অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

একদিন স্বপ্নের দিন---

আসকার আলী। সারা দিন ভিক্ষা করে বেড়ায়। হত দরিদ্র। চৌধুরী সাহেবের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত একখানা ঘর পেয়েছিল এরশাদ মামুর গুচ্ছগ্রামে। সেই কৃতজ্ঞতা থেকেই প্রতিদিন সকালে চৌধুরী বাড়ি থেকেই ভিক্ষাটা সে শুরু করে।

সাবধানতাঃ সন্তানের জন্যে

আকিদার "অঞ্জলি পেতেছি, জল দাও" লেখাটা রোজ প্রায় একবার খুলি। কিছুদূর পড়ি কিন্তু পুরোটা পড়তে পারি না, মনটা অন্যকোথাও ঘুরতে থাকে। অনেককিছু অনেকভাবে মনে পড়ে একসাথে। নিজের কথা, মায়ের কথা, বন্ধুর কথা। প্রায় প্রতিদিন ভেবে চলেছি কিছু একটা লিখি, কিন্তু আমি এতো আবেগপ্রবণ যে কি লিখবো সেটাই গোছাতে পারছি না। লিখতে চাই অনেক কিছুই কিন্তু কোথা থেকে যে শুরু করি। আবেগটাকে সরিয়ে কিছু বাস্তব সমস্যার ওপর আলোকপাত করার চেষ্টা করবো আজকে। নিজের সম্বন্ধে সর্তক থাকা কিংবা সচেতন হওয়া একটা খুব জরুরী বিষয় জীবনে। অনেক খেয়ে খেয়ে হার্ট নষ্ট করে কিংবা ডায়বেটিস বানিয়ে তারপর সর্তক হলে, নিয়ম মেনে চললে কি হবে?

তাহের পূত্রের দণ্ড মওকুফ একটা স্বাভাবিক আওয়ামি পদক্ষেপ...

জীবনে একবার আমি লক্ষীপুর গেছিলাম। তখন সক্রিয় রাজনীতি করি। সংগঠনের একটা শিক্ষানীতি বিষয়ক প্রকাশনা বিক্রি ছিলো উদ্দেশ্য। চারদিনের সফরে লক্ষীপুরের চারটা থানায় প্রাক্তন বামদের সাথে দেখা হবে এইরকম উত্তেজনা তৈরী হইতেছিলো। বাংলাদেশের বাম আন্দোলনের ইতিহাসে লক্ষীপুরে জন্ম নেয়া সংগঠকদের বিশাল ভূমিকা ঐতিহাসিকভাবেই জানা ছিলো। কমরেড তোয়াহা, আ.স.ম আব্দুর রব, দিলীপ বড়ুয়া এমন অনেকেরই রাজনৈতিক সূচনা লক্ষীপুরের মাটিতেই হইছিলো। ফেনী থেইকা দুপুরের দিকে রওনা দিয়া যখন লক্ষীপুরে পৌছাইলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা। আমার হাতে কেবল তিনটা যোগাযোগের ঠিকানা, যাদের সাথে দেখা কইরা আমার রাতের থাকা-খাওয়া আর পরবর্তী দিনের পরিকল্পণা করতে হইবো। শহরে ঢোকার মুখেই বাস স্ট্যান্ড। ফেনীর নিখিলদা আমারে ছোট শহরের ম্যাপটা ভালো মতোই বুঝাইয়া দিছেন। আর সেই মতোই হাটতে শুরু করলাম।

মেঘবন্দী (৪) ... এক বরষ দিনের চিঠি / নীড় সন্ধানী

এক বরষ দিনের চিঠি
নীড় সন্ধানী

তুমি আমাকে ভুলে গেছো আমি বিশ্বাস করি না। তবে আমাকে অপেক্ষমান রেখেও তুমি নির্বিকার উপেক্ষা করে চলে যেতে পারো অন্য কারো হাত ধরে, সেও আমি বিলক্ষণ জানি।

আমি আর তোমার কাছে যাই না। তুমি ডাকো না বলে? আমিও তোমাকে ফিরে ডাকি না আর, তুমি আসবে না বলে? তোমাকে কেবল দূর থেকেই দেখি। মন ভরে দেখি, অতৃপ্তি নিয়ে দেখি। বর্ষার দিনে বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্য লোকের সাথে তোমার ঘনিষ্ঠতা দেখে দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে চায়ের কাপে আক্ষেপের চুমুক দেই।

বয়ে নিয়া চলা যাপিত জীবন!

