অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৯ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

প্রিয় বন্ধুকে লেখা চিঠি

প্রিয় বন্ধু

কথাগুলো তোমাকে বলতেই হত, তারপরও অনেকক্ষণ বইয়ের কালো লাইনগুলোর নীচে কলম চালিয়েছি। আমি কিছুতেই মনোযোগ ধরে রাখতে পারছিলাম না। জীবনের সব মারাত্মক ভুলগুলো বারবার মনে উঁকি দিয়ে যাচ্ছিলো আর আমি ওদের কাছে ধরা দিচ্ছিলাম। অভাবগুলোও বেয়াড়াপনা শুরু করতে লাগলো। প্রিয় দল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলছে, একটু আগেই ওরা জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে মাঠে নেমেছে। রুমের জানালা দিয়ে ফুটবলের আবেগ আর উচ্ছ্বাসময় শব্দগুলো কানে আসছে। কিন্তু আমি বইয়ের কালো লাইনগুলোর নীচে কলম চালিয়ে চলেছি। পরশু ফাইনাল পরীক্ষা।

অনার্স জীবনের প্রতিটি পরীক্ষার সময়েই এরকম হয়েছে। প্রচণ্ড বিষাদগ্রস্ত হয়েছি যখন পরশু পরীক্ষা। শেষ বছরটায় আমি এই বিষয়ে তোমাকে চিঠি লিখতে বসেছি- কেননা, কথাগুলো বলা না হওয়া পর্যন্ত আমি পড়ায় মন দিতে পারছি না।

ফেরদৌসী মজুমদারের 'মনে পড়ে'

সাহিত্য প্রকাশ থেকে বইটা কিনেছিলাম এই মেলায়। জমানো ছিল, অন্য বইয়ের ভীড়ে পড়া হয় নাই। উল্টিয়ে পাতা রেখে দিতাম। কি মনে হলো একদিন নিয়ে পড়তে বসলাম। চিকন বই, পড়তে সময় লাগলো মাত্র দুই ঘন্টা পনেরো মিনিট। তাঁর ভেতরে ফ্যামেলি ছবি দিয়ে ঠাসা অনেক পাতা। এই বই লেখার প্রথম প্ল্যান আসে লেখকের মাথায় ২০০৩ সালের প্রথম আলোয় ঈদসংখ্যায় কিশোর বেলার স্মৃতিকথা লেখার মাধ্যমে। সেই এক লেখা পড়েই তারা জীবিত যত ভাইবোন আছে ঈদ পূর্ণমিলনীর আড্ডায় হেসে কুটিকুটি। তাঁর ভাইবোনরা আরো নতুন নতুন গল্প করছিলো যা উনার লেখার সময় মনে ছিল না। তারপর ত্রপা মজুমদারের অনুপ্রেরনায় তিনি লিখতে বসেন। এবং লিখে ফেলেন এই বইটা। এইটা কোনো আত্মজীবনী না, সিরিয়াস কোনো লেখালেখিও না, এটা একজন সরকারী কর্মকর্তার বিখ্যাত মেয়ের ও তাঁর স্বনামে বিখ্যাত সব ভাইবোনের ফেলে আসা জীবনের হাসি আনন্দের স্মৃতিকথা। ডক্টর ইউনুস বইটার ফ্ল্যাপ লিখেছেন যত্ন করে। দামও খুব কম,

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু- এপিসোড ওয়ান!

মেজাজ খারাপ। কি এক হিন্দি চুলের খেলা হলো। ধারনা ছিল ফরাসী জার্মানদের এক অতুলনীয় ম্যাচ দেখবো। তা আর হলো কই? ম্যাড়মেড়ে এক খেলা। রাগ উঠে গেল নিজের উপরে। আশা ছিল ফরাসীরা গোলটা অন্তত শোধ করবে। তাও হলো না। প্ল্যান ছিল আয়োজন করে শান্ত ভাইয়ের বাসায় খেলা দেখবো। জার্মান ফরাসীদের খেলা দেখে আর থাকতেই ইচ্ছা করছে না, এসে পড়লাম বাসায়। দেখি ব্রাজিলের খেলাটা কেমন হয়? রাত তো এমনিতেও জাগি, ওমনিতেও জাগি। কি খেলে কলম্বিয়ার সাথে! আমি চাই ব্রাজিল আজকেও জিতুক। কারন এত এত ব্রাজিল ফ্যান বাংলাদেশে, তাঁদের মাটিতেই আবার হচ্ছে ওয়ার্ল্ডকাপ সুতরাং আমি আশাবাদী ব্রাজিলের কাপ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে। মনে প্রানে চাই লাতিন আমেরিকান এক ফাইনাল হোক। দেখা যাক কি হয়!

