অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

চায়নায় আমাদের খাওয়া দাওয়া।

চায়নায় আমার যখন প্রথম যাওয়া হয় তখন চায়নার খাবারের প্রথম অভিজ্ঞতা হয় উড়োজাহাজ এ করে বাংলাদেশ থেকে চায়নায় যাওয়ার পথে। প্লেনের ভিতরে যে খাবার দিল তাতে বোঝার কোনো উপায় ছিল না যে খাবারটা হালাল নাকি হারাম। আমার তো খাবার দেখে কেন যেন বমির উদ্রেক হচ্ছিল। আমি বাকিদের দেখলাম তারা কোনটা খাচ্ছে আর কোনটা খাচ্ছে না। একজন দাড়িওয়ালা ভদ্রলোককে দেখলাম যে উনি পুরোদমে সবগুলো খেয়ে যাচ্ছেন। তখন ভাবলাম যে খাবারটা হালাল। আমরা অবশ্য দুইজন একসাথে ছিলাম, আমি আর ফয়সাল। আমাদের দুইজনের একসাথে চায়নার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিল। ওকে দেখলাম যে ও সব খাবারগুলো দেদারসে খেয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ওকে আমার একটু ভিন্ন মনে হয়েছিল যার কারনে খাবারের ব্যাপারে ওর উপর নির্ভরশীল হয়ে মনে সাহস হচ্ছিল না। যাক তারপর ফল জাতীয টমেটোর মতো দেখতে ওগুলো খেলাম।প্রথমে যখন আমাকে ফ্লাইট এটেন্ডেন্ট খাবর গুলো দেয় তখন খুব ইতস্তত লাগছিল যে কোনটা খাব। তারপরও

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

আজকাল নির্জনতা স্থির হয়ে থাকে মুখোমুখি বারান্দায়
যাবতীয় অভিমান জমে থাকে

ধুলো মাখা ঘড়িতে,
ক্যাকটাসের টবে,
জল শূন্য একুরিয়ামে...
অক্ষর বিহীন সাদা পাতায়...

অথচ,
দুপুরে প্রতিটি রোদ একটা ঘ্রাণ শুকে নেবার জন্য
অপেক্ষায় থাকতো... সাথে আমাকেও অপেক্ষায় রাখত

সাদা ব্লাউজের অমীমাংসিত কৌতূহলের উপর
কখনো সবুজে, কখনো নীলে... কিংবা
গোলাপি সুতা জড়ানো থাকতো..

মাঝে মাঝে
ছায়া ছায়া মেঘদের কারণে
বিজ্ঞাপন বিরতি ঘটতো

চুলেতে বাতাস দুলতো...
দোলাত আমার দৃশ লোক

স্নানের জল হবার সাহস দেখাতাম না
... তবে
ভীষণ তোয়ালে হতে ইচ্ছে করতো
সমস্ত দেহ থেকে ঝিল মিল রোদের ভেতর
ওপারের বারান্দায় ঝরে ঝরে পড়তো চিত্রনাট্য,

দাড়িয়ে দেখতাম
একটা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ।


facebook.com/EtharBuzz

মিথ্যার ফাঁদে সরলতার সফর [”চক্বর" ২য় কিস্তি]

মিথ্যার ফাঁদে সরলতার সফর

এক একটা বয়স থাকে তখন মানুষের ব্যতিক্রম কিছু করার ইচ্ছা থাকে। চুরি করে আঁচার খেলেও তখন মানুষ বিরাট ঘটনা ঘটাতে পেরেছে বলে নিজের পিঠ নিজেই চাপড়ে দেয়। ক্লাস টেনে উঠে যাওয়াটা স্কুল জীবনে মনে হয় সবচাইতে বড় প্রাপ্তি। নিজেকে কেমন বড় বড় লাগে। মনে হতে থাকে এবার আর অন্য কারো কথা নয় নিজের যা মন চায় তাই বুঝি করার এক্তিয়ার আমাদের হাতে এলো বলে!