ব্লগ এখন আর আমাকে টানে না।আর আগের মতো পড়ার ধৈর্য পাই না ব্লগের কোন পোষ্ট।ফেসবুকেই এখন বেকুবের মতো বসে থাকি।সেইখানেই যা পড়ার চিরকুট, সংযোগ তা দেখে নেই।তাই ব্লগের দুনিয়া আমাকে আর মুগ্ধ করে না,সকাল হলেই দেখতে বসি আগের মতো যে ব্লগে কি পোস্ট আসলো!এখনকার দিন গুলো কাটাই অন্যরকমের।সকাল হলেই নেটে বাংলা পত্রিকা পড়ি।ফেসবুকে লোকজনের ভাবনা জানি।চ্যাটে কারো সাথে বাতচিত করি।এরপর এমবিএ ভর্তি বিষয়ক বইপত্রের পাতা উল্টাই।এরপর নাস্তা করে চায়ের দোকান তাও আবার আমার বাসা থেকে ১৫ মিনিটের হাটা পথ।চায়ের দোকানে বন্ধু বান্ধব আছে কিছু যাদের সাথে পরিচয় ঐখানেই।সেইখানে নানা চাপা চুপা পিটায়া চারটার দিকে রুমে ফিরি।সেইখানে দেখি মামা আমার জন্য না খেয়ে বসে আছে।বেচারা মামা!জানলোও না তার ভাগিনা কত আকামের লুক:(

হচ্ছেটা কী এসব ?

শবে বরাতের রাতে ৬ যুবককে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে গ্রামবাসী। টেলিভিশনের কল্যাণে দ্রুতই খবরটি জেনে যাই। কেউ বলেছে আসলেই ডাকাত। ছেলেদের আত্মীয়-স্বজন বলেছে, ওরা ছাত্র আর নিরপরাধ। ঘটনার কিনারা হয়নি। প্রায় সকাল পর্যন্তুই বিভিন্ন টিভিতে খবরটি দেখি। কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি- ওরা আসলে ডাকাতি করতে গেছিলো না ঘটনার শিকার। অমিমাংশিত থেকে গেলো দুঃখজনক খুনের ঘটনাটি। বিক্ষিপ্ত মন নিয়ে ভোরের দিকে ঘুমাতে যাই।

এক ছিলো গূড় আর অনেক ছিলো পির্ফা

তো একজন কইলো
: মনে হইতাছে, ___ ভাই আবারো কাঠির আগায় গুড় লাগাইয়া গেছেন! সব পিপড়া এক লগে হাজির হইতাছে এইখানে!!

ভাব্লাম, জুকার্বার্গের এত্তবড় একটা সাইট্রে কাঠি কইতেছে বেপার্টা কি?
জিগাইলাম কে গুড় আর কেডাইবা পির্ফা?

আসলেইতো???
আসল কাঠি কুনটা, গুড় কুন্টা আর পির্ফাই বা কারা...

আসলে ভেজাল হইছে কি, ইদানিং লুকজন খালি ঝিমায়।ঝিমায় আর জুকার্বার্গের সাইটে গিয়া একটা ঘরের ভিত্রে ঢুইকা ঝিমাইতে ঝিমাইতে আড্ডা মারে। এদিকে মাঠ খাখা করে। কেউ কস্ট কৈরা মাঠে আসে না, সবতে মিল্যা ঠিকঠাক মতো খেলাধুলাও করে না। এইটা আসলে ঠিক না। মাঠে নাম লেখাইয়া সেই মাঠে না আইসা ঘরের ভিত্রে বৈয়া বৈয়া আড্ডা দেওনটা আসলে একটু কেরাম কেরাম জানি লাগে।

যাই হৌক, ঘটনা হৈলো একজনে কইলো যে মাঠে না আইসা ঘরে বৈসা আড্ডা দেওন উচিত না, লগে লগে ঘরে ভিত্রে হাজির হয়া গেলাম আম্রা সবতে। পুলাপান সব খ্রাপৈয়া গেছেগা। কলিকাল ঘোর কলিকাল...

আমি অপারগ তোমায় বাঁচাতে, জেনো।

অনেকতো হল,
এবার ভেঙ্গে ফেলার পালা।ভেবেছো কিছু ?

প্রায় ৪০ টি বছর এদিক সেদিক, এগলি ওগলি ঘুরে ক্লান্ত হওনি যদিও,
হারাওনি শ্রী এতটুকু বরং ক্রমশঃ বর্ধিত,
হৃষ্টপুষ্ট উরুযুগল আরও হয়েছে দৃঢ়,
দৃঢ় এবং কাঙ্খিত সর্বজনে ।
তারপরও বলছি, ফিরে এসো।এখনি, পিছু হটো,
আজ রাত্রীর পর-কিংবা অল্প কিছু দূরেই, ঐ গলিটার মোড়েই, আড়ালে,
তুমি বেহাত হবে তোমার।
দীর্ঘ সময়ের সাধনায় বাগানো শিশ্ম উঁচিয়ে
ঠিক ওত পেতে আছে, ওরা।

