অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৫ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

একটি রোমান্টিক স্মৃতি কাহিনী!

আমি একটি মেয়েকে চার বছর যাবৎ মনে মনে ভালবেসেছি, মেয়েটি একজন সরকারী প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষিকা! সামনা-সামনি কোন দিন ভালবাসার কথা বলিনি,শুধু ভয় হতো ভালবাসার কথা বললে না জানি কি হয়! তবুও মনের ভীতর সবসময় সাহস রাখতাম একদিন না একদিন মনের লুকানো কথা বলবোই বলবো! এভাবে অনেক দিন চেষ্টা করলাম কিন্তু মনে সাহস আনতে পারলাম না! প্রাইমারী স্কুলের পিছনে একটা পুকুর আছে,আমি যখন গোসল করতে যেতাম, তখন আমি তার পানে অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকতাম সেও আমার পানে অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকতো! মনে মনে তাকে নিয়ে অনেক কিছু ভাবতাম এমনকি অনেক কিছু কল্পনা করতাম, তাকাতাকি আর চোখাচোখিতে দিন মাস পার করি! চৈত্র মাসের খরার মতো আমার মনের কথা গুলো শুকিয়ে যেতে লাগলো!*এভাবে আমার জীবনে ৩ টি বছর পার হয়ে যায়! শেষের বছর মনের ভীতর পর্বতসম সাহস আনলাম যে কোন ভাবে আমি ওর সামনে মনের কথা গুলো বলবোই, যেই কথা সেই কাজ!

ভাষা সংশয়

ভাষার গাঠনিক কাঠামোতে এক ধরণের সারল্য আছে। শব্দের পর শব্দ জুড়ে অর্থদ্যোতনা তৈরীর প্রক্রিয়াটিতে গাণিতিক ধাঁচ আছে কি না গত শতকের মাঝামাঝি এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন ভাষাবিজ্ঞানীরা। শিশুরা যেই পরিবেশেই বেড়ে উঠুক না কেনো তাদের গঠিত বাক্যগুলো নির্দিষ্ট একটি অর্থবোধকতা তৈরী করে। "সবুজ রঙ এর স্বাদ চাঁদ" এমন বাক্য কাঠামো উত্তরাধুনিক কবি এবং ভাষাতত্ত্ববিদেরাই নির্মাণ করে, স্বাভাবিক শিশুরা এসব সংকট থেকে মুক্ত। এই বাস্তবতাকে কেন্দ্রে রেখে নোয়াম চমস্কি ভাষার ভেতরের অন্তর্নিহিত ধাঁচের একটা সাধারণ সূত্র অনুমাণ করেছেন- সেটার পক্ষে-বিপক্ষে অসংখ্য বিতর্ক আছে। এতসব বিতর্কের পরেও অস্বীকার করা যাবেনা মানুষের ভাষা ব্যবহারের ধাঁচে আঞ্চলিক পার্থক্য থাকলেও সেই ভাষাভাষী প্রতিটি শিশুই একই প্রকরণ মেনেই ভাষার ব্যবহার শিখে যায় শৈশবে।

তিন অধ্যায়

১)

ছাদের আকাশে নক্ষত্রের কনফারেন্স। কিন্তু আজ আমার নক্ষত্রে মন বসছে না। মনটা ভারী হয়ে আছে। চয়নকে ফিরিয়ে দিলাম। চোখেমুখে রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে ফিরে গেল ও। ফেরানো সহজ হত না। তাই ওকে জানালাম অগ্নির কথা। বললাম-‘তুমি ভুল বুঝেছ, আমি নই, বরং অগ্নি তোমাকে পছন্দ করে। তোমাকে বন্ধু ছাড়া আর কিছুই ভাবি নি আমি কখনো। ’

