'ঘুমিয়ে পড়' - Lesson 1
ছোটবেলার প্রিয় একটা গান ছিলো এটা, ক্যাসেটের যুগ ছিলো যখন। টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ফার্মগেট থেকে ক্যাসেট কিনতাম।
এই ব্যান্ডের দুটো এ্যলবাম বের হয়েছিলো। Lesson-1 ও Lesson-2 । মনে হচ্ছে কয়েক যুগ পর শুনলাম, র্যাগে জনরার গান। খুবই হালকা গানের কথা তাও কত যে ভাল লাগতো শুনতে। কল্পনার প্রেমিকার উদ্দেশ্যে গলা ছেড়ে গাইতাম কিশোরবেলার সন্ধ্যাগুলোতে ..
ঘুমিয়ে পড় যদি আমায় ভেবে
স্বপ্নে ভাসো যদি আমায় দেখে
হৃদয় মাঝে যদি রাখো গো আমায়
ভোরের পাখি হয়ে গান শোনাব তোমায়
সবুজে ছাওয়া এই নির্জনতায়
একটু আরো ভালবাসো না আমায়
সিক্ত তোমার ঐ অধরে আমায়
দাও না ছুঁয়ে ওগো প্রেমের ছোয়ায়
মনের কোনে যদি রাখো গো আমায়
ভোরের পাখি হয়ে গান শোনাব তোমায়
দু'চোখ ঝরে যদি অশ্রুধারায়
দৃষ্টি হারায় যদি বিষাদ ছায়ায়
দুঃখ স্মৃতি ভুলে দুর অজানায়
সুখের মাঝে খুঁজে নিও গো আমায়
বুকেতে ধরে যদি রাখো গো আমায়
ভ্রমন: বান্দরবন-থানচী-েমাদক
গত বছরের জুলাই মাস বর্ষাকাল,মাথার িভতর বিিভন্ন আইডিয়া িকলবিল করছে। আর তাতেই শুরু হয়ে গেল ইমেইল-ফেসবুক এ কথা চালাচালি। অবশেষে িঠক হলো বান্দরবন এর থানচী হয়ে েমাদক যাওয়া হবে । পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবন, বান্দরবন হতে চাদের গাড়ী েযাগে থানচি। রাতে থানিচ েরস্ট হাউজে থাকা অত:পর সকালে ইঞ্জিন বোটে েমাদকের পথে যাত্রা শুরু, অবশ্য বিডিআর যেতে দিতে চাচ্ছিল না এবং আরোও বললো যে ৪/৫ দিন আগে নৌকা ডুবে ।২ জন মারা গেছে। পথে তিন্দুর বড় পাথর দেখলাম অবশ্য ভালো মতো দেখা গেল না কারন পানি অনেক বেশী িছল, এছাড়া সবাইকে মাঝে মাঝে নৌকা থেকে নেমে হেটে যেতে হচ্ছিল ও কয়েক জায়গায় রশি বেধেঁ নৌকাকে টেনে নিয়ে যেতে হয়েছে। যাহোক েস্রাতের বিপরীতে চলতে চলতে সন্ধ্যার পরপর আমরা রেমাক্রী পৌছালাম। অত:পর রেমাক্রি বাজারে রাতের খাওয়া এবং রেস্ট হাউজে রাত্রী যাপন। পরদিন সকালে নৌকায় ছোট মোদক হয়ে দুপুর নাগাদ বড় মোদক পৌঁ
তা - সিন
অনুগত সত্ত্বার ক্রন্দন,পরমানু সত্ত্বার ক্রন্দন-
কৃত আওয়াজ,নৃত্যরত আবহাওয়া
তরুমঠ,মেঠো ধুলো ,নোনা সাধের তট
রথ ধরে অবগুন্ঠিত ধারা,পদস্পর্শ তরঙ্গ
চুল,চাতক বেণীর বন্ধন;
ষড়ভঙ্গ চিৎ কলা ও জমিন।
মুক্ত তা-সিন হে পৃষ্ঠ;পাতাবাহারের আহার হয়ে দেখা দিতে দিতে চমৎকার চিৎকার শোনো।
জেনো,দাস আছে দরজার সাথে লেপ্টে
পাহারা প্রহারে বৃষ্টির তাপ
মুশকিল এগুনো;গুন গুন জলসার মুদ্রা
ক্রমাগত সৃষ্টির প্রহ্লাদ
পূর্ব ও পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ অপঘাতহীন
ত্যাজ্য জলজকণা কিংবা বাষ্পীয় গতির আড়াল
সে তোমার কন্ঠের লন্ঠন ধ'রে গতিহীন জঙ্গী!
