কবিতা: পরাগায়ন ও শিষ্টাচার
নিজেকে তীব্র আগুনের দিকে ছুটে চলা একটা পতঙ্গ মনে হচ্ছে। যে দ্রুতগতিতে নিজের ভস্মীভূত পরিণতির দিতে ধাবমান। ভালো লাগছে এই ভেবে যে, অবশেষে নিজের জন্য নিরন্তর খারাপ লাগতে থাকাটাকে দূরে সরিয়ে দিতে পেরেছি। এখন শুধুই অপেক্ষা। এবং এই নিষ্ঠুর আমাকে দীর্ঘদিন ধারণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা। সময়, প্রকৃতি আর ভূখন্ডের প্রতি।
কবিতাকে আমি সহজ মনে করি না। আমার কবিতা লেখার অপচেষ্টাগুলো কখনো সফল হয়েছে, এমন দাবিও করি না। যে কারণে ব্যর্থতার দায়টুকু মাথা পেতে নিতেও আপত্তি নেই।
রাত্রিনা তোমার শারীরিক সৌন্দর্য্যও
ঐশ্বর্যময়, সর্বত্র ধন-সম্পদের ছড়াছড়ি
উদয়াস্ত আমি যদি কোনো ঠোঁট চাই
পাওয়ার জন্য, তোমার নধর
ঠোঁট দু’টোই চাইবো।
যদি কখনো কাউকে দেখে আমার
জড়িয়ে ধরে বুকের উত্তাপ
অনুভব করতে ইচ্ছা হয় তো সে তুমি।
কখনো হয়তো তোমার বুকে
খেলা করতেও ইচ্ছে হতে পারে,
কারণ আমার বাহুলগ্না ছাড়া
আর কোনো অবস্থাজনিত
ঢাকাবাসী-আদিবাসী-অভিবাসী আর বীনবাঁশির তত্ত্ব: যেদিক চাইবেন তিনি, বিভ্রান্ত ইদুরের দল সেদিকেই ঝাপ দিবে
মাঝে মাঝে এক অযৌক্তিক অহম তৈরী হয়, এই শহরটারে মনে হয় একেবারে নিজের আর যারা অভিবাসী হইছে বিবিধ কারনে তাদের অসহনীয় লাগতে থাকে। মনে হয় এই শহরের শরীরে তারা আছে জীবানুর মতো, অনাহুত, দখলদারী মনোবৃত্তিতে। আমার মনে হইতে থাকে এই শহরটারে ভালোবাইসা জীবনের ৪০টা শরীরি বছর কাটাইয়া দিছি, তারো আগে আরো এক-দেড়শ বছর জেনেটিক্যালি এই শহরেই ছিলাম আমি। এই রকম মনে হওয়াতে অপরাধবোধ তৈরী হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিলো, একবিংশ শতকের উত্তরাধুনিক দুনিয়ায় একটা শহর নিয়া এমন জাত্যাভিমান বেশ বিব্রতকর। অথচ জানি গতো শতকের শেষভাগেও পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে অভিবাসীরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হইছে। ফিজি, সিঙ্গাপুর, পাপুয়া নিউ গিনি...
বুকওয়ার্মস!(বই নিয়ে কথকতা!)
আমার ছেলেবেলা আর বড় হয়ে ঊঠার সময় টা কেটেছে নানাবাসায়,সাহিত্যিক নানার ছায়ায় নানান রকম বইয়ের সাথে।
বাসা ভরা ছিল গল্পের বই। ছোটদের আর বড়দের সব বই, আলাদা করা ছিল তিনটা ইয়া বড় বই এর আলমারীতে। বেড়ে উঠার একেকটা ধাপে হাতে আসা একেকটা জগতের চাবি,অনুভূতিটা বলে বোঝানোর নয়।
বাসার সবাই-ই বেশ পড়ুয়া, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে আমারও তাই খুব বেশি সময় লাগেনি। আম্মু তো এখনো বই পড়তে বসলে রান্নার কথা ভুলে যায়,এরকম অবস্থা! আমার আর কী দোষ!
