অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

মেঘবন্দী (১৩) ... আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি ভেজা মন, মন চাইছে থাকুক ভাল আমার আপনজন... / জেবীন

আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি ভেজা মন, মন চাইছে থাকুক ভাল আমার আপনজন...
জেবীন

- আরে! এমন হয় নাকি!
- কেন হবে না? করলেই হয়।
- বুঝো না কেন, হানিমুনে যায় কেবল দু’জনে দু’জনকে একদম নিজেদের মতো করে জানতে, সারাজীবনের জন্যে কিছু মধুর স্মৃতির অভিজ্ঞতায়।
- হ্যাঁ, তাই তো চাইছি। কিছু দারুন আনন্দময় সময় কাটাতে, যাতে আমাদের আপনজনেরা থাকবে আমাদের সাথে, আর আমি তুমি সবার মাঝেও কেমনতরো থাকি তা ভালো করে জানতে এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর কি হতে পারে বলো?
- ধ্যাত! তাই বলে ২৫/৩০জনের মিছিল নিয়ে আমরা হানিমুনে যাবো!! কখনোই না, একেবারেই না!

একজন শেলীর গল্প

প্রতিদিনের মত নয় আজকের দিনটা । সকাল থেকে মেঘলা আকাশ। বর্ষার মাঝামাঝি সময়। গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টি হছে । সেই সকাল থেকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে পায়ে ঝিম ধরে গেছে । শুভ আসবে বলেছিল সকাল আটটায় , এখন বেলা একটা বেজে গেছে । কখন আসবে তার কোন পাত্তা নাই।
সিদ্ধান্ত টা কি তাহলে ভুল ছিল। হবে হয়ত , জীবনের সব সিদ্ধান্ত কি নির্ভুল হয়? মনের মাঝে কেমন যেন লাগছে , কিন্তু সমস্যা টা বুঝা যাছে না । শ্রাবনের এই দিনে ও কেমন আসস্তি লাগছে। মনে হছে কি যেন ভুল করে ফেলেছি।
আজ কোন মুখ নিয়ে বাড়ী ফিরবে ভাবতেই শরীর শিউরে উঠছে বার বার । শুভ যদি আজ না আসে তাহলে যে কি হবে । না তা আর ভাবতে ইচ্ছে হয় না । শুভ তো এমন ছেলে নয় , যে কথা দিয়ে কথা রাখবে না । শুভর মোবাইলে এই নিয়ে হাজার বার হল কল করেছে । কি কারনে যেন বার বার বন্ধ বলছে ।

১৯৮৮ ও আমার সাড়ে তিন মাস

ঘটনা টা ১৯৮৮'র। বন্ধু বলল সে মাস দেড়েকের জন্য গ্রামের বাড়ি যাবে। আমাকেও যেতে বলল, ওর মা বলেছেন। " মেয়েটার এত গল্প করিস, আনিস সাথে করে সপ্তা কয়েকের জন্য একবার দেখতে মন চায়"। আগেও বলেছি আমার বন্ধু ভাগ্য থেকে "বন্ধুমা" ভাগ্যটা সব সময় ভাল ছিল। ;)।

কাজলা দিদি

মাঝে মাঝে মাঝ রাতে ঘুম ভেংগে গেলে মনে হয় চুলে বিলি কেটে ঘুম পারিয়ে দেবার মত একটা কাজলা দিদি থাকলে খুব ভালো হত । যার সাথে আমি সব কিছু শেয়ার করতে পারতাম । আমি মুখ ফুটে কিছু বলার আগে ই যে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে সব বুঝে যেত । বাইরে খুব বেশি বৃষ্টি হলে যে মিষ্টি হেসে বলতো চল্ বৃষ্টি তে ভিজি, ছোট খাটো দুষ্টুমি যে দেখেও না দেখার ভান করতো ( অবশ্য মাঝে মধ্য একটু বকুনি অথবা কানমলা ও দিত) ........ জানি এই স্বপ্ন টা সারা জীবন স্বপ্ন ই থেকে যাবে । কোনো দিন ও কাউকে আমার কাজলা দিদি বলে ডাকা হবে না । হায় অদৃষ্ট তুমি কেন এতো নিষ্ঠুর ?

