অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৮ জন অতিথি অনলাইন

টুকরো ইতিহাস-১

এইটা আমার নতুন ব্লগ প্রকল্প। ইতিহাসের ছোট ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে ছোট ছোট পোস্ট লেখা। সবাই পছন্দ করলে এটা চলতে পারে।

শুরুটা মওদুদ আহমদকে নিয়ে।লেখক মওদুদকে আমার খানিকটা পছন্দ। তাঁর বলা ও লেখার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। তাঁর একটা বই চলমান ইতিহাস-জীবনের কিছু সময় কিছু কথা ১৯৮৩-১৯৯০। দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে প্রকাশ, ২০০৯ সালে। সেখানে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অনেক কিছুই লিখছেন। তবে আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে এ বিষয়টি।
তিনি লিখেছেন,
দলের জন্য আমি কোন চাঁদাও তুলিনি, আর তাই অন্যায়ভাবে কোন কাজও আমাকে কারো জন্য করতে হয়নি। ......এই চাঁদা নিয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে আমার ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। মাসে তিন লাখ টাকা করে দশজন মন্ত্রীকে দলের জন্য চাঁদা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি এভাবে চাঁদা দেওয়ার পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিলাম।

এলিয়েনের ঈদ

প্রতিবার ঈদের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে খুব সকালে উঠতে হতো।কারন জামাত ৯ টায় হলেও আমার বাপজানের চিল্লাচিল্লিতে ৬ টার পর বিছানাতে থাকা অসম্ভব।

তাই এবার ঈদে যখন হাউজমেটের ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম তখন ভাবলাম ইউনির বাস মনে হয় মিস করে ফেলেছি কারন ৭ টা ৩৫ শে বাস আর ঈদের জামাত ১০ টায়। মসজিদে যেতে আমার এই জংগল থেকে টানা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট লাগে বাসে। না ঘুম থেকে উঠে দেখি না সময় আছে বাসা থেকে পাঠানো পাঞ্জাবী পড়ে টুপি মাথায় দিয়ে আগেরদিন রাতের রান্না করা সেমাই খেয়ে (অবশ্য সেটা সেমাই না বলে আটার দলা বললে ভালো হতো কারন সেমাই আর দুধের অনুপাত ঠিক না হওয়ার কারনে দলা পেকে গেছিল।) রওনা দিলাম বাস ধরার জন্য।

বাসে উঠতে যাবো ড্রাইভার হাওমাও করে কি জানি কয় বুঝলাম ব্যাটা ড্রেসের কারনে বুঝতেছে না আমরা ইউনির ছাত্র কিনা?যখন আইডি বের করে দেখালাম তখন পাকসা দেখে বললো ওকে।

রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করো নি....

সময় বহিয়া যায়... ঘাট অঘাট হয়... চারদিকে কলিকাল.. ঘোর কলিকাল। মানবিকতা, মূল্যবোধ, ন্যায়, অন্যায় শুধু বাংলা একাডেমির ডিকশনারির পাতার নিচে চাপা পড়ে যায়। চারদিকে শরতের ফুরফুরে হাওয়া শুধুই বদ্‌লে যাওয়ার আহ্বান জানায়। তবে এটা যদি পজেটিভ হতো... দেশের মানুষের কোন দু:খ থাকত না... কষ্টটা এইখানেই বাজে বারবার।

গতকাল সংসদেরর স্পিকার মানিক মিয়া এভিনিউতে স্পিড ব্রেকার দেবার জন্য সিটি কর্পোরেশনকে তাগাদা দিয়েছেন। অবশ্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। কেন? কারণ ন্যাম ফ্ল্যাট থেকে সংসদ ভবনে যাতায়াতে সাংসদদের প্রচুর সমস্যা হয়।

ভূমিকম্পের প্রস্তুতি

কিছুদিন আগে ঢাকায় একাধিক বিল্ডিংয়ের ধ্বস্, ঈদের আগে পিছে দেশের নানান জায়গায় মোটামুটি শক্তিশালী মাত্রার ভূমিকম্প আর ঢাকা শহরের ক্রমবর্ধমান মানববোঝার কারনে দেশের অনেকেই, বিশেষ করে ঢাকাবাসীরা, হয়তো ভূমিকম্প নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছেন। এ নিয়ে জনপ্রিয় ব্লগ সচলায়তনে ব্লগার তানভীর আজ চমৎকার একটি লেখা দিয়েছেন, "বাংলাদেশে ভূমিকম্প বিষয়ক ঝুঁকি, প্রস্তুতি ও করণীয়" নামে। আমি মনে করি আমাদের সবারই লেখাটা পড়া উচিত, তাই আমরাবন্ধুর পাঠকদের জন্যও লিংকটি শেয়ার করলাম।
http://www.sachalayatan.com/tanveer/35227

