মেঘবন্দী (১২) ... একটি বর্ষণমুখর রাত্রি এবং নষ্ট কৌমার্যের গল্প / জুলিয়ান সিদ্দিকী
কেবল বৃষ্টির জন্যই মানব জীবনে বর্ষাকালের একটা আলাদা গুরুত্ব আছে। যে কারণে একে মানুষ মনে রাখে। মনে রাখে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলীকে। আর এ ছাড়াও হয়তো ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে মানুষের জীবনের কিছু কিছু ঘটনা জড়িয়ে থাকে ওতপ্রোত ভাবে। যে কারণে বিশেষ ঘটনা হিসেবে সেগুলো দখল করে নেয় স্মৃতির কিয়দংশ। আর সেই বিশেষ ঘটনাটির আগে-পরের বেশ কিছু স্মৃতিও উজ্জ্বল থাকে মানস পটে। তো যে ঘটনাটি বলার জন্যে এ গল্পের অবতারণা, তার আগের কিছু কথা না বললেও নয়। যদিও মনে হতে পারে মূল গল্পের সঙ্গে এ ঘটনার কী সম্পর্ক?
চাঁদপুরে একদিন
১৯৭৬ সালের কথা। মেজো ভাইয়ের বিয়ের সুবাদে অন্যদের সাথে চাঁদপুর যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল আমার। তখন চাঁদপুর যাওয়ার সহজ বাহন ছিল ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চ বা স্টিমার। ছোটবেলায় নৌকা-লঞ্চে ওঠার অভিজ্ঞতা অনেক, কিন্তু স্টিমারে প্রথম উঠেছিলাম চাঁদপুর যাওয়ার সময়। তখন এ রুটে ‘পাক ওয়াটার’ ও ‘বেঙ্গল ওয়াটার’ নামে দুটি স্টিমার সার্ভিস চালু ছিল। গিয়েছিলাম পাক ওয়াটারে এবং এসেছিলাম বেঙ্গল ওয়াটারে। পৃথক দুটি স্টিমার ভ্রমণের অভিজ্ঞতাও ছিল ভিন্ন ধরনের। এ স্টিমার দুটি এখনো চালু আছে কি না জানা নেই। স্টিমারে ভ্রমণ লঞ্চের চেয়েও নিরাপদ মনে হয়েছিল। খুব মজা পেয়েছিলাম।
শিরোনামহীন ৭
রাত গভীর , এলোমেলো মন , হেডফোনে গান বড়ই নস্টালজিক হই।
সারাদিনের উইকএন্ডের ভীড় পিছু ফেলে অলস সময় বিছানায়। কি করবো বুঝতে পারি না। কবি হলে নাহয় কবিতা লিখতাম।
কেউ জেগে নেই যে গল্প করবো আছে শুধু পাশের বাগানবাড়ীর শিয়ালগুলা ।
ঠান্ডা আবহাওয়া ঘুমানোর আদর্শ পরিবেশ কিন্তু ইচ্ছে করেই ঘুমকে পরাজিত করা। কেন????
সারাদিনের আদর্শ কামলা দেয়ার পর কলিগদের সাথে ঠান্ডা বিয়ারের গ্লাস আর হাতে আধপোড়া সিগারেট মনে হয় এইতো জীবন । ক্যামেরা হাতে যখন মানুষের হাসিমুখ গুলা বন্দী করি মনে হয় এইতো জীবন। বাসায় ফিরে নিত্য নতুন খাবার রান্না করে রুমমেটদের নিয়া আড্ডা দিয়া খাওয়া আহা এইতো জীবন। সপ্তাহ শেষে যখন ব্যাংক একাউন্ট মজুরী দিয়ে ভরে যায় তখনইতো জীবন।
বেলা শেষে একদিন..[অণু গল্প]
বাসাটা কেমন যেন অচেনা লাগছে আজ,নিহা'র কাছে..
