রাসেল'এর ব্লগ
দাম্পত্য
নারী এবং পুরুষের পারস্পরিক যৌনাকর্ষণের বিষয়ে অনেক বেশী সচেতন ধর্ম। ধর্ম যেহেতু সামাজিক স্থিরতার লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক অনুশাসন তৈরি করে সুতরাং ধর্ম যৌনাচার বিধি তৈরি করে দিয়েছে, একই সাথে কিছুটা খোলা জানালাও তৈরি করেছে। ধর্ম নিয়মতান্ত্রিক ভাবে বহুগামীতার ক্ষেত্র তৈরি করেছিলো একটা সময়, উপমহাদেশের পৌরাণিক ইতিহাসের ভিত্তি হিসেবে রামায়ন মহাভারতের কথা বিবেচনা করলে দেখা যাবে সেখানেও এক একজন নৃপতি সাহসী পুরুষের একাধিক প্রনয়ী, স্ত্রী বিদ্যমান, তাদের ভেতরে মেয়েলী ক্ষমতার সংঘাত বিদ্যমান। প্রয়োজনে তারা মিত্রের বাসায় গিয়ে সুন্দরী দাসীর সাথেও শাররীক চাহিদা পুরণ করছে। তেমন যৌনতা বিষয়ক বাধ্যবাধকতা সেখানে নেই।
পরকীয়া
একটা সময়ে চলচিত্রে পরকীয়া প্রমের চরম আগ্রাসন ছিলো, বিবাহিত নায়কের সুন্দরী প্রেয়সী, বিবাহিত নায়ক আর সুন্দরী প্রেয়সীর রোমান্টিক আলোচনা, বৌয়ের সন্দেহ আর নায়কের আশ্বাস, আবেগ উথলে পরা গান, শেষ দৃশ্যে ভিলেনের হাত থেকে নায়ককে বাঁচাতে গিয়ে প্রেয়সীর মৃত্যু, অপরাধবোধে দগ্ধ হওয়া বৌয়ের আরও কিছু আবেগী সংলাপ, বিবাহিত প্রেমের প্রতি অটল আস্থা, সুন্দরী প্রেয়সী ছেড়ে চলে যেতেও পারে কিন্তু পতিব্রতা স্ত্রী কখনও স্বামীর দুর্দিনে স্বামীর সঙ্গ ত্যাগ করে না, বিভিন্ন রমকের ভাবনা উস্কে দেওয়া চলচিত্রগুলো এখন অতীত।
শাড়ী
মাঝে মাঝে একটা দৃশ্যেই আটকে যায় জীবন, একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে কল্পনায়, ইদানিং একটা শিশুর চোখে জলন্ত আগুণের প্রতিবিম্ব দেখি, সে আগুণে পুড়ে যাচ্ছে একটা পুতুল, আর আকাশ অন্ধকার করে নামছে বৃষ্টি, আগুণের আঁচ মরে যাওয়া রান্না ঘরের পাশ থেকে শিশুটা সন্তর্পনে ঢুকছে সেখানে, ভেঙে যাওয়া মাটির সানকির নীচে আধবলগ দেওয়া ভাত পরে আছে, কয়েকটা মুরগিছানা আর শিশুটা খুঁটে খাচ্ছে সে ভাত।
শৈশব
করোতোয়া থেকে আত্রাই হয়ে দিনাজপুরে ঢুকতে না ঢুকতেই নদীটাকে আদর করে সবাই ডাকে কাঞ্চন, পোশাকী নাম পূনর্ভবা নদ, সে নদীতে শৈশবে প্রচন্ড গরমে মাঝে মাঝে দাপাদাপি করতে যেতাম। তখনও কাঞ্চনের এ পার আর ওপারের মাঝের পুরো রেল ব্রীজের নীচেই বয়ে যেতো নদী। শীতে গতরে শীর্ণতা এলে হঠাৎ করেই যুবতী থেকে চঞ্চল কিশোরী হয়ে যেতো কাঞ্চন।
সেইসব শীতের জবুথুবু বিকেলের ম্লান আলোয় বিষন্ন হলে আমি একা সেই কিশোরীর সাথে একক প্রণয়ে মেতে হেঁটে হেঁটে চলে যেতাম অনেকটা পথ। এক হাঁটু পানির ভেতরে প্যান্ট গুটিয়ে নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটতে হাঁটতে দু চারটা গ্রাম, গ্রামের হাট ভাঙা আলো পেরিয়ে আরও দুরের কোনো ন্যাড়া মাঠের ধানের গোছায় বসে সিগারেটের ধোঁয়া আর কুয়াশার মাঝে লুকিয়ে থাকতাম কিছুক্ষণ।
সামাজিক সংস্কার
মানস গঠন যেমনই হোক না কেনো, চুড়ান্ত বিবেচনায় শুঁয়োপোকা প্রজাপতি হয়ে উঠবে কি না তা নির্ধারণ করে সামাজিক বাস্তবতা। উদারনৈতিক যৌক্তিক মানুষেরাও সামাজিক বাস্তবতায় প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠতে পারে
প্যারিচাঁদ মিত্রের ''আলালের ঘরের দুলাল'' আমার উপন্যাস মনে হয় নি, যদিও উপন্যাসের কোনো নির্ধারিত কাঠামো নেই, বিষয়বস্তু নেই, কিন্তু তারপরও " আলালের ঘরের দুলালকে ঠিক উপন্যাস বলা যাচ্ছে না, বরং এই ধারাবাহিক লেখাটিতে এক ধরণের সামাজিক সংকটকে চিহ্নিত করে সে বিষয়ে কিঞ্চিৎ শ্লেষ আছে।
