অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

সেদিন মটরসাইকেলটা বিক্রি হয়ে গেছিলো!

ক্লাস এইটে পড়ি। বাবার মটরসাইকেলের দিকে ঝোঁক। সুযোগ হয় না চালাবার। চুরি করে চালাতে হয়। একদিন জানলাম বিক্রি করে দেবে। যেদিন সন্ধ্যায় মটরসাইকেলটা নিয়ে যাবে, সেদিন আর বাবা মটরসাইকেল চালাননি। রিকশায় অফিসে গেছেন।

দুপুরের দিকে সুযোগ পেয়ে মায়ের চোখ ফাকি দিয়ে চাবিটা হস্তগত করলাম। তারপরে চুপিসারে মটরসাইকেল বের করে স্টার্ট দিলাম। শব্দে মায়ের ঘুম গেলো ভেঙে। তিনি বাইরে নামার আগেই ভো করে মটরসাইকেল চালিয়ে পাশের কলেজের মাঠে চলে এলাম। মা জানতেন না যে আমি চালাতে পারি। দেখলেন এসে উল্কার মত মটরসাইকেলের ছুটে যাওয়া। ভীষণ ভয় পেয়ে তিনি দৌড়াতে দৌড়াতে কলেজের মাঠে এসে উপস্থিত হলেন।

ভুলেই গেছিলাম। একটু আগে মা ফোন করলেন। বললেন, তোর মনে আছে সেই ঘটনাটার কথা? কিভাবে আমি দৌড়ে গেছিলাম তোর পেছনে পেছনে?

দবিরের বৈদেশ যাত্রা- এক

ইমিগ্রেশন অফিসারের সামনে গিয়া দবির তার সবুজ পাসপোর্টটা দিলো। পাসপোর্টটা খুলে অফিসার একবার দবিরের দিকে, একবার পাসপোর্টের দিকে চাইলো। দবির মনে মনে কৈলো- খাইছে !
মুখে কৈলো, কোনো অসুবিধা অফিসার ?
গম্ভীরভাবে অফিসার কৈলেন, দেখতেছি...
অনেকক্ষণ ধৈরা অফিসার পাসপোর্ট দেখলেন। তার দেখার ভাবে মনে হৈলো বেটা লেখাপড়া জানেনা। অথবা এমন কিছু তার চোখে পড়ছে যে, সে সিদ্ধান্ত নিতে পারতেছেনা। দবিরও ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে শুরু করলো।
আপনের কাছে কত ডলার আছে ? হঠাৎ কৈরা অফিসার জিগাইলো।
দবির কৈলো, ৭০০ ডলার।
এর বেশি নাইতো ? আবার জিগাইলো সে।
না, তয় বাংলাদেশি ৩/৪ শ টাকা আছে।
এই প্রথম বিদেশ যাইতেছেন ?
জ্বি না, এর আগে আরো ৫ বার গেছি...
কিন্তু প্রতিবারই আপনে বাসে কৈরা গেছেন। এইবারই প্রথম বিমানে যাইতেছেন।
জ্বী ।
তা, কেনো যাইতেছেন মালয়েশিয়া ?
বেড়াইতে।
কয়দিন থাকবেন ?
৭/৮ দিন।

আমারই গাছের শেকড় আমায় সালোকসংশ্লেষণের জন্য গিলে নেয়

em.jpg
নদীর জলে ক্রমাগত বৃষ্টি ঝরে পড়ছে। আমার ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাকের ভেতর ডুবে থাকা জানালাটার একটা কপাট নষ্ট। কেয়ার ঝোপের পাশের কপাটটাই নষ্ট। তাই কেয়াফুলের দিকে বার বার চোখ চলে যায়। আমি চাই না প্রিয় ফুলটিকে দেখতে। কিন্তু ঘুরে ফিরে আমার চোখ ওদিকেই চলে যায়। তন্ময় হয়ে তাকিয়ে থাকি।

বুনে চলা ধুসর ভাবনার জাল

ক্রমাগত বুনে চলেছি ভাবনার জাল
রঙের স্পর্ষে হয়ে ওঠেনি এখনো রঙিন,
ধুসরতার মাঝে বসবাস যার।

মুহুর্ত থেকে মুহুর্তে গড়ে উঠছে
নতুন এক ঘর।
বাড়ছে পরিধি ক্রমাগত বুনে চলা
ধুসর ভাবনার জাল।

পরে আছে ধুলো জমা ক্যানভাস
তুলির স্পর্ষ পায়না বহুকাল,
সাদা পাতার ওপর চলেনা
কোন বর্তমান এর আকিঁবুকি।

নিস্তব্ধ জীবন,
মুহুর্ত থেকে মুহুর্তে কেবল বেড়ে চলছে
এক একটি ঘর,
ক্রমাগত বাড়ছে পরিধি
ধুসর ভাবনার জাল।

[ শব্দগুলো জোড়া লাগতে চায়না..। Sad ..]

