ইউজার লগইন
ব্লগ
হরতাল মুবারক
অনেক দিন পর বেশ হরতাল ম্যুডে আছি। কাজ কম। কি করা? গেজাই...
১। প্রেসিডেন্ট ওবামা পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াবেন। এবার তার স্লোগান কি হওয়া উচিৎ হবে? নিন্দুক মতে উপযুক্ত স্লোগান হলঃ “পরিবর্তন, যাতে আপনি বিশ্বাস করতে পারেন। এইবার আমি প্রতিজ্ঞা করছি, সত্যিই!”
২। আরেকবার, অর্থায়ন-শুন্য সরকারের নানা বড় বড় পরিকল্পনাকে অটোমোবাইল ব্যবসার সাথে তুলনা করে বলা হয়, “আপনারা হয়তো ইতিমধ্যে জানেন, বর্তমান সরকার অটোমোবাইল ব্যবসায় সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছে – যা আশ্বাস দিচ্ছে আশা, পরিবর্তন, এবং 0% অর্থায়নের!”
৩। একজন মানুষকে হোয়াইট হাউসের দেয়াল ডিঙ্গাতে দেখা গেছে। পরে তৎপর সিক্রেট সার্ভিস ওবামার সাথে কথা বলে অন্ততঃ মেয়াদ পূর্তি পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে তাকে সম্মত করায়!!
"বাংলা গানে বর্ষা" ই-বুকের জন্য আগ্রহীদের অংশগ্রহনের আহবান জানাচ্ছি
হে জনগন, গত বছর বর্ষায় "আমরা বন্ধু" থেকে একটা গান সংকলন নিয়া ই-বুক বানানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিলো। আমরা অনেকে তখন ঝাপিয়ে পড়েছিলাম সেই ই-বুক তৈরীর কাজে। কিন্তু সময়ের স্বল্পতার কারনে গত বছর সেটা শেষ করা হয় নাই।
সুতরাং এইবার আমরা বর্ষার প্রথম দিনেই ই-বুকটা প্রকাশ করতে চাই .... ছলে বলে কৌশলে যেভাবেই হউক ।
ই-বুকটা শুধু মাত্র গান দিয়ে ঠাসা থাকবে, বর্ষা নিয়ে যত বাংলা গান আছে সেগুলোর সংকলন। বিভিন্ন ঘরানার বাংলা গান। যেমন - রবীন্দ্র, নজরুল, আধুনিক, হারানো দিনের, ব্যান্ড .... ইত্যাদি।
প্রতিটা গানের লিরিক দেয়া হবে এবং অনলাইনে শোনার লিংক দেয়া থাকবে (ডাউনলোড করার লিংকও দেয়া হতে পারে)।
এখন, প্রথম কাজ হচ্ছে গানের লিস্ট তৈরী করা। এই বিশাল কাজের জন্য আগ্রহীদের অংশগ্রহন করার জন্য অনুরোধ করছি।
আপনারা কমেন্টে গানের নাম দিতে পারেন।
(দয়া করে এখানে কেউ লিরিক দিয়েন না .. সেটা পরে হবে) :
আপডেট : এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত গানের লিস্ট দেয়া হলো । দয়া করে কোন গান বাদ গেলে উল্লেখ করুন। 
রবীন্দ্র
১. আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে
রাজনীতির ব্যাপার-স্যাপার
১.
