ইউজার লগইন
ব্লগ
মানুষের কাছে ঋণ, মানুষের জন্য ভালবাসা
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য; একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা?
ভুপেন হাজারিকার এই গানটা প্রথম শুনেছিলাম কোন একটা বাংলা ছবিতে।কিন্তু গানটা যে কত সত্য তা আমরা অনুভব করি প্রতিনিয়ত। তাই না চাইতেও দেখা যায় আমরা অনেক মানুষকে ভালবাসি এবং তাদের জন্য কিছু করতে অন্তর থেকে সাড়া পাই। আর এভাবেই জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা মানুষেরা একে অপরের ঋণ শোধ করে যাই।কিন্তু মানুষের কাছে যে ঋণ তা কি শেষ হবার? কিছু কিছু মুহুর্তে কিছু কিছু মানুষের কাজ অন্য আরেক মানুষকে আজন্মের জন্য ঋণী করে দেয়।শুধু অন্তর থেকে বয়ে আসা পবিত্র শ্রদ্ধায় এসব মানুষকে প্রতিনিয়ত স্মরন করে যাই আমরা। কারন কোন কিছুতেই যে এ ঋণ শোধ হবার নয়।
নিসর্গের বুক চিরে ছুটে চলেছি
বর্ষার কি এক গূঢ় মন্ত্র আছে―ঘোর লাগা প্রকৃতির পরতে পরতে শিহরণ বুনে রাখে!
হাল আমলের কবি এবং একজন মূর্খ
[আমার এক কবিবন্ধুর লেখা থেকে যে নিজেকে কবি/ লেখক বলে মানতে চান না । নিজেকে একজন পাঠক ছাড়া অন্য কিছু মনে করেন না । যে কারণে লেখকের নামটা দেয়া গেল না ।]
আমার কবি বন্ধু নুরুল ইসলাম ঠাকুর নুরু। রবি ঠাকুরের পর আর এক ঠাকুর- ভিষণ কবি; জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তার কাব্যিক মহিমা। ডেকে বললেন- ওরে অর্বাচিন! কিছু তো শিখলি নে- যা ছিলি তাই রইলি- মূর্খ।
প্রবাসী বাঙালনামা
ব্লগ না থাকলে এত পদের মানুষ দেখা হতো না। বাংলা ব্লগ মানুষ এবং মানুষের ভন্ডামী প্রকাশের সবচেয়ে সাবলীল মাধ্যম। মানুষের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা আছে, ক্ষুদ্রতা আছে কিন্তু হাতে কিবোর্ড আর ব্লগে লেখার এক্সেস থাকলে এরা সবাই মহাপুরুষের খোলস লাগিয়ে কিবোর্ড হাতায়।
লেখা যে অর্থে চরিত্র নির্মাণ, সুতরাং কিবোর্ড হাতে নিয়ে সবাই নিজের সৎ চরিত্র নির্মাণের বিভিন্ন প্রচেষ্টা করতে থাকে, এবং কয়েকদিন পরে এরা আবশ্যিক ভাবেই ধর্মপ্রচারে লিপ্ত হয়, তাদের ব্যক্তিগত ভালো লাগা মন্দ লাগাকে সামষ্টিক ভালো লাগা মন্দ লাগায় পর্যবসিত না করা পর্যন্ত এর বিরাম নেই।
স্বাদ বদলাতে থ্রিলার
থ্রিলার দেখার মজাই আলাদা। সিরিয়াস ছবি দেখতে দেখতে স্বাদ বদল করতে থ্রিলারের জুড়ি নেই। থ্রিলারের মধ্যে ক্রাইম থ্রিলারই বেশি পছন্দ। ক্রাইম-স্পাই থ্রিলার আরও বেশি পছন্দ। কিন্তু ভাল, খুব ভাল ক্রাইম-স্পাই থ্রিলার পাওয়া সহজ না।
একসময় জেমস বন্ড ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে দেখতাম। ক্রাইম, স্পাই ও সুন্দরী নারীর মিশেল এই জেমস বন্ড। কিন্তু এখন জেমস বন্ড পানসে লাগে। মনে হয় রূপকথা দেখছি। আর এই যুগে যে আগের ধারার জেমস বন্ড চলবে না সেটি এখন প্রতিষ্ঠিত।
জেমস বন্ডকে বড় আঘাত দিয়েছে বর্ণ সিরিজ। নি:সন্দেহে জেসন বর্ণ জেমস বন্ডের চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। আমার ধারণে মুভিলাভাররা এই সিরিজের তিনটি ছবিই দেখে ফেলেছেন। যারা স্বাদ বদলাতে চান, তাদের জন্য বর্ণ সিরিজ অবশ্যই দেখার তালিকায় থাকা উচিৎ। বর্ণ সিরিজ মূলত স্পাই থ্রিলার। এক সাবেক সিআইএ খুনীর নিজেকে ভুলে যাওয়া নিয়ে মুভি।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি-৪
