ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

অসমাপ্ত বাস্তবতা... ১

কিছু লিখতে পারছি না কেন? এমন কি জীবন যাপন করছি যেটা লিখে রাখতে বাধা আসছে? নাকি উপস্থাপনা কেমন হবে ভেবে ভেবে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ছি? এ দু'টো সমস্যার কোনোটাই তো আগে ছিল না! এখন কি হলো? ওকে পয়েন্ট ধরে ধরে আগানো যাক। অন্তত বের করা যাবে সমস্যা আসলেই কিছু আছে কিনা। নাকি আলসেমী, নাকি জড়তা, নাকি কিছুই না জাস্ট নিরাশার জালে বন্দি হয়ে পড়া- কোনটা ঘটছে?

প্রথম পয়েন্ট, থিসিস নিবন্ধন করা হয়ে গেছে। দীর্ঘ তিন মাসের ইমেইল চালাচালির পর অবশেষে আমার দ্বারা কাজটা করা সম্ভব হইলো! এবং এর মধ্যে যথারীতি থিসিসের আইডিয়াও বহুবার পরিবর্তিত হয়েছে। শেষতক যে থিম নিয়ে কাজটাকে নিবন্ধন করানো হয়েছে তা হচ্ছে- গতানুগতিক সকল প্রকার শিক্ষা কার্যক্রমে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মতামত।

ইস্তান্বুলের গল্পের ভূমিকার ভূমিকা

দিনের বেলা ঘুমিয়ে কাদা হয়েছিলাম। এখন উঠে মন খারাপ লাগছে। জানি রাতে ঘুমানোটা কঠিন হয়ে গেল ভীষণ। কিন্তু কি আর করা। ঘুমানোর সময় ভেবেছিলাম খুব বেশি হলে আধা ঘন্টা ঘুমানো যাবে। ওমা পাক্কা আড়াই ঘন্টা পর চোখ খুলেছি। মাঝখানে তো ঘুমের মধ্যেই মনে হচ্ছিল ঘড়ির কাঁটা রাত আর দিন পেরিয়ে চলছে অজানা গন্তব্যের পানে।

সাগরের তীরে যতোবার বেড়াতে গিয়েছি, ততোবারই আমার কি যেন হয়েছে। মনে হয়েছে মাত্রই তো কয়েকদিনের জন্য এখানে আসা। এই আসার কি কোনো অর্থ আছে? এসব ভেবে ভেবে মন খারাপই থাকতো বেশি। বহু চেয়েও কখনও উপভোগ করতে পারি নি। অথচ সাগরপাড়ের বাতাস যদি মুঠোবন্দি করে এনে আমার সামনে কেউ ছেড়ে দেয়, আমি বলে দিতে পারবো সেটা সাগরপাড়ের বাতাস। জানি আর না জানি, সাগরের কাছাকাছি গেলেই আমি টের পেতে শুরু করি।

বন্ধু-বান্ধব, হিপ হপ আর দি লাস্ট জেডাই ট্রেলারে মোড়ানো পহেলা বৈশাখ

দেশের বাইরে থাকার সুবিধা-অসুবিধা দুটোই আছে। কোনটা বেশি আর কোনটা কম, সে বিষয়ে সিদ্ধান্তমূলক কিছু বলা সম্ভব না। একেকজনের কাছে বিষয়টা একেক রকম হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আমার কাছে যেমন পহেলা বৈশাখের দিনে উৎসব আর আনন্দ-অায়োজনের মধ্যে না থাকতে পারাটা অনেক বড় একটা ইস্যু। ঈদ, কুরবানী কিংবা ভালবাসা দিবস, পহেলা ফাল্গুনের চাইতেও পহেলা বৈশাখটাকে মিস্ করি বেশি। একবার ১৩ এপ্রিল রাত ১১টা-১২টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, চারুকলার ফুটপাথ, মিলন চত্বর, টিএসসি, ডাস ইত্যাদি এলাকায় বন্ধুদেরকে নিয়ে হেঁটে দেখিয়েছিলাম ঠিক একদিনের ব্যবধানে কি অবস্থা হতে যাচ্ছে পুরো এলাকাটির। চব্বিশ ঘন্টা পর আবার হেঁটে নিজের অনুমান কতোটা সত্য তা দেখতে গিয়েছিলাম। মিলে গিয়েছিল সেন্ট-পারসেন্ট সবকিছু। পহেলা বৈশাখের দিন কয়টার আগে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়লে হুজ্জত কম, কোথাকার লাঞ্চ সেদিনের জন্য আদর্শ কিংবা ক্যাম্পাস থেকে বের হতে হলে কখন কোথা দিয়ে বে

শুধু ছেঁড়া পাতা হয়ে জীবনের খাতা হতে আস্তাকুড়ের রাস্তাটুকু খুঁজে নিতে খারাপ লাগে

ইও, ওয়াট্সাপ?

