মীর'এর ব্লগ
অন্য প্রাণীরা
ফ্রাঙ্কফুর্টের দূরপাল্লার ট্রেনস্টেশনে নামার সময় কেন যেন বিরক্তি ভন ভন করছিল মাথার মাঝে মাছির মতো। কিসের ওপর যে বিরক্তি তা বুঝতে পারছিলাম না। দুই দিনের জন্য বান্ধবীর সাথে দেখা করতে তার শহরে যাচ্ছি। সাড়ে তিন ঘন্টার মাত্র জার্নি। টিকেটও পেয়েছি দারুণ সাশ্রয়ী মূল্যে। সারাদিনে যা কিছু ঘটেছে আমার সাথে তাতেও খুব একটা খারাপ কিছু ছিল না। তারপরও আজাইরা বিরক্তি মাথাটাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল।
ফ্রাঙ্কফুর্টের ছিল ট্রেন বদলের পালা। তার আগে দেড় ঘন্টার মতো জার্নি করেছি। এখন মিনিট বিশেকে বিরতি এবং তারপর আরও দেড় ঘন্টা কি তার একটু বেশি। স্টেশনে দাঁড়িয়ে ধূমপানের কোনো উপায় নেই। স্টেশন থেকে বের হয়ে ধূমপান করতে হয়। ভাবলাম হাতে সময় আছে যেহেতু কাজটা করেই ফেলি।
ঠিক কথা না ভুল কথা
১.
জিরুর মার সাথে ভোলুর বাবার বহুদিন ধরে ঝগড়া। নানান কারণে নানানভাবে সে ঝগড়ার জঙ্গল গড়ে উঠেছে। প্রথম প্রথম হয়তো ছিল একটা-দু'টো আগাছার ঝাড়, সেসবে রোদ-পানি কিচ্ছু ঠিক-ঠিকমতো পড়ে নি। শুধু অন্ধকারে চাপা দিয়ে দিয়ে রেখে যাওয়া হয়েছিল। সেসবই কালে কালে ভোলুর বাবার মনে যেমন, জিরুর মার মনেও তেমনি ডালপালা ছড়িয়ে জঙ্গল গড়েছিল। সেই সব নিয়েই তাদের দুজনের ঝগড়া। ভেতরের কথা কি- তা বাইরের মানুষ কি করে জানবে, কিন্তু উড়ো উড়ো সংবাদ বলতে পাওয়া গিয়েছিল এতটুকুই।
যাপিত দহনের গল্প - ৪
"সুখের বারান্দা জুড়ে রোদ পড়ে আছে
শীতের বারান্দা জুড়ে রোদ পড়ে আছে
অর্ধেক কপাল জুড়ে রোদ পড়ে আছে
শুধু ঝড় থমকে আছে গাছের মাথায়
আকাশমনির ।
ঝড় মানে ঝোড়ো হাওয়া, বাদ্ লা হাওয়া নয়
ক্রন্দনরঙের মত নয় ফুলগুলি
চন্দ্রমল্লিকার ।
জয়দেবের মেলা থেকে গান ভেসে আসে
সঙ্গে ওড়ে ধুলোবালি, পায়ের নূপুর
সুখের চট্ কা ভাঙে গৈরিক আবাসে
দিন যায় রে বিষাদে, মিছে দিন যায়..."
শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের "দিন যায়" কবিতা। কিছু কিছু বিষাদমাখা দিনের জন্য যুতসই একদম একটা কবিতা। কত এমন দিন কাটে যখন বিছানা ছাড়তে ইচ্ছে হয় না একটুও। সে সময়ের কবিতা।
জীবনে এমন দিন এক-আধবার আসা খারাপ না। সমস্যা হয় যখন এমন দিন স্থায়ী হতে চায়। আর আমাদের মস্তিষ্কটাও যেন কেমন। এমন দিনের প্রতীক্ষায়ই যেন থাকে ওটা। আসলে কোন রকম দিনের প্রতীক্ষতেই থাকে না আমাদের মস্তিষ্ক। ওটা শুধু অলস হয়ে পড়ার সুযোগ খোঁজে।
যাপিত দহনের গল্প - ৩
“বহুদিন ছিলো আগুনখেলার দিন
বহুদিন ছিলো জলোৎসবের তোড়
বহুদিন ছিলো পথে পথে উড্ডীন
বহুদিন কত রাত হয়ে গেল ভোর।
শূন্যতা এসে শূন্যতে ছিলো মিশে
একাকার সেই পূর্ণতা থেকে কত
বহুদিনকার দিনানুদিনের বিষে
অকাতর ঐ মুখ ছিলো উদ্গত।
সে মুখের কোন সীমানা ছিলো না যেন
এ-কালে ও-কালে ছড়ানো হাজার সাজে
মূর্ছিত হয়ে পড়ে ছিলো সব জ্ঞানও
আধোরাত্রির দূরাগত পাখোয়াজে।
অশরীরী যত নাচের বিভঙ্গেরা
জ্ঞানহীন সেই শরীরে উঠেছে মেতে
ঐ মুখ ছিলো আমার দুহাতে ঘেরা
মগ্ন শিশির নগ্ন ফসলক্ষেতে।
ছন্দ আমার বুকের বাঁপাশে এসে
তুলে আনে আজ সেই রাত্রির ভার
ও যদি ঘুমোয় ঘুমোক না অক্লেশে
ভালোবাসি ছাড়া কী-বা ছিলো বলবার।"
যাপিত দহনের গল্প - ২
জীবনের অন্যতম অর্থ সম্পর্কে আমি কৌতূহলী বহুদিন ধরে। কি কারণে 'জীবন' তার সাড়ে তিন বিলিয়ন বছরের পথ পাড়ি দিয়ে আজকের অবস্থায় এসেছে? কিসের আশায়? মানুষও তো তিনশ হাজার বছরের ইতিহাস পেছনে ফেলে এসেছে। কোন উদ্দেশ্যে?