এখনো সময় কিছু বাকী, ফিরে এসো, লুকিয়ে পড়ো,
কিংবা যদি, দিনের মধ্যবয়সে যাও মিশে মিছিলে,
কাঁচের চুড়ি ভেঙ্গে বজ্রমুষ্ঠিতে ঝরাও রক্ত,
ধরাও কাপন ঔ সভ্যতার (!) বুকে।হানো আঘাত।ভাঙ্গো সংস্কার।
কিংবা করি আহবান
“তীর্থে যাব, যাবে ?”
যদিও আমি অপারগ তোমায় বাঁচাতে, জেনো।

হিস্ট্রি বিহাইন্ড দ্যা সিক্সটিন ডেইজ এ্যাকটিভিজম

প্যাট্রিয়া মিরাবাল, মিনার্ভা মিরাবাল এবং মারিয়া তেরেসা মিরাবাল নামের তিনবোনের জন্ম ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের সিবাও অঞ্চলে। ত্রুজিল্লোর একনায়কতান্ত্রিকতার বিপক্ষে শক্ত অবস্থান এবং নারীর অধিকার আদায় বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহনের জন্য এই তিন বোনকে স্প্যানিশ ভাষায় ডাকা হতো "লাস মারিপোসাস" (প্রজাপতি) নামে। রাফায়েল লিওনিদাস ত্রুজিল্লো ছিলেন তৎকালীন সময়ে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের একজন সামরিক শাসক যিনি সম্পূর্ন অগনতান্ত্রিকভাবে নিজেকে রাস্ট্রপতি ঘোষনা করেছিলেন। তার শাসনামলকে ২০ শতকের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী শাসনামল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গনতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এবং নারীর প্রতি শোষনরোধে বিভিন্ন বৈপ্লবিক কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য স্বামীসহ মিরাবাল ত্রয়ীকে বহুবার কারাবরন করতে হয়েছিল। ১৯৬০ সালের ২৫ শে নভেম্বর কারারুদ্ধ স্বামীদের সাথে দেখা করার জন্য রুফিনো থেকে পুয়ের্তোপ্লাতায় যাওয়ার

হুদাহুদাই (১)

কোন মহিলা প্রথম বিদেশযাত্রা নিয়ে ভ্রমণকাহিনী লিখেছিলেন?

আমাকেও তুমি সাথে নিও

ভালবাসা দিও দুহাত খুলে,
বটবৃক্ষের শীতল মূলে,
তুমি নিয়ে এসো শত বৃষ্টি কণা,
আমি, শুধু আমি যদি হই আপনজনা।
ঘুমায় যদি, স্বপ্ন দিও,
কোলবালিশের মানুষ ভেবে,
আমাকেও তুমি সাথে নিও।
আমাকেও তুমি দিও আড়ি,
ভাঙা অভিমানে স্বপ্ন ছাড়ি,
যদি অলিক হও, তবু দেখতে দিও,
যাত্রা ভুলের যাত্রী করে,
আমাকেও তোমার সাথে নিও।
আমাকেও তুমি দিও গো ব্যথা,
যদি ভুল হয় ভুলের কথা,
ক্ষমা না কর তো শাস্তিই দিও,
পাপভোগ সব শেষ হয়ে গেলে
আমাকেও কিন্তু সাথে নিও।
এ মনে তুমি থাক যতদূর,
একটু একটু করে বহুদূর,
যদি ক্লান্ত তুমি, জিরিয়ে নিও,
আবার রথের যাত্রা হলে,
এই, আমাকেও তুমি সাথে নিও।

মেঘবন্দী (৩) ... অনিন্দ্য রাত্রিপ্রাঙ্গণে পুনর্বার / মেঘ অদিতি

অনিন্দ্য রাত্রিপ্রাঙ্গণে পুনর্বার
মেঘ অদিতি

একটা ঘুড়ি উড়ছিল একটু আগেও। নাটাই হাতে হাফপ্যান্ট পরা ছেলেটি ঘুড়িটাকে পাকা নাচিয়ে হাতে ওড়াচ্ছিল। তারপরই ভোঁকাট্টা, এখন একলা হয়ে ঝুলে আছে গাছের ডালে। বৃষ্টিহাওয়া ঘুড়িটাকে ছেলেটির কাছ থেকে আলাদা করে উড়িয়ে এনে বসিয়ে দিয়েছে অন্য জায়গায়, ছেলেটি বৃষ্টিতে ভিজছে আর বোকা বোকা চোখে ওর ভিজতে থাকা নেতিয়ে পড়া গোলাপী-সাদা ঘুড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। গলির মুখে আটকে যাওয়া অনেকের সাথে নীল সালওয়ার-কামিজ বৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচাতে মাথায় তুলে দিচ্ছে আকাশনীল ওড়নার আড়াল। সেঁটে যাচ্ছে আরও বেশী করে দেয়ালের সাথে। মুঠোফোনে তাড়া দেওয়া প্রেমিককে এইমাত্র রাগীমুখে যেন ধমকে উঠল সে, তারপর ফোন ব্যাগে পুরে অখন্ড মনোযোগ ঢেলে দিল মুখ আর হাতের বিন্দু বিন্দু জলকণার প্রতি।