আহা সাংবাদিকতা

বেশি কথা বলা ঠিক না। সরাসরি বিষয়ে যাই।
আজ একটা লেখা পড়লাম। বাংলাদেশ প্রতিদিনে। বিনোদনে ভরপুর এই লেখাটি। চুম্বক অঙশ দেই।

ব্লগবাকুম-৩

১.
আমাদের ছোটবেলায় রোববার রেডিওতে ছোটদের একটা অনুষ্ঠান হতো। সরাসরি। একটা আপা থাকতেন। আর বাচ্চারা। একেকজনকে ডাকতেন, কেউ গান, কেউ কবিতা বা ছড়া শোনাতেন। খুব আগ্রহ নিয়ে শুনতাম।
তখন থাকি নাখালপাড়ায়। পাড়ার বড় ভাই হাবিব ভাইরা খেলাঘর করতেন। আমরাও যেতাম। একবার খেলাঘর থেকে কেমনে কেমনে যেন ব্যবস্থা হল। আমরা কয়েকজন গেলাম রেডিওতে। শুরুতে একটা রিয়ার্সালের মতো হয়েছিল। সেখানে আমি একটা ছড়িা পড়েছিলাম। কিন্তু গন্ডগোল করে ফেলেছিলাম লাইভ অনুষ্ঠানে। ‌'আমার নাম মাসুম, আমি একটা ছড়া বলবো। ছাড়ার নাম........(মনে নেই)।' এই পর্যন্ত ঠিকই ঠিল। তারপরেই বিপত্তি। ভুলে অন্য একটা ছড়া বলে ফেলেছিলাম। এরপর আর আমি আমার প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাই নাই।

২.

কবিতা: বিষয়বস্তু মৃত্যু

বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল '৭১-এর নির্বাহী প্রযোজক তানভীর জাহিদ নয়ন, তার বন্ধু জামিল লিপু ও বন্ধুপত্নী আসমা আক্তার হীরা পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। সঙ্গে থাকা সুবর্ণা সেঁজুতি টুসি (নয়নের স্ত্রী) বেঁচে গেছেন। কিছুদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় অপার সম্ভাবনাময় চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ মারা গেলেন। পাশে থাকা স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ বেঁচে রইলেন। এই বেঁচে থাকা মানুষগুলোর কষ্ট অবর্ণনীয়। দেখলে চোখ ভিজে আসে। এই অনুভূতির নাম ভয়। এই অবস্থার নাম, নিজের আশপাশে এমন মত্যুর ছোবল কিভাবে সহ্য করবো- সে ভয়ের আঁকড়ে ধরা।
মৃত্যু কখন কিভাবে কার দরোজায় টোকা দেবে তা আমরা কেউ জানি না। এই একটা ঘটনা মানুষের আশপাশে মহাজাগতিক স্প্ল্যাশ-এর মতো আলোড়ন তৈরি করে। প্রতিনিয়ত সে ফোঁটাগুলো পড়ছে। পৃথিবী নামক পুকুরটিতে। যার দু'চারটা এসে ঝাপটা দিয়ে যায় আমার চোখে-মুখেও। মনে করিয়ে দিয়ে যায়- আজ না হোক, কাল আমিও চলে যাবো এখান থেকে।

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে..[এলোমেলো কাব্যকথন]

# # # # #

কাঠফাটা রোদ,
ভ্যাঁপসা গরম..

এলোমেলো চুলে,
ক্লান্তিহীন পথচলা..

গন্তব্যহীন..

উপেক্ষায়,
হারিয়ে যায়..

তপ্ত দুপুর..
ভাবনার বরষায়;
হৃদয় জুড়ানো,
স্বস্তির পরশ..

বিষণ্ণতার চাদর গায়ে..

থেমে থেমে;
পথের ধারে,
এক কাপ বিস্বাদ চা..

ভাবলেশহীন..

দুঃখবিলাসে;
মৃদু হেসে,
হেটে চলে-
বাউন্ডুলে..

# # # # #

রিম ঝিম ঝর ঝর,
তুমুল বর্ষণ..
মন পাগল করা,
আচানক;
বুনো বৃষ্টি..

যেন,
আকাশ ভেঙে পড়েছে আজ..

আকাশ পানে,
আত্ম সমর্পণ..

