অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৭ জন অতিথি অনলাইন

হতাশার এক প্রান্তে দাড়িয়ে

অনেক দিন থেকে আনমনা হয়ে আছি ,কে কি বলছে শুনতে পারছি না ঠিকমত শুনার চেষ্টা ও করছি না ।জীবন টা খুব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছে, অথচ এমন হওয়ার তো কথা না ।কিছু একটার খুব অভাব বোধ করতেছি মনে হচ্ছে কি করব বুঝে উঠতে বড় সমস্যা হচ্ছে । আসলে আমাদের মত মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে গুলোর অভাব যেন শেষ হতে যেও শেষ হয় না । কত স্বপ্ন নিয়ে আমাদের পথচলা শুরু হয় এই স্বপ্ন গুলো তাদের মাঝপথে এসে মাঝেমাঝে থমকে দাঁড়ায়। আবার সেই স্বপ্নের সাথে বসবাস এই ভাবেই চলতে থাকে স্বপ্ন দেখা স্বপ্নের মাঝেই বেড়ে উঠা ।স্বপ্নের মাঝেই আমাদের বেঁচে থাকা হাল ছাড়িনি স্বপ্ন এইবার সত্যি হবেই ।

আমাদের আমরা

আমাদের বাগানে এখন আর হাস্নাহেনা ফুটে না। আমাদের বাগান জুড়ে সবুজ গালিচা পাতা থাকে, সবুজের ফাঁকে ফাঁকে মেজেন্টা লাল সাদা নাম না জানা ঘাস ফুল উঁকি ঝুকি মারে না। দেয়ালের ভেজা ভাঁজে বট বৃক্ষ বাসা বাঁধার স্বপ্ন দেখে না। আম জাম কাঁঠালের গন্ধ একাকার করে গ্রীষ্ম আসে না। এখন আমরা টবের বাগানে ক্যাকটাসের চাষ করি। ছোট ছোট রঙিন ফুল ফুটে। স্পর্শের বাইরে থেকে দেখে যাই আর চোখ জুড়াই ।

তবু ও জীবন বয়ে চলে। পরিবর্তন কে সাথে নিয়ে বহমান নদীর মতো বয়ে চলি আমরা। যদিও রাস্তার পাশে ঢালু জমিনে জমিয়ে রাখা ওয়াসার পানি দেখে চিৎকার করে উঠে আমাদের উত্তরসূরি, ্দেখ, নদী নদী। আহা কি প্রশান্তি। নির্লিপ্ত চেয়ে থাকি আমরা তাদের দিকে। কি বলব তাদের? হ্যাঁ, এই তোদের নদী। এই বয়ে চলা সময়ের সাথে পাল্লা দেয়ার নাম ই জীবন। প্রলম্বিত করা যায় হয়তো কোন সময়, প্রচেষ্টায়, কিন্তু এই বদলে যাওয়া বদলে দেয়া নিয়ে ই আমরা।

আমি, তুমি আর দিনের শেষে ভুলবন্দি রাত.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

জানি,
দিনের শেষে তুমিও একা।

তোমার চোখেও রাত্রি নামে,
দিনের শেষে;
নিরবতার আয়না জুড়ে মুখরতা।

জানি ঠিক আমার মতই,
মনে মনে আপনমনে;
হাসির তোড়ে বিষাদ লুকাও।

খোলা চোখে আঁধার মেখে,
অন্ধকারের ডুবসাতারে -
ভুলে
পথ ভুল করে ফের,
আলতো ছোঁয়ায়;
মুখোসে মুখ একে যাও।

হিসেবে ভুল হলে তাও,
ভুল চোখেতেই হিসাব মিলাও।
পাছে পথে ভুল হয়ে যায়,
ভুলের ভেলায় পথের খোঁজে;
পরশপাথর আপনি বিলাও।

ভুলে যাও,
আমার মতই -

ভুলে চোখ; মেললে না মন,
হিয়া না ভরলে আলোয় -
দিনের শেষে,
অন্ধকারে;
খালি চোখে যায় না দেখা।।

ষোলো আনা জীবন!

লিখতে বসছি মুড অফ নিয়েই, লিখতেও কেমন জানি আলসেমী লাগে তাই নোটবুকের সামনে হা করে বসে থাকি। ফেসবুক ইউটিউব আর নিউজ সাইটে অস্থির পায়চারী করে রাত বেড়ে যায় কিন্তু লেখা আর হয় না। অথচ লেখা আমার জন্য খুব আনন্দের বিষয়, তা যাই লেখি না কেন !

