অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৮ জন অতিথি অনলাইন

হলপ্রিন্ট (২)

গরমে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। চৈত্র মাসের কেবল ষোলো সতেরো চলে, তাতেই এই অবস্থা, এখনো তো আসল গরম বাকি। তবে গরম নিয়ে লোকজনের উৎকণ্ঠা শুনলে হাসি আসে, মনে পড়ে নিজের হাল হাকিকতের কথা। যে গৃহে আমার বাস, সেই ঘর নরকের আগুনের মতো গরম। ছোটবেলায় শুনেছি এই আগুনের চেয়েও দোযখের আগুন ৭০ গুন নাকি বেশী তীব্র। মানুষের বাসায় টাসায় যেয়ে যখন নিজের ঘরে ফেরত আসি তখন মনে হয় ৭০ গুনের চেয়েও বেশী তাপ আমার রুমে। তবে এইসব নিয়ে আমি কখনোই হা হুতাশ বা আফসোস জানাই না। কারন এখন তো তবুও বিদ্যুৎ থাকে, আগে ঘন্টায় ঘন্টায় লোডশেডিং, তীব্র গরমে খালি ঘামি আর ঘামি, তাতেই আনন্দ আহলাদে কত কী করেছিলাম। আর এখন তো কত আরাম, একটা লেখাও মিস হয় না, সব সেইভ করে লিখি, কারেন্ট গেলেও সমস্যা নাই নোটবুকে অফুরন্ত চার্জ, গরম টা আগের মতই তীব্র কিন্তু তাতে কি?

ক্লোনিং সাইকোলজি

১৯৯৬ সালের জুলাই মাসে বিশ্বের প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্লোন তৈরী হলো, ডলি। অমেরুদন্ডী সরল প্রাণী নয় বরং স্তন্যপায়ী মেরুদন্ডী একটি প্রাণীর অবিকল প্রতিরূপ তৈরীর সংবাদের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে। সে সময়ে অবশ্য আমরা রাষ্ট্র, অর্থনীতি সমাজ বিষয়ে খুব বেশী সচেতন ছিলাম এমনটা বলা যাবে না, বরং আমাদের মনে হয়েছিলো পৃথিবীতে ক্লোনিং পদ্ধতির সুচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি হতে পারে মনোবিজ্ঞানে। মনোবিজ্ঞান আদৌ বিজ্ঞান কি না, মানুষের বেড়ে ওঠায়, তার আচরণে স্মৃতি এবং সামাজিকতার প্রভাবগুলো চমৎকার পর্যবেক্ষণ করা যাবে। ক্লোন মানব আমাদের এমন অনেকগুলো শিশু দিবে যাদের শাররীক গঠন থেকে শুরু করে মস্তিস্কের কোষের গঠন অবিকল একই রকম। সুতরাং আমরা এমন অনেকগুলো স্যাম্পল নিয়ে কাজ শুরু করবো যেগুলোকে অনায়াসে " আইডেন্টিক্যাল" বলা যাবে। তাদের ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে রেখে তাদের পরিণতি পর্যবেক

স্যানেটারি ন্যাপকিনের হালের একটি বিজ্ঞাপন এবং বিজ্ঞাপনে মতাদর্শ নির্মাণ-বিনির্মাণের দায়

ক.

কল্পিত একাত্তর

১৯৭১ সাল। ১৫ ই মে।

হাজী ও আলহাজ্ব

হাজী ও আলহাজ্ব

আমাদের বাংলাদেশে হজ্ব এখন যেন এক বড় ফ্যাশন। আর হজ্ব করে এসে পৃত্তি প্রদত্ত নামের আগে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দ দুটি ব্যবহারে মানুষের এমনই উৎসাহ যে এটিও যেন ফ্যাশন ও প্রচারের( আত্ম অহংকারে) মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
বিশেষ করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতাদের নামের আগে পিছে এই হাজী ও আলহাজ্ব শব্দ ব্যবহার এমন এক মাত্রা নিয়েছে এ যেন এক পদবী সর্বস্ব( খান, চৌধুরী, তালুকদার, সৈয়দ---- এমন ) হয়ে পড়েছে। অথচ এই হজ্ব হবে শুধু আল্লাহর জন্য। শুধু নামের আগে পিছে হাজী/আলহাজ্ব টাইটেল/উপাধি পাবার জন্য হজ্ব নয়, কিন্তু বাংলাদেশের বিত্তবান মানুষদের হজ্বের উদ্দেশ্য যেন এই উপাধি পাবার জন্য হজ্বে যাওয়া।

এলেবেলে স্টেটাস-২

১.
স্বীকারোক্তি

আমাকে দিয়ে বিপ্লব হয়নি..
ভাতের মাড়ের দিনগুলোত মনোযোগ ছিল খাবারে..
একটুও যেন উপচে না যায়
একটুও যেন পাতে কম না পড়ে..