বংশবিস্তার জীবনের একটি অন্যতম উদ্দেশ্য- গবেষকদের কথা এটি। কিন্তু বংশবিস্তারের দ্বারাই বা কি এমন বিরাট কার্য সম্পাদিত হয়েছে? সাড়ে তিন বিলিয়ন বছর ধরে নানান প্রজাতি জীবনের জয়গান গাইছে। অদ্যবধি তাতে করে সাড়ে ছয় হাজারের মতো স্যাটেলাইট, হাতে গোণা কিছু মহাকাশযান ও মহাকাশচারী ছাড়া বলার মতো কিছু নেই। এইসবে বিজ্ঞানের যা উন্নতি হয়েছে তাতে আমাদের চলার পথে মসৃণতা এসেছে। কিন্তু সত্যিকারের লাভ কি কিছু হয়েছে?
যাপিত দহনের গল্প
অসম্ভব কথাটির সাথে দ্বিমত পোষণ করা একটি জীবন কাটানো কতটা সহজ? সেই কবে কোন ছেলেবেলায় বইয়ে পড়েছিলাম ফরাসী বীর নেপোলিয়নের কথা। বলে কিনা অসম্ভব নাকি শুধু বোকাদের শব্দকোষেই পাওয়া যায়। আচ্ছা, যদি বুকের ভেতর কষ্ট হয় তবে কি সেটা বোধ না করে থাকা সম্ভব? কিংবা যদি মনের সায় না মেলে তো সে কাজ আনন্দ নিয়ে করা?
অসমাপ্ত ঝিকিমিকি গল্প
১.
সেবার আমাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ একটা ইন্টার্নশিপের ব্যাবস্থা করা হয়েছিলো! ডানিডা নামের একটা প্রতিষ্ঠান আছে। ইন্টার্নশিপটি ছিল সে প্রতিষ্ঠানের একটি প্রকল্পের অধীনে। ইন্টার্নশিপের জন্য যেতে হবে ডেনমার্কের একটি দ্বীপে। থাকতে হবে আয়োজনকারীদের ব্যাবস্থা মোতাবেক। ঠিক নয়টা-পাচঁটা কাজ নয়, তারপরও বেশ গুরুতর ব্যাপার।
ডিপার্টমেন্ট থেকে বলা হলো, আমাকে ক্লাসের ফার্স্টবয় সজলের সঙ্গে ডেনমার্কে যেতে হবে। কথাটা শুনে ভালো লাগলো। এই সুযোগে বিমানভ্রমণ হবে। কিছুদিন পোড়ামন নিয়ে পোড়া শহরে ঘুর ঘুর করতে হবে না এবং আমার ছকে বাঁধা জীবনটাকে রিপিট করতে হবে না। একই সঙ্গে ভাললাগা আর উত্তেজনা নিয়ে আমরা দু'জন ভাইকিংদের রাজ্যে পদার্পণের অপেক্ষায় দিন কাটাতে শুরু করলাম। ভিসা পেতে কোনো জটিলতাই পোহাতে হলো না। ডানিডা'র সব বন্দোবস্ত যারপরনাই ভালো ছিলো।
গল্প: বার্লিনে প্রথমবার খুব মন খারাপ হয়েছিল
১.
