স্বাধীনতার কবি শামসুর রাহমান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ।
![]()
"স্বাধীনতা তুমি
রবি ঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান ।
স্বাধীনতা তুমি
কাজী নজরুলের ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দুলানো
মহান পুরুষ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে কাঁপা
স্বাধীনতা তুমি
শহীদ মিনারে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির উজ্জ্বল সভা ।"
মেঘবন্দী (৫) ... রিমি রিমঝিম রিমঝিম নামিলো দেওয়া / তানবীরা
রিমি রিমঝিম রিমঝিম নামিলো দেওয়া
তানবীরা
পয়লা আষাঢ়, প্রথম কদম ফুল, প্রথম প্রেম। বাঙালীর জীবনে এগুলো যেন ছঁকে বাঁধা। বিরহী যক্ষ এদিনে মেঘকে দূত করে পাঠায় তার প্রেমিকার কাছে (মেঘদূত কালিদাস)। রোমান্টিক দিন, রোমান্টিক কালের সূচনা সেই থেকে আমাদের ভারতবর্ষে। সেই থেকে বৃষ্টিতে এ দেশের মানুষের মন উদাস হয়, রোমান্টিক ভাব আসে। কবিতার খাতা নিয়ে পুট পুট কবিতা লিখে, গানে সুর দেয়। ঘরের লাগোয়া বারান্দা দিয়ে টুপটাপ পাশের বাসার কিশোরীর প্রেমে পড়ে। ইলিশ ভাজা আর খিচুড়ি খায়। তাদের আর কোন কাজে মন বসে না। জানালা দিয়ে উদাস হয়ে আকাশ দেখে। সিনেমাতে শুকনা খটখটে রোদের মধ্যে হুট করে বৃষ্টি নামিয়ে গান লাগিয়ে দেয়। নায়ক ভিজে – নায়িকা ভিজে, সাথে ভিজে দুনিয়া।
আবোল তাবোল - ২
[ডিসক্লেইমার :হাবিজাবি টাইপ পোষ্ট।অলস সময়ের এলোমেলো চিন্তাভাবনা।যুক্তি খুঁজে লাভ নাই,মন চলে আবেগের রেলগাড়িতে!করার মত কোন কাজ থাকলে ইহা না পড়াই উওম]
#বিষয় ¤
আশা - নিরাশা, হতাশা ও ভালবাসা :
বাংলাদেশের 'ট্যুর অফ জিম্বাবুয়ে '।
আমি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ নই।অনেক কিছুই ভাল ভাবে বুঝি না,নানান পরিসংখ্যান তো মনে থাকেই না।
বরং ক্রিকেট ভালবাসি বলা যায়।ছোট থাকতে ওয়াসিম আকরাম,সাঈদ আনোয়ারের পাকিস্তানের খেলা দেখেই ক্রিকেট ভালবাসা।মনে আছে,স্কুল লাইফের অনেকটা সময় কেটেছে বাসার ছাঁদে গনগনে রোদের মধ্যে ভাইয়ার সাথে ৫০ ওভারের ওয়ান ডে আর দিনে ৯০ ওভার করে ৫ দিনের টেষ্ট ম্যাচ খেলে!এখন সময় অনেক বদলে গেছে।আগের মত ক্রিকেট খেলা তো দুরের কথা,বাংলাদেশ ছাড়া আর কারো খেলা টিভিতেও দেখা হয়না খুব একটা।
তাই বরং বলা ভাল ক্রিকেট না,বাংলাদেশের ক্রিকেট কে ভালবাসি।
বিড়ালের গলায় তবে ঘণ্টাটা বাঁধতেই হয়...
