ইউজার লগইন

রাসেল'এর ব্লগ

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বিবেচনা

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিলো গত বছর ২৫শে মার্চ, প্রথম থেকেই গণমাধ্যমকর্মীদের অত্যুৎসাহ এবং তদন্ত কমিটি এবং ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের গণমাধ্যমমুখীনতা মাঝেমাঝেই ট্রাইব্যুনাল বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। গণমাধ্যমে এটাকে যুদ্ধাপরাধের বিচার বলে বিশেষ প্রচারণার ফলে ট্রাইব্যুনালের কর্মপরিধি যতটাই সীমিত হোক না কেনো সেটা নিয়ে বিতর্কের প্রবনতা তৈরি হয়েছে সেটা অস্বীকার করা যাবে না।

শিরোণামবিহীন শিক্ষাপ্যাচাল

ইংরেজী মিডিয়াম থেকে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বুয়েটে ভর্তি হচ্ছে তাদের সবার একটা সাধারণ অভিযোগ

কিছুতেই এডাপ্ট করতে পারছি না, পড়াশোনার ধরণ সম্পূর্ন আলাদা, পাতার পর পাতা অর্থহীন মুখস্ত করে যাওয়া, সংজ্ঞা আর ব্যাখ্যা মুখস্ত করে উগড়ে আসা পরীক্ষার খাতায়, মেধা কিংবা প্রজ্ঞা কিংবা উপলব্ধি যাচাইয়ের কোনো প্রক্রিয়া নয় এটি, বরং একটা অর্থহীন প্রতিযোগিতা যেখানে শেষ পর্যন্ত যে ছেলেটা পাতার পর পাতা অবিকল লিখে আসতে পারে সেই প্রথম হয়। আমাদের কারোই এমন পাতার পর পাতা মুখস্ত করবার অভ্যাস নেই, স্বভাবতই আমরা পিছিয়ে পড়ছি, এমন না ক্লাশে যে ছেলেটা টপ করছে সে আমার চেয়ে বেশী বুঝে, কিংবা এমনও না যে আমরা পরিশ্রম করছি না, কিন্তু পরীক্ষার নিয়মের কারণে আমরা পিছিয়ে পড়ছি, চেষ্টা করছি পাতার পাতার বর্ণনাত্মক ধাঁচে মুখস্ত করে যাওয়া, কিন্তু অভ্যাস নেই বলে রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না। ফ্রাস্ট্রেশন চলে আসছে।

মুক্তিযুদ্ধের সাদা কালো ইতিহাস রচনার প্রেক্ষাপট ও পরিণতি শেষ পর্ব

অতিকথনের ও অপ্রয়োজনীয় কথনের ভারে পর্যুদস্ত পূর্বের লেখাটার প্রয়োজনীয়তা হয়তো ছিলো না, আমি সরাসরিই মুক্তিযুদ্ধের সাদাকালো ইতিহাস রচনার পরিণতিতে আলোচনা শুরু করতে পারতাম। কিন্তু সে সময়ের বিশাল রাজনৈতিক জটিলতার সামান্য অংশও তাতে উঠে আসতো না। আমি যে খুব বেশী অভিজ্ঞ এ বিষয়ে এমন দাবী করাটাও অন্যায় হবে, কিন্তু যখন লেখাটা শুরু করেছিলাম তখন আমার আলোচনার আমার নিজের একটি সাধারণ পর্যবেক্ষণের উপরে ভিত্তি করেই আলোচনাটার বিস্তার করবো এমন ধারণা আমার ছিলো। প্রেক্ষাপটটা নির্দিষ্ট ছিলো কিন্তু অতিসাধারণ অনুভুতি কিংবা অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রান্তিকীকরণের বিষয়টি তাতে পরিস্কার বলা যেতো না। মুক্তিযুদ্ধের লড়াইটা মূলত ছিলো অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে ধনভিত্তিক সমতার লড়াই যা একই সাথে মানুষের আত্মমর্যাদা এবং অস্তিত্বের স্বীকৃতির লড়াইও ছিলো। "মুক্তিযুদ্ধ ছিলো শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মরিয়া লড়াই" এই বাক্য

