অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৩ জন অতিথি অনলাইন

রাত আর নীরবতা

রাত মানে শুনশান নীরবতা।
তবে এই শহর কখনো শিখে নাই
কিভাবে নীরব হতে হয়।
গভীরতার ভেতরে বেজে ওঠে ক্রিং ক্রিং
রিকশা চালকের সতর্কতা,
আলো আর আঁধারীর ব্যর্থ মেমোরান্ডাম।
কেউ একজন চিৎকার করে ওঠে
আজকে চাঁদের আলোয় বড্ড
অসমান চলেছে পৃথিবী।
অভিযোগে অভিযোগে রাত্তিরের নীরবতা-শুনশান নীরবতা
ভেঙে যায় মুহুর্তে মুহুর্তে। রাত গভীর হলেও
আঁধারের সাদাকালো অভ্যন্তরে
রঙীন নাচের মহড়া চলেছে।
কতো শত সেলিব্রিটি
সেই নাচে
আইটেম নাচে।

খুঁজে দেখতে চেয়ে, খুড়ে দেখতে চেয়ে
আমি কেঁচো বের করে ফেলি
অতীতের সকল গহ্বর থেকে।
এই রাতে, নীরবতা ভেঙে ভীষণ আওয়াজে
আমার রাতের ডিসকোর্সে ফাটল ধরেছে,
পিপাসায় জিহ্বা শুকিয়ে কাঠ।

রাতের আঁধারে তুমি এসে জলের গেলাস,
আমার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যত আর্দ্র করে দেবে
তার অপেক্ষায় থাকি...

একটি গামছার আত্মপ্রকাশ

যে কোনও ব্লগে এটিই আমার প্রথম লিখা। নিক হিসেবে গামছা নামটি পছন্দ করার পেছনে ছোট একটি ঘটনা আছে। 'আইলসা' হিসেবে আমার পরিচিতি জগতবিখ্যাত(জগত বলতে এই আর কি বাবা-মা, ভাই-বোন, পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব)। মা বলেন,"কত রবি জ্বলে রে'-র আইলসাগুলার থেকেও তুই আরও বেশি আইলসা"।আমার আলসেমি আর অগোছালো স্বভাবের কারনে আমার ছোট বোন ত্যক্ত-বিরক্ত। একদিন শুয়ে আছি বিছানায়, বোন এসে বলল "এতগুলা কাপড়ের উপর শুয়ে আছেন, কাপড়গুলা একটু গুছায় শুইলেও ত পারেন।" আমি বেশ ভেবে জবাব দিলাম, " আমি হইলাম বিছনায় পইড়া থাকা একটা গামছা।জীবনে দেখছস একটা গামছারে, উইঠা কাপড় গুছাইতেসে?"

আমার সিসিমপুর (৪)

১
আমার মায়ের কাছে তাদের ছোটবেলার অনেক গল্প শুনছি। হুজুরের কাছে মাইর খাওয়া, আম-বড়ই কুড়ানো, মাছ ধরা, এমনই বহু হল্প। আজকের কাহিনি যুগে যুগে হুজুরের কাছে পড়ার কাহিনি।

আম্মু, ওনার ভাই-বোনরা যখন ছোটবেলায় হুজুরের কাছে পড়ত, পড়া ভুল করলেই হুজুর মারতেন। হুজুরদের মোটামুটি কমন একটা ব্যাপার হলো ওনারা ছেলেমেয়েদের পড়া দেখিয়ে দিয়েই ঘুমাতে বা ঝিমাতে শুরু করেন। আর হেলেদুলে পড়তে পড়তে একসময় বাচ্চারা ভুল পড়তে শুরু করে। আর হুজুর যখন ঘুম থেকে উঠে ভুল পড়তে শুনেন তখন তিনি মারতে শুরু করেন।

