ঢুলু ঢুলু নেশাতুর
১.
: ইয়াক! এসব ছাইপাশ গেলো কিভাবে? আমি তো এক গ্লাসই শেষ করতে পারি না।
: তুমি ইচ্ছে করলেই এক বোতল এক বসায় গিলে ফেলতো পারো।
: পাগল হয়েছো? সিবার রিগ্যালের ৭৫০ এমএল কিভাবে?
: এই দেখো। গ্লাসে কিছু বরফের কুচী নাও। কিছু স্পাইসি চিপস। একটা স্পাইসি চিপস, পুরো গ্লাস। অল্প অল্প সীপ।
: আর?
: এক সীপ, মিউজিকের তালে তালে শরীরটা ছেড়ে দাও। আমি ঢুলতে ঢুলতে তোমাকে জড়িয়ে ধরবো।
: আর?
: আরো একটা সীপ। তোমার ঠোট আমার ঠোটে। তোমার দুস্ট জিহবা আমার মধ্যে দুস্টুমি। আরো একটা সীপ। তোমার দুস্ট হাত আমার ব্লাউজের নীচে
: আর?
: আমি তোমার জিহবা কামড়ে দেবো.....হা হা হা হা।
চিরন্তন ভালবাসার স্বপ্ন ।

আমি ছিলাম তখন আমার কলেজের মাস্টার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র আর মেয়েটি ছিল এইচ এসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ।
একদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল সে ছাতা ছাড়া ভিজে ভিজে রাস্তায় হাঁটছিল কোন রিক্সা পাওয়া যায় কিনা । আমি এগিয়ে এসে তাকে ছাতা মেলে ধরে সাহায্য করি রিক্সা পেতে । সে তখন কোনভাবে একটি রিক্সা ঠিক করে বাসাতে চলে যায় । পরেরদিন আবার তার সাথে আমার কলেজে দেখা আমি তাকে জিজ্ঞাস করেছিলাম , এভাবে না ভিজে পরে বাসাতে গেলেইতো পারতে এত্ত তারাহুড়ো কি ছিল ?
সে বলেছিল আপনি যদি সেদিন আমাকে সাহায্য না করতেন আমার হয়তো আরও দেরি হত বাড়িতে পৌছাতে কারণ আমার মা অসুস্থ ছিলেন । কথাবার্তার মধ্যে দিয়ে আমি জানলাম সে আমাদের কলেজের এইচ এসসির ছাত্রী । তার নাম ফারহানা ।
Don't Cry For Me Argentina!
শিরোনাম দেখে কেউ অবাক হবেন না। আমার জন্য আর্জেন্টিনা তো দূরে থাক নিজ দেশ কিংবা শহরেই কান্নাকাটির লোক নগন্য। এইটা অতি বিখ্যাত এক ব্রডওয়ে মিউজিক্যালের গান। ১৯৭৬ সালে 'ইভিটা' নামের এই মিউজিক্যালটা মুলত নির্মাণ হয়েছিল আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জুয়ান পেরন এর সেকেন্ড ওয়াইফ বিখ্যাত রাজনীতিবিদ ইভা পেরনের জীবনের উপর। ইভা পেরনের প্রেম- ভালোবাসা, রাজনীতি- সমাজসেবা, আকস্মিক ডেথ সর্বোপরি তাঁর জীবনের ট্রাজেডী উপর ভর করে এই মিউজিক্যালটা বানানো । ব্যাপক ভাবে পুরস্কৃত ও বানিজ্যিক ভাবে হিট এই প্রোডাকশন। ম্যাডোনার একটা সিনেমাও আছে একই মিউজিক্যালের উপর ৯৬ সালে। এই গানটাও অসম্ভব জনপ্রিয়। প্রায় দুই ডজন নানান সময়ের বিখ্যাত শিল্পী এই গানটা কাভার করেছে। আমি এই গানটা প্রথম শুনি ইউটিউবে কারেন কার্পেন্টার্সের কন্ঠে। তবে আমার সব চেয়ে ভালো লাগে জোয়ান বায়েজেরটা। এই গানটা শুনলে এক ধরনের বিষাদে আচ্ছন্ন হতে হয়।
বাবাকে নিয়ে