সঙ্গী;সেও বিভাজ্য গনিতের নীলাভ ছোবলে ধ্বংস
হংস ডানার আড়ালে অকৃতদ্বার প্রশান্ত প্রতিমা
বিয়োগ রোগে রাতদিন নিদ্রামগ্ন উঠনে নেমে এলো উলঙ্গ বর্ষা
অমাবশ্যা অমাবশ্যা বেশ্যার ভূষণ লঙ্গন করে খদ্দের সীমানা।
তা,অইরূপ বিক্রত কেচ্ছা শোনো পরের বাগান
আসিফ মহিউদ্দিনের নিঃশর্ত মুক্তি চাই

সারা বিশ্বে অনলাইন এক্টিভিষ্টদের বিভিন্ন ইস্যুতে সরব উপস্থিতি এখন আর কারো অজানা নয়... মিশর থেকে তিউনেসিয়ার ক্ষমতার পালাবদল এদের হাত ধরেই... বাংলাদেশেও বিকল্প মিডিয়া হিসেবে অনলাইন কমিউনিটির বলিষ্ঠ ভূমিকা আজ প্রতিষ্ঠিত প্রায়... বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে মেইন স্ট্রিমের মিডিয়া অর্থনৈতিক বন্ধনের কারণে নিশ্চুপ থাকায় জনগণের ক্ষোভ/হতাশা এখন অনলাইন কমিউনিটির এক্টিভিষ্টদের হাত ধরে একটা গ্রহণযোগ্য অবস্থানে দার করিয়েছে। আর তাই এই অনলাইন এক্টিভিষ্টরা আজ সরকারের চক্ষুশূল।
গতকাল রাতে আমাদের এক সহব্লগার আসিফ মহিউদ্দীনকে সরকারের একটি নিরাপত্তা সংস্থা আটক করেছে।
স্মরণ
(1)
খালি শরীরে দুলাল কে অনেকটা অ্যাথলেটদের মত লাগে । পাড়া গাঁয়ের ছেলে কিন্তু অনেক পেশীবহুল শরীর। টানটান বুক অনেক লম্বা গড়ন। সেই দুলাল কিন্তু একেবারে গরীব ঘরের ছেলে। দুবেলা খাবারের জন্য তাকে ছুটতে হয় নানা কাজে। কাজে ফাঁকি কি জিনিস তা দুলাল জানেনা। দুলাল ভাবে আমি কাজ করি মালিক তাতে আমাকে যা দেয় তা দিয়ে আমার বাবা মা খাবে আমি খাব তাই ফাঁকি দিলে সেই খাবার হালাল হবে না । সে কথা নাকি এক হুজুর তাকে বলেছে। সে কথার পর থেকে যেখানে কাজ করে অনেক মনোযোগ দিয়ে কাজ করার চেস্টা করে ।
যুদ্ধকালীন স্মৃতির খন্ডচিত্র
দেশে যুদ্ধ চলছে। একদিকে সশস্ত্র পাক হানাদার বাহিনী, অন্যদিকে নিরস্ত্র মুক্তি বাহিনী। তখন দেশ এক চরম সংকটে। পাক বাহিনী যেন বাঙালির চারপাশ ঘিরে রেখেছে। যখন-তখন যে কারো ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে ওরা। এ অবস্থায় মাকেসহ আমাদের গ্রামে পাঠিয়ে বাবা ও মেজো ভাই লালবাগের বাড়িতে রয়ে গেলেন। বুড়িগঙ্গার তীরবর্তী ইসলামবাগ তখন চর এলাকা। গ্রামে যেতে হলে জিঞ্জিরা থেকে বাসে সৈয়দপুর, তারপর লঞ্চে শ্রীনগর গিয়ে নামতে হতো। একদিন মেজো ভাই গ্রামের উদ্দেশে ইসলামবাগের ভেতর দিয়ে রওনা হলেন। চাঁদনীঘাট ওয়াটার ওয়ার্কস পাম্পের কাছে আসতেই পাক সেনাদের নজর পড়লো তার ওপর। একজন মেজো ভাইকে দূর থেকে কাছে যাওয়ার জন্য ইশারা করলো, কিন্তু তিনি সাড়া না দিয়ে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। ডুব সাঁতারে অনেকটা দূর গিয়ে ভেসে উঠতেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লো। গুলিটি তার চুল ঘেঁষে চলে যায়। রাখে আল্লাহ মারে কে? এ যাত্রায় বেঁচে গেলেন তিনি।