কেন জানি মনে হচ্ছে,কোথাও কেউ নেই..একদম-ই যে কেউ নেই,তা অবশ্য বলা যায়না।
বারান্দায় ইজিচেয়ারে বাবা শুয়ে আছে আর রান্নাঘরে মা বোধহয় চা বানাচ্ছে বাবার জন্য।
নিহার নিজের-ই জানা ছিলনা,ও যে এত শক্ত ধাতের মেয়ে।এই কয়েকদিন যে কী একটা দৌড়াদৌড়ি গেল..ভাইয়া তো দুবাই,ছুটি পায়নি বলে আসতেই পারলো না।সবকিছু বলতে গেলে নিহাকেই দেখতে হয়েছে।বিকেল পর্যন্ত ঘরভর্তি চেনা-অচেনা যত লোকজন।আর সন্ধ্যার আলো আধারিতে এসেই যেন আজ নিঝুম অন্ধকার..
হাসিমুখেই ছিল নিহা,পুরোটা দিন।কিন্তু সবকিছুর শেষে আর সামলাতে পারেনি নিজেকে,ঝরঝর করে কেঁদে ফেলেছে..
নিজের ঘরটা-ও খুব অচেনা লাগছে আজ।ফিটফাট বিছানা,গোছানো আলনা..কিছুই যেন নিহার সাথে যায়না।এলোমেলো করে দিতে মন চায় সবকিছু..
শিশু না কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে, যৌবন কাল গেলো রঙ্গে
আমার একপাটি ঘুঙ্গুর ছিলো। সেই একপাটি ঘুঙ্গুর একপায়ে পড়েই শুরু হল হুমায়ুন স্যারের ক্লাসে আমার নাচ শেখা। এরপর রাজু স্যার, রূপা আপু, রামকান্ত স্যার অনেকের কাছেই নাচ শিখেছি। হুমায়ুন স্যার এবং রাজু স্যারকে আমি খুব পছন্দ করতাম। কারন উনারা দুজন আমাকে অনেক চকলেট খাওয়াতেন। আর খুব কষ্টকর ব্যাপার হচ্ছে এই দুজনেরই অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। শৈশব বলতে অনেকের মাঠ দাপিয়ে খেলাধূলা করার অনেক রকম স্মৃতি থাকে। কিন্তু আমার শৈশব ছিল শুধুই পড়ালেখা আর নাচ এই দুই গন্ডিতে সীমাবদ্ধ। আমার মাঠ দাপিয়ে খেলাধূলার সৌভাগ্য ছিলনা। ছিলো নাচ শেখার সুযোগ।
মনে আছে, এক শুক্রবার বিকেলে আব্বু আর ছোট খালা আমাকে নিয়ে গেলেন নাচের স্কুলে। তারপরে অনেক বছর আমি একটানা নাচ শিখেছি। তবে আমার নাচের মুল ক্রেডিট দিতে হয় ছোটখালাকে। কারন আমাকে নাচ শেখানোর ব্যাপারে ওই ছিল সবচেয়ে বেশী ইন্টারেস্টেড।
স্টিভেন পল জবস- জীবন জুড়ে তিনি।
স্টিভ জবসের জন্ম ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিস্কো শহরে। পুরো নাম স্টিভেন পল জবস। বাবা-মা ছিলেন অবিবাহিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জুটি। এর মধ্যে মা জনা চিবলে আমেরিকান ও বাবা আবদুল ফাত্তাহ জান্দালি ছিলেন সিরিয়ান বংশোদ্ভূত।
শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় চে গুয়েভার
চে গুয়েভার আমার নেতা। যখন বুঝতে শিখেছি তখনই তার ভক্ত বা শিষ্য হয়ে উঠেছি। সেই সময় আমরা পেয়েছিলাম আমাদের স্বৈরশাসক এরশাদকে তাড়ানোর আন্দোলন। বুকের রক্ত প্রতিদিনের শ্লোগান, কবিতা, পথ নাটক, মিছিল , মিটিং--- আমাদের অন্তরে চে, চেতনায় চে, তখন আমাদের হাতে নিকলাই আস্রেভোস্কির ইস্পাত থেকে শুরু করে বিমলের কড়ি দিয়ে কিনলাম পর্যন্ত। কত বিপ্লবী নেতা এই বিশ্বে বারবার আসেছেন তার একটি জাতিতে সীমাবদ্ধ কিন্তু চে সারা বিশ্বের নেতা । ইতিহাস কত মর্মান্তিক । সেই সময় চে কে হত্যা করে যারা হিরো হতে চেয়েছিল সেই তারা সেই তাদের মানুষ কি চরম ঘৃণা করে।
চে কে আমি কি দেব বা তাকে নিয়ে আমি কি লিখব। তিনি দিয়েছে আমাকে আমার জীবনের একটি শ্রেষ্ঠ সময়। তার প্রতি শ্রদ্ধায় সূনীলের এই কবিতাটি লিখলাম।
চে গুয়েভারার প্রতি
চে, তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়
হারাতে হারাতে যতটুকু পেয়েছি, তার শেষও বুঝি আর রাখা গেল না
(ক)
যতীশ কে দেখেছি,
যতটুকু প্রশস্ত তার শরীর
প্রায় কাছাকাছি ঢোলটি নিয়ে চওড়া হাসিতে ভাসতে ভাসতে, ভাসাতে ভাসাতে
উৎসবে রং চড়াতে চলেছে।
এই দিনগুলোয়,
ঢাকের শব্দের রঙধনু মাখাতে মন্ডপে মন্ডপে আমরা যতীশের পাশেই,
যারা বন্ধু ছিলাম, লাড্ডু হাতে মুখ মিষ্টিতে ব্যকুল হতে হতে কখন যে রাত গভীর হয়ে যেতো !
কখনো শুনিনি জাত-অজাত, মুসলিম-হিন্দু,
কাঁধে কাঁধ মিলিযে কাঠের যে শিল্ডটা জিতে এনেছিলাম
এখনো তা সেলফে সাজানো, সাক্ষী দেবে সময়ের,
মাঝে মাঝে ছুঁয়ে দেখি, আনন্দে আত্মহারা হই।
যতীশ, তোর ঘুড়ি উড়ানো দেখে আমি এতটাই মোহিত যে,
ওটাই আমার ধ্যান হয়ে গেল এক সময়,
স্কুল ফাঁকি দিয়ে সুতোয় মান্জা মেরে নেমে পড়তাম
তোকেই বধ করতে।
বধ হতে কখনোই কষ্ট পেতে দেখেনি তোকে,
চুপিসারে হাসি হাসি মুখে লাটাই-সুতো গুটিয়ে ঠিক সরে পড়তি।
তোদের বাড়ীর পশ্টিমে ঢালু জমিটার পাশেই যে বুড়ো কড়ই গাছ শিকড় ছড়িয়ে,
তার উপর বসে কাঁচা আম খাওয়ার ধুম,
মাসিমা ঠিক নুন- মরিচ ডলে দিত, বলতো, নে কাঁচা আমে মাখিয়ে নে।
প্রায়ই মার্বেলের বয়্যামটা বের করে দিব্যি লেগে পড়তাম খেলতে,
ভালবাসাহীন
বুকের পাঁজরের উল্টো পাশে হৃদয় থাকে