বিপ্লবে তখন মন নেই..
মন ছিল খালি থালাটার দিকে..
থলেটার শূণ্যতা ছিল চোখে

আমাকে দিয়ে বিপ্লব হয়নি..
বছর শেষে পরীক্ষার ফিস মিস না করার টেনশনে
যেন টিউশনিটা হাতছাড়া না হয়- আনমনে
যেন সবার সাথে যেতে পারি ক্যান্টিনে

আমাকে দিয়ে বিপ্লব হয়নি..
মাস শেষে পকেটের টান সহ্য হয়নি বলে
দিন শেষে পেটের টান মানতে পারিনি বলে
প্রতি ঘণ্টায় নিজের ধূসর প্রতিবিম্ব সহ্য করিনি বলে

আমাকে দিয়ে বিপ্লব হবে না
মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘণ্টা কাটাতে পারিনা তাই
বেলাশেষে ফ্যান ফুলস্পিডে দিয়ে গুটিশুঁটি মারতে চাই
অপরিচতর হাত ধরতে শঙ্কায় মরে যাই..

জীবন সংগ্রামে ব্যস্ত মানুষ বিপ্লবী হতে পারে না
জীবন সে সুযোগ দেয়না
আমাকে দিয়েও বিপ্লব হয়নি
আমাকে দিয়ে বিপ্লব হবে না..

চিঠি

ঘুড়ির কাগজে লিখা চিঠি, দূর মেঘের উজানে হারিয়ে গেলে
মনে পড়ল; ঠিকানা লিখা হয়নি।

লোডশেডিংয়ের রাতে ঘর জুড়ে নেমে আসে মন ভার করা অন্ধকার।
পোর্সিলিন মোমদানে সান্তাক্লজ;
কাঁপাম্লান আলোর বরাভয় রেখে চলে যান ছায়ার আড়ালে।
আয়না আছড়ে ফেলে বাতাসের পরী।হাতের তালুতে
ভাংগা কাঁচের টুকরা, দীর্ঘশ্বাস এবং এক বিন্দু রক্তের দাগ।

মোমের আলোয় লিখি স্বপ্ন এবং স্বপ্নভঙ্গের কথা।রূপকথার ভুলে যাওয়া গল্পগাঁথা
আবার পড়ছে মনে। জিগস পাজলের মতো সব জুড়ে দিতে গেলে দেখি,
কিছু টুকরো হারিয়ে গেছে ;কিছু বিসদৃশ বেমানান ফাঁক।
বাইরে বৃষ্টির গান। ডম্বরুমৃদঙ্গের তালে ঝরছে আকাশ।শব্দ লিখি।
শব্দের ভেতরে বাজে 'মিয়াঁ কি মল্লার' ।

স্মৃতির বুদবুদ থেকে রংধনুর সাত রং মেখে নেয় যে বর্ণমালা
তার ঘ্রাণ অবিকল বেলীফুলের মতো।অক্ষরের চিবুকে হাত রেখে
সাজাই স্বপ্ন এবং রূপকথার চিঠি। দীর্ঘশ্বাস লিখি।
ছবি আঁকি কড়ি ও কোমলের।

হলপ্রিন্ট (১)

রিসেন্ট টাইমে সানি লিওনের এক সিনেমার উদ্ভট এক গান আছে, নেচে গেয়ে নায়িকা বলে যায় সেখানে যার বঙ্গানুবাদ হলো 'এই দুনিয়া পিতলের', তাই এই পিতলের দুনিয়ায় ক্রিকেটে হার জিতে আর কি হবে! আমি অবশ্য আজ খেলার আগে থেকেই জানতাম কেন জানি বাংলাদেশের জয় হবে না, কারন হংকং এর কাছ থেকে হারের পর থেকে আমার মন কেন জানি উঠে গেছে, টিটুয়েন্টির নাম শুনলেই জিদ উঠে যায়। লোকজনের মুখে গল্প শুনি, কত টানটান ম্যাচ ছিল তার বর্ণনা শুনি, পত্রিকায় টূকটাক দেখি খবর এতটুকুই আমার পার্টিসিপেশন এবারের দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ব্যাপারে। আর মাঠে যাওয়া দুরের ব্যাপার, দেড়শো টাকার টিকেট ব্ল্যাকে পুলাপান বিক্রি করছে তিন চার হাজার টাকায়। আমি চিনি এমন অনেক ছেলেকে যারা মাঠে গিয়ে খেলা দেখে স্রেফ গার্লফ্রেন্ডের আবদার মেটাতে,ভাগ্যিস প্রেম পীরিতের বাজারে আমি নাই, থাকলে খেলা দেখাতাম কিভাবে? মানুষকে ঠেক দিয়ে টাকা আনতে হতো!