মুক্তিযুদ্ধের সাদা কালো ইতিহাস রচনার প্রেক্ষাপট ও পরিণতি প্রথম পর্ব

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস এখনও প্রবল জাতীয়তাবাদী উচ্চ্বাসেই লেখা হচ্ছে, সেসব লেখায় স্মৃতিচারণে ঘটনা বিশ্লেষণেও জাতীয়তাবাদী মানসিকতার স্পষ্ট প্রভাব দেখা যায়, একদল বামনাকৃতির মানব, একজন দুইজন মহামানব এবং মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন দানবের রূপরেখা তৈরীর এই জাতীয়তাবাদী প্রকল্প কেনো জনপ্রিয় সেটা আমার জানা নেই। হয়তো অতিজাতীয়তাবাদী উৎসাহে লেখা সাদা কালোর ইতিহাস সহজপাচ্য, সহজবোধ্য, সহজেই বিপণনযোগ্য এবং অধিকাংশ সময়েই সেটা সরল এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন। হয়তো এই ইতিহাস রাজনৈতিক ব্যবহারের যুৎসই উপাদান, হয়তো এভাবে জাতীয়তাবাদী আবেগ তৈরির রাজনীতিতে সাদা কালো ইতিহাস গ্রন্থগুলো ব্যবহার উপযোগী এবং সেটা গ্রহন করতে তেমন পরিশ্রম করতে হয় না লেখককে কিংবা পাঠককে।

আবারও এলেমেলো

ইন টু দ্যা ওয়াইল্ড ছবির ভবঘুরে নায়কের জন্য কিংবা তার এমন নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য কিছুটা কষ্টবোধ ছিলো, জীবনের অপচয় মনে হতে পারে বিষয়টাকে, কিন্তু সে নিজেই এই জীবনযাপনের ধারা বেছে নিয়েছিলো। সে চাইলেই অন্য রকম একটা জীবন যাপন করতে পারতো, তার নিজের আগ্রহেই সে নিজের মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছে, সে নেশাসক্ত ছিলো না, কিংবা অন্য কোনো ভাবনার ব্যধি তার ছিলো না, কিন্তু তারপরও সে এমন ঠান্ডা কষ্টকর মৃত্যুর পথটা নিজেই বেছে নিয়েছিলো।

মধ্যবিত্তের গালিবিষয়ক রোমাঞ্চ

মধ্যবিত্তের গালি বিষয়ক রোমাঞ্চ অসস্তিকর ভাবনার করুণ প্রকাশ, তাদের অসস্তিকর যৌন অবদমন এবং অবৈধ যৌনকোল্পনার সবটুকু হাস্যকর ভাবে প্রকাশিত হয় তাদের গালি বিষয়ক প্রক্রিয়াটিতে।

কাউকে গালি দেওয়া তেমন বাজে কোনো বিষয় না, গালি দেওয়া স্বাভাবিক অনুভুতির প্রকাশ, ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে গালি নিজের উচ্চকিত আবেগ প্রশমনে সহায়ক ভুমিকা পালন করে, কিন্তু গালি দিয়ে নিজের ঝাল ঝারবার প্রক্রিয়াটিতে অবধারিত ভাবেই নিজের কাছে অসস্তিকর সঙ্গম ভাবনাগুলোর উপস্থিতি দৃষ্টিকটু, সে ভীতি তাড়া করতে থাকে তাদের, নিজের উচ্চারণে নিজের দুর্বলতাই প্রকাশ পায়।

টুকরো সংবাদ টুকরো ভাবনা

যদে দেওয়ার মতো কোনো সংবাদ থাকে তাহলে সে সংবাদ হলো অনেক দিন পর কিবোর্ড কেনা হলো, কিংবা অন্যভাবে বলা যায় কিবোর্ড কিনতে বাধ্য হলাম। নিতান্ত বাধ্য না হলে কোনো পরিবর্তনে যেতে আগ্রহী না আমি, এতদিন অনেক কৌশলে কাজ চললেও সকালে বন্ধুর সাথে কথা বলার সময় বুঝলাম কিবোর্ডের ম্যাল ফাংশন গুরুতর, এখন 'এম' কাজ করছে না। আমার শব্দভান্ডার সীমিত, সুতরাং 'এম' কিংবা 'ম' নেই এমন শব্দ বাছাই করে দীর্ঘ সময় আলোচনা করা রীতিমতো অসম্ভব, নতুন কিবোর্ডে নতুন লেখা বলা যায় এটা।
[১ ]
আমাদের জাতীয় চরিত্র উপলব্ধিতে হাইকোর্ট যে বিভ্রান্তিতে ছিলো গতকাল সেটা সংশোধন করেছে সুপ্রীম কোর্ট, তারা ফতোয়া বিষয়ে ফতোয়া জারী করেছে, বলেছে ফতোয়া জায়েজ কিন্তু কাউকেই মানসিক কিংবা শাররিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধের ফ্যান্টাসী ছবি গেরিলা " দর্শক প্রতিক্রিয়া "

