অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

চলে এসো ... এক বরষায়

মাজেদা খালা দু’তিন ধরে ক্রমাগত ফোন দিয়ে ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ করে কেঁদে চলেছেন। প্রতিবার ফোনে ঝাড়া দুই মিনিট কান্নার মাঝে ৩০ সেকেন্ড পর পর একটু বিরতি দিয়ে হিমুকে বলছেন, তুই ভাল আছিস তো? হিমুর মনে হচ্ছে মোবাইল অপারেটরগুলো টক টাইম নয়, ক্রাইং টাইমের উপর কলরেট অফার করছে। দিনের যে কোন সময় কল করে ২ মিনিট কাঁদলে কলরেট সর্বনিম্ন। শুধু মাজেদা খালাই নয়, খালাতো ভাই বাদলও ফোন দিয়ে চুপচাপ ধরে থাকল। তারপর বলল, আজ হলুদ পাঞ্জাবি পড়েছি। বলেই ফোনটা টুস করে কেটে দিল। হিমুর মনে হল বাদল ফোন কেটে দিয়ে কাঁদছে। তাহলে কি বাদল অন্য কোন কলরেট অফার নিয়েছে!

কোন প্যাকেজে টকটাইম কী হিসেবে সেটা জানা হয়নি হিমুর। এখন পর্যন্ত রূপাই তার মোবাইলের ব্যালান্স ভরে দিয়েছে। হিমু দেখেছে ব্যালান্স থাকতে থাকতে কোনবারই তার রূপাকে কল করা হয় না। আর যখন রূপাকে কল করে, কল করা মাত্রই ব্যালান্স শেষ হয়ে যায়। রূপা কলব্যাক করে না তবে মোবাইলে ব্যাল্যান্স ভরে দেয়ার কাজটা রূপা নিজেই করে দেয়। রূপা অবশ্য জানে ব্যাল্যান্স শেষ না হওয়া অব্দি হিমুর কল আসবে না।

- হ্যালো...রূপা।
- এবার তোমার ফোনের ব্যাল্যান্স বেশ চলল তাহলে!

হুমায়ূন আহমেদ এর প্রতি

তোমারে দেখার স্বাদ জীবন সমুদ্রে আমারচাতক
পাখির মতো কুরে কুরে খেয়েছে ভীষণ
হে মহান কারিগন,নখত্রের শ্যামল ছায়ায়
তোমারউজ্জ্বলমুখ,দিগন্তে জাগায় ফল্গু ধারা;
অলস আঁধার কেটে জেগে উঠে ফুলের বিস্ময়

পৃথিবীর সব মৃত ব্রিখ প্রানে জাগিয়ে দিলেন
নতুন আলোর ধারা,তোমার বিনভ্র সরলতা,
শস্য হীন মাঠে জাগে চিরজীবী সোনালী স্পন্দন
চান্নি পসর রাতে জেগে উঠে নুহাশ পল্লীর
গল্মলতা

হে নিখুঁত স্বপ্ন দ্রষ্টা,তোমার নির্মম
উনুউপস্থিত বিপুল বেদনা লয়ে কাঁদায়
আমারে নিশিদিন।

অযথা প্রলাপ!