ভালো একটা শিরোনাম খুঁজে পেতেই হবে

মন মাঝি খবরদার
আমার তরী যেন ভেড়ে না
আমার নৌকা যেন ডুবে না।

মজিদ ভাইয়ের দোকানের বেঞ্চে বসে শাফায়াত ভাই গানটা গাওয়া শুরু করলেন। শাফায়াত ভাই চমৎকার গান গাইতে পারে। কিন্তু কদাচিৎ শাফায়াত ভাইয়ের দেখা পাওয়া যায়।
যেসব রাতে দেখা হয়ে যায় সেসব রাত কেটে যায় ভেবে ভেবে। ভাগ্যক্রমে সেদিন রাতেও দেখা হয়ে গিয়েছিল।

গানটা শুনেই পাহাড়ের দেশের রাতে একটা নির্জন জলাভূমির কথা মনে পড়ল। যেখানে চাঁদের আলোয় রাত খেলা করে। একবার প্রকৃতির সেই গোপন স্বপ্নরাজ্য দেখে আমরা পৃথিবীর সব বিষাক্ত দুশ্চিন্তা ভুলে গিয়েছিলাম। তক্ষকগুলো ডেকে যাচ্ছিলো আর পাহাড়ের ভালবাসার পরশে আমাদের দেহমনের সব প্রার্থনা গেয়ে শোনাচ্ছিল লুসি দিদি- সাড়ে তিন হাত নৌকার খাঁচা, মন মন মাঝিরে, ঘন ঘন জোড়া; সেই নৌকাখান বাইতে আমরন, হাড় হইলো গুড়া রে...

আপোষ ফুরোবে কখন, হিসেব করাই অপচয়!

শাহবাগের সেই অসাধারণ দিন গুলোতে একটা জনপ্রিয় স্লোগান ছিল- আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম (গগনবিদারী আওয়াজে আমাদের উত্তর)। স্লোগানটা যখনই শুনতাম বা এখন অনেকদিন পর যখন ভাবি তখন অবাক হতে হয়। এ যেন ভুতের মুখে রাম রাম। সেই একাত্তরের পর থেকেই আমাদের আপোষ ছাড়া আর তেমন কোনো ইতিহাস নাই যাদের, তারাই দাবী করছি সংগ্রামের কঠিন পথে যাবার। তাই কবি আর আবৃত্তিকারেরা যতই বলুক আপোষ করিনি কখনো এই আমার ইতিহাস। তাতে আমি বরং বিরক্ত হই। কে করি নি আপোষ? যে বলে আপোষ করে নি সেও তার কিছুদিন পর কারো না কারো পোষ মেনেছেই। এ ছাড়া উপায় কি? যে পরিবেশে আমরা বড় হই আর বেড়ে উঠি তাতে যতই আর এফ এলের চেয়ারে বসি না কেন, আমাদের মেরুদন্ড শক্ত নয়, দাঁড়াতেও পারিনা শক্ত করে। তাই আপোষের হিসেব করা অপচয়ই। কখনো ফুরোবেনা এই হিসাব, প্রতিদিনই তো করছি নানান মানুষ নানান ভাবে, জাতিগত ভাবে!

ফেসবুকে জীবনযাপন

ফেসবুক ক্রমশঃ আমাদের অস্তিত্বের বিজ্ঞাপনে পরিণত হয়েছে। ফেসবুকের বন্ধুদের কাছে আমাদের আনন্দ উল্লাস বেদনা দীর্ঘশ্বাস উন্মুক্ত করছি। মুহূর্ত যাপনের আনন্দগুলো যখন লাইক আর ফলোয়ারের পরিমাণের পরিসংখ্যানে নিরুপিত হয় তখন বর্তমানকে আড়াল করে এক ধরণের কল্পিত বর্তমান নির্মাণের ঝোঁক বাড়ে।

করুণা প্রত্যাশী কল্পনা বিলাসী প্রেমময় উক্তিসমগ্র নির্বাচন এবং বিভিন্ন ধরণের সময়সীমায় মন্তব্য এবং লাইকের সংখ্যা গুণে উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত বক্তব্য সম্প্রচার করে জনপ্রিয় হতে চাওয়ার প্রবনতা ফেসবুকের আগে এতটা নগ্ন ভাবে প্রকাশিত হয় নি। ফেসবুক প্রজন্মের কাছে টয়লেটের দরজা ঘেরা আব্রুর বাইরে এখন একান্ত ব্যক্তিগত তেমন কিছুই নেই। ব্যক্তির প্রচারমুখীতা ব্যক্তির প্রাইভেসীবোধকে বদলে দিয়েছে।