বার্লিন মেইন স্টেশন থেকে বের হয়ে আনমনে হাঁটছিলাম স্প্রি নদীর পাড় ধরে ধরে। মনটি ভীষণ খারাপ হয়ে ছিল বিশেষ একটা কারণে। বেশি একটা পাত্তা দিতে চাচ্ছিলামও না, কিন্তু ঘুরে ঘুরে মনে পড়ছিল।
আহা, একজন বিদেশে আসার স্বপ্ন কত যত্নে বুকে লালন করে রেখেছিল! আর আমার কোনো ইচ্ছাই ছিল না দেশ থেকে কখনও বাইরে আসার। অথচ আমার জীবনটাই আজ মিশে গিয়েছে বিদেশের অচেনা আকাশ, অজানা বাতাসে। আজীবন পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়া সেই আমি আজ বাবা, মা সবাইকে হারিয়ে একা। যার জন্য সবাইকে হারাতে বাধ্য হয়েছিলাম, সেও ছেড়ে চলে গেছে বহু আগে। তাই আজকাল সবকিছুর ভেতরেও ঘাপটি মেরে বসে থাকে এক অব্যক্ত শুন্যতা। কথাটি সাধারণত সবসময় মনে পড়ে না, কিন্তু যখনই মনে পড়ে তখনই আমার অনেক খারাপ লাগে। তাই ভাবলাম বিষয়টিকে একটি গল্পের রূপ দেয়া যায় কিনা।
সারাটি রাত্রি শুধু তারাদের সাথে তারাদেরই কথা হবে
"আমি কি কথা স্মরিয়া
এ তনু ভরিয়া
পুলক রাখিতে নারি
ওগো কি ভাবিয়া মনে
এ দুটি নয়নে
উথলি নয়ন বারি..."
গভীর নীল সাগরের জলে একবার ভরা চাঁদের নৃত্য দেখেছিলাম। চাঁদের আলো জলের ঢেউয়ে ঠিকরে পড়েই প্রতিফলিত হয়ে দিক বদল করে ফেলে। অন্য কোন দিকে চলে যায়। আমি বসে হারিয়ে যাই সেই প্রতিফলনে সৃষ্ট আলোকচ্ছটা দেখতে দেখতে। দূর অতীতের কোনো এক চন্দ্রালোকিত রাতের স্মৃতিতে।
স্মৃতি যেন ঈশ্বরের এক আশ্চর্য অনুদান। সময় নামক অনাসৃষ্টিটির বিরুদ্ধে সামান্য কৃপা। চলে যাওয়া সময়কে কখনো ফিরে না পাওয়া গেলেও তাই স্মৃতিকে আকড়ে সময়ের ফিকে হয়ে যাওয়া স্বাদ পাওয়া যায়।
যদি স্মৃতি না থাকতো, তাহলে হয়তো সময়ের মূল্যও অন্যরকম হতো। কষ্ট ছাড়া অনাবিল সুখের যেমন কোনো বিশেষ মূল্য থাকে না। স্মৃতি না থাকলে সময়ের ফিরে না আসার বাধ্যবাধকতা মেনে নেয়া হয়তো সম্ভব হতো না।
ফেসবুক পেইজ চালান
১.
আপনারা প্রায় সবাই ফেসবুক পেইজ চালান। ফেসবুক বর্তমানে ব্যাবসার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বিশেষত শপিং সেন্টার কিংবা তথাকথিত 'ফিজিক্যাল' বিক্রয়কেন্দ্রবিহীন ব্যাবসাগুলোর কাছে, খরিদ্দারের কাছে খবর পৌঁছানোর অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে জনপ্রিয়তার তালিকায় প্রথম দিকেই অবস্থান করছে ফেসবুক।
এর অন্যতম কারণ হচ্ছে ফেসবুকের সুবিশাল তথ্য-ব্যাংক। বর্তমান বিশ্বের মোট জনসংখ্যার সাথে তুলনা করে বলতে গেলে-
পৃথিবীতে যতো মানুষ রয়েছে তার এক-তৃতীয়াংশ সমপরিমাণ ফেসবুক প্রোফাইল রয়েছে। যার অন্তত ৫০ শতাংশ নন-ফেক তথা প্রকৃত মানুষের প্রোফাইল। অর্থাৎ পৃথিবীর প্রতি ছয় থেকে সাত জন মানুষের জন্য রয়েছে একটি করে অরিজিনাল ফেসবুক প্রোফাইল!
গল্প: ডুবে যাওয়া সন্ধ্যার মাস্তুল
১.