রিপোস্ট করার সুযোগ দেন, তাইলে পোস্টের ২য় পর্ব পড়ার সুযোগ দিমু :)

আইজকা আমার টপিক পাইলাম, তাই জেহাদী জোশে মোবাইল থিকাই পোাস্টাই Smile.. টপিক টা হইল আমি ক্যান ইশ্বর রে বিশ্বাস করি Smile.. আরে ভাই সাবস্ক্রিপশান ফি লাগেনা, এর থিকা বড় কোন কারণ দরকার আচে Smile.. বাই দ্য ওয়ে আমার লাইনের ইশ্বর আবার আল্লাহ .. পৈতৃক/মাতৃসূত্রে প্রাপ্ত Smile

যা বলছিলাম... বহুদিন ধইরাই নেটে দেখলাম অনেকে ইশ্বরে অবিশ্বাসের পাঠ দিচ্ছেন.. আর চলছে না.. আজকে এর একটা লজিক্যাল বিহিত (!!!) করতেই হবে..

ব্যাপারটা সিম্পল..

সতসিদ্ব- ১: - অলি বার বার পিরে আসে
সতসিদ্ব- ২: - পিরে আসতে হবে ( কিন্তু )আল্লার রহমতে (এর মাঝে আমারে আবার সিলেটের পাহারি পত থেকে পিরে আসতে হয় Sad )
সিদ্বান্ত- আবার জিগায় !!! রাহমাতুল্লিল আলামীন ছাড়া আর কি?

আর আপনারা যদি এই ভাইবা ইশ্বরে অবিশ্বাসের পাঠ দেন যে যে এই লেখাগুলা পইড়া আমি আল্লারে বিশ্বাস করা বাদ দিয়া দিমু তাইলে বস টেইক ইট ইঝি.. খুল দাউন.. অলি পিরে আসা পর্যন্ত ওয়েট করেন Smile.. তার আগে না Smile

রখস - এ - বিসমিল

শুভ জন্মদিন ময়না পাখি!!!

আমরা বন্ধু ব্লগের সব বন্ধুদের চোখের সামনে পুচকু থেকে একটু একটু করে বড় হলো ঋহান, সমুদ্দুর, এশা, আয়লা, মাধুর্য। এই ব্লগের প্রত্যেকে এই পুচকুগুলার বেড়ে উঠার, হাসি-কান্নার ক্ষণগুলোর সাথে জড়িয়ে থেকেছে। শুধু এই কজন ই না ... মেঘ, রাইয়ান, রিমঝিম, শ্রেয়া, পিয়ন্তী, ছোট মামদো ভূত, রোদ্দুর, নিধি, ২ রাজকন্যা (পিয়াল ভাই, মানিক ভাই এর মেয়ে) সহ প্রত্যেকটা বাচ্চা আমাদের সবার জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে। এরা সবাই আমাদের বুকের ভেতর গভীর মমতার একটা জায়গা তৈরী করেছে। স্বর্গের এই দেবশিশুদের হাসি আমাদের মন জুড়িয়ে দেয়। সৃষ্টিকর্তাকে সবসময় বলি এই হাসি যেনো অমলিন থাকে। ঋহান সোনা , চাঁদের কণা, গুলুগুলু ময়না পাখিটার কাল প্রথম শুভ জন্মদিন। সেই ছোট্র পোটলা ঋহান এখন হাঁটতে শিখেছে, দাঁত বের করে কি সুন্দর করে হাসে! আহারে কি মায়া! ঋহানের প্রথম জন্মদিনে সবার পক্ষ থেকে অনেক অনেক অনেক আদর আর দোয়া। অনেক বড় হও বাবা!

