো। আমরা অন্তত ৫ প্রজন্ম ধরে অমুসলিম প্রতিবেশীদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতির চর্চা করেছি। আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে অন্যতম প্রতিবন্ধতা হিসেবে চিহ্নিত করেছি তাদের, তাদের শিক্ষানুরাগ, তাদের কৃষ্টিলগ্নতা আমাদের ঘৃণা উস্কে দিয়েছে।

বর্তমানের ভাবনা

সমাজের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সমাজের নীতি-নৈতিকতা নির্ধারণ করে। ধর্ম যে কৃষিভিত্তিক সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিকশিত হয়েছে সেখানে ধর্ম দাসের প্রতি মানবিক হতে অনুরোধ করলেও যেহেতু তৎকালীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দাসের উপস্থিতি প্রয়োজনীয় ছিলো তাই কোনো ধর্মই সরাসরি দাস ব্যবসাকে নাকচ করে দিতে পারে নি। সমাজে দাসবিষয়ক মানসিকতা পরিবর্তনের জন্যে শিল্পবিপ্লবের প্রয়োজন হয়েছে। শিল্পবিপ্লবের ফলে বিদ্যমান কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অপ্রচলিত হয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক ক্ষমতাকাঠামো টিকিয়ে রাখতে দাসদের খুব বেশী প্রয়োজন ছিলো না। সমাজ সংস্কারকদের চাপে, বিভিন্ন ধরণের মানবতাবাদী উপাখ্যানে মুক্ত মানুষের ধারণা প্রচলিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশেই দাসব্যবসা বিলুপ্ত হয়ে যায়। আফ্রিকা থেকে জাহজ ভরে মানুষ ধরে নিয়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রে খোলা বাজারে নিলাম করে মানুষ বেচা বন্ধ হয়ে যায় ১৮০৮ সালে কিন্তু সে সময়

নিজস্ব ভাবনা ২

তথ্যপ্রযুক্তি যুগে বৈষম্য নির্ধারণের একটি চমৎকার উন্নয়নমুখী শব্দ তৈরী হয়েছে, ডিজিটাল ডিভাইড। মূলত শব্দটা দিয়ে সমাজের এমন একটা শ্রেণীকে চিহ্নিত করা সম্ভব যারা এখনও কোনো যন্ত্রের সাথে নিজের অস্তিত্ব জুড়ে দিতে অসমর্থ। আধুনিকতা একটা পর্যায়ে এসে যন্ত্রসম্ভোগে পরিণত হয় এবং ডিজিটাল ডিভাইড মূলত যন্ত্রসম্ভোগে অসমর্থ শ্রেণীকে যন্ত্রসম্ভোগে আগ্রহী করতে চায়।

নিজস্ব ভাবনা

আমার সীমিত ধারণায় আমি যা বুঝেছি "ডিএনএ" প্রতিটি প্রাণীর বাহ্যিক-আভ্যন্তরীণ সকল রূপভেদকে নিয়ন্ত্রন করে। এক কোষী প্রাণীর বিকাশ-বিপাক- আভ্যন্তরীণ কাঠামো, তার কোষীয় আবরণবহির্ভুত যে জগত, সে জগত থেকে কতটুকু উদ্দীপনা কি পরিমাণে সে গ্রহন করবে, সেই উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়ায় সে তার কোষের অভ্যন্তরে কি ধরণের পরিবর্তন আনবে, সবকিছু এই ডিএনএ র প্রোটিন সংগঠন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। ডিএনএর বিভিন্ন প্যাঁচে সংযুক্ত প্রতিটি প্রোটিন অন্যান্য প্রোটিন এবং জৈব-অজৈব রাসায়নিক কণিকার উপস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাবিত হয়। এক কোষী জীব "বাইনারী ফিশন" প্রক্রিয়ায় নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, এবং এক কোষী প্রাণীর বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া গবেষণাগারে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে মানুষ। কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিকের উপস্থিতিতে এই ধরণের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়, কোনো কোনো রাসায়নিক উদ্দীপনায় কোষবিভাজন প্রক্রিয়াকে ত্বরাণ্বিত করা যায়। যদি