বাবা দিবসে বাবাকে শুভেচ্ছা জানানোর মতো অতটা আবেগী আমি কোনো কালেই ছিলাম না। বাবার প্রতি কতটা ভালোবাসা কাজ করতো সেটাও নির্ণয় করতে পারিনি কখনো। অন্যসবার যেমন বাবা থাকে তেমনই আমারও ছিলো। আমার বাবার প্রতি যতটা না ভালোবাসা কাজ করতো তার চেয়েও অনেক বেশি কাজ করতো শ্রদ্ধা। বাবাকে ভয় পেতাম প্রচন্ড। কক্ষনো তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার সাহস পাইনি, স্পর্ধাও দেখাইনি। সে যা ই বলতো তাই ছিলো আইন আমাদের ভাই-বোনদের কাছে। সবারই অনেক মজার স্মৃতি থাকে তাদের বাবাকে নিয়ে। যেমনঃ বাবার কাঁধে চড়ে মেলায় যাওয়া, বাবার আঙ্গুল ধরে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো ইত্যাদি। আমার এসব কিছুই নেই। হয়তোবা এমন স্মৃতি আমারো ছিলো যেগুলো মনেনেই। ওই যে বললাম, কতটা ভালোবাসা যে ছিলো বাবার প্রতি সেটা কখনো নির্ণয় করতে পারিনি। আর বাবারই বা কতটা ভালোবাসা ছিলো সেটাও বুঝিনি কখনো। তবে কিছু স্মৃতি এখনো জ্বলজ্বল করে চোখের সামনে। যে স্মৃতিগুলো শুধুই বা
মৃতপ্রায় ছুটোছুটি
১.
ঠিক কতদিন পর মনিটরের সামনে বসলাম মনে করতে পারছি না। কীবোর্ডের প্রতিটা কী যেনো আমার কাছে অচেনা। টাইপ করতেও ভুলে গেলাম প্রথম কয়েক সেকেন্ডের জন্য। ধাতস্হ হলাম এই ছোট্ট ল্যাপটপ নামের যন্ত্রটার সামনে। ল্যাপটপটার স্টার্ট বাটনটায় প্রতিদিন একটা করে চাপ দেই। মনিটরের "ওয়েলকাম" লেখাটা আসবার আগেই নেশাগ্রস্হ হয়ে লুটিয়ে পড়ি। কাজ থেকে ছুটে এসে পেট ভরে বোতলের শেষ বিন্দুটা ঢেলে দিয়ে ল্যাপটপটা খুলে শুধু পুরোনো ছবি দেখতে ইচ্ছে করে। দেখা হয় না। সকালে এলার্মে ঘুম ভাঙ্গে, দেখি ল্যাপটপটাও ঘুমিয়ে থাকতো আমার সাথে। কিন্তু আজকে আমি পুরোদস্তুর নেশাহীন ফুরফুরে। নিজেকে মনে হলো আবদ্ধ নেশাময় বৃত্ত থেকে টেনে তুলি, পুরোনো ছবিগুলো দেখতে থাকি। প্রায় সারাটা দিন সব ছবি ভিডিওগুলো দেখলাম। সোনিয়ার হাসিমুখ, অন্তরঙ্গ মুহুর্ত সবকিছু। সোনিয়া বলেছিলো মুছে ফেলতে, মুছতে পারিনি। মুছবো কিনা বুঝতে পারছি না।
আমাকে নিয়ে লেখা
আমাকে নিয়ে লেখা শুরু করতে আমার বেশ কিছু চিন্তা জোগাড় করতে হয়েছে। আমি দেখতে পেয়েছি যে আমি বাক্য গঠন করতে পারছি। এবং আমি এই মুহূর্তে তেমন কোনো বিষয়বস্তু পাচ্ছি না যা নিয়ে লেখা যেতে পারে। তাছাড়া আমার বিষয়গুলো গত কয়েক ঘণ্টা ধরে আমাকে ভাবাচ্ছে। তাই এই মুহূর্তে আমাকে নিয়ে লেখাটাই সবচেয়ে জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাত চারটার দিকে অবশেষে চোখ বন্ধ করেছিলাম। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সবগুলো মসজিদ থেকে একযোগে আযান দেওয়া শুরু করল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকার মসজিদগুলোর আযান শেষ হতে হতে একটা সময়ে আলো ফুটতে শুরু করল।
সেই চেনা মুখ কতদিন দেখিনি….
