~~ দখিনা বাতাস!!! তোমাকে লিখা কবিতা~~
------------------------------------------------------------------------------------------------
------------------------------------------------------------------------------------------------------
মাঝে মাঝে দখিনা বাতাসে এলোমেলো হয়ে যায় আমার সব ,
উড়ে যায় সাজানো ফুলের বাগান।
নিভৃতে কাঁদে শুন্যতা,
আমি তো চেয়েছিলাম একমুঠো রোদ্দুর,
আমি চিৎকার করে বলেছিলাম – “ আমাকে নিরবে কাঁদতে দাও”
নাহ , আমাকে বিধাতা কাঁদতে দিলেন না ।
সেই দখিনা বাতাসেই আমার কাছে উড়ে এলো হারানো ফুলের বাগান...
ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না , আমি জেগে রই ...।।
ফুলের গন্ধে একা থাকতে যখন মানিয়ে নিচ্ছিলাম নিজেকে
দেখলাম ফুল গুলো চলে গেছে নষ্ট জীবানুর দখলে...।।
আমি আবার ফুলদানিতে নতুন ফুল রাখি ,
লাল, নীল, বেগুনী ...
পানি দেই , দেই সকালের সুরজের আলো,
গন্ধে আমি বিভোর,
এখানে ওখানে মৌমাছির মিছিল,
হুল ফুটিয়ে তবেই শান্তি,
মেনে নেই ,
মেনে নিতেই হয় ,
তবুও ফুল গুলো রাত ভোরে মরে যায় ...।
এভাবেই কেটে গেল অনেক দিন ।
আমি আমার মত আর হতে পারলাম কই?
তোমার মত চলতে গিয়ে , তোমাকে পেতে গিয়ে,
তোমার মত হতে গিয়ে ,
আমার আকাশ দেখা(দ্বিতীয় পর্ব)
গতকাল আমার আর আকাশ দেখা হল না। ঢাকা শহরে ইচ্ছা করলেই আকাশ দেখা যায় না। আকাশ দেখতে হলে রীতিমত প্লান প্রগ্রাম ও প্রস্তুতি নিয়ে আকাশ দেখতে হয়। সাধারণত কেউ আকাশের দিকে তাকায় না। ২৪ ঘণ্টায় দিন, ৭ দিনে সপ্তাহ, ৩০/৩১ দিনে মাস ৩৬৫ দিনে বছর। এত সময়ের মধ্যেও ঢাকা শহরের বিশ্বের দ্রুতগামী যুদ্ধ বিমানের চাইতেও দ্রুত গতিতে চলা, এবং ইউনিভার্সাল টেস্টিং মেশিনে রড টেস্ট করার ইলাস্টিসিটির শেষ বিন্দু ইল্ডিং পয়েন্ট সমান দুঃশ্চিন্তা নিয়ে চলা মানুষগুলোর একটু ফুসরত মেলে না আকাশের দিকে তাকানোর। আমার লেখাটা পোস্ট করার সাথে সাথে জানি অনেক প্রতিবাদ আসবে, উজবুকের মত আপনার মনে যা আসছে তাই লিখে যাচ্ছেন। হবে হয়তবা, কিন্তু আমার দেখা খুব কাছ থেকে দেখা যত বেশী অর্থ নৈতিক সমৃদ্ধশালী যাদেরকে আমরা খুব সুখী লোক হিসেবে কাছ বা দূর থেকে দেখি তাদেরকেই আমার বেশি সময়ের কাঙ্গাল বা অসুখী মানুষ মনে হয়।
ভাঙাচোরা দিনকাল
১.
