অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

ফতোয়াবাজ...

যুগের বিবর্তনের বাধা-ধরা নিয়মে---
কিংবা সভ্যতার আত্যাগ্রহ আমন্ত্রণের বানীতে---
অবহেলিত আদম-সমাজের চরম ক্লান্তির শেষ-লগ্নে---
তুমি এলে মুক্তির মিছিলের পিছে পিছে---
নষ্ট-পচা গলিতো মূল্যবোধের ক্ষতে হতে---
কালিমায় লিপ্ত ধ্যান-ধারণায় করে---
স্বার্থের বিষাক্ত ছোবলে---
সমাজের চরিত্রে মানবের কলুষতার আবরণে!!!

ধর্মের চৌহদ্দিরের ম্লান কদর্যের ঘায়ে---
শান্তির সূর্যের তরী ডুবায়ে---
অবিশ্রান্ত ডুবুরীর মতো তোলো দুঃস্বপ্নের প্রবাল যত।।।।।।
যুগের ঋষিদের তরে খড়্গ নেড়ে নেড়ে---
নির্ভীক সৈনিকের মতো---
মুক্তির অন্বেষায় সদা জাগ্রত ধর্ম-ভীরুর আলখাল্লা চিরে---
অর্বাচীনের মতো নিজের কথার ভীড়ে---
সরলাদের জীবন নিয়ে খেলো অবিরত!!!

মুখে সৌম্য ছায়া, তায় ঘিরে ওঠে গরল---
আড়ালে ’পরে রয় কপট-ভনিতা!!!

যুদ্ধাপরাধ ইস্যূ চিরতরে ধামাচাপা পড়ে যাওয়ার জন্য একটি ট্রাইব্যূনালের ব্যর্থতাই যথেষ্ট

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই একে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা চালিয়েছে একটি পক্ষ। এক সময় দেশের সব রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে ‘যুদ্ধাপরাধ ইস্যূ বানচালের ষড়যন্ত্র’ হিসেবে ট্যাগিং করার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছিলো। তখন এই ট্যাগিং-এর সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু নিজেদের সব কাজের মাধ্যমে জামাত যে কেবলই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সে দিকে কবে নজর দিয়েছে কে?

ডিজিটাল বিড়াল!

ডিজিটাল বাংলাদেশে
বিড়ালগুলো হায়!
মাছ-মাংস কাঁটা রেখে
দুধ নাহি খায়।

আদ্যিকালের বিড়ালেরা
দিব্যি মানতো পোষ
ডিজিটাল যুগে এসে
মাছ-মাংসে বেহুঁশ।

আরাম প্রিয় বিড়ালের
নেই তো এখন সুখ
মাছ-মাংসেই অভ্যস্ত
সেজেছে রাজপুত।

বিড়ালের গোঁফ-দাড়ি
এখন যেমন নেই
চুক চুক দুধের শব্দ
আছে শুধু পুরাণেই।

ডিজিটাল বিড়ালের
হলো কি যে দশা!
গেরস্তের ঘুম হারাম
নতুন এক হতাশা।

পাল্টে গেছে বিড়ালের
আসল চরিত্র
ফরমালিনের ভেজালে
বিপন্ন ধরিত্র।

গরুর খাঁটি দুধ এখন
গল্পেতে কেবল
দুধ প্রিয় বিড়াল তাই
খুঁজে ফেরে জল।

৩০.০৮.২০১১

আমার না লেখা গল্পের ডিসক্লেইমার

আগে একটা ব্লগে লিখেছিলাম আমি কাল্পনিক কিছুই লিখতে পারি না। এবি’তে আসার পর থেকে এত সুন্দর সুন্দর গল্প-কবিতা পড়ি আর ভাবি, আমি কেন লিখতে পারি না!!

