ইউজার লগইন

রাসেল'এর ব্লগ

ক্ষুদে পাইনের বসতি

যে মহল্লায় থাকি তার নাম ক্ষুদে পাইনের বসতি। সম্ভবত যখন এখানে প্রথম বসতি স্থাপিত হয়েছিলো তখন আশেপাশের ছোটো ছোটো টিলার উপরের পাইন গাছগুলো ক্ষুদ্র ছিলো, সেসব গাছের বয়েস বেড়েছে। শহরও গতরে বেড়েছে। শহরের চরিত্রই এমন, নাগরিক সুবিধাগুলোর আনুভুমিক বিস্তৃতির সাথে জনবসতি বাড়ে। কোনো একজন বসতির সামনে ছোটো একটা মুদি দোকান খুলে ফেলে, তার পাশেই কেউ চুল ছাঁটার দোকান, কেউ কাপড় সেলাইয়ের দোকান খুলে, তারপর ধীরে ধীরে দোকানের ধরণ বদলায়, মুদি দোকান থেকে কনভেনিয়েন্ট স্টোর কিংবা সুপারমল তৈরী হওয়ার পর মুদির দোকানী তৈরী খাবারের দোকান খুলে জাঁকিয়ে বসে।

হালচাল ২

জাপান সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা কোনো একটি পত্রিকায় মন্তব্য কলাম লিখেছেন- সেখানে তিনি বলেছেন জাতি-বর্ণ বিভাজন করে বিদেশী শ্রমিকদের অভিবাসন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বন্টন করা উচিৎ। বিদেশী ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষেরা জাপানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বুঝবে না- জাপানী নাগরিকেরাও বিদেশী সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হতে পারবে না- তাই এই দুই সংস্কৃতির মানুষের ভেতরে স্পষ্ট ব্যবধান থাকা উচিৎ। প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন উপদেষ্টা হলেও- আনুষ্ঠানিক ভাবে এমন বর্ণবাদী বক্তব্য কিংবা সরকারী সিদ্ধান্ত ঘোষণা আধুনিক যেকোনো রাষ্ট্রের জন্যেই অসস্তিকর। আমরা " বর্ণবাদ, শ্রেণী সংস্কৃতি ভাষাভিত্তিক" বৈষম্য নির্মূলে আগ্রহী যদিও প্রতিটি উন্নত রাষ্ট্র পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিছুটা সংরক্ষণশীল অবস্থান গ্রহন করছে এবং ধর্মীয় সন্ত্রাসের প্রকোপ বৃদ্ধির সাথে সাথে এমন সংরক্ষণশীল অভিবাসন নীতি গ্রহনের প্রবনতা বাড়ছে।

সামাজিকতা

"পাছে লোকে কিছু বলে" সংকটটা বাঙালীর ভেতরে সব সময়ই ছিলো, হালের অন্তর্জালিক বিস্তারে ফেসবুক আর ব্লগের কল্যানে গত কয়েক বছরে উপলব্ধি করলাম মানুষের পীড়াদায়ক আত্মসচেতনতাজনিত নিরাপত্তাহীনতার বোধটুকু ফেসবুক-ব্লগজীবী বাঙালীর সোশ্যাল মিডিয়া জীবনযাপনের অন্যতম অনুপ্রেরণা। মাত্রাতিরিক্ত আত্মসচেতনতা এবং অন্যের কাছে সব সময়ই সুন্দর আদর্শ হিসেবে মূল্যায়িত হওয়ার অযাচিত- অপ্রয়োজনীয় কান্ডাকান্ডজ্ঞানবিহীন অন্তর্গত তাগিদ দেখাটা খুব বেশী আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা না। আমাদের মাত্রাছাড়া ভন্ডামীর জগতটাকে প্রতিনিয়ত আবিস্কারের সুযোগ করে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া।

হালচাল ১

ঘরের মোলায়েম উষ্ণতায় মুছে যায় পোশাকের তুষারের স্মৃতি-
গতপরশু চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল দিন ছিলো, এপার্টমেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে দুপুরে সিগারেট হাঁটে সুর্যের আলো মাখছিলাম গায়ে, প্রতিবেশী ফিজিয়ান যুবক- রাজ বললো ফেব্রুয়ারী মাসটাই এখানকার সবচেয়ে বাজে মাস তবে এ বছর যেহেতু ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত চলে এসেছে সম্ভবত এবার ফেব্রুয়ারীর করাল শীত হানা দিবে না।