হঠাৎ স্মৃতির বিপন্নতায় হয়তো ডুবে যায় কিছুটা সময়। দিঘল কালো চুলের মতো মেঘের ভেতর গুটিয়ে নেই নিজেকে। স্মৃতির চিঠি পাঠ করতে করতে নিজের মধ্যে বসে নীল হই নিজে। ভুলে যাই জীবনের মানে, হারিয়ে ফেলি স্বপ্নের সাকিন। দিকভ্রষ্ট হতে হতে সন্ধ্যা নেমে আসে বুক বরাবর, বিষাদ অন্ধকার শেষে আবারও কারো চোখের কোণে সূর্য ওঠে। চায়ের কাপে কালো পিঁপড়েটাকে ভেবে নেই লাল, তাতে যদি সুখ পাই। তাতে যদি সকালটা শুভ হয়।
ভাঙাচোরা এই দিনকালে, ‘ভাব লাগে না মনে’ ও কিছু কিছু সকাল ভালোবাসাবাসির রং ভিড় করে। ভুলে যাওয়া মুখ, হারিয়ে যাওয়া মুখ, হঠাৎ টুইটার বা স্কাইপে পেয়ে ভাবি, যে দিন যায়, তারে আমি পারি না ধরে রাখতে ক্যালেন্ডারের পৃষ্ঠায়। শুধু মনের ভেতর যে ডায়েরি আছে সেখানে লেখা থাকে, সমস্ত ভুল অথবা ভুল অক্ষরে লেখা নাম বা আমার ডাকনাম।
স্বপ্নশ্বাবদ
আমার স্বপ্নে মাঝেমাঝে
বেড়াতে আসে একটা চিতাবাঘ
আমি দেখি ওর শব্দহীন হাঁ-মুখ
বিশাল তৃণপ্রান্তরে ও ছোটে
সন্ধ্যার গোলাপি মায়াতেও
স্পষ্ট দেখতে পাই ওর
আলো হড়কানো সোনালি চামড়া
চারপায়ে ঝড় তুলে
ক্রমাগত বদলে দেয় গতির ঠিকানা-
ঠিক যেভাবে আমরা পেরিয়ে যেতে চাই
অচেনা রাস্তার ধাঁধাঁ |
তারপর
একটা ছিটকে যাওয়া তীরের মতো
একটা খুলে যাওয়া স্প্রিঙের ঝটকায়
একটা প্রকান্ড বাতাসী উড়ান |
আমার ঘুম ভেঙে যায়
ঘামে ভেজা শরীরে
উঠে বসি অভ্যাসমতোই ;
আর শুকনো ঠোঁট চাটতে চাটতে ভাবি
আমি কি লাফাতে পারব
যা কিছু আমাকে মারে প্রতিদিন
সেইসবের বেয়াড়া ঘাড়েতে ?
বিষয়টা শোভনীয় না....তবুও....
সকাল ৭টা ৪৫…
আট টায় ক্লাশ।বাসা থেকে ভার্সিটি যেতে কম করে হলেও আধা ঘণ্টা লাগে।দেরি করলে হয়তো অনুপস্থিত থেকে যাব,তবু আমার মধ্যে কোন তাড়াহুড়ো নেই।ধীর গতিতে বাসা থেকে বের হলাম।ফুসফুসটা এখনও অক্সিজেনে ভরা,কিছুটা নিকোটিন খুবই জরুরী।সিগারেটের দোকানের সামনে দাঁড়াতেই বৃষ্টি শুরু হল,যাকে বলে বিড়াল-কুকুর বৃষ্টি।কোন ধরণের পূর্বাভাস ছাড়া এমন বৃষ্টি কোনদিন দেখেছি বলে মনে হয়না।কি আর করা,রওনা দিলাম বাসার দিকে ছাতা নামের ঝামেলাটাকে সঙ্গী করতে।পেছন ফিরে দেখি দোকানী একটা বেনসন এন্ড হেজেজ হাতে শুকনো মুখে তাকিয়ে আছে,দিনটা তার শুভ হল না!!
কয়েক মিনিট পর আবার সেই দোকানের সামনে এসে দাঁড়ালাম।উদ্দেশ্য ওই আগেরটাই,তবে এবার ফুসফুসের চাহিদাটা একটু বেশিই মনে হচ্ছে।সিগারেটে একটা টান দিয়ে পা বাড়াতেই মনে হল কেউ ডাকছে।হাতে সময় কম,ডাকাডাকিতে কান না দিয়ে এগুতে থাকলাম।আবার সেই ডাক....
"এই যে ছাতা ওয়ালা দাদু!!"
গলার স্বরটা চেনা চেনা মনে হল।"দাদুভাই,এটা কিন্তু শোভনীয় না" কথাটা মনেহয় এই কণ্ঠেই শোনা,কিছু মনে করতে পারলাম না।পেছনে ফিরতে যাব সেই সময় আবার একই ডাক।
অবলিভিয়ন [একটি দর্শক চক্ষে দেখা চলচিত্রালোচনা!]
"How can man die better:
than facing fearful odds,
for the ashes of his fathers,
and the temples of his God".