জীবনযাপন

জীবন ঝঞ্ঝাটময় এবং প্রতিনিয়ত উদ্ভট ঝঞ্ঝাটে আটকে যাওয়ার অনায়াস অভ্যাস আমার আছে। তবে আজকে যেমনটা হলো তেমন করুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হই নি অনেক দিন।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে আসার পর এডমিট কার্ড কোথাও তুলে রেখেছিলাম, মনে ছিলো না। এর ভেতরেই ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট হলো, ভর্তিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি কি না জানার উপায় নেই, হঠাৎ করেই পুরোনো বইয়ের ভাঁজে যত্ন করে তুলে রাখা এডমিট কার্ড খুঁজে পেলাম, পুরোনো পেপারের জঞ্জাল খুলে ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট বের করে দেখলাম দু দিন পরেই ইন্টারভিউ। ময়মনসিংহ যেতে হবে। যদিও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই নি, কিন্তু বন্ধুদের সাথে উৎসাহ নিয়ে দুইদিন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম, এগ্রিটেকনোলজি বিষয়টা তখন খুব বেশী গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় নি, এখন এগ্রোটেকনোলজির খুচরা গবেষণা পড়ি জীবনের চাপে।

যুদ্ধপরিস্থিতি

আক্রান্ত সিরিয়া থেকে লক্ষ লক্ষ শরণার্থী সীমান্তের কাঁটাতার অবজ্ঞা করে ছুটছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে, সমুদ্রে ভাসাচ্ছে ভেলা, রাতের অন্ধকারে অনিশ্চিত পথ পারি দিচ্ছে, ভীষণ অমানবিক জীবনের গল্পগুলো প্রতিদিন সংবাদপত্রের পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, ভাইরাল ভিডিও, মীম, অবজ্ঞা, আশংকা, ঘৃণা, সমবেদনা ছড়িয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিপক্ষকে এক হাত দেখে নেওয়ার সুযোগ কেউ হেলায় ছাড়তে নারাজ।

সিরিয়ার শরণার্থী সংকট টক ওফ দ্যা ইউনিভার্স হয়ে ওঠার পর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে গোত্রগত, জাতিগত সহিংসতার বলি আক্রান্ত মানুষেরা, যারা একই রকম অসহায়ত্ব নিয়ে বন্ধুর প্রতিকূল পথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আশ্রয় খুঁজছে কিছুটা উদ্বিগ্ন, হয়তো তাদের দুঃখ দুর্দশা অসহায়ত্ব প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পাবে না। শরনার্থীর রাজনীতিতে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী সিরিয়ার আক্রান্ত মানুষ। এই টানা-পোড়েন আশংকা উদ্বেগ স্বাভাবিক মানবিক প্রতিক্রিয়া।

এলেমেলো ভাবনা

বিজ্ঞানচর্চার জন্যে বিজ্ঞানের দার্শণিক ভিত্তি জানার প্রয়োজন সামান্যই। " বিজ্ঞান কি?" প্রশ্নের উত্তর না জেনেও বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব। সবাই মেনেই নিয়েছে সকল জ্ঞানচর্চা প্রক্রিয়ার ভেতরে বিজ্ঞান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু কেনো বিজ্ঞান জ্ঞান উৎপাদনী প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে সেরা এ প্রশ্নের কোনো মীমাংসা হয় নি।

আমাদের দ্বিধা

যদি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাখি, জনপরিসরে বিজ্ঞানের উপস্থিতি কতটুকু? রাষ্ট্রের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে কিংবা বেসরকারী উদ্যোগে বিজ্ঞানচর্চা কতটুকু উৎসাহিত হচ্ছে? প্রযুক্তি প্রায়োগিক ক্ষেত্র, প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা কোনোভাবেই বিজ্ঞানমনস্কতার নিদর্শন নয়- এই তথ্যটা প্রথমে মনে রাখতে হবে। শত সহস্র যন্ত্র কিংবা যন্ত্রাংশের মাধ্যমে প্রযুক্তি যেভাবে প্রতিনিয়ত জনপরিসরে উপস্থিত থাকে, সমাজের কোথাও কি বিজ্ঞানের এমন সদম্ভ উপস্থিতি আছে?