ফুল চা
নাম হল ফ্লাওয়ার টি যা বাংলায় বলা যায় ফুল চা। এতদিন শুধু নাম শুনেছি কিন্তু কোন দিন স্বচক্ষে দেখিনি, তো চেখে দেখাতো অনেক দূরের কথা।
কাল সন্ধ্যায় এক বন্ধুবর চীন থেকে আমার জন্য এই একটি কৌটা এনে উপহার দিল। সকালে তার উপযুক্ত ব্যাবহারে লেগে গেলাম।
খেতে বেশ ভাল চমৎকার লাগল।

এর গন্ধটা খুবই ভাল লেগেছে। আমাদের দেশে তো বেলী ফুলের অভাব নাই কিন্তু অভাব আছে চীনাদের মত বিস্তৃত বুদ্ধির।
মেঘবন্দী (১১) ... তুচ্ছ বর্ষন গল্প / রুমানা বৈশাখী
তুচ্ছ বর্ষন গল্প
রুমানা বৈশাখী
১)
টিপটিপ করে পড়েই চলেছে কাল দুপুর থেকে। সন্ধ্যা পেরিয়ে, রাত পেরিয়ে এখন পরদিন ভোর। তবু বুঝি আকাশের মজুদের শেষ নেই। এতটুকু বিরাম নেই বৃষ্টির ঝরঝরিয়ে পড়ে চলার। গাঢ় অন্ধকার ঘনাচ্ছে ক্রমশ। যে কোনো মুহুর্তে আবার ঝমঝমিয়ে বর্ষনের প্রস্তুতি।
শূন্যতা
বারবার গ্রাস করে অস্তিত্বহীনতার এক তমসাচ্ছন্ন বোধ।শামুকের খোলের ভিতর গুটানো মাংসপিন্ডকেই 'আমি' বলে ভ্রম হয়।এক কুয়াশামাখা আধো-অন্ধকার ভোরে আচমকা ভেসে আসা এক ঝলক বেলীর গন্ধে আচ্ছন্ন হতে হতে শূন্যতার কথা প্রবল মনে পড়ে।ডানায় তীব্র হাহাকার ছড়াতে ছড়াতে এক ঝাঁক শুভ্রবলাকা নিঃসীম আকাশের দিকে উড়ে যেতে যেতে বলে যায়--'শূন্যতার রং সাদা, কেবলই সাদা'।
জীবনতো বিনাশী নয়।সে শুধু নিজস্ব ভুল--অমৃত ঢেলেছি বিষের পাত্রে।দীর্ঘ শীতঘুমের পরে জেগে দেখি ঘরে-বাইরে আলো-আঁধারির দোলাচল।ঘরের অন্ধকারের সাথে পাল্লা দেয় জানালার বাইরের বীভৎস কালিমালিপ্ত কুয়াশার চাদর।
এই ধুলোবালি-ভীড়ের শহরে কেউ কারো বন্ধু নয়। এক নিঃসঙ্গ -বিবর্ণতাকে সংগী করে সকলেই নিমগ্ন আপন-কোঠরে।
রূপান্তরের সরল নিয়মে আমিও বদলে গেছি।'মেটাফরমসিস' এর তেলাপোকা।
আমিওতো মুখোশ খোঁজার প্রচন্ড অনুসন্ধিৎসায় মানুষের মুখ ভুলে গেছি।
জীবনের অনেক রঙ
![]()
জীবনে অনেক রঙের ছড়াছড়ি,সারাক্ষণ অভিনয়ে
বেলা হয় পার। কখনও দুষ্ট ছেলে কখনও যুবক
তরুণের পর একদিন পিতা, এরপর মায়ার সংসার
দিনের শেষে হাজারো ক্লান্তি ভরা একরাশ আঁধার।
পাড়ার চায়ের দোকান কিছু বখাটের দখলে
তাকিয়ে দেখি এ সমাজ ডুবে যায় অন্য গোধূলি বেলায়।