আমি, তুমি আর অন্ধকারের গান.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

আমার
একচিলতে
হৃদাকাশ,

আজও -
নীল।

তোমার ভালোবাসার
সুবিশাল ডানায়,
নেই দু'দন্ডের অখন্ড অবসর।
নিরন্তর উড়ালপথ -
জোড়া,
রিম ঝিম ঝিম রোদ্দুর।

যেখানে স্মৃতির করস্পর্শে
রৌদ্রস্নান করে -
অজস্র শঙ্খচিল,
রাতের পরিযায়ী মুহুর্ত;
আর স্বাপ্নিক আদর্শে বেড়ে উঠা আদুরে ঘুমপালক চোখ।

আর
বেখেয়ালে
ছন্দ কুড়োয় -
হারানো দিনের মতন
পুরাতন হাওয়ায়
বৃষ্টিস্নাত নগ্ন পদধ্বনি।

পাছে,
তালে ভুল না হয়ে যায় -

ভালোবেসে, অন্ধকারের গান
অথবা
দেখা না দেখার পথচলা
আর
বলা না বলা কথার সুর।।

মন তার যতই নাচায়, যে পাখির বাঁচাই খাঁচায়, সেই বোঝে ভাঙা কত কঠিন।

শিরোনামের লাইনটা যথারীতি আমার মাথা থেকে উৎপত্তি না, উৎপত্তিস্থল শিলাজিতের গান, 'স্বাধীনতা' থেকে নেওয়া। গানটা আমার যেকোনো দিনই অসম্ভব প্রিয়, কি অসাধারণ লিরিক। প্রথম দু তিন লাইন এমনঃ 'তুমি হায় বুঝবে কি ভাই, ফুরফুরে দিন কেটে যায়, বোঝাচ্ছো স্বাধীনতার মানে/ যে অধীন দিনে রাতে, বুলেটে যে বুক পাতে, সে বুঝেছে স্বাধীনতার মানে!' আসলেই আমরা কতটুকু বুঝি এই স্বাধীনতার? আহমদ ছফার একটা কথা খুব মানি, যে গত দুই হাজার বছরের বঙ্গ অঞ্চল কিংবা বাঙ্গালীর ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো একটা রাষ্ট্র স্বাধীনতা যুদ্ধ করে পাওয়া!

জাতীয় পতাকার অবমাননা

আমি যদি ভুল বলি তাই প্রথমে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।কারন এটা জাতীয় ইস্যু। গতকাল জাতিয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলেও টিভির সামনে দাঁড়িয়ে সমস্ত সহকর্মীদের নিয়ে গলা ছেড়ে গাইলাম প্রানের চেয়ে প্রিয় জাতীয় সঙ্গীত।

স্বাধীনতা তুমি এসেছিলে বলে

স্বাধীনতা তুমি এসেছিলে বলে
দিনভর
প্রশান্ত মনে জীবিকার সন্ধানে ঘুড়ি
রাতে সুখ নিদ্রা যাই
তব দানে পাওয়া মাতৃভুমির ক্রোড়ে ।

সকালে নির্মল শীতল
সমীরণে, প্রশান্ত মনে
সূর্যি মামার রক্তিম আগমন পথে
যখন নজর পড়ে
মনে পড়ে যায়
উপরে বিধাতা, নীচে ১৮ বছর
জেল খানার অন্ধকার প্রকষ্ঠে কাটানো
জনকের কথা।

তুমি এসেছিলে বলে
আমি
লেখক, কবি, গীতিকার, গায়ক
কৃষক, গর্বিত গাড়ী চালক।
আরও আরও কত কি!!
তুমি এসেছিলে বলে
আমি কুদ্রাপি ছুটে চলা ঝঞ্ঝা।
আমি মুক্ত বিহঙ্গ,
আমি ঋদ্ধি, আমি ধন্য।
নিজের হাতে বানানো ঘূড়ি
পত পত করে উড়ে
ছুটে যেতে চায় সপ্তাকাশে,
তা না পারলেও আকাশের বাসিন্দাদের জানিয়ে দেয়
তার মুক্তির স্বাদ আস্বাদনের কথা
ডিগবাজি খেয়ে ইয়া আলী বলে
হুংকার ছুড়ে
আয় আয় হায়েনার দল,
আর একবার দেখি তোদের।