ডিসক্লেইমারঃ এটা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ দর্শকের অনুভুতি, সুতরাং এই রিভিউ পড়ে যারা ছবিটা দেখতে না যাওয়ার কথা ভাবছেন তারা অবশ্যই হলে যাবেন। দিল্লীর লাড্ডু একা একা খেতে হয় না

মেহেরজানকে মুক্তিযুদ্ধের ফ্যান্টাসী সিনেমা বলা হলে গেরিলাও একই কারণে মুক্তিযুদ্ধের উপর ফোক ফ্যান্টাসি ঘারানার ছবি বিবেচিত হতে পারে। নাসিরউদ্দীন ইউসুফ এবং এবাদুর রহমানের যৌথ ধর্ষণে সৈয়দ শামসুল হলের নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস থেকে যেই চিত্রনাট্য পয়দা হয়েছে সেটার গভীরতা নেই, একজন মুক্তিযোদ্ধার অভিজ্ঞতা এবং নিষিদ্ধ লোবানের ছায়া অবলম্বনে আমার স্বল্প জীবনে দেখা মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বাজে ছবিটা "গেরিলা"

আমরা যাদের মৃত্যুকে মহীয়ান করতে চাই , আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে যাদের আহার্য হরণ করি

জোনাথন সুইফটের ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প ডাবলিন উপকণ্ঠে শুরু হওয়ার প্রায় তিন শতাব্দী পরে জুতা আবিস্কারের মতো মুহাম্মদ ইউনুস আবিস্কার করলেন গ্রামীণ ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প, প্রায় তিন শতাব্দী প্রাচীন এই ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের মৌলিক কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আসে নি। সাপ্তাহিক ঋণ পরিশোধ ব্যবস্থা, কোনো রকম বন্ধক ছাড়া ঋণ প্রদান এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে হলেও ঋণের কিস্তি উত্তোলনের পন্থাটা পরিবর্তিত হয় নি।

অহেতুক বিতর্কের পরের ভাবনা

বিডিনিউজ২৪ ব্লগে জনৈকা পুষ্পিতার সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে অহেতুক অপ্রয়োজনীয় একটা বিতর্কে লিপ্ত হওয়ার পর প্রথমত পুরোনো বন্ধুদের অভাব অনুভব করলাম। দ্বিতীয়ত মনে হলো আমাদের একটা অন লাইন আর্কাইভ প্রয়োজন, যেকোনো রেফারেন্সের জন্য কিংবা যেকোনো মূহুর্তে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে আনবার জন্য একটা অন লাইন আর্কাইভ থাকা জরুরী। ডিজিটাল আর্কাইভের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু সেটা উপলব্ধি করলাম এই বিতর্কের সবটুকু সময় জুড়েই।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর যেভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের হাস্যকর এবং ভিত্তিহীন একটি মামলায় আটক করা হয়েছিলো সেটার পেছনে রাজনৈতিক হয়রানির নোংরা গন্ধটা লুকানো সম্ভব হয় নি। আমার এ অভিমত সে সময় অনেকের পছন্দ হয় নি সে সময় এখনও যে এই অভিমত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এমন ভাববার কোনো কারণ নেই।

ইদানিং জীবনযাপন

খুব ঘন ঘন মৃত্যু সংবাদ পেতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার বয়েসে পৌঁছেছি এখন, এতদিন শুধু জন্মদিবস উদযাপন করেছি, এখন সময় এসেছে মৃত্যুদিন উদযাপনের, নতুন জন্মসংবাদ এখনও আহ্লাদিত করে কিন্তু একই সাথে মৃত্যু সংবাদ শুনবার ভীতিও সমান ভাবে প্রবল। গত এক মাসে চারজন পরিচিত মানুষের মৃত্যু সংবাদ শুনলাম, যাদের সাথে গত দুই দশক বেশ আনন্দে, আড্ডায় কেটেছে সেসব বন্ধুদের বাসায় আমাদের নিয়মিত আড্ডা বসতো, সেইসব পরিচিত মানুষের মৃত্যুর সংবাদ হুট করে পেলে খানিকটা বিষন্ন লাগে কিন্তু এ বয়েসে হারানোর শোক ততটা তীব্র নয়, এই ব্যাথ্যা ততটা তীব্র হয়ে অবশ করে ফেলে না, বরং পরবর্তী মৃত্যু সংবাদ শুনবার প্রস্তুতি নিয়ে রাখি, জানি না কখন কার মৃত্যু সংবাদ ভেসে আসবে মুঠোফোনে।