বিপ্রতীপ সম্পর্কের জ্যামিতি
*
দেয়াল ঘেঁষে নেমে আসে বোকাটে রোদ,
সাময়িক শ্যাওলার ভেলভেটে আয়েশী হামাগুড়ি দিয়ে।
দেয়ালের ওপাশে থাকা বিষণ্ণ গাছটিও জেনেছে বোকাটে নেমে আসা গান।
বোঝেনি তারা,
বোকাটে গানের সুরটা লেখা হয়েছে বিষণ্ণ গাছটাকে ভেবেই।
শ্যাওলা বেছে নিয়েছে আধো আলো আধো ছায়ার সম্পর্ক,
সে ভাবতে পারেনি উজ্জ্বল রোদ তাকে দিতে পারে বৃক্ষের স্বাধীনতা।
বিষণ্ণ গাছটিও রয়ে গেছে দেয়ালের ওইপাশে, যেখানে ছিটেফোঁটা রোদ উঁকি মারে অনভ্যাসে।
রোদের সাধ্য ছিলো দেয়ালটাকে ভেঙ্গে ফেলে
বিষণ্ণ গাছটাকে আলিঙ্গনের,
তার মনের অশ্রুগুলোকে এক নিঃশ্বাসে পান করার,
দু’জন মিলেমিশে জীবনের গানে মেতে ওঠার।
বোকা রোদ,
বরাবরের অনভস্ততায় বাঁধা পড়ে রইলো দেয়ালের কার্ণিশে,
আর লিখতে থাকলো বিপ্রতীপ সম্পর্কের সংখ্যাতত্ত্ব।
।
।
_________________________________________________________
*আলসেমীর জং কাটানোর চেষ্টা
মেঘবন্দী (৬) ... বর্ষার তিন ছত্র / আশফাকুর র
বর্ষার তিন ছত্র
আশফাকুর র
বৃষ্টি।পৃথিবীর সকল দেশের সকল মানুষের কাছে বৃষ্টি এক প্রার্থিত নাম। আর আবহাওয়া, অর্থনৈতিক ও ভৌগলিক নানা কারণে আমাদের দেশে বৃষ্টি এক চিরচেনা ও প্রার্থিত অতিথির নাম। আমাদের দেশের সাহিত্যেও তাই বৃষ্টি আর বর্ষার মারাত্মক প্রভাব। এক বর্ষাকে ঘিরেই আমাদের কবিরা লিখেছেন হাজার হাজার ছত্র। আমাদের সাধারন জীবনেও বৃষ্টির প্রভাব কম নয়। বৃষ্টির রূপ নানারূপে আসে আমাদের কাছে আসে আমাদের জীবনের নানা সময়ে। বৃষ্টির এই রূপের বিবর্তন আমাদের জীবনের এক অসাধারন অংশ। আমার মতে রুপের এই বিবর্তন তিন ছত্রে। তাহল শৈশব, কৈশোর আর যৌবন কালে।
সাংবাদিক বনাম সাংবাদিকতা: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রীক অভিজ্ঞতার কাটা ছেড়া
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তির পর প্রথম মাথায় এলো পত্রিকা বের করতে হবে। কি করা যায়, কিভাবে করা যায় ভাবতে ভাবতে সাজদার ভাইয়ের চায়ের দোকানের চা খেতে খেতে কখন যে বাকির খাতায় নাম উঠে গেছে টের পাইনি। যখন টের পেলাম তখনও সিদ্ধান্ত হয় নি। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো প্রথম বর্ষ থেকে একটি লিটলম্যাগ সাইজে ফটোকপির পত্রিকা বেরুবে। স্যারদের সাথে আলাপ হলো। অনেকে উৎসাহ দিলেন। একজন বললেন, মফস্বল থেকে এসেছো তো, এখনো মাথা ঠিক হয় নি। এরকম অনেক সিদ্ধান্ত নাকি ফিবছরই হয়। দুয়েকটা সংখ্যা বের হয়, তারপর বন্ধও হয়ে যায়। আর এধরনের ‘ফালতু ’ কাজে ডিপার্টমেন্টের নাম উল্লেখ করা যাবে না। পরের সংখ্যাই তিনিই অবশ্য একপাতার একটি বাণি দিয়েছিলেন।
নাকের ডগায় ঈদ! [ঈদ নিয়ে হাবিজাবি/খোঁজখবর পোষ্ট!]