হালচাল

বছরের এই সময়টা বই মেলার মৌসুম। ঢাকায় বসবাসের গত দুই যুগে বই কেনা হোক আর নাই হোক নিয়মিতই বই মেলায় হানা দিয়েছি, কখনও একা কখনও বন্ধুদের সাথে। সময়ের সাথে পছন্দের বইয়ের ধরণ বদলেছে, গত কয়েক বছরে খুব বেশী উপন্যাস কবিতার বই কেনা হয় নি। ফেসবুকে দেখলাম একজনের বই প্রকাশিত হয়েছে, খুব উৎসাহ নিয়ে তাকে বললাম
ভাই তোর বই প্রকাশিত হইলো, বইয়ের একটা সফট কপি মেইলে না পাঠায় বই প্রকাশ করে ফেললি এইটা কোনো কথা হইলো

বইয়ের সফট কপি পাঠানোর কোনো কথা ছিলো না কি? এমন পালটা প্রশ্ন দেখে আর কথা বাড়ানোর সাহস পাইলাম না।

বই মেলার প্রথম সপ্তাহ শেষ। হরতাল অবরোধে পর্যুদস্ত শহরে বই মেলার ভীড় কমবে না, কিন্তু যেকোনো প্রকাশককে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেই বলবে গত বইমেলার চেয়েও বিক্রী এখনও ডাউন-

ভাঙাচোরা দিনকাল ৪

প্রবাসে জীবন মানে মেনে নেওয়া আর মানিয়ে নেওয়া। কিছু অভ্যস্ততা, কিছু ভালো লাগার সাথে সমঝোতা করে ভিন্ন একটি সংস্কৃতিতে ভালো থাকার প্রয়াস। টং এর দোকানের চা, সস্তা বিস্কুট আর দোকানের শিশু কর্মচারীর কাছে বাড়তি সালামের বিনিময়ে সস্তা দোকানে সেলফসার্ভিস কফি-ডোনাটের দিনগুলো অনেকটা ভিউকার্ডে বসবাসের মতো মনে হয়। আমাদের বেড়ে ওঠার সময় খুব ভিউকার্ডের চল ছিলো। সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, লেক জেনেভা, এল্পাইন, টিউলিপ বাগান, আমীর খান, মাধুরী শ্রীদেবীর ৪ বাই ৬ ছবি। আমাদের অনেকেই ভিউকার্ড জমাতো, বিদেশের অনুকরণে আমাদের মফঃস্বলে অঞ্জু ঘোষ, চম্পা ববিতার ভিউকার্ড বিক্রী হতো সিনেমা হলের সামনের দোকানে। লুকিয়ে সিগারেট টানার সময় দেখতাম নায়িকার স্ফীতস্তনের দিকে তাকিয়ে কেউ বলছে মালটা সেই রকম।

ভাঙাচোরা দিনকাল ৪

এর আগে যেখানে ছিলাম, সেখানে অক্টোবরেই বাংলাদেশের মাঘমাসের শীত। কাগজে কলমে মার্চের প্রথম সপ্তাহে বসন্তবরন হলেও এপ্রিলের মাঝ পর্যন্ত বরফ পরার সম্ভাবনা ছিলো প্রবল। পহেলা বৈশাখে সবাই যখন ক্যাম্পাসে পাঞ্জাবীর হাতা দিয়ে ঘাম মুচছে আমি তখন একটা সোয়েটারের উপরে হালকা জ্যাকেট পরে বন্ধুর সাথে গল্প করছি, বন্ধু বলছে গরমে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারীর প্রায় সম্পূর্ণটা জুড়েই গভীর রাতে তাপমাত্রা -২ থেকে -১৫তে ঘোরাফেরা করতো। এই প্রচন্ড শীতের ভেতরেও এতটা শীত কাতর হই নি, যতটা ভয়ংকর মনে হচ্ছে জাপানের শীত।

ভাঙাচোরা দিনকাল ৩

নিয়মতান্ত্রিক জটিলতায় ঋক কিংবা ঋত কেউই আসে নি আমাদের সাথে, তারা বাংলাদেশে ছিলো। বাংলাদেশের জাপান এম্বেসী জানালো তারা সার্টিফিকেট ওফ এলিজিবিলিটি ছাড়া কোনো ভিসাই দিবে না আর সার্টিফিকেট ওফ এলিজিবিটির আবেদন করতে হবে জাপানে এসে। এলিজিবিটি এপ্লিকেশন করার পর একদিন ছেলে মেয়ের স্কুল খুঁজতে বের হলাম বিকেল বেলা। গুগল ম্যাপে কাছে পিঠে একটা এলিমেন্টারি স্কুলের অস্তিত্ব দেখে সেদিকে হাঁটা দিলাম। মরিনোসাতো এলিমেন্টারি স্কুল দেখে মরিনোসাতো নার্সারী এবং ডে কেয়ার সেন্টার খোঁজার পালা। রাস্তায় মাঝে মাঝে ইংরেজী লেখা কিছু সাইনবোর্ড চোখে পরলেও অধিকাংশ সাইনবোর্ডই জাপানী ভাষায় লেখা। কানজি লেখার ধাঁচটা কম্পিউটার স্ক্রীনে যতটা সহজ মনে হয় খালি চোখে ততটা সহজ লাগে না। চারকোনা বাক্সে রাজ্যের আঁকিবুকি, কাটাকুটির প্রতিটা দাগই গুরুত্বপূর্ণ। এই বাক্সগুলো জোরা দিয়ে দিয়ে একটা বাক্য লেখা, যেটার মাঝে কোনো ফাঁকা জায়গা নেই, শুরু