গল্পটা ফিলিপাইনের স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ মার্কোজকে নিয়ে। পাশের দেশের প্রেসিডেন্ট গেছেন ফিলিপাইন সফরে। সেখানে একান্ত সাক্ষাৎকারে অনেক ব্যক্তিগত প্রসঙ্গেও কথা বলছিলেন তাঁরা। মার্কোজ একসময় জানতে চাইলেন, পাশের দেশের প্রেসিডেন্টের শখ কী। তিনি বললেন, ‘আমাকে নিয়ে আমার দেশের লোকজন অনেক কৌতুক-গল্প বানায়। আমার শখ সেই সব কৌতুক-গল্প সংগ্রহ করা।’ এবার মার্কোজকে তিনি একই প্রশ্ন করলেন। মার্কোজের সোজাসাপটা উত্তর, ‘আমার শখ, যারা আমাকে নিয়ে কৌতুক বানায়, তাদের সংগ্রহ করা।’
মার্কোজ মারা গেছেন সেই ১৯৮৯ সালে। নিন্দিত এই মার্কোজকে নিয়ে অনেক গল্প চালু আছে। তাঁকে কেউ অনুকরণ করছেন বলে স্বীকারও করবেন না। অথচ অনুকরণ করার মানুষের কিন্তু অভাব নেই। বাংলাদেশ নিয়ে আমি কিছু বলছি না। পাশের পশ্চিমবঙ্গের উদারহণই তো দেওয়া যায়। আমাদের মমতা দিদিকে নিয়ে ব্যঙ্গ করায় যাদবপুরের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র গ্রেপ্তার হয়েছেন।
২.
ছোট্ট পাখি..
খাঁচা মাঝে ছোট্ট পাখি;
দাড়ে বসে গাইছিল গান,
আপনমনে -
কাটছিল দিন,
বেড়ে বুঝি উঠছিল বেশ..
আধো ছাঁয়া অন্ধকারে;
বুনো ঝড় আছড়ে মরে,
খাঁচার পরে..
পাখি?
চোখে তার আনন্দ রেশ..
খাঁচা মাঝে ছোট্ট পাখি;
স্বপ্ন বুকে-
মুগ্ধ চোখে,
পথ চাওয়া তার..
সময়ে;
ঠিক পালাবে,
নীল আকাশে..
পাখি?
সে তো রইল খাঁচায়..
হঠাত্ ঝড়ে;
বুঝি তা-ও হারিয়ে গেল,
অচিনদেশে..
ঝড় শেষে,
চারদিকে ভীড়-
ছোট্ট পাখির..
নিথর দেহ;
তবু বুঝি চোখের কোণে,
একটু হাসি..
বুঝি সে,
দেখছে সবাই..
চোখের জলে,
মুচছে বিষাদ-
বলছে,
'তোকেই ভালোবাসি'..।।
স্পন্সর [আমার অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যতের প্রেমিকাদের প্রতি]
লিখে দিলাম পশ্চিমের সান্ধ্য আকাশ
গায়ে মেখে কৃষ্ণচূড়া হস ।
মুছে দিলাম বেবোধ শাস্ত্রীয় হুমকিসমগ্র
বিবসনা হয়ে বৃষ্টি লুটিস ।
লাল শানকিতে তিন ফোঁটা স্বপ্ন দিলাম
প্রাকঘুমে নিয়মিত চোখে ছোঁয়াস ।
একপুকুর ঝিলমিলে সরপুঁটি দিলাম
আসন্ন মন্দায় নির্বিঘ্নে ফিশগ্রীল খাস ।
বিনিময়ে ওড়না দুলিয়ে শুধু
স্পন্সর করিস কিছু শর্তহীন মহুয়া সুবাস:
আমার কবিতারা শরীর দেখাবে...
অনস্তিত্ত্ব বিষয়ক রেললাইন
*
এইসব লাল-নীল-হলুদ
এইসব আদিগন্ত সন্ধ্যা,
সবার ভালোলাগায় সিক্ত হয়ে উঠে এসো চাঁদ
বিষণ্ণ রাতের আঁধার জোছনার চাদরে ঢেকে দিয়ে।
দূরে মিলিয়ে যাওয়া মেঘ ও মাঠের দিকে যতই এগিয়ে যাওয়া হয়
তারা সরে যেতে থাকে দূর থেকে দূরে।
শহরের সীমারেখা আঁকা ক্লান্ত কাকের দল ডানায় রোদ্দুর মেখে
বিশ্রাম নিতে শুকনো গাছের আশ্রয়ে নামে, স্বরে মিশে থাকে করুণ আর্তি।
দূরাগত ট্রেনের হুইসেলের উদাস
ভর করে পথিকের চোখে এবং মনের চিলেকোঠায়।
বৃষ্টিতে ভিজে হেঁটে যাওয়া দুই জোড়া পা
অনস্তিত্ত্ব বিষয়ক রেললাইন ধরেই চলে যেতে থাকে বহুদূরে
পাশাপাশি, তবু একজীবনের ব্যবধান রয়ে যায় মাঝে...