আজকে একুশ রোযা শুরু হয়ে গেল!
দেখতে দেখতে, কথা নাই বার্তা নাই ২০ রোযা শেষ!আর কয়দিন গেলেই, হুট্ কইরা দেখা যাইবো ঘুম থিকা উঠলেই ঈদ!
রমজানের এই একটা মাস ক্যামনে যে এত তাড়াতাড়ি শেষ হইয়া যায়, এইটা আসলেই একখান গবেষনার বিষয়।
এই রোযার মাস টা আইলেই বোঝা যায়,
ভাল জিনিস বেশিদিন থাকেনা!
এখনো কয়েকদিন বাকি আছে তাই ভাবলাম, ঈদ লইয়া সবার লগে একটু আড্ডা মাইরা লই।
আশা করি, সবার রোযা ভালই চলতেছে। সাথে, ঈদ প্রস্তুতি ও।
গত দুইবারের মত এইবার ও রোযা ঢাকাতেই কাটাইতে হইব।মহা বিরক্তিকর ব্যাপার।ঢাকায় তো ঈদের ফিলিংস ই খুঁইজা পাওয়া যায় না।আমাদের বিল্ডিঙেই ঈদের দিন অনেকের ঘুম ভাঙে দুপুর বেলা।চাঁনরাতে পার্টি সার্টি করেই তো টায়ার্ড, ঈদের জামাত ধরবে কে?!শুধু মাছবাজার টাইপের চিরায়ত জ্যাম হারিয়ে গিয়ে রাস্তাঘাট মরুভূমি হয়ে যেতে দেখলেই বোঝা যায়, ঢাকায় এখন ঈদ।
আরেক ঝামেলা হল টাইম কাটানো।
আগুন পোহাতে হলে নিজেকে জ্বালাবেন: এলিজি ফর তারেক মাসুদ
সর্বদক্ষিণে বাস করে এক অরাজক কাল। তার পাশের চেয়ারে একজন অসুখী মানুষ। একেবারে উত্তরে বাস করে ভালগার আউটফিট। তার সম্মুখে দণ্ডায়মান স্ফুর্তি।
এসব দেখে শিক্ষা নেয়া যায়। প্রতিজ্ঞা করি আর কখনও ডান বাম থেকে বিচলিত পর্যবেক্ষকের জায়গা দখল করবো না। গান এবং তান নিয়ে ব্যস্ত থাকবো।
অথবা এক কাজ করা যায়। এর পর থেকে প্রতি অক্ষরের পরে দুটো ব্যাকস্পেস। আশা করা যায় বেশ দীর্ঘসময় পরে ফিরে যাওয়া যাবে শুরুতে। শীর্ষে।
যখন এটা পতনেরই দ্রোহ, তখন তরান্বিত হোক। যদি প্রয়োজন হয় বলবেন। মশলা যোগান দেবো। যদি অন্তরঙ্গ যাপন চান - দয়া করে ভিজিটিং কার্ড রেখে যাবেন। হিসেব মত গোটা দশেক ফেসবুক একাউন্ট পাঠিয়ে দেবো। প্রতিটা ফুল থাকবে বন্ধুতে। নিখুঁত বন্ধু নামক অমানিশা ভর করবে না।
আমরা এগারো জন- আগস্টের কোন এক আনন্দমাখা সন্ধায়
কলিং বেলের সুইচটা সামনে। আঙুলটা সুইচের উপর রাখার আগেই দরজাটা খুলে গেল। কানে ফোন ধরা তন্ময়ের। আমাকে দেখে ভিতরে যেতে ইশারা করে। আমি আর আমার বর ওর বাসায় ঢুকলাম।
হঠাৎ দেখি চোখের সামনে সবুজ একটা লন। লনের পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি রাস্তা চলে গেছে ভিতরে। হাতের বায়ে 'সুরঞ্জনা'। রাস্তা ধরে আমতলায় পৌঁছানোর আগে থেকেই ভীর ভাট্টায় নজর পরে। ভিতরে কথা বলছেন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ।
ধুর কি আবোল তাবোল..। তন্ময়ের গোছানো বাসায় সেই বিসাকের লালরঙা বাড়ি এলো কোথেকে! এই আড্ডা আর সেই আড্ডার ছবি মিলেমিশে একাকার হচ্ছে বারবার। ..তাই তোহ!