তারপর ভাবলাম চেষ্টা করে দেখি। ভালো না হোক খারাপ হবে! কিন্তু কি যন্ত্রণা! একটা কিছু চিন্তা করে শুরু করি ঠিকই তারপর রাস্তাঘাট উল্টাপাল্টা করে কি অবস্থা। ব্যাপারটা অনেকটা দাঁড়ায় ধানমন্ডি থেকে মিরপুর যাবো বলে রওনা হই, একটু পর দেখি উত্তরায় চলে আসছি।

এরমধ্যে একদিন তাতা’পুর সাথে কথা হচ্ছে। তাতা’পু বলে নতুন কিছু লিখিস না কেন? বললাম লিখবো। ভূতের গল্প লিখবো ঠিক করছি। এবি’তে তো কেউ ভূতের গল্প লিখে না।
তাতা’পু হেসে বলল, দে তাড়াতাড়ি দে।

আমি ফান করে বললেও তাতা'পু তাড়া দিলো। কই তোর ভূতের গল্প??

তিনটা কবিতা...


পলায়ণ পর্ব

ছেলেটা শৈশবে সহজেই লুকিয়েছে
যেখানে-সেখানে
মায়ের আঁচল, চৌকির তলায়।
বালক বেলার সাথে শহরের পরিচয়
হলে; লুকোতে চাইলেই
শহরের আড়ালে চলে যেতো
ডুবন্ত সুর্যের সাথে
চোখেচোখে, গল্পে গল্পে সময় কাটাতে।
কখনোবা পথরেখা আঁকতে আঁকতে
পাল্টে দিতো শহরের পুরনো চেহারা,
শহরটার শরীরে যতো বাঁক, চড়াই-উৎড়াই,
রূপের তিলক...সবটার ঘ্রাণ নিতো
লুকিয়ে লুকিয়ে।

রোমাঞ্চিত, শিহরিত আর
অনিয়মের কৈশোর থিতু হলে
নানা রঙ – নানা ঘ্রাণ – নানা ঘোরে
ঘোরাঘুরি, ঘুড়ির মতোন
বাউলি কাটতে কাটতে
সুযোগ-সন্ধানী।
লুকোবার জন্য বেছে নিলো অরণ্য, পাহাড়,
সাগরের ঢেউ...
তাকে খুঁজতে গেলে
রহস্যের বেড়া এসে পথ আটকাতো।

তবু,
বয়সের সাথে কীযে হোলো!
ছেলেটা চাইলেই নিজেকে অদৃশ্য করে দেয়ার ক্ষমতা
হারিয়েছে, হারিয়েছে হারিয়ে যাবার
সাধ্য, মায়া জনিত বন্ধনে...

সারাজীবন লুকিয়ে থাকা

এখন এই সময়, আমি ও তোমরা

অনেকদিন আকাশ ছুঁইনা,
হাঁটি নিঃশব্দে ছায়ায়। লুকিয়ে যতটুকু শিকড় ছড়ানো যায়, ছড়াই,
বাধা এলে গুটিয়ে ফেলি গন্তব্য, একে বেঁকে এগলি ওগলি পেরিয়ে খুব সাবধানে ফিরে আসি।
কখনো বা কেউ কিংবা দুজনে বসে খুনসুটিরত, নির্লজ্জ ভারী শব্দ সকল,
কোন কোনদিন দিব্যি কাউকে বলতে শুনি নিষিদ্ধ আহবান,
জমে জমে নীলে ছেঁয়েছে জমিন, তাকাই না।

ক্ষয়ে যাওয়া মেরুদন্ড নিয়ে হামাগুড়িতেও বড় কষ্ট আজ
ছোবল হানতেও ভুলে গেছি অনেকদিন কিংবা
আমার থেকেও বিষধর যে জন তাকে খেলতে দেখতেই ভাল লাগে আজকাল।
জল, সবুজ ছাপিয়ে যে লাল ছড়ায় পশ্চিমে,
তার কাছাকাছি হলেও,ও পাশে থাকলেও,
মাথা নিচু, চুপ, কোন কবিতা পড়ি না ।