জানো, আমার পাষাণ হৃদয়টা না কখনও শরীরের অন্য কোনো অঙ্গের কথা ভাবে না। কখনও ভাবে না যখন সে কষ্ট পায়, তখন তার চেয়েও বেশি কষ্ট হয় অন্যদের। সে জাস্ট কষ্টের খনি খুড়ে বেড়ায় সর্বত্র। একবার খুঁজে পেলে খুশিতে লাফাতে থাকে। সামান্য নিকট ভবিষ্যতে কি অপেক্ষা করছে সেটা জানার জন্য অপেক্ষাও করে না। ঝাপ দেয়ার প্রথম সুযোগটাতেই ঝপাত। একদম পপাত! তারপর দুই কি এক সপ্তাহ বাদে বুঝতে পারা যে, কতোটা ভুল ছিল সিদ্ধান্তটা!

বেচারা তারপর ফিরে যায় ১২ দশমিক চার বর্গমিটারের কুঠুরিটায়। ঠায় তাকিয়ে থাকে ডার্থ ভেডারের সাদা-কালো পোস্টারটার দিকে। রুমের ডেথ স্টারটা তাই দেখে গম্ভীর হয়ে যায়। চারশত বছরের পুরোনো পৃথিবীর ম্যাপটার জায়গায় জায়গায় নীল ছোপ জমা হয়। কম্বলের ওয়ারে আঁকা স্টর্মট্রুপারদের মুখও মলিন দেখায় ক'টা দিন।

মাস্টার থিসিসের আইডিয়া এবং সংশ্লিষ্ট গালগল্প

মাস্টার থিসিস নিয়ে একটু এক্সাইটেড ফীল করছি। আচ্ছা এক্সাইটেডের বাংলা কি হবে এই ক্ষেত্রে? উত্তেজিত কথাটা যাচ্ছে না। অন্য এক অর্থের হাতছানি দিচ্ছে। এই এক্সাইটেড মানে একটা কিছু শুরু করার উত্তেজনা। একটা কিছু যেটাকে নিয়ে আগামী ছয়টা মাস কাটাতে হবে। যেটার পরিকল্পনায় করা প্রতিটি ভুল পরবর্তীতে কাউন্ট হবে। প্রতিটি সঠিক সিদ্ধান্তও কাউন্ট হবে। খানিকটা উত্তেজিত বোধ না করে উপায় কি?

সমসাময়িক ভাবনা, মাস্টার থিসিস রান্নার গল্প এবং আরও কিছু ছাইপাশ

ছোটখাটো ঝুট-ঝামেলার মধ্য দিয়ে সময় কেটে যাচ্ছে। যার মধ্যে হাতের চিকিৎসা, খুব দ্রুত একটা কাজ খুঁজে বের করা, থিসিস শুরু করা ইত্যাদি বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। প্রায় কিছুই করা হচ্ছে না অ্যাজ ইউঝুয়াল। শুয়ে-বসে, রান্না করে, ক্লোন ওয়ার্স-স্টার রেবেল-ইত্যাদি দেখে, আর খুব সামান্য পরিমাণ পড়াশোনা করে সময় কাটছে। দরকার ছাড়া রুম ছেড়ে বের হই না দেখে প্রথম দিকে বন্ধুরা অভিযোগ করার চেষ্টা করছিল। তারপর এক সময় বুঝে ফেললাম এখনকার আমিটাকে যারা অভিযোগ ছাড়াই মেনে নিতে পারছে, তারাই প্রকৃত বন্ধু; এখনকার আমিটার। তাদের মধ্যে যারা অন্যান্য সময়ের আমিদেরকেও অভিযোগ ছাড়া মেনে নিতে পেরেছিল, তারা প্রকৃত বন্ধু; সেই প্রত্যেকটা আমির। এবং এভাবে যারা আমার সর্বোচ্চ সংখ্যক ভার্সনের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছে, তারাই আমার সামগ্রিক অস্তিত্বের প্রকৃত বন্ধু। এরকম বন্ধুর সংখ্যা নগণ্য হওয়াই স্বাভাবিক।

যদি তুমি বৃষ্টিতে ভিজতে আর পিনা কোলাডা পান করতে পছন্দ করো

বছরের প্রথম সপ্তাহের মতো সময় আর হয় না। আজ সকালে যেমন ঘুম ভেঙেছে এক অদ্ভুত স্বপ্নে। চোখ মেলে দেখি কেবল সাড়ে সাতটা বাজে। সাড়ে সাতটা মানে আমার কাছে সকালও না। মধ্যরাত বলা যায়। কারণ আমি ঘুমাতে যাই নূন্যতম চারটায়। ইদানীং আবারও পুরোনো রুটিনে ফিরে গিয়েছি। এটা অনুমিতই ছিল। বন্ধু টোসিনের পরামর্শছিল, dude we have been to real life shit for two months. we need a break.