দিব্যি দেখা যাচ্ছে আন্দু (আমাদের আন্দোলন) বসে আড্ডা দিচ্ছে। ইশ আমি এবারো লেট।
নতুন ঘর চাই (ছোটদের গল্প)
চার বছরের তুলতুলে ছোট্ট শিশু মৌ'মনি দৌড়ে তার আব্বার ঘরে গিয়ে কানে কানে নালিশ করছে,
‘আব্বু দাদীমা খুব চেঁচামেছি শুরু করেছে আবারও। দাদীমা আপনাকে, আপনার আব্বাকে, আপনার আব্বার ছেলেদের সহ আপনার দাদাকেও খুব গালমন্দ করে চলছে। আমাকে ছাড়া ঘরের সকলকে নাকি বের করে দেবে।‘
কেন মা'মনি? তোমার দাদীমনিকে তুমি কি তোমার নূতন দালান বাড়ির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছ?
না আব্বু আমি বলিনি। আম্মুর মুখে শুনেছে।তাই হয়ত মনে পড়ে গেল। চার বছর বয়সী বোরহান সাহেবের' শিশু কন্যা মৌ'মনির কথা শুনে মেয়েকে কুলে তুলে কাঁধে করে নিয়ে মৌ'মনির দাদীমা, মানে বোরহান সাহেবের 'মা' এর কাছে এল। মায়ের ইজিচেয়ারের পাশে বসে বোরহান সাহেব মিনতি করল বলতে শুরু করল, ''মা আপনি আবারও উত্তেজিত হয়ে গেলেন।আমরা এখনো আপনার অনুমতির অপেক্ষায় বসে আছি।’’
সম্পাদকীয় নীতির পরাধীনতা
সাংবাদিকতা পেশাদার বিতার্কিক এবং রাজনীতিবীদদের জন্য উপযুক্ত জায়গা হয়ে উঠছে।কেবল সাংবাদিকতা করার ব্রত নিয়ে যারা এই পেশাতে আছেন, আসছেন বা আসবেন,তাদেরপক্ষে প্রকৃত সাংবাদিকতা করাটা ক্রমেই অসম্ভব হয়ে পড়ছে।বিতার্কিকদের প্রসংগ আনলাম এ কারনে যে, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিতার্কিককে যে কোন বিষয়ের পক্ষে- বিপক্ষে বলার জন্য তৈরি থাকতে হয়। লটারির উপর নির্ভর করে কোন দল পক্ষে বলবে আর কোন দল বলবে বিপক্ষে। এছাড়া একই বিষয়ের উপর ভিন্ন দিনে বিতার্কিক দুটি অবস্থানে থেকে বক্তব্য রাখতে পারেন।রাজনীতিবীদরাতো একই বিষয়ের পক্ষে- বিপক্ষে বলতে আরো সিদ্ধহস্ত। একই ইস্যুতে দলীয় অবস্থান পাল্টানোর সংগে সংগে, রাজনীতিবীদের বক্তব্যও পাল্টে যায়। আবার দলের সংগে তার সম্পর্কের টানাপোড়ন বিবেচনাতে পাল্টে যায় বক্তব্যের সুর। বিতর্ক যারা করেছি, বা দর্শক হিসেবে দেখার অভিজ্ঞতা আছে, তারা জানি বিতর্কের বিধিমালা।আর রাজনীতি থেকে যারা দূরে, সেই
রাশিফলের পূর্বাভাস আর ৫০ হাজার টাকার খ্যাপ