অঝোর ধারায় বৃষ্টি ঝরছে। বাড়ির টানা বারান্দায় বসে আনমনে মুখ, কপাল আর কপালের ওপর পড়ে থাকা চুলগুলোকে ভেজাচ্ছিলাম। যদিও কতক্ষণ ধরে ভেজাচ্ছিলাম মনে নেই। এর মধ্যে শরীফ এক কাপ রং চা দিয়ে গিয়েছিল। ওকে চা দিতে বলতে হয় নি। নিজে থেকেই আমায় বারান্দায় বসে থাকতে দেখা চা দিয়ে গেছে। বৃষ্টি নিয়ে কোনো কথাও বলে নি। অন্য কেউ, যেমন মা বা বাবা হলে বৃষ্টিতে ভেজা থেকে বিরত থাকার কথা বলতো হয়তো। শরীফটা আমার মনের ভাব বেশ ভাল বোঝে। তাই চুপচাপ চা রেখে চলে গেছে।
সেদিন সিগারেট, চা, বৃষ্টি, বারান্দা, উচুঁ দালানকোঠা, খোপ খোপ জানালা, আধো আলো আর আধো অন্ধকার- সবকিছু মিলিয়ে পরিবেশটা বেশ জমে উঠেছিল। বেতো ঘোড়ার মতো কয়েকটা নাগরিক বৃক্ষকে বাতাসের ঝাপটায় খুব করে দুলতে দেখে হঠাৎ আমার শৈশবের অনেকগুলো স্মৃতি মনে পড়ে গিয়েছিল।
বসফরাসের গাঙচিল আর দুই দরিয়ার গহীন নীল: হারিয়ে যাওয়া যায় না বৃথা যেখানে
১.
দিনের বেলা ঘুমিয়ে কাদা হয়েছিলাম। এখন উঠে মন খারাপ লাগছে। জানি রাতে ঘুমানোটা কঠিন হয়ে গেল ভীষণ। কিন্তু কি আর করা। ঘুমানোর সময় ভেবেছিলাম খুব বেশি হলে আধা ঘন্টা ঘুমানো যাবে। ওমা পাক্কা আড়াই ঘন্টা পর চোখ খুলেছি। মাঝখানে তো ঘুমের মধ্যেই মনে হচ্ছিল ঘড়ির কাঁটা রাত আর দিন পেরিয়ে চলছে অজানা গন্তব্যের পানে।
সাগরের তীরে যতোবার বেড়াতে গিয়েছি, ততোবারই আমার কি যেন হয়েছে। মনে হয়েছে মাত্রই তো কয়েকদিনের জন্য এখানে আসা। এই আসার কি কোনো অর্থ আছে? এসব ভেবে ভেবে মন খারাপই থাকতো বেশি। বহু চেয়েও কখনও উপভোগ করতে পারি নি। অথচ সাগরপাড়ের বাতাস যদি মুঠোবন্দি করে এনে আমার সামনে কেউ ছেড়ে দেয়, আমি বলে দিতে পারবো সেটা সাগরপাড়ের বাতাস। জানি আর না জানি, সাগরের কাছাকাছি গেলেই আমি টের পেতে শুরু করি।
টিটিকাকা হ্রদে ভ্রমণের গল্প : সহজ জীবনের খতিয়ান
১.
জীবনে সুযোগ পেলে একবার আমাজন মহাবনে ঘুরতে যাবো- এমনটা যখন আমি প্রথমবার ভেবেছিলাম তখন বোধহয় আমার বয়স ছিল ১৩। ১৯৯৮ সালের শেষ দিকর কথা। সেবা প্রকাশনী কিশোর থ্রিলার সিরিজ "তিন গোয়েন্দা"-র কোনো একটা সদ্যপ্রকাশিত বইতে সেবার কিশোর পাশা, রবিন মিলফোর্ড আর মুসা আমান মিলে আমাজনের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। মূল উদ্দেশ্য ছিল চোরা-কারবারিদের পাকড়াও করা। বইয়ের পাতায় পাতায় মহাবন অমাজনের যে জীবন্ত বর্ণনা ছিল তাতে যেন সবকিছু ভেসে বেড়াচ্ছিল আমার চোখের সামনেই। এক দমবন্ধ উত্তেজনায় ঠাসা দুপুরে এক বসায় বইটা শেষ করে আমি মনে মনে ঠিক করে ফেলেছিলাম, একদিন আমাজনে আমায় যেতেই হবে।
জুঁই ফুলেরা জুঁই তলায়
১.
আমি মনে হয় কোন একটা ছোটাখাটো জীবন কাটিয়ে খুব সাধারণভাবে একদিন মৃত্যুবরণ করবো। কথাটা মনে হলো সে সময়টায় যখন হঠাত মনসাগরের গভীর তলদেশ থেকে উঠে আসতে ধরেছিল সেইসব বুদবুদ, যারা দীর্ঘ একটা সময়, প্রায় অর্ধেক শতককাল, শুধু সেই তলদেশ থেকে সাগরের ঢেউয়ের চূড়াটিতে পৌঁছুতেই লাগিয়ে দিয়েছিল। ওরা পৌঁছেছিল গগনে নিশান উড়িয়ে নীল সাগরের ওপর ভাসমান মার্তণ্ড-টার এক মহাজাগতিক আলোকছটাকে নিজের বুকে ঝিকমিকিয়ে উঠতে দেখে মরে যেতে।
২.