একটা মুভি নিয়ে একটা কিছু লিখতে ইচ্ছে করতেছে,
(উপরের লাইনগুলা মুভিটাতেই চোখে পড়ল।)
কিন্তু কি বলবো এবং কিভাবে বলবো তা মাথায় আসতেছে না কিছুতেই।
মুভিটা ভালো লেগেছে খুব,
কিন্তু এত্ত বড় একটা মুভিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই ভালোলাগাটুকু
কিভাবে অল্প কিছু কথায় সবার সাথে শেয়ার করা যায় তা বুঝতে পারতেছি না!
মুভিটা সম্পর্কে দেখার মত আগ্রহ জাগাতে চাচ্ছি আবার
একটা কিছু টাইপ করার আগেই মনে হচ্ছে বেশি না বলে ফেলি!
ধারেকাছে এখন মাসুম ভাই কে পেলে ভালো ছিল,
জেনে নিতে পারতাম এ সমস্যায় কিভাবে কি করা যায়।
আচ্ছা, এখন মুভিতে ঢুকি।
নাম 'অবলিভিয়ন',
মাস চারেক আগে মুক্তি পাওয়া আমেরিকান সাই ফাই একশন এডভেঞ্চার মুভি। গত রাতেই দেখলাম।
আরেকদিন দেখতে বসেও দেখা হয়নি সাবটাইটেলের অভাবে।
যদিও ইংরেজি মুভি সাবটাইটেল ছাড়া দেখতে কেন জানি রিলাক্স লাগে না!
~সাগীর আলীকে মনে পড়ে ~
-------------------------------------------------------------------------------------------------
অতঃপর ,
নিন্দুকের ছোড়া একরাশ কাদা নিয়ে পুকুরে ডুব দিলেন , সাগীর আলী।
সমস্যা , গুলো ভেবে , ধীরে ধীরে , কাদা পরিষ্কার করলেন তিনি।
আশে পাশে তাকিয়ে দেখলেন কেউ নেই ,
পুকুর পারে নিরবে বসে রইলেন তিনি ,
পুকুর এর জল শান্ত হল, সাথে সাথে তার মনটাও।
মনে মনে ভাবলেন
" কাদা ছড়াছুড়ির এই ঐতিহ্য , আমাদেরকেই রোধ করতে হবে ,"
তিনি রাগ সংবরন করলেন ।
নিন্দুক লোকটাকে খুজে বের করলেন।
তারপর তার সাথে বন্ধুর মত চলতে লাগলেন,
কারনে , অকারনেই তার ভাল দিকটাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন।
লোকটা একদিন তার ভুল বুঝতে পারলেন ,
এভাবেই সমাজে আরেকজন ভাল মানুষ যোগ হলেন ।
-------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------------------------
অনেক দিন আগে মফঃস্বল সংবাদ নামে একটা ধারাবাহিক নাটক ছিল, অত জনপ্রিয় হয় নি।
মৃত্যু আমার অনেক প্রিয়
মৃত্যু আমার অনেক প্রিয়
আমি কখনও তাকে দেখিনি
শুধু দেখেছি যারা মুত্যুকে দেখতে পায়
তারা মুত্যুর সাথে চলে যায়।
তাদের এই চলে যাওয়া দেখতে দেখতেই
মৃত্যু আমার প্রিয় হয়ে ওঠে।
নিশ্চয়ই মৃত্যুর মধ্যে এমন কিছু আছে
যা দেখে সবাই, সকল মায়া-মমতা, সাজানো পৃথিবী
পেছনে রেখে চলে যায় মুত্যুর সাথে সাথে।
মৃত্যুর সাথে বন্ধুত্ব করতে আমার কোন রকমের দ্বিধা নেই
মৃত্যুকে ছুঁয়ে দেখার কৌতূহল আমার দীর্ঘ দিনের;
একবার মৃত্যুর সাথে দেখা হয়ে গেলে
আমি সবাইকে রেখে, একা চলে যাবো তার সাথে,
আমি কাউকে নেবো না আমার সাথে
আমি যে স্বার্থপর এই কথাটা তো পুরাতন!