আমরা সবাই বাঙ্গালী

উস্কুখুস্কু চুল পরনে ময়লা কাপড় চোপড় নিয়ে
আপিসের সামনে সারিবদ্ধ ভাবে ঠায় দাঁড়িয়ে।
নির্বিকার অভায়ব ,সুখ বিলীন হয়ে যাওয়া মুখের হাসি
মলিনতায় ছেয়ে আছে ।
থাকার জায়গা নাই, রান্নার কিচেন নেই
প্রতিদিন তবু কর্মের বিরাম নেই।ধুলি-মাখা
দেহ পরিষ্কারের জন্য গোসল খানা নেই,এসব অভিযোগের
দরবার নিয়ে দাড়িয়ে গুটিকয়েক প্রবাসী শ্রমিক।
আমি আপিসের কর্মচারী আমার ক্ষমতার
দৌড় সীমাবদ্ধতার মাঝে, তবু উঠে দাড়াই
তাদের কাছে শুধাই , একে একে সব বলে
কষ্টটা আমার বুকে ও বিধে সরু শলাকার মত।
প্রবাসে কষ্টে থাকে অনেকে এত কষ্টে
তা জানার বাইরে ছিল। ছুটি বড়কর্তার
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে,সব শুনে বলেকি?
কিছু রিয়াল দিয়ে দাও, বল সব হবে ।
বিনিময়ে তোমার সেলারী দ্বিগুণ হবে।
থমকে দাড়াই কিছু সময় , অনেক টাকার লোভ
না এভাবে চলতে দেবনা । এরা তো আমার ভাই
আমার দেশের সন্তান। এদের জন্য কিছু করা
আমার সবচেয়ে বড় কর্তব্য ।

মমতার ক্ষমতা!

ভারতের মমতা
বড়ই তোমার ক্ষমতা!
তিস্তার পানিবণ্টনে
হলো না তো সমতা।

মমতার নেই সমতা
বাংলাদেশের তরে
কথা দিয়ে চুপটি মেরে
থেকেই গেলেন ঘরে।

তিস্তা নদীর রিস্তা যেমন
আছে তোমার জানা
পানিচুক্তির সমাধান ছাড়া
ট্রানজিট যায় না মানা।

মনমোহন সিং নয়তো কিং
প্রধানমন্ত্রী তবে
পানি সমস্যার সমাধান
মমতা এলেই হবে।

ইন্দিরা আর শেখ মুজিব
করেছিলেন চুক্তি
এতো দিন গড়িয়েও
হলো নাকো মুক্তি।

গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর দাও
দেখায় নানান যুক্তি
সমঝোতার ৮ স্মারকে
হবেই এবার মুক্তি।

০৭.০৯.২০১১

এক জীবনের গল্প

এক জীবনের গল্প
তৌহিদ উল্লাহ শাকিল

ঘুমের জড়তা নিয়ে হয় নিত্যদিনের প্রভাত
পেটে খুধা নিয়ে একথালা পান্তা ভাত ।
সাতটা'য় মিলে কাজ সীমাহীন অনেক কষ্ট
ধুলোমাখা সেই শার্ট সপ্নগুলো হয় নষ্ট।
প্রতিদিন ঘামে ভেজা কষ্টের বিশ্রী গন্ধ
সমাজপতিরা হেঁটে যায় করে চোখ বন্ধ।
নিত্য দিনের এই খাটুনি বাঁচার জন্য
উপোস থাকলে কেউ দেয়না মোরে অন্ন।
পঙ্গু বাবা আর বোন সাথে মা-ভাই
তাকিয়ে থাকে কখন খাবার নিয়ে যাই।
যৌতূকের দাবি মেটাতে অক্ষম আমার বাবা
বোনের প্রতি নির্যাতনের নামে ভয়াল থাবা।
পঙ্গু বাবার মেলেনি মিলের পাওনা টাকা
লাভ কি শ্রমদিয়ে জীবন করে ফাঁকা ।
সৎভাবে বেঁচে থাকো সবাই চেঁচিয়ে বলে
এই জীবনকে কি বেঁচে থাকা বলে ?
সকাল থেকে সন্ধ্যা কাজে পার দিনটা
সুখ পেতে উসখুস করে বোকা মনটা ।