শৈশব

করোতোয়া থেকে আত্রাই হয়ে দিনাজপুরে ঢুকতে না ঢুকতেই নদীটাকে আদর করে সবাই ডাকে কাঞ্চন, পোশাকী নাম পূনর্ভবা নদ, সে নদীতে শৈশবে প্রচন্ড গরমে মাঝে মাঝে দাপাদাপি করতে যেতাম। তখনও কাঞ্চনের এ পার আর ওপারের মাঝের পুরো রেল ব্রীজের নীচেই বয়ে যেতো নদী। শীতে গতরে শীর্ণতা এলে হঠাৎ করেই যুবতী থেকে চঞ্চল কিশোরী হয়ে যেতো কাঞ্চন।

সেইসব শীতের জবুথুবু বিকেলের ম্লান আলোয় বিষন্ন হলে আমি একা সেই কিশোরীর সাথে একক প্রণয়ে মেতে হেঁটে হেঁটে চলে যেতাম অনেকটা পথ। এক হাঁটু পানির ভেতরে প্যান্ট গুটিয়ে নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটতে হাঁটতে দু চারটা গ্রাম, গ্রামের হাট ভাঙা আলো পেরিয়ে আরও দুরের কোনো ন্যাড়া মাঠের ধানের গোছায় বসে সিগারেটের ধোঁয়া আর কুয়াশার মাঝে লুকিয়ে থাকতাম কিছুক্ষণ।

হলুদ হিমু কালো র্য্যাব

- হুমায়ুন আহমেদ বাংলা দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক । ‘হিমু’ তারই সৃষ্ট তরুণ প্রজন্মের প্রিয় নায়ক । আর র্য্যাব নন্দিত/ নিন্দিত/ আলোচিত এক বাহিনী । আমি অতি সাধারন একজন মানুষ । কিন্তু হুমায়ুন আহমেদের কোটি পাঠক-প্রিয় ‘মিশির আলী’ বা ‘হিমু’ তে আমার তেমন আগ্রহ নাই । একজন হার জিরজিরে রুগ্ন বুড়ো কি এক অলীক মন্ত্র বলে দুনিয়ার তাবৎ সমস্যার জঠ ছাড়ান, অন্য জন তরুণ ভবগুরে গোছের । পকেট বিহীন হলুদ পাঞ্জাবী পরে রাত দুপুরে ঢাকার শহর চষে বেড়ান । যত সব আজগুবি চরিত্রের সাথে তার দেখা হয়ে যায় । তার উদ্ভট আচরণ, উল্টাপাল্টা কথাবার্তা, নির্লিপ্ত ভাব র্য্যাবের মতো কিলার বাহিনীর ( অ্যামনেষ্টি, বুদ্ধিজীবি ও শেখ হাছিনা বিরোধী দলে থাকা সময়ের মতানুসারে ) হাত থেকে শুধু প্রাণে বেঁচে যায়না, নিজের জন্য ভক্তি-শ্রদ্ধা ও আদায় করে নেয় । বাস্তবতা বর্জিত কল্প-কথা, জীবন-জীবিকা-পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যহীণ এসব কাহিনী

এটা কি হওয়া উচিত না?

আমাদের দেশে নারী নির্যাতনের বিচার হয়। নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনও রয়েছে। কিন্তু পুরুষ নির্যাতনের বিচার হয়না। নারি নির্যাতিত হলে সে গলা ফাটিয়ে কান্না করে সবাইকে জানিয়ে বিচার চাইতে পারে। কিন্তু পুরুষরা তা পারেনা। আমাদের দেশে কি কোনো পুরুষ নির্যাতিত হয়না? হয় নারীর চেয়ে বেশি হয়। কিন্তু বিচারের ক্ষেত্রে পুরুষরা অসহায়। তারা নারীর মত কাঁদতেও পারেনা বিচারও চাইতে পারেনা। অসহ্য মানসিক যন্ত্রনায় তারা নিজের ভিতরে ভিতরে জ্বলে পুড়ে শেষ হয়। আমাদের দেশে স্ত্রী দ্বারাই পুরুষরা নির্যাতিত হয়। পুরুষের পাশাপাশি যদি নারী সব কাজ করতে পারে তাহলে নারী নির্যাতন রোধ আইনের পাশাপাশি পুরুষ নির্যাতন রোধ আইন পাশ করা হচ্ছে না কেন? এটা কি হওয়া উচিত না?

বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন বিরতি

দিন দিন বাংলা নাটকের মান কমলেও প্রচুর নাটক প্রচার হচ্ছে বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোতে। এর মধ্যে কিছু ভাল মানের নাটক হয়। সেগুলো ইচ্ছা থাকা সত্তেও দেখা হয়না। শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন বিরতির কারণে। একবার বিজ্ঞাপন শুরু হলে তা যেন শেষ হতে চায়না। অথচ আমাদের নাটকের তুলনায় প্রতিবেশী দেশের নাটক খুব ভাল না হলেও দর্শক ঠিকই দেখছে শুধু বিজ্ঞাপন বিরতি কম হওয়ায়। আমরা যে বলি পাশের দেশে আমাদের চ্যানেল চলেনা। তা চালু করার ব্যাপারে আমরা তাদের কাছে আবেদন করি। যদি চালু করে আমাদের চ্যানেলগুলো পাশের দেশে তাহলে কি সেখানকার দর্শকরা আমাদের বিজ্ঞাপন বিরতির কারণে অনুষ্ঠানগুলো দেখবে বলে মনে হয়না। বরং উল্টা গালাগালি করবে। একবার দেখলে দ্বিতীয়বার আমাদের চ্যানেলে তারা ঢুকবেনা। কারণ আমরই তো সংবাদ ছাড়া কোনো অনুষ্ঠান দেখিনা। কতরকম যে বাজে মন্তব্য বেরোতে চায় তা প্রকাশ নাই বা করলাম। আমাদের চ্যানেলগুলোর বিরতিহীন বিজ্ঞাপন প্রচার দেখে মনে হ

ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ৪ : লালদা স্পেশাল

আগেই বলেছি ঝলমলিয়ায় যাওয়া হয় লালদার শ্যুটিং এর ছবি তোলার ইচ্ছা থেকে। যদিও এবার তিনি খুব বেশি শ্যুটিং করেন নাই। এবার তিনি মেইনলি পানির নিচের শ্যুটিং করেছেন । এটা করতে গিয়ে আরেক কান্ড। আমরা যখন ঝলমলিয়া যাই তখন শৈতপ্রবাহ চলছে। প্রচন্ড শীত। পানির ধারে কাছে যাই না। যে কাপড়ে গিয়েছি সেটা আর খুলিনা। এমন অবস্থায় লালদা পানির নিচের শট নিতে গিয়া ফুলপ্যান্ট ভিজিয়ে এসেছে কাপতে কাপতে। এক্স্ট্রা কাপড়ও নেন নাই। পরে অন্যজনের থেকে ট্রাউজার নিয়ে পড়তে হয়েছে।

আজকের পর্বের বিষয় লালদার সেইসব শ্যুটিংয়ের ছবি ।
lal 1
lal 2
lal 3

মুখোশে কি বিষণ্নতা ঢাকে!

শুভ'র কবিতাটা পড়তে পড়তে মনে হইলো এই অনুভূতিগুলি আসলে আজকে ছবির হাটে যারা ছিলো তাদের সবার। তাই এই লেখাটারে রায়েহাত শুভ'র নামেই উৎসর্গ করতেছি। আশা করি একইরকম বিষয়ে কবিতা লেখাটারে কাবিল কর্ম হিসাবে নিবেন না কেউ, এইটা একান্তই ইচ্ছার স্বাধীনতা। মানে লেখাটারে নিজের স্বাধীনতা ধইরা নিয়াই লিখলাম। ...............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

মজা পাইলাম না মজা

মজা পাইলাম না মজা
হাতে নিয়ে তাই গজা
মাছি উড়ে ভন ভন
গজা হয় ফন ফন!!!!