আমার আকাশ দেখা(প্রথম পর্ব)
অনেক দিন বাদ আকাশের দিকে তাকালাম তাও আবার দক্ষিণ বারান্দায় দাড়িয়ে। সমান্তরাল নয় ১৫ ডিগ্রী থেকে ৯০ ডিগ্রী কোণে তাকালে আকাশটা দেখা যায়। না না ভূল হল ৯০ডিগ্রী পর্যন্ত তাকানো যাবে না,ছাদের ড্রপে বাঁধা আসবে। তাই সংশোধনটা করে নিলাম। নয়তো দুরবীন নিয়ে বসে থাকা মাস্টর ইকবাল নয়ত কানাডিয়ান পিঞ্জ লতিফুল কবির আবার ধরে বসবে। শালা চাপা মার। কি আর করব লতিফুল কবির, আমার বোনটা যে তোমাকে দিয়ে রেখেছি।
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আম্মাজান অনেক ঝামেলার মাঝেও আজকে শুধুমাত্র তোমার সৌজন্যে একটা ভালো সংবাদ পেলাম। তোমার জন্য একরাশ শুভকামনার সাথে কিছু বস্তুগত উপহারের ব্যাবস্থাও করবো।
তবে হ্যাঁ, তোমার পিতা মানে আমার শ্রদ্ধেয় দুলাভাইয়ের কাছে একটা ব্যাপক খানা-দানা পাওনা হয়ে গেলো। আমি জানি তিনি আমার এই স্ট্যাটাস দেখবেন আর মুখ চেপে হাসবেন। কারণ খানা-দানা তার অত্যন্ত পছন্দের বিষয়। শুধু উপলক্ষ দরকার। এইবার উপলক্ষের ব্যাবস্থা তুমি করছো আর খাওয়ার ব্যাপারটা আমি দেখুম। আহ ভাবতেই যেন কেমন লাগছে!
সবাই তোমার ফলাফলে অনেক খুশি। তাদের খুশিটা অনেকটা লাফালাফির পর্যায়ে চলে গেছে। বড়দের এইরকম শিশুসুলভ আচরন দেখতে ভালোই লাগে। অনেকটা বুড়ো বাবু স্টাইল।
তবে আমার উচ্ছাসটা তোমায় নিয়ে ভিন্ন ধরনের। আজ আমি নিজেই দেখে দিলাম তোমার খুব কাছের বান্ধবীর ফলাফল। এবং তারপর যা দেখলাম তাতে আমি মুগ্ধ। নিজের ভালো ফলাফলে তোমার যে আনন্দ তা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেলো কাছের বান্ধবীর খারাপ ফলাফলে। আর তখনই বুঝলাম শুধুমাত্র ভালো ফলাফল নয় তুমি ধীরে ধীরে ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠছো।
এ ,পি , ডি আফজাল মামু (প্রথম পর্ব)
কয়েকদিন থেকে আমার কি যে হয়েছে ঠিক বুঝতে পারছি না। কিছু না লেখতে পারার কষ্টটা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। অথচ আমার নতুন বাসার পরিবেশটা লেখালেখির জন্য চমৎকার। উত্তরার সাত নম্বর সেক্টরে ৬ তলা বিল্ডিংয়ের চারপাশে খোলা। আমি থাকি ষষ্ঠ তলায়,আশ পাশে দুতলার উপর কোন বাসা নেই। তাই তিনটি বারান্দায় বসলে আবারিত সমীরণে সর্বদা অবগাহন করি। শুধু বারান্দা কেন, জানালা বা বারান্দার দরজা খুলে দিলে পুড়ো বাসায় হাওয়ার লুকোচুরী খেলা আমাকেও তাতিয়ে তোলে লুকোচুড়ি খেলতে। লুকোচুড়ি না খেললেও ইফতারের পর একপাশে ছেলে শুলে আরেক পাশে মেয়ে এসে শুবে, আর ওদের চুলে আংগুল চালিয়ে বিলি কাটলে ওরা নাকি এমন মজা পায় যা নাকি ওরা বলতে পারে না, তবে অনেক মজা পায় এটা বলে। ফাক তালে গিন্নি এসে ছেলে বা মেয়ের পাশে গুটিসুটি মেরে শুবে। মাঝে মাঝে ওই যে বললাম খোলা জানালা দরজার অবারিত সমীরণ নিদ্রাদেবীকে ডেকে নিয়ে এসে আমাদের অনিচ্ছায় নিদ্রাপুড়ীতে নিয়ে চলে যায়। ঘুম ভাঙ্গে যখন তখন রাত সাড়ে এগার কি বার। তখন কার আর খাবার ইচ্ছা হয়। তবে তারাবির নামাজ মিস হবার আফসোস হয়। শুধু এশা র নামাজ পড়ি। আর আল্লাহ্র কাছে মাফ চাই। আল্লাহ আমি তো
