অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১১ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

চোর

(১)
চোরের পক্ষে যারা
শিক্ষা পাবে তারা,
সর্বক্ষণ কান দুটি
রাখিস কিন্তু খাঁড়া।

দাঁড়া- একটু দাঁড়া
করবো ছন্নছাড়া,
পাপের অাগুনে তোরা
পড়লি বুঝি মারা।

(২)
চুরির চেয়ে ভিক্ষা ভালো
থাকে যদি জ্ঞানের আলো,
মূর্খের দল করবে চুরি
সুযোগ বুঝে দল ভারী।

হারাম হালাল বুঝো না
সুযোগ তুমি খুঁজো না,
চোরের যদি দশদিন
খাবেই ধরা একদিন।

ঘৃণার ঝুড়ি তোর কাঁধে
এই বুঝি পড়লি ফাঁদে,
কেউ তোর বন্ধু নেই
থু ছিটাবে হামেশাই।

করিস না আর গর্জন
চুরিই তোর অর্জন,
মল-মুত্র দেখ না চেঁখে
দীক্ষা নিস গুরু দেখে।

১৯.০৬.২০১৪

প্রতিবন্ধীত্ব

ধীরে ধীরে আমরা আধুনিক হয়ে উঠছি সম্ভবত, আমাদের ভাবনা বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে। বাংলাদেশে একটা সময় পর্যন্ত পরিবারের মানসিক ও শাররীক প্রতিবন্ধী শিশুটা সামাজিক দায় হিসেবে স্থানীয় মসজিদের জিম্মায় চলে যেতো। মসজিদের দাতাদের অনুগ্রহে, দীর্ঘ শাররীক শাস্তির পর কোরান হেফজ করে, অনুগ্রহ এবং করুণা কামনার নানাবিধ কৌশল শিখে সমাজে তার অবস্থান তৈরী হতো। অনেক ক্ষেত্রেই মসজিদের আশেপাশের খাস জমিতে একটা ঘর উঠিয়ে সে বসবাস করতো। মানসিক কিংবা শাররীক প্রতিবন্ধীদের সমাজের উপর চাপিয়ে দিয়ে পরিবারের বোঝা হালকা করার প্রবনতাটা ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। পরিস্থিতিও অনেকটা বদলে গেছে। অপরাপর রাষ্ট্রের সাথে তাল মেলানোর চাপ থেকে হোক কিংবা বিভিন্ন এনজিও এবং সমাজকর্মীদের অব্যহত লেখালেখি এবং সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের ফলেই হোক শাররীক প্রতিবন্ধী মানুষদের এক ধরনের আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে।

পাঠপ্রতিক্রিয়া: শাহাদুজ্জামান-‘র ‘কয়েকটি বিহ্বল গল্প’

thumb_IMG_20140625_074742-bhobol golpo.jpgবিহ্বলতা ব্যক্তির একটি মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা। এবং অবশ্যই একটি সামাজিক অনুষঙ্গ। ব্যক্তি মাত্রই তার জীবনযাপনে কখনো না কখনো বিহ্বল হয়ে পড়ে। বিহ্বল তাকে হতে হয়। তবে বিহ্বলতা একটি মনোজাগতিক অবস্থা হলেও এর কার্যকরণ এবং অভিঘাত একরৈখিক নয়। রীতিমত বহুমাত্রিক। অবশ্যম্ভাবীভাবে জটিলও। বিহ্বলতার কার্যকারণ ও অভিঘাতে থাকে ভিন্নতা। এ ভিন্নতাগুলো নির্ধারিত হয় শ্রেণী, ক্ষমতা, পেশা, শিক্ষার রকমফের সহ নানা সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক উপাদান দ্বারা। ঘরে-বাইরের লিঙ্গীয় ক্ষমতাকাঠামোও ব্যক্তির বিহ্বল হয়ে পড়া না পড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। পাঠক এ-রকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন ‘কয়েকটি বিহ্বল গল্প’ পড়ে। মোট চৌদ্দটি গল্

