অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৫ জন অতিথি অনলাইন

গবিতা- দ্যা পোলা-ও / Ode - To Hash Lady

এবি'তে আইজকা এত নয়া নয়া পুস্ট দেইখা আমারো শখ চাগাইলো... অচিনদা অনেক আগেই কইছিলো বাফড়া শেষ। শেষ-মেষ তাই কারেন্ট টপিক্সেই হাজামাত করলাম। জিন্টু ঐদিকে খবর দিলেন পুলাপান নাকি কোবতে-ও নামাইছে আবেশের চোটে। আমি ভাবলাম আমিই বা বাদ যাই কেনো। তয় কথা হইলো গবিতা লিখতে গিয়া এই পয়লা টের পাইলাম যতিচিন্হে আমি অতি-পাকনা Wink । এইদিকে আবার বৃত্তের স্টাইলে ফেবুতে-ও হালকা স্ট্যাটাস-ও মাইরা দিছি লেখার। গবিতা লিখি বলে কি সাধ-আহলাদ-ও থাকবেনা??!!

======

চেখে দেখিনি, তবে নেহাত খারাপ লাগেনি পোলাও-টা
রাধতে দেখে।
ভালোই লেগেছে এই প্রথম উনাকে দেখে।
এই প্রথম উনাকে দেখে মুখটা তিতা হয়ে যায়নি
হেশেলে চুলটা বাধতে দেখে।

বলবনা ভাবিনি ''যাক, বেটি তাহলে এত দজ্জাল-ও না।''
ভেবেছি উনি ঐখানেই থাকছেননা কেন সবটা সময়
উনি ঐখানেই থাকছেননা কেন সবটা সময়
আলপটকা মন্তব্যের চেনা আতংকের গন্ডি ছেড়ে

আমন্ত্রণ

ছাদে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে ইমরান।পূর্ণিমার রাতেও আকাশের সেই তারা দুটো’কে এক নজর দেখার জন্য উদ্বিগ্ন ও।পৃথিবী থেকে মৃত্যুর অজানা,অচেনা,রহস্যময় জগতের অস্তিত্ব অনুভব করা যে যায়না এ সত্যটা কোনভাবেই বোঝাতে পারেনা নিজেকে।“ওই যে পাশাপাশি দুটো তারা দেখছ,ওরা তোমার বাবা আর মা”,ছয় বছর বয়সে চাচার মুখ থেকে শোনা কথাটি আজও অবিশ্বাস করতে পারেনা ইমরান।আজ ওর বাবা-মা’র বিবাহ বার্ষিকী।গভীর রাতে তাঁদের মিলনক্ষণে তারারা হয়তো নিজেদের বিসর্জন দিয়ে আলোকসজ্জার আয়োজন করেছে।আলোকিত আকাশের উজ্জ্বল তারাটাই হয়তো তাঁদের মিলনস্থল।ভাবতে ভাবতে চোখে পানি এসে গেল ইমরানের।দু আঙ্গুলের মাঝের লাল আলোটা নিভে যাবার উপক্রম।ঠিক তখনই ফোনটা বেজে উঠল।ইয়েস বাটনে চাপ দিয়ে ফোনটা কানে রাখল ইমরান।ওপাশ থেকে অসম্ভব মিষ্টি একটা কণ্ঠ ভেসে আসল,
“কেমন আছ?”

পাঁচ বছর বয়সে রোড এক্সিডেন্ট এ ইমরান বাবা-মা কে হারিয়েছে।তারপর ওর লালন পালনের দায়িত্ব নেন চাচা।তিন বছর পর তিনিও চলে যান।চাচীর নিষ্ঠুর ব্যবহার সহ্য করতে না পেরে একদিন বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যায়।আপন জনের ভালবাসা পাওয়ার সুযোগই মেলেনি ওর।

একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-৯)

পর্ব উৎসর্গঃ রমা চৌধুরী
একাত্তরে সব হারানো এই মহীয়সী নারী আজও সংগ্রাম করে চলেছেন বাঁচার তাগিদে কিন্তু মাথা নত করেননি কারো কাছে। অপার শ্রদ্ধা এই একাত্তরের জননীকে।