উপন্যাস হিসেবে " আলালের ঘরের দুলাল" বিশ্লেষণ কিংবা ঔপন্যাসিক হিসেবে "প্যারিচাঁদ মিত্র''কে যাচাই করতে যাওয়ার মতো বোদ্ধা হয়ে উঠি নি, আমি বরং আমার অনুধাবনটুকুই বলি, ডি রোজারিও'র শিষ্যদের ভেতরে অনেকেই উত্তাল ত্রিশে( এ ক্ষেত্রে উনবিংশ শতাব্দীর তিন ও চার এর দশক) প্রচলিত সমাজকাঠামোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন।
অন্তর্জালিক যোগাযোগ
আবেগ নিয়ন্ত্রন করার অক্ষমতা কিংবা হঠাৎ সাময়িক উত্তেজনার বশে চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে আত্মহত্যার সংবাদ শুনে বিষয়টা দু:খজনক কিংবা অগ্রহনযোগ্য এর বাইরে আদতে বলার কিছুই থাকে না অনেক সময়। আমাদের মানসিক অনুভুতিগুলো নিয়ন্ত্রনের কোনো কার্যকরী প্রশিক্ষণ আমরা পাই না, আমাদের অনুভুতিগুলো কাউকে না কাউকে জানাতে হয়, নিজের ভেতরের অনুভুতির দহন যখন দগ্ধ করে তখন বন্ধুর কাঁধে হাত-মাথা- রেখে তার কাছে উন্মুক্ত হয়ে নিজের দগ্ধাবশেষ রেখে আসতে হয়। দু:খজনক, লজ্জাস্কর, অপমানের কিংবা আনন্দের অনুভুতিগুলো নিজের ভেতরে জমিয়ে রাখা সব সময় সম্ভব হয় না।
অনুভুতির ব্যবচ্ছেদ
অনুভবের সামষ্টিকতা কি আছে? সামষ্টিক অনুভবের বিভিন্ন প্রকাশ দেখি হরহামেশাই, কিন্তু প্রতিবারই একই রকম সংশয় রয়ে যায়, ব্যক্তিগত অনুভবের জায়গা থেকে ব্যক্তি যতটুকু অনুভব করে একই রকম প্রতিক্রিয়াব্যক্ত করা সবাই কি ঠিক একই অনুভবে উদ্দীপ্ত কিংবা আক্রান্ত বোধ করে? সামষ্টিক অনুভব অনেকাংশেই সম্ভবত সামাজিক-রাজনৈতিক অনুভব, সেখানে ব্যক্তির ব্যক্তিসত্ত্বা, ব্যক্তিগত অনুভব সামষ্টিকতায় বিলীন হয়ে যায় এবং গণের স্বর ধারণ করতে উন্মুখ ব্যক্তি নিজের একান্ত অনুভবকে বিন্দুমাত্র পাত্তা না দিয়ে সামাজিক -রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াকে নিজের অনুভব হিসেবে অনুভুত করতে শিখে। এই ব্যক্তিসত্ত্বার বিলীয়মান অবস্থা কিংবা স্বকীয় ভাবনাকে বিসর্জন দেওয়ার অভ্যাসটুকুই রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
দালাল আইন
৩রা ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ক্যাবিনেট মিটিং এ দালালদের বিচারের বিষয়টি আলোচিত হয়।
যৌথবাহিনীর অগ্রগতি এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তাঞ্চল গঠিত হওয়ার সময়ে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি প্রবাসী সরকারের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করে।
"অগ্রসরমান মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা রাজাকার / আলবদরদের নিজেরাই শাস্তি প্রদান শুরু করে। অধিকাংশ সময়ই শাস্তি মানেই মৃত্যুদন্ড। ব্যক্তিগত আক্রোশ এবং প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছিল কেউ কেউ।" এইচ টি ইমাম, বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১, পৃষ্টা ৩২৯।
এর আগেই ৮ই ডিসেম্বর বেসামরিক প্রশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং পাকিস্তানী দালালদের বিচার ও প্রবাসী সরকারের প্রতি অনুগত সরকারী কর্মচারীদের যাচাই বাছাই বিষয়ে সচিব পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আর কাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ উত্থাপন করা যাবে?