শাখা সরকারী গণগ্রন্থাগার

আমার বাসার সামনে সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের পাশেই যে একটা পাবলিক লাইব্রেরীর ব্রাঞ্চ আছে তা আমি জানি মেলাদিন ধরে। যাওয়া হয় না রাজনীতির পরিবেশ ওখানে। নানকের লোকজন ওখানে বসে থাকে, নিজেদের ব্যাবসায়িক দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে তাই ওমুখো আমি হই না সচরাচর, রাস্তা পার হয়ে বাসার দিকে এসে পড়ি। সেই কমিউনিটি সেন্টারে একবার দাওয়াত খেতে গিয়েছিলাম,পুলক জোর করে নিয়ে গিয়ে ছিল। দেখি ছাত্রলীগের ছেলের দল বাপের জন্মের খাওয়া খেয়েই চলছে, থামাথামি নাই। কমিউনিটি সেন্টারটা মাইর খাওয়ার একটা বড় কারন হলো সেটাই। বিয়ে শাদী অনুষ্ঠান যাই হোক ৩০-৪০ জন ছাত্রলীগ যুবলীগের এক দল গিয়ে বাপের ঘরের খানা খেয়ে আসবে বাধ্যতামুলক। এই দুর্মুল্যের বাজারে এক সরকারী কমিউনিটি সেন্টার নিয়ে- কে আর ত্রিশ জনকে মাগনা খাওয়াতে চায়। তাই ঘুরে ফিরে এই সেন্টারটা পড়েই থাকে। ঈদ কিংবা বৈশাখী মেলার আগে পাকিস্তানী লন আর ইন্ডিয়ান থ্রিপিচ বেচে ভাড়া নিয়ে।

এই বর্ষায় আগামী শীতে

ভাবি এখন ঢাকায়! Smile Smile
এটা কোনো সংবাদ না। সংবাদ হচ্ছে, ভাবিকে নিয়ে আমি এখন স্ট্যাটাস দিই না―এ নিয়ে মানুষের অভিযোগ! তবে কি ভাবির সাথে আমার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে!?
কত আর দেয়া যায়―স্ট্যাটাস দিতে দিতে তো স্ট্যাটাসের মানই নামিয়ে ফেলেছি! নতুন করে লিখবোই বা কী―আমার ভাবি আমার অহংকার, ভাবি এলে ঢাকা শহর প্রাণচাঞ্চল্যে জেগে ওঠে, চলে গেলে অন্ধকারে ঢেকে যায়, ভাবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাখি ডাকে/ নদী বয় কুলকুল করে/ ফুল ফোটে―সৌরভ ছড়ায়, ভাবির হাতের ছোঁয়ায় শুকনো মরিচটি আমার কাছে অমৃতের স্বাদ নিয়ে আসে... মোটামুটি এসব শোনাতে শোনাতে ফেসবুক বন্ধুদের কান পচিয়ে ফেলেছি! বিরক্তির শেষ সীমা অতিক্রম করতে চাইনি। Big smile
আমার কাছে আমার ভাবি পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হতে পারেন কিন্তু এটাকেই আদিখ্যেতা ভাববেন এমন মানুষের সংখ্যাও তো খুব একটা কম না! এরা সস্তা আবেগ বলে উড়িয়ে দেবেন।

জীবনযাপন

বিশ্রী একটা সময় যাচ্ছে। নিশ্চিত বুঝতে পারছি সামনে এমন কয়েকটা সিদ্ধান্তে সমর্থন দিতে হবে যা পরবর্তী সম্পূর্ণ সময়েই অনুশোচনার কারণ হবে কিন্তু সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যেসব বাক্য ব্যবহার করতে হবে সেসব বাক্য ব্যবহারে এক ধরণের অনীহা আছে নিজের ভেতরে। ভালো সিদ্ধান্ত এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এক ধরণের বৈরিতা আছে, ভালো লাগার সিদ্ধান্তগুলো অনেক সময়ই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত হয় না আর পরিস্থিতি বিবেচনা করে নেওয়া সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগুলোতে হৃদয়ের সমর্থন থাকে না।

বিশ্বকাপের কল্যানে রাত জেগে খেলা দেখার পর যখন পৌঁছালাম ঋকেরবর্ষসমাপনি উৎসবে মনে হয়েছিলো সবগুলো প্রয়োজনীয় বিষয়ই দেখা হবে না, কিন্তুয়ামাদের সুভাষণপ্রীতি সেটুকু আশংকা দূর করে দিয়েছে।