বসরাই খাটি
যদি ধমক নাই দিবে
তবে বস গিরি কি হয়।
যতই তুমি কাজ করনা
ধমক সদাই রয়।
বস ইজ অলওয়েজ রাইট
সেই কবে থেকে শুনি
তাদের মাঝেও অনেক বস আছে
যাদের গুরুর মত মানি।
বসদের শিক্ষা বসদের ধমকেই
আজ মোরা এত পরিপাটি
পাহাড় সমান হার্ডল পার হই
বসরা তাই খাটি।
তরুণ রক্ত তাই বসের ধমক কাটার মত গায়ে বিঁধে। দিনে সাতবার চাকড়ি ছাড়ে। কাজে অনেক পাকা তাই অভিমানটাও বেশী। সন্তান তুল্য কলিককে সান্তনা দিতেই এই লেখা।

রঙ্গ রসের রঙ্গের বাড়ই অন্ধকারেই চাই।
অন্ধকারের এত রূপ কভু দেখি নাই
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
বাতায়নের দক্ষিন হাওয়া শিহরিত মনে
কথার মালায় কাটিয়ে দিব নিশি জাগরণে
দু চারটি নিহারিকা তব খোপায় গেথে
অন্ধকারেই দেখব তোমায় নয়নও জুড়াই।।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।
হাত বাড়িয়ে নিশি ধরব খেলব নিশির খেলা
খেলায় খেলায় সাঙ্গ হবে নিশি রাতের মেলা
কি দোষ হতো আজ নিশিটি শেষ যদি না হতো
রঙ্গ রসের রঙ্গের বাড়ই অন্ধকারেই চাই।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।
অনুধাবন .
বিপর্যস্ত ভালবাসা, পর্যুদস্ত মন,
অবশেষে নিলাম বুঝে,
ধার করা ভালবাসায়, চলেনা জীবন।
তবু, নির্বোধ মন, ভালবাসা খুঁজে,
হেথা-হোথা, এদিক ওদিক,
নেশাগ্রস্ততায় অবিরাম ছুটে দিক-বিদিক।
শূণ্যতা তবু, উঠেনা ভরে পূর্ণতায়,
মধ্যনিশির নিঃসংগতায়,
মন যে তাই কেঁদে যায়, অসীম বেদনায়।
নিঁখুত ভালবাসা, মণিময় আশা,
কাংখিত সবার, তবু অনেকেরই,
অযাচিত ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধতায়, হৃদ্য়-মন
কাঁদে সংক্ষুব্ধতায়।
কাঁদে মন অপ্রাপ্তির জ্বালায়,
কখনও বঞ্চনায়, কখনওবা আত্মপ্রবঞ্চনায়।
মনোমাঝে নিরাশা, বাঁধে যে বাসা।
ভালবাসার স্নিগ্ধতা বড় বেশী প্রয়োজন,
এ জীবনে বুঝি হবেনা পাওয়া,
এভাবেই কাটবে কি সময়?
এমন অনন্ত প্রতীক্ষায়?
কখনও কি হবেনা শেষ, ভালবাসার অণ্বেষণ?
জ্বলবেই কি নিরন্তর দহনে, প্রেমপিয়াসী মন?
নেশাগ্রস্ত মন তো অবিরাম, ছুটে দিক-বিদিক।
শূণ্যতা তবু, উঠেনা ভরে পূর্ণতায়।
মধ্যনিশির নিঃসংগতায়,
মন যে তাই কেঁদে যায়, অসীম বেদনায়।
শিরোনাম নাই
খুব মন খারাপ হয়ে গেলো। এমনিতেই আমি এক আঙ্গুলের টাইপিস্ট। লিখতে অনেক সময় লাগে। প্রচুর ভুল ভ্রান্তি হয়। বেশ কয়দিন মহা ব্যস্ত ছিলাম ঢাকা থেকে আসা বন্ধু'কে নিয়ে। তাই লিখতে বসা হয় নাই। আজ সময় নিয়ে বসে বেশ অনেকদুর লিখে ফেলার পর জানিনা কেমন করে কি হল আমার ড্রাফট লেখাটা সম্পুর্ন হারায়ে গেলো
বুঝেন এবার কত বড় গাধা আমি।
আমি সরাসরি এ বি'র বিষয়বস্তঃ বক্সে লিখি। ওয়ার্ডে লিখে আবার যাচাই বাছাই করার ধৈর্য নাই।