ইউজার লগইন

রাসেল'এর ব্লগ

পরীক্ষা

আমি সব সময়ই মাঝারি মানের ছাত্র ছিলাম। ক্লাশের শেষ ব্রেঞ্চে বসে অন্য সব অমনোযোগী ছাত্রদের বিভিন্ন ধরণের কায়দাকেতা দেখে প্রতিনিয়ত বিস্মিত এবং মুগ্ধ হতাম। পরীক্ষার আগের রাতে নাক-মুখ গুঁজে বইয়ের পাতা উল্টানোর সময় ক্লাশে প্রথম হয়ে সবাইকে চমকে দেওয়ার অলীক ভাবনা মাথায় আসতো না, কোনোমতে ৫৫ থেকে ৬০ পেলেই আমি খুশি। আমার পরীক্ষাময় জীবন সব সময়ই প্রথম শ্রেণীর নম্বর পেয়ে পরবর্তী ক্লাশে উত্ত্বীর্ণ হয়ে মাণ-সম্মান বাঁচানোর লড়াই।এভাবেই হেলতে দুলতে যখন এইচএসসি পাশ করলাম, ভালো ছাত্রেরা সবাই বুয়েট- মেডিক্যাল কোচিং করে ভীষণ রকম ব্যস্ত জীবন কাটাচ্ছে। আমার যেহেতু এত বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখার দুঃসাহস নেই, আমার লক্ষ্য কোনোমতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া।

মুহাম্মদ জাফরি ইকবালের অভব্য নিবন্ধের প্রতিক্রিয়া এবং অন্যান্য

কোনো লেখকের উপন্যাসের চরিত্ররা উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে যে ধরণের উপলব্ধি প্রকাশ করে কিংবা যেসব বক্তব্য দেয়- লেখকের বক্তব্য হিসেবে সেসব উপস্থাপন করাটা লেখকের প্রতি এক ধরণের অন্যায় আচরণ। লেখক যখন কোনো উপন্যাসের চরিত্রচিত্রন করেন, উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে সেসব চরিত্র নিজের মতো জ্যান্ত, তারা লেখকের কল্পনায় বসবাস করলেও আদতে তারা এক ধরনের স্বাধীন স্বত্ত্বা, তাদের নিজস্ব অভিমত আছে, লেখক সেসব স্বাধীন সত্ত্বার উপলব্ধিগুলো লেখার সময় নিজের অভিমত সব সময় চরিত্রের উপর চাপিয়ে দিতে পারেন না।
কিন্তু লেখক ব্যক্তিগত নিবন্ধে কিংবা সাক্ষাৎকারে যেসব অভিমত ব্যক্ত করেন, সেসব বক্তব্যের দায়ভার সম্পূর্ণই লেখকের। সেটা লেখকের সুচিন্তিত স্বাধীন অভিমত এবং লেখককে সেসব বক্তব্যের দায়ভার বহন করতে হয়।

বিজ্ঞান

কেনো বিজ্ঞান নিয়ে এত মাতামাতি? অস্তিত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো মীমাংসিত হয়ে গেলে আমাদের সামষ্টিক জীবনযাপনরীতিতে কোনো পরিবর্তন কি আদৌ আসবে? আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন অনেকটাই অভ্যাস আর সংস্কৃতিনির্ভর, সেখানে বিজ্ঞানচেতনার খুব বেশী উপস্থিতি নেই

আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনে হকিং আইন্সটাইন ডারউইন হাক্সলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা টহলপুলিশ। মহাবিশ্ব "লেট দেয়ার বি লাইট এন্ড দেয়ার ইজ লাইট" ভঙ্গিতে শুরু হয়েছে না কি শূণ্য থেকে মহাবিশ্বের স্বতঃস্ফুর্ত বিকাশ হয়েছে প্রশ্নের চেয়ে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী থেকে বিক্যাশের টাকা মোবাইল একাউন্টে ঢুকলো কি না এই প্রশ্নের সঠিক জবাব।

রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডের রায়- ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ

রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় দিয়েছে আজ। রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাজীব হায়দারের বাবা জানিয়েছেন “ আমি ন্যায়বিচার পাইনি। আমি হতাশ।” সকল আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি ( ফাঁসী কিংবা যাবজ্জীবন) না হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের অপরাধের ভয়াবহতা আদালত যথাযথ উপলব্ধি করেন নি, আদালত নমনীয় রায় দিয়েছে।