ভালো লাগছে না কিছুই। এমন কি এই ব্লগটা লিখতেও না। তাও কেনো লিখছি জানি না! লিখে হালকা হবার চেষ্টা। তবে চাইলেই কি আর হালকা হওয়া যায়, এইটাতো আর রোজা না যে কিছু কিছু কাজ কাম করলেই রোজা হালকা হবে, ঘুমালে টিভি দেখলেই কাজ সারা রোজা হালকা । মন হালকা করা খুব কঠিন কাজ। একবার সেখানে ক্লান্তি একঘেয়েমী ভর করলে সহজে মুক্তি নাই। অবশ্য আজ অনেকেরই সুখী সুখী মন খারাপ ছিলো। সবাই দুঃখ বিলাস করেই কাটালো। আমি শিউর এদের অনেকেই হূমায়ুন আহমেদ বেচে থাকলে কষে শুধু গালি দিতো, এখন তারাই ভক্তিবাদে আচ্ছন্ন করে রাখছে পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে ফেসবুক। হুমায়ূন আহমেদ সবাই পড়ে। আমিও পড়ছি। অনেক লেখাই পড়ছি। কিনে পড়ছি, ধারে বই মেরে দিয়ে পড়ছি, টাইমের সাথে পাল্লা দিয়ে পড়ছি, সদ্য কিশোর পার হওয়া চোখ দিয়ে পড়ছি, সেই আমলে বেশীর ভাগই পড়ছি। কিন্তু তাই বলে সেই পড়াকে মহান কিছু মনে করি না কখনও। এবং আজকে এসে আমি তাকে মহান প্রমান করতে চাইও না। যখন পড়ছি তখন সময়ের প্রয়োজন ছিল, এখন পড়ি না কারন এখন সময়ের প্রয়োজন নাই। পড়ার মতো অনেক কিছু আছে তাই পড়ি না আর। ব্যাস এতোটুকুই।

বদলে গেছি আমি...

একসময় তাবিজ দোয়া/ মন্ত্র তন্ত্রে পরিমানের তুলনায় একটু বেশিই বিশ্বাস ছিলো .

পরীক্ষার সময় কলম টাও দোয়া - দূরতের কবলেই থাকতো ..

এতো কারসাজির পরও পরীক্ষার ফলাফল হতো যেই কধূ সেই লাউ। তখন দোষ টা পুরো পুরি আমার উপরি পরতো , আর যদি আমি হালকা কষ্ট করে কোনো ভালো রেজাল্ট করতাম তাহলে সেই ক্রেডিট পুরোটাই লুফে নিত ওই দোয়া দোয়ায় নিয়ন্ত্রিত কলমটি।

খারাপ কিছুটা লাগলেও কলমের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরও গাড় হতো . Smile

হাতে ছিলো রং বেরং দামি দামি পাথরের আংটি .
আমার উপর নাকি শনির প্রভাব ছিলো , আংটির মাধ্যমে বৃহস্পতির সংস্পর্শে থাকবো যা শনির হাত থেকে আমায় রক্ষা দিবে।

আজ হটাৎ মনে পরলো সেসব কথা সত্যিই বদলে গেছি আমি এখন নিজেই শনি বানাই আর সুযোগ বুঝে নিজেই বৃহস্পতির ছায়ায় চলে যাই। এখন পাথর আর কলম আর দোয়া দূরত /মন্ত্র সন্ত্র তেমন এফেক্ট ফেলেনা আমার উপর্ .এখন সময়ের ঠেলায় নিজেই শিখে নিয়েছি কিভাবে গুনে ভাগে যোগ দিতে হয় এবং তার এলোমেলো ফলাফল কিভাবে গুছিয়ে নিতে হয়। সত্যিই বদলে গেছি আমি...

মায়াকানন

ময়মনসিংহ জেলা। এ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদী। নদীর দুই তীরে গড়ে উঠেছে হাজারও শহর বন্দর জনপথ যেমনটি সকল নদীর ক্ষেত্রেই ঘটে, কারন এক সময় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল নদী। নদী থেকে পাওয়া যায় কত রকমের মাছ যা তীরবর্তী জনপদের ভোজের রসনা মেটায়। নদীর উপর দিয়ে দুরন্ত বেগে ছুটে চলে ইঞ্জিন চালিত নৌকা, বড় বড় ব্যবসায়িক বজরা আরও চলে চিত্যবিনোদনের নিমিত্য নোকা বাইচ। আর এসব নদী নৌকা, মাঝি মল্লাকে নিয়ে কত হৃদয় জুড়ানো গান তৈরী হয়েছে তা কি লিখে শেষ করা যাবে। দৃষ্টির বাইরে চলে যাওয়া এ নদী দুইপাড়ের বাসিন্দাকে দিন রাত ২৪ ঘণ্টা বিনে পয়সায় দিয়ে যায় নির্মল বাতাস যা শরীর ও মনকে নিষ্কলুষ করে পবিত্র করে তোলে। তাই বলে সকল মানুষ কি এ নিষ্কলুষতার ছোয়া পায়। না পায় না, যদি পেত তা হলে এমন কি কখনও হত।

একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-৮)

আর্চার কেন্ট ব্লাড, যুক্তরাষ্ট্র

Archer Blood.jpg

একাত্তরে আর্চার কেন্ট ব্লাড তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন কুটনীতিক হিসেবে কাজ করতেন। সেই সময়ে তিনি ছিলেন তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ‘কনসোল জেনারেল’। একাত্তরে যে ক’জন বিদেশি আমাদের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম আর্চার কে ব্লাড, যাকে বাংলাদেশের যুদ্ধবিবেকও বলা হয়ে থাকে। ‘সৃজনশীল ভিন্নমতাবলম্বী’ হিসেবে পুরস্কৃত আর্চার ব্লাড নামটি মার্কিন কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

মেঘ-বৃষ্টি আর আলোর মেলা

ভাটিদেশের মানুষের বর্ষা বিলাস যেন, হয়ে উঠে নৌকা বিলাস। বিস্তীর্ণ জলরাশি--যে দিকে তাকাই জল আর জল। বারিধারায় সিক্ত প্রকৃতি। ছোট ছোট বাড়িগুলো যেন, এক একটা দ্বীপ। কাঁদা রাস্তায় পাদুকা হাতে নিয়ে গাঁয়ের মানুষের পথচলা। উজানের স্রোতে ভেসে আসা সর্বহারারা জল-কাঁদা মাখা রাস্তার দু’পাশে পোকা-মাকড়ের বসতি গড়ে। বর্ষাকালের আষাঢ় আর শ্রাবন--এ দু’মাস ভাটিবাংলার আকাশে মেঘের ভেলা আলো আঁধারীর নানা ছবির রঙে ভেসে বেড়ায়। গুরুগুরু গর্জনে, বিদ্যুতের ঝলকানিতে ঝড় আর বৃষ্টি, কোনদিন বিরামহীন মুসলধারে বৃষ্টি, প্রকৃতির ডোবা-নালা-খাল-হ্রদ-নদী-বিল-ঝিল-বাওর-হাওর-সমুদ্র জলধারাকে কানায় কানায় পরিপূর্ণ করে; তৃষিত ভূমিকে জলদানে করে পরিতৃপ্ত; তৃষ্ণার্ত প্রকৃতিকে করে শান্ত। যেন, প্রকৃতির মাঠ-ঘাট তথা ভূমি বর্ষাকালে পূর্ণ গর্ভধারণ করে মাতৃমমতায় জেগে উঠবে শরতে এবং মাঠ-ঘাট শত শত সহস্র কোটি সন্তানতুল্য শষ্যদানায় ভরিয়ে দিবে। গ্রীস্মের প্রচন্ড দাবদাহে প্রজ্জ্বলিত গ্রামীন জীবনে বর্ষা আনে অনাবিল শান্তি আর পরিতৃপ্তি, বর্ষা আসে স্নিগ্ধ সজল রূপ নিয়ে, ভেঁজা উর্বশীর পায়ের মল বাজিয়ে।

ঢাকা আমার প্রেম

দুই যুগ ধরে প্রবাসে কাটাচ্ছি। ঘুরে দেখেছি পৃথিবীর অনেক বড় আর বিখ্যাত শহর আর শহরতলী। দেখেছি অনেক সুন্দর প্ল্যান করে বানানো দালান কোঠা আর রাস্তা ঘাট। সব কিছুই ঠিক যেন সিনেমার পর্দার মত। কিন্তু কোথাও খুঁজে পেলাম না আমার প্রানপ্রিয় ঢাকা শহরের তুলনা।

