অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

চিত্রার পারে লাল পিঁপড়ার হস্তী দর্শন !

''বাবার দেশের মাটি ,
দাবদাবায়া হাঁটি !''

এই আত্মপ্রসাদ নিয়ে এখনো বাবার দেশেই আছেন উকিল শশীকান্ত সেনগুপ্ত । কিন্তু ততোদিনে বাংলা হয়েছে দ্বি-খণ্ডিত । ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হল । কেউই জানলো না ,বুঝলো না কি থেকে কী হয়ে গেল ! দুই নেতা বৈঠক করে দেশটাকে ভাগাভাগি করে নিলেন । একটা হল পাকিস্তানের অংশ আরেকটা ভারতের । এই পূর্ব-পাকিস্তানের অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশের চিত্রা পারের নড়াইলের বাসিন্দা শশীকান্ত সেনগুপ্ত । ১৯৪৭ এর দেশভাগের ফলে শশীকান্তের গ্রামের অধিকাংশ হিন্দুরা ভয়ে আতঙ্কে দেশ ছেড়ে পালাতে লাগলো । শশীকান্ত অনড় । তাঁর এককথা

... এই চিত্রা নদী ছেড়ে স্বর্গেও সুখ নাই !

citra

যোগ্য ছেলে সোহেল তাজ

প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ
মন্ত্রিসভায় নেইকো আজ
যোগ্য বাপের যোগ্য ছেলে
বড় গলায় সবাই বলে।

গেলেন তিনি ছুটিতে
কলঙ্ক দিয়ে কার টুঁটিতে
সবার জানা সে কথা
বলতে মানা অযথা।

পদটি ছিল স্বরাষ্ট্র
রর্য্যাব র্পুলিশের কারবার
জনতার অভিযোগে
করেন তিনি দরবার।

যোগ্য বাপের উত্তরসূরি
নয়তো ধোঁকাবাজ
অযোগ্যদের তাড়নায়
পেলেন তিনি লাজ।

রর্য্যাব-পুলিশের ক্রসফায়ার
ভুল ধরেছেন সাম হোয়ার
সত্য কথা বলতে মানা
ছিল না তো তার জানা।

খাঁটি কথা সহজভাবে
বলেন সোহেল তাজ
বিস্ময়ে ভাবেন উকিল
হলো এ কী কাজ।

মান-অভিমান নয়তো জেদে
রয়েই গেলেন দূরে
মন্ত্রিসভার কমলো সংখ্যা
এলেন না তিনি ফিরে।

সন্তানের গাএ মা'র বদদোয়া লাগা সংক্রান্ত মীমাংসার গল্প

শের-ই-খুদা হযরত আলী একবার ছেলেদের মজলিসে নিজের পেশীবহুল শরীর দেখে নিজেই মুগ্ধ হচ্ছিলেন। পুত্র ইমাম হোসেন বসে ছিলেন সেখানে। বললেন, আমার মা'র মনের পবিত্র রূপের কাছে এ সৌন্দর্য তুচ্ছ। আলী দৌড়ে স্ত্রী'র কাছে গেলেন। দেখাও সেই সৌন্দর্য। যা তুমি এমনকি লুকিয়ে রেখেছো নিজের স্বামীর কাছেও!
এতো শারীরিক কোনো সৌন্দর্য নয়, যে খালি চোখে দেখা যাবে। তোমায় সে রূপ কিভাবে দেখাই প্রিয়? শুধালেন বিবি ফাতিমা নিজেই। সঙ্গে হযরত আলীর স্ত্রী এ অভিশাপও দিয়ে বসলেন- যে গোপনে তাকে দেখেছে, সে যেন ভাতৃঘাতি যুদ্ধে জীবন হারায়।
আলী বললেন, অভিশাপ কাকে দিলে? এ তো তোমার নিজের ছেলে। আল্লাহর মর্জিতেই সে তোমার মনের পবিত্রতা সম্পর্কে জানে। বাতেনি মসজিদে* গিয়ে তোমার সেই রূপ দেখে এসেছে।

দাদাভাই শুভ জন্মদিন

আজ আমাদের দাদাভাইয়ের জন্মদিন।এই লোকটা কেন জানি সবার খুব প্রিয়।আমারও খুব প্রিয়।দুইদিনের জ্বরের ঠেলায় মাথায় কিছু আসতেছে না।খালি মাথা ভোঁ ভোঁ করে ঘুরতেছে।তাই আর কিছু লিখতে পারলাম না।

দাদাভাই খুব ভালো থাকুন।এখন যেমন আছেন আজীবন সেইরকমই থাকুন।এই কামনা রইলো।

শুভ জন্মদিন দাদাভাই

170286_10150133038455362_521265361_7922381_4109776_o.jpg
কী মসিবত ৫০ শব্দ হয় নাই বলে পোস্ট হচ্ছে না। দিলাম প্রিয় একটা গান লাগিয়ে।