বর্তমানের ভাবনা ১

হঠাৎ করেই সমাজে জঙ্গীবাদ, পরধর্মঅসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি বিস্তৃত হয় না। মানববৈরী মানসিকতা সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা পেতে দীর্ঘ প্রস্তুতিকালীন সময়ের প্রয়োজন হয়।

ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবোধ উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান স্বর ছিলো। আমরা অন্তত ৫ প্রজন্ম ধরে অমুসলিম প্রতিবেশীদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতির চর্চা করেছি। আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে অন্যতম প্রতিবন্ধতা হিসেবে চিহ্নিত করেছি তাদের, তাদের শিক্ষানুরাগ, তাদের কৃষ্টিলগ্নতা আমাদের ঘৃণা উস্কে দিয়েছে।

কখন

প্রতিটি জাতীয়তাবাদী ধারণাই সংখ্যালঘুর প্রতি নির্মম হয়ে উঠতে পারে। ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতিচর্চার আরোপিত রাজনৈতিক কাঠামোতে বঞ্চনার ক্ষোভ প্রকাশ করা এবং ন্যায্য অধিকার আদায় করে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় অবধারিতভাবেই একই ভৌগলিক পরিসরে বসবাসরত ভিন্ন ধর্ম-ভাষা-সংস্কৃতিজীবী গোষ্ঠী অপর হয়ে যায় এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক আন্দোলনে তাদের স্বর হারিয়ে ফেলে।

ggggg

গত এক দশকে বিশ্বে মুসলিমবিদ্বেষ বেড়েছে। এয়ারপোর্টে সিক্যুরিটি ক্লিয়ারেন্সে দাঁড়িয়ে দুটি কারণে মেজাজ খারাপ হয়, প্রথমত বেশীর ভাগ এয়ারপোর্ট এখন নন-স্মোকিং, একবার সিক্যুরিটি ক্লিয়ারেন্স অতিক্রম করলে আয়েশ করে ধুমপানের কোনো সুযোগ নেই। দ্বিতীয়টা সিক্যুরিটি চেক আপ। পাসপোর্ট হাতে নিয়ে লাইনে দাঁড়াও, একের পর এক বাঁক অতিক্রম করে অবশেষে জুতা খুলো, তারপর স্ক্যানারের সামনে দুই পা ৩০ ডিগ্রী ফাঁকা করে হাত দুটো মাথার উপরে তুলে দাঁড়াও, একবার এই দিকে তাকাও, আরেক বার অন্যদিকে, ল্যাপটপ, মানিব্যাগ, পকেটের সবকিছু দেখে শেষ করার পর দুর্ভাগা হলে বায়োলজিক্যাল হ্যাজার্ড চেক আপ। শরীর ঘাঁটাঘাঁটি করার সময় নিরাপত্তাকর্মকর্তা নরম সুরে বলবে আমি তোমার পাছের ওখানে নাড়বে তবে তখন আমি হাতের তালুর উল্টোদিক ব্যবহার করবো। দুই পায়ের মাঝখানেও একই রকম অবস্থা। তোমার শরীরে স্পর্শ্বকাতর কোনো জায়গা থাকলে জানাও।

বর্তমানের ভাবনা

সমাজের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সমাজের নীতি-নৈতিকতা নির্ধারণ করে। ধর্ম যে কৃষিভিত্তিক সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিকশিত হয়েছে সেখানে ধর্ম দাসের প্রতি মানবিক হতে অনুরোধ করলেও যেহেতু তৎকালীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দাসের উপস্থিতি প্রয়োজনীয় ছিলো তাই কোনো ধর্মই সরাসরি দাস ব্যবসাকে নাকচ করে দিতে পারে নি। সমাজে দাসবিষয়ক মানসিকতা পরিবর্তনের জন্যে শিল্পবিপ্লবের প্রয়োজন হয়েছে। শিল্পবিপ্লবের ফলে বিদ্যমান কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অপ্রচলিত হয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক ক্ষমতাকাঠামো টিকিয়ে রাখতে দাসদের খুব বেশী প্রয়োজন ছিলো না। সমাজ সংস্কারকদের চাপে, বিভিন্ন ধরণের মানবতাবাদী উপাখ্যানে মুক্ত মানুষের ধারণা প্রচলিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশেই দাসব্যবসা বিলুপ্ত হয়ে যায়। আফ্রিকা থেকে জাহজ ভরে মানুষ ধরে নিয়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রে খোলা বাজারে নিলাম করে মানুষ বেচা বন্ধ হয়ে যায় ১৮০৮ সালে কিন্তু সে সময়

