ঈদের চাঁদ
আয়রে ছুটে, দেখবি সবাই, চাঁদ উঠেছে চাঁদ
রমজানের ঐ রোজার শেষে, ঋদ্ধি ঈদের চাঁদ।
ঈদ মুবারক, ঈদ মুবারক, ঈদ মুবারক, ঈদ
শিশু কিশোর যুবা বৃদ্ধার টুটে গেছে নিদ।
নতুন জামা, নতুন কাপড়, পড়ব নতুন বেশ
সুগন্ধি লাগাব গায়ে টুপিতে ঢাকব কেশ।
নামাজ শেষ গরীব-ধনী করব কোলাকুলি।
ঈদগাহে আসব-যাব আল্লাহু আকবার ধ্বনি তুলি।
খরার কবলে পড়ে মাঠ ঘাট চৌচির
ফল ফসলে ভরে যায় ছোঁয়া পেলে বৃষ্টির।
তেমনি, পাপে তাপে নাজুক যখন দেহ, মন, প্রাণ
ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়, মাহে রমজান।
রোজা, নামাজ, তাড়াবি পড়ে সবাই নিস্পাপ
আঁধার রাতে শেষে যেন নতুন মাহতাব।
এটা খোদা তোমার বানী তুমিই পথের দিশা।
নিস্পাপ হয়ে ফিরতে পারি এই তো মনের আশা।
সুখে দুঃখে সকল সময় তোমায় যেন স্বরি।
না চাইলেও তুমি দিও সাফল্য মঞ্জুরি।
০৯/০৮/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা
৫ টি কবিতা
নিদ্রা
নগ্ন তুমি
তুমি গভীর ঘুমে
নিদ্রা ঢাকছে তোমার নগ্নতা।
নিদ্রা-এক
তুমি ঘুমে। তোমার ঘুমের মধ্যে জেগে থাকি আমি...
মন খারাপগুলো
সব কথা তো আর লিখে দিতে পারবো না
সমম্ভব না সব চুমু এক সাথে
তবু বিষন্ন এই বেলায়
চলে যাবার 'খন
আমার কাধে একটু মাথা রাখো
আমার মন খারাপের ওপর তোমার
শরীরের ঘ্রাণটুকু ছড়িয়ে দাও
সুগন্ধী হোক মন খারাপগুলো।
অবাধ্য মন ঘুমের ভেতর
ফুল হয়ে ফুটে,
ফিসফিস করে সেইসব কথা বলে দিতে পারি,
লিখে রাখা অসম্ভব!
আজকের লেখা কদিন পরই
উড়াল শিখবে, জানি-
আমি জানি
তখন এ-বাড়ি ও-বাড়ি
সকল বাড়ি হবে জানাজানি।
তার থেকে ভালো
মন খারাপ হয়ে থাকাটাই ভালো।
আমার মন খারাপের ওপর
তোমার চুল খুলে দাও
মন খারাপটা লুকিয়ে যাক তার ভিতরে।
ক্ষত
অন্ধকারের মধ্যে যে ছায়া, সে ছায়ার ভেতরেও ক্ষত আছে..
ফেরা
তোমায় দেখতে আসি, আমার বহুকাল
তুমি কেমন আছো?
জয়গুলো তো তোমার, তোমারই আছে।
তুমি কেমন আছো?
পেছনে পড়ে আছে অনেকগুলো গতকাল
তার ভেতরে ঘুমিয়ে আছো তুমি
তোমার পাশে কে?
অন্তর্যামী নাম
আমার অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
তবু আমি কিছুই জানিনা
ভোলামন মনরে আমার------
মইলে কোথায় ধাম।
মাটি পানি কাঁদার বিছানা
কেউবা ডুবে জলে
কেউবা আগুনে পুড়ে
কেউবা জন্তুর পেটে
শরীরটার তো হইল গতি
অন্তরের খাবার কি?