একাত্তরে মাদার তেরেসা

Mother Teresa.jpg

মাদার তেরেসা নামটি মনে এলেই শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসে। এ যেন সেবা, মানবতার আরেক রূপ! মাদার তেরেসা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। এই মহীয়সী নারী নিজে এমনই এক স্থানে অবস্থান করছেন যে তাকে নিয়ে আলোচনা করা রীতিমত দুঃসাহসের ব্যাপার। তবে একাত্তরে তাঁর অবদান নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করা যেতে পারে। সেই চরম দুঃসময়ে তাঁর অবদানের কথা বাঙালী জাতি কোনদিনও ভুলবে না।

'' এমন দিনে তারে বলা যায় , এমন ঘনঘোর বরিষায়।''

সারাদিন এক অদ্ভুদ শব্দের মাঝে আছি। রাতের অন্ধকারেও মনে হয় সেই আওয়াজ শুনছি। অনেকটা প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের ''পোকা'' গল্পের মতো। ঘটনা খুলেই বলি। সামারে এখানে এক অদ্ভুদ পোকা এমন আওয়াজ করে কান ঝালাপালা করে দেয়। উইকিপিডিয়াতে দেখি আবার এদের নিয়ে বিরাট আর্টিকেল দিয়ে রেখেছে। পড়তে গিয়েও ধৈর্য্য হলো না। বদজাত পোকা কোহানকার।

এই টাইপের আরেক ধরনের পোকা ইদানিং মাথা খারাপ করে দিচ্ছে তা হচ্ছে এই ব্লগের লোকজন। ব্লগে কেন লিখি না। পোস্ট দিতে কী হয় এই সব বলে। শান্ত আগে পোস্ট নিয়ে আফসোস করতো এখন কমেন্ট নিয়েও আফসোস শুরু করেছে। তাই ভাবলাম একটা পোস্ট দেই। আবার কবে দেই না দেই তার ঠিক নাই Tongue

ডুবে যেতে থাকা স্বপ্নেরা

লেখালেখির সাথে প্রায় আড়িই হয়ে গেছে ইদানীং, কেন জানিনা। তারপরেও হঠাত হঠাত মাথার পোকাগুলো নড়েচড়ে ওঠে। একটা দু'টো শব্দ একটা দু'টো লাইন মাথার ভিতর খেলা করে।
এরকমই কিছু লাইন সাজিয়ে ফেললাম অনেক অনেক দিন পর। সেটাকে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছিনা...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

P1080020.jpg

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

শালিকের চোখের কাজল মরে এলে;
পাখিগুলো সব ফুল হয়ে যায়।
কোমল শরীর নিয়ে ফুটে ওঠে অদ্ভুত সন্ধ্যায়,
বৃষ্টির ঘ্রাণ আর ভেজা ঠোঁটের ঘ্রাণ একাকার হয়ে যায়।
হাতের তালুতে আঁকা ভাগ্যরেখায় কাটাকুটি খেলার সাথী হয় অব্যক্ত যন্ত্রণা,
ডাইলিউটেড চোখের মণিতে ডুবে যেতে যেতে স্বপ্নেরা দপ করে জ্বলে ওঠে,
খুঁজে ফেরে খড়কুটো আর একটি নিশ্চিন্ত কাঁধ,
যেখানে অশ্রুরা নদী হয় পাহাড়ের কোল ঘেঁষে নামা ঝর্ণার ছায়া মেখে...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

"অগনন কুসুমের দেশে, নীল বা নীলাভ গোলাপের অভাবের মতন তোমার অভাব অনুভব করি!"