মস্তিষ্কের অনুভূতির খোঁচা সেখানে বিঁধে যায় সহজে।
ভালোবাসাহীন অন্য মানুষ সবাই বলে আমায়
শুনি চুপ থাকি হাসি খোলা মনে , ভালবাসা কারে কয়
তারা ক'জনে জানে।আমার ছিল যা তা তো দিয়েছি
উজাড় করে কোন এক চন্দ্রিমা রাতে । যখন চাঁদ
রুপার চাদর বিছিয়ে ছিল ধরণীর বুকে।কেশে ভেসে আসা
বেলী ফুলের মিষ্টি সুভাসে অন্ধ মাতোয়ারা।
রাত দিন ক্লান্তিহীন সেই পথে রোজ ভাসাতাম ভেলা
চক্ষুর আড়াল হলে দগ্ধ আমার হৃদয় খুজে নিত তোমার
মায়াভরা অধরের হাসি। বৃষ্টির জলে কদম ফুল
দিতাম কুড়িয়ে , সহাস্য তোমায় মনে হত স্বর্গের অপ্সরী।
ঝিনুকের মালা গেঁথে হেসে যেতে আনমনে, দিনের শেষ প্রহরে।
গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে সব তছনচ, বিধবা লাবন্য ঘরহারা
ব্যাস্তসময় আর অসহায়ের আর্ত চিৎকার আমি ছুটে
যাই অসহায় গৃহহারাদের কাছে ।পাশে দাড়াই কাঁচা বাশের
কঞ্চি দিয়ে ঘর বানাই। নববধূর সহাস্য অধর দেখে
মডার্ন যুগের ছেলে
মডার্ন যুগের ছেলে রে ভাই
হাতে পরেছে চুড়ি
মেয়ে ভেবে সামনে গিয়ে
কেউ বলে ভাই সরি!
হাল ফ্যাশনের নায়ক
সেজে রাখে বড় চুল
মেয়ে ভেবে সামনে
গিয়ে হয় এবারো ভুল।
ভিলেন সেজে কেউবা
আবার পরে কানে দুল
মেয়ে সাজার শখটি বড়
নাম কিন্তু আবদুল।
পাঞ্জাবি নয়, কোর্তা যেন
সঙ্গে আছে ওড়নাই
মেয়ে সাজার শখটি বেশ
নাই যে তুলনাই।
সাজাসাজির এতো কথা
যায় না কভু ভোলা
ওই ছেলেটি ছিল নাকি
ঢাকাইয়া এক পোলা।
০৬.১০.২০১১
ঢাকার ছড়া
সামনে যদি চলতে বলেন
বলছে ঢাকা, না।
পেছনদিকে ফিরতে বলেন
বলছে ঢাকা, না।
ডাইনে বামে সরতে বলেন
বলছে ঢাকা, না।
তাইলে ঢাকার বাইরে চলো
বলছে ঢাকা, না।
উঠতে বলেন বসতে বলেন
বলছে ঢাকা, না।
সরাও ট্রাফিক জ্যামের বাধা
বলছে ঢাকা, না।
গন্ধ ধূলা গরম সরাও
বলছে ঢাকা, না।
রাস্তা থেকে ভাঙন সরাও
বলছে ঢাকা, না।
বিজলী, পানির অভাব সারাও
বলছে ঢাকা, না।
নিভাও বাজার দরের আগুন
বলছে ঢাকা, না।
খাবার থেকে ভেজাল সরাও
বলছে ঢাকা, না।
স্বপ্ন ভাঙার রেওয়াজ সরাও
বলছে ঢাকা, না।
সকল ''না''-এর কারণ বলো
বলছে ঢাকা, না।
তোমার ভয়ের কারণ বলো
বলছে ঢাকা, না।
''না'' বিদায়ের তারিখ বলো
বলছে ঢাকা, না।
ঢাকায় তবে থাকবো না আর
বলছে ঢাকা, না।
তারপরেও থাকছি ঢাকায়
তাইরে নাইরে না !!!!!!!