(০৬.০৯.২০১১ রিয়াদ সৌদি আরব । সকাল ১০টা )

মেঘবন্দী (৮) ... বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি / আহমাদ মোস্তফা কামাল

বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি
আহমাদ মোস্তফা কামাল

আমার নাকি জন্ম হয়েছিলো বৃষ্টিভেজা শীতের রাতে, মা’র কাছে বহুবার শুনেছি সেই কথা! মায়ের মুখে সেই জন্ম-বর্ণনা, আহা, কী যে মধুর লাগতো শুনতে -

আমার নাম বাসেটঠ!

আমার অপেক্ষা করা ছাড়া কোন গতি নেই কারণ
খেয়া মিস করার খেসারত দিতে হয় সাতার কেটে না হয়
আবার মাঝির পুনরায় ফিরে আসায়

তুমি ফিরে আসবে কখন ?
একটা গল্প লিখতে চেয়েছিলাম প্রতিষ্টাটাসে
পরে ভাবলাম না গল্পটা আমি একান্তগোপনে তাহার কানে কানে বলিতে পারি,চেতনে না হলেও
অর্ধচেতনে,ঘুমে
স্বপ্নের কাছে জমাদিয়ে দিলাম এই গল্পের ঘট।

তুমি ওখান থেকে একটি বের করে দেখে নিও এবং হ্যাঁ
এতকাল জানিতাম গল্প বলিতে পারা যায় শুনিতে পারা যায়
এবার জানিলাম গল্প দেখিতেও পারা যায়,গল্প দেখিয়েও দেয়া যায়।

তুমি অন্য কোন দেশের নাগরিক হইতে চাও না।এটা আমার জন্যে খুব আনন্দের।আনন্দের কারনটা বলা যাবে না তোমাকে।কারণ তুমি যদি কারণটা জেনো ফেলো তাহলে তুমি অন্যকোন দেশ নয়,পৃথিবীর সবগুলো দেশেরই নাগরিক হইতে চাইবে।আর তোমার এই চাওয়াটা যার কাছে,আমি চাইনা,আমার জন্যে তুমি অন্য কারো কাছে অন্য কিছু চাও!

নিছক প্রেমের গল্প

ভালোবাসার অর্থ কি?
জানি না তো!

প্রেমর অর্থ কি?
জানি না তো!

অনুভূতি কাকে বলে?
জানি না তো!

যখন কেউ তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে; তখন তোমার ভেতরটা কি নাড়া দেয়?
কই, না তো!

ধূর! তোমার এই ‘না তো’ দুটি শব্দ ছাড়া আর কিছু নেই?
হা হা হা। না নেই।

আচ্ছা তোমার সাথে কি সারা জীবন আমার এসএমএসে কথা বলতে হবে?
তাও তো জানি না।

তুমি কি কোনদিন আমার হাত ধরবে না?
হাত ধরবো কেন?

ওমা! আমি তোমাকে ভালোবাসি যে!
ভালোবাসলেই হাত ধরতে হয়?

অবশ্যই! হাত ধরে চুপ করে আমরা দু’জন চোখ বন্ধ করে রাখবো।
তারপর?
তারপর আর কি। ভালোবাসার আবেগটাকে ভাগাভাগি করে নেবো।
তুমি এতো স্বপ্ন কীভাবে দেখো?
স্বপ্ন ছাড়া কি মানুষ হয়? কেন তুমি স্বপ্ন দেখো না?
স্বপ্ন কীভাবে দেখে?
তার মানে কি হলো? ফাজলামি করো?
হা হা হা।