ঘোরগ্রস্তের মতন চলে গেল ছেলেটা। চয়নকে আমার মত অগ্নিও ভালবাসবে এটাই তো স্বাভাবিক। আমি দুঃখ পেয়েছি কিন্তু রাগ করিনি। সেই কবে থেকে আমি আর অগ্নি একই রকম, অবিকল। সব হাসিকান্না, পছন্দ-অপছন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছি দুজন। কিন্তু কিছু ব্যাপার কখনোই কারো সাথে ভাগ করা যায় না। কিছু অধিকার বুঝে নিতে হয় নয়ত ছেড়ে দিতে হয়। অগ্নি আমার এত কাছের, আমার আরেকটা স্বত্তা, তাই অধিকারটা ছেড়ে দিলাম। অগ্নির চোখের কোলে মেঘ দেখার চেয়ে চয়নকে ভুলে থাকা আমার জন্য অনেকটা সহজ।

২)

ঠাকুরগাও এ ৩৬ ঘণ্টা (প্রথম পর্ব)

ঠাকুরগাও এ ৩৬ ঘণ্টা (প্রথম পর্ব)
চোখের সামনে নতুন মটর সাইকেলটা দেখে মধ্য বয়সে যেন শরীরে যৌবন
জোয়ারের ছলছল গতীটা বিদ্যুৎ গতিতে রূপান্তরিত হল। ছোট ভাইকে বললাম দে তো চাবিটা। আমি যে সকল মটর সাইকেলটা চালাতাম তার মধ্যে ইয়ামাহা ১০০, ছিডি-৮০ হোণ্ডা-১১০, এই ব্র্যান্ডগুলো আজ আর মার্কেটে পাওয়া যায় না। তবে এই ব্রান্ডের মটর সাইকেল গুলোর মধ্যে আমার প্রিয় ছিল, সি ডি-৮০, যার তেল খরচ ছিল খুবই কম, আর আমার শরীরের সাথে মানান সই, সর্বোপরি আমার মতে সৌখিন একটি বাহন।
ছোট ভাই বলল পারবেন তো চালাতে, না পারার কিছু আছে কি? না অনেক দিন চালান নি তো? আমি গেয়ার গুলো সব সামনে কি না জিজ্ঞেস করলাম। কারন ইদানিং কিছু মটর সাইকেলের গেয়ার প্রথমটা সামনে তো দ্বিতীয়টা পিছনে। ও বলল সব গেয়ার সামনে।

চাকরি!

চাকরি এখন হয় না জেনো
থাকলে শুধু মেধা
থাকেও যদি মামা চাচা
লাগবে সাথে চাঁদা।

এমন দেশে বসবাস
বলতে লজ্জা নেই
আসনটি চেপে আছে
হনুমান যেন সেই।

দেশ থেকে দেশান্তরে
ঘুরছে মেধার দল
যদি একটি চাকরি মিলে
পাবে বুকে বল।

ঘুরে ঘুরে হয় পেরেশান
মূল্যায়ন তো নেই
অবশেষে নাস্তানাবুদ
হারিয়ে ফেলে খেই।

মেধা যখন ছিল নাতো
চাকরি ছিল ঢের
মেধারা সব ছুটে পালায়
চিংড়ি মাছের ঘের।

চাকরি নাকি সোনার হরিণ!
কেউ ভেবো না তাই
চাঁদা ছাড়া চাকরির আশা
আনবে ব্যর্থতাই।

চাকরির বাজার বড়ই ফাঁকা
যদি থাকে মোটা চাঁদা!
থাক যতোই মামা কাকা
কাজ হবে না ঝাঁকানাকা।

*চাঁদা- ঘুষ, উৎকোচ, নগদ নারায়ণ, উপঢৌকন, দালালি, নজরানা, কন্ট্রাক্ট মানি।

০১.০৮.২০১৪

তোমাদের জন্য ভালবাসা.........