ক্ষোভ প্রকাশের উছিলা মাত্র
আমাদের আশা কতটুকু হলে, আমরা তা পূরণ করতে পারব। আমি কেন আমরা বলছি, আমি আমার নিজের আশার কাছ দিয়েও যেতে পারি না। কেন শুধু শুধু আমরা বলে ব্যাপারটাকে আরো ঘোলাটে করছি। কিছুক্ষন আগে একটা ছিনেমা দেখলাম, নামঃ Up in the air।
এই মুভিটা আমি ঘুরে ফিরে বারবার দেখি। এর কারন এই না যে, মুভিটা পুরষ্কার প্রাপ্ত, অথবা আমার দেখা সেরা ছবি। আমি দেখি এই কারণে যে, এই মুভিটা দেখার পরেয় নিজের মধ্যে একটা ভাললাগা তৈরী হয়, আবার তার থেকেও বেশি পরিমানে খারাপ লাগা তৈরী হয়। কি এক ভয়াবহ কনফ্লিক্ট এর মধ্যে দিয়ে আমাদের জীবনটা পার করছি। ভালো লাগে এই ভেবে, যে ছিনেমার নায়ক অনেক এলিট একটা জীবনযাপন করে, কিন্তু শেষে এসে সে নিজেকে নিঃসঙ্গ খুজে পায় এবং চারিদিকে সকল মানুষ বিভিন্ন দিকে তাদের গন্তব্যে যাচ্ছে, কিন্তু তার যাওয়ার কোন যায়গা নেই। আমার অন্তত কোন না কোন গন্তব্য আছে।
বুলডোজার
কাহিনী তেমন জটিল কিছু না।বিশাল বড় এক বুলডোজার সাথে দেড়শ পুলিশ একজন স্মার্ট ম্যাজিষ্ট্রেট এসে খাল উদ্ধারের নামে গুড়িয়ে দিয়ে গেলো খালের উপরে দখল করা কিছু স্থাপনা।আপাতত আগামী ৭-৮ দিন অভিযান বন্ধ তাই ভাবলাম এই নিয়ে কিছু লেখি।এই আর কি!
জাহিদ সাহেবের একদিন
সকালে অফিসে এসে যে কাজটা জাহিদ করেন , সেটা হল এক কাপ কড়া লিকারের চা পান করেন। এটা ধীরে ধীরে জাহিদ সাহেবের প্রাত্যহিক জীবনের অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে । সেই যে কবে দেশ থেকে এসেছেন সেটা ভালমতো রোমন্থন না করলে মনে পড়তে চায় না । তখন তার বয়স ২৪ কি পঁচিশ ছিল। ইদানিংকার যোগে বয়সের হিসাব মেলানো কত সহজ । অথচ তাদের সময় তো এতশত সিস্টেম ছিল না ।কে কোথায় কখন জন্ম গ্রহন করেছে তার হিসাব রাখাটা তার বাবা মা যেমন জরুরী মনে করেনি । অন্য সবাই ও তেমন জরুরী মনে করত না ।
তোমার বন্ধু অনেক ধৈর্য্য, আমারও
রুহানি স্লেটে এবার মসনদের আলেখ্য
যতদূর বানানো যায় স্বপ্ন বুনোট - একদম টাটকা মলাটে
তার বাত্সল্যে পিঁপড়ামুখী মিছিল, দাবীদাওয়া
স্বপ্নভূক আলস্য কড়া নাড়ে
মহামান্য সম্রাট হিসাবে
সংসদের এক অভিজাত পিঁপড়া নির্বাচিত হলেন
অধিষ্ঠান জৌলুস শেষে আমাদের ফিরে যেতে হবে
অন্যের বাড়ি, দীর্ঘ মিলন-সংঘ থেকে
অনির্বাচিত সম্পর্কের জাদুঘরে
সকলে উপুড় হবেন দয়া করেন
সকলে সরল অনুগ্রহে
এই উপবৃত্ত কেবল হৃদয় সাম্রাজ্যে
যখন পেরেছেন এতকাল, তবে পারুন বাকিটা
অথবা জীবন বদলে নেয়ার সংবিধানে
নাজিল হচ্ছে ষষ্ঠদশ সংশোধনী