সম্মোহিত চুম্বন ২

১.

: শফিক, তাই না তোমার নাম?
: হ্যা।
: নিজের সম্পর্কে কিছু বলো।
: কি বলবো? অনেক কথাই তো আছে।
: হ্যা...কবিতা লিখতে চাইতাম, ছন্দ মিলতো না। বাবা আমাকে বলতেন মনকে মুক্ত করো, তখন যাই লিখবে, তাই কবিতা হবে। কিন্তু কিভাবে মুক্ত করবো? মন কি জেলখানায় বন্দী?
: কবিতা আর লেখা হয়নি?
: এখনও লিখতে পারিনি।
: কি নিয়ে লিখতে চাও?
: জানি না।
: তোমার মনে কি অনেক দুঃখ?

প্রশ্নটা আমার মাথায় ঘুরতে ঘুরতে থাকে। আমি আস্তে আস্তে ডুবে যাই অপরাহ্নের আলোর মতো। এই অন্ধকার বড্ড বেশী আপন আমার। প্রচন্ড শান্ত চারিদিক, তবু বুঝতে পারি আমি আদতে শান্ত নই।

কি অসহায় আমি একবার ভাবো

“আমি বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে, তোমাকে খুঁজতে খুঁজতে, বুঝতে পারলাম যে, তুমি আসো নাই”- সুন্দর একটা লাইন। বৃষ্টি নিয়ে আজ আর কোন ফ্যান্টাসি করবো না। আমার মতো সরকটওয়ালা মানুষের বৃষ্টি নিয়ে অতো পাগলামী মানায় না। তবে একটা মজার গল্প করার লোভ সামলাতে পারছিনা। গেল রবিবার সকাল থেকে খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। ড্রাইভার না আসার কারনে গাড়ি বের করতে পারছিলাম না কিন্তু আমার অফিসে যেতে হবে। বাসা থেকে কারওয়ানবাজার পর্যন্ত একটা রিকশা নিলাম। রিকশা নেয়ার উদ্দেশ্য হল, প্রচন্ড বৃষ্টিতে হুড তুলে, গান শুনতে শুনতে এবং খানিকটা ভিজতে ভিজতে অফিস যাব। ঢং আর কী!

দুই ঘর

স্বপ্নের শুরু হল রাত জুড়ে আছি,

আকাশ আর মাটিতে সবখানে বাঁচি।

নিচে কেও গায় গান উপরেতে হাসে,

গায়েন তো ঘুম ঘুম যাবে দূর বাসে।

আমি তো দেখিনা কিছু, তবু বলি ওগো,

তুমি কি ঘুমাও, নাকি ঘুমহীন জাগো?

আমার তো দুই ঘর, মানব আর পিশাচ,

একে অন্যের সাথে করি সহবাস।

(লেখাটা বহুবছর আগে লেখা, ব্লগে পোষ্ট করলাম, মাঝে মাঝে মনে হয় কবিতাটা আমার অসুস্থ মনের কল্পনার প্রতিচ্ছবি! আবার মনে হয়...... থাক পরেরটা না হয় না ই বললাম।)

বেড়ে ওঠা

ঋক আর্ট এক্সিবিশনের জন্যে শহরের ছবি এঁকেছে, ব্যাস্ত রাস্তা, কয়েকটা গাড়ী, কিছু মানুষ হাঁটছে আর শহরে মাত্র ৩টা বাড়ী।বাড়ীর সামনে পরিচয় লেখা- একটা কিডজ এন্ড মম, একটা সিপি আর একটা এটিএম বুথ। যে ঢাকা শহরে আমরা থাকি সে শহরে বাড়ীর আড়ালে দিগন্ত লুকানো। এত এত বাড়ীর কংকাল দিন-রাত ঘাড়ে চেপে বসে আছে অথচ তার কল্পনার শহরে গুরুত্বপূর্ণ তিনটা স্থাপনা-
সে শহরে অন্য সব স্থাপনা তার জন্যে গুরুত্বহীন।