আমার কাছে ঢাকা যেন কিশোর বালকের প্রথম প্রেমের উপলব্দি যা কোন দিন ভোলা যায় না জীবনে। যার সাথে পৃথিবীর আর কোন সুন্দরী নারীর তুলনা হয়না। ঐযে কথায় বলে যার যেথা ঘর। ঢাকা আমার কাছে প্রেম, ভালবাসা, ঘর, মোহ, আবেগ, বেড়ে উঠার সব মধুর স্মৃতি বিজড়িত এক মহা তীর্থস্থান।

কিশোর বালকের বেড়ে উঠার সময়ের মধুর স্মৃতি চিঽ হয়ত আর খুজে পাওয়া যায়না আগের মত। পুরনো শহর আর তার সেই ছোট খাট পুরনো দালান আর তেমন অবশিষ্ট নাই কিন্তু তবুও খুজে পাই সেই হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি যেন ঢাকায় গেলেই বাতাস সেটা উড়ে উড়ে মনে করিয়ে দেয়।
আমার সময়ের ঢাকায় এত মানুষ , গাড়িঘোড়া আর উঁচু দালান কোঠা ছিল না। মানুষ হয়ত এত কৃতিম ছিল না। দেশের রাজনীতি এত বিষাক্ত ছিল না। খাবার জিনিসে এত ভেজাল ছিল না । মানুষও এত পরিমানে ভন্ড আর মিথ্যাচার করতো না।

কবিদের নিয়ে

পাবলো নেরুদা ১৯৪৮ সালের দিকে নির্বাসিত জীবন যাপন করতে বাধ্য হয়েছিলেন। স্বদেশে তাঁর বিরুদ্ধে ছিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। কিছু সময় তিনি ইতালীতেও ছিলেন তখন। এইটুকু সত্য কাহিনী। এরপর একটু কল্পনার আশ্রয় নেয়া যায়।
1_5.jpg
পাবলো নেরুদা তাঁর স্ত্রী মাতিলদেকে নিয়ে চলে গেলেন ইতালীর ছোট্ট একটা দ্বীপে। সেখানকার মানুষগুলো অশিক্ষিত, মাছ ধরাই একমাত্র পেশা। সেই দ্বীপে থাকতে গেলেন পাবলো নেরুদা। ভক্তদের প্রচুর চিঠি আসে। ফলে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিতে হল একজন পোস্টম্যান। মারিও খানিকটা শিক্ষিত, বাবার মতো মাছ ধরতে তার ভাল লাগে না, তার একটা সাইকেল আছে। পোস্টম্যানের চাকরিটা হয়ে গেল মারিওর।
220px-CucccinotaIlPostino.jpg

হিমুর শোকে লক্ষ হিমু কাঁদে

হলদে রঙের পাঞ্জাবিটা গায়ে
ভর দুপুরে হাটে খালি পায়ে,
পার্কে বসে কাটে সারাবেলা-
হিমুটা না দারুন আত্মভোলা!

সবকিছুতে বেদম রসিকতা-
খেলার ছলে বলে গভীর কথা,
দাড়ির ফাঁকে হাসে মিটিমিটি-
চাঁদনী রাতে পড়ে রূপার চিঠি।

রাস্তা ঘাটে ঘোরে মহাপুরুষ
হৃদয় পটে আঁকে কাতর মানুষ!
বাসে ভালো জোস্না এবং কাক-
থাক সে কথা, গল্প হয়েই থাক।

হিমুর এখন মেঘের ওপর বাড়ি,
জোস্না ধোয়া চাঁদের সাথে আড়ি;
হিমু কি ঐ ধুসর জগত থেকে
এই নগরের খাঁ খাঁ দুপুর দ্যাখে!