যুদ্ধের তীব্রতা যতো বাড়ছে, দেশ স্বাধীনের ক্ষণ যেন ততোই ঘনিয়ে আসছে। পাক হানাদারদের অমানুষিক অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-হত্যার মাত্রাও যেন ক্রমে বাড়ছে। এতে দেশের মানুষ কিছুটা বিচলিত হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের কঠোর মনোবল ভাঙতে পারেনি। যুদ্ধকালীন একটি- স্লোগান মনে পড়ছে। খুব সম্ভব স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো- ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’। দেশকে হানাদার-আলবদর মুক্ত করার যুদ্ধ চলছে ৯ মাস।
বৃষ্টিতে আর ভেজা হয়না
এক সময় খুব বৃষ্টিতে ভিজতাম। বাসা থেকে বেরিয়ে পড়তাম দুজনে। ঘন্টা হিসাবে রিকশা নিতাম। ঘন্টা ২৫/৩০ টাকা। ঝাউতলা থেকে পুলিশ লাইন, রেসকোর্স, শাসনগাছা বাস স্ট্যান্ড পেরিয়ে ডানে মোড় নিতাম। ব্রাক্ষনপাড়া/বুড়িচংয়ের রাস্তায় কিছুদুর গেলেই গোমতি নদী। নামেই নদী। খালের চেয়ে সামান্য বড়। ভরাট হয়ে গেছে সেটা। দুপাশে আবার দখলও হয়েছে। বর্ষাকাল হলেও সামান্য পানি থাকতো তাতে। তার পাশ দিয়ে রিকশা নিয়ে ছুটতাম। চুপচাপ তার হাত ধরে বসে থাকতাম। গল্প করতাম। হঠাৎ করে গলা ছেড়ে বেসুরো গলায় গান গাইতাম। মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতো সে। ঠান্ডার বাহানায় সেঁটিয়ে আসতো আমার দিকে। কদাচিৎ এদিক সেদিক তাকিয়ে জড়িয়ে ধরতো আমায়...
আমার যাদুমনি (১৬)
সব মানুষের রুহ-ই নাকি একই সময়ে তৈরী, কেবল এক একজনের জন্ম এক এক সময়ে। সেজন্য-ই নাকি যত দিন পেরুচ্ছে, তত-ই বাচ্চা'রা ছোট থেকে সব্জান্তা টাইপ হয়ে যাচ্ছে।
আমি মাঝে মাঝে ঋহান এর বুদ্ধি দেখলে অবাক হই (মাশাল্লাহ), এইটুকু বাচ্চা এগুলো বুঝে কিভাবে, কে জানে!
যাইহোক, আজকের ছবি গুলো "পড়ুয়া ঋহান" এর ছবি
আমি পড়তে বসলেই আমার বই-খাতা-কলম নিয়ে এমন করা তার জন্য আজ-কাল বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে 
মনযোগ সহকারে খাতার লেখা পড়ছে মাষ্টার ঋহান (খাতা কিন্তু উলটা
)
লেখা দেখা শেষ!
অদ্ভুত আঁধার এক .............
অদ্ভুত আঁধার এক
এই দেশে এসেছে আবার !
আমার বোনের দেহে
গুরুর লোলুপ ক্ষুধা
নিবারিত হয়েছে এবার !!!!!
আরো বেশী মরে গেছি
নারীর বেদনা দেখি
বোঝে নাই নারী !!!!!
লোলুপ গুরুর মাথা
আরেক গুরুর ছাতা
যোগায় সাহস !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
হায় রে পদের লোভ !!!!
এই বার এরা দেখি
খুলেছেন আঁধারের
মহাপাঠশালা !!!!!!
এমন আঁধার পাঠ
কোন কালে কোন দেশে
মেলেছিলো এতো ডালপালা ?
জেগে ওঠা বিবেকের
মহাসমাবেশে
আঁধারের ক্রর হাসি
আসিতেছে ভেসে !!!!!!!!!!!!!!!!!!
তবুও বিবেক আর
মানবে না হার !
যতোই রাঙাক চোখ
নতুন আবাস গড়া
নিকষ নিঝুম এই
গহীন আঁধার !!!!!!!!!!!!!!!!!!
আর একটা আজাইরা জোকস......... :D
এই জোকসটাও ফেসবুক থেকে পাইছি।
জোকসঃ
গার্লফ্রেন্ডের পরপর ২ sms এ বয়ফ্রেন্ডের পরপর ২বার heart attack
প্রথম smsঃ
চল আমাদের রিলেশন ভেঙ্গে দেই। আমি তোমার প্রতি মন থেকে আগের মত আর feelings পাচ্ছিনা।
......২য় smsঃ
সরি! সরি!
এই sms টা তোমার জন্য নয় !!!!!!!!!
বিঃদ্রঃ এই জোকসটা শুধুই ফান করার জন্য দেয়া হইছে। কারো ভাল না লাগলে আগের থেকেই সরি বইলা নিলাম। 
একটি আংটি এবং ভালবাসা!
