তিনি আমার বড় মা ছিলেন
তিনি ১২ বছর বয়সেই আমার নানার মা হয়ে আসেন, নানার আপন মা মারা গেলে নানার বাবা তাঁকে বিয়ে করে নিয়ে আসেন সংসারে। তাঁর ছেলে ছিল তাঁর খেলার সাথী।
দূর্ভাগ্যক্রমে তিনি ১৬ বছর বয়সেই বিধবা হন। নিজের কোন সন্তান হয়নি, অন্য কোথাও বিয়ে বসার কথা তখনকার সমাজে কেউ কল্পনাও করতে পারতোনা বলে তিনি বিধবা হয়েই, সাদা শাড়ী পড়েই সারা জীবন কাটিয়ে দিলেন , নানা কে আগলে ধরে রেখে।
ভোরের সূর্য দেখে মুমূর্ষু শিশির বলে, "হায় ! কোন সুখ ফুরায়নি যার, তার জীবন কেনো ফুরায় ?"
ভৌতিক গল্প পড়ে ছেলেবেলা থেকেই একটা ছেলেমানুষী মজা পাই। দেশী-বিদেশী সাহিত্যের বিখ্যাত লেখকেরা গদ্যসাহিত্যের এই ধারাটি নিয়ে কাজ করতে খুব অলসতা করেছেন- অনুভব করা যায়। যদিও প্রচলিত ধারায় সবচেয়ে বেশি ভূতুড়ে গল্প লেখা হয়েছে কেবল ভূত এবং মৃত মানুষদের নিয়ে, তবুও ভৌতিক গল্পকে কেবল ওরকম রুপে ঠিক উপভোগ করি না। ভূত ছাড়াও যে কেবল বর্ণনা এবং পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে চমৎকার সব গা-ছমছমে ভৌতিক গল্প
বিদায় ব্লগ, বিদায় নেট, বিদায় ঢাকা !
ঢাকা ছাড়ছি আমি। আজ হাফ বেলা অফিস করে তারপর চলে চাচ্ছি। কাল থেকে অফিস করবো না। আমার একমাত্র বৌয়ের দুইমাত্র ছোট ভাইয়ের শাদী মোবারক হয়ে গেছে গত শুক্রবার। আগামী শুক্রবার বৌভাত অনুষ্ঠান। সে পরিবারের একমাত্র জামাই হিসেবে বৌভাত অনুষ্ঠানে আমার উপস্থিত থাকাটা ফরজে আইন। তাই আজকেই চলে যাচ্ছি ঢাকা ছেড়ে। সঙ্গী হিসাবে আমার হলুদ মোটর সাইকেল। আশা করছি, পথে কোনো সমস্যা না হলে বিকেল নাগাদ শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছাবো। সঙ্গ
আমার দেশরে আওয়ামিরা কোন পথে পরিচালনা করতে চায়?
ঠিক এই মুহুর্তে কোন পত্রিকার ডিক্ল্যারেশন বাতিল হইলে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী মানুষ খুশী হইতেন?
সিনেমা দেখচক্র: দ্য রিভার [উৎসর্গ মাসুম ভাই]

দ্য রিভার-এর পোস্টার
কিছুদিন ব্লগ থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত ছিলো। বই পড়া আর সিনেমা দেখার জন্য সময়গুলো জমা করতে চাচ্ছিলাম। শুরুও করে দিছিলাম, তাতেই বিপত্তি হলো। গতরাতে মাসুম ভাই বর্ণিত 'লিলিস অব দ্য ফিল্ড' দেখে মাসুম ভাইকে ফোন দিলাম। বললো এটা নিয়ে ব্লগ লিখতে।
বৃষ্টিভেজা এক দিনে
ঘুমের মধ্যেই শীতল একটা অনুভুতি টের পেলো শিলা।একটু চোখ মেলতেই বুঝলো জানালা দিয়ে ঠান্ডা বাতাস আসছে, জানালার পর্দাটা বাতাসে উড়ছে।পর্দার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে দেখলো বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। আর বিছানায় থাকা যায় না। বিছানা ছেড়ে বারান্দায় গ্রিল ধরে দাঁড়ালো সে। বৃষ্টি দেখে মন ভরে গেলো।বৃষ্টির ছাঁট আসছে গায়ে, মুখে। সামনে ফুলে ভরা সোনালো ফুল গাছটার ফুলগুলো বৃষ্টিতে ভিজছে। মনে হলো যেন ঘাসের উপর খালি পায়ে দাঁড়ানো এক ক
অম্লমধুর পেমের গল্প
( আমি পুরাতন কালের মানুষ, বয়সে যতটা না তারচেয়ে বেশি মনে। পুরানা সবকিছুই আমার ভালো লাগে, লেখালেখির ক্ষেত্রেও পুরাতন ধারাকে বেশি ভালো পাই। সাধু ভাষার প্রতি আমার আগ্রহ এবং অনুরাগের ইতিহাস অনেক দিনের। কিন্তু বানান জানি না, ব্যাকরণ জানি না, ভাষা আর গদ্যরীতির কথা আর নাই বা বলি। তবুও গাইতে গাইতেই যেমন গায়েন, তেমনি লিখতে লিখতেই হয়তো একদিন কিছু একটা হয়ে যাওয়া যাবে। তাই বিস্তর কাঠখড় পুড়িয়ে সাধু ভাষায়
দাওয়াতকথণ এবং অতঃপর
লোকজন দাপাইয়া বেড়াইয়া দাওয়াত খায়, খালি আমরা কালেভদ্রে দাওয়াত খাইতে গেলেই নানা মুনি’র নানান মত দেখা যায়। কত কিসিমের দাওয়াতই তো হয়, গিয়েছিলাম এককিসিমের বাড়িতে দাওয়াতে। পিচ্চিকালে একবার গিয়েছিলাম ওইবাড়ি’র একই ধাচেঁর দাওয়াতে। তখন উপলক্ষের পাত্র ছিলো বাপ-জ্যাঠা এবার পুত্রের পালা। সেবারও অনেক হাঙ্গামা-উৎসব হয়েছিলো, সবটা মনে নাই। তব
জ্বরে বিভোর
এবারের মৌসুমটাই কেমন কাঠফাটা রোদ্দুর আর ভ্যাপসা গরমের মৌসুম ছিল। গরমের সাথে তাল মিলিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং। ফ্যানের অভাব যতোটা না ভোগায়, তার চাইতে কম্পু-ছাড়া বেকার সময়টা বেশি ভোগায়। যাই হোক, তারপর অনেকদিন বৃষ্টি আসি আসি করলো, কিন্তু আসলো না। মাঝে গিয়েছিলাম কক্সসবাজার। প্রথম দিনের বিকালেই সাগরপাড়ে প্রচণ্ড বাতাস। চাঁদ ঢেকে দেয়া মেঘ,- এই বুঝি বৃষ্টি হবে। রাত বারোটার দিকে যখন এঞ্জেলড্রপ থেকে হোটেলে
ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১০ অ্যানালাইসিস -১ (বিগ ম্যাচে জায়ান্টরা কেমন?)
গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে অনেক কিছুই ঘটে যায় , টগবগিয়ে লালে লাল হয়ে দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বকে ছেয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়া , পূর্বের আসরের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি আর রানার আপ আর্জেন্টিনাকে তুমুল বীরত্বে পরাভূত করে বলকানের দেশ বুলগেরিয়া সবার নজর কাড়ে । কখনও বা প্রথমবার বিশ্বকাপে এসেই বিশ্ব কাঁপায় ক্রোয়েশিয়া , বা ন্যাড়া মাথার হাসান সাসের দল তুরস্ক পৌছে যায় ফাইনালের দোড়গোড়ায় । কিন্তু একটা জায়গায় ব্যাতিক্রম হয়ে ওঠেনা
তিনি (এইটা একটা গল্পের বাচ্চা)
তিনি মানুষটিকে মনে রাখিয়াছেন। বিপদের দিনে আশ্রয় দিয়াছিলেন। তখন সামান্য ঐ আশ্রয়টুকুই ছিল জীবনের জন্য মহামূল্যবান। সেই মানুষটি আজ মৃত্যুশয্যায়। তিনি হঠাৎ করিয়া ব্যক্তিগত সচিবকে ডাকিয়া বলিলেন, তিনি মানুষটির বাসায় যাইতে চান।
জীবন অনেক বদলাইয়া গিয়াছে। এখন আর হঠাৎ করিয়া কোথাও যাওয়া হইয়া উঠে না। তবুও আজ তিনি বাহির হইলেন। মানুষটিকে আর কখনো দেখিতে পারিবেন না বলিয়াই মনে হইতাছে।
উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ
ফেইসবুক বন্ধ হওয়াতে সবচেয়ে খুশি হয়েছে কারা? সবচেয়ে খুশি হয়েছে জামায়াতি ইসলাম অর্থাৎ রাজাকার গ্রুপ। এইটুকু বোঝবার ক্ষমতা আমাদের সরকারের যদি না থাকে তবে আর কি বলার আছে।!
চলে গেল “আর্নল্ড” খ্যাত গ্যারি কোলম্যান
আর্নল্ডকে মনে পড়ে? টিভি সিরিজ ডিফ্রেন্ট স্ট্রোক এর ছোট্ট আর্নল্ড । আশির দশকের খুব নামকরা টিভি সিরিজ ছিলো ডিফ্রেন্ট স্ট্রোক, আর তাতে আমার মত সব বাচ্চাদের মাতিয়ে রাখতো ছোট্ট আর্নল্ড । সর্বকালীন নামকরা শিশু-শিল্পীদের তালিকায় তার নাম একদম ওপরের সারিতে । আর্নল্ড (গ্যারি কোলম্যান) আর সিরিজে তার বোন কিম্বারলিকে (ডানা প্লাটো) অনেকেরই মনে থাকার কথা।
ফেসবুক বন্ধ করার উপকার সমূহ।
সরকারী সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে (যদিও লোকজন বাইপাস দিয়া ফেসবুকে যাইতেছে , যা রাস্ট্রদ্রোহিতার শামিল) । এই ফেসবুক ব্যবহার বন্ধের অনেকগুলা সুফল আছে। দেশের জন্য বিশাল অবদান রাখছে এই ফেসবুকের ব্লক করা।
আসুন সুবিধাগুলো আজ আলোচনা করা যাক -
বদনগ্রন্থ ইস্যু - একটি ব্যক্তিগত ক্ষমা প্রার্থনা
পয়লা খুব রাগ হইতেছিল। পাকি'রা যখন বদনগ্রন্থ ব্যান কইরা দিল, খুব এক চোট হাসি দিছিলাম। কিন্তু আমার মুখের হাসি মুখ হইতে মিলাইয়া যাবার আগেই দেখি আমার নিজের দেশের বুদ্ধিমান সরকারও একই কাম করছে। বেজায় অপমান বোধ হইতেছিল। শেখ হাসিনার বাপ শেখ মুজিব না হইলে হয়ত উনার চৌদ্দ গুষ্টি নিয়া গালাগালিও দিতাম, খালি শেখ মুজিবের জন্য পুরা বংশ রক্ষা পাইল। আহা কত রঙীন রঙীন বালিকার কত রাঙানো ফটুক, কত রঞ্জিত বাক্যালাপ সব ব