বৃষ্টি ভেজা পুরনো শহরে একদিন

সেই সন্ধ্যে থেকে বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। ইলেকট্রিসিটি নেই, ঘুটঘুটে অন্ধকার। সাধারণ দিন বাড়িটা সরগরম থাকে, দাদু, নাতি, নাতনী, চাচা, কাকিদের হৈ চৈ এ। আজ অস্বাভাবিক নিরিবিলি। রান্নাঘরটা একদম বাড়ির পিছনের দিকে। তারপাশেই খাবারের ঘর। বৃষ্টি সাথে আছে অন্ধকার, রান্নাই হয়নি ঠিক করে। তাই আজকের রাতের খাবার একদম সাধাসিদে। বাচ্চাদের সবার জন্যে আলুর ভর্তা, ডিমের কোর্মা আর ডাল। বড়দের জন্যে হয়তো কোন একটা মাছ টাছ কিছু ভাজা টাজা হয়েছে। খাওয়া হওয়া মাত্রই সবাইকে ওপরে যার যার ঘরে যেয়ে বিছানায় শুয়ে পড়তে হবে, নীচে নামা, লাফালাফি দৌড়াদৌড়ি সব কঠিনভাবে নিষেধ। বৃষ্টির ছাঁট লম্বা টানা বারান্দার গ্রীল ভেদ করে এসে সিড়ি, বারান্দা, বারান্দার কাছাকাছি কোন কোন ঘরের কিছু অংশ ভিজিয়ে একদম পিচ্ছিল করে দিয়েছে। বাড়িতে ফুট ফরমাশ খাটার ছোট ছেলেটা যে নুরু, বৃষ্টির ছাঁট আটকানোর জন্যে সব ঘরের জানালা বন্ধ করতে যেয়ে দুবার পা পিছলে আলুর দম হ

রন ভা'য়াকে

ব্লগ খুললে প্রায় দেখা যায় আপনি আছেন অনলাইনে । অথচ দীর্ঘদিন আপনার কোন লেখা দেখিনা ব্লগে । ইচ্ছে করে জিজ্ঞেস করতে, কেন লিখেননা ইদানিং ? আপনার শেষ লেখা ছিলো গেলো বছরের ৮ এপ্রিল, " আমার শেখ মুজিব " শিরোনামে । এরপর আর কোন লেখা পাইনা আপনার । অথচ আপনি নিয়মিত ব্লগে বসেন ! আরো একজন প্রিয় ব্লগার, 'মীর ভাই' চুপ মেরে আছেন বহুদিন । আমার আন্তরিক কামনা অচিরেই আপনারা ফিরে আসবেন ব্লগে !

আপনার শেষ লেখার চুম্বকীয় অংশটা উদ্ধৃত করলাম । মনে হয় এর ইম্পেক্ট এখন আরো বহুগুণ বেশি ।

লিখবেন আশা করি । ব্লগীয় ভাই হিসেবে এই অনুরোধ !

মান সম্পন্ন শিক্ষা- ২

পূর্বের লিখা মান সম্পন্ন শিক্ষা ১ এর মন্তব্যে দুইটি বিষয় উঠে এসেছে, ১। শিক্ষা ক্ষেত্রে রাজনীতি ২। সমাধান।
১। মানুষ মাত্র ই রাজনৈতিক। রাজনীতি মানে ই দেশের ক্ষমতা দখল না। শিক্ষায় রাজনীতির সংস্রব রোধ করা গেলে ও, শিক্ষা ক্ষেত্রে রাজনীতি দূর করা সম্ভব হবে না। কোথাও হয় নি। এই দেশে ও হবে না।
২। সমাধান কি?
-সমাধান অনেক সহজ। বর্তমান পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল কর এবং নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি গ্রহন কর।
আজ আমি এই দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর ই দিব।-

------------------------------------------------------------------------------------------------

আষাঢ়...