গতকাল সারাদিন " আইডেন্টিটি ক্রাইসিস" সংক্রান্ত ঝঞ্ঝাট পোহাতে হলো। এয়ারপোর্টে ঠিক সময়ে পৌঁছালে ঠিক প্লেনে ওঠা সম্ভব, টিকেট নাম্বার, ফ্লাইট নাম্বার এবং অন্তত ৫টা মানুষ সব সময় যাত্রাপথ ঠিক করে দেয়। সমস্যা হলো ঠিক সময়ে এয়ারপোর্টে পৌঁছানো, গত পরশু অন্তত সঠিক সময়ে এয়ারপোর্টে পৌঁছেছি, টিকেটের নাম, পাসপোর্ট ভিসা মিলিয়ে দেখে কোনো ঝঞ্ঝাট ছাড়াই প্লেনে উঠেছি। আশা ছিলো শেষ পর্যন্ত কোনো অঘটন ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ভ্রমন হবে, তবে ঝঞ্ঝাট এড়ানোর সকল চেষ্টা আসলে ঝঞ্ঝাটের পরিমাণ বাড়ায়।

শহরের রাতের নিজস্ব চরিত্র আছে, শহরের রাস্তায় অনবরত হেঁটে বেড়ানো মানুষের মুখের আলাদা গল্প আছে। দিনের আলোয় যেসব চেহারার অন্ধকার অবসাদ খুঁজে পাওয়া যায় না, সন্ধ্যের আবছায়ায় আর রাতের অন্ধকারে সেসব অবসাদ স্পষ্ট ফুটে ওঠে। দিনের ব্যস্ততায়, উজ্জ্বল আলোতে বুঝে ওঠা কঠিন ছাঁটা ঘাস আর সাজানো গাছের আশেপাশে বসে থাকা মানুষগুলোর অনেকের স্থায়ী নিবাস আসলে পার্কের বেঞ্চ। রাতের শহরের হল্লা, মাতাল উচ্ছ্বাস আর উল্লাসের ভেতরে কোনোমতে মাথা গুঁজে এরা ভোরের অপেক্ষায় থাকে।

যে মানুষটা শরীরে সোনালী রঙ মেখে সন্ধ্যার রাস্তায় ভ্রমনার্থীদের বিনোদিত করছে, সে মানুষটা হয়তো দিনের আলোয় চুপচাপ বসে থাকে লেকের পাশে, প্রগলভ তরুণ যে হিপহপের তালে নাচছে আর সামনে ফেলে রাখা টুপিতে যারাই পয়সা ফেলছে তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছে দিনের আলোয় সে একেবারে নিশ্চুপ।

নিজস্ব ভাবনা ২

তথ্যপ্রযুক্তি যুগে বৈষম্য নির্ধারণের একটি চমৎকার উন্নয়নমুখী শব্দ তৈরী হয়েছে, ডিজিটাল ডিভাইড। মূলত শব্দটা দিয়ে সমাজের এমন একটা শ্রেণীকে চিহ্নিত করা সম্ভব যারা এখনও কোনো যন্ত্রের সাথে নিজের অস্তিত্ব জুড়ে দিতে অসমর্থ। আধুনিকতা একটা পর্যায়ে এসে যন্ত্রসম্ভোগে পরিণত হয় এবং ডিজিটাল ডিভাইড মূলত যন্ত্রসম্ভোগে অসমর্থ শ্রেণীকে যন্ত্রসম্ভোগে আগ্রহী করতে চায়।