আমার যাদুমনি (১৭)

আজকের সিনেমা'র নাম...... "তরকারি'র সাথে একদিন" Crazy

DSC06761.JPG
ঋহানঃ ইস! বাজারে তলি-তক্কারির যা দাম! দেখি কি কি বাজার করলো Tongue

DSC06762.JPG
ঋহানঃ ইয়েএ, অনেক তক্কারি Big smile

DSC06764.JPG
ঋহানঃ দেখি, এটা পঁচা দিয়ে দিলো না তো? Stare

DSC06772.JPG
ঋহানঃ দেখে তো মনে হচ্ছে ভালোই বাজার হয়েছে, হুমম!

DSC06769.JPG
ঋহানঃ দেখি, এইবার একটু রান্না করি! Stare

মন্ত্রী মোদের!

মন্ত্রী মোদের ফারুক খান
নিত্য নাকি বাজারে যান!
স্বপ্নে হাঁকেন পণ্য দাম
দেশচিন্তায় ঘুম হারাম।
কালোবাজারির জানের জান
পণ্য কী নিজের টাকায় খান
নাকি শুধুই দাম চড়ান\

মন্ত্রী মোদের ফারুক খান
রমজানেরই সুযোগ চান
বৈঠক হয় তার-ব্যবসায়ীর
দাম বেঁধে দেন তেল-চিনির।
বৈঠক তো নয় সিন্ডিকেট
মুনাফার টাকায় পূর্ণ পেট
দাম বেঁধে দেন যাচ্ছেতাই
ব্যবসায়ীদের বড় ভাই\

*************
প্রতিক্রিয়া

ব্যবসায়ীরা বলেন-
তাই রে নাই রে তাই..
প্রশংসিত ফারুক ভাই
পণ্যের দাম বাড়াতে
আপনার জুড়ি নাই।

মন্ত্রী বলেন-
হয়েছে জব্বর ভাই..
বিশ্ববাজারে বেড়েছে মূল্য
আমি কী ফারুক তার তুল্য,
বেড়েছে দাম অতি নগণ্য
জনগণ এবার হবেই ধন্য।

জনগণ বলেন-
মন্ত্রী ওহে ফারুক খান
দোহাই আপনার এবার যান
মন্ত্রিত্ব ছেড়ে হাল ধরেন
জনগণকে মাফ করেন।

হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ৩ : বোলসওয়ার্ডে

bolsward

কেন আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না (১ম পর্ব)

সমগ্র পৃথিবী শ্রেনীগতভাবে দু’ভাগে বিভক্ত। শোষক ও শোষিত শ্রেণীর দ্বন্দের প্রেক্ষিতে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন সমাজ।চেতনার দিক থেকে বস্তবাদ ও ভাববাদের জন্ম সেই আদিম সাম্যবাদী সমাজের গোড়া থেকে। ঐতিহাসিক কারনে শোষিত শ্রেনী বস্তবাদী ও প্রগতিশীল কিন্ত শোষক শ্রেণী ভাববাদী-প্রতিক্রিয়াশীল। আদিম সাম্যবাদী সমাজের ধ্বংসস্তপ থেকে গড়ে উঠা সমাজ কাঠামো গুলোর পূজিবাদী স্থর পর্যন্ত “রাষ্ট্র” নামক শোষন যন্ত্রটি শোষক শ্রেণীর পক্ষে কাজ করে। আর রাষ্ট্র কখনই শোষিত শ্রেণীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে চায় না। কারন শোষিত-নির্যাতিত-দরিদ্র জনগোষ্টীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুললে স্বয়ং রাষ্ট্রের অস্থিত্ব চ্যালেন্জের সম্মূখীন হয়ে পড়ে। অপরদিকে আধুনিক শিক্ষা বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্টীর মন ও মগজ সাধারনত: পশ্চাদপদ ধর্মাশ্রয়ী ভাবনার এক উর্বর আস্তানা হিসেবে গড়ে উঠে। দারিদ্রতা যাহার ইহকালের সুখ কেড়ে নিয়েছে,পরকালের স্বাচ্ছন্দের