সকল মহামান্য ব্যাক্তি বরাবর

ইদানীং যা চলছে দেশে এই সব নিয়ে কথা বলতে আর ইচ্ছা আমার করে না। কোন সুস্থ মানুষের কিছু আর বলার থাকতেও পারে না। এক অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগম উনার কথা মনে হলেই আমার আত্মতৃপ্তিতে ঢেকুর উঠে। আহা, এখনি চোখ ভারী হয়ে আসছে। এত প্রগতিশীল মহিলা দেশে আছে ভাবতেই মনটা ভরে যায়। কিন্তু ম্যাডাম হোসনে আরা আপনি কি জানেন নাবালিকা একটা বাচ্চার সাথে সেক্স করলে সেটা সেক্স থাকে না? সেটা হয় রেপ। নাকি এইটুকু ঘুলি পরমেশ্বর আপনার মাথায় দেয় নাই? আপনার কি জানা আছে মিউচুয়াল সেক্স হওয়ার জন্যে “কনসেন্ট” নামে একটা জিনিস লাগে। কিন্তু মহামান্যা মাথামোটা অধ্যক্ষা সাহেবা, ১৮ এর নিচে (ক্ষেত্র বিশেষে ১৬) একজন নাবালিকা কখনোই সম্মতি দিতে পারে না। মহামান্যা আপনি কি জানেন শুধু মাত্র এই কারনে এই দেশে ১৮ এর নিচে বাচ্চাদের যদি সম্মতির নিয়ম থাকতো কত মেয়ের বাল্য বিবাহ হতো?

চেনা সুখের অচেনা দুঃখ !

আজকাল প্রায় সময়ই নিজেকে খুব শূন্য শূন্য মনে হয়। কেমন যেন দুঃখ দুঃখ ভাব। সামান্য সামান্য দাড়িতে নিজেকে ওটার সঙ্গী করতে বেশ ভালোই লাগে। একটা কিচ্ছু যদি ভালো লাগে! নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করার চরম পরীক্ষাগুলো দিতে মজায় লাগে। যদি জয়ী হওয়া যায় তাহলে খুব সুখী মনে হয়। তবে আমার নিজের কষ্ট বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি সুখ বলেও কিছু নেই। যা আছে তার সবটুকুই যেন ধূসর মরিচীকা মাত্র।

খুব ছোটবেলা থেকেই কেমন যেন নিজের কষ্টগুলোকে কষ্ট বলে মনে হতোনা। আবার অন্যের কষ্টগুলোকে মানতে পারতাম না। নিয়তি আর বাস্তবতার কাছে বেশ ভালো ভাবেই হেরে যেতাম আমি। বুঝতে দিতাম না কাওকেই, চোঁখ বুজে মেনে নিতাম সব কিছুকে। একা চলার ক্ষমতা যেমন আমার ছিলনা, তেমনি একা চলতেও আমাকে বাধা দেয়নি কেও কথনো। যতটুকু শিখেছি পরিবার কেন্দ্রিক তার সবটুকুই যেন সোনা। তারপরেও কেন জানি আমার ভিতর লক্ষ্য করার মত কোন কিছু নাই।

মৃত্যু বিষয়ক উপলব্ধি অথবা একটি মৃত্যু বিষয়ক উপপাদ্য

অপঘাতে মৃত্যু সুখের, প্রতিশোধের মৃত্যু বিস্ময়ের

আমাকে না জানিয়ে চোখ খুবলে নিলে,
পরদিনও আকাশ দেখতে চাইবো,
আমার আকাশ তখন ধারণ করবে কৃষ্ণবর্ণ,
অথচ জানবোই না আমার পরিচিত চোখ
এখন এলিয়ে পড়ে আছে তোমার ব্যালকনিতে...

আমি তো আসলে জানতে চাই...
অন্ধ হওয়ার আগে আমার চোখের আর্তি
তোমাকে আনন্দ দেবে,
আমি স্মৃতির বিরহে কাতর তাকাবো
অথচ তখন দৃষ্টিটাই নেই আমার,
দেখতে না পেলে অক্ষিকোটরের কোনো মূল্য নেই।

একটা সাদা দেয়ালের শান্ত গায়ে
লিখে রাখি জীবনের উপপাদ্য
মৃত্যু + অভিজ্ঞতা = ০ (শূন্য)

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