ভোলামন মনরে আমার------
জানিনা তার নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
মুসলমানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
পড়ে জামাত করে
ইহুদী খ্রীষ্টান গীর্জা প্যাগোডায় যায়
প্রতি শনি রবিবারে।
ভোলামন মনরে আমার------
সব অন্তরের একই বানী
সব আহলে কিতাবের
একই বানী
শুধু ভিন্ন ভিন্ন নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
হিন্দু বৌদ্ধও পুজা পাঠ করে
জপে হরিনাম
আরও কত শত জাতি আছে
জানিনা তাদের নাম
তারাও তাদের মত করে
ভোলামন মনরে আমার------
ডাকে প্রভুর নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
০৮/০৮/২০১৩খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা।
ছাইড়া না যায় পাছে
যেদিন আমি বুঝতে পারলাম
কইলচজার ভিতর কেউ আছে
তারে খাইতে দিলাম পড়তে দিলাম
ছাইড়া না যায় পাছে-- হায়রে
ছাইড়া না যায় পাছে।
কত স্বাদের খাবার খাওয়াই
যখন সে যা চায়
একটু এদিক ওদিক হলে
বড়ই কষ্ট পায়।
সোনা বড়ই কষ্ট পায়।
দেশ বিদেশে ঘুরলাম আমি-২
তার তুষ্টির আশে।
তব তাহার মন পাইলাম না
কি আর করার আছে-হায় হায়
কি আর করার আছে।
সুন্দর নারী সুন্দর বাড়ী
খুইজা দিলাম তারে
তবু তাহার মন ভরে না
শুধু খাই খাই করে – হায়রে
শুধু খাই খাই করে
আমার সকল কিছু শেষ করিলাম-২
তাহারি সকাশে।
তবু তাহার মন পাইলাম না
কি আর করার আছে-হায় হায়
কি আর করার আছে।
৮/০৮/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা
তোমার 'ঈদের' অপেক্ষায় থাকে কিছু মানুষ....তুমি কি জানো বন্ধু??
বেতনের টাকা হাতে পেয়েই উৎ্ফুল্ল শা্হেদ পা বাড়ালো শপিংয়ের জন্য।
বাসা থেকে বের হয়ে তিন রাস্তার মাথায় এসে দাড়ালো।
রিকসার কোনো খবর নেই।
অনেক্ষন অপেক্ষার পর দূরে একটা রিকসা দেখে ইশারা করলো।
কাছে আসতেই দেখল বয়স্ক চালক।
শাহেদ বললো: চাচা আপনি পারবেননা। লাগবেনা চলে যান।
বৃদ্ধ চালক খুব মন খারাপ করে বললো: বাজান আমি বুড়া দেইখা আপনারা যদি আমার রিকশায় কেউ না উঠেন তাইলে আমি প্যাট চালামু ক্যমনে
কথাটা শাহেদের অন্তরে গিয়ে লাগলো………………. ইফতারির সময় ও ঘনিয়ে আসছে।ভাড়া ঠিক না করেই উঠে পড়লো শাহেদ।
চলতে শুরু করল……..রিকশার চাকা ঘুরছে, সাথে সাথে শাহেদের মাথায় ও বিভিন্ন চিন্তা ভাবনা ঘুরপাক খাচেছ। কার জন্য কী কেনা যায়। বরাবরের চেয়ে একটু আলাদা হতে হবে এবার। ঈদের শপিং - একটু চমক থাকা চাই। ইত্যাদি ইত্যাদি ………..