এক জামরুল-রঙা বিকেলের গল্প

তুমি নাকি করতে চেয়েছো
ছোট্ট একটা সর্বনাশ?
জানো নিশ্চই, এই আমারই দেহের ভেতর
মৃত আত্মা করছে বাস।

মনিটরের কোণার ক্যালেন্ডারটায় একটা দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন এসে পড়েছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই একটা বছর পার করে আসলাম। ব্যক্তি পর্যায়ের অ্যাচিভমেন্ট। পৃথিবীর সবাই যদি কোনো দুর্ঘটনা ছাড়া একটা বছর পার করতে পারে, তাহলে সব অ্যাচিভমেন্ট জোড়া লাগিয়ে একটা শান্তির মহাকাব্য রচনা করা যাবে। অলীক স্বপ্ন। কিন্তু দেখতে সমস্যা কোথায়? জন লেননও তো অলীক স্বপ্ন দেখতো। আর চিৎকার করে বেড়াতো, ইউ মে সে আ'ম এ ড্রিমার।

কাল্পনিক এক প্রাপকের কাছে কখনও না লেখা চিঠি

প্রিয় ছটফটানি,

তোমার একটা ছবি দেখলাম অনলাইনে। আজকে দিনটা এমনিতেই কেমন যেন খারাপ যাচ্ছিল। খারাপ মানে ঠিক খারাপ না কিন্তু মেলানকোলিক আরকি। তখন এক বন্ধুকে বলছিলামও কথাটা। তোমার ছবিটা দেখে ভাবটা বেড়ে গেল আরও।

জানি না কেন। গত ক'দিন ধরেই এই অবস্থা। কোথায় যেন আমি হারিয়ে গেছি। খুঁজে পাচ্ছি না কোনোভাবেই। কোনোকিছুতেই। ছোট ছোট কিছু পাওয়া মাঝে মাঝে নিজেকে উদ্বেলিত করে। পরক্ষণেই বুঝতে পারি, শুধুমাত্র ওই অতোটুকু পাওয়ার জন্য মানবজন্ম লাভের দরকার ছিল না। স্বচ্ছলতা তো আরও বাতুলতা হয়ে গেছে তার ওপরে।

সেই জীবনটা অবলীলায় আমায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল

আজ ট্যাটু আঁকার দোকানে গিয়েছিলাম। আমার বাম হাতে বেশ কিছু ব্লেডের পোচের দাগ রয়েছে। গভীর দাগ। সেগুলোকে সুন্দরভাবে ট্যাটু দিয়ে সাজাবো বলে ঠিক করেছিলাম। যদিও বলছি সাজাবো, কিন্তু আসল উদ্দেশ্য ছিল সেগুলো ঢেকে দেয়া। এককালে সোনালী ডানার চিলের পিছে ছুটতে গিয়ে অমন বহু কাঁটা-ছেড়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। 'সোনালী ডানার চিল' বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ চরিত্র। বলতে হবে এই চরিত্রের স্রষ্টা কে? যাহোক, আমি জানি "কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে"- কথাটাতে একবিন্দু সত্যতা নেই। তারপরও ট্যাটু আঁকার দোকানে গিয়েছিলাম বেদনাবিধুর কাঁটা দাগগুলো ঢেকে ফেলতে।

উইকেন্ডের গল্প

১.
এখন প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত কাজ করি। মাঝখানে দুইটা ছোট ছোট ব্রেক। জার্মান ভাষায় বলে পাউজে। প্রথমে একটা ২৫ মিনিটের পাউজে, টানা চার ঘন্টা কাজ করার পর। তারপর একটা ২০ মিনিটের পাউজে। প্রথম পাউজের ঠিক আড়াই ঘন্টা পাঁচ মিনিট পর। প্রথম চার ঘন্টা টানা কাজ করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে সোমবারগুলোতে। মঙ্গল-বুধবারের দিকে অতোটা ক্লান্তি লাগে না, যতোটা লাগে সোমবারে। কারণ শনি-রবি দুইদিনের ছুটি শরীরটাকে অলস বানিয়ে দেয় ভালোভাবেই। আর যদি উইকেন্ডগুলোতে হানা দেয় বন্ধুরা, তাহলে তো সেরের ওপর সোয়া সের। সেই উইকেন্ডের পরের সোমবারটার মতো দুর্যোগ আর হয় না।