ভাঙাচোড়া দিনকাল ২

জাপানে আসার পর বুঝলাম ভদ্রতা এবং বিনয় পীড়াদায়ক হয়ে উঠতে পারে। বিনয়পীড়িত বাঙালী হিসেবে অসস্তিবোধ করি সময় সময়। আমার সুপারভাইজার অতিশয় বিনয়ী কিন্তু কাজপাগল। তার বিভিন্ন আইডিয়া নিয়ে সময়ে-অসময়ে উপস্থিত হয়ে ভিন্ন জাতির মাতৃভাষায় বুঝানোর চেষ্টা করে, আমিও ভিন্ন একটা ভাষায় সে আইডিয়া বোঝার চেষ্টা করি, সময়ে-অসময়ে নিজের দুর্বল ইংরেজীতে শব্দ সরবরাহের চেষ্টা করি।

সন্ধ্যায় পরবর্তী সপ্তাহের কাজের তালিকা নিয়ে ফিরে এসে, খোশমেজাজে সিনেমা দেখে সকাল বেলা ইলেক্ট্রনিক চিঠি পেলে প্রথম প্রথম বিরক্ত লাগতো, এখন সয়ে গেছে। রাত ২টায় পাঠানো চিঠিতে নতুন কাজের ফরমায়েশ দেখলে হতাশ লাগে না এখন।

বাসা বদল

আমার স্থায়ী কোনো ঠিকানা এখনও নে। ভোটার তালিকায়, জন্মনিবন্ধন সনদে ,সরকারী তালিকায় সবার একটা স্থায়ী ঠিকানা থাকে। শৈশবের স্থায়ী ঠিকানা বদল করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে নতুন স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারণ করে নিয়েছিলাম নিজের মতো, যেহেতু ঢাকায় বসবাস করতেই হবে, ঠিকানাটা ঢাকায় হলেই ভালো। সে স্থায়ী ঠিকানা , ঠিকানা আর রাজ্য বদলের পরেও বদলানো সম্ভব হয় নি, সরকারী নথিতে সে ঠিকানাই লেখা আছে।

ভাঙাচোড়া দিনকাল

গত শুক্রবার যখন সুর্য মেঘের আড়ালে ঢাকলো সেদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ১৬ ডিগ্রী, বাংলাদেশের শীতে এমন রোদ্দুরদিনে গায়ে হালকা চাদর জড়িয়ে তরিয়ে তরিয়ে সুর্যালোক উপভোগ করা যায়, অবশ্য এখানে এখন তেমন সুযোগ নেই। দরিদ্র দেশ থেকে আসা শিক্ষাশ্রমিক আমরা, শ্রমের বিনিময়ে সনদ অর্জন করি, কেউ দেশের নানাবিধ অস্থিরতায় আড় অন্য অধিকাংশ সবাই কিছুটা স্বচ্ছলতা এবং ভালো কাজের পরিবেশের জন্যে বেশ লম্বা একটা জীবন শিক্ষাশ্রমে কাটিয়ে দেন।

গবেষণার আলাদা আনন্দ আছে, যৌক্তিক কল্পনার সাথে কিছুটা উচ্চাশা নিয়ে কোনো একটা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং যন্ত্রপাতি হাতিয়ে সে পরিকল্পনা মূর্ত হতে দেখে যেমন তৃপ্তি পাওয়া যায়, প্রায় নিয়মিত ব্যর্থ প্রচেষ্টাগুলোর কষ্ট আর দুর্ভোগ ভুলিয়ে দেয় সেটুকু।