গতকাল একটা গান শুনতে শুনতে অফিসে যাচ্ছিলাম, “সে হারালো কোথায় কোন দূর অজানায়………সেই চেনা মুখ কতদিন দেখিনি……………”। এর পর থেকেই গানটা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। বসের সাথে ব্যস্ত মিটিং করার সময় দেখলাম গুনগুন করছি, সে হারালো কোথায় কোন দূর অজানায়………। কি অদ্ভুত!
আমি আগের ঠিকানায় আছি
“আমি আগের ঠিকানায় আছি
সময় করে এসো একদিন"
প্রখর সকাল
দিনটা শুরু হচ্ছে ইঁচড়ে পাকা সকাল দিয়ে। এলারম এর শব্দে ভোর হয়। প্রতিদিনের অভ্যাসে টুক টুক হেটে টয়লেটে। পানি ডিস্ট্রিবিউশন এ কোন সমস্যা আছে নির্ঘাত। পানির তাপমাত্রা এই সময়ের তাপমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। হাত মুখে একটু জলুনি অনুভব হচ্ছে। মনে মনে গালি দিতে ইচ্ছে হচ্ছে। গালি দেয়াটা ঠিক কাজ না, যাকে গালি দেয়া হচ্ছে তার অনুভুতিতে আঘাত আসবে যদি শুনতে পায়। যদিও জানি সে শুনবে না। কিন্তু আমার শিক্ষা আমাকে এই গালি দেয়া থেকে বিরত রাখছে। খুব হাসি পাচ্ছে। আয়নায় এই জলুনি ধরা চেহারায় নিজের অজান্তে ই একটু হাসি ফুটে উঠলো। কাল ই এর একটা হেনস্থা করতে হবে। পানি ব্যবস্থাপনায় যিনি আছেন, তাকে ডেকে এর ব্যখ্যা চাইতে হবে। আর ব্যখ্যা যাই হউক, তার জন্য আমাদের এতো গুলো মানুষের যে সমস্যা হল তার জন্য তাকে মুল্য দিতে হবে। নিজের দিকে তাকিয়ে একটু অবাক হয়ে গেল। দিনে দিনে কেমন হিংস্র হয়ে যাচ্ছে। একটু তে ই বাধ ভেঙ্গে যাচ্ছে।
স্পর্শের বাইরে
সেদিন রাস্তার ধারে গুঁড়ের জিলাপী দেখে রোমেল ভাইয়ের কথা মনে পড়ে গেল। গুঁড়ের জিলাপী ওনার খুব প্রিয় একটা জিনিস। ঢাকা শহরের কোথায় কোথায় ভালো গুঁড়ের জিলাপী পাওয়া যায়, রোমেল ভাইয়ের তা মুখস্ত। উনি যে কতবার আমাকে নিয়ে সেসব জায়গায় নিয়ে গেছেন তার হিসেব নেই। এই জিনিস যে আমার খারাপ লাগে, তা কিন্তু না। সমস্যা হল গুঁড়ের জিলাপীর দোকানে রোমেল ভাই যান হেঁটে হেঁটে। আর তাঁর সাথে আমাকেও হাঁটতে হয়, যেটা আমার সবচেয়ে অপ্রিয় কাজ। শুধু যে ঢাকার ভেতরেই ‘গুঁড়ের জিলাপী অভিযান’ চলে, তা না। ঢাকার বাইরে বেশ কিছু জায়গায় আমরা গিয়েছি জিলাপী খেতে। সেই যাত্রাগুলো আরো ভয়ংকর। ঢাকায় অলি-গলি এমনিতেই বেশি, রোমেল ভাইয়ের জিলাপীর দোকানগুলো আবার এসব গলির শাখা-প্রশাখার ভেতর, যেখানে কোনভাবেই রিক্সা ঢোকা সম্ভব না। অবশ্য সম্ভব হলেও কোন লাভ হত না!