যদি অনামিকা বড় হয় তাহলে

পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে কোনো বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব প্রণয়ন করতে হলে স্যাম্পলিং এর হার কি রকম হওয়া উচিত, ঠিক কতজনকে নিয়ন্ত্রিত ভাবে ডাটা হিসেবে গ্রহন করলে সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠবে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসেবে এটার কোনো নির্ধারিত সীমা না থাকায় প্রায় নিয়মিতই বেশ অদ্ভুত অদ্ভুত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব পত্রিকায় ছাপা হয়। সেসব ফাজলামি প্রশ্রয় দেওয়ার কারণ আমি জানি না কিন্তু যেকোনো কিছুকে বিজ্ঞানসম্মত কওরে তুলবার এই দুর্বুদ্ধি আমার ভেতরে বিব্রতকর অনুভুতির জন্ম দেয়। বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে আমার নিজস্ব ভাবনা আহত হয় ভীষণ ভাবে।

পিন আপ পত্রিকা

সকালে যেখানে দাঁড়িয়ে চা সিগারেট টানি কাজে যাওয়ার আগে, সেটার সাথেই একটা পত্রিকাস্ট্যান্ড, কখনও সেখানে মনোযোগ দিয়ে দেখা হয় নি আগে, আজ খেয়াল করে দেখলাম সেখানে বেশ কিছু পত্রিকা রাখা " শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য", এমন শিরোণাম দেওয়া পত্রিকা বাংলাদেশে কয়টা ছাপা হয় আমার জানা নেই, বাংলাদেশের "প্রেস পাব্লিকেশন সংস্থা" কিংবা তথ্য অধিদপ্তর এমন পত্রিকা প্রকাশের অনুমতি দেয় কি না এটাও আমার জানা নেই, কিন্তু পত্রিকা স্ট্যান্ডে জায়গা করে নেওয়ার মতো পাঁচ থেকে ছয়টি পত্রিকা কিংবা বই দেখে বুঝলাম যৌনতা বিষয়ে আমাদের সামাজিক গ্রহনযোগ্যতার মাত্রা বদলেছে।

রিপোষ্ট " শ্রীজাতের সঙ্গে কাতিউশার গল্প"

এবার চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিলো শ্রীজাতকে খুঁজে পাওয়া।

কবিতার মানচিত্র বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে, বাংলা কবিতায় যুগের হাওয়া হানা দিচ্ছে, অস্থির সময় আমাদের ভাবনাগুলোও বিক্ষিপ্ত দিন দিন, একটা কিছুতে দীর্ঘ সময় মনোনিবেশ কষ্টকর খুব। ব্যস্ত হাতে চ্যানেল বদলাতে বদলাতে আমাদের অবসর কেটে যায় আর সেইসব নির্লিপ্ত অবসরে শ্রীজাতের কবিতা চলে আসে,

আমাকে দ্যাখে টিভি
চোখ রাঙায়, চোখ নামায়,হাসে।

রাত বাড়লে, রোজ
আমার ঘরে দেয়াল থেকে ঝাঁপায় টিকটিকি

টিভিও তাকে কপাৎ ক'রে খায়

রিমোট হাতে সামনে বসে মুগ্ধ আমি দেখি
কীভাবে ঐ একরত্তি প্রানী
ডাইনো হয়ে যায়

ওয়াজ

সেইসব মানুষকে আমার একদম অপছন্দ যারা আট টাকার টিকেট কেটে বাসে উঠে মনে করে বাসটা তাদের বাপ দাদার সম্পত্তি, ফার্মগেট থেকে মতিঝিল যাওয়ার পথে এমন একজন শেয়ার মালিক উঠলেন বাসে, সন্ধ্যায় বাড়ী ফেরার তাড়ায় থাকা উগ্র মানুষ, তাদের যেকোনো ভাবেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই, সিগন্যাল, জ্যাম আর বিশ্রী গরম, সব মিলিয়ে বাসের সীটে অসস্তিকর বসে থাকা সময়টাতে দেখলাম একজন স্টপেজ ছাড়াই নামতে চাচ্ছেন গাড়ী থেকে, ড্রাইভারের সাথে ঝগড়া করছেন, সবুজ বাতি হলুদ হয়ে লাল হয়ে যাচ্ছে কিন্তু তার হুমকি কমছে না। অবশেষে তিনি নামলেন, আমরাও রওনা দিতে পারলাম।