ফেরারী হুইসেল
উড়তে গেলেই
আমার ভেতর থেকেই একটা হাত এসে থামিয়ে দেয়
যখন সকল দিকভ্রম আর সম্মুখের আঁধার হতে
গোটাগোটা মানববৃক্ষ গ্রন্থিত হয়ে যায়
ইতিহাসের ওয়েব পৃষ্ঠায়
থরো থরো লিংকবাহনে চড়ে খুঁজতে থাকি বায়োডাটা
আর ছবির ধারাবাহিক
সদ্য ইতিহাস হয়ে পড়া জীবিতরা
কেউ এক একটা পৃষ্ঠা খুলে
সহচর নানান বইয়ের ভেতরে জমাট কোনো মন্ত্র বলে
কেবল একবার জানিয়ে যায়
উড়তে গেলে আর কোনো বাঁধায় বিদ্ধ হবে না প্রজাপতি মন
ফের অঙ্কিত হবার আগে
সকল সড়ক মোড়ে হয়তো দাঁড়িয়ে থাকবে
ফেরারী হুইসেল
মরণরে তুহু মম শ্যাম সমান...
তুমি যেভাবেই চলো, যতো সাবধানে;
মৃত্যু এসে দাঁড়াবে তোমার পাশে,
ঘাড় ফেরাতেই মৃত্যুর মুখশ্রী তোমার চোখের
দোড়গোড়ায় নাড়াবে মৃত্যুময়তারে।
বর্ষা চলে গেছে, তবু বর্ষণ থামে না
এখন বৃষ্টিতে ভিজে রোমান্টিক হতে
ইচ্ছা করেনা একেবারেই,
বন্ধ কাঁচের জানালা বরং অনেক
আবেগময়তা আঁকে শরীরে শরীরে
সেখানে যেমন ঠিকড়ায় রোদ্দুর
তেমনি আঁধার একেছে স্থিরতা...
কেবল জলের ঘ্রাণহীন নীরবতা
মৃত্যুর মতোন তারে আকড়ে থাকে
বিলাসী বিশ্বাসে।
বালুকনা নিয়মমতো স্ফটিক স্বচ্ছতায়
পাল্টে যায়, তার ইতিহাসে মৃত্যু
না লেখা হলেও, কাঁচ বলে আমরা
আসলে জল-রোদ্দুর-আঁধারের সাথে
তার পরকাল দেখি; মৃত্যু মানে দেহান্তরে যাওয়া
মৃত্যু মানে আড়ালের কাহিনী রচনা।
বৃষ্টি বলে বেরিয়ে পড়ি না
বৃষ্টি বলে কাঁচের এপাশে
অসহায় রূপকল্প আঁকি
জীবন অথবা জীবনের মতো মায়া,
আর সেসময় কিছু মানুষ, যাদের
মিশুক ভাই
একুশে আসছে'। ছোট একটা নোটিশ দুলছিল সার্ক ফোয়ারার পাশের জাহাঙ্গির টাওয়ারে। ওটা দেখি প্রতিদিন। একুশে কি জানিনা। একদিন বিশ্ব সাহিত্যের কেন্দ্রের ছাদে বসে জানলাম বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন আসছে। সেখানে কাজ করবো সেটা ভাবনায় আসেনি। এই সময়টায় ভোরের কাগজে প্রধান ফিচার হিসেবে লিখা কয়েকটি বিষয় নিয়ে প্রামান্য চিত্র তৈরি সাধ জেগেছিল। যেমন চোরের গ্রাম। এছাড়া বায়ান্নোর ভাষা কণ্যাদের নিয়ে তথ্যচিত্র। সেই সাধ মেটানোর বাসনা নিয়েই একুশে টেলিভিশনে টেলিফোন করি। একুশের অফিস তখন বনানী। অপারেটর জানালেন- এই বিষয়ে মিশুক মুনীরের সঙ্গে কথা বলাই ভাল। প্রথম দিন তাকে পাওয়া যায়নি। তৃতীয় দফায় পেলাম। বললেন অফিসে গিয়ে বায়োডাটা দিয়ে আসতে। গেলাম, কিন্তু এর আগে যেহেতু তাকে দেখিনি কখনো, তাই অনায়াসে আমার সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলেন। আবার ফোন- তিনি চলে গেছেন শিল্পী শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে শু্টিঙ-এ কুষ্টিয়া। ফিরলেন দিন পনের পর , গ