নেশার ছোবলে বাঁধা পড়া কিছু তরুন হেঁটে যায়
সভ্য সংস্কৃতি বহু আগেই পালিয়েছে শত লজ্জায়।
ভিনদেশী সভ্যতার চাপে আমি পরাজিত হই
চোখের নোনা জলে ভাসতে দেখি শিষ্টাচার।
তরুনী গুলো হেঁটে চলে উম্মাতাল বুক দুলিয়ে পাড়ায়
সম্ভ্রম লুকানোর বৃথা চেষ্টা করতে নাহি চায় ।
পরিবর্তনের ছোঁয়ায় সয়লাব সব, খালেক এখনো
দিনমজুরি করে সংসার চালায়। আলী কুঁজো পিঠে
আজও মোট বয়ে চলে। নিত্য নতুন গাড়ী হাকিয়ে
ভ্রমন: িসলেট-ভোলাগঞ্জ-মাধবকুন্ড
শহরের ইট-কাঠ-পাথর আর ভােলা লাগছিল না ।ফলে আমােদর "এক্সপ্লোরার ক্লাব অব বাংলাদেশ" এর শােহদ কামাল ভাই যখন প্রস্তাব িদলেন েয িসলেটের হজরত শাহ্জালাল (র:) এর মাজার িজয়ারত এর পাশাপািশ েভালাগঞ্জ এবং মাধব কুন্ড দেখতে যােবন, তখন িনজকে আর আটকে রাখতে পারলামনা। েবাচকা- বুচকী বেধে গতমােসর েকান একদিন রওনা দিেয় িদলাম। আমাদের ক্লাবের েডভীড সিলেটে চাকুরী করে ফলে সে আমাদের সাথে েযাগ দিতে এক মূহুত্ত দেরী করলোনা । আমাদের দেশটা যে কত সুন্দর বলে শেষ করা যাবে না বা আমার পক্ষে সেভাবে বর্ননা করা সম্ভবও নয়। তাই নিচে অানাড়ী হাতে েতালা কিছু ছবির মাধ্যমে প্রকাশের চেষ্টা মাত্র।
১। হজরত শাহ্জালাল (র:) এর মাজার, সকাল বেলা লোকজন আসতে শুরু করছে--
২।মাজার এর পাশে বড় বড় পাতিল, িক রান্না হয় ?
আমার বন্ধুর কোনো ঠিকানা নাই
সহজ করে বললে তিনি ঠিকানা তৈরীতে ভয় পান
ছেড়ে যাওয়ার ভয়ে অদ্যাপি কোনো ঋণ রাখেননি
সম্পদের উপরে ভাসমান কোনো জাহাজ হয়ে ওঠেননি
অথচ আল্লাহ যাকে দেয় তাকে নাকি উজার করে
সকল ভাড়ার ভরে দিয়ে থাকে জ্ঞানে বিজ্ঞানে কাব্যে
আমার বন্ধু তেমন ভাগ্যবর্তিকা
বলতে গেলে মা লক্ষী এসে বসে থাকেন পাশে
যদি সদয় দৃষ্টি দিয়ে আমার বন্ধু কিছু গ্রহণ করে
সরস্বতী শেখতে আসেন রোজ বিকেলে
এমনকি রাধার নতুন কিয়ার কেয়ামত
হুলস্থুল লাগিয়ে দিয়েছে কৃষ্ণালোকে
বৃন্দাবন থেকে ধেয়ে আসছে শ্বেতাঙ্গ শিক্ষার্থীরা
মথুরার দেবালোকে বুঝি লাগলো আগুণ
এমন আমার বন্ধুর গরিমা
আমার বন্ধু বলেন 'মরে যেতে পাই না ভয়
যখন তখন যেখানে সেখানে কিছু বলতেও পাই না ভয়
সোজা সাপ্টে বলে দেবো, জ্বালিয়ে দেবো'
আমার বন্ধুর ঠিকানা বিহীন আস্ফালনে
সকল ঠিকানা-দুরস্ত এনভেলাপ পথ ভুলে যায়
যেখানে সেখানে পড়ে থাকে গন্তব্যহীন
দ্বীপভূমি
ব্যস্ত খগোশের নিরীহ চঞ্চল চোখ
কাঠবেড়ালী কালো ছাই উষ্ণ লোম
অথবা নিপাট ভদ্রলোক ঘুঘুর পেলব পাখা
হঠাৎ চঞ্চল হয়ে বিস্ময়াভূত।
একি শরতের হাত, ভেঁজা সোঁদা গন্ধ!