মাঝে মাঝে এসবেও বড় ক্লান্ত,
পথ চলতে, মাটি খুড়তে বড়ই অস্বস্তি হয়
পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মনে হয়,
বড্ড অচেনা কোন শ্বাপদের রক্তাক্ত নখর শান্ত কিছুটা,
স্থির সাময়িক
বড় কোন লক্ষ্যের জন্য।

চরম ফাও প্যাঁচাল-২

বাঙালী যতই অস্বীকার করুক "চন্দ্রবিন্দু"র প্রতি তাদের গভীর প্রেমের কোন ঘাটতিই নেই। শৈশবে তারা "হাঁও মাঁও খাঁও, মাঁনুষের গঁন্ধ পাঁও" জপ করে ভূতের গল্প শোনে, যৌবনে তারা শুঁড়িখানায় যেতে চায়, হরদম শুভ্র দেবের গলার ভীষণ নাঁকি নাঁকি গান শুনে আমোদিত হয় ,আর খানিক বয়স বাড়লে ভুঁড়ি গজায়।

"চন্দ্রবিন্দু"র প্রতি আমার গভীর ভালবাসাও সেই পিচ্চিবেলার বর্ণশিক্ষার প্রথম পাঠ থেকেই।মানুষ যে কারণে আইপড ভালবাসে, যে কারণে যুগে যুগে ভোক্সওয়াগন ভালবেসেছে , ঠিক সে কারণেই আমিও চন্দ্রবিন্দুকে আমার মন দিয়েছিলাম। আকারে ছোট, ভীষণ কিউট আর চাঁদ-তারাসদৃশ মুখশ্রীই কেবল নয় , অন্য আর কোন বর্ণটি আছে যাকে বাকি বর্ণেরা মিলে মাথায় তুলেও রাখে?