অনেক দিন পর এই ব্লগে কিছু লিখতে যাচ্ছি। দুই মাস পেরিয়ে গেছে। তবে মাঝে মাঝেই ব্লগে আসি, অন্যদের লিখা পড়ি তারপর ভাল লাগলে পোষ্টটি পছন্দ করুন অপশন চেপে বের হয়ে যাই। যখন ব্লগে প্রথম এসেছিলাম তখন ভেবেছিলাম নিয়মিত কিছু লিখতে চেষ্টা করব। কিসের কী এখন নিয়মিত পোষ্ট পড়ে মন্তব্যই করতে পারি না। বড় অবাক লাগে নিজের দিকে তাকালেই। মানুষ কিভাবে বদলে যায় সময় আর্বতনে। এক সময়ের সেই চটপটে আমি কিভাবে পাল্টে যাচ্ছি অনায়াসে। এক সময় লেখা লেখি নিয়েও আগ্রহ ছিল অনেক। দিনকে দিন যেন তাও কমে যাচ্ছে। আমিও যেন হারিয়ে যাচ্ছি আমার থেকে অজানা কোন এক বিশ্বে। যেখানে স্বপ্ন নেই, সুখ নেই, জীবনের রং নেই, ভালবাসাও নেই। কেমন যেন আধার ভরা র্নিলিপ্ত হাহাকার শুধু। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে এই হাহাকার বিভীষিকাকে গলা চেপে ধরি কিন্তু সে এত সহজে কাবু হবার নয়, উল্টো আমাকেই কাবু বানিয়ে মজা নেয়। যেন আমি শুধু তার দুঃখকেই বুকে ধারণ করতে জন্মেছি।

এলোমেলো কিছু ভাবনা

লম্বা একটা সময় কোন জাতিকে নিজেদের পায়ের তলে রাখতে পারলে সেই অঞ্চলের সবকিছুই বদলে দেয়া সম্ভব। যেমন ব্রিটিশরা বদলে দিয়েছে আমাদের এই অঞ্চলের মানুষের চিন্তা ভাবনা, আচরণ। শুধু তাই নয়, ব্রিটিশরা ছেড়ে যাবার এত সময় পরেও এখনো আমাদের চিন্তা-ভাবনায় তাদের প্রতি আনুগত্যের ছাপ পাওয়া যায়। ব্রিটিশ শাসনামলে জাহাজে করে উচ্চ শিক্ষার জন্য বিলেতে যেত সামর্থ্যবান পরিবারের সন্তানরা। সেই থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের দেশে একটা বড় অংশ মনে করে বিশ্বের আর যে কোন দেশের চেয়ে যুক্তরাজ্যেই সবচেয়ে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশের বাহিরে যারা থাকেন, তাদের মধ্যে ইংল্যান্ডে থাকলেই তারা অনেক কিছু। বাকী সবদেশেই যারা থাকেন তারা সবাই শ্রমিক শ্রেণীর লোকজন। এই যে শ্রেণীভেদ মানসিকতা, এটাও আমরা ব্রিটিশদের কাছ থেকেই পেয়েছি। অবশ্য, তার আগে আরো বেশীই ছিল। এটা নিয়ে মতপার্থক্য আছে বেশ। অনেকের ধারণা, ব্রিটিশদের আগে যেই ধরণের শাসনব্যবস্থা ছিল আ

কামনাসিক্ত প্রার্থনা

১.

ঘরে লেবু ছিলো না, বীট লবনও নেই। পাশের ফ্লাটে হুড়োহুড়ি শুরু হলো মাত্র। পুরো বিল্ডিংটা ফাঁকা, শুধু পাশের জনাকীর্ন ফ্লাট, আর রুমে নিঃসঙ্গ আমি। সুইডিশ এবসলুট পড়ে আছে তাকে। সীবাস রিগ্যাল শেষ, জ্যাক ড্যানিয়েলসও নেই। পাশের রুমের দরজার সামনে দাড়িয়ে ভাবছি নক করবো কি না। এখানে আর কোলাহল নেই, হার্ড রক মিউজিকের সাথে সাথে চলছে নারী পুরুষের সম্মিলিত যৌন কর্মের চিৎকার। ঠিক কতজন বা কতজোড়া এরকম ফুল ভলিউমে যৌন কর্মে লিপ্ত ধারনার বাইরে। দরজায় টোকা দিয়েই বসলাম।

দরজা খুলে দাড়ালো একজন যুবতী। বা পাশের সুঢৌল স্তন ঝুলে আছে, সাদা শার্টের বোতাম নেই, কোমড়ে নেই কোনও অন্তর্বাস। সিক্ত হয়ে আছে জায়গাটা। দরজাটা পুরোটাই খোলা, আমি বাইরে থেকেই মেঝের ওপর এক নগ্ন যুবতীর ওপর নগ্ন যুবক। আমি মুখে হাসি দিতেই বলে বসলো মেয়েটা,"এই ভারতীয়! কি চাও বলো।"

এমন বৃষ্টি দিনে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

এমন বৃষ্টি দিনে,
কি এমন ক্ষতি হতো?
আমি যদি তোমার হতেম,
আর;
সেই তুমি-ই আমার হতে?