হঠাত্ করেই লোডশেডিং। গতবছর গরমের চাইতে এবার ঢাকা শহরে লোডশেডিং এর প্রবনতা বেশ কোম। কিন্তু লোডশেডিং এর এই দেশে লোডশেডিং ছাড়াও যেন কেমন, কেমন লাগে! তারপরও প্রায় ঘন্টা দুয়েক হবে বিদুত্ গেছে। বেশ অনেকদিন পরে লোডশেডিং বলেই কি আসার আর নামই নাই? পরে শুনতে পেলাম ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়াতে এই দশা! রাত সাড়ে এগারোটা মত ঘড়িতে। কিছুক্ষণ আগে ঝুম করে একটা বৃষ্টি হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হলেও প্রকৃতি কিন্তু এখন বেশ চুপচাপ। হঠাত্ করেই ছাদে যেতে ইচ্ছে হলো, প্রকৃতির এই চুপচাপ মায়াজালটা দেখার জন্য আর হাজার বার না পারা একটি কাজ সম্পূর্ন করার জন্য।
এমন লাগে...দেউলিয়া
অক্ষরের উপর চোখের জল ঝরে পড়া, এমন তো ঘটেই থাকে। কত কাগজ ভিজে থ্যাবড়ে গেছে! কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলার সাথে বড়জোর চোখজ্বলা, মনের সুখে কান্না আর কোথায় তেমন হয়! তাই সম্ভবত প্রেমের ভালোবাসার গল্পগুলো ভার্চুয়াল বন্ধুত্বের মতোই ঠুনকো। পকেট টেলিফোন ইনডেক্স মেমোরিতে কিছু নাম্বার টুকে ঘনিষ্ঠদের তালিকা তৈরী হতো সহজেই - ফেসবুক এ ২০০, মোবাইলে ৫০০ সব না কি বন্ধু, খেই হারাই; ইমেজ তৈরীর আগেই ভুলে যাই। দিনশেষে মোবাইল হাতে বেস দেখি নিজের ক্লান্তিটুকু বলবার মতোও আদতে কোথাও কেউ নেই। রঙহীন স্বপ্নের মতো, গন্তব্য ছাড়া গতির মতো - এ এক অদ্ভূত বয়ে চলা যেখানে ডান হাতও বাম হাতের অগম্য। মানুষে মানুষে দূরত্ব ছাড়া তৈরী হবার কিছুই অবশিষ্ট নেই। চূড়ান্ত কিছু দেখবার আশায় দেউলিয়া হয়ে বসে আছে সবাই - এমন লাগে...
.....পাবলিক ভদ্রতা শিখবে কবে ..... X(
মাথায় রক্ত উঠে আছে, কিছুক্ষন আগে পাওয়া এক ইমেইল পাবার পর। বাংলাদেশ থেকে একজন ইমেইল করেছেন, মোটামুটি বংগানুবাদ হচ্ছে:
জনাব.....
আমি অমুক বাংলাদেশ থেকে বলছি। জেনে খুশি হবেন যে আমি আপনার ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে আসছি। দুর্ভাগ্যবশতঃ আমি থাকার জন্য কোন স্থান পাচ্ছি না। আমার একটা বাসা/স্থান দরকার যেখানে আমি এসে থাকবো আর পরে আমার ফ্যামিলী এসে আমার সাথে জয়েন করবে। এ ব্যাপারে আপনার হেল্প করার থাকলে জানাবেন।
.......................
পুরা চিঠিতে ভদ্রতার লেশমাত্র নাই। একজন অপরিচিত মানুষকে প্রথমবারের জন্য চিঠি লেখলে নিজের পরিচয়, বৃত্তান্ত দিতে হয় সেই ফর্মালিটির ধারে-কাছে নাই। গৎবাধা কথা, "জেনে খুশি হবেন.......।" সে কি শ্যালক হয় যে আমি খুশি হবো?
মৃত্যু জানে বন্ধুতা কারে কয়...
এক.
আমাকেও জাপটে ধরেছে মৃত্যু বলিহারী। কোনভাবে বাউলি কেটে সরে যেতে চাইলেও, মৃত্যুর সংখ্যাতত্ত্বরে ছেড়ে যাওয়া হয় না। সম্ভাব্য তালিকাও ধীরে ধীরে বর্তমান হয়। অতএব আমি আর মৃত্যু নিকটবর্তী প্রতিবেশীর মতো বসবাস করতে শুরু করি।
মৃত্যু কখনো স্থিরতা জানে নাই...সে চারপাশ-নাগপাশ জানে। আমি বুঝতে পারি আলোকের মতো চেহারার মৃত্যু আমারেও ঘিরে ফেলে।
দুই.
মৃত্যুর সাথে চুক্তি করে ফেলি, যেইদিন কারখানা চালু হবে সেইদিন তারসাথে দেখা হবে। তারপর সখ্যতা। মৃত্যুর চে কে বেশি বলো আর ভালোবেসেছে আমায়।
তিন.
একলা হলেই মৃত্যু এসে ভর করে কাঁধে। তারে নিয়ে সামাজিক চলাফেরা ঝামেলার মনে হয়। তবু তার নূরানি বদন ভালোবাসি বলে তাড়ানোর ইচ্ছা হয় নাই কোনোকালে। একলা আমি আর একলা মৃত্যু মিলে ভালোবাসাবাসি।