গান-গল্প-সিনেমা

১.
কি বই পড়বো? এটা নিয়ে মাঝে মাঝেই মুশকিলে পড়ি। কারণ এখনও আমার কাছে পড়া হয়নি বা অল্প পড়েছি এমন বইয়েরও সংখ্যাও অনেক। মন এখন কেমন আছে এর উপরও নির্ভর করে কি বই পড়বো?
বইমেলা থেকে কিনেছিলাম মহাদেব সাহার আত্মস্মৃতি-১৯৭৫ : সেই অন্ধকার, সেই বিভীষিকা-বইটি। পড়তে শুরু করেছিলাম। ইত্তেফাকে আমার সহকর্মী ছিলেন। কিন্তু কখনো তেমন কথা হয়নি। দূর থেকে দেখতাম। আর বাসায় তাঁর কবিতা পড়তাম। কিন্তু বইটি পড়তে গিয়ে প্রচণ্ড হতাস হলাম। কারণ আত্মস্মৃতি বলতে তেমন কিছু পেলাম না। অথচ ৭৫ এর সেইসব দিনগুলো নিয়ে প্রচন্ড আগ্রহ আছে। এই বইটি মূলত বন্দনা সমগ্র। মহাদেব সাহা সেই সময়ের বাংলাদেশ নিয়ে যতটা লিখেছেন তারচেয়ে বেশি আছে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা বন্দনা।

২.

বৈশাখী মেঘের কাছে!

আজ তেমন গরম নেই, নেই লোডশেডিংয়ের যন্ত্রনা, ফ্যান চললে আরামদায়ক এক অবস্থা, বিকেল থেকে বৃষ্টি হবার শত সম্ভাবনা দেখা দিলেও কয়েক ফোটা মাত্র বৃষ্টি হলো। তাতে কি আর এই তীব্র তাপদহের জ্বালা কমে? তবে আগামী দুয়েক দিন নাকি এরকম মাঝে মাঝে ঠান্ডা হাওয়া আসতে পারে বিকেলের দিকে, হয়তো হালকা বৃষ্টি, এতোটুকুই আশাবাদের জায়গা!

আমার উঠোনে তোমার এক টুকরো রোদ

আজ অনেক দিন পর ক্যাম্পাস গেলাম। আশে পাশে যেখানে তাকাই সব জুনিয়র। নাই কোন পরিচিত মুখ। নিজেকে বুড়ো ভাম বলে মনে হচ্ছিলো। ছোট থেকে একদম হঠাত করে বুড়ো হয়ে গেলাম। মাঝে আর কিছুইতো নাই দেখা যায়। স্ট্রাগল!! কবে শেষ হবে আমার!!

শহরের উষ্ণতম সব দিনগুলোতে!

এই তীব্র তাপদাহ নিয়ে নতুন করে আর কি বলবো, ভুক্তভোগী তো সবাই। এমন কি যাদের এসিতে থাকার ব্যাবস্থা আছে তাদেরও এই গরমে রক্ষে নাই খুব একটা। কারন বাইরে বের হলেই এসিতে থাকা আরামের বাদামী চামড়া, ছ্যাত ছ্যাত করে উঠে গরমে। এই এক্সপিরিয়েন্স আমার বেশী হয় শান্ত ভাইয়ের বাসা থেকে যখন বাইরে বের হই। মনে হয় ডাইরেক্ট আগুনে নেমে গেছি। দশ মিনিট লাগে বাইরের গরমে ধাতস্থ হতে। এত আরামে যে থাকে শান্ত ভাই তার মুখেও শুনতে হয় গরমের কেচ্ছা প্রলাপ। আমার হাসি পায়, কাকে কি বলে মানুষ?

রানা প্লাজার এক বছর!

আজ এক বছর হয়ে গেলো রানা প্লাজার বা এভাবেও বলা যায় ১১৩৪ টি প্রাণ গত বছরের এই দিনে লাশ হয়ে গিয়েছিলো। এই দিনটিকে নিয়ে আজ মিডিয়া, ফেসবুক সবাই কথা বলছে। কারণ আজ এক বছর হলো। মধ্যখানে আমরা সবাই (কিছু মানুষ ছাড়া) রানা প্লাজার এই হত্যাকাণ্ডটি ভুলেই গেসলাম। আমাদের কি এইটা মনে রাখার কথা!