টুকিটাকি ১

ক্ষমতা আদতে তথ্য নিয়ন্ত্রনের অধিকার। সম্রাট তার শক্তিশালী সেনাবাহিনী দিয়ে সম্রাজ্য বিস্তার করতে পেরেছেন কারণ তার রণযাত্রার রসদখরচ জোগাতে গিয়ে নিজের জীবনস্পৃহা হারিয়ে ফেলা সাধারণ মানুষগুলো যে যুদ্ধযাত্রার জন্যে বাড়তি কর দিতে অনাগ্রহী, তারা যে যুদ্ধবিগ্রহের হয়রানি এড়িয়ে শান্তিতে জীবনযাপন করতে চায় এই সত্যটা তিনি তার সেনাপতি আর সৈনিকদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে পারেন। এত বিশাল সম্রাটও তার খুনে সেনাবাহিনীকে ভয় পান, তাদের ভেতরে গোপনে গোয়েন্দা অনুচর লুকিয়ে রাখেন- সেনা কর্মকর্তা আর সৈনিকদের অসন্তোষের তথ্য সংগ্রহ করেন, এবং নিজের ক্ষমতায় সেই তথ্যের ব্যবহার করেন। তথ্য ব্যবহারের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় তিনি জানেন কখন কোন তথ্যের জন্যে প্রকাশ্যে প্রাণ সংহার করতে হবে আর কোন তথ্যটা শুধু একান্তে বলতে হবে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার দক্ষ ব্যবস্থাপনায় সেনাবাহিনীর প্রতিটা সদস্য বুঝে যায় নিজের নিঃশ্বাসের শব্দেও যদি কোনো অমান্যত

না লেখার মতো লেখা

অনেক দিন ধরেই লেখার চেষ্টা করছি কিন্তু লেখা হচ্ছে না। প্রায় ঘন্টাখানেক সময় লাগিয়ে একটা কিছু লিখেছিলাম, লেখাটা শেষ হওয়ার আগেই উবে গেলো, ব্যাকস্পেস, ফ্রন্টপেজ সব কিছু ঘুরে দেখলাম এক ঘন্টার মানসিক পরিশ্রম শেষ পর্যন্ত বৃথা গেলো। ল্যাপটপে যারা দুর্ঘটনা না ঘটিয়ে লিখতে পারে তারা ভীষণ দক্ষ মানুষ, আমার মোটা মোটা আঙ্গুল তার থ্যাবড়ানো তালুতে কষে থাপ্পর দেওয়া যায় হয়তো কিন্তু ল্যাপটপের কোমল স্পর্শ্বকাতর পরিসরে দুর্ঘটনা না ঘটিয়ে কিছু লেখা সম্ভব না। ল্যাপটপে লেখাটা অনেকটা অফিসটাইমে ভুল করে ভীড় লেডিস বাসে বিশাল ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে উঠে পরার মতো, একটা অঘটন ঘটবেই- সেই অঘটনের সময় গুণে সময় কাটানো।

জাপান ডায়েরী ৩

এখানে নদীর নাব্যতা নেই তেমন তবে তীব্র স্রোত, পাহাড় আর সমুদ্র খুব কাছাকাছি তাই পাহাড়সেঁচা জল সমুদ্রে ছুটে যায়। ঘরের পাশেই শানবাঁধানো নদী, কিংবা বড় ড্রেন, ঠিক জানি না, গভীরতা যেমনই হোক ঢাকা শহরের উপকণ্ঠে জমিখেকো আবাসন ব্যবসায়ীরা যেভাবে রাজনৈতিক প্রশাসনের সাথে সমঝোতা করে স্রোতহীন নদী দখল করে প্লট বানিয়েছেন, এখানে পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। নদীর দুই পার বাঁধানো আর তীর থেকে নদীতট অবধি সিঁড়ি বানানো আছে, সপ্তাহান্তে সপরিবারে নদীর তীরে বনভোজনে যায় মানুষেরা, উচ্ছিস্ট খাওয়ার আর আবর্জনা ব্যাগে ভরে কাছের ডাস্টবীনে ফেলে।

জাপান ডায়েরী ২

ল্যাবে গিয়ে মিশরের আইমানের সাথে পরিচয় হলো, কামানো গোঁফ আর বিশাল ঝুলানো দাড়ি। সংবাদপত্রজনিত কারণে বিভিন্ন ভৌগলিক অঞ্চলের অধিবাসীদের সম্পর্কে এক ধরণের অজ্ঞতাপ্রসুত সংবাদপত্রবাহিত ধারণা আমাদের থাকে। এই স্টেরিওটাইপিক্যাল ধারণার জন্যে মধ্যপ্রাচ্য এবং তার সন্নিকটের আফ্রিকা মহাদেশের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলো সম্পর্কে খুব বেশী ভালো ধারণা আমার নেই। সার্বজনীন নির্বাচনে যেই দেশের লোকজন মুসলিম ব্রাদারহুডকে নির্বাচিত করে সে দেশের জনগণের সম্পর্কে উন্নত ধারণা ধারণ করা কঠিন। এই বিশ্ববিদ্যালয়েই পিএইচডি শেষ করে পুনরায় পোস্টডক্টরেট করতে এসেছে, আমরা একই অফিসে মুখোমুখি টেবিলে বসে অন্তত পরবর্তী এক বছর কাটাবো।