বড় হয়ে যাওয়ার জন্য মাঝে- মধ্যে নিজেকে অভিশাপ দেই। মনে হয়, কেন বড় হলাম? অথচ ছোটবেলায় এই আমার মধ্যেই বড় হওয়ার জন্য কি চরম আকুতি কাজ করতো! ছোটবেলায় আম্মু যখন মারতো তখন মনে মনে বলতাম, “মেরে নাও। যত খুশী মেরে নাও। আমি যখন বড় হব তখনতো তুমি আর আমাকে মারতে পারবানা। তখন আমি তোমার কোন কথাই শুনবোনা”। খালামণি যখন আঙ্কেলের হাত ধরে ঈদের দিন বেড়াতে বের হতো তখন দেখতাম আর ভাবতাম, “বড় হই। তখন ঘোড়ায় চেপে একটা রাজপুত্র এসে আমাকেও এভাবে নিয়ে যাবে। আমি তার প্রিন্সেস হব আর সে আমাকে অনেক অনেক ভালবাসবে। আমি সারা পৃথিবী দেখবো তার হাত ধরে”। আর এখন যত বড় হচ্ছি জটিলতাগুলো ততোই আষ্টেপৃষ্টে বাধঁছে।

অপ্রত্যাশিত বৃষ্টি ।

( সবাইকে ঈদের উপহার হিসেবে গল্পটা দিলাম ) Smile Crazy

rainy_day_lovers.jpg

মেয়েটির সাথে ছেলেটির পরিচয় ওদের স্কুলের একটি পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে । ছেলেটির নাম ছিল রাজ ।

তখন ওরা দুজনই পড়ত ক্লাস এইটে । প্রেম কি জিনিস ঠিক মত বুঝতেও পারত না । ওদের পরিচয় স্কুলের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ।
মেয়েটি যখন পুরষ্কার নিতে এসেছিল ছেলেটি আগ্রহ হয়ে মেয়েটিকে তার নাম জিজ্ঞেস করে বসে ।
তোমার নাম কি ?
মেয়েটি উত্তর দেয় , আমার নাম নাজরিন সংক্ষেপে নাজ বলে ডাকতে পারো ।
দুজনের নামের ছিল অনেক মিল । এভাবেই ওদের পরিচয় হয়ে যায় ।

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড ফাইভঃ ইটস নট হ্যাপি এন্ডিং!

আরেকটা ঈদ এসে পড়লো। এত জলদি কেন ঈদ এখন এসে যায় তা বুঝি না। আমার বন্ধু এহতেশাম আজ দারুন ডায়লগ দিলো, যে বরফ গলার চেয়েও দ্রুত এখন কাটে একেকটা মাস, একেকটা বছর। আমিও রাতে বসে বসে টিভি দেখতে ভাবছিলাম সময় এত দ্রুত চলে যাচ্ছে জীবন থেকে, ভাবাই যায় না। তরতর করে খালি বয়স বাড়ছে। সেই ছোট্ট মানুষ আর থাকলাম কই?

দিনলিপি

বিশ্রী একটা সময় যাচ্ছে, সকল দরজার সামনে " অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন, আপনার কথাও আমরা শুনবো" সাইনবোর্ড ঝুলছে। খুব বেশী গভীর না হলেও আজকে দীর্ঘদিন পর তৃপ্তির ঘুম ভাঙলো যথারীতি ছেলে মেয়ের ঝগড়া শুনে। সেই ঝগড়া অগ্রাহ্য করে পাশ ফিরে শুয়ে থাকলাম। দুপুরে রোজার নিয়ম ভেঙে বাইরে বের হলাম। ঢাকা শহর মোটামুটি ফাঁকা। ব্যাংকের চাকুরীজীবী, গার্মেন্টস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ এবং যাদের গ্রামের ভিটার ঘুঘু চড়ছে তারা বাদ দিলে জীবিকা এবং শিক্ষাগত প্রয়োজন যারা ঢাকায় বসবাস করে তাদের অধিকাংশই দেশের বাড়ী চলে গিয়েছে।

আমি বেঁচে ছিলাম একগাদা 'চুতিয়া'দের সময়ে!