লেখাটিতে মন্তব্য হিসেবে সাধারণ গৃহস্থের অবস্থান থেকে তাৎক্ষণিক প্রস্তুতি হিসেবে কি কি পদক্ষেপ নেয়া যায় তার একটা তালিকা তৈরী করেছিলাম। তৈরী করতে গিয়ে দেখলাম, বেশ লম্বা তালিকা হয়ে গেছে। ভাবলাম অন্যান্য ব্লগের পাঠকদের সাথেও তালিকাটা শেয়ার করলে মন্দ হয়না।

ঈদ আনন্দের ফল্গুধারায়...

আমার কাছে ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে আতঙ্ক। ঈদ করতে যাই লক্ষ্মীপুর শ্বশুরালয়ে, যাওয়ার আগের অংশটুকু আতঙ্কের, ৫/৬ ঘণ্টার বাসজার্নির কথা ভেবে দশদিন আগে থেকে অস্থির থাকি। আমার কর্তা জীবনের অনেকটা সময় কাটিয়েছেন খুলনায়, উনার কাছে ৯/১০ ঘণ্টার জার্নিই হলো স্বাভাবিক ব্যাপার, তাই আমার সমস্যা তিনি বোঝার চেষ্টা করেও বোঝেননা। তার একটাই স্বস্তি আমি বমি করিনা।

২৯ রোজায় রওয়ানা দিলাম, বাসস্ট্যান্ড গিয়ে দেখা গেল তিনটা বাস দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু টিকেট নেই। ৩০০টাকার টিকেট বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায়, বাসের সুপারভাইজারকেও দেখা গেল মহাআনন্দে টিকিট বিক্রি করছে। তখুনি মালিকপক্ষের লোক চলে আসায় আমরা ন্যায্যমূল্যে টিকেট পেলাম এবং আমার অপার সৌভাগ্য কোনো জ্যাম ছাড়াই পৌঁছে গেলাম।

এলোমেলো ১

রাতের আঁধারে ও হাত ছুঁয়ে টের পেতাম তোমার উষ্ণতা
আজ কেবলি আঁধারে হাতড়িয়ে বেড়াই - আঁধারের তীব্রতা
যতই বাড়ে আমার স্বপ্নের গাঢ়ত্ব যেন খুঁজে পায় আবার
নতুন কোন আধার । নতুন করে ঘর বাঁধার ।

ঘর বেঁধেছিলাম একিসাথে ,একি হাতে রেখে হাত।
সবাই তাই ই করে - আমি জানি ,কত রাত
তুমিও দেখেছ আমায় তোমার স্বপ্নের সাথী করে
দেখেছি আমি তোমায় আমার প্রাণের পরে।

আমার অযোগ্যতা কি এতই বেশি -তবে
আগেই খেয়াল রাখা উচিৎ ছিল তোমার
যে আসে ভাবনার পাশে সে কি দাঁড়াতে পারে
এসে তোমার চলার পথে ?পথের ধারে?

তোমাকে নিয়ে

তোমাকে নিয়ে লিখি নাই কোনো গান
বরং নিজে গান হতে চাইলাম;
তোমার দুখে চাই নি হতে
সমবেদনার সিন্ধু
হতে চেয়েছি চেনা করতলে
একটি অশ্রুবিন্দু।

তুমি কখনো জান নাই আমি আছি
লুকিয়ে থেকেছি তোমার না বলা
বেদনার কাছাকাছি
তোমার পথে- রুক্ষ পাথরে
হয়েছি সবুজ ঘাস
হয়েছি তোমার নীরব প্রাণের
গোপন দীর্ঘশ্বাস।