তারকাঁটা ওরফে হিন্দি ভাষায় চুল কাটা!
শিরোনামটা সরাসরি লিখতে পারলে আরো ভালো হতো। কিন্তু এক শীর্ষস্থানীয় ব্লগের ফ্রন্ট পেইজে একটা পোষ্ট অশ্লীল নামে ঝুলবে, ব্যাপারটা ভালো দেখায় না। তাই একি কথা একটু অন্যভাবে বললাম। আরো বেশী কিছু বলা উচিত। কারন এই সিনেমার প্রিমিয়ার থেকেই আমার মেজাজ খারাপ। আর সেই মেজাজ খারাপের কারনেই ছবিটা এত শর্ট নোটিসে দেখতে গেলাম। মেজাজ খারাপ করার কারন এর প্রিমিয়ার নিয়ে। এর প্রিমিয়ারে এক সাংবাদিক গিয়ে তাঁর পত্রিকায় সিনেমাটার এক রিভিউয়ে হালকা সমালোচনা করেছিল। এই সামান্য সমালোচনাই আমাদের মান্যবর সিনেমার পরিচালক ও তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গোরা সইতে পারেন নাই। ব্যাক্তি আক্রমনের চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েছে ফেসবুকে। বলা হয়েছে, প্রিমিয়ারের ফ্রি টিকেটে পেয়ে চ্যাটাং চ্যাটাং কথা ঝাড়ে সাংবাদিকেরা, নিজেরা কয়টা নাটক বানাইছে,সেই সাংবাদিকের লেখা গান নেয় নাই তাই তাঁর এত রাগ। হাবিজাবি কত কথা দেখলাম ফেসবুকে। আমি ডিমের গন্ধ শুনলেই বুঝবো যে ডিম প
"কথাই হয় না"
'কথাই হয় না' আমাদের আড্ডার খুব জনপ্রিয় একটা লাইন। যার কথাই পছন্দ হয় না, তাঁর ব্যাপারে সোজাসুজি মন্তব্য, 'আপনার তো কথাই হয় না'। এর আবার যুতসই একটা উত্তরও আমি দেই। ঠিক বলছেন, কথা খালি আপনাদেরই হয়,আপনারাই বরের বাপ আবার আপনারাই কনের বাপ। তবে মেইন লাইনটা যুতের না। কারন কথা কি হওয়ার জিনিস, কথা তো বলার জিনিস। আড্ডায় যার যা মনে আসে তাই তো বলে দেয়। এখানে হওয়া না হওয়া কি? সবই তো দিন শেষে অর্থহীন কথকতা। তাও এত পপুলার লাইন এইসব যুক্তির ধার ধারে না, কাউকে ব্যর্থ প্রমান করতে একটা লাইনই যথেষ্ট, 'ধুর মিয়া তোমার তো কথাই হয় না'। এই লাইনের পারফেক্ট এস্তেমাল করেছিল আমার এক বন্ধু। তাঁর সাথে ঢাকা ভার্সিটির টিচারের কি নিয়ে ঝগড়া হচ্ছিলো নীলক্ষেতে, সে ঠাস করে বলে বসলো আপনি কিসের শিক্ষক, ছেলেমেয়েদের কি পড়াবেন, আপনার তো কথাই হয় না। শিক্ষক মহোদয় নির্বাক হয়ে বিদায় নিলো।
ওয়ার ক্রাইমস ফাইল- এর পরিচালক নন বার্গম্যান!