পুলিশ কোনো এককালে এই দেশে জনগণের সেবক ছিলো। বা একটা গল্পের শুরু হইতে পারে এক দেশে এক সৎ পুলিশ ছিলো। কালের প্রবাহে সততা আর পুলিশত্ব এই দুই বিশেষণ আর ক্রিয়া পদ যেনো আজ তেল আর জল। তারা একসাথে মিশে না। তাপমাত্রা বাড়লে ছিটকাইয়া উঠে। যারা কাছাকাছি থাকে তারা তেল কিম্বা জলের আক্রমণের শিকার হয়। শরীরে ফোষ্কা পড়ে। আমাদের প্রত্যাশা হইলো সততা আর পুলিশের কর্মকাণ্ড তার পুলিশত্ব এই দুইয়ের দা-নকুল সম্পর্কের দায়ে আমরা সামাজিক ফোষ্কা নিয়া ঘোরাফেরা করি। সেই ফোষ্কার কোনো প্রতিষেধক নাই। ধীরে ধীরে আমরা মাইনা নিতে শুরু করি, পুলিশ মানে সমাজের সেই ক্ষমতার অপব্যবহারকারী অংশ যারা আমাদের আরোপ কইরা দেয়া চাওয়া-পাওয়া দিয়া চলে না। তাদের সামাজিক উপস্থিতি কেবল সহজ উপায়ে ধনী হইবার জন্য। পুলিশের আত্মীয়-স্বজনরাও এই সমাজে নিরাপদ থাকে। অপরাধ আর অপরাধীরে নিষ্কণ্টক করবার জন্যই এখন প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন কইরা পুলিশ জন্ম দিবার শপথ ন
ইফতারাড্ডা
"আমরা বন্ধু"রা মাঝে মাঝে কিছু খুচরো আড্ডা দেই। যেখানে আমরা আসলে ব্লগের সবাইকে খুব মিস করি। আড্ডার অবশ্য আলোচ্য একটা বিষয় হলো "আমরা বন্ধু" ব্লগের সবাই মিলে একটা বড়সড় আড্ডা আয়োজন করা। বিবিধ ভেজালে পইড়া আয়োজন ভেস্তে যায়। তো এইবার অন্য কোনও ভেজালে পড়নের আগেই একখান ইফতার আড্ডার আয়োজন কইরা ফেলছি। সো এখন সময় ঘোষণা দেবার...
**************
আগামী ২২শে অগাস্ট সোমবার জন্মাষ্টমীর ছুটি। "আমরা বন্ধু"র সবাই একটু কষ্ট কইরা নিকেতন চইলা আসেন। আমরা আশা করি দুপুর দুইটা থেকে সবাই উপস্থিত থাকবো। তয় যারা মনে করতেছেন দুপুর দুইটায় চান্দি ফাটা রোদ শুরু হইয়া যাবে তারা সক্কাল সক্কাল চৈলা আসতে পারেন কোনৈ সমস্যা নাই..
যেইখানে যাইতে হইবো সেই ঠিকানাটা
***************
এইবার স্পন্সর ইত্যাদি...
বাড়িওয়ালা স্পন্সর করতেছে ভ্যেনু পেলাস খিচুড়ী
আদমের মুক্তি ! ময়নার অন্তর্যাত্রাঃ রানওয়ের তারেক মাসুদ ।

কতো সাধের ছাওয়াল আমার রাস্তায় পইরা মরে ... 'মুক্তির গান' । নাই । সব শ্যাষ ! তারেক মাসুদ জীয়ে নাই ! আছে তার মুক্তির গান মাটির ময়না অন্তর্যাত্রা রানওয়ে . . .