হতে পারি নি তোমার মুখের হাসি
পাশাপাশি বসে পারি নি বাজাতে
প্রেমের মোহন বাঁশি

তোমার হাতে রাখতে পারি নি হাত
ছিন্ন ভিন্ন হয়ে কাটিয়েছি
নির্ঘুম কত রাত।
তবু জানাতে এই ভালোবাসা
আমি তো গাই না গান
তোমার সুরে ভিজে ভিজে শুধু
গান হতে চাইলাম।

যার প্রতীক্ষায় আছি

কুয়াশাঘন রাস্তা,
সকাল,
ধোঁয়াটে নদী কিংবা
নরোম আলো আলতো কামড়ে
ঝুলে থাকা
রাত্রি ক্লান্ত ডুবন্ত চাঁদ;

খয়েরী ইঁটের ফুটপাতে
ঝরে থাকা পাতাদের শিশিরভেজা মর্মরে
অস্ফুট ছবি দেখে,

পাআআআআআআআআআআআ

বাসায় পৌঁছে কলিংবেল বাজাতেই সবচেয়ে কাংখিত যে শব্দটা ভেতর থেকে ভেসে আসে সেটা হলো “বাবা এসেছেএএএএএএ………..”।

.

বলাই বাহুল্য ওটা কার গলা। সদ্য চতুবর্ষ পেরুনো ওশিন। ছুটে এসে ছোট ছোট দুহাতে জড়িয়ে ধরবে কিংবা এক লাফে গলায় ঝুলে পড়বে। ইদানীং তার পেছন পেছন আরেকজনও আসার চেষ্টা করে। ইনি এখনো হাঁটতে পারেন না, কিন্তু ওয়াকারে করে সারা ঘর দাপিয়ে বেড়ান সাই সাই করে। তিনিও কলিং বেল শোনামাত্র হৈ হৈ শব্দ করা শুরু করবে, দুহাত বাড়িয়ে যদ্দুর সম্ভব ছুটে আসবে। তারপর আলতো করে বলবে, ‘পা…’। কয়েক সেকেন্ড বিরতি দিয়ে আরেকটু জোর দিয়ে “পাআআ…..”। কেউ শেখায়নি, এই শব্দ নিজে নিজে তৈরী করেছে। তার নিজস্ব তিন চারটে শব্দের ভান্ডার তৈরী করেছে ১৩ মাস পেরুনো ড.শিহান রিশাদ।

.

ইচ্ছাকৃত, অজ্ঞতা নাকি অসাধুতা

আজকের পত্রিকায় ছাপা হওয়া সংবাদটা এরকম।

জাতিসংঘ পদক গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি), বিশেষ করে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনায় সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘ পদক (অ্যাওয়ার্ড) পেয়েছে। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় ম্যানহাটনের একটি হোটেলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পদক গ্রহণ করেন। এর আগে রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে এসে পৌঁছান।

বুঝতার্তাছিনা

error.JPG

(কি বিপদ ........ পুষ্ট সাবমিট কর্তে গিয়া দেখি কয় ৫০ শব্দ লাগবো ! ৫০ শব্দ এখন কৈ খুইজা পাই !!!!! )

ঠিকাছে তাইলে রায়হান ভাইয়ের মতন একটা জুক্স কই -

একবার এক দ্যাশে এক হোজ্জা আছিলো (আমি জানি আপনেরা সবাই হোজ্জারে চিনেন , হুদাই ৫০ শব্দ বানানির চেষ্ট কর্তাছি) সেই হোজ্জার বউ একবার পাশের বাড়ির মুর্গা চুরি কৈরা জবাই দিয়া চিলি-চিকেন উইথ অনিঅন ঝাল কারী রান্না কইরা ফেল্লো (কেকা ফেরদৌসীর রেসিপি দেইখা দেইখা) । হোজ্জা রাইতে খাইতে বইসা কয় মুর্গা রান্লা কেম্নে ! আমি তো মুর্গা কিনি নাই !!
বউ কয় পাশের বাড়ির মুর্গা ইভিনিং ওয়াকে এদিক আইছিলো ধইরা রাইন্ধা ফেলছি ('রাইন্ধা' শব্দটা লেখতে গিয়া 'রান্ধা' কামেলরে মনে পইড়া গেলো ... আহা আমাদের দুলাভাইলে কপাল বটে !)