গালি হিসেবে 'চুতিয়া' শব্দটা আমার ভীষন প্রিয়। গালিটা কাউকে দেইনা তেমন, তবে মনে মনে অনেক দেই। মনে মনে গালি দেবার খবর কেউ জানে না। তবে গালি দেয়া শেষে খুব শান্তি পাওয়া যায়। এই শান্তি একান্তই ব্যাক্তিগত। তবে 'চুতিয়া' গালিটা ভালো লাগার কারন বলি। আমরা আগে চায়ের দোকানে আড্ডা মারতাম সব বড় ভাইদের সাথে। সেখানে ব্রাক ইপিএলের এক বড় কর্মকর্তা আসতেন ও এনসিসি ব্যাংকের এক ভাই আসতেন। তাদের বন্ধু বান্ধবরা সবাই তাদের আসল নাম ভুলে গিয়ে ডাকতেন 'চুতিয়া' বলে। আমি অবাক হতাম এরকম এক বিশ্রী গালি একজন বড় ভাইয়ার নাম হয়ে যাবে জেনে। পরে দেখলাম ঠিকই আছে। উনারা এই নামের যোগ্য, কেন?

১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর, ২১ আগস্ট এবং.........

১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর এবং ২১ আগস্টের পিছনের অপশক্তিগুলি এক ও অভিন্ন। তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এক। তারা বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কোটায় শ্রেনী বিভক্ত হলেও, চূড়ান্ত আদর্শিক জায়গায় তাদের মধ্যে তেমন কোন বিভেদ নেই।

৫মে হেফাজতের সরকারকে স্টেপ ডাউন ও ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে ব্যহত করার বিএনপি জোটের অপচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর, গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বর্তমান সরকারকে নামানো যে সম্ভব নয়, অপশক্তিগুলির কনসরটিয়ামের প্রধান বিএনপির মুল নীতিনির্ধারকরা ভাল ভাবেই বুঝে গেছেন।

সম্ভাব্য মৃত্যুরকোল থেকে ফিরে এসে....

ঠিক মৃত্যুটা হয়তো নয়; তবে মৃত্যুর করূণ সম্ভাবনাই প্রত্যক্ষ করেছি। গতকাল। খুব কাছ থেকে। পরিবার-পরিজন-প্রতিবেশীদের নিয়ে। আগুনের ধোয়া কুন্ডলী পাকিয়ে যখন অদম্যতাড়নায় সিড়িঁ বেয়ে বেয়ে উপরে উঠে আসছিল, আর আমরা কিছুতেই এগুতে পারছিলাম না, আমাদের সাথে থাকা একমাত্র সম্ভাবনা-প্রাণটাকে নিয়ে, তখন ধোঁয়ার একএকটি কুন্ডলীকে অসংখ্য মৃতুদ্যুতই মনে হচ্ছিল আমাদের কাছে। আমরা যতই দূরে সরে যেতে চাইছি, ধোয়ার কুন্ডলীগুলো ততই আমাদের তাড়া করছিল। শেষ পর্যন্ত ছাদে গিয়েই আমরা অপেক্ষা করতে থাকলাম, সম্ভাব্য মৃত্যুর অথবা উদ্ধার পাবার জন্য। যেকোন সময়। বলা যায় কোন এক সময় উদ্ধার পাবো-সে স্বপ্নেই বিভোর ছিলাম আমরা। কারণ শেষপর্যন্ত আমরা আস্থা হারায়নি আমাদের সামাজিক পুঁজির ওপর। যেকোন দুর্যোগে অতিসাধারণ সামাজিক মানুষরাই হয়ে ওঠে আমাদের সবচেয়ে আপনজন। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক পুঁজি। সচরাচর এ-সব মানুষগুলোর সাথে হয়তো আমাদের কথা হয়