কাল উৎসবের আলো মলিন হবে না, সকালে থেকেই ব্যানারে-ফেস্টুনে-শোভাযাত্রামুখরিত ৪০তম বিজয় দিবসের উদযাপনে বিন্দুমাত্র মলিনতা থাকবে না। উৎসবের রং লাল-সবুজ, আর কাপড়ের সাথে সাথে হৃদয়ে লাল-সবুজ নিয়ে উৎসবের আমেজে বয়ে যাওয়া প্রাণে গতকাল সকালের সংবাদপত্রের বিষন্ন গল্পগুলো কোনো আদ্রতা আনবে না। বিভিন্ন মাপের-ছাটের ক্রোরপত্র, বিভিন্ন প্রবীন নবীন বুদ্ধিজীবীদের ভাবনার বুদ্বুদ আর বুদ্ধিজীবীয় আক্ষেপের ভার বহন করবে বাংলা বর্ণমালার ৫০টি অক্ষর।
ভালোবাসা
প্রৌঢ়ের সাদা পাঞ্জাবি মৃদু বাতাসে উড়ছে, পাশে দাঁড়িয়ে আছেন তার উদ্বিগ্ন স্ত্রী, তিনি তার মেয়ের হাত ধরে কথা বলছেন, কথা বলবি না মা? অভিমান হয়েছে?
ঘরের মৃদু ফিসফাসের ভেতরে তার ভারি খসখসে গলার শব্দগুলো মিলিয়ে যায়।
কথা বল মা। এতদিন পর দেখা হলো, একটা কথাও বলবি না তুই? কি এত অভিমান তোর?
উদ্বিগ্ন স্ত্রী হাত বাড়িয়ে প্রৌঢ়ের হাত ধরতে চান
কষ্ট কি আমার ছিলো না মা? আমারও কি অভিমান নেই? এত অভিমান পুষে রাখতে নেই।
প্রৌঢ়ের কণ্ঠস্বর আরও গম্ভীর হয়ে যায়।
প্রবাসী বাঙালনামা
ব্লগ না থাকলে এত পদের মানুষ দেখা হতো না। বাংলা ব্লগ মানুষ এবং মানুষের ভন্ডামী প্রকাশের সবচেয়ে সাবলীল মাধ্যম। মানুষের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা আছে, ক্ষুদ্রতা আছে কিন্তু হাতে কিবোর্ড আর ব্লগে লেখার এক্সেস থাকলে এরা সবাই মহাপুরুষের খোলস লাগিয়ে কিবোর্ড হাতায়।
লেখা যে অর্থে চরিত্র নির্মাণ, সুতরাং কিবোর্ড হাতে নিয়ে সবাই নিজের সৎ চরিত্র নির্মাণের বিভিন্ন প্রচেষ্টা করতে থাকে, এবং কয়েকদিন পরে এরা আবশ্যিক ভাবেই ধর্মপ্রচারে লিপ্ত হয়, তাদের ব্যক্তিগত ভালো লাগা মন্দ লাগাকে সামষ্টিক ভালো লাগা মন্দ লাগায় পর্যবসিত না করা পর্যন্ত এর বিরাম নেই।
আমাদের সাংবাদিকতা
মানুষ সাংবাদিকদের শ্রদ্ধা করে না বরং অধিকাংশ সাংবাদিকদের মানুষ ভয় পায়, ভয় পাওয়ার যুক্তিসংগত কারণও রয়েছে, মানুষের নিজস্ব জীবনযাপনের গল্প, নিজস্ব অপরাধ এবং গোপনীয়তার আড়াল যা মানুষ রেখে দিতে চায় সেসব তথ্য সাংবাদিকদের সংগ্রহে থাকলে মানুষ নিতান্তই অসহায়। একটি সংবাদপত্র প্রকাশিত তথ্য মানুষের এই গোপনীয়তার আড়াল ভেঙে যা সে সযতনে অন্য মানুষের চোখের আড়ালে রেখে দিতে চায় সেসব গোপনীয়তার আড়াল ভেঙে ফেলতে পারে, স্পর্শ্বকাতর তথ্যসংগ্রহ করে সেটা সংবাদপত্রে ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিলাসিতার জীবনযাপন করা সাংবাদিকদের সংখ্যাও কম নয় পৃথিবীতে।
অযথা প্যাঁচাল
১।।