দিবানিদ্রা
আপনার দিবানিদ্রা নামে কোন রোগ আছে?
ভয় পাবেন না। দিবানিদ্রাকে যারা রোগ বলে আমি তাদের সাথে একমত নই। পৃথিবীতে যদি একখন্ড স্বর্গও থাকে তা লুকিয়ে আছে দিবানিদ্রার ভেতরেই।
দুনিয়ার খুব বেশী দেশে এই উপহার নেই। বাংলাদেশের আলসে কুঁড়েদের জন্য প্রকৃতি দিবানিদ্রা নামক একটা জিনিস উপহার দিয়ে গেছে।
দিবানিদ্রা বলতে দিনের ১২/১৩ ঘন্টার মধ্যে মূলত দুপুরের ভাতঘুমকেই বোঝায়। ঠিক কিনা? যদি ঠিক হয় তাহলে দিবানিদ্রা নিয়ে একটা কমন সুখস্মৃতি লিখতে বসে যাই।
প্রিয় কিছু গানের ঝাপ্পি
একটা সময় ছিল গান শুনতাম না বুঝে। আর যখন থেকে গান বুঝে শুনতে শুরু করেছি মনের দিক থেকে কৃপন হতে চলেছি, এখন আর খুব সহজে কোন গান প্রিয় গানের তালিকাতে যুক্ত হয় না। প্রিয়তে যুক্ত হওয়ার আগে কারন খুজা শুরু করে দেয় মন, গানের কথা গুলা ভালো নাকি গানের মিউসিক। মাঝে মাঝে গানের মিউসিক ভিডিও এর কারনেও গান প্রিয়তে চলে যায়। এই জন্যই বুঝি বাচ্চারা নিস্পাপ কারন তারা সব কিছুতে কারন খোজে না বড়দের মত। তবে মাঝে মাঝে কোন কোন গান এমনি এমনি পছন্দের তালিকাতে চলে যায় কারন ছাড়া, মন এখনও অতো কৃপন হতে পারেনি বলে কিছুটা ফাকা জায়গা বাকি রাখছে হয়তো। বড় হওয়ার সাথে সাথে গান শোনার রুচিবোধটা মনে হয় বদলে যেতে থাকে তা না হলে ছোটকালে রবি চৌধুরি সাহেব এর গানে নাচতাম কেনো এখোনও বুঝে আসে না। মামা চাচাদের দেখতাম সকাল বিকাল মনির খান, রবি চৌধুরি, এস ডি রুবেল, তপন চৌধুরি, পলাশ আর নচিকেতার গানের ক্যাসেট পেচাতে। এখোনও মনে
বুঝিনা
বুঝিনা আমি। কেউ কি আছেন, যিনি আমারে বুঝাইয়া দিবেন ?
ক
হাসান রায়হান সাহেব বহুতদিন ধৈরা কোনো পোস্ট দেয়না ক্যান ?
খ
সাঈদ ক্যান বিয়া করেনা ?
গ
জয়িতা এত দুঃখ দুঃখ করে ক্যান ?
ঘ
মীর ক্যান দেখা দেয়না ?
ঙ
জেবীন ক্যান বৈদেশ গেছে ?
চ
জেবীনের বান্ধবী ডাক্তার ফারজানা আপার বিয়া হৈবো কবে ?
