অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ৪ : অফিসে প্রথম দিন

নেদারল্যান্ডের বারটা প্রদেশের একটা, ফ্রিসল্যান্ডের (Friesland) শহর বোলসওয়ার্ড। এই ফ্রিসল্যান্ড থেকেই আমার এই কাহিনীর শিরোনাম। বোলসওয়ার্ড শহরে যেখানে আমার থাকার ব্যাবস্থা হয়েছে সেটার নাম, অল মেন হুজ। ইংরেজি অল মেন হাউজ। শহরের বিশাল গির্জার পাশে। বোলসওয়ার্ড শহরটা খুবই ছোট ছিমছাম। জনসংখ্যা দশ হাজারেরও কম। এত টিপটপ পরিস্কার যে ছবির মত সুন্দর। রাস্তায় সিগারেটের ছাই ফেলতেও খারাপ লাগত। আরো খারাপ লাগত নিজের শহরের কথা ভেবে। সুন্দর পরিচ্ছন্ন শহর, মানুষের নিরাপদ শান্তিময় জীবন এসব দেখে আমার আসলে মন ভার হত। আমাদের সাথে তুলনায় ওরা যেন বেহেশ্তে আছে।
bolswardcity
বোলসওয়ার্ড শহরের প্রধান কেন্দ্র।

শিবশবশব্দ

আবিদা তাঁর বাচ্চাটার দুই বগলের নিচে দুই হাত দিয়ে মোড়ার উপর দাঁড় করিয়ে হিস হিইইইস হিইস হিইস করছে । এইভাবে কিছুক্ষণ করার পর ফয়েরবাখ ঠিক ঠাক হিসু করে দেবে। ফয়েরবাখের স্কুল শিক্ষক মামী যে কিনা বলে যে,একদিন দেখা যাবে আবিদার এই হিস হিস শব্দে ফয়েরবাকের কোন কাজ হলো না,বাসার অন্য সবাই হিসু করে যে যেখানে আছে ভিজিয়ে দিল।আমার এইসব কথায় মন নাই। আমি কেবল ভাবছি শব্দগুনের কথা!শব্দগুন ব্যবহার করেই কি বেদেরা মানুষের শরীর থেকে বিষ বের করতো!অনেকেই হয়তো বলবেন সে-তো শব্দ নয়;মন্ত্র। আমিও বলি একই কথা। মন্ত্রতো শব্দগুনফল ধরেই মন্ত্র। মনকে ত্র মানে তরণ করে যে বার্তা পাঠানো হয়। আর সেই তরণ করা হয় শব্দ যোগে। যাই হোক শব্দের যে বিশেষ সামান্য ক্ষমতা রয়েছে সেকথা আমাদের সকলেরই জানা। এমন অনেক লোকই তো এই দেশে পাওয়া যাবে যারা তেমন কাজ কাম করেন না। কেবল শব্দ উচ্চারণ করেন আর তাতেই কাজ হয়ে যায়। পৃথিবী ধ্বংস করার

এভাবে চলে যেতে দিতে নেই!

প্রতিটি বস্তু কিংবা প্রাণী যায় বলি না কেন, সব কিছুতেই একটা ভাল আর মন্দ দিক আছে। কখনো কথনো এই মন্দ দিক গুলো আমরা একান্ত ভাবে কাছে ডেকে নিয়ে আসি। এর প্রভাবে ভেসে যায় আনন্দ, ক্লান্ত হয় সুখ। প্রায় প্রতিটা পরীক্ষার রেজাল্টগুলো প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর জীবনে যেন এক একটা অধ্যায় বয়ে নিয়ে আসে। এই অধ্যায়ের সমাপ্তিগুলো হয় খুব আনন্দের আর নয়তো বিষাদের। ২০১১ সালের এইচ,এস,সি পরীক্ষার রেজাল্টেও এই সকল বিষয়ের ব্যাতিক্রম কোন কিছু ঘটেনি। আনন্দে ভেসে গেছে সারা দেশ আবার কেঁদেছে অনেকেই। এবার সারা দেশে এইচ,এস,সি পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনাই সারাদেশে পাসের হার ছিল ৭৫.০৮। যা গত বছরের তুলনাই ০.৫৪ হার বেশী। এ বছরই রেকর্ড সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ ৫ পেয়ে সারা দেশকে আনন্দের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে আরো একবার। ফলাফল প্রকাশের পর আনন্দে উল্লাসে মেতেছে সবাই। বাবা, মার বুকটা যেমন বড় হয়েছে তেমনি কলেজগুলোও। এই গৌরব যেমন একদিকে বাড়তি

মিডিয়ায় শ্রমিক যোগান দেবে কে?