রিকশা এগিয়ে চললো
গোধূলির আলো ছড়িয়ে ধীরে ধীরে আকাশের আডালে চলে যাচেছ দিনের সূর্য।আগত সন্ধ্যার মগ্নতায় নীরব হবে যাচেছ দিগন্ত বিস্তারী প্রকৃতি।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে ঘুম ঘোরে।
ক্ষতি কি ছিল খানিক হলে দেরী
এলেই যখন নিয়ে ভাল লাগার হাতে খড়ি
ক্ষতি কি ছিল খানিক হলে দেরী
ডাগর ডাগর নয়নে রেখে নয়ন
কি ইশারা করেছ বুঝিনি তখন
পিছন ফিরে যখন গেলে চলে
হেরিনু দীঘল কালো কেশ রেখেছ ছেড়ে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।
তপ্ত নিঃশ্বাস দিলে এলোমেল চুলে
না না ঝড় তুলে নি হেথা
ঝড় তুলেছে বুকে।
বারান্দা ছোয়া নারকেল পল্লবও
মুগ্ধ হৃদয়ে বলল চুপিসারে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে।।
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।
এই সে নিশি ভোর হবে কি
বল না সবাই বল।
নিশি কেটে গেলে হাড়িয়ে যাবে সে
কি হবে আমার ভাল লাগার মানষে,
হ্যাঁ হ্যাঁ টিকটিকি ঠিক ঠিক বলেছে
কি হবে আমার ভাল লাগার মানষে,
হে নিশি
আমার সাথে থাক না জেগে
সে আসবে,
সে আসবে নিশ্চয়ই শ্বশরীরে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।
০৭/০৮/২০১৩ খ্রীঃ
ইত্তেফাকের ঈদসংখ্যা ২০১৩ পাঠ প্রতিক্রিয়া
সবাই মোবাইল দিয়েই পোষ্ট লেখার কথা বলতেছে জোরেসোরে। আমি আবার মাটির মানুষ কারো কথাই খুব একটা ফেলতে পারি না। আর আমার লেখা পড়তে যারা চায় তাদের জন্য এই চোখে হাতে অসহনীয় ব্যাথা করে হলেও লেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। গুটি কয়েক মানুষও যদি আমার লেখা পড়ে ভালো লাগা মন্দ লাগা কাজ করে- তাহলে এরচেয়ে সুখের আর কী। রাতে তো জেগেই থাকি। সময়টাকে কাজে লাগানো যাক। তবে কাল মোবাইলে লিখতে গিয়ে নতুন এক সমস্যা আবিস্কার করলাম, তা হলো স্পেস টিস্পেস সহ মাত্র পাচ হাজার ক্যারেক্টার টাইপ করা যায়। খুব বেশি কিছু চাইলেও লেখা যায় না। পাচ হাজার যদি লিখিও দেখা যাবে আউট অফ মেমোরী। তাতে পুরো জিনিসটাই পন্ডশ্রম! যাক লেখা শুরু করি। ঝুকি তো থাকছেই আদৌ পোষ্টটা প্রকাশ করতে পারি কিনা!
আমার আকাশ দেখা(তৃতীয় পর্ব)
চোখের বা মনের হেলোসেনেশন যাই হউক না কেন মিতা নুর আজ আর এ পৃথিবীতে নেই। এটাই সত্যি। এত সুন্দর এত মায়াময় পৃথিবীকে ছেড়ে, যার পৃথিবীটা আমার বা আপনার বা সাধারনের চেয়েও অনেক অনেক বেশী আলোকোজ্জল, বর্ণিল ও মায়াময় সে কেন এভাবে চলে যাবে?
বুদ্ধম স্মরণম গচ্ছামি
[যে আমারে চিরদিন রাখিলো এ অপমানে অন্ধকারে
পূজিবো না, পূজিবো না সে দেবতারে]
প্রত্যেক অস্ত্রের পেছনে এক একজন মেন্ডেলা থাকে
লাঠি হাতে লেংটি পড়া গান্ধিও। তাই পৃথিবী জুড়ে দূরবর্তী
মানুষগুলো ভাতের বদলে বাবলা পাতা রেধে খায়।
করমচাঁদের মহাত্মা হবার দায় মেটাতে হয়নি কাকে?
হিন্দু হয়নি বাস্তুচ্যুত? ভাঙ্গেনি মসজিদ? শিখের তলোয়ারে
রক্তের দাগ এখনো কি মুছে গেছে? নুন আন্দোলনে মুছে গেছে সব?