রগীর মৃত্যুর পর ক্ষিপ্ত স্বজনেরা হাসপাতাল ভাঙচুর করেছে, ডাক্তারকে আক্রমন করেছে, ইন্টার্ণদের অপমান করেছে, আমি এইসব আবেগাক্রান্ত রোগীর স্বজনদের প্রতি প্রসন্ন ছিলাম না কখনও, তাদের অতিরিক্ত আবেগে তারা ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আনে, হয়তো নিজেদের অবহেলা কিংবা উপেক্ষায় যার মৃত্যু নিশ্চিত ছিলো তাকে একেবারে শেষ সময়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমনটাই ভাবতাম একটা সময়। তবে আমার সে ধারণা বদলেছে, আমি এখন এইসব রোগীর স্বজনদের দুঃখটা উপলব্ধি করতে পারি, উচ্চমন্য ডাক্তারের ছাওয়ালেরা রোগী এবং তাদের স্বজনদের যে উপেক্ষা, অনাদর, অবহেলা উপহার দেন তাতে যেকোনো স্বাভাবিক মানুষই ক্ষিপ্ত হতে পারে,
ইন্টার্ণ ধর্মঘট, ডাক্তারের চেম্বার ভাঙচুড় এবং হাসপাতাল আর ক্লিনিক ভাঙচুড়ের সংবাদ পড়লে এখন আর রোগীর স্বজনদের দোষারোপ করি না আমি বরং সংশ্লিষ্ট ডাক্তারকেই অপরাধী মনে হয়।
আমাদের বিজ্ঞাপনগুলো
বিপণনের একটা বড় অংশ ভোক্তার আস্থা নির্মাণ, কোম্পানী গুডউইল, ব্রান্ড কিংবা নির্ভরতা নির্মাণে সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন নির্মাতা সংস্থা, তবে বিপণন ব্যবস্থার প্রধান নির্বাহী এবং তার অধস্তন কর্মকর্তারা ভোক্তা মানসিকতা যাচাই করেন প্রতিনিয়ত, ভোক্তার চাহিদা এবং ভোক্তার অনাস্থার জায়গাগুলো যথাযথ চিহ্নিত করে তারা নিজেদের বিজ্ঞাপনে প্রতিদন্ডীদের অনাস্থার জায়গা চিহ্নিত করে নিজেদের পণ্যের মাহত্ম্য তুলে ধরেন এবং এভাবেই বিজ্ঞাপন আমাদের চারপাশে একটা কল্পজগত নির্মাণ করতে সমর্থ হয়।
গৌরীকে গৌরী প্রদান:
গৌরবর্ণ নারী আর শ্যামবর্ন পুরুষ আদর্শ জুটি এমন একটা বিশ্বাস আমাদের সামাজিক মন:স্তত্ত্বে কিভাবে প্রবিষ্ট হয়েছে তা নির্ধারণ করতে হয়তো কোনো সমাজ বিজ্ঞানীর একমুহূর্ত সময় লাগবে না কিন্তু আমাদের সাধারণ মানুষের ভেতরে এই ধারণা বেশ ভালোভাবেই আছে।
চৌষট্টি খুপড়ি (পটভুমি )
চৌষট্টি খুপড়িতে মনোযোগ আটকে থাকে, সেখানেই দীর্ঘমেয়াদী লড়াই, যদিও প্রতিপক্ষ দুজনই মুখে স্নিগ্ধতা নিয়ে বসে থাকে, চায়ের কাপে আলতো চুমুক, আর চৌষট্টি খুপড়িতে ধুন্ধুমার লড়াই চলে, প্রায় অলক্ষ্যেই সম্রাট হত্যার চক্রান্ত হয়, দুজনেই নিজের অবশিষ্ট সৈন্যসামন্ত নিয়ে বিপক্ষের গজ অশ্ব রানী আর নৌকা মেরে কিস্তিমাতের স্বপ্ন দেখে, অবশেষে কাউকে না কাউকে পরাজয় মেনে নিতে হয়। তারা অবশেষে পরিত্যাক্ত শিরোস্ত্রান তুলে নেয় হাতে, বড়ে, নৌকা, গজ, রাজা বাস্কে তুলে রাখে, চৌষট্টি খুপড়ি পেছনে ফেলে চলে যায় নিজের খুপড়িতে।