আদম সুরত(১৯৮৫) । বরেণ্য শিল্পী এসএম সুলতানের উপর করা তারেক মাসুদের তথ্যচিত্র । ক্যানভাসের সুলতান বন্দী হলেন সেলুলয়েডের ফিতায় । নড়াইলের আদম সুলতানের কীর্তিকে জানান দিতে ভালবেসে শ্রদ্ধা জানাতে মাসুদ সিনেবন্দী করলেন তাঁকে । নাম দিলেন

'আদম সুরত' । তারেক আপনি জানতেন ... জেনেই আপনি এই নামকরণ করেছেন । এই পোড়াদেশে আদমের চেহারা কী হয় তা আপনার জীবন দিয়েই প্রমাণ করে গেলেন ।
হাম্বার আহার
জানি ভুলগুলো নিয়ে আর কিছুটা পথ পাহারা দিতে হবে
শৈশবের মুদ্রাদোষ আজো আমার পিছু ছাড়লোনা বোলে
অস্তিত্বে থাকো মানে ফুলে ফলের চিহ্ন বৃক্ষে আদি
মুক্তির অপর নাম মূহুর্তের দমকা হাওয়া।
এই হাওয়া মাঝে মধ্যে আমার ঘরে আসে
খোঁজে স্ত্রীলিঙ জাতীয় কোন পদার্থ
আমিতো তখন আদম সুরত ধরে
ধারা পাল্টানোর মসলা শুনাই শব্দশিশুর কানে ।
পাল্টাল কই এইতো সকল আদি
নিধুবাবুর নিশ্চয়তা গেল
গোলের মধ্যে সকল পাখির আবাস
ছানার সঙ্গী খড়কুটো কেবল।
লিঙ দিয়ে অঙ্গ ঢাকার কথা
কোথায় থেকে কোথায় এলো ক্রুশের মাথায় বঙ
ললনারা গঠলো বুঝি নারীসত্ত্বা সংগ ।
এইখানে তোর হাতাহাতি শুরু
গুরুর কৃপায় নমরুদও পায় পাহাড়
ধ্যান যোগে বিয়োগ নামার ঢলে
তৃন সকল হলো হাম্বার আহার।
স্যালুট টু ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দিন আহমেদ, বীর উত্তম...
এরই ফাঁকে একসময় তোমার গৃহের প্রহরীদের মধ্যে
মরেছে দু’জন প্রতিবাদী, কর্ণেল জামিল ও নাম না-জানা
এক তরুণ, যাঁর জীবনের বিনিময়ে তোমাকে বাঁচাতে চেয়েছিলো।
– নির্মলেন্দু গুণ (সেই রাত্রির কল্পকাহিনী)
কর্ণেল জামিল উদ্দিন আহমেদ...
কর্নেল জামিল নামেই পরিচিত...
অকুতোভয় আর নিয়মানুবর্তী এই মানুষটার প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি...
১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট ভোরে যখন বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হামলা করা হয়... সেনাবাহিনীর এই একজন মাত্র সাহসী সৈনিক এগিয়ে গিয়েছিলেন তাকে রক্ষা করার জন্য... একজন সৈনিকের যে দায়িত্ব... দেশপ্রেমিক আর সৈনিকের কর্তব্য তিনি পালন করেছিলেন নিষ্ঠার সাথে...
বিশুদ্ধ জীবন
বিশুদ্ধ জীবনের অপর নাম কি?
নিজেকে যতবার প্রশ্ন করেছি উত্তর পেয়েছি ‘ছক’ এ চলা।
অমন একটেরে চলা কে কবে মানতে পারে!
অথচ চারিদিকে সেই প্রস্তুতি;
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া মানে গোল্ডফিশের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অর্জন -
অ্যাকুরিয়ামের সীমিত গন্ডিতে সব তর্জন গর্জন।
এফএম শুনতে শুনতে দাঁড়ি কামানো, ওড়না পিন্আপ,
লাঞ্চ বক্স ব্যাগে পুরে নামানো ঘরের ঝাঁপ;
তারপর দৌড়, ন’টা পঁয়তাল্লিশ বাজি রেখে কার্ড পাঞ্চ,
হাজিরা খাতায় সই-
নিজের মনকে চোখ ঠারা আদতে প্রত্যেকে”বাঁশী” কবিতার
কেরানী ছাড়া অন্য কেউ নই -
খুব ক্যাতা আমি অমুক, ভিজিটিং কার্ড, গলায় টাই
হিলের ঠকঠক, ঠোঁট পালিশ-
কেরানীগিরিটা কেড়ে নিলে বিছানায় শুইয়ে রাখা জীবন্মৃত
কোলবালিশ।
বিশুদ্ধ জীবনে তাই বরাবর ঢেলে দিয়েছি ছাই,
‘ছক’ এর চারপাশ ছেঁড়া, সুযোগ করে যখন তখন
খ্যামটা নেচে গাই।
(১৫.০৭.১১)
ঘাতক!