তুমি এসেছিলে বলে
আমার হাতে সবুজ পাসপোর্ট

দিনলিপি

সকাল বেলা সূর্য তাতিয়ে ওঠার আগেই কানের পাশে শিশ্নকাতর এক প্রেমিকের প্রেমের আঁচ হজম করলাম। অফিসগামী মানুষের ভীড়ে বাস আগাচ্ছে এক পা দুই পা করে, কানের পাশে প্রেমের উত্তাপ। কানে জীপার থাকলে ভালো হতো, ঠিকমতও লাগিয়ে দিলেবাইরের কোলাহল, উত্তেজনা এবং নানাবিধ শব্দঝঞ্ঝাট এড়িয়ে নিজের মতো অফিসের জ্যাম ঠেলে গন্তব্যে পৌঁছানো সহজ হতো। অভিযোগে পর্যুদস্ত করে, অনুযোগ অভিমানজর্জর মেকী প্রেমালাপের ফাঁকে যতটুকু স্পষ্ট হলো আমার গন্তব্যের তিনটা স্টপেজ আগে প্রেমিক নামবে। রাস্তায় এলেমেলো ছড়িয়ে থাকা গাড়ী, ট্রাফিকের তুলে রাখা হাত, লাঠি আর বাতিতে সাজানো আমাদের বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থায় যাত্রীর মানসিক উত্তেজনার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রৌদ্রের তাপ। অল্পতেই বিক্ষুব্ধ, সহিংস হয়ে উঠতে চাওয়া যাত্রীর সাথে কন্ডাক্টরের বচসা। পাশে মৌলানা ধাঁচের একজন বসেছে, সেও ক্রুদ্ধ।

নিঃসঙ্গ শালিখ

কোন একদিন ঠিকই খুঁজে পাবো আকাশের ভাঁজে লুকানো রং পেন্সিলের গোপন পকেট।
জানা যাবে বাতাসের মীড়ে মীড়ে মিশে থাকা শিতিগন্ধা সুরের রহস্য।

আনন্দেবিষাদে প্রতিটি বিকেল পান করি দ্রাক্ষারসের মতো।
অবকাশে দস্যিবালকের ক্রিকেটের ভেন্যু হয়ে যাওয়া গলি,
কার্নিশে ঝগড়াটে কাকের সালিশ,
বাঘের ভাবগরিমায় ঘাপটি মেরে বসা বেড়াল,
বৈকালিন চায়ের পেয়ালা এবং স্মৃতিমেদুরতা;
পায়ের পাতায় এখনো সর্ষে ফুলের ঘ্রাণ।
চলন্ত ট্রেনের জানালা দিয়ে দেখা দৃশ্যের মতো;
দেখা না দেখার দ্বিধা-দ্বন্ধে ফেলে আসা দিন।
কী যে তীব্র জীবনের গতি!

অজানা দুঃখের সংকেত দিয়ে করমচার ডাল থেকে একটি নিঃসঙ্গ শালিখ উড়ে গেলে
সবুজ পাতায় ফিকে রোদের মতো এক টুকরো বিষাদ লেপ্টে থাকে সারাটা বিকেল।

এই বিকেলটা হতে পারতো অন্যরকম;আকাশ দোলের আবীর মেখেছিল।

ব্যাঞ্জন বর্ণের ছড়া

ক দিয়ে কদম ফুল
বর্ষাকালে ফোটে
খ দিয়ে খরগোশ
দ্রুত বেগে ছোটে।

গ দিয়ে গরুর গাড়ি
নেইতো এখন ঢাকা
ঘ দিয়ে ঘর বানিয়ে
খেলছে খোকা একা।

ঙ দিয়ে ব্যাঙ ডাকে
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চ দিয়ে চশমা যেন
মেলে আছে ঠ্যাং।

ছ দিয়ে ছাতা মাথায়
যাচ্ছে দাদাবাবু
জ দিয়ে জলাশয়ে
জাল ফেলেছে হাবু।

ঝ দিয়ে ঝরনা ধারা
বইছে পাহাড় চিড়ে
ঞ দিয়ে মিঞা সাহেব
ফিরছে উঁচু শিরে।

ট দিয়ে টাকা-কড়ি
মিছে আশা সব
ঠ দিয়ে ঠেলাগাড়ি
নেইতো কোনো রব।

ড দিয়ে ডাবের পানি
সুস্বাদু মিষ্টি জল
ঢ দিয়ে ঢাকা শহর
ম্যাগাসিটি অবিকল।

ণ দিয়ে হরিণ হয়
দেখতে বেশ সুন্দর
ত দিয়ে তাল খেয়ে
বেতাল লখিন্দর।

থ দিয়ে থালা বাসন
সাজানো থরে থরে
দ দিয়ে দইচিড়া
শিশুর মন কাড়ে।

ধ দিয়ে ধনশালী
সবাই তাকে চেনে
ন দিয়ে নৌকাখানি
চলছে ভাটার টানে।

প দিয়ে পদ্ম ফোঁটে
বর্ষাকালের জলে
ফ দিয়ে ফল-ফলাদি
সবাই খাও মিলে।

ব দিয়ে বাবুই পাখি

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