অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

"..সোনার বাঁশি আর জীবনপথের টুকরো কথন.."

দুমদুম করে শব্দ হচ্ছে। মাথার ভেতর। এক কান দিয়ে ঢুকে মাথার অলিগলি দিয়ে ঘুরে আরেক কান দিয়ে বেরোচ্ছে। ওটুকু হলেও শান্তি ছিল, শব্দকণাগুলো লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একটা কণা ঢুকছে, মাথার অলিগলিতে মূহুর্তখানেক ঘোরাঘুরি করে আরেক কান দিয়ে বেরোচ্ছে, সাথে সাথে আরেকটা ঢুকছে, ঘুরছে, বেরোচ্ছে, ঘুরছে, বেরোচ্ছে।

আমার চলচ্চিত্রদর্শনঃ "বেহুলা"

১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া "বেহুলা" চলচ্চিত্রটি ছিল বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাসের একটি মাইলফলক। তৎকালীন রক্ষণশীল মুসলিম সমাজের আবেষ্টনে হিন্দু পুরাণ "মনসামঙ্গল" কাব্য থেকে "বেহুলা" নির্মাণ করে জহির রায়হান যে কি পরিমাণের সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু নির্মাতার উপস্থাপনার কৌশল আর নৈপুণ্যে ছবিটির জনপ্রিয়তা লাভ করতে কোনরকম সমস্যা হয় নি।

ডাইরী ৮৫

এক.
আমার চারপাশে আরশোলা কেরম আয়েশে ঘুরেছে, তাদের পা ফেলা দেখে যে কেউ ভেবেছে পোষ্যবত। সাদা চক দিয়ে গন্ডী নির্দিষ্ট করেছি...তাকিয়েছি হেলা করে, তবু আরশোলা প্রায়শঃ ভুল করে আমার শরীরে উঠে আসতে গিয়ে অচেতন পড়ে গেছে পৃথিবীর পথে।

আরশোলাদের জানা নাই, তাহাদের আমি ভালোবাসি নাই কোনকালে।

দুই.

যে লোকটা পাহাড়কে ভালোবাসতো

কালকেও লোকটাকে লিখতে দেখেছি। রাতভোর না পোহাতেই শুনি লোকটা গভীর খাদে পড়ে মারা গেছে। লোকটাকে চিনতাম, খানিকটা জানতাম, শোকাহত আমি সেই ভোর থেকে। খাদের কিনারায় কেন গিয়েছিল লোকটা জানা যায়নি।

লোকটা পাহাড় ভালোবাসতো, ঝর্নার গড়িয়ে চলা ভালোবাসতো, আকাশে মেঘেদের সাথে মিতালী পাতাতে ভালোবাসতো।

আদুরির শব্দকঙ্কাল : পর্ব এক

এই গল্পটি লিখতে শুরু করেছি। এর আদিও জানি না, অন্তও জানি না। লিখতে লিখতে যাচ্ছি। শুধু জানি একটি জলের ভিতর থেকে একটি শহর উঠে আসছে। তার গাছগাছালি, গরু ছাগল, আর যন্তরমন্তরের হাড়গোড়। যতটুকু লিখব ততটুকু আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।

দাবাত প্রার্থনা মূলক পোস্ট


.

.

ইয়ে মানে অনেকদিন ধানমন্ডি ৫ এর ফুচকা খাইনা। আছেন কুনু দয়াবান/বতী যে আগামী শনিবারে ধানমন্ডি ৫ এর ফুচকার দুকানে দাবাত দিবেন???

না দিলে সেই ৫ বছর আগে যা কর্ছিলাম সেউডাই করমু কৈলাম...

Sad Sad Sad

ডাইরী ৮৪

এক.
গতোকাল গিয়েছে আগুনে, আজ জলে সাতার কাটি। জলের ঘনত্ব আমারেও নিয়ে গ্যাছে স্বপ্নের সমব্রানিয়ায়। ডুব সাতারের খেলা চলেছে সেখানে।

দুই.
আমাদের জলপ্রীতি ছিলো এই কথা শত্রুও কখনো কয় নাই। আমরা স্থলজ আবেগে ছিলাম আজীবন।

তিন.
আমি অপেক্ষায় থাকি...তুমি এসে দাঁড়াতেই খুলে যাবে দরোজা, বেষ্টনী। হুল বের করে বসে থাকি যদি কোন মৌখোর বিবাগী এসে হানা দ্যায়...