ঘাতক মোরা যানকে বলি
আসল ঘাতক কে?
ঘাতক মূলেই বাস-ট্রাকের
চালক বনে যে।
প্রতিদিনই জীবন মোদের
হচ্ছে কতো সাবাড়,
এ জীবনকে রক্ষা করে
সাধ্য কার বাবার।
জীবনটাকে তুচ্ছ করেই
নিত্য পথচলা,
নিচ্ছে জীবন ঘাতক ট্রাক
যেন ছেলেখেলা।
এ জীবনটা জীবন তো নয়
নির্ঘাত মৃত্যুকূপ,
যাচ্ছে জীবন শত শত
মন্ত্রী থাকছে চুপ!
ভাঙাচুরা সড়ক রে ভাই
চলার তো জো নেই
উন্নয়নের জোয়ার বটে
কথার ফুলঝুরিতেই।
আইন আছে প্রয়োগ নেই
পুলিশি চাঁদাবাজি,
হাঁকছে গাড়ি যেমন-তেমন
যন্ত্রদানব সাজি।
আছে গাড়ি ফিটনেস নেই
চলছে অবাধে,
ট্রাফিক আছে ট্রেনিং নেই
সাধ্য কার বাধে।
এক আঙুলের ইশারায়
যন্ত্রদানব থামে,
টুপাইস বুঝিয়ে
কেটে পড়ে চামে।
নোট :
যান= যানবাহন, জো নেই= উপায় নেই,
বাধে= বাধা দেয়, চামে= সুযোগ বুঝে।
ভদ্রমহিলার কেচ্ছা
কবিতা চর্চা অপছন্দনীয় অপরাধ!
ভদ্রমহিলার কাছে,
শব্দটা শুনতেই নাকি তিতকুটে লাগে!
তাই কবিতার জগত থেকে প্রস্থান করেছিলাম ।
রাজনীতি রাগবি খেলার মত!
তার বুঝতে গিয়ে নাকি
মস্তিস্কে মহাহাঙ্গামা লাগে !
তাই রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করেছিলাম ।
সাংবাদিকতা টোকাইদের কাজ !
আমার কৌতুহলী প্রশ্নে নাকি
তার চরম বিরক্তি আসে !
তাই মিডিয়ার সাথে আত্নীয়তা ছিন্ন করেছিলাম ।
পিরিত করা জঘন্য অপরাধ !
সেই ভদ্রমহিলার কাছে
আমাকে দেখতে নাকি রামছাগল লাগে !
তাই ছ্যাক খেয়ে পলায়ন করেছিলাম ।
সেই ভদ্রমহিলার নামটা শুনতে চান ?
থাক না, নাইবা বললাম !!!