১১৩৪ - সংখ্যা নয়, প্রাণ

বাংলাদেশের পোষাক শ্রমিকদের প্রাণ হারানো যেন নিত্যনৈমত্তিক বিষয়, দিনে দিনে বাড়ছে সেই বঞ্চনা নিপীড়নের গল্প। হ্যা, সব কিছু একসময় গল্পই হয়ে যায়! পোষাক কারখানার কষ্টকর জীবনযাপন তো চলছেই দিনমান, তবে পোষাক শ্রমিকদের প্রাণ হরণের যে যজ্ঞ শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালের ২৪শে এপ্রিল, সেই অভিষপ্ত রানা প্লাজা'র কথা ভুলতে পারা যায় না। ১১৩৪ এর পরও অগুনিত প্রাণের আত্নাহুতি হয়েছিল মৃত্যুকূপ রানা প্লাজায়। এই ১১৩৪ কেবলি হাতে গোনা সংখ্যা নয়, এই গুনিতব্য সংখ্যার হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর সাথে জড়িয়ে ছিলো আরো হাজারো প্রানের আশা আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন। সেই হাজারো স্বপ্ন কি অবলীলায় চুরমার হয়ে গেল। বছর পেরিয়ে আসছে ভয়াবহ সেই দিন।

বাংলা নববর্ষ বরণ

পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে নানা জনের নানা কথা পড়েছি। সবগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। পড়ে, মনে হলো আমিও কিছু বলি। সে সব খুবই সাধারণ কিছু কথা এখানে বলতে চাই।

পোশাক প্রসঙ্গে শুরু করি। আমাদের গ্রামের মানুষদের প্রধান পোশাক লুঙ্গি। মেয়েদের শাড়ি। অবশ্য প্যান্ট, টি-শার্ট গ্রামের পথ চিনেনি, ভাবলে ভুল হবে। সালোয়ার কামিজ ও স্কার্ট সম্পর্কে গ্রামের মানুষ অবগত নয়, তা ভাবা ঠিক নয়। শিক্ষা, টেলিভিশনসহ নানা যোগাযোগ মাধ্যমের ফলে, এখন আর প্রাচিন কালের গ্রামের মতো গ্রাম খুঁজে পাওয়া মুশকিল। গ্রাম রূপান্তরিত হয়েছে মফস্বলে, মফস্বল শহরে। আচরণে, চিন্তায়।গ্রামের মানুষ সুযোগ সুবিধা পাক, তা আমি চাই। ভালো কথা,শহরের মানুষের অনেকরই ঘরের আরামদায়ক পোশাকের নাম, লুঙ্গি।

বৃষ্টি অথবা ছুটি.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

শহরবন্দী মেঘ,
ছুটি দাও।

ছুটির ঘন্টা বাজাও;
বিষণ্ণ দুপুরের গায় -

আজ আমি স্নান করবো না,
বৃষ্টি না হলে।

শহরবন্দী মেঘ,
ছুটি দাও।

ছুটির ঘন্টা বাজাও,
বাউণ্ডুলের আকাশভরা নীলে।

আজ আমি বালুকাবেলার ডাকহরকরা,
সুপ্রিয় সমূদ্র ছোঁব না;
আর কিছুতেই -
বৃষ্টি না হলে।

শহরবন্দী মেঘ,
ছুটি দাও।

ছুটির ঘন্টা বাজাও,
একলা বিকেলের রোদ্দুরে;
সন্ধ্যার মায়াভরা রাস্তায়।

শহুরে অন্ধকারে,
হারিয়ে যাক;
নিকোটিন ধোঁয়া।

আজ বন্ধ -
চায়ের কাপে ঝড়,
বৃষ্টি না হলে।

বন্ধ খামের ভেতরেই থাক,
দুরের পাহাড়ের ডাক।
টিকেট কেটেও যাওয়া হবে না,
কু ঝিক ঝিক রেলে চড়ে বাড়ি।
যেখানে একাকী দরজায়,
কলিং বেলের অপেক্ষায়;
ভালোবাসা হৃদয়।

আজ আমি কোথাও যাবো না,
বৃষ্টি না হলে।

শহরবন্দী মেঘ,
ছুটি দাও।

ছুটির ঘন্টা বাজাও,
বাক্সবন্দী পথচলায়।

জানোই তো,
এখানে;
আমাদের চোখে -

বৃষ্টি হলেই ছুটি।।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