এই হাসি আর কতদিন? দুই মাস কিন্তু পার হয়ে যাচ্ছে।

সৃজনশীল কথাবার্তা

১.
আমার একটা মাত্র বউ। সেই বউ আবার একটা স্কুলে পড়ায়। এবারের ঈদের ছুটিতে দেখলাম বান্ডিল বান্ডিল পরীক্ষার খাতা নিয়া বইসা থাকে। গম্ভীর হইয়া খাতা দেখে আর নাম্বার দেয়। মাঝে মইধ্যে দেখি ফিক কইরা হাসি দেয়। কেন দেয়? তারে জিগাইলাম। সে আমারে কয়টা খাতা দেখাইলো। আমিও ফিক কইরা হাইসা দিলাম।
এবার রেডি হন, ফিক কইরা হাসেন।

২.
একটা প্রশ্ন ছিল-স্বর্গ আর নরক কী?
ক্লাশ ফাইভের এক ছেলে লিখছে
স্বর্গ=আরাম আর আরাম
নরক=মাইর আর মাইর

৩.
আরেকটা প্রশ্ন ছিল অল্পপ্রাণ বার মহাপ্রাণ কাকে বলে?
ক্লাশ ফাইভের আরেক ছেলে লিখছে-
অল্পপ্রাণ হলো যার অনেক টাকা আছে কিন্তু কাউকে দেয় না।
আর মহাপ্রাণ হলো যার অল্প টাকা থাকলেও অন্যকে দেয়।

৪.
ক্লাশ সিক্সের খাতা। সৃজনশীল প্রশ্ন আর উত্তরের একটা অংশ আছে। প্রশ্নটা হইলো-বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ কী? এক ছেলে লিখেছে

গল্প থেকে গল্প বলার দিন

গল্প থেকে গল্প বলার দিন

এক.
নিবারুন ভট্রাচার্যকে ভালোবাসি
এই কথা শোনার পর তুমি আসলে আমাকে যে প্রশ্নটা করলে তাতে আমি বিব্রত হইনি কারন তুমি আমাকে সমকামি মনে করনি,তুমি আমাকে পাগলও ঠাহর করনি,তুমি কেবল আমার দিকে একটা প্রশ্নবোধক শব্দ ঠেলে দিলে,কেন?

বেশ তাহলে এই কেন উত্তর দিতে গিয়ে আমাকে মনে করতে হোলো একটা বিশেষ ইচ্ছার মিল-অমিলের কথা! আমি এবং নবারুন দু'জনেই পুরুষ!আমি এবং নবারুন দু'জনেই কবি এবং আমরা দু'জনেই কুকুর দেখলে ঢিল মারি না।আবার ধলা চামড়ার মানুষদের মতো কোলে তুলিয়া লই না।আমরা কেবল কুকুর দেখলে জিজ্ঞাসা করি রাতের পাহারায় তুমি গাফলতি করো কিনা? আর যদি দেখি সে বড্ড বেশি ঘেউ ঘেই করছে তাহলে তার প্রতি উৎসর্গ করি দু'পিচ রুটি এবং তার রুটি খাওয়া শেষ হবার আগেই টমি টাটা বলে বিদায় নেই।

ঈদের ছুটি শেষ

ঈদের ছুটি তো শেষ। যে যেখানেই আছেন ভালো আছেন আশা করি।

কার ঈদ কেমন হলো? কে কোথায় ঈদ করলেন?
কি রান্না করলেন? কাকে দাওয়াত দিলেন? নিজে কোথায় কোথায় গেলেন?

চলেন শুরু করি।

আমি ঈদে দই বড়া বানাইছিলাম। জিলাপী বানানোর ও ট্রাই করছিলাম কিন্তু জিলাপী না হয়ে শেষ মেষ কি যে হইসে আল্লাহ জানে। এখন ঐ গুলি বক্স হয়ে কখনো টেবিলে কখনো ফ্রীজে ঘুরতিসে।

আর ও অনেক কিছুই করছি সেগুলো পরে বলতিছি। আগে আপনারটা বলেন। Laughing out loud

আনসাবস্ক্রাইব

এখন নিশ্চিতভাবেই বলা যায় মানবদেহে কেবল এক প্রকারের রক্ত থাকে না
হৃৎপিণ্ডের কাছের, যেখানে ধুকধুক করে ছাকনি
তার চারিপাশে বিশেষ প্রকার রক্তের বসবাস
আর মস্তিস্কে চলমান নিরেট হিসেব গুলি পালিত হয় ভিন্ন প্রকারে
এসব রঙও আবার স্থির নয়, যখন তখন পাল্টে যেতে পারে
বিশেষ করে যখন চোখের ভেতর থেকে বের হবে বলে কাঁপুনি জাগায়
সহস্র দুর্বার শ্বেতকণিকা!