আজকের আকাশে অনেক তারা,
দিন ছিল সূর্যে ভরা,
আজকের জছোনাটা আরো সুন্দর,
সন্ধাটা আগুন লাগা
আজকের পৃথিবী তোমার জন্য
ভোরে থাকা ভালো লাগা
মুখরিত হবে দিন গানে গানে
আগামীর সম্ভাবনা

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ ,
শুভেচ্ছা তোমায়

বেকারের দিনকাল ও টিভি সমাচার

মন মেজাজ খুব ভালো।এক বন্ধু আসছে চিটাগাং থেকে তাকে নিয়ে ঘুরে ফিরে বাইরে চলতেছে গত দুইদিন।সব কিছুতেই তার খুব আগ্রহ ঢাকা শহর নিয়ে।তাই এই রোদের মধ্যেও সারাদিন ধরেই বাইরে দিন যাচ্ছে।বাড়ি থেকে ফেরার সময় মন মেজাজ ভালও ছিলো না।ট্রেনে উঠতে না উঠতেই ঢাকায় ফেরার সময় সেটটা হারালাম তাতে মেজাজ একটু খারাপ ছিলো এখন সব ঠিকঠাক।মুবাইল ও নেট ছাড়া ভালোই দিন পার করতেছি।বাসায় নেট নাই তাই সাইবার ক্যাফেতে হেডফোন একটা কানে দিয়া ইউটিউবে গান শুনতে শুনতে পোষ্টটা লিখতেছি।

বিকালের নাস্তা: সিজলিং লাচ্ছা

সন্ধ্যা বেলা কী খাই ? কী খাই? দেখলাম আধ প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই আছে। তাহলে এটাই রান্না করা যায়। আপনি ভাবছেন যে, এইটা যদি রেসিপি পোস্ট হয়, তাহলে নিশ্চয়ই আমি লাচ্ছা সেমাই রান্নার গৎবাঁধা ফর্মুলা দিতে যাচ্ছি । আরে না! মানে রেসিপিই দিচ্ছি। তবে ওই যে সব ঈদে কারো বাড়ি গেলেই এক বাটি ঘন দুধে থল থলে লাচছা সেমাই অথবা পানি পানি দুধে ভাসা ভাসা লাচ্ছা সেমাই রেসিপি না। এইটা বেশ সোজা রেসিপি। ম্যাগি নুডুলস এর মত কয়েক মিনিটে রান্না করতে পারবেন। আসেন, কথা কম, রান্নার বন্দোবস্ত বেশি!

উপকরণ:

ভূমিকা
রান্নাঘর
চুলা
আগুন
একটা ফ্রাইং প্যান, অথবা কড়াই
একটা ছোট পাতিল

পর্ব -১
লাচ্ছা সেমাই - হাফ প্যাকেট (মানে আমার কাছে এইটুকুই ছিল!)
তেল

পর্ব -২

পানি
তেজপাতা - ১টা
দারুচিনির দ্বীপ ...থুক্কু খালি দারুচিনি
এলাচ - ২টা
লং - ২/৩টা
চিনি

ট্রাভেলগ ১

কলেজ শেষে গেলাম সিলেটে,গেলাম বলতে এক্কেবারে পাঁচ-ছয় বছরের ধাক্কা।নতুন জায়গা,নতুন সব ঘ্রাণ।এখনো আমার কাছে সিলেটের কথা মনে পড়লে মনে হয় -কেমন যেন এক সজীবতা আর সবুজের সমারোহ।সিলেট যাবার পর ই ভালমত ঘুরার ইচ্ছা মনে বাসা বাঁধল,আর আজ মনে হয়,আমি ই মনে হয় আমার বন্ধুদের মাঝে সবচেয়ে ঘরকুনো, আমার বেশীরভাগ ঘুরাঘুরি ই বই পড়ে, কোন জায়গার উপর ভ্রমন এর ভাল কোন বই পড়লে নিজে নিজে ই মনের কুঠুরি তে সে জায়গা র ছবি তৈরি করি।

আমার যাদুমনি (১৯)

ঈদের আগের দিন
304973_10150805258165151_757265150_21152206_2016783719_n.jpg
কাল ঈদ, মাথায় টুপি দিতে হবে না?