কত্তো মানুষ এই শহরে থাকে-
হিমুর স্মৃতি কেইবা মনে রাখে!
কেউ কি জানে হলদে সোনা রোদে
হিমুর শোকে লক্ষ হিমু কাঁদে!

ফাদারহুড

মাসুম, মধ্যবয়সী একজন মানুষ। বিয়ে করেছিলেন মাস ছয়েক। বিয়ের আগের অগোছালো একজন মানুষ। জীবনজাপনে কোনো জীবনবোধ ছিলো না। প্রতিটি রাতের শুরু হতো নেশা দিয়ে। মদ, গাজা আর সিগারেটে কেটে যেতো প্রতিটি একাকিত্বের রাত।

একটি কাঠের চেয়ার; ঠায় দাড়িয়ে আছে অপরিষ্কার বারান্দায়। ধুলো জমে যার রং ই পাল্টে গিয়েছে। মাসুম ইফতার শেষে বারান্দায় দাড়িয়ে বিড়ি ফুকছে। কিছুটা অন্যমনস্ক ভংগিতে তাকিয়ে আছে ধুলোপরা ওই চেয়ারের দিকে। হঠাৎ ক্রিংক্রিং শব্দে মোবাইল বেজে উঠলো। বউ কল দিয়েছে বোধহয়!!!

পারেও মেয়েটা। অসীম ধৈর্য নিয়ে সর্বদা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিয়ের পরে এই মেয়েটা জীবনবোধই পাল্টিয়ে দিয়েছে।আজ বিকালে তো তার ডাক্তারের কাছে যাবার কথা। এই কলটা কি সেই আপডেট জানাবার জন্য নাকি গতানুগতিক? এই ভাবতে ভাবতে কলটি রিসিভ করলো মাসুম।

অস্ফুট স্বরে বললোঃ হ্যালো।

ওপাশ থেকে হাসির রিনিরিন শব্দে বললোঃ আসবা কবে?

কেন?

নাহ, এমনি। তোমার সাথে কথা আছে।

বলো।

না, মানে ডাক্তার বলছে সুখবর আছে।

প্রচন্ড মুডি মানুষটি হো হো করে হেসে বললোঃ তাই তো বলি বউ এত্তো লজ্জা পায় কেন?

বিস্রস্ত জর্নাল থেকে কিছু জার্নাল! (পর্ব ২)

আজ আমার মনটা খুব ভালো। ভালো থাকার অনেক কারন। প্রথম কারন পুরোনো কেসিংয়ে নতুন পিসির আগমন, মুজাহিদের ফাসীর রায়, আনন্দময় ক্লাস করতে পারা, দুইটা চায়ের দোকানে দুই সিরিজ দারুন আড্ডা, সব মিলিয়ে মন ভালো। তবে এতো দারুন ইফতারী খেয়েও পেটে কেমন জানি খিদা খিদা। এইটা আমি প্রায় সময় দেখছি প্রতি রোজায় বেশী খাই। সংযমের কোনো গন্ধ নাই কোথাও। সেহেরী আর ইফতারীতে এতো খাচ্ছি ক্লান্ত হই না মোটেও। সারাদিন চা খেতে পারি নাই এই দুঃখে এক সন্ধ্যাতেই চা খাই তিন চার কাপ। কপালে যা আছে আর কি! ঘুমেও সংযম নেই উঠি ১ টায়, ঘুমাই পাচটায়। রোজায় এতো ঘুমালে নাকি হালকা হয়ে যায় রোজা। কিন্তু কিবা করার আছে আমি তো অন্য কোনো সময় ঘুমাই না। তাই পুরো সকালটাই যা ঘুমাই। তবে এই অভ্যাস নিয়ে বাড়ীতে গেলে ঝাড়ি আছে নিশ্চিত। আম্মু যখন দেখবে সারা সকাল ঘুম, তখন বলে উঠবো এইভাবে রোজা রাখার মানে কি? তবে বাড়ি যাবো ঈদে, সবাই জিগেষ করে কবে যাবো? অনেকে বুদ্ধি দেয় আগেভাগে চলে যান। আমি বলে উঠি আগেভাগে কিভাবে যাবো? ক্লাস যে চলে!