ডটকম সাংবাদিকতা

মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং মত সম্প্রচারের স্বাধীনতা কতটা পীড়াদায়ক হতে পারে ক্যামেরাম্যান সাথে নিয়ে মাইক্রোফোন হাতে সংবাদ ধাওয়া করা স্যাটেলাইট টিভির বাংলাদেশী সাংবাদিকদের দেখে উপলব্ধি করতে পারি। মুন্নী সাহার আপনার অনুভুতি!!! প্রশ্নটাও বাকী সবার অমানবিক, অশোভন আচরণের তুলনায় অনেক বেশী সহনীয়, অনেক বেশী শোভন। স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের কল্যানে স্বর্গ-মর্ত্য-পাতাল কাঁপিয়ে সংবাদ উদ্ধারে যাওয়া সাংবাদিকদের বোধ-বুদ্ধি-বিবেচনাহীনতার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডটকমসংবাদপত্র বিস্ফোরণ। পকেটে সাড়ে তিন হাজার টাকা থাকলেই একটা গণমাধ্যম খুলে ফেলা যায়, ১৬ ফুট ১২ ফুট ব্যানার আর নীলক্ষেত থেকে ৫০০ রঙ্গীন ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে নেওয়ার পর যেকেউ মহাসাংবাদিক হয়ে যেকোনো ব্যাক্তিকে হয়রানি করতে পারে। আমাদের বর্তমান সাংবাদিকতা মোটা দাগে জনহয়রানি।

সাম্প্রতিক ভাবনা

স্টিফেন হকিং বলেছেন ঈশ্বর নেই-
হকিং বললেন ঈশ্বর নেই- কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকায় এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো।

জিয়াউর রহমান

১৫ খন্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র প্রকাশিত হয়েছিলো। ৯ম খন্ডে স্বাধীনতা যুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের সাক্ষাৎকারভিত্তিক বর্ণনা আছে। চট্টগ্রামে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহন করা শমসের মুবিন চৌধুরী এবং হারুন আহমেদ চৌধুরীর সাক্ষাৎকার আছে সেখানে। কি প্রক্রিয়ায় চট্টগ্রামে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হলো তার কিছুটা বর্ণনা সেখানে পাওয়া যায়। শমসের মুবিন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিলো ২০শে অক্টোবর ১৯৭৩ এবং হারুন আহমেদ চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিলো ১৭ই জানুয়ারী ১৯৭৫ এ।

২৩শে মার্চ খালেকুজ্জামান চৌধুরী, অলি আহমেদ, মাহফুজুর রহমান, শমসের মুবিন চৌধুরী এবং হারুন আহমেদ চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের বাসায় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে তাদের জানান " আমরা আপনাদের সাথে আছি। আপনাদের পক্ষ থেকে যদি ঠিক সময়ে কোনো সাড়া বা আভাস পাই আমরা কিছু করতে পারি।"

রাষ্ট্র ২

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিবছর ইংল্যান্ডে তাদের শেয়ার মালিকদের বাৎসরিক প্রতিবেদন এবং লভ্যাংশের হিসেবে বুঝিয়ে দিতো। সামুদ্রিক বাণিজ্য লেনদেন নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা অর্জন করে ইংল্যান্ড ধীরে ধীরে নিজের উপনিবেশসীমানা বাড়িয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি এবং মানবতাবাদী ধ্যান ধারণার বিকাশের ফলে ইংল্যান্ডে ঈশ্বরবিমূখ শ্রমিক শ্রেণীর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিলো। খ্রীষ্টান ধর্মযাজকেরা এইসব ঈশ্বরবিমুখ মানুষদের ঈশ্বর অভিমুখী করে তোলার চেষ্টা করছিলেন। কেম্ব্রীজ- অক্সফোর্ড শিক্ষিত ধর্মযাজকেরা নিজস্ব ধর্ম প্রতিষ্ঠানের নির্দেশে বন্দর এলাকায় চার্চ প্রতিষ্ঠা করে এইসব হৈ-হুল্লুড়ে বেহদ্দ মাতালদের যীশুর ভালোবাসার পথে নিয়ে আসতে চাচ্ছিলেন।