শ্রদ্ধেয় তাজউদ্দীন আহমদ: জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

ভূমিকার আগের অধ্যায়

২৩ জুলাই।
১৯২৫ সাল।
কেমন ছিলো সেদিনের রূপ? সেদিন কী বৃষ্টি ছিলো, কিংবা গরম, রোদের বাড়াবাড়ি সেদিনের মানুষের কাছ কী একটু বেশি মনে হয়েছিলো? অথবা সেদিনের সেই দিনটিতে শাপলার জলে খেলা করেছিলো শালুক, শ্রয়িমান সন্ধ্যায় দহলিজে বসে কেউ কী আপন মনে নিবিড় প্রার্থণায় মগ্ন ছিলো?
সেদিনের দৃশ্যে সবুজের সাথে গাঢ় লালের একটি আভা কী ছড়িয়ে ছিলো না চতুর্দিক- যিশু খ্রিষ্টের মতো মানবিক প্রার্থণায় নিমগ্ন মানুষের কাছে সেদিনটি একেবারেই অন্য রকম ছিলো না? শীতলক্ষ্যার তীর ছুঁয়ে যাওয়া ঢেউয়ের বহমান স্নিগ্ধতায় সত্যিই সেদিন ভালোলাগা বিরাজ করেছিলো। সেদিন ছিলো শীতলক্ষ্যার পূর্ণিমা যৌবন।

লটকন

খুব অল্পবয়সে কাব্যপ্রতিভা দেখা দিলে যা হয় আর কি- আমার নামডাক বেশ ছড়িয়ে পড়লো। বিশেষ করে ইয়ারদোস্তরা এই প্রতিভা দেখে মুগ্ধ!

সম্ভবত ক্লাশ ফাইভেই হবে- কী করে কী করে যেন বুঝে গেলাম ছড়া লেখা খুব একটা কষ্টের ব্যাপার না। হাতির সাথে ছাতি, ডলার সাথে মলা ইত্যাদি শেষ দিকের শব্দগুলোর মধ্যে একটা মিল থাকলেই সহজে ছড়া লেখা যায়। ঠিক সেই সময়েই একটা ছড়া পড়ি যার লাইনগুলো মোটামুটি এরকম- চলে হনহন/ছোটে পনপন/বায়ু শনশন/ফোঁড়া কনকন...। এই ছড়া পড়ে আমার সেই ধারণা আরেকটু পোক্ত হলো।

আমাদের ইস্কুল

(১)

বিয়ে বাড়ী। বেসামাল হৈচৈ।খাওয়া এখনো শুরু হয়নি। দোতালায় কনেকে সাজানো হচ্ছে। কনে সাজবে, বিয়ে পড়ানো হবে তারপর খাওয়া। এটা বরের বাবার হুকুম। আমরা বর যাত্রী। কাজেই বরের বাবার হুকুমের বিপরীতে কউ সচল হ’ল না। এদিকে বর বসে আছে গোমড়া মুখে। বিয়ে করতে এসে এত দুখী থাকতে দেখিনি কাউকে, কখনো। বর থাকবে হাসিখুশি। কনের বান্ধবীরা খুনসুটি করবে আর বর চাপা হাসিতে তাদেরকে প্রলুব্ধ করবে, এটাই বিয়ের চিরচেনা রূপ। কে জানে পুরনো প্রেমিকার কথাই মনে পড়ে গেছে কীনা। উনি বয়সে বড় বলে জিজ্ঞাসা করতেও পারছি না। বরের বন্ধুরা এদিক সেদিক কনের বান্ধবীদের নজরে পড়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। যদিও কোন ফল হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। কিছুক্ষণ এদিক সেদিক ঘুরে নিরিবিলি এসে বসেছি দোতলা উঠার সিড়িটার কাছেই।সবে স্কুলে যেতে শুরু করেছে এরকম বাচ্চা কয়েকটা ছেলে-মেয়ে একবার সিড়ি দিয়ে উঠছে একবার নামছে।ফুটফুটে একেকটা। মায়াকাড়া।

‘‌ট‌‌‌ক’ টকশো ‌‌‌ ‌‌‌‌

জংধরা

আরো বেশি রমণীয় হ'য়ে ওঠো তুমি,
রমণের ভেলা ভাসানো আছে অথবা সাম্পাণ

লৌহজং ষ্টেশনের কথা মনে পড়ে
মনে প'ড়ে আনসিন প্যাসেজ

জংধরা,,,

প্রজণন প্রয়োজন হয়ে থাকে বালুকাবেলায়
নাতিসিতষ্ণ অঞ্চলে ঘুম আসে ভরা পেটে

খুব বেশি রমণীয় হ'য়ে ওঠো তুমি
তোমার দেহের থেকে হাতের থেকে মাথার থেকে
আরো বেশি রমণীয় যেন।-
ভোগের কালে মনে প'ড়ে দূর্ভোগের কথা;
হাত ধরার কালে হাতাহাতি
আর গম্ভুজের নিচে প্রার্থণাকালীন নিরাপত্তা বুহ্য থাকে চুলের বেণী।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