কি এমন ক্ষতি হতো?
মিছিমিছি ভালোবাসায়,
আলতো হেসে;
হুট হারালে -
আমার তোমার অচিনপুরে।

কি এমন ক্ষতি হতো,
ছন্নছাড়া কথকতায়?
হঠাত্‍ হোঁচট,
চেনা অচেনা চাহনিতে;
বুকের ভেতর সুদুর দুরে।

দিনের শেষের চাওয়ায় পথে,
আমি নয় রয়েই যেতাম -
আরও এক বৃষ্টি দিনের অপেক্ষাতে;
আকাশ ছোঁয়া মেঘ দুয়ারে।

এমন বৃষ্টি দিনে,
কি এমন হতো ক্ষতি;
আমি যদি হতেম দুরের মেঘ?
নয় -
বৃষ্টি হয়েই হারিয়ে যেতেম,
তোমায় ছুঁয়ে।

এমন বৃষ্টি দিনে..

আজ খেলা শেষ, আর জমছে না!

আমার এক ক্লাসমেট ছিল, আমার সাথে নামের মিল। ওর মেইন নাম আরাফাত, আমার নাম আলী আরাফাত জাকারিয়া। খুলনাতেও এক সাথে ক্লাস করেছি, চট্টগ্রামেও তাই। বন্ধু ছিলাম না তেমন, দেখা হলে কথা হতো। আমরা যখন টেন্ডুলকার বনাম লারা কে সেরা তা নিয়ে ঝগড়া করতাম, তখন তাঁরা কলোনীর কোন গাছের পেয়ারা চুরি করা যায় তা নিয়ে ওয়ার্কআউট করতো। ইন্টারের পর সেই ছেলে বাপের টাকার জোরে নরম্যাল সিম্যান হিসেবে জয়েন মার্চেন্ট শীপে। আস্তে আস্তে নানান লম্বা সফর দিয়ে দিয়ে টাকা পয়সা ভালোই কামায়, পদোন্নতি হয়, ট্রেনিং করে জাপান থেকে। তাঁর বাবাও বড়লোক, নেভীর মিশনে কুয়েতে গিয়ে চিটাগাংয়ে এক তিনতলা বাড়ী করেছে। বোন একটার বিয়ে হয়ে গিয়েছে নেভীর এক অফিসারের সাথে। যাই হোক সেইসব জিনিস আলোচনায় আসবে না। আলোচনায় আসবে সে কঠিন দূঃসাহসিক মুডে পালিয়ে বিয়ে করেছিল বছর ছয়েক আগে। তাঁর মা শত চেষ্টা করেছে, সিনেমার কায়দায় ছেলেকে লোক পাঠিয়ে পিটিয়ে মাথা ন্যাড়া কর

বুঝিনি

ছোট বেলার কথা ! কিন্তু আজো মনে হয় এই সেদিনের ঘটনা ! বাবা থাকতেন কোলকাতায় । সেখানে ব্যবসা ছিল । ব্যবসার কাজে নানা দেশে যেতেন বাবা । কাছে পেতামনা খুব একটা ! ভালমতো মিস করতাম তাকে ! কাছে না পাওয়ার এই যন্ত্রণা বাবা কিন্তু পুষিয়ে দিতেন অন্যভাবে । নানা দেশ হতে আনা নানা রঙের জামা- কাপড় নিয়ে আসতেন আমাদের জন্য । একবার এনেছিলেন হালকা গোলাপি রঙের একটি হাফ সার্ট, ফুল-পাখি- মানুষ-জীব-জন্তুর নানা ছবিতে ভরা ! ছোটবেলা যত জামা কাপড় পরেছি, আজও মনে পড়ে ওটিই ছিল সবচেয়ে প্রিয় জামা আমার । সমবয়সীরাতো বটে বড়রাও অনেকে খুঁটিয়ে দেখতেন ছবিগুলো !

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