লীগপন্থী ডানেরা কিংবা পিকিংপন্থী বামেরা

বাংলাদেশে মোটা দাগে জাতীয়তাবাদী পরিকাঠামোতে স্বাধীনতার ইতিহাস চর্চা হয়, দেশের বিদগ্ধ বুদ্ধিজীবী এবং ইতিহাসবিদদের প্রিয় এই জাতীয়তাবাদী ইতিহাস চর্চা প্রকল্প অনেকটাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রস্তাবিত ইতিহাস অনুসরণ করে।

আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে । জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্লেষিত ইতিহাসে আওয়ামী লীগের ভুমিকা, স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালনায় তার দলীয় নেতাদের দক্ষতা এবং সম্পূর্ণ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের নিয়মিত নিপীড়নের বাস্তবতায় জাতীয়তাবাদী ইতিহাস চর্চায় আওয়ামী লীগের অবদান ও অবস্থান আওয়ামী লীগের বর্তমানের নেতা কর্মীদের কাছেও স্বস্তিকর। তাদের সংগঠনের ঐতিহ্য এবং অর্জনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন, নেতৃত্ব প্রদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পালক। দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনের এমন ঐতিহ্য নেই।

মিষ্টি মধুর আলোর সূর্যের উদয় ঘটাবেই

বাড়ন্ত শরীরের কিশোর বা যুবক সন্তানের চলন্ত পথে তাকিয়ে বাবা মা বার বার থুতু ছিটান যেন বাবা মায়ের নজরও সন্তানের উপর না পড়ে বরং বার বার মনের অজান্তে অন্তর থেকেই দোয়া হতে থাকে হে সৃষ্টি কর্তা আমার সন্তানকে তুমি সকল বালা মশিবত থেকে রক্ষা কর। এই সন্তানের প্রতি কি যে ঐশ্বরিক মায়া,বিন্দু মাত্র কষ্ট পেলে, একটু হোচট খেলে সেটা সন্তান নয় যেন নিজের গায়ে বালকে নিজের অন্তরে লাগে। সন্তান তেমন লাগেনি বলে সান্তনা দিতে চাইলেও, বাবা মায়ের মন মানে না, তুমি এটা করতে গেলে কেন? নইলে তো তুমি এই ব্যথাটা পেতে না, হতো না। সন্তান কিছু হয়নি বললেও বাবা মায়ের মন কিছুতেই মানতে চায় না। আর যতই চেষ্টা করি আমার কি সাধ্য এ অনুভূতি লেখায় প্রকাশ করি। এ অনুভূতির ভাষা শুধু অনুভূতিতেই প্রকাশ করা যায়।

মায়া জালে বন্দী

মায়া জালে বন্দী হইয়া সাধের জীবন গেল বইয়া
একদিন যা ছিল আপন সবই হইব পর
ও আমার রঙিলা কইতর (২)

সোনার ময়না খুঁইজা খুঁইজা কাটাইলা দিন চক্ষু বুইজা
মাটির ময়না কাইন্দা মরে অন্তরের ভিতর
ও আমার রঙিলা কইতর (২)

যেইদিন পাখি যাইব উইড়া সোনার শিকল রইব পইড়া
আপন কইরা নিব তোমায় সাড়ে তিন হাত ঘর
ও আমার রঙিলা কইতর (২)

সেইদিন তোমার চক্ষু দিয়া দুখের নদী যাইব বইয়া
নিঠুর খাঁচায় পরান ভইরা কাইন্দো জনমভর
ও আমার রঙিলা কইতর (২)

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