বাড়িয়ে দেওয়া মুখে,
হাতের মুঠোয় বৃষ্টি..
ভিজে চুল,
পানি যত-
ত্বক বেয়ে নামে..
শান্ত,
শীতল প্রাণ..

বরিষণ পরশে,
আত্ম বিসর্জন..
স্বস্তির স্পন্দন,
শান্তির আহ্বান..

ভেজা মেঘ,
ভেজা বৃষ্টি..

ভেজা চোখ;
স্বচ্ছ,
ভেজা দৃষ্টি..

এভাবেই..
কিছু অসাধারণ ক্ষণ;
কিংবা,
কয়েক আলোকবর্ষের পর..

আঁধার হারিয়ে,
আলোর আকাশ..

মৃত্যুর সাথে বসবাস

রুমকির অফিসে কাজ করতে করতে শরীরের একটু অস্বস্তিকর ম্যাজম্যাজানি অনুভূতির জন্যে ডাক্তারের কাছে যাওয়া হঠাৎ ই, তেমন কোন বিরাট পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া। ডাক্তার সব শুনে কিছু চেকাপ লিখে দিলেন। আবার হসপিটালে যাও, চেকাপ করাও এই বিরক্তি নিয়ে অফিসের মাঝে হাসপাতালে যাওয়া। হাসপাতালে প্রথম চেকাপ হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষজ্ঞ ডেকে নিয়ে বললেন, আমি আর একটু নিশ্চিত হতে চাই তাই তুমি আবার আসো, আরো কিছু পরীক্ষা করবো। তারপর আবারো তেমনই মন নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া, ভাবা পাবেনাতো কিছুই, ওষুধও দিবে না, মাঝ থেকে খোঁচাখুচি করা।

এসো হে ভালবাসা

পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ঠাই, দৃষ্টির দূর নীলিমায়
প্রবাহমান সাগরের সীমাহীন উম্মাতাল টেউয়ের দোলা
শীতের বৃষ্টি ধারার মত চুপসে যাওয়া শীতল বাহুতে
কৃষ্ণচূড়ায় লালে রাঙিয়ে খোঁপা, শ্বেত শুভ্র কাশফুলের
ছোঁয়ায় শাড়ীর আঁচল কুড়ায় ধরনীর মৃত্তিকা ।

গোলাপের কলির মত প্রস্ফুটিত জীবন রেখা শ্রাবন
বাঁশরির সুরের খেলায় এপাড়া ওপাড়া ঘুরে বেড়ায়
অনেকটা মুক্ত বিহঙ্গের মত। ক্লান্ত পথিক আমি পথের
পর পথ। মুগ্ধ নয়নে অপলক তাকিয়ে থাকি অন্যরকম
স্নিগ্ধতা নিয়ে , পিরামিডের দেশের নির্বাক মমির মত।

নীলনদ বল কিংবা পদ্মার ঢেউ ভাসিয়ে দিয়েছে
তার অনন্ত স্রোতের ধারায় , শুষ্ক বুকে জেগে উঠে
ভালবাসার সবুজ দূর্বাঘাস। এবার তাকাই নিজের পানে
আর কত অবজ্ঞায় ঠেলে দেব হে ভালোবাসা তোমায়
এস মোর শুষ্ক বুকে হিমেল শীতের উষ্ণতা নিয়ে।

অলসতা....

সকাল থেকেই শুয়ে শুয়ে ভাবছি, মানুষ কি ভাবে শুয়ে বসে জীবনটা পার করে দেয়! ঘুমিয়েই ছিলাম, একটা কল আসায় জেগে উঠতে হল। কম্পিউটার এ সমস্যা। যেতে হবে।মুখে মুখে বলে দিলাম, সমাধান হল।
যাক, যা ভাবছিলাম। মানুষের অলসতা নিয়ে। কেউ শুয়ে আছে, দেখলেই আমার শরীর কিরবির করে। এত মুলবান সময়, এইভাবে পার করে কি করে মানুষ! মনে হয় ধাক্কা দিয়ে তাকে শোয়া থেকে উঠিয়ে দেই। ঘুমাতে দেখলে, পানি ঢেলে তার ঘুমের বারোটা বাজাতে ইচ্ছে করে। সময়ের মূল্য নিয়ে বাংলা/ ইংলিশ- এ যত ধরনের প্রবাদপ্রবচন আছে, সবগুলো তাকে গিলিয়ে দিতে ইচ্ছে করে। এর মাঝে আবার দরজায় আওয়াজ!
ধ্যাত! একটু শুয়ে থাকতে দেখলে কারোর সহ্য হয় না। যাক বাবা, অন্য কেউ নয়। মা। বললেন, খবরের কাগজ দিয়ে গেছে। মাকে বললাম, এই ঘরে দিয়ে যাও। কে আবার উঠবে?

পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আনন্দ আরেকটু কমে গেল

jagjit singh chitra.jpg
আশিয়ানা ছবিটা দেখেছেন? সেই যে দিপ্তী নাভাল ও মার্ক জুবের ছিল। সেই যে দুজনের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। সে সময়ের একটা গান আছে। গানটা আগে শুনি
উস মোর কে শুরু করে ফির ইয়ে জিন্দেগী
এই সিনেমাই আরেকটা গান আছে। একটু অন্যধরনের। সেটাও শোনা যায়
হামসফর বানকে হাম......

যারা আর্থ ছবিটা দেখেছেন তারা কী কখনো ভুলবেন সেই যে শাবানা আজমীর বাসায় গিটার বাজিয়ে রাজ কিরণের গানটা। ঝুকি ঝুকি সে নজর

আমার কোনো মৃত্যু দিবস নাই

সেদিনই মরতে পারতাম
কিন্তু ঠিক আগে মারা গেলেন তারেক মাসুদ
কেবল তার জন্য নির্দিষ্ট রাখতে
পুরো দিবসই এড়িয়ে গেলাম

... এরপরে যেকোন একদিন বেঁছে নিতেই
স্টিভ গেলেন চলে আপেলের আসল দেশে
পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য
সেদিনও আমার মৃত্যু পেছালো

এরপরে যেদিনই মরতে যাই
কোন না কোনো মৃত্যু পূর্ণ রাখে দিনগুলি
জগজিৎ সিং পুরো মাসটাই বন্ধ করে দিলে
আমার জন্য থাকে না মৃত্যুদিবস বাকি

পারা, না পারার দেশে

পুঁজিবাজারে পুঁজি কোথায়
বলতে পারেন, না-
পুঁজি হারিয়ে গলায় দড়িতে
ঝুলতে পারেন।

ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য কি
কিনতে পারেন, না-
বেশি দামে ভেজাল পণ্য
আনতে পারেন।

নিরাপদে সড়কপথ কি
চলতে পারেন, না-
নিসন্দেহে জীবনবাজি
রাখতে পারেন।

বিদ্যুতের লোডশেডিং কি
মানতে পারেন, না-
কুপি-হারিকেন জ্বালিয়ে
রাখতে পারেন।

ফুটপাতে নির্ঝঞ্ঝাটে কি
হাঁটতে পারেন, না-
মূল সড়কে হাঁটতে গিয়ে
প্রাণ দিতে পারেন।

জীবন চলার সংকট কি
সইতে পারেন, না-
না খেয়ে ধুঁকে ধুঁকে
মরতে পারেন।

আয় বুঝে ব্যয় কি কভু
করতে পারেন, না-
ভিক্ষার থালা হাতে রাস্তায়
নামতে পারেন।

সরকারের চৌদ্দগোষ্ঠী কি
ঝাড়তে পারেন, না-
বসে বসে বৃদ্ধাঙ্গুলি মুখে
চুষতে পারেন।

খুন-সন্ত্রাসের বিচার কি কভু
পাইতে পারেন, না-
দুহাত তুলে সৃষ্টিকর্তাকে
জানাতে পারেন।

১১.১০.২০১১

সমঝোতা বা অস্থিরতায় কাবু- আমরা যারা হাবু

আমারই কোন এক লেখায় একটি মন্তব্য ছিল, "রেগে গেলে লজিক এলোমেলো হয়ে যায়"..কথাটা মানি..তাই অনেকদিন পর আবার লেখার চেষ্টা। আসলে বোঝার চেষ্টা- প্রেক্ষাপট আর পরিস্থিতি নিয়ে.. ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন। অন্তত এখনো কিছু মানুষ অতীতে কে কত "বড় ভুল" করেছে তা নিয়ে অযথা তর্ক এড়িয়ে ভুল শুধারােনার চর্চা করে। আমি বিশ্বাস করি আমি তাদের দলে..

১.

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