অথচ আপনারা গান্ধী পুজা করেন; ছাগলের দুধ খান
যৌণতার ব্লিজার্ডে কিশোরীর নির্ঘূম রাত কাটে
আপনারা হাত তালি দেন, জিন্নার টুপির নিচে বস্তুবাদের
চেতনা কে মুছে দিয়েছে? কে বলবে সাহস করে, আমি মানুষ;
মানুষের পৃথিবীতে মানুষই বাঁচবে; শুধু মুসলমানের
হাতে জল খেলেই জগতের সকল প্রাণী সুখী হয় না।
আনন্দের মতো করে আরেক বার পৃথিবী বলুক-
যে মানব আমি সে মানব তুমি কন্যা
সেই বারি পবিত্র যা তৃপ্ত করে তৃষিতেরে
--------------------------------------------------
(খসড়া গদ্য)
বিলবোর্ডের উন্নয়ন সম্প্রচার
আওয়ামী লীগের প্রচারণা বিলবোর্ড সবগুলো দেখেছি এমনটা বলবো না, আমার চলতি পথের দুইপাশে সামান্য যে কয়েকটা নজরে এসেছে সেগুলোর বিশ্রী লাল রঙ, কম রেজুলেশনের বিবর্ধিত ফেটে যাওয়া ছবিগুলোর পাশে অনেকগুলো সংখ্যা লেখা, যে সংখ্যাগুলো আওয়ামী লীগের সাফল্যসূচক।
শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন, জিডিপিতে স্থিতিশীলতা , দারিদ্রবিমোচনে দক্ষতা এবং আরও অনেকগুলো সংখ্যাই সেখানে আছে, সংখ্যাগুলো চমৎকার কিন্তু যারা ভোক্তা- এইক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ, যারা মাথাটা ১৫ ডিগ্রী উপরে উঠিয়ে বিশাল বিশাল বিলবোর্ডে বিশাল বিশাল সংখ্যা গোনা সাফল্য যাচাই করে, আওয়ামী লীগের আশা, পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে দিবে, তাদের কাছে এই সংখ্যাগুলোর অর্থ অচেনা।
এই সংখ্যাগুলোর সাথে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের যোগাযোগ কোথায়? কিভাবে এই সংখ্যাগুলো তার জীবনযাপনে এক ধরণের উন্নয়ন বয়ে এনেছে? কেনো এই উন্নয়ন তার জীবনমানকে কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছে দিতে পারে, এসব প্রশ্নের উত্তর সেখানে নেই। ১৮ ফুট বাই ৩০ ফুট ক্যানভাসের লাল রঙএর পোস্টারের কোণে লেপ্টে থাকা সংখ্যাগুলো কেনো সাধারণ মানুষকে স্পর্শ্ব করবে?
বিষন্ন বাউন্ডুলের জন্মদিন
বাইরে ঝড় ঝড় বৃষ্টি,
সাথে হাওয়া মিষ্টিময়
তাপিত হৃদয়,
হল প্রাণময়
কি যে শান্তি বলিবার নয়।
মহিমান্বিত শবে কদরের রাত
এমন দিন জন্মদিন
কজনার হয়।
আরাফাত শান্তর পোস্টে জানলাম
আজ তোমার জন্মদিন, নামটিও জানলাম বর্ণ
তাও কিন্তু খোদা মিটেনি
মানুষের নাম শুধু বর্ণ তে সীমাবদ্ধ থাকে না
নামের রূপ রস গন্ধ বাড়াতে সবাই আরও কিছু টাইটেল লাগায়
আমাদের দেশের হুজুরদের নাম পড়তে তো মিনিট কয়েক লেগে যায়।
তোমারটাও হয়ত তাই হয়ত বা নাই
তাও যে টুকু জেনেছি তাই নিয়ে আপাতত খুশি।
আমরা বন্ধুতে সবাই উৎসাহ দেয়
তুমি যে একটু বেশীই দাও, কেন জানিনা।
বন্ধু আজ তোমার জন্ম দিন
কি দিব তোমায় উপহার
বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে হাত ভেজালাম
ভেজা হাতের তিলক ফোটা দিলেম
তোমার কপোলে,
হৃদয়ের অকৃত্রিম ভালবাসা দিয়ে
সাজালাম সমীরণও সাজে
আর কি দিব বল।
অসীম দয়াময়ের কাছে
দোয়া করলাম
রোজা রেখে
থাক সুখে, খাও দুধে ভাতে
হও সুখী
থাক সুখী
দিনে এবং রাতে।
বিষণ্ণ বাউন্ডুলের জন্মদিন ও আমার দিনকাল!