মাহে রমজান

রমজান এলো বলে-
আসবেই তো,
বিশ্ব মুসলিমের এবাদত
বন্দেগীর তরে,
ভ্রাতৃত্ববন্ধন সুদৃঢ় করার
অঙ্গীকার নিয়ে।

রমজান এলো
সিয়াম-সাধনা আর
আত্মশুদ্ধির মধ্য দিয়ে,
সাহরি-ইফতারের
বারতা নিয়ে।

রমজান এলো
পবিত্র আল-কুরআনের
মহিমা জানাতে
খতম তারাবি আর
বেশুমার এবাদত মানাতে।

রমজান এলো
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি
মজুদদারি ব্যবসা আর
জনদুর্ভোগ বাড়াতে(?)

রমজান এলো
বাঁকা চাঁদের হাসি আর
উৎসবের আমেজে।

*** পুনশ্চ : বিশ্ব পরিক্রমায় প্রতি বছরই পবিত্র রমজান এবাদত-বন্দেগীর বারতা নিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয়। আর এ সুযোগকে পুঁজি করে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী চক্র নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। ফলে দুর্ভোগ বাড়ে সাধারণ জনতার। এ ব্যাপারে রমজানের আগে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের ঘোষণা এলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন লক্ষ করা যায় না। ফলে মাহে রমজানের উদ্দেশ্য অনেকটাই ক্ষুণ্ন হয়। ***

মাতৃত্বের দায়িত্ব নাকি দায়িত্বের মাতৃত্ব?

শেষ বয়সে আমার সংগ্রামী স্বভাবের নানী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। প্রায় শয্যাশায়ী অবস্থায় একবার তিনি হঠাৎ কইরা নিখোঁজ হন। প্রায় ঘণ্টা তিনেক পরে তার সন্ধান মিলে বাড়ির পেছনের তিড়তিড় করে বহমান বুড়িগঙ্গার ছোট্ট শাখাটার পারে। অর্ধনগ্ন অবস্থায় হাটু গাইড়া সে বেলে মাটি মাখতেছিলো সারা শরীরের। সেইখান থেইকা আবার তারে ঘরে ফিরাইয়া আননের সময় তার তারস্বরে চিৎকার আমার কৈশোর প্রাণে কেমন স্তব্ধতা মাখছিলো...সেই অনুভূতির কথা মনে হইলে আমি আজো শিউড়ে উঠি। বড় মা মানে নানার মা'ও তার মৃত্যুর আগে আগে কেমন উদ্ভট আচরণ করতো! একেবারেই বালকবেলার স্মৃতি হিসাবে একদিন সারাদিন বিছানায় শুইয়া গোঙাইতে থাকা বড় মা'রে দরজার চৌকাঠ ধইরা দাঁড়াইতে দেইখা আমি তব্ধা খাইছিলাম মনে পড়ে। বড় মা'র গায়ে কোনো কাপড় ছিলো না...

দবিরের বৈদেশ যাত্রা- দুই

বিমানে উঠলেই দবিরের এই সমস্যাটা হয়। এর আগেও দবির ৩ বার বিমানে উঠছে। সেইটা অবশ্য বৈদেশ যাত্রা ছিলো না। দেশের মধ্যেই। একবার ঢাকা থেকে যশোর, একবার সিলেট আর একবার চিটাগাং। তাও নিজের পয়সায় না। সেইটা ১২/১৩ বছর আগের ঘটনা। একটা নতুন দৈনিক পত্রিকা বাইর হৈবো। সেইজন্য দবিরের মতন কিছু মানুষ সেই পত্রিকার পক্ষে জনমত তৈরির লাইগা সারাদেশ ঘুরছিলো। লোকজনের লগে কতা কৈছিলো। সেই সব দিনের কতা মনে পড়লে দবিরের নিজের কাছেই শর্মিন্দা মনে হয়। এখন দবিরের মনে হয়, সেইটা ছিলো সেই পত্রিকার পক্ষে একরকম দালালি করা। যদিও তখনকার দবিরের মতন মানুষগুলির উদ্দেশ্য সৎ ছিলো। ভালোবাসা ছিলো। স্বপ্ন ছিলো। মনে মনে লজ্জিত হাসি নিয়া দবির ভাবতে লাগলো, প্রতিবার বিমানে উঠলে তার এই অবস্থা হয় ক্যান ?