আমরা বন্ধু ও যুবকের ভাবনা
৩৩ বছরের যুবকের মনে অনেক স্বপ্ন। মোটামুটি ভাল একটা চাকরী করবে। এখন যা করছে সেটাকে ভাল বলা যাবেনা। গতানুগতিক। সুন্দর একটা দক্ষিণমুখী বারান্দাওয়ালা বাসা ভাড়া নেবে। তাতে যদি কিছু টাকা বেশি যায়, যাক না। বাড়ি থেকে ছোট বোনটা আর মা'কে নিয়ে আসবে নিজের কাছে। বোনটা সামনের বছর এসএসসি দেবে। ততদিন বাড়িতে থাকুক। বোনটার পরীক্ষা শেষ করা পর্যন্ত সে নতুন বাসাটা গুছিয়ে নেবে। বাসায় কিছু আসবাবপত্র কিনতে হবে। মেসবাড়িতে অন্যের সাথে রুম শেয়ার করে আর কত ! বুয়ার হাতের রান্না খেতে খেতে কখন জানি ৫/৬ বছর কেটে গেছে।
রাত পোহালেই মৃত্যু এসে দাঁড়ায় চৌকাঠে
এক.
রাত শান্তিময়।
সময়কে ছেড়ে দিলে সেও পৌছে যায়
রাতের গহ্বরে, গহীন জঠরে।
রাতের পরিধী জুড়ে ঘুম
রাতের ভেতরে সুনসান
রাতের অন্তরে প্রিয়তমা,
ওম!
দুই.
শান্তির শুলুকে যখন তোমার পেছন পেছন ঘুরছি,
তখন তখন চোরাচোখে রাতের শরীর দেখা,
রাতের শরীরে ঘাম;
রাতের শরীরে ঘ্রাণ
রাতের শরীরে প্রেম
রাত আর শরীরের গল্প এভাবে একক হয়ে যায়।
শরীরের সব কাহিনী রাতের...শরীর হয়তোবা
শরীর হয়েছে রাতের ছোঁয়ায়।
তিন
ভোর রাতে বেজেছে সাইরেন
অনেকে হয়তো স্বপ্নের নাগাল থেকে
যাবে কাজের সন্ধানে।
রাত মানে আপন চৌহদ্দিময়
গোনাগুনতি, জাল বোনা;
মাছ ধরতে যাবো মাঝরাতে, ঢেউয়ে ঢেউয়ে
উলুখড় ভেসে যায়...তাহাদের খোঁজ কে রেখেছে
কোনোকালে।
কেবল রাতের কাছে তারা দামী,
রাতের শরীর ভেদ করে জাল ছুড়ে দিলে
উলুখড় জড়ানো মাছেরা তাকায় করুণ চোখে।
এরচে' মরে যাওয়া ভালো, রাতের আঁধারে চোখে
সংশয়ী শব্দেরা ভীড় করে, কেমন ভাষাহীন
শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার ও একটি দূরপত্র
(১)
শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার,
তারপর দীর্ঘ অনুশোচনা
ব্যর্থতার গ্লানী নিয়ে শোকের নাচানাচি
এবং আমি হঠাৎই বর্নহীন হয়ে যাই।
(২)
অল্পপোঁড়া চাঁদ সবে জ্যোৎস্না ছড়াচ্ছে সর্বত্র
সামনে আবছাযা সুপুরী বাগান,
আামি এবং তারাগুলো।
তুমি বললে “ভুলে যেও”।
আমিতো আর নিষ্ঠুর হাতে গোলাপ ছাঁটতে পারি না।
(৩)
প্রিয়,
তোমাকে শেষ কখন কোথায় দেখেছিলাম মনে পড়ে না আর।
যদিও, যখন তখন তোমাকে নিখুঁত ভাবতে কষ্ট হয় না এখনো।
লাল একটা গোলাপ পাঠিয়েছিলে একদিন, মনে পড়ে?