ঢাকা শহরে সাধ-সাধ্যের মাঝে শান্তি মতোন বাড়ি খুজেঁ পাওয়াই তো দুষ্কর। দক্ষিনা বারান্দা থাকে তো, রান্নাঘরের জানালা রইবে ঘুপচি মতোন, কিবা কমন স্পেস নয়তো শোবার ঘরের মাঝেই ইয়া চওড়া এক পিলার! তবে সাধ্যের মাঝে এই ছোট্ট ফ্ল্যাটটা বেশ ভালোই বলা চলে, হাওয়া-বাতাস চলাচল করে বেশ। সবচেয়ে ভালো কথা হলো একটা পাশে এখনো দালানকোঠা ওঠেনি তাই পুরোটাই ফাকাঁ বলতে গেলে। ঘরগুছানো রিমি’র পছন্দের কাজগুলোর একটা, কর্তব্যের খাতিরে নয়, ছোট্টবেলা থেকে পুতুলের ঘর-ঘর খেলার মতোই যেন আদর নিয়ে সংসারের খুটিনাটি কাজ করে ফেলে, এই করতে করতে আগামীকালের অফিস-ঘর দুইয়েই কাজের প্ল্যান সাজিয়ে ফেলে মনে মনে, কিবা কল্পনাপ্রবন মন পরতে পরতে করে নেয় স্বপ্নে্র বুনন। রান্নাঘরের গ্রীলের আগল গলে শরীর জুড়ানো বাতাস আসছে, ক্লান্তি দূর করে দেয়ার মতোই। কিন্তু আজকের সারাদিনের ধকলের কারনে কিচ্ছুতেই কিছু হচ্ছে না। ঘরদোর পরিষ্কার করে, কখন রান্নাটা শেষ করে সব গুছিয়ে তুলবে তবেই শান্তি। বুয়া সকালে কুটে বেছে না রেখে গেলে আজ রান্নাও বসাতো না, এখন সপ্তাহের রান্না করে তা ভাগে ভাগে ফ্রিজে তুলে সব গুছিয়ে তুলবে তবেই শান্তি।

আত্মজা

বিড়ালটা আসে। একে তুলতুলে বিড়াল বলা যায় যতটুকু, তার চেয়ে বেশি আদুরে। হাঁ, হৃদয়টাতে আঁচড় ফেলতে পারে সে। তার নখের আঁচড় কখনোই আমার উপলব্ধিতে ছিল না। সে কোলেও আসে না। গুটি গুটি ছুটে বেড়ায়। আমার দিকে যে তার মনোযোগ, সেটা বুঝে উঠি বলে, এক পরাবাস্তব বোধে আমি আচ্ছাদিত হই। সে আমাকে ছুঁয়েও ছোঁয় না। যেন মিটিমিটি হেসে উঠছে। আর দিনকে দিন এক প্রিয়তা এসে আমাকে মোহাচ্ছন্ন করছে। সে আমার হৃদয়ে দড়ি পেঁচিয়েছে।

একদিন বসেছিলাম বারান্দার আড়ালে। তখনো সাঁঝ সাঁঝ নামেনি। একটা চটুল জিজ্ঞাসায় তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। মনে মনে বললাম, কে গো তুমি। সে হাঁটু তুলে বসেছে যে! আমাকে খুনসুটি করতে দিতে নারাজ। কি হচ্ছে, তার নাকে-মুখে-চোখে? সে একটুও উত্তেজিত হতে দিতে চায় না কাউকে। মোহাচ্ছন্নতা কাটুক, আমিও কি তা চাই? বিস্ময় কেটে যায় আমার। আরে, এতো দেখি আমারই আত্মজা!

শ্রদ্ধার্ঘ্য!

আজ আটাশে জুলাই। নিঃসন্দেহে গুরুত্বপুর্ন দিন। কারন আজ চারু মজুমদারকে হত্যা করার দিন, ছফার অকস্মাৎ প্রয়ান দিবস, বিখ্যাত সাংবাদিক শাহাদাত চৌধুরীর জন্মদিন। আরো হয়তো কিছু থাকতে পারে, যা আমার জানা নাই। জীবিত লোকদের আমার কেন জানি ভালো লাগে কম। মরে যাবার পরেই তার সমগ্রতাটুকু আমার চোখে ধরা পড়ে বেশি। এই যেমন ধরেন শামসুর রাহমানের কবিতা আগে আমার খুব বেশী ভালো লাগে নাই। কিন্তু যেদিন উনি মারা গেলেন, আমার প্রচন্ড মন খারাপ হলো। উনার বাসা যেহেতু কাছেই, যাওয়া যায় কি না ভাবছিলাম। কিন্তু আর যাওয়া হয় নি। বন্ধুর কাছ থেকে সংগ্রহ করলাম শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠ কবিতা নামে এক বই। তাই পড়ে গেলাম খুব মন দিয়ে। খুব বেশি কাব্য রস আস্বাদন- আমার মেধাতে নাই। তাও এক দুর্নিবার আকর্ষন অনুভব করলাম পাঠে। আমার এখনও মনে আছে পরের দিন সম্ভবত ছিলো শুক্রবার। চ্যানেল আইতে গোলাম মর্তুজার উপস্থাপনায় সকালের অনুষ্ঠানে আব্দুল মান্নান সৈয়দ ছিলো। লোকজন কতো বড় আবাল! অনেকেই লাইভ অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা শুরু করলেন কবি কি ইসলামে বিশ্বাস করতেন?