317804_10150805262195151_757265150_21152254_1539445548_n.jpg
দুষ্টুমি আর কাকে বলে! Tongue

317636_10150805258000151_757265150_21152204_1340888446_n.jpg
ফূর্তি-১

কিছু জীবনের কথা

কিছু জীবনের কথা
তৌহিদ উল্লাহ শাকিল

একটি মৃতদেহকে ছিঁড়ে খাচ্ছে শেয়াল শকুন
দেখতে কেমন দৃষ্টিকটু, বিশ্রী লাগে বলুন
নাগরিক সমাজে এটা বেমানান সবাই বলে
সকলে এসব ঘৃণা ভরে এড়িয়ে চলে।

রাস্তার পাশে ঝুপড়ি ঘরে যে থাকে
জীবন নিয়ে কত কল্পনার ছবি আকে।
প্রতিদিন সভ্য মানুষ তাকে ছিঁড়ে খায়
বিনিময়ে খাবারের জন্য কিছু টাকা পায়।

রাস্তায় পড়ে অনাহারী শিশু জোরে কাঁদে
তাকিয়ে হেথায় মধুবালা জীবনের সপ্ন বাধে
মাতৃত্তের জন্য হৃদয় হাহাকার করে উঠে
অস্পৃশ্য মুখ লুকায় তাকিয়ে শ্যামল মাঠে।

দাশ'বাবু সরকারি আমলা অনেক পয়সা তার
বৌ রেখে বাড়ীতে করেন সমুদ্র বিহার।
স্ত্রী-তার সুখ খোঁজে পায়না বিলাস অট্রালিকায়
পরিশেষে পা বাড়ায় অন্ধকারের অজানা নর্দমায়।
(১৪.০৯.২০১১।অপরাহ্ন ০১.২৮ । রিয়াদ । সৌদি আরব)

কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেলগুলো সেই ............

অনেকক্ষন যাবৎ আমি ডাক্তারের চেম্বারে বসা। ডাক্তার আমাকে মুখে কিছু না বললেও তার চেহারায় চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। তিনি বার বার রিপোর্ট দেখছেন আর জিজ্ঞেস করছেন, আপনার সাথে কি আর কেউ আসেননি?

মেঘবন্দী (৯) ... আমি জ্যোছনা এবং বৃষ্টিরা / লীনা দিলরুবা

আমি জ্যোছনা এবং বৃষ্টিরা
লীনা দিলরুবা

একদিন আকাশ থেকে কিছু বৃষ্টি ঝরে পড়েছিল, আমি দরজা খুলে বাইরে এসে দেখি-ওমা! সাদা সাদা জ্যোছনায় ভেসে যাচ্ছে চারদিক, আচ্ছা জ্যোছনা রাতেও বৃষ্টি হয় তাহলে! আমি বৃষ্টি ঘাড়ে করে জ্যোছনায় ভাসতে ভাসতে ভাঙতে লাগলাম পথ ; চলতে গিয়ে জনারণ্যে কয়েকটি পরিচিত মুখ দেখা গেল। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে পরিচিত মুখগুলো আমার সাথে খুব অপরিচিতের মতো আচরণ করছিল- ওরা আমায় চিনতে পারছিলনা! শুধু না চেনার বিষয়টি নয় ওদের আচরণও ছিল অদ্ভুতুড়ে। কারো দিকে লক্ষ না করে ওরা অবিরাম কি যেন খুঁজে বেড়াচ্ছিল; মনে হচ্ছিলো একদল নাছোড়বান্দা প্রেমিক কাঁদা হাতড়ে সব ওলট-পালট করে দেবে। যেহেতু ওরা আমার সঙ্গে কথা বলছিলো না তাই আমার জানা হলো না ওরা আসলেই কি খুঁজছিলো- বৃষ্টির ক্ষীয়মান ফোঁটা, জ্যোছনাগান্ডীর, নাকি সোনার মোহর?

আই এ্যাম লোনলি ব্রোকেন এঞ্জেল----

"চাকরীটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো" গানটা আমার বড় মেয়ের ঘরে বাজছে বার বার। ওর ঘরে উঁকি দিতেই বললো ---মা গানটা কেমন যেন না? মনে হয় শিল্পীটাই বেলাকে প্রান ধরে ডাকছে।
আমি বললাম ---গানটা শুনলেই মনে হয়, যেখান থেকে পারি বেলাকে ধরে এনে ওদের বিয়ে দিয়ে দেই।
আগে তো টেলিফোনে লাইনই পাওয়া যেত না, খালি রং নাম্বার যেত।
---তা হলে তুমি আমাকে মোবাইল ফোন কিনে দাও না কেন?