কেন পাঠিয়েছিলে জিজ্ঞেস করা হয়নি কখনো,
শীত-কুয়াশা ছাপিয়ে কতদিন তোমার জানালা ঘেষে ঠিক হেটে গিয়েছি রাত্রিতে,
যদি দেখা হয়, দেখা পাই আশায়।
মজাটা হল, তুমি চেয়েও দেখনি কখনো, তাতে কী হেসেছি মনে মনে।
কখনো বা শীতের কোমল রোদ ছায়ায় পুকুর ধারে দাড়িয়ে
সিঁদুরে লাল শেওলা বাতাসের ছোঁয়ায় জড়ো হওয়া দেখতে দেখতে মৃদু হাসতে তুমি।
আল্লা বাংলাদেশে থাকে (আল্লা ইন দ্যা বাংলাদেশ)
আমার বউ আর মেয়েটা গত বছরের শেষে দেশে গিয়েছিলো ক'দিনের জন্য বেড়াতে, ফিরে এসেছে জানুয়ারীতে। দেশে গিয়ে এয়ারপোর্টের ঝক্কি, ট্রাফিক জ্যাম, জিনিস পত্রের আকাশচুম্বী দাম আর নিরাপত্তার ঝুকির মধ্যে পড়ে বউ আমার আল্লাহকে স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশীই ডেকেছিলো ।
ট্রাফিক জ্যামে পড়লেও "আল্লাহই মালুম কখন ছাড়বে"।
রিক্সা-সিএনজি-ক্যাবের ভাড়া আর জিনিস পত্রের আকাশচুম্বী দাম দেখে "হায় আল্লাহ, দুই বছরে এই অবস্থা!"
বাইরে থেকে ফিরতে রাত হলে "আল্লাহ ঠিক মত বাসায় যেন পৌছাতে পারি"।
কেবল ইশ্বর কারো কাছে যাবেন না
প্রকৃতি থেকে নিয়েছি যা তারও অধিক
ঘৃণা এবং অপবিত্রতা মাখা প্রতিবস্তু দিয়েছি ফিরিয়ে ।
জল নিয়ে দিয়েছি প্রস্রাব
প্রেম নিয়ে প্রতিশোধ ফিরিয়ে দিতে দিতে হয়েছি মানুষ ।
বৃক্ষ থেকে নিয়ে ফল দিয়েছি তার ডাল ভেঙে
যেন দ্বিতীবার আর কোন পুরুষ গাছের কাছে না যায় অই খানকিটা
অক্সিযেন নিয়ে মৃতবৎ কার্বনডাই অক্সাইড ছেড়েছি ফনার মতো ।
বলো গ্রহণ সত্য না বর্জণ বিবিধ?
ফেরত যাবার কালে কোন কিছুই আর অক্ষত রবে না
মনে পড়ে তোমার কথা
কোন প্রকার বর্জণ না করেও তুমি কারো প্রভু কারো পিতা
কারো প্রণয় ছুঁয়ে না দেখেও তোমার উলম্ব দেহ থাকে সীতা ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:আমার আরো কবিতা প্রবন্ধ বা রাজনৈতিক চিন্তার উপর পাঠ প্রয়োজন মনে হলে দয়া করে ঘুরে আসুন:http://www.gonshaipahlavi.fineartsbd.com
আমার যাদুমনি (১৮)

মাহে রমজানের পবিত্রতা অক্ষুন্ন রাখুন!

ঋহান "আল্লাহ" দেয়।
(মানে সে নামাজ পড়া কে আল্লাহ দেয়া বলে)

চুরি করে সিরিয়াল খেতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা

চুরি'তে ধরা খেয়ে মুড অফ
আমাদের ঋহান 
এই পোস্ট কেবল মাসুম ভাইয়ের জন্য...