‘বৈকুণ্ঠের উইল’-‘র শতবছর পূর্তির আগে একটি পাঠপ্রতিক্রিয়া

আর মাত্র দু’বছর পরেই ‘বৈকুন্ঠের উইল’ শতবর্ষী হবে। বলা বাহুল্য, এটা শরৎচন্দ্রের লেখা উপন্যাস। প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৬ সালে। একটি উপন্যাস, একটি লেখা, শতবছর ধরে টিকে আছে, একটি জাতির সাহিত্যের, ভাষার ইতিহাসে। বইটি এখনও প্রকাশকরা প্রকাশ করে, ক্রেতারা কিনে, পাঠকরা পড়ে, এবং ধারণা করা যায়, আরও অনেক অনেক দিন ধরে, নতুন নতুন পাঠকরা পড়তে থাকবে। উপন্যাসটি। উপন্যাসের চরিত্রগুলি নিয়ে ভাববে, যেমন এ মুহূর্তে আমি ভাবছি। উপন্যাসের চরিত্ররা বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। একজন লেখক এবং তাঁর উপন্যাসের স্বার্থকতা বিচার্যের আর কি অন্যকোন সূচকের দরকার পড়ে?

ব্রেইনলেস, কাট-পেষ্ট হিন্দি সিনেমা দেখা!

রোজা রমজানের দিন যদিও সিনেমা টিনেমা নিয়ে লেখা ঠিক না, তাও লেখতে বসলাম। কারন এই অলস দুপুরে আর তেমন কিছু করার নেই। বসে বসে বই পড়া ছাড়া, রোজা রেখে দিনে বই পড়ায় কনসেন্ট্রেশন পাই না। তাই হয় টিভি নয়তো নেট এইটুকুই ভরসা, আম্মু ফোনে জিগেষ করে কোরআন পড়ি কিনা, বলি পড়বো কিন্তু পড়া আর হয় না। আসলে কেমন জানি দূরের দূরের লাগে এইসব সিরিয়াস ইবাদত বন্দেগী। আমার আম্মু অবশ্য আমাকে ছোটবেলা থেকেই ব্যাপক চেষ্টা করছে, হুজুর বানানোর। হলাম আর কই?

কি লিখবো!

ভাবছিলাম একটা গল্প লিখবো
পারলামনা।
ভাবছিলাম একটা কবিতা লিখি
তাও হলোনা।
কি নিয়ে লিখবো? কি'ই বা লিখবো?
এ তো আষাঢ় মাস চলছে
তবে কি এবার একটা আষাঢ়ে গল্প লিখবো?
লিখবো কি একটা আষাঢ়ে কবিতা তবে?
মধ্যবিত্তের আষাঢ়ে চাহিদার গল্প লিখবো?
লিখবো তাদের আষাঢ়ে স্বপ্নের কবিতা?
কিভাবে লিখবো? কি'ই বা লিখবো?
ভাবতে গেলেই ভাবনাগুলো
কেমন যেনো এলোমেলো হয়ে যায়
মধ্যবিত্তের জীবনের মতই
বড্ড এলোমেলো বড্ড আষাঢ়ে।

বুনোহাঁসের গান এবং অন্যান্য কথকতা

ব্লগে এলেই আমার মাঝে মাঝে শান্ত ভাই এর মতন হয়ে যেতে মন চায়। কি সুন্দর যখন যা ইচ্ছে করে এলোমেলো, গুছিয়ে লিখে ফেলে চমত্‍কার। নিমিষে।
হিংসা লাগে একেকটা দিন, একটু একটু।

আমি পারি না, সাধারনত। একটা দুটা লাইন মাথায় বেশি ঘুরাঘুরি করলে হয়তো হঠাত্‍ একটা কিছু লেখা হয়ে যায়, এলোমেলো। কিন্তু মন খুলে টানা একটা কিছু লেখা আর আমার হয়ে উঠে না।

আজকালকার ভার্চুয়াল দুনিয়ায় এফবি যদি বাসা হয়, এবি আমার কাছে ঘরের মতন মনে হয়।

তবুও আমি পারি না, মনের মতন যখন তখন ইচ্ছে যেমন লিখে যেতে। নিজে না হতে পারি, লেখার মনটা বড় বেশি বাউন্ডুলে হয়ে গেছে। বড্ড বেয়াড়া, কিছুতেই পোষ মানে না। বলতে গেলে, ঘরের ভেতর নিজের কাছেই পর পর অবস্থা!