ছ
মাসুম ভাই কবে টক শোতে যাওন কমাইয়া আমগোরে সুযোগ দিবো ?
জ
বিমার বৌ মিথিলা কবে অসুস্থ হবে (ইয়ে, মানে-- এইটা অন্যরকম অসুস্থ
) ?
ঝ
রাসেল আশরাফ কবে বাড়িত আইবো, কবে আমরা তার বিয়ার দাওয়াত খামু ?
ঞ
জোনাক কি তার বিয়াতে আমগো দাওয়াত দিবো ?
আইজকা আর কুনু প্রশ্ন করুম না। আরো অনেক প্রশ্ন করনের আছে। এইগুলির ঠিক ঠিক জবাবা পাইলে আবার পরের কিস্তি প্রশ্ন করুম
রৌদ্রস্নাত একটি দুপুর
রৌদ্রস্নানে ফুরফুরে দুপুরের আগমন , কোথাও বৃষ্টি নেই , তারপরও কাকগুলো ডানা মেলে ধরেছে ,
ছিপছিপে গড়নের গাছগুলোতে যৌবন ঠিকরে পড়ে পল্লবের দীপ্ত ভাঁজে ভাঁজে ,
কবুতরও একপায়ে খাড়া ;
সবাই প্রশান্তির আঁচ নিয়ে বৈশাখের হাওয়া মাখে গায়ে ,
পিঠ পুড়ে যদিবা অজান্তে ।
পুকুরটায় জল নেই , কাঁদা আছে , আরো আছে রোদের ঝলকানি ,
পাড় ধরে দাড়িয়েছে কলাগাছ সারি সারি অতন্ত্র প্রহরী ,
এদিকে সবুজ ক্ষেতে ধানে ধানে আলোর নাচন ,
কোথাও শব্দ নেই , নিশ্চুপ কর্মকোলাহল ,
কোথাও বৃষ্টি নেই তারপরও ভিজছে সবই ,
মৃদু প্রেমে ভিজে যায় রৌদ্রস্নাত একটি দুপুর ।
কবিতা: তোমাকে জানাতে চাই
কোনো বৃষ্টি ছাড়াই শুভ্র আকাশের শাদায় সেদিন
রঙধনু ছড়িয়েছিলো সাতটি সুন্দর রঙ
তার সবগুলো ধরে নিয়ে তুমি হয়েছিলে অনন্যা,
তোমায় যত যাই বলি- জেনে রেখো তাতে
কোনোদিন পুরোপুরিভাবে তোমাকে ফুটিয়ে তোলা যায় না।
সেই অক্ষমতা মেনে নিয়েই মাঝে মাঝে মহানগরীর অলি-গলি থেকে
তোমায় খুঁজে বের করে জানতে চাই, কেমন আছো সুন্দরী?
সে তো কেবল তোমার সঙ্গে কিছুদিন কথা না হলে
অনেক অ-নে-ক বেশি
মিস্ করি,
তাই।
তাই তোমাকে আমি জানাতে চাই,
তোমার ভালো থাকাটা অনেক বেশি জরুরি
কারণ তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে
আমার একটা লক্কর-ঝক্কর গরুর গাড়ি।
---
হারিয়ে যাওয়া খেলা।
আজ এক কাজে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। সেখানে আমার সাত বছরের ভাতিজা কে দেখলাম একটা লাঠি নিয়ে খেলছে। জিজ্ঞেশ করলাম, কি খেলছিস রে? বলে, “কিছু না। এমনি।‘ চেষ্টা করলাম খেলাটা বোঝার জন্য। কেমন খেলা, কি নিয়ম মেনে খেলা হছে । দেখলাম, শুধুমাত্র একটা লাঠি মাটিতে গাড়ার চেষ্টা। কে কতটুকু মাটিতে গাড়তে পারে। ভাতিজা একবার গাড়ছে, মাপ নেবার পর আরেকজন আবার মাটিতে গাড়ছে। তারপর জয় পরাজয়। গ্রামের বাড়িতে মাটি পেয়ে নতুন একটা খেলা তৈরি করেছে।