শওকত হোসেন মাসুম। একজন ব্লগার কিম্বা একজন সাংবাদিক হিসাবে উনারে যতোটা পছন্দ করি তার চাইতে অনেক অনেক বেশি পছন্দ করি একজন মানুষ হিসাবে। অনেকরেই দেখি উনারে নিয়মিত টেলিভিশনে দেইখা বেশ আহ্লাদিত হইয়া যাইতে। একজন সাংবাদিক, একজন ব্লগার হওয়ার পাশাপাশি উনি সবার কাছে একজন টিভি ব্যক্তিত্য হিসাবেও অ্যাপিয়ার করেন। কিন্তু আমি কষ্ট কইরা রাত জাইগা সংবাদপত্র বিশ্লেষণ শোনার আগ্রহটা কখনোই পোষণ করি নাই। মাসুম ভাই কখনোই আমার কাছে বৃহৎ মাপের কোনো ব্যক্তিত্য হিসাবে প্রতিভাত হন নাই।
বয়সে আমার চাইতে উনি কতো বড় হইতে পারেন? সেইদিন এক কাছের মানুষ উনার বয়স আন্দাজ করতে গিয়া কইলো, "উনি তোমার সমান বা একবছরের ছোট হইতে পারেন।" আমি সাথে সাথে তুমুল প্রতিবাদ জানাইলাম। কারণ মাসুম ভাই আমার ছয় বছর আগে এসএসসি পাস করছেন। বয়সে নিদেন পক্ষে আমার চাইতে ৫/৬ বছরের বড় হইবেন।
নিবর্ষা শ্রাবণ(অলীক কাব্য!)
[কোন এক শ্রাবণ দিনের শেষে,
প্রখর রৌদ্রদিনের স্মৃতি তখনো উজ্বল।
প্রতি পদক্ষেপে তার দিনান্তের ক্ষয়,
ক্লান্ত পথিকের পথ ভোলা দু'টি চোখ।
সেথায় দেখেছিলেম;
পড়েছে,
মেঘেদের ছাঁয়া..]
কালো পিচ ঢালা রাস্তা,
বিক্ষোভে ম্রিয়মান..
যেন ফেটে পড়বে সে,
আর একটুতেই..
ক্ষনিকের বাতায়ন,
নাড়া দিয়ে যায়;
বদ্ধ জীবনদ্বারে..
কেঁপে উঠে শিহরনে,
বয়োঃবৃদ্ধ গাছের;
শুশ্ক পাতা যত..
সময়ের মরচে পরা দেয়ালে,
একটা দু'টা চড়াই;
কাকে যেন ডেকে ডেকে ক্লান্ত..
নির্জন শহরতলীর;
কানাগলি রাস্তায়,
ধূলিঝড়..
ঘূর্নিপাকে উড়ে যায়,
পুরানো চিঠি -
ডায়েরির ছেড়া পাতায়;
সুসময়..
দুরে কোথাও..
চিরচেনা ছোট্ট নদীর;
নিঃশ্বাসে বিষ-
বালুকাবেলা রুক্ষ,
নদী তীর চৌচীর..
অথচ সেদিন বরষা..।
জোয়ান অফ আর্ক
ইতিহাস ঘাঁটাঘাটি করলে যে কয়জন সাহসী, যোদ্ধা, রাজনীতিবিদ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী পাওয়া যায় তাদের মধ্যে জোয়ান অফ আর্ক ছিলেন অন্যতম। তিনি ছিলেন পরাধীন ফ্রান্সের মুক্তিদাত্রী বীরকন্যা এবং রূপকথাতুল্য এক নেত্রী। মিউজ নদীর তীরে দঁরেমি গ্রামের এক সাধারণ কৃষক পরিবারে ১৪৪২ সালের ৬ই জানুয়ারী এই বীর নারীর জন্ম। ফ্রান্স তখন ইংরেজদের শাসনাধীন ছিল। ইংল্যান্ডের রাজপুত্র ষষ্ঠ হেনরি ফ্রান্সের সিংহাসনে আরোহন করলে ফ্রান্সের রাজা সপ্তম চার্লস পালিয়ে যান। মাত্র তের বছর বয়সে মাঠে ভেড়ার পাল চড়াবার সময় জোয়ান দৈববাণী শুনতে পান যে তাকে মাতৃভূমির স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার ও ফ্রান্সের প্রকৃত রাজাকে ক্ষমতায় পূনর্বহাল করার জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। দৈববাণী শুনামাত্রই জোয়ান অনেক চেষ্টার মাধ্যমে ফ্রান্সের পলাতক রাজা সপ্তম চার্লসের সঙ্গে দেখা করেন এবং দেশের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য তার কাছে সৈন্য প্রার্থনা