নিরুত্তর আমি বসে রইলাম পাথরের মত কিছুক্ষন।
---তোমাকে তো ফোন দেব বলেছিই, তোমার বয়স আঠারো হবার পর।

সারাদিন গুন গুন করে গলায় ভাজছি "কজ দিস ইস পিয়র লাভ-"-- মাঝে মাঝে কানে হেড ফোন লাগিয়েও গানটা শুনছি। আমার গান শোনবার বহর দেখে বাড়ির সবার যে চোখ কপালে উঠেছে তা বুঝতেই পারিনি। তাই বলে এটা ভাববার কোন কারন নেই যে আমি গান শুনি না বা মাঝে মাঝে গুন গুন করি না।

জেগে থাকা এবং বিবিধ...

*
জেগে থাকি, জেগে থাকি
অনিবার্য মৃত্যুর মতন জেগে থাকি।
মন বিবশ করা সৌন্দর্যের মতন জেগে থাকি।
হৃদয় বিদীর্ণ করা বেদনার মতন জেগে থাকি।
শিশুর প্রথম হাসির মতন জেগে থাকি।
ফেলে আসা অতীতের মতন জেগে থাকি।
ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে জেগে থাকি তারই প্রতীক্ষায়...

**
অন্ধ উইপোকা জানেনা জীবনের মানে
দিনভর বাসা বেঁধে যায় ধ্বংস হবার জন্য।
তেমনি তোমারও জানা নেই ভালোবাসার গান
চোখ বুজে আশ্রয় খুঁজে ফেরো কোমল হৃদয়ে।

***
সীমান্তে, কাঁটাতারের বেড়ায় বাঁধা পড়ে থাকে বিবিধ স্বপ্নাবলী,
সচরাচর বাঁধা পড়ে যাই ব্যাক্তিগত দুঃখের ঘেরটোপে।
স্বপ্নাবলী, সীমান্তে পৌছুবার আগেই আশ্রয় নেয় ক্লান্তি ও বাস্তবতার ওয়েস্ট বাস্কেটে।

****
চাঁদের ঝলমলে পোশাকে অভিজাত রাত
ঘৃণার দৃষ্টি ফেলে ফুটপাথে,
টুকরি বিছানায় গুটিসুটি মেরে থাকা নোঙরা জীবগুলোর পানে।

শিরোনামহীন

প্রবাদ শুনেছি ছেলেবেলায়
উড়িয়ে দেইনি অবহেলায়
চোর-চোট্টা খেজুরের গুড়
আছে যতো ফরিদপুর।

লুটে নিচ্ছে চোরের দল
জনতার সম্পদ
আঁকড়ে আছে মন্ত্রিত্বের
বড় বড় পদ।

স্বাধীনতার বয়স কতো?
নিশ্চয় হয়েছে চল্লিশ
এতোদিনেও কি জনতা
রয়ে গেছে ফুলিশ।

সাধ ছিল এক সময়
সাধ্যও ছিল সমান
এখন কেবলই স্মৃতি
গোলাভরা ধান।

ভারতীয় জনতার যতো
আছে দেশপ্রেম
আমাদের দেশাত্মবোধ
বন্দী যেন ফটোফ্রেম।

বাংলাদেশের নাগরিক
তাই কি বাঙালি
বিদেশীরা দেয় কেন
হীন দৃষ্টিতে গালি।

ঋণ করে ঘি খাওয়ার
অভ্যাস যতো মোদের
প্রতিবেশীর দাদাগিরি
ঠেকায় সাধ্য কাদের।

বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন
মোরা এক জাতি
দুর্নীতিতে ঢের ভালো
আছে বহু কুখ্যাতি।

পুঁজিবাজারে পুঁজি নেই
যতো কেলেঙ্কারি
অর্থ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর
নিত্য আইন জারি।

পুঁজিবাজারে ব্যবসা নাকি
ফটকা এক কারবার
ভূঁতের মুখে রাম নাম
জপে সে বারবার।

এলোমেলো বাচ্চাবেলা

আমি মোটামুটি ভুদাই কিসিমের মানুষ, মীরের লেখাটা পড়ে কিছুটা অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক ভেবে-চিন্তেও পুরো ছেলেবেলা হাতড়ে টাতড়েও গুছিয়ে লেখার মতো ডেঁপোমি তেমন পাচ্ছিলাম না। তবে চুপেচাপে ঠারে-ঠুরে আকাজ-কুকাজ নেহায়ে্ৎ কমও করি নাই। আম্মা যখন ইশকুলের মাস্টারনি ছিলো, নানী'র সাথে সাথে থাকতাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটা গ্রামে... গ্রামের নামটা বড়ো আজীব, অবশ্য আর দশটা গ্রামের যেমন হয় আর কি... ছয়ফুল্লাকান্দি। যদিও সেইকালে এই শুদ্ধ নামটা মোটেই জানতাম না... সবাই বলতো ছোবলাকান্দি... আর আমি ভাবতাম সেইখানকার সবাই বুঝি ভীষণ ছ্যাবলা, তাই এই নাম।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