বদলে গেছি আমি!!

সময়ের সাথে আমার সম্পর্ক বহু বছরের। সে সম্পর্কে ভাব ভালোবাসা ছিলো না কখনো। নিষ্ঠুরতাই মনে হয় বেশী পেয়েছি সময়ের কাছ থেকে।

কখনো আমি ভেবেছি সময়কে দেখে নিবো আবার কখনো সময় আমাকে দেখে নেয়ার চ্যালেঞ্জ করেছে। কখনো আমি পরাজিত হয়েছি, কখনো সময় হয়েছে। নিয়ম মতো, আমার পরাজিত হওয়ার সংখ্যাই আমার কাছে বেশী মনে হয়।

আমার চাওয়া-পাওয়াগুলো সময় কেমন উদ্ভট ভাবে যেন পূরণ করে। অন্য কারো সাথে কি তবে গুলিয়ে ফেলে আমাকে? না হলে এত আগে পরে হয় কেন সবকিছু? হাজারবার চেয়েও কত কিছু পাই না সময়ের কাছ থেকে। আবার যা কল্পনাতেও থাকে না তাই জোর করে হাতে গুঁজে দেয়।

সময়ের সাথে না বরং অসময়ের সাথেই আমার বেশী ভাব।

নাস্তিক্যবাদ : কমিউনিষ্ট ধারনা নাকি বূর্জোয়া বিপ্লবের আবশ্যিক কতব্য ?

শুধু মার্কসবাদীরাই ধর্মের বিরুদ্ধে লড়েনি। যদিও আমাদের দেশে ধর্মের বিরুদ্ভে আলোচনা-সমালোচনা করলেই বলা হয় “কমিউনিষ্ট”। যেন নাস্তিক মানেই কমিউনিষ্ট। ধর্মের সঙ্গে সংগ্রামটা হলো বূর্জোয়া বিপ্লবের অবশ্য কতৃব্য এবং পশ্চিমে বূর্জোয়া গণতন্ত্র তার বিপ্লবের যুগে অথবা সামন্ততন্ত্র ও মধ্যযূগীয়তার উপর আক্রমনের যুগে সে কর্তব্য অনেক পরিমান পালন করেছিলো বা পালন করতে নেমেছিলো। ফ্রান্স এবং জার্মানীর উভয় দেশেরই আছে ধর্মের বিরুদ্ধে বূর্জোয়া সংগ্রামের ঐতিহ্য।

আটটার খবর (বিটিভি)

দেশ গেল রসাতলে, কেও গেল কবরে
সবকিছু ঠিক তবু আটটার খবরে।
উন্নতি ফুটে ওঠে বিটিভির পর্দায়
সরকারি নেতাগুলো পান খায় জর্দায়।
দুই গাল লাল করে মহারাণী হাসে তাই
ভাবে জনগণ মহাসুখে নিদ্রা যায় ।
এদিকে জনগণ খেতে নাহি পায়
দ্রব্যমূল্য যেন সীমানা ছাড়ায়।
সুখ নেই আজ ঘরে ঘরে
আছে শুধু আটটার খবরে।
তাই আসুন সবে চোখ রাখি
আটটার খবরে..।।।

কিছু কথা...

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যতম বিদ্যা পীঠ। জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণাধারদের এখানে যোগ্য করে গড়ে তোলা হয় এমনটা মনে করাই স্বাভাবিক। আসলেই তাই। এই বিশ্ববিদ্যালয় তার সবটুকু ঢেলে দেয় আমাদের ঠিক ভাবে গড়ে তোলার জন্য। প্রকৃত শিক্ষার আলোতে আলোকিত হবার সুযোগ এখনে সবার জন্য আছে। কেউ সু্যোগটা নেয়, কেউ নেয় না। এই লেখাটা তাদের জন্য যারা নিজেদের কে ঐ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে...