আইসিএসএফ থেকে নিঝুম মজুমদার এর বহিঃস্কার প্রসঙ্গে

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারীতে প্রতিষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ১২টি সংগঠন, এবং সংগঠন বহির্ভুত একক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি জোট। জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে – ইংরেজী এবং বাংলা মিলিয়ে বাংলাদেশের ৮ (আট)টি কমিউনিটি ব্লগ, গণহত্যার ওপর একটি প্রধান আর্কাইভ, গণহত্যার ওপর বিশেষায়িত একটি গবেষণানির্ভর সংগঠন, এবং একটি বিশেষায়িত উদ্যোগভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। আইসিএসএফ কিছু মৌল নীতি এবং মূল্যবোধ এর ওপর প্রতিষ্ঠিত, যার সরাসরি প্রতিফলন হল আমাদের অনুসৃত স্তরবিহীন সামষ্টিকতার ধারণা এবং অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া/সংস্কৃতি।

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড ফোরঃ সবুজ বাতাসের শহর!

কালই প্রথম বাসা ওরফে বাড়ী থেকে বেরিয়েছিলাম। বের হয়ে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। তাও বের হই। ঘুরে ফিরে যাওয়ার জায়গা তো সেই এতটুকুই। বাড়ী থেকে বের হও, শহরের রেল স্টেশন যাও, পেপারের দোকানে বসে থাকো। গতকাল সেই মনে করে বাসা থেকে বের হলাম। হাটতে হাটতে মোড়ে যাই। রোজার দিন একযুগ ধরে রোজা রাখতেই হয় বলে চায়ের তেষ্টা পেলেও পর্দাওয়ালা দোকানে গিয়ে বসা হয় না। জানি কেউ জানবে না, তাও নিজেকে নিজে কখনো ফাকি দেই নাই। নিলাম রিকশা। জামালপুরে রিকশা এখন খুব দুর্লভ জিনিস। ইজি বাইক কিংবা ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার প্রতাপ এখন সব খানে। ভাড়া কম ও এক সাথে ছয়জন উঠা যায়। আমার আব্বাজানের খুব পছন্দ এই জিনিস। আমার মোটেও পছন্দ না। কিছু না পেলে উঠি। উঠলেই ভয় করে, কোনসময় না উল্টে যায় গাড়ী, এত পাতলা। আর ড্রাইভাররা এই হালকা চায়নিজ গাড়ী নিয়েও রেসের মত চালায় নির্জন রাস্তায়। তাই রিকশাই আমার ভালো লাগে। রিকশা এখন এই শহরে বড়লোকদের বাহন, যখ

পবিত্র মাস

রোজার সময় একান্ত বাধ্য না হলে বাসার বাইরে যেতে ইচ্ছা করে না। জীবন যাপন সংস্কৃতির উপরে গণমানুষের বিশ্বাসের আরোপ আমার ভেতরে যে মানসিক পীড়ন তৈরী করে তা প্রতিমুহূর্তেই উপলব্ধি করি। শুধুমাত্র এই একটি মাস আমাকে কোনো একটা সভ্য দেশের বাসিন্দা হিশেবে জীবনযাপন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ করে তোলে।

পরধর্ম সহিষ্ণুতা, অপরের ধর্মবিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা, অপরের ধর্মীয় অনুভুতিকে যতটা সম্ভব আহত না করে নিজের জীবনযাপন সংস্কৃতি অক্ষুন্ন রাখবার কোনো সুযোগ থাকে না এই মাসটিতে। সকল নাগরিক সভ্যতাবোধ ঘাড়ের উপরে তার অনিবার্যতা সমেত চেপে বসে। এই একপাক্ষিক পরমত, পরসংস্কৃতি, পরধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার বোঝা বহন করতে ক্লান্ত লাগে এই বয়েসে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