রাশিফলে বিশ্বাস করি না সংগত কারণেই। কিন্তু কৌতুহল ও বিনোদন হিসাবে প্রথম আলোতে প্রায়ই রাশিফলটা দেখে থাকি। যেহেতু এতে উৎসাহমূলক এবং সাবধানতামূলক কথাবার্তা বেশি থাকে, তাই মন্দ কী! কয়েক দিন ধরে আমার রাশিতে বলা হচ্ছিল অপ্রত্যাশিতভাবে টাকা আসতে পারে। আমিও ভাবতে থাকি, চাকরিজীবী ছাপোষা মানুষদের অপ্রত্যাশিত টাকা আসার সুযোগ কোথায়? ব্যবসা-বাণিজ্যে না হয় এসব ঘটে থাকে। আমাদেরতো বরং অপ্রত্যাশিত ব্যয় নিয়মিত ঘটনা।
মিলনমেলা
আমাদের গৃহে অতি সম্প্রতি এক মিলনমেলার আয়োজন করা হইবে। উপলক্ষ আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতার “হ্যাপী বার্থডে”। যারা এখনো বুঝিতে পারেন নাই, মিলনমেলার অর্থ, তাহাদের উদ্দ্যেশ্যে বলি, মিলনমেলার বাংলাদেশী অর্থ হইল “পার্টি”। তবে পার্টি বলিতে গেলেই আপনাদের মাথায় যে পার্টির কথা ভাসিয়া উঠে এ পার্টি সে পার্টি নহে, মানে কোন রাজনৈতিক পার্টি নহে, এ হইল সাধাসিধা মানুষ সমৃদ্ধ সাধাসিধা পার্টি থুক্কু মিলনমেলা।
অনুস্ঠান কবে হইবে তার ঠিক নাই, কে দাওয়াত পাইবে আর কে কে পাইবে না তা নিয়া আমার মা জননীর চিন্তার শেষ নাই। আর যাহারা দাওয়াত পাইবে বলিয়া একেবারে নিশ্চিত তাহারা কোন সৌন্দর্যকেন্দ্র হইতে নিজেদের রঙ করিয়া আসিবেন তাহার চিন্তায় মশগুল।
বাংলাদেশের ক্রিকেট: শুধুই হতাশা?
বাংলাদেশ প্র্যাকটিস ম্যাচ সহ পরপর পাঁচ ম্যাচ জিম্বাবুয়ের মাটিতে হেরে গেছে। সমানে ৫-০ তে হোয়াইট ওয়াশের আতংক। দেশের লাখ লাখ ক্রিকেট সমর্থক দলের এ দুরবস্থায় হতাশাগ্রস্ত। এই ব্লগেও দুইজন ব্লগার ইতিমধ্যে এ নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। আমি আগেই ভাবছিলাম এ নিয়ে লিখব। নানা কারণে লেখা হয়ে উঠেনি। এখন ওদের সাথে সাথে ক্রিকেট ভক্ত আমিও দুইটা কথা লিখে রাখি।

বাংলাদেশের জিম্বাবে সফর: এসব কিসের আলামত? (১)
সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ একটা অপরাজেয় দল, জিম্বাবুয়েতে গিয়ে সফরকারীরা অনায়াশে সব ম্যাচ জিতে নেবে। এর জন্য যদিও আমাদের দলের অধিনায়ক এবং তার ধারাবাহিকতায় দলের সিনিয়র সদস্যরাও দায়ী। দেশে থেকে প্লেনে উঠার আগে তারা নিউজ মিডিয়াগুলোতে সাক্ষাতকার দিতে শুরু করে বাংলাদেশ অল্প খানিকটা হলেও ফেভারিট দুই দলের লড়াইয়ে। আমরাও তাদের বিবেচনায় বিশ্বাস করে বসি। বিশ্বাস করাটা যদিও দোষের না, নতুন নির্বাচক কমিটি, দুইজন প্লেয়ারের কাউন্টি অভিজ্ঞতা কিংবা এক মাসের ফিটনেস ট্রেনিং সব মিলিয়ে বেশ খানিকটা নির্ভরতা তৈরী করতে পেরেছিলো জেমি সিডন্স কাল পিছু ফেলে আসা বাংলাদেশ দল।