আবারও কুড়ি বছর পরে

ঢের ছিল সেইসব সুদিন।
রোদ মাখা ভোর শেষে
দুপুরের ক্লাস ফেলে তোমার চুলের ঘ্রাণ,
হাসি মুখ মেখে
চির চেনা বিকেলের দেশ
সন্ধ্যার চায়ের কাপে ছিল মিশে।
ঢের ছিল তবু,
আমার গল্পটি ফুরল,
নটে গাছটি মুড়ল!

বলল সে, থাক সে কথা।
বিগত দশক জানে তার জীবনের ঋণ।
চিরহরিৎ অরণ্যও জানে
সকল মুগ্ধতার অবসর হয় এক দিন।

আমার প্রথম প্রেম

ক্লাস এইটে তখন আমি, সন ২০০০ইং। দুষ্টামি কানায় কানায় ভর্তি, তারপরও আমি ভদ্র হিসেবেই পরিচিত ছিলাম। ক্লাসে কেউ প্রেম-ট্রেম করত না, আমিই প্রথম করলাম আরকি।
ঘটনাটা এক প্রকার এইরুপ>>>

আয় আরেকটিবার আয়...

অনেক দিন ধরেই স্কুল নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো স্কুল নিয়ে লিখতে গেলে পাতার পর পাতা যদি লিখে ফেলি তবুও শেষ হবে না। অল্প পরিসরে স্কুল নিয়ে কিছু লেখা শুধু কষ্টকরই না, অসাধ্যও।

স্কুলে ভর্তি হওয়া নিয়ে আমার একটা কাহিনী আছে। প্লে গ্রুপে ভর্তি করানোর জন্যে আম্মু আমাকে নিয়ে গেলো সুরবাণী সংসদে। সেখানে আমাকে আমার নাম লিখতে বলা হলো। বাসা থেকে খুব করে নাম লেখা শিখে গেছিলাম। কিন্তু ওখানে গিয়ে কনফিউজড হয়ে গেলাম। “দ” এর হাঁটুটা ভাঙ্গবে কোনদিকে? ডানদিকে না বামদিকে। “দ” যদি ডানদিকে ভেঙ্গে লিখতে হয় তাহলে “ন” নিশ্চয়ই বাম দিকে ভাঁজ দিয়ে লিখতে হবে। কি লিখবো না লিখবো ভাবতে ভাবতে নিজের নাম “আনন্দ” না লিখে লিখলাম “আদদ্ন”। আমাকে আর সুরবাণী সংসদ ভর্তি নিলো না। মোটকথা আমি আমার জীবনের প্রথম এডমিশান টেস্টে কৃতিত্বের সাথে ফেল করলাম। আমার এডমিশান টেস্ট ফাঁড়া জীবনের পরবর্তী পর্যায়েও খেল দেখিয়েছে। সে কথা এখন না হয় থাক।

আমরা যখন নাস্তিক

প্রশ্নঃনাস্তিক অর্থ কি?
উত্তরঃAtheist.
উত্তর ভুল,নাস্তিক অর্থ Blogger
বিভ্রান্ত??সেটাই স্বাভাবিক।

হৈ হৈ..রৈ রৈ.কোথায় গেলি সব... আমায় ফেলে।।

হৈ হৈ..রৈ রৈ.কোথায় গেলি সব... আমায় ফেলে।।

বাহিরেতে উতাল পাতাল(২) হাওয়ায় সবই দোলে
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।