ভেবেছিলাম মোবাইলে পোষ্ট লিখবো না তাও সাহস করে লিখতে বসলাম। মোবাইল হ্যাং করার কারনে পোষ্ট না প্রকাশ করতে পারার হান্ড্রেড পারসেন্ট সম্ভাবনা নিয়েই এই পোষ্ট লিখছি। আড়াই ইন্চির স্ক্রীনে লিখতে গেলে ব্যাপক ধৈর্য তার সাথে চোখের ও হাতের অনেক ব্যাথা সহ্য করতে হয়, অনেকদিন মোবাইলে লিখি না তাই পারবো কিনা জানি না তাও চেষ্টা করি। দেখা যাক কী হয়!
নির্বাক আমার স্বর ফোটে না....
26.07.13
আমার আস্তিনের নীচে লুকোনো নখ
বিড়ালের মুখে ইঁদুর
অপার জলে ওড়াওড়ি সীগাল
মাঝে মাঝে ডাক দেয়, সু-দূর
আমার মুখে হাসি
বিষণ্নতার কবর
রমণের ইতিহাস নিংড়ে
জন্মের ক্ষণ খোঁজা, মনের চোখ থাকে বোঁজা
আমার মুক্তির স্বেদবিন্দু
বন্ধুর পথে বন্ধু
অপেক্ষার দুর্বিনীত প্রহর
ডানে বামে এলায়িত
দিকচক্রবাল
ডাকছে সমুদ্দূর...
--------------
প্রজাপতি ওড়া পাঁজরে
নবাগত অনুভব
দিচ্ছে চাপা বিগত দিনের
দুঃখ-হতাশা-ক্ষোভ;
ইথার জানে, জানে দোর ছাওয়া
কৃষ্ণচূড়া, ইসাবেলা-
দিন শেষে ওল্ড ইজ গোল্ড।
হাজারের সাথে আরো একশ পঁচানব্বই দিন
পুড়ে গেল ঠোঁট, সাথে ফুসফুসের জমিন,
বলতে পারিনি ইসাবেলা-
“তোমাকে ভালোবাসি না”।
সারস ডানায় বন্দী স্বাধীন পদ্য
প্রথম চুম্বনস্বাদ এখনো স্মৃতিতে অনবদ্য!
কতজন কত স্মৃতিতে বাচেঁ
আমি এখনো পড়ে আছি তোমারই গড়া ছাঁচে;
ক্লান্ত মন জপে যায় একই সুর
কাছে আসো পাশে বসো
আমার আদরের ‘দূর-বহুদূর’
এককথায় –সুদূরিকা...
এবার তো দাও দেখা!
০৫০৮১৩
কত সহজ উচ্চারণে বলে ফেলো
“ভালোবাসি না”
প্রতিদিনের শেকল ভাঙা গান
কে গায় তোমাদের জন্যে
ভর্তি যুদ্ধ
ভর্তি পরীক্ষার বিরোধিতা যারা করছেন তারা কিসের ভিত্তিতে করছেন, তার কারন গুলো জানতে ইচ্ছে হচ্ছে খুব। আজকের এই লিখায় যে বিষয় গুলো তুলে ধরেছেন তা হল, ১। ব্যয় বহুল, ২। কোচিং নির্ভর, ৩। পরীক্ষা দিয়ে ই তো ভর্তি যোগ্যতা অর্জন করে, আবার কেন পরীক্ষা। আগের ফলের ভিত্তিতে ই ভর্তি হউক। কথা গুলো খারাপ না, কিন্তু এতে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং পড়া শুনা নিয়ে যে ওনাদের কোন ধারনা নাই, তাদের ছেলে মেয়ে বা আত্মীয় সব্জনের ছেলে মেয়েরা ও শিক্ষা বোর্ডে র অধিনে পরীক্ষা দেয় না তা ই প্রতিয়মান হয়।
ঈদের আনন্দ
দেখতে দেখতে রোযা প্রায় শেষ হয়ে এলো। আর মাত্র কয়দিন বাকি। বিদেশে আমি কোন দিন ঈদের সেই মজা অনুভব করি না , যা কিনা পেতাম দেশে থাকাকালীন। সেই ছোটবেলা থেকে শুরু করে অনেক বড় হয়েও দেশে ঈদের আনন্দ কখনোই কম মনে হোতো না।