আমার এবং শিল্পী তনিমা রাতুলের কিছু নতুন শিল্পকর্ম
বন্ধুরা ছাপচিত্রের উপরে আপনাদের কেমন আগ্রহ আছে জানি না তবুও অতি সম্প্রতিক আমার করা কতগুলো কাজের লিংক দিচ্ছি। সাথে আছে পেইন্টার তনিমা রাতুলের করা কিছু কাজ। ভালো লাগলে জানাবেন।এই কাজগুলো মানে আমার করা কাজগুলো একটু নতুন টেকনিকে করা। ক্যানভাস প্রিন্ট বলছি যাকে।এই টেকনিকের বিশেষত্ব হচ্ছে সাধারন প্রিন্টের কাজে অনেকগুলো ধাপ থাকায় ফর্ম এবং আইডিয়া থেকে বাধ্য হয়ে খানিকটা সরে আসতে হয় কিন্তু ক্যানভাস প্রিন্টে ধাপগুলো কম থাকায় সেই সম্ভাবনা নাই । যাই হোক এত কিছুর পরও বেশ খানিকটা নির্ভর করছে দর্শকের উপর তারা এই মাধ্যম এবং কালার ব্যবহার কেমন ভাবে গ্রহন করেন সেটাই দেখার বিষয় ।http://www.gonshaipahlavi.fineartsbd.com/
দুর্ঘটনা বা অবহেলা নয়- হত্যাকাণ্ড
দুর্ঘটনা নিয়ে লিখতে ভালো লাগে না। কিছু দুর্ঘটনা না লিখিয়ে রাখতে পারলোনা। যে দুর্ঘটনাগুলো কাঁদিয়েছে, রাগিয়েছে আর প্রতিবাদী করে তুলছে ক্রমশ। একদিন হয়তো ক্রোধই দেশ ছাড়া করবে এই অধমকে। আগেই আবেগী এই লেখার জন্য ক্ষমা প্রার্থী..
১.
১৫ ই আগষ্ট’৭৫ ও তারপর : বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের আততায়ীদের উল্লম্ফনকাল
বারবার আশাহত ও পরাজিত হতে হতে ’আশা এক প্রবঞ্চনা’তেই ঈমান এনেছিলাম । কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্টে ত্রিবেনী আর পুজির নষ্ট সঙ্গমে কিংবা স্টেনগানের ব্রাশ ফায়ারে বঙ্গবন্ধু হত্যার [1] পর বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় [2] , যুদ্ধাপরাধী বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন [3] যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু [4],উচ্চ আদালত কর্তৃক সংবিধানের ৫ম সংশোধনী বাতিল [5] , রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত কর্তৃক সামরিক আদালতে লে. কর্নেল এম এ তাহেরের গোপন বিচার অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া রায় [6] ইত্যাদি ঘটনায় আবারও আশায় বুক বাধতে ইচ্ছা হচ্ছে । আমরা একইভাবে আশা করি খালেদ-হায়দার-হুদা-মঞ্জুর ও জিয়া হত্যারও বিচার হবে [7] । লুৎফা তাহেরের[8] মতো সালমা খালেদ[9]এর প্রত্যাশাও পূরন হবে ।
বৃষ্টি ও জোছনা..[অলীক কাব্য - এলোমেলো কাব্যকথন!]
[পুর্বকথন :
বৃষ্টি,
তোমারো কী 'মন ভাল নেই' হয়?
যায় কী ছুঁয়ে বিষণ্ণতার হাওয়া?
তোমার আকাশ যায় কী ঢেকে মেঘে?
যাও কী ভুলে ভিতর বাহির যাওয়া?
'নীল বেদনা' সে-ও কী তোমার চেনা?
তুমি-ও বুঝি হুট্ অভিমান কর?
নীল আকাশে ভাসিয়ে মনের তরী,
নীল জোছনায় অঝোর ধারায় ঝরো?]
বন্ধ দুয়ার খোলেনি আজো,
আঁধারের কোলাহলে..
ডেকে যায়;
নিঃশব্দে,
তীব্র জোছনাপ্রহর..
মেঘের গা'য়ে জল,
জলস্পর্শে জোছনা
মেঘে ভিজে যায়,
ভেসে যায় জোছনা..
ভোরের আঁধার হয়ে;
ছুঁয়ে যায় জোছনা,
অগাধ বিশ্বাসে..
আরো একবার -
ভেসে যাক চরাচর,
রুপোলি স্নিগ্ধতায়..
..
ফিরে এসো জোছনা..।।