চিকলী নদী তীরে গোধূলী বেলায়।

photo0996.jpg চিকলীর পথে।

photo1053.jpg চিকলীর পূর্বের আকাশ।

photo1054.jpg চিকলীর পশ্চীম আকাশ।

Image0477.jpg শ্যামলে শ্যামল গাছ।

Image0478.jpg একি অপরূপ সৃষ্টি।

এবারে প্রান্তরে প্রান্তরে হারিয়ে যাবার পালা।
photo1112.jpg

প্রবাসের জীবন চিত্র

একাকী প্রতিদিন নির্ঘুম রাত কাটাই

দেশ-মাতা তোমায় হৃদয়ে রেখে,সেকেন্ড,মিনিট

ঘন্টা,দিন মাস বছর।একের পর এক।

বিশাল অট্রালিকায় করি বসবাস,পাচতারা হোটেলে

খাবার খাই,ফাস্টফুড,রসালো-বিদেশী চটকদার রান্না

। কই মাছের ঝোল আর হেলেঞ্চা শাকের স্বাদ

জিভে জল আনে ,তাই বিস্বাদ লাগে এখানে সব।

ব্যাস্ততা আর কোলাহল নিংড়ে ফেলে জীবনের সব ।

আম্রকাননের শীতল পবনের লোভ জাগে।

নাগরিক কোলাহলে পথ হারাই রাতের পর রাত।

হুট করে ঘুম ভেঙ্গে যায় , মনে পড়ে

মা তোমার স্নেহ মাখা সেই মমতার মুখ।

ভুলে থাকতে তোমায় আবার বীয়ারের পেগে

নিজেকে লুকাতে চাই একের পর এক ।রাত শেষে

ভোরের আহবান , নেই পাখির কিচির মিচির

নেই শিশির ভেজা ঘাসের চাদর । ব্যাস্ত আমি

ছুটে চলি । প্রবাস জীবনের ব্যাস্ত কোলাহল আর

চক বাঁধা জীবনের গণ্ডিতে । দিনের পর দিন

মাসের পর মাস, বছরের পর বছর

ফাও প্যাচাল

পড়াশোনায় মন বসাতে পারি না ইদানিং , পারি না মানে একদমই না। ভার্সিটিতে বিশাল রিসার্চ বিল্ডিংয়ের উদ্বোধন হয়েছে জানুয়ারীতে। সেখানে নিজের একটা অফিসরুমও বরাদ্দ পেয়েছি, কিন্তু আসা হয় না এই রুমে।ধুলোর স্তর জমে যেত বাংলাদেশ হলে, এখানে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা মাঝের ৬ টি মাস রুম খুলে পরিচ্ছন্ন করে গেছে বলে আগের মত তকতকেই রয়ে গেছে । দিন দুয়েক আগে সিদ্ধান্ত নিলাম সকাল সকাল রুমে চলে আসব । আসার পর ভালই লাগছে , একটা দেয়ালের পুরোটা কাঁচের , সেখান থেকে শহরের অনেকটা অংশ দেখা যায় । খানিক দূরেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঢেকে রাখা স্টেডিয়াম। এসব দেখে আগডুম বাগডুম করে দু'দিন সন্ধ্যা হয়ে এল। পড়াশোনা জিনিসটা আর হবে কিনা কোনদিন কে জানে

প্রকম্পিত ভূমি।

দেড়শ বছরের পুরনো বাসভবনের দ্বিতল এর এক প্রান্তে বসে প্রথম আলো পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছিলাম। পত্রিকার একটি পাতা উড়ে খাটের ঐ পাশে পরেছে। সেটা নেবার জন্য উপুর হচ্ছি আর মনে মনে ভাবছি বাচ্চা দুটি তো পাশের ঘরে টিভি নিয়ে ব্যাস্ত। তবে কে এই প্রকান্ড অট্টালিকা কাঁপিয়ে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে। উপুর হবার সাথে সাথেই কি যে হলো, পিছনের এক অদৃশ্য ধাক্কায় মাথা যেয়ে আঘাত করলো দেয়ালে। ঊঃ বলার ও সুজোগ পেলাম না। তার আগেই বুঝলাম ভূমিকম্প হচ্ছে।

জানু খবর শুনছিল। এই সময় পৃথিবী উড়ে গেলেও তার টের পাবার কথা না। এই ধারনা ভুল প্রমানিত করে 'ভূমিকম্প ভূমিকম্প' চিৎকার করতে করতে ছোট দুইটা বাচ্চাকে চিৎকার করে বাইরে যেতে বলে নিজেও দৌড়।

মেঘবন্দী (১০) ... হে বৃষ্টি / কামরুল হাসান রাজন

হে বৃষ্টি
কামরুল হাসান রাজন

হে বৃষ্টি
তুমি অধির হয়ে নেমে এসো
মর্ত্যমান পৃথিবীর বুকে
যেমন করে
কোজাগরী পূর্নিমায়
ধেয়ে আসে চাঁদের আলো

যে অসম্ভব দ্রুততায়
ঐ লঞ্চ যাত্রীর
ছোট্ট ফুসফুসে
ঢুকে পড়ে মেঘনার নোনা জল

তেমনি করে
নেমে এসো
মর্ত্যমান পৃথিবীর বুকে

যেন তুমি এক দুরন্ত প্রেমিক
ছুটে চলছ ক্ষণিকের গোপন অভিসারে
যেখানে আধঘন্টা কিংবা আরো অনেকক্ষণ ধরে
অপেক্ষমাণ তোমার প্রিয়তমা

আবার
যেমন করে
ধীরে ধীরে
সরকারি অফিসের নবীন কর্মচারী
ঘুষ খেতে শেখে

ঠিক
তেমনি করে
মর্ত্যমান পৃথিবীর বুকে নেমে এসো

যেমন করে
হতাশা
রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা কর্তব্যরত
ব্যর্থ কবির স্নায়ুতন্ত্রকে গ্রাস করে

তেমনি ধীর লয়ে
এসো নেমে এই মর্ত্যমান পৃথিবীর বুকে

নাকি আজ তুমিও
সাহিত্য সম্পাদকের ভূমিকায় অবতীর্ণ

জীবনের সবচাইতে বড় অভিজ্ঞতা Anyone can ever have...

ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত ২.১০। ঘুম ভাঙ্গলো সুরেলা পাখির গানে। আমার বিছানার পাশের ছাদ ছোয়া স্লাইডিং গ্লাস ছারাও বাড়ির আর সব জানালা বন্ধ তবু এত জোরে পাখির গান শোনা যাচ্ছে যে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেছে। মনে মনে ভাবালাম পাখিটা বোধহয় আমাদের বেডরুমের ব্যালকনিতে বসে। ত্বারস্বরে গান করে যাচ্ছে, সুরটা যদিও চমৎকার ছিল তবু রাত ২ টায় গান যত সুমধুরই হোকনা কেন ঘুম ভাঙ্গিয়ে তা শোনালে মেজাজ ভাল থাকবার কথা নয়। জানি এর পরে ২/৩ ঘন্টা আমার আর ঘুম হবে না। ফোন হাতে নিয়ে দেখি শ্রাবনের ভয়েস মেসেজ। সকালে ফোন করব বলে মেসেজ দিয়ে ঘুমানোর চেস্টা চালালাম। কিন্তু এত বড় গানের শব্দে তা সম্ভব হচ্ছে না, পরের চার ঘন্টা জেগে কাটিয়ে সকালের দিকে একটু করে ঘুমিয়ে পরলাম।

বিকশিত আঁধার

: কেনো তুমি তার সাথে?
: তুমি ছিলে না আজ সপ্তাহ দুই।
: তাই বলে ওর সাথে বিছানায় যেতে হবে।
: দেখো, আমার শরীরের চাহিদা আছে, মনেরও আকাঙ্খা আছে।
: দু'টো সপ্তাহই মাত্র। জানো, আমি ফিরে আসছি।
: আমার ওকে ভাল লাগতো। খুবই কিউট।
: আমার চাইতেও বেশি?
: কারো সাথে আমি কারো তুলনা করি না। ওরে আদর দিতে চেয়েছিলাম, পেতেও। কেমন ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। আমি তো আরেকটু প্রেমময় হয়ে উঠতে পারি! সে প্রেমে তোমাকেও তো ভেজাতে পারি।
: কি বলছো তুমি? আমাকে ভেজাবে তোমাদের প্রেমে?
: আহ্‌। ওভাবে দেখছো কেন? আমাদের প্রেমে নয়। আমার প্রেমময়তায়। জানো, ওকে ভালবাসা দিয়ে, ওর ভালবাসা আদায় করে নিয়ে, আমার প্রেমরসের বর্ধিষ্ণু তোমাকে ঢেলে দিতে চাই। তুমি আমার কাছের। তুমিও তাতে পূর্ণ হয়ে উঠো। তোমার শুষ্কতা আমার কাম্য নয়।

: আভিলা, এতবড় অসন্মান করলে তুমি আমাকে! এত দীন-হীন ভেবেছো আমায়! এত বড় অপমান!

ষ্টেশন মাস্টারের গল্প

20.jpg

ষ্টেশন মাস্টারের গল্প
তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
এক
লাকসাম রেলওয়ে জংশান।বিশাল এলাকা । অনেক রেল লাইন । চারদিকে রেলের রাস্তা। আখাউড়া , ঢাকা থেকে সব ট্রেন এক রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করে ষ্টেশনে । এরপর ভাগ হয়ে যায় সেখান থেকে তিনটি লাইনে। একটি লাইন চলে গেছে চট্রগ্রামের দিকে , অন্যটি নোয়াখালীর দিকে আর বাকি'টি চাঁদপুর অভিমুখে। সবসময় কোলাহল লেগেই আছে ষ্টেশনের মাঝে। নিয়মিত বিরতিতে একটার পর একটা ট্রেন আসছে আর ছুটে যায় তার গন্তব্য অভিমুখে।কত রকমের মানুষ ষ্টেশনে থাকে তার হিসেব নাই । অনেক হকার , ফকির, ছদ্দবেশী পুলিশের লোক এবং নানামুখী যাত্রী তো আছেই। সেই সাথে এই ষ্টেশনে অনেক দিন যাবত আছে নুরু পাগলা।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