স্বপ্নের সাথে হাঁটা, স্বপ্নের জন্য হাঁটা

হাঁটাহাঁটি আমার সেই রকম প্রিয় ।
হাঁটতে হাঁটতেই স্বপ্নের সাথে হাঁটা স্বপ্নের জন্য হাঁটা,কথাটা পেয়েছিলাম ,(হায়রে চন্দ্রবিন্দু! এত জালায়! লিখতে অনেক কষ্ট হয়, চন্দ্রবিন্দু না থাকলে ভূতরা আত্মহত্যা করত হয়তবা কিন্তু আমাগো তো ব্রাট সুবিধা হইত! শফিক রেহমান তো খুশিতে একখান লাল গোলাপ নিয়া... ) ।

বিজলী এখন মানু'র ঘরে...

যৌবন তাহার ভাটির দিকে গিয়াও আবার কিরুপে কিসের সহায়তায় যৌবন উষালগনে গমন হইল এবিষয়ে আশ্চর্যান্বিত হইয়াছেন রায়হানভাই । উনার মতে - “ বিষয় কী, যৌবন একবার শুইয়া পইরা আবার খারায় যাইতেছে কেমনে!!”

সদুত্তর না দিয়া আবজাব বুঝাইলেন পাঠকদের… কিন্তু মনের কথা বনে থুক্কু ব্লগে না বলে বলেছেন খোমাখাতায়।

মানুষ এখন বিবাহিত।

রূপকথা শোনাবো বলে..

আমি আসলে লিখি না। "লিখি না" মানে সিরিয়াসলি লেখা বলতে যা বোঝায় সেরকম কিছু করি না। শুধু নিত্যদিনের সাথী কম্পু'র কী বোর্ডে আঙুলগুলোকে প্রতিদিন অল্প অল্প করে এক্সারসাইজ করাই। মোটা হয়ে গেলে সমস্যা। আরে, আঙুলেরও তো একটা শরীর স্বাস্থ্য আছে, নাকি!

কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে তোমারে দেখিতে দেয় না....

majhe.jpg

মাঝে মাঝে তব দেখা পাই,
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না
কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে তোমারে দেখিতে দেয় না
মোহ মেঘে তোমারে দেখিতে দেয় না
মোহ মেঘে তোমারে, অন্ধ করে রাখে, তোমারে দেখিতে দেয় না

ক্ষণিকও আলোকে আঁখিরও পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে

তুমি আমার দিন থেকে রাত

রোদের ফোঁটা

একটা নাম না জানা রাস্তায় চিলতে রোদের ভেতর হঠাৎ তাকে পাওয়া, তারপর অনেকবার হারিয়েছি তাকে!

গ্রীক পুরাণের সৃষ্টি পর্ব - ১

Once upon a time .......

আবার আসিবে ফিরে ... ব্যাড বয়ের কারেন্টের কথা কইতাছিলাম আরকি...

মেজাজ খারাপ হয়া গেলে ভদ্রভাবে কথা কইতে পারিনা ... এই বদভ্যাস টা আগে ছিল না ... বছরখানেক আগে ধরছে Sad ... মনে আছে বাফড়া নিকে সামুতে বারাক ওবামা নিয়া একটা পোস্ট মারছিলাম ... ব্লগার রোবোট (রোবোকপ ডাকি আমি) কমেন্টে লিখলেন যে পোস্টের বক্তব্য ঠিক থাকলেও ভাষা (মানে গালিগালাজ আরকি) নিয়া উনার আপত্তি আছে Confused :#( ... তারপর আইজকা অনেক কষ্টে একটা ভদ্রভাষায় পোস্ট লিখলাম Laughing out loud

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