নিজস্ব ভাবনা

আমার সীমিত ধারণায় আমি যা বুঝেছি "ডিএনএ" প্রতিটি প্রাণীর বাহ্যিক-আভ্যন্তরীণ সকল রূপভেদকে নিয়ন্ত্রন করে। এক কোষী প্রাণীর বিকাশ-বিপাক- আভ্যন্তরীণ কাঠামো, তার কোষীয় আবরণবহির্ভুত যে জগত, সে জগত থেকে কতটুকু উদ্দীপনা কি পরিমাণে সে গ্রহন করবে, সেই উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়ায় সে তার কোষের অভ্যন্তরে কি ধরণের পরিবর্তন আনবে, সবকিছু এই ডিএনএ র প্রোটিন সংগঠন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। ডিএনএর বিভিন্ন প্যাঁচে সংযুক্ত প্রতিটি প্রোটিন অন্যান্য প্রোটিন এবং জৈব-অজৈব রাসায়নিক কণিকার উপস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাবিত হয়। এক কোষী জীব "বাইনারী ফিশন" প্রক্রিয়ায় নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, এবং এক কোষী প্রাণীর বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া গবেষণাগারে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে মানুষ। কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিকের উপস্থিতিতে এই ধরণের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়, কোনো কোনো রাসায়নিক উদ্দীপনায় কোষবিভাজন প্রক্রিয়াকে ত্বরাণ্বিত করা যায়। যদি

জীবনযাপন

জীবন ঝঞ্ঝাটময় এবং প্রতিনিয়ত উদ্ভট ঝঞ্ঝাটে আটকে যাওয়ার অনায়াস অভ্যাস আমার আছে। তবে আজকে যেমনটা হলো তেমন করুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হই নি অনেক দিন।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে আসার পর এডমিট কার্ড কোথাও তুলে রেখেছিলাম, মনে ছিলো না। এর ভেতরেই ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট হলো, ভর্তিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি কি না জানার উপায় নেই, হঠাৎ করেই পুরোনো বইয়ের ভাঁজে যত্ন করে তুলে রাখা এডমিট কার্ড খুঁজে পেলাম, পুরোনো পেপারের জঞ্জাল খুলে ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট বের করে দেখলাম দু দিন পরেই ইন্টারভিউ। ময়মনসিংহ যেতে হবে। যদিও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই নি, কিন্তু বন্ধুদের সাথে উৎসাহ নিয়ে দুইদিন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম, এগ্রিটেকনোলজি বিষয়টা তখন খুব বেশী গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় নি, এখন এগ্রোটেকনোলজির খুচরা গবেষণা পড়ি জীবনের চাপে।

যুদ্ধপরিস্থিতি

আক্রান্ত সিরিয়া থেকে লক্ষ লক্ষ শরণার্থী সীমান্তের কাঁটাতার অবজ্ঞা করে ছুটছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে, সমুদ্রে ভাসাচ্ছে ভেলা, রাতের অন্ধকারে অনিশ্চিত পথ পারি দিচ্ছে, ভীষণ অমানবিক জীবনের গল্পগুলো প্রতিদিন সংবাদপত্রের পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, ভাইরাল ভিডিও, মীম, অবজ্ঞা, আশংকা, ঘৃণা, সমবেদনা ছড়িয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিপক্ষকে এক হাত দেখে নেওয়ার সুযোগ কেউ হেলায় ছাড়তে নারাজ।

সিরিয়ার শরণার্থী সংকট টক ওফ দ্যা ইউনিভার্স হয়ে ওঠার পর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে গোত্রগত, জাতিগত সহিংসতার বলি আক্রান্ত মানুষেরা, যারা একই রকম অসহায়ত্ব নিয়ে বন্ধুর প্রতিকূল পথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আশ্রয় খুঁজছে কিছুটা উদ্বিগ্ন, হয়তো তাদের দুঃখ দুর্দশা অসহায়ত্ব প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পাবে না। শরনার্থীর রাজনীতিতে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী সিরিয়ার আক্রান্ত মানুষ। এই টানা-পোড়েন আশংকা উদ্বেগ স্বাভাবিক মানবিক প্রতিক্রিয়া।

এলেমেলো ভাবনা

বিজ্ঞানচর্চার জন্যে বিজ্ঞানের দার্শণিক ভিত্তি জানার প্রয়োজন সামান্যই। " বিজ্ঞান কি?" প্রশ্নের উত্তর না জেনেও বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব। সবাই মেনেই নিয়েছে সকল জ্ঞানচর্চা প্রক্রিয়ার ভেতরে বিজ্ঞান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু কেনো বিজ্ঞান জ্ঞান উৎপাদনী প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে সেরা এ প্রশ্নের কোনো মীমাংসা হয় নি।