"মা"
মাগো তুমি শুধু গর্ভধারিনী নও,
অসুখে মোর নির্ঘুম রাত্রি জেগে রও,
মাগো তুমি শুধু দশ মাস দশ দিন গর্ভে দাওনিকো ঠাঁই,
সারাক্ষণ ছায়া হয়ে থাকো আমি যেখানে যাই,
মাগো তুমি শুধু দুধ করোনিগো দান,
ভালবেসে আজও বাচিয়া রেখেছো মোর প্রাণ,
মাগো আমার এই দেহ মন তো তোমারি গরা,
এই দেহ মোর তোমারি রক্তে ভরা,
মাগো আমারি অনুভূতি তো তোমারি দান,
ভালবাসা দিয়ে তুমি কর তার প্রমাণ,
মাগো তুমিই তো প্রথম শিখিয়েছো কথা,
তুমিই তো বুঝিয়ে দিয়েছো জগতের যত ব্যথা,
মাগো তোমারি হাত ধরে শিখেছি প্রথম পথ চলা,
তোমারি মুখের মুধুর গানে কাটিয়েছি মোর শৈশব বেলা,
মাগো তুমিই প্রথম শিখিয়েছো শিষ্টাচার,
তুমিই করিয়েছো প্রথম আহার,
যে নারী সারাক্ষণ আমার চিন্তায় থাকে নির্ঘুম সে তো তুমি মা,
আমার দেহের রক্ত নিশ্বাসে মিশে আছে তোমারি মহিমা,
যে নারী আমার মঙ্গলের জন্য করে প্রার্থনা,
যে নারী আমার সুগের জন্য প্রভূকে করে আরাধনা,
ফুল পাহাড়ের দেশে
ছোট্ট স্টেশনটায় এসে মন ভালো হয়ে গেল।। লোকজনের ভীড় নেই, হট্টগোল নেই; চারিদিকে শুনশান।, কোথাও কোন শব্দ নেই।।

মেয়ে আমাদের স্টেশন মাস্টার সেজে অভ্যর্থনা জানাল।।

স্টেশন থেকে বেরিয়ে, বাস ধরলাম।। কিছুক্ষণ যাবার পরই শুরু হল, ঘন বন।।। বাসের জানালা থেকে ছবি তুললাম।

আবোল তাবোল-১
[ডিসক্লেইমার:
পুরাই হাবিজাবি টাইপ পোষ্ট।অলস সময়ের আজগুবি চিন্তাভাবনা।করার মত কোন কাজ থাকলে ইহা না পড়াই উত্তম।
তবুও যারা সময় করে পরবেন তাদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।চিন্তাগুলো আমার নিজের কাছেই বেশ এলোমেলো তাই লেখাটা খুব একটা গোছানো হবে না বলেই আমার ধারনা!]
বিষয় : বর্ষা ও মৃত্যুচিন্তা ।
বৃষ্টি পড়ছে।দিন রাত কোন বিরাম নেই। এই কমে তো এই আবার বেড়ে যায়।ছাতা ছাড়া বাইরে যাওয়া যায়না, এমন বিরক্তিকর অবস্হা।একেই বোধহয় বলে বর্ষার 'গাদলা'!
এইরকম দিনগুলো আসলেই, বিশেষত রাতের বেলা।জানি না কেন, আজগুবি একটা চিন্তা মাথায় এসে জ্বালিয়ে মারে।
চিন্তাটা আমাদের কবর জীবন নিয়ে!
আমরা জানি আমাদের মৃত্যুর পর যখন আত্মা শরীর ছেড়ে চলে যায়.তখন ওই শরীরের আর বিশেষ কোন মূল্য থাকেনা।ওই শরীরের আর কোন অনুভূতি ও থাকার কথা না।
কিন্তু হাদীসে এসেছে,