সেই চিরপরিচিত , গ্রীবার স্ফীত রক্তনালী।
এখন তো কোজাগরী মৌ জোছনার আবাহন
আলো আধাঁরীর বিস্ময়কর অনুভূতি
লাজুক মুহূর্তে বেদনা আনন্দের খন্ডিত দহন
ঘাসফুলে জড়ানো, তারপর---
দ্বীপময় সবুজভূমি বজ্রাহত।
শরত ভালবাসি তোমাকে
জুঁইয়ের গাঢ় গন্ধ, অলকানন্দা,
কলাবতী, কেয়া ঝোপ আর
বাগান বিলাসের স্বচ্ছতা নয়ে
আমি তোমাকে পেতে চেয়েছিলাম।
শূন্যে ছুঁড়ে দেয়া কয়েনের দিকে তাকিয়ে
ব্যাকস্টেজেঃ
প্রৌঢ় দড়াবাজ দাঁড়িয়ে।
জীবনের শেষ দড়াবাজির খেলা দেখাবে বলে
রং মেখে লুকানো, ভাঁজ পড়া চেহারায়
মঞ্চ ফাঁকি দিয়ে আসা টুকরো আলোরা আলতো ছুঁয়ে যাচ্ছে,
বুঝিবা সান্তনার হাতে।
মঞ্চেঃ
চড়া তালে বেজে চলেছে বাজনা
উদ্দাম ড্রাম বিটের সাথে ছন্দ মিলিয়ে এগিয়ে আসছেন প্রেজেন্টার
তার চকচকে জুতোয় পিছলে যাচ্ছে স্পট লাইট
ধাঁধিয়ে দিচ্ছে চোখ, দর্শকদের।
ভরাট গলায় ঘোষিত হচ্ছে খেলা এবং খেলোয়াড়ের নাম।
বাইরেঃ
কুয়াশার মৃদু গন্ধ মাখা রাতের চাদরে
থিতিয়ে আসা ধুলোরা জমছে ধীরে
একঝাঁক রাতজাগা পাখি
নড়েচড়ে বসছে দূরবর্তী গাছের ডালে
নৈশব্দ এবং কোলাহল হাতধরে চলছে এসফল্টের রাস্তা জুড়ে।
আবার ব্যাকস্টেজেঃ
দড়াবাজের কাঁপা হাত খুঁজে নিয়েছে
জীবনের প্রথম রোজগারের কয়েনটাকে, যেটা
এ কেমন চলে যাওয়া...

আজো শশীর রূপের টানে, গহন মনে হিয়ার সনে...
ভুলি আমি এহেন ক্ষণে-তব চন্দ্রপাণা কেমনে?
যেমতি ছিলে আমা পাশ - স্তব্ধ কোন বসন্ত রাশ,
চপলা দর্শী টুটেনা আশ, যেন বা কল্লোল – দোদুল কাশ!
হারায়ে নিশার শয়ন সবি একলা শিহরে মৌণ কবি...
তন্দ্রা ফেরায় সে কোন ছবি - যামিনীর নিশেষে যেমতি রবি!
আমা-তোমা সেই যে জানা, মানতো কি কভু মানা?
আজ কেন তায় দুঃখ আনা -“আশা”-র কেন ভাংছো ডানা!
যাবেই যদি একায় চলে, কেনইবা তবে আমা হলে?
ভালবাসার নিশার ছলে - মোর স্বপনে জেগেই রলে!
ভাবছি আমি নিশি-রাত, “ভালোবাসা”-য় এ কোন জাত...
দুখ নিয়েছি ভরে এ-হাত, কেমনে সহি বলো এ ঘাত!