Spring, Summer, Fall, Winter... and Spring কিংবা শাশ্বত জীবন-চক্র

জীবন-চক্র শাশ্বত, অহেতুক ব্যস্ত মানুষ হিসেবে আমরা অধিকাংশ সময় সেটা খেয়াল করতে ভুলে যাই। আধুনিক জীবনের সুবিধা, কাজের তাড়াহুড়া এবং ছুটাছুটি সর্বদা চলমান পৃথিবী থেকে আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে রাখে। ভাগ্যিস Spring, Summer, Fall, Winter … and Spring এর মত কিছু ছবি আছে যা আমাদের আবার শিকড়ে তাকাতে বাধ্য করে।
কোরিয়ান কিম কি-দুক এর এই ছবিতে চরিত্র হাতে গোনা, পুরো ছবির সংলাপ হয়তো সাকুল্যে এক পাতা হবে, ছবির লোকেশন বলতে গেলে এক জায়গাতেই! তারপরও ছবিটা দেখার পরে স্তব্ধ হয়ে হয়ে বসেছিলাম। এটা এতই গভীর মর্মস্পর্শী যে ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
বর্ষার ই-বুকের জন্য লেখা আহবান
প্রতীতি থেকে আমরা আগামী পহেলা আষাঢ় প্রকাশ করতে যাচ্ছি বর্ষা বিষয়ক ই-বুক ‘বৃষ্টির দিনে’। প্রথম প্রতীতির সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিই।
প্রতীতি হচ্ছে একটি আন্তর্জালভিত্তিক ই-বুক প্রকাশনা সংস্থা। প্রতীতির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ তারিখে। যাত্রার কিছুদিন পরে ২০শে মার্চ, ২০১১ তারিখে সামু, আমার ব্লগ, চতুর্মাত্রিক, শব্দনীড়, মুক্তব্লগসহ অনেকগুলো বাংলা ব্হলগে একযোগে প্রকজাশিত হয়য় প্রতীতির প্রথম ই-বুক 'এক মুঠ চলোচ্ছবি'

অংক মিলে যায়, তবুও অপেক্ষা থাকে
তারপর মিলে গেলো অংক,
ফাঁস হয়ে গেলো সকল সংখ্যার জারিজুরি।
আমরাও তাকাই ফিরে সবুজ বনের দিকে,
তার পাজর জুড়ে থাকা কাঠবিড়ালীরা
ক্রমশঃ কেমন ঘোলা চোখে
তাকিয়ে সুরুৎ করে গর্তে ঢুকে যায়
যেন নেউলের বাচ্চা! আর শীত ঘুম থেকে
উঠে আসা সাপগুলো ফোশ করে
ফনা তুলে মনিটাকে খুঁজতে বেরোয়।
অংকটা যেহেতু মিলে গেছে তাই
সবকিছু ওলোট-পালোট হলেও যেনোবা
কারো কিছু আসবে অথবা যাবে না।
বিকেলের রাতজাগা চোখে ধুলো দিয়ে
চলে গেছে রোদ্দুর ও তাহার দল
সময়ের আগেই নেমেছে সন্ধ্যা,
রান্না থামিয়ে উঠোনে নেমে আসে মা, শিঙায় মুখ
রেখে উলুধ্বনি! গর্ত থেকে সাপ আর নেউলেরা উঁকি দেয়
তাদের দুপাশে রেখে মাঝখানে জাকিয়ে বসেছে অসুখি অ্যালিস...
বিস্ময় জগতে ভ্রমণ তখনো শেষ হয়নি!
আসলে ধারণা ছিলো অংক মিলে গেলে
কারো কোনো কাজ থাকবে না আর
সবাই অলস বসে থাকবে মৃত্যুর আশায়
সবকিছু চুরি করে এনে কপালে সাজিয়ে রাখা যায়