ফন ফন ভন ভন
চারদিকে সব ভেজাল
আসল জিনিষ কেনার জন্য
খোজতেছি তাই কাঠাল!!!!!!

কাঠালের আঠা কঠিন জিনিষ
তাহাতে নাই ভেজাল
আঠা যদি খাওয়ার হইতো
পাইতাম একটা কপাল!!!!!!!

পিরিতি কাঠালের আঠা
লোক সমাজে কথা
পিরিত ঘাইটা আঠার সন্ধান
পাইলাম নাতো সেথা!!!!!!

==========================================
ফোনেটিকে লিখেছি ,তাই বানান ভুল হইতেই পারে,মাফ করে দিবেন

হাজির হয়েছি গুরু

দুটি চোখ নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/তোমার দরগায়/আমিতো আয়না চিনি না/দেখিনি নিজের হা হা কার/ভেতরে হাউজে কাওসার হয়ে আছে মরু।

দুটি পা নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/পদাবলীর লীলা কি শেষ?/লাল হয়ে আছে ভীতরের জিহ্বাটা/লা হয়ে আছে আলিফ/আল্লাহু জিকিরে জাহের বাতেন হলো তরু।

দুটি হাত নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/হস্ত পদের অভাবে বন্ধ কান/কাজের অউরসে জন্মঅন্ধ কাম/ধরাধামে বাজে নীল শব্দের দোতারা/আমার হাতে পড়ালো তোমার নামের হাতকড়া করুণ।

দুটি কান নিয়ে হাজির হয়েছি প্রভু/ইন্দ্রিয় নিয়ে ইন্দ্র রাজার বাহাস/জাহাজ ভেড়ালো তোমার কীর্তণ তীরে/তবুও তাবুর ভেতরে আলোক গেল/বলো বীজের ভেতরে গেল কোন ভীরু?

একটি অঙ্গ নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/দেখি অঙ্গ দুটি ভঙ্গ সীমার নাম/তুমি তবে কোন খন্ডে বলো?/তোমারও অধীক নামে/নেমে যেতে যেতে আসে আমার কাছে পথ যতো হোক সরু।

আর কিছু নাই, একটা দুঃসম্পর্কের কথাই কেবল উল্লেখযোগ্য

আমার একটা ধারণা হচ্ছে- এই কঠিন-কঠোর পৃথিবীতে কেউ আসলে কাউকে খুব একটা বোঝে না। যার মূল কারণ এর কাঠিন্য। তাই আগের লাইনে 'কঠিন-কঠোর' দুইটি শব্দ ব্যবহার করেছি। আমাদের চারপাশের পৃথিবীটা এত কঠিন যে, জন্মদাত্রী মা’কেও আমরা বঞ্চিত করি। বাবা’কে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিই জীবন থেকে। শুনেছি স্নেহ নাকি সর্বদা নিম্নগামী। যে নিচের দিকে মানুষ হৃদয় নিংড়ানো স্নেহের বস্তা উপুড় করে দেয়, সেই নিচ থেকেই আবার চলে আসে উপরের জনের সঙ্গে করা অন্যায়ের প্রতিশোধ। মানুষ কি ভীষণ অসহায়!

ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ৩

মাতম করা মানে বিলাপ করা এইটা জানা ছিল। কিন্তু এর জন্য যে একটা দলই থাকে এবং ওরা অনুষ্ঠানে মাতমে অংশ নেয় জানা ছিলনা। সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে প্রথমেই ছিল সনাতনের স্মরণে মাতম। সন্ধ্যা হতেই ঢাক ঢোল শিঙ্গা ইত্যাদি নিয়ে মাতম দল হাজির। সনাতনের পরিবার ও মাতম দল বাদ্য বাজনা বাজিয়ে সনাতনের সমাধির চারপাশ ঘুরে ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। কয়েকবার করার পর পরিবারের মহিলারা পারিবারিক গুরুর ছবির সামনে না অর্ঘ্য দিয়ে পূজা করে। আর মাতম দল বাজাতে থাকে ঢাক বাদ্য। যার যেটা সাথে আছে। সে এক অভূতপূর্ব পরিবেশ। আলো আধারি, মোমের আলো তার মধ্যে মাতম বাজনা লিখে প্রকাশ করার মত ভাষা আমার নাই। ছবিতেও আসলে ঠিক রূপটা প্রকাশ সম্ভব না । একমাত্র উপষ্থিত থাকলেই সেই সময়ের পরিবেশ বোঝা সম্ভব। মাতম পর্ব শেষ হয় সনাতনের মার মন্ত্র পড়ার মাধ্যমে।
sanaton 1

ডায়েরি

দু'একটা দিন বাপের মত
দু'একটা দিন মায়ের
দু'একটা দিন স্বামীর মত
দু'একটা দিন জা-য়ের।

কিছুটাক্ষন চাল ও চুলা
বৃষ অথবা মীন
এভাবেইতো দুপুর গড়ায়
পাশ ফিরে শোয় দিন।

পাশ ফিরে শোয় দিন ও বছর
ঘুমায় জীবনখানি
পাশ ফিরে রয় গোপন অসুখ
পাশ ফেরে হাতছানি।

বীজ পড়ে রয় বীজগণিতে
ফলের চিন্তা লুটায়
সুখ পড়ে রয় ট্রাফিক জ্যামে
দুঃখ ফেরে নটায়।

আমার প্রতি তোমার যে টান
তোমার প্রতি আমার
একটা বিড়াল সে উষ্ণতায়
গড়ে যৌথ খামার।

আমার যত নরম ছিল,
কোমল ছিল, আলো
ঢেকে দিলাম আজকে সবই
-প্রসাধনই ভাল।

হাত ঢেকেছি, মুখ ঢেকেছি
শোক ঢেকেছি শাকে
বুকের ভেতর রোদ ঢুকেছে
তবুও কোন ফাঁকে।

সে রোদ আমার তরল আগুন
সে রোদ আমার টু-জি
সে রোদ দিয়ে, পাঠক, আমি
তোমার মুখকে খুঁজি.....

(বর্তমান) প্যাচালঃ রোমান্সিচ্ছা

১। আমার বাবা হিমুর বাপের মত আমারে মহামানব বানাতে না চাইলেও জ্ঞানী বানাতে চাইছিলো, সো সরাসরি দৈনিক ইত্তেফাক দিয়েই বর্নপরিচয় ও পড়তে শেখানো হৈছিলো। কিন্তু ইত্তেফাক থেকে আমি পড়া শুরু করলাম কচি-কাচার আসর-সাহিত্য সামিয়িকী (না বুইঝাই)-সিনেমার বিজ্ঞাপণ আর মোস্ট ইম্পর্টেন্টলী রাশি ফল।

মেষ রাশির জাতক আমি, দৈনিকি "রোমান্স শুভ" থাকে। রোমান্স শব্দটাই কেমন চনমনে উত্তেজনা জাগানোর মত। কিভাবে যেন বুঝছিলাম রোমান্স মানে "ইয়ে" মানে "বিয়ে" আর কি। হয়তো রাজ্জাক-কবরী বা ববিতার সিনেমার একনিষ্ঠ দর্শক হিসেবে সিনেমার শেষে তাদের "মেলামেশা" পরবর্তী বিয়ে ও কাহিনীর সমাপ্তি দেখেই বিয়ের গুরুত্ব ও রোমান্সের সাথে এর অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের সম্বন্ধে ধারনা পাইছিলাম। তাই ছোট বেলা থেকেই আমার বিয়ের খুব শখ, কারন রোমান্সের খুব শখ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