আজ বহুদিন নতুন কোনো স্বপ্ন দেখি না

লাইপছিশ জার্মানীর সাক্সনী প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহর। অতুলনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা আর তরুণ প্রজন্মের জন্য অবারিত কাজের সুযোগ এ শহরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য বললে অত্যুক্তি হয় না। জনসংখ্যা অর্ধ-মিলিয়ন, যার বেশিরভাগই আবার বয়সে তরুণ। আমার এ শহরে আসার প্রায় দুই সপ্তাহ পার হতে চললো। এ পর্যন্ত যতো বুড়ো-বুড়ি চোখে পড়েছে তা মনে মনে গুণে ফেলা সম্ভব। এই বিষয়টাই থুরিনজিয়া প্রদেশের ছোট্ট শহর ইলমিনাউয়ের সাথে লাইপছিশের গুণগত পার্থক্য তৈরি করে দিয়েছে। ইলমিনাউ যেখানে সন্ধ্যা সাতটার পর ধীরে ধীরে নিশুতিযাপনের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে, সেখানে লাইপছিশে জীবনের সৌন্দর্যটাই ধরা দেয়া সন্ধ্যা নামার পর।

গল্প: ইরাবতী ডলফিনদের সাথে এক মগ কফি সহকারে এক দুপুরে

আমরা বন্ধু। হাতে হাত রেখে চলো হারিয়ে যাই। আমাদের স্বপ্নের জাহাজে চেপে চলে যাই সেই মহাদেশে যেখানে গিয়ে আমরা সত্যিকার অর্থেই নিজেদের খুঁজে পাবো। ঠিক সেভাবে, যেভাবে আমরা একে অপরকে পেতে চাই। তুমি চাও একজন কুল পার্সন, যে কিনা একইসাথে তোমাকেও বুঝবে এবং আশপাশের পরিবেশটাও বুঝবে। আমি চাই একজন খুব সাধারণ মানুষ, যে শুধু ওখানে থাকবে আমার জন্য। ওই পরিবেশটায়। যার জন্য আমি শেষ মুহূর্তটায় গিয়ে আরেকবার চেষ্টা করার অাগ্রহটা খুঁজে পাবো। আর তারপর আমরা দু'জনে মিলে সার্ফিং করে আগামী গ্রীষ্মকালটা পার করবো ক্যারিবিয়ন দ্বীপপুঞ্জের কোনো একটা ছোট্ট দ্বীপে। চলো হারিয়ে যাই, যাবে?

সে পর্যন্ত সবাই যেন ভাল থাকি আমরা

লেখার কিছু পাচ্ছি না। অথচ কিছু একটা লিখতেও হবে। দিনলিপি তো প্রায়ই লিখি। দিনলিপি কিংবা ছাইপাশ টাইপের কিছু ছাড়া অন্যকিছু লিখতে ইচ্ছে হয় না এখন আর। গল্পের আইডিয়া নিয়ে ভাবতে ইচ্ছে করে না হাঁটতে হাঁটতে। জীবনটা বড় দ্রুতগতিতে পানসে হয়ে যাচ্ছে।

তোমার চিঠির একমাত্র পাঠক হিসেবে বলছি

প্রিয় ছটফটানি,
দূরে চলে যাও। ভাল থাকো কিন্তু দূরে থাকো। আই লাভ ইউ বাট আই কান্ট ডিল উইথ ইউ এনিমোর। প্লীইইইইজ। আর যদি দূরে চলে যেতে না পারো, তাহলে কমে যাও যতোটা পারো। এতটুকু কি তুমি করতে পারো? তোমার কারণে আমি ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আছি। না পারছি সহ্য করতে, না পারছি অগ্রাহ্য করতে। তুমি একটা খারাপ। খুব ভীষণ খারাপ।
বাইরে থেকে আমার ক্ষত দেখা যায় না কিন্তু ভেতরে উঁকি দিলেই সব পরিস্কার বোঝা যায়। আমি তোমাকে চাই না আর। একবারও না, একটুও না, একদমই না। সরে যাও। ভুলে যাও। আর কাছে এসো না। আমাকে আমার মতো থাকতে দাও। প্রিয় ছটফটানি দূরে চলে যাও। দিগন্তে মিলিয়ে যাও। মেঘ হয়ে উড়ে যাও। দরিয়ায় ভেসে যাও। জাস্ট প্লীজ চলে যাও।