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার কৌতুক

ছোটবেলায় যখন স্কুলে পড়ি মামার কাছ থেকে কিছু বই উপহার পাই। একটা ছিল নাসিরুদ্দিন হোজ্জার কৌতুকের সংকলন। নাম ভিন দেশি এক বীরবল। লেখক সম্ভবত মোহাম্মদ নাসির আলী। প্রায় শ খানেক নাসিরউদ্দিন হোজ্জার কৌতুক ছিল বইটাতে। হাস্যরসের আকর এই বইটার কৌতুক খুবই প্রিয় ছিল আমার। বলা যায় একদম গুণমুগ্ধ ছিলাম হোজ্জার। সেই মুগ্ধতা আমার এখনো তেমনই আছে। হোজ্জা আমার অলটাইম ফেভারিট।

তুরস্কের দার্শনিক, জ্ঞানী, বুদ্ধিমান (কখনও কখনও বোকা) ও প্রচন্ড রসবোধে পরিপূর্ণ হোজ্জার কৌতুক সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয়। ইউনেস্কো ১৯৯৬-১৯৯৭ সালকে আন্তর্জাতিক নাসিরুদ্দিন দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।

আফসোস, সেই ভিন দেশি এক বীরবল বইটা হারিয়ে গেছে। সেই কবে পড়েছি কিন্তু এখনো বেশ কয়েকটা মনে করতে পারি। তার কয়েকটা কৌতুক এখানে দিলাম।

অভিযোগ নাই

"শুনাও তোমার অমৃত বাণী!"

"- আর কিছু বলবে?"
এপাশ থেকে জানতে চাইলো পুরুষকন্ঠ।
"- বলবো বলেই তো ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু যা বলতে চাই, সেটা ঠিক এই মুহূর্তে ভুলে গেছি যে!"
হড়বড় করে কথা বলতে থাকা নারীকন্ঠে আক্ষেপ ঝরে পড়লো।
"- থাক তবে। যখন মনে পড়ে তখন বলো।
"- সেই মনে পড়াটা যদি তোমার গভীররাতে হয়?"
প্রশ্রয়ে উৎফুল্ল নারীকন্ঠ।
"- ক্ষতি কী! ..ঘুম কী তুমি আমার নতুন ভাঙাবে?"
খিলখিল শব্দে আহ্লাদ প্রকাশ করে ওপাশের নারীকন্ঠ।

.......তেমন গুরুত্বপূর্ণ কথা্ই নয়, যা মেয়েটা এই মুহূর্তে মনে করতে পারছে না। কিন্ত প্রতিদিনই এভাবে সে কিছু না কিছু বলতে ভুলে যায়।
পরবর্তীতে ঘুম ভেঙে ছেলেটাকে শুনতে হয়। "পদ্মপিসির ছেলের জন্য মেয়ে দেখতে গিয়ে গ্লাসভর্তি পানি ফেলে দিয়েছিলো বিল্টু। আর সেই পানিতে পা-পিছলে পড়ে গেছেন মেয়ের বাবা। হিহিহি....."

দূরে কোথাও

মাঝে মাঝে মনে হয়
কোন এক সন্ধ্যায়
চলে যাই কোন এক অজানায়
বসে থাকি একাকী
ঘাস ফড়িং আর কাশ ফুলের মুখোমুখি।
ঠাকে যদি নদী কাছাকাছি
যেতাম হেটে তার পাশাপাশি
পা পিছলে যদি যেতাম নদীর জলে
যদি যেতাম হারিয়ে জলের অতলে
কেমন হত তবে
ভাসতে ভাসতে গেলাম চলে স্বপ্নের অতলে।
হঠাৎ ভেদ করে সকল চেতনার স্তর
একটি সত্য হয় প্রতীয়মান
যেতে হবে ফিরে
সেই চির চেনা কোলাহলে
যেথায় হয় ইচ্ছে ম্রিয়মান ।

বৃষ্টি ঝড়ে ঝিড়িঝিড়ি, মন চায় খেতে খিচুড়ী

কাল ফেসবুকে দেখলাম একবছর আগে আমাদেরকে আমাদের মহান মেসবাহ ভাই দাওয়াত করে খিচুরী খাইয়েছিলেন। তারপর দিন মাস পেড়িয়ে বছর হয়ে গেলো। ফেসবুকে সেই খিচুরী খাওয়ার ছবি কাল থেকে আবার দেখতে পাচ্ছি।


ল্যাব এইডের মজার খিচুরী


একবছর আগের ছবি দেখছি কাল থেকে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