মাঝে মাঝে মন খারাপ লাগে, আগে কত্ত কিছু লিখে ফেলতাম হঠাত্‍ করেই, আবোল তাবোল। মন ভালো হয়ে যেতো।

নিশি কেটে গেলে

নিশি কেটে গেলে
একজন প্রেমিকের ধ্যান জ্ঞান সবই তার প্রেমিকাকে ঘিরে।প্রেমিকার বিরহে সে হয়
কাতর, এ পৃথিবীর সকল কিছু তার কাছে হয় বর্ণহীন, গন্ধহীন। তেমনি একজন লেখক বা কবির প্রেম তার লেখার সাথে, সে যখন লিখতে পারে, তখন তার সব কিছুই পাওয়া হয়ে যায়।কোন কিছুর অপর্যাপ্ততা তাকে পীড়ন করে না। তাকে কষ্ট দেয় না। কিন্তু সে যদি কোন কারণে লিখতে না পারে, তবে গাড়ী বাড়ি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তাকে না পারে মানষিক প্রশান্তি দিতে, না পারে হৃদয়ের রক্তক্ষরণ কমাতে।
একজন লেখক দিনের পর দিন লিখতে না পারার কষ্টে, ক্ষত বিক্ষত।দিনকে দিন তার কোমল মনটা বিদ্রোহী হয়ে উঠে, নিয়মতান্ত্রিকতার সকল নিয়ম ভেংগে সে ছুটে যেতে চায়, দিগন্ত অবারিত উন্মুক্ত প্রান্তরে। নিরাপত্তার সকল গণ্ডি ভেংগে মিশে যেতে চায় প্রকৃতির সাথে। কি হবে দেখা যাবে।

সম্মোহিত চুম্বন ১

১.

কথার জালে আটকে যায় ভাবনার প্রস্ফুটন। শূন্য অনুভুতি নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেয়া যায় না। শুধু হ্যা অথবা না অথবা হুমম। প্রশ্নকর্তা প্রাণপন চেষ্টা করে যায় জালটাকে ছাড়াতে, কিন্তু যখন দেখে তার ফেলা জালে ভাবনার স্হিতিস্হাপকতায় মাখামাখি চুড়ান্ত, তখন হাল ছেড়ে দেয়। নতুন সময়, নতুন দিন, নতুন খেলা।

কাজে যাওয়া হয় না মাস খানেক, হাতে থাকা ছুটিগুলো খুচরো টাকার মতো খরচ হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। অথচ কিছুই নেই আমার কাছে, নিঃস্ব আর নিঃসঙ্গতা ল্যাপ্টাল্যাপ্টি করে লেগে আছে নিরন্তর। পাশের ফ্লাটে আর পার্টি হয় না। কারন সিন্ডি আর ক্রিস্টিনার মা দুটোকে কান ধরে শুধরানোর চেষ্টা করছে। প্রতিদিন সকাল বারান্দায় উঠে দেখি ক্রিস্টিনা মেঝে ঘষছে ব্রাশ দিয়ে আর সিন্ডি দেয়ালে রং লাগাচ্ছে। আমি 'হায়' দিলে মুখ টা ঘুরিয়ে নেয় দু'জনেই। দেখতে ভালোই লাগে দুই কিশোরী মেয়ে গাল ফুলিয়ে দিনভর নিরন্তর কাজ করছে।

পাগলের প্রলাপ

ইদানীং মন খারাপ হয়না আপনার আর ? চুকা তিতা কোনটা ? হায় আল্লা ! কনেরা ভাল আছে ? ভাল থাকছে ? বাল্য বিয়ে সব বন্ধ হয়ে গেছে দেশে ? তাহলে আর লেখা লেখির প্রয়োজন কি ?

দিনগুলোর তাই নাম ছিল না!

কবীর আসলো অনেক দিন পর। কোন কবীর? চায়ের দোকানদার দেলোয়ারের ভাই কবীর। ছেলে ভালো, চিনতাম আগে ভালো মতোই। এগারো সালের দিকে কিছুদিন উনি বেকার ছিল, তখন দেলোয়ারের চায়ের দোকানে বসতো। বয়সে আমাদের সমানই হবে, বিয়ে করেছে দুটো। যেকোনো চ্যানেলে আমি এখন কি করবো টাইপ মানসিক রোগ বিষয়ক অনুষ্ঠান হলে সে অবধারিত প্রশ্ন করতো, আমার দুই বঊ, এক সাথে দুই রুমের বাসা নিয়ে থাকে আমি এখন কি করবো?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