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধ নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্রের মধ্যে অন্যতম “ওয়ার ক্রাইমস ফাইল”। এমনকী বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে এটাই প্রথম আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত তথ্যচিত্র। ১৯৯৫ সালে তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করে অালোচনায় অাসেন বাংলাদেশে বসবাসকারী ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যান। বেশ কয়েকটি অনলাইন সূত্রে উল্লেখ অাছে ডেভিড বার্গম্যান ওই তথ্যচিত্রের পরিচালক। বাংলা ট্রিবিউনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে “ওয়ার ক্রাইমস ফাইল” তথ্যচিত্রের পরিচালক ছিলেন হাওয়ার্ড ব্র্যাডবার্ন। তথ্যচিত্রটিতে একজন প্রতিবেদক হিসেবেই কাজ করেছেন বার্গম্যান।
বাজেট
বিবাহিতদের মধ্যে কৌতুকটির প্রচলন ব্যপক। সুখি দাম্পত্যের অন্যতম উপায়ও সেটি। বলি,
জগতের সব ছোটখাট বিষয়, এই যেমন কোথায় কত খরচ হবে, কাকে কত টাকা দিতে হবে এসব দেখবে ঘরের বউরা। মানে মেয়েরা।
জাগতের সব জটিল বিষয়, এই যেমন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে কী না, তা পানির জন্য হবে না তেলের জন্য হবে, তা ভাববে ঘরের কর্তা মানে ছেলেরা।
এভাবে দায়িত্ব বন্টন হলে আশা করার যায় সবার মুখে হাসি থাকবে। কৌতুক হোক, আর যা-ই হোক, টাকা-পয়সা ব্যবস্থাপনা, মানে কোথায় কত খরচ, কাকে কত দিতে হবে এসব বিষয়ে বাঙালি মেয়েদের জ্ঞান বেশ ভালো। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত মেয়েদের। তাদেরকে বাজেট করে সংসার চালাতে হয়। তারা বাজেট বুঝে সবচেয়ে বেশী।
এখনো মধ্যবিত্তের যে বউকে মাসের শেষে ধারকর্জের টাকায় চলতে হয়, তার চেয়ে বেশী ঘাটতি বাজেট কে মোকাবেলা করে?
ফর্মালিন
তোমার আমার ভালোবাসা থাকবে অনেক তাজা
ফুল দিয়েছি ভালোবাসায় ফর্মালিনে ভেজা
জি আজকের বিষয় ফর্মালিন।
সেদিন আজিমপুর গুরস্তানের জনৈক গোরখোদকের বরাত দিয়ে একজন সুশীল জানিয়েছেন, বছরের পর বছর এখন নাকি মরদেহ পচে না। ফর্মালিনের ভয় জীবন থাকতেও আছে,মরে গেলেও থাকছে।
ঢাকার কিছু বাজার ফর্মালিনমুক্ত ঘোষণা করেছিলো এফবিসিসিআই। দুয়েকটা বাজারে সোয়ালাখ টাকা দামের ফর্মালিন সনাক্তকরণ মেশিন এখন আর ব্যবহার করা হয় না। বাজার সমিতির কার্যালয়ে বন্দি সেসব মেশিন। কালের কণ্ঠ জানাচ্ছে দুটো বাজারে চিঠি দেয়া হয়ছে মেশিন ফেরত চেয়ে।
যাক, খাবার না পচলেও বিএনপি জানাচ্ছে পচে গেছে আওয়ামী লীগ। ফর্মালিন দিয়ে তাদের তাজা রাখার কোন পরিকল্পনা বিএনপির নাই। তারা অপেক্ষায় আছে, আওয়ামী লীগ আরেকটু পচুক।
আওয়ামী লীগের আবার মায়ার শরীর। তারা বিএনপিকে ভালোবাসে। তাই ফরমালিন দিয়ে বিএনপিকে তাজা রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।