মিরসরাই: যে দুর্ঘটনা হত্যার শামিল

(ডিসক্লেইমার: মিরসরাইয়ে দুর্ঘটনার পর ক্ষোভে-রাগে দুটো লেখা লিখেছিলাম। একটি প্রকাশিত হয়েছে আমরা বন্ধুতে, বাকিটা পাঠিয়েছিলাম একটা বিখ্যাত জায়গায়। তারা ছাপে নি। অনুরোধ করেছিলাম না ছাপালে অন্তত জানাতে। তারা সেই অনুরোধটুকুও রাখে নি। এতোদিনেও যেহেতু ছাপে নি, ধরে নিচ্ছি তারা আর ছাপবে না। অপ্রকাশিত এই লেখাটি এতোদিন পর প্রকাশ করা উচিত কিনা, বিলম্বিত প্রতিক্রিয়ার আদৌ কোনো মূল্য আছে কি না জানি না, তারপরও দিলাম। কেন, তা জানি না। বোধহয় নিজের রাগটুকু অন্যকে জানানোর একটা আকাঙ্ক্ষা খুব বেশি করে কাজ করছে নিজের মধ্যে।)

চোখে নিয়ে স্বপ্ন আর বুকে নিয়ে অনেক অনেক কথা, আমার বয়স বাড়ে, আমি বাড়ি না...

শৈশবে টিচার জিগাইলো বড় হইলে কে কী হইতে চাও? তখনো আমি আসলে জানতাম না আমি কী হইতে চাই, তাই বেশিরভাগ বন্ধুর জবাব অনুসরণ কইরা বলছিলাম পাইলট হবো টীচার! পাইলট হইতে চাওয়াটা মনে হয় তখনকার পোলাপাইনের কাছে ফ্যাশনের মতোন ছিলো। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখতো সেই আমলের শিশুরা...তখনো আমার তেমন কোনো স্বপ্ন তৈরী না হইলেও আমিও পাইলট হইলাম। কিন্তু আসলে তখন থাকতাম একেবারেই নিজের ভেতর। একটা ছোট্ট নিজের রাজ্য ছিলো, সমব্রানিয়া। সেই রাজ্যের ত্রাতা ছিলাম আমি।

পদ্মা এক্সপ্রেস

পদ্মা এক্সপ্রেস চলনবিলের পাড়ে এসে থেমে গেল
ঠিক যেমটি আমি থমকে গিয়েছিলাম তোমাকে দেখে
ট্রেনের হুইসেল নেই, চলনবিলের আছে মৃদু গোংগানী
ওকে অভিমানও বলতে পারো
মনে নেই, অভিমান করলে আমার ঠোট নড়তো না
তুমি বলে যেতে নিরবধি, ঢেউয়ের মতোই।
পদ্মা এক্সপ্রেসের দীর্ঘ বিরতি আর ওদের খুনসুটিতে
আমি বিহবল হয়ে পূর্বের রংধনু দেখি, নাকি পূর্বের দিনে ফিরে যাই
ভাবতে ট্রেনের গতি বাড়ে, আর ভাবনাটা বুঝি তোমাকে ছাড়ে!

চলোনা বৃষ্টি নামাই

১.
ওরা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে পড়তো। ছেলেটা যখন মাস্টার্স-এর ক্লাশ শুরু করেছে, মেয়েটি তখন সদ্য ক্লাশ করতে এসেছে। প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তাদের মধ্যে বিয়ে হল আরও ১০ বছর পরে। প্রেমের বিয়ে না। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের মধ্যে কখনো দেখাও হয়নি।
জুন মাসে বাংলাদেশ থাকে তপ্ত। গরমের লু হাওয়া বয়। আবার জুনে স্বস্তিও আছে। অবিরাম বৃষ্টি পড়ে। ২০০২ সালের সেই জুনে বৃষ্টি হচ্ছিল না। সেরকম এক সময়ে বিয়ে হলো ওদের। যেন বিয়ে হওয়ার জন্যই অপেক্ষা। বৌভাত পার হয়ে ওদের হানিমুনে যাওয়ার দিন থেকে শুরু হল অবিরাম বৃষ্টি।
কক্সবাজারে তখন এখনকার মতো এতো হোটেল ছিল না। লাবনী পয়েন্টে কেবল লাবনী, সিগালে মাত্র ইট বসানো শুরু হয়েছে। ওরা উঠেছিল কলাতলীতে, একটা রেস্ট হাউজে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