কোথায় যাব কি করিব (২) কি যে জবাব দিব
সামনে গেলে শরমে বুঝি মরেই আমি যাব।
হায় হায় মরেই আমি যাব।
কোথায় গেলি সখি তোরা
কোথায় গেলি সখি তোরা
যাস না আমায় ফেলে।
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।

সমুদ্রেতে ভাটা ছিল জোয়ার এসেছে
মাঝি মাল্লা মনের সুখে গান ধরেছে।
হায় হায় গান ধরেছে,
সেই জোয়ারে আমায় বুঝি কাবু করেছে
বুকের ভিতর ঠান্ডা গরম জ্বর এসেছে
হায় হায় জ্বর এসেছে।
কোথায় গেলি সখি তোরা
কোথায় গেলি সখি তোরা
যাস না আমায় ফেলে।
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।
২৬/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা
বাংলাদেশ

কামাল ভাইয়ের ইফতার পার্টি এবং আরাফাত শান্তর মন কষ্ট

REOSA এর ইফতার পার্টিতে যোগদান করেছিলাম ২০ জুলাই ২০১৩ তারিখে পাবলিক হেলথ অডিটরিয়ামে। পাবলিক হেলথ অডিটোরিয়াম থেকে উত্তরায় ফেরার পথের ট্রাফিক জ্যামের কথা মনে করে সিদ্ধান্ত নিলাম না আর এতদুরে কোন ইফতার পার্টিতে আসা যাবে না। তারই প্রতিফলন ঘটলো ২৪ তারিখের আই ই বির (IEB) ইফতার পার্টিতে যোগদান না করা। সত্যি কথা হল IEB তে যেতে আসতে যে সময় লাগে সে সময়ে আমি দিনাজপুর চলে যেতে পারি। এ নিয়ে আমার দেশী ও RUET এর বন্ধু প্রিন্সের সাথে কয়েক দিন আগে অনেক হাসা হাসি হল। ওর মেয়ের দল জাতীয় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম হল অথচ তাকে ইউস করতে যাওয়া হল না। কারন একটাই ওর বাসা আজিমপুর আর আমার উত্তরা। কি আর করা ফোনেই ইউস করলাম। অথচ এমন একটা সময় ছিল RUET ছুটি থাকলে একদিনও আমাদের দেখা হয়নি মনে করতে পারি না। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটা ইফতার পার্টিতে যোগদান করা হয়নি শুধু জ্যামের কষ্টের জন্য।

Those were the Days

সেই কৈশোরে গ্রাম থেকে চলে এসেছি। আজও গ্রামে গেলে ফেলে আসা দিনগুলি স্মৃতিকাতর করে তোলে। পুরনো বন্ধুদের সাথে কাটানো সময়গুলো পিছু ডাকে বার বার। সময় চলে যায় নিজস্ব নিয়মে কিন্তু কিছু কিছু মূহুর্ত, স্থান কখনও মন থেকে হারিয়ে যায়না। তেমনি কিছু কবিতা, গান নিমিষেই নিয়ে যায় অন্য ভুবনে, নস্টালজিক করে দেয়। এরকম একটি গান Those were the days.
গানটির কৃতিত্ব ‘জেনে রাস্কিন’ এর যিনি রাশিয়ান কবি Konstantin Podrevskii কবিতা থেকে তৈরি একটি রোম্যান্টিক গান Dorogoi dlinnoyu কে ইংরেজিতে রুপ দেন। সর্ব প্রথম ১৯২৫ সালে রাশিয়ান গায়ক Alexander Vertinsky এবং জর্জিয়ান গায়ক Tamara Tsereteli গানটির রেকর্ডিং বের করেন। কিন্তু ইংরেজী ভাষাভাষীদের মধ্যে গানটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে মূলত ১৯৬৮ সালে Mary Hopkins কণ্ঠে, যা দীর্ঘদিন ইউএস এং ইউকে সহ বিভিন্ন দেশের টপ চার্টে ছিল। গানটি তৎকালীন সময়ে এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে পরবর্তীতে Mary Hopkins আরও চারটি ভাষায় গানটি রেকর্ড করেছিলেন। স্প্যানিশ (Que Tiempo Tan Feliz), জার্মান (An jenem Tag), ইতালিয়ান (Quelli Erano Giorni), ফ্রেঞ্চ (Le temps des fleurs)

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