এখন নিশ্চিতভাবেই বলা যায় রক্ত ফোঁটায় কেবল মানবদেহের নির্যাস থাকে না
এর সতর্ক সদ্য সংবাদ, বার্তাবাহক ফেরি করে ফেরে
অজানিত রাজপথে, ঠিকানাবিহীন ফটকে, বাতাসের বিন্যস্ত ভেতরে সিগনাল ছুঁয়ে
রিংটোনের স্বল্প ক্রেডিটে বিকোয় বিরহী ভালোবাসা
একবার শুনলে আনন্দিত হবেন, বারবার শুনলে
দয়া করে সবগুলো চ্যানেলের নব ঘুরিয়ে
রক্তভেদে চেপে দিন আনসাবস্ক্রাইব
নতুন প্রকারের রক্ত জন্মাবে সাইবার হৃৎপিণ্ডে!

খুচরা পোস্ট ৪ : টিম ও নেলা'র উপহার

জোনাল প্রোবলেম
মৌসুমের বাসা সারাদিনব্যাপি আড্ডা দিয়া রাতের বেলা বারাইলাম। অন্যরা যার যার মত চইলা গেল আমি আর বিলাই হাটা ধরলাম একসাথে। আমাদের দুইজনের বাসা একইদিকে। হাটতেছি আর ভাবতেছি কেমনে যামু। আমাদের ঐদিকে যাওয়ার জন্য সাধারণত কিছু পাওয়া যায় না। কয়টা রিক্সা দেইখা বিলাই জিগাইল। একজন উত্তর দিল 'আমি ঐদিকে যাই না।' আরেকজন বলল ভাল্লাগতেছেনা। আমি বিলাইরে বললাম, দেখছ জোনের বাইরে থাকার প্রোবলেম? পরে কপালগুনে সিএনজি পেয়ে আসতে আসতে আমরা একমত হইলাম যে পরের আড্ডা বেইলি রোড থিকা রামপুরা পর্যন্ত জোনের মধ্যে করা উচিত।

টিম ও নেলা

সৈয়দ বংশের ছেলে

সৈয়দ বংশের ছেলে তিনি
নামটি আবুল হোসেন
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্বটি পেলেন।

যোগাযোগে নেই যোগাযোগ
শত অভিযোগ
অহরহ মরছে মানুষ
কাঁপছে না তো বুক।

ভাঙাচুরা খানাখন্দক
নেইকো সংস্কার
আম-জনতার দাবি ওঠে
পদত্যাগ দরকার।

মানববন্ধন আর অনশন
হচ্ছে যার তরে
অযোগ্যের পদটি তিনি
আছেনই ধরে।

অঘটন আর দুর্ঘটনায়
বাড়লো শুধু বাজেট
শেষ হাসিটি হেসেই তার
ভারী হলো পকেট।

সংস্কারটি হবে কোথায়
হচ্ছে জায়গা খোঁজা
মন্ত্রীর পদ ছাড়বো
এতোই কি সোজা?

চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ী
চলছে আরিচা
বরাদ্দটি থাক না পড়ে
ধরুক মরিচা।

ধনীর দুলাল জেনো আমায়
আছে ক্ষমতা
বোকার রাজ্যে বাস করে
তাই তো জনতা।

মিশুক গেলো মাসুদ গেলো
আরো কতো শত
গুণী লোকের মরণ যাত্রায়
বাড়লো বাজেট ততো!

